নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পথের দাবী

পথের দাবী

পথের দাবী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এত লাশ গেল কোথায়.........???

০২ রা মে, ২০১৩ ভোর ৬:৪৭

গত ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা এটাকে দূর্ঘটনা না বলে হত্যাকান্ডও বলতে পারি।কারন আমরা সবাই জানি, যেদিন ঘটনা ঘটে তার আগের দিনই বিল্ডিং এ ফাটল দেখা দেয়। বাংলাদেশ ইন্ড্রাষ্ট্রিয়াল পুলিশ এসে সেটা বন্ধ ঘোষনা করে। পরের দিন শ্রমিকরা সেখানে প্রবেশ করতে চাচ্ছিল না, বরং তাদেরকে কাজে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এখন আসল কথায় আসি। আমরা জানি ঐ গার্মেন্টেস এ প্রায় চার থেকে সাড়ে চার হাজারের মত শ্রমিক কাজ করত। এখানে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার আর মৃত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে চারশত তের জন, কারো কারো মতে চারশত বিশজন। প্রথম দিকে পুলিশের কাছে নিখুঁজের যে তালিকা ছিল সেখানে নিখুঁজ দেখানো হয়েছে এক হাজারের কিছু বেশী। গতকাল সেনাবাহিনীর একটি দল সংবাদ সম্মেলন করে নিখুঁজের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে নিখুঁজের সংখ্যা দেখানো হয়েছে মাত্র একশত পঞ্চাশজন। অবাক করা ব্যপার।কয়েক দিন আগেও যেখানে নিখুঁজের সংখ্যা ছিল একহাজারের মত সেখানে হঠাৎ এ সংখ্যা এত কমে গেল কিভাবে.................... ???/:)/:)

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মে, ২০১৩ সকাল ৯:০৮

রাজ হাসান বলেছেন: এ সবই হচ্ছে উপরের তেলেসমাতি

২| ০২ রা মে, ২০১৩ সকাল ৯:৫২

ইব্রাহীম খালিল বলেছেন: এত লাশ গেল কোথায়.........????

৩| ০২ রা মে, ২০১৩ সকাল ৯:৫৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই অধ:পতনে যে সব অফিসাররা ভূমিকা পালন করছেন- ইতিহাসে তারা ঘৃনিত হয়েই থাকবেন।

শেষ একটা ভরসার স্থান ছিল সেনা। তারা মিথ্যা বলে না, তারা সরকারের তোষামুদি করে না। বলং সরকারই তাদের ভয় পায়!!!

কিন্তু একি মোসাহেবী!!!! ছিঃ


৪| ০২ রা মে, ২০১৩ সকাল ১০:৪৩

ইসপাত কঠিন বলেছেন: আমার ধারনা আপনি ভুল ভাবছেন এবং আপনার এখানে দোষও নাই কারন এমন ভাবা স্বাভাবিক।

অনেকগুলো বিষয় এখানে খুব ভালো করে চিন্তা করতে হবে। তার আগে চলুন ২টি ঘটনায় আমরা নজর দেই।

প্রথম ঘটনা - একজন তার স্ত্রী ভেবে একজন মহিলাকে কবর দেন এবং পরবর্তীতে তার স্ত্রী হাসপাতাল থেকে ফেরত আসলে উনি পাওয়া ২০০০০ টাকা ফেরত দেন। তার সততার স্বীকৃতিস্বরুপ তাকে ৫০০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উনি যার লাশ দাফন করেছেন সেটা কার লাশ তা কিন্তু আর জানা হলো না। এবং এখানে একজন পার্মামেন্ট নিখোঁজ থেকে যাচ্ছেন। এরকম ঘটনা আরো কয়েকটি ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারন সবাই কি আর ঐ লোকটির মত সৎ?

দ্বিতীয় ঘটনা : ২/৩ দিন আগে একজন লাশ নিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে ২০০০০ টাকা মেরে দেওয়ার চেষ্টাকালে ধরা খেয়ে গনপিটুনি খেয়েছে। এরকম ঘটনাও আরো ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

এবার আসি কিছুটা বিশ্লেষনে। ভবনটি ধ্বসে পড়ার পরপরই অনেককে উদ্ধার করা হয়েছে। অনেকে কোনমতে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। এদের কয়জনই নিজের মোবাইলটা নিয়ে আসতে পেরেছে? এবং তারা বিভিন্ন হাসপাতালে ছিলেন, হয়ত যোগাযোগ করতে পারেন নি বেশ কয়েকদিন। হয়ত জ্ঞান ছিলো না। এদের অনেকের আত্নীয়-স্বজন হয়ত সব হাসপাতালে খোঁজ করতে পারেনি। যার জন্য নিখোঁজ তালিকায় নাম উঠিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তারা কি ঐ তালিকা থেকে নাম কাটিয়েছিলেন? আমরা কি অত দায়িত্ব সচেতন এখনো হতে পেরেছি?

আবার অনেকে লাশ পেয়েছেন। কিন্তু নিখোঁজ তালিকা থেকে হয়ত নাম কাটান নি, বা ওখানে নিয়োজিত লোকজন নাম কাটাতে পারেন নি। শত শত লাশের ভিড়ে, এবং কান্নায় ভেংগে পড়া লোকজনের কাছ থেকে হয়ত সঠিক ভাবে তথ্য নেওয়া যায়নি। সব হারানো মানুষগুলোর সাথে সঠিক নিয়মনীতি অনুসরন করা হয়ত জেলা প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব হয়নি। আপনারা তো জানেন, অধরচন্দ্র স্কুল মাঠে জেলা এবং পুলিশ প্রশাসন কাজ করছিলো।

এমন ঘটা কি অসম্ভব? হয়তো পরবর্তীতে সেনাবাহিনী, বা পুলিশ, বা জেলা প্রশাসন বা সবাই মিলে নিখোঁজ তালিকা ধরে ভালো করে খোঁজ খবর নিয়ে সর্বশেষ তালিকাটি করেছেন। এরপরও কিন্তু তালিকা ছোট হবে। কারন জুরাইনে দাফন করা ৩৮টি লাশের স্বজনদের কাছে কিন্তু তারা নিখোঁজ।

আমার কি খুব অযৌক্তিক কথা বললাম? এর পর কি আপনাদের রাগ-অভিমান বা ভুল বোঝার অবসান আশা করতে পারি?

৫| ০২ রা মে, ২০১৩ সকাল ১০:৫৮

ইসপাত কঠিন বলেছেন: আমার বক্তব্যের প্রথম ঘটনার স্বপক্ষে একটি খবর দিচ্ছি। যদিও সূত্রটি আমাদের সময় পেপারের এবং পেপারটির বিশ্বাসযোগ্যতা খুবই কম।

ভুল করে লাশ দাফন এবং সততার পুরস্কার

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.