নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবনকে যারা উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যে বিষয়গুলো নিয়ে লেখার চেষ্টা করি- মোটিভেশনাল গল্প-কাহিনী-প্রবন্ধ, ছড়া এবং কবিতা

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

"আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ\'\'....! কে বলে তা নেই?

২১ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

মনে হয় এক অভাবিত ক্রান্তিকাল (Transition)অতিক্রম করছি আমরা।
উন্নয়নের কীর্তনের চমৎকার সুর,তাল আর লয়কে ম্লান করে দিচ্ছে কিছু অ-সুর। সাফল্যের উল্টা পিঠে দেখছি,শুনছি মন খারাপ করে দেয়া অবাঞ্ছিত ঘটনা।"মধ্য আয়ের দেশ"বলে যতই চিল চিৎকার শুনি না কেন,এখনো আমরা কৃষির উপর নির্ভরশীলতা হারাইনি।

কৃষক ধান ফলিয়ে পাচ্ছেন না নায্যমূল্য।মাঠেই পুড়িয়ে দিচ্ছেন কষ্টের ফসল। অথচ সরকারের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব জ্ঞানহীন মন্তব্য উন্নয়নের সব অর্জনকে যেন ব্যর্থ করে দিতে চাইছে।মেগা প্রকল্পের(হরিপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র)কেনা কাটায় হচ্ছে হরিলুট।এখানেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দায় এড়িয়ে যাচ্ছে।সব মিলিয়ে একটা "হযরলব" অবস্থা...!

আরব্যোপন্যাসের গল্প যেন হাজার বছর পরে বঙ্গোউপন্যাসে রুপ নিয়েছে। যে লোক নির্বাচনের হলফ-নামায় বাৎসরিক ৫হাজার টাকা আয় ও মাত্র ৩০হাজার টাকা ব্যাংক স্থিতি(Deposit)দেখিয়ে ছিলেন,উনিই সাংসদ হয়ে দুইমাসের মধ্যেই ৩৪লাখ টাকায় গাড়ি কিনেছেন।তো,আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপটা তিনি কোথায় পেলেন তা জানতে বড়ই ইচ্ছে করে!

যে পদাধিকার বলে,তিনি সুদৃশ্য দালানে আসীন হয়েছেন,ওই পদ ও দালানই তাঁর আলাদীন আশ্চর্য প্রদীপ সমতুল্য এতে সন্দেহ নেই।এই মাননীয়(শব্দটা উচ্চারণে বিবমিষা বোধ হয়) ব্যক্তিটি হলেন বগুড়া-৭(গাবতলি-শাহজাহানপুর) আসনের সাংসদ জনাব রেজাউল করিম।তিনি এই সংসদে স্বতন্ত্র জার্সীধারী।ভোট খরার বিগত বির্তকিত নির্বাচনে তিনি প্রায় ১লক্ষ ৯৮হাজারের বেশী ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন!

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উনি ওয়াজ ফরমাইয়াছেন,তার জনৈক বন্ধু না কী তাঁকে এই গাড়ি উপহার দিয়েছেন।বেশ! বেশ! যার এ রকম "হাতিম তাঈ"বন্ধু আছে---তাঁর তো সাংসদ হবার আগে বৎসরে মাত্র ৫হাজার (দৈনিক ৪১৭টাকা) আয়ের কথা না! বাজারে রটনা,তিনি না কী অবৈধ ইটভাটা মালিকদের সুবিধা দিতে এই টাকা আদায় করেছেন। ঘটনা সত্যতাও আছে বলে ধারনা।

মাত্র দুই মাসেই আশ্চর্য প্রদীপের বদৌলতে ৩৪ লাখ কামিয়ে ফেলেছেন। আরো বাকী ৫৮মাস...! অক্ষুন্ন থাকুক তাঁর আশ্চর্য প্রদীপ....দিতে থাকুক তাঁকে প্রদীপের দৈত্য।ধন-দৌলতে ঘুচে যাক তাঁর অতীতের "হা-ভাত"জীবনের কলঙ্ক...!

ধরণী দ্বিধা হও...কে বলে আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীপ কেবলই গল্প...! জগতে শুধু সুযোগ সন্ধান করে বের করে নিতে হয় ওই প্রদীপকে...!


লেখকঃ সৈয়দ এনায়েতুর রহমান, রামশ্রী, হবিগঞ্জ।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: সব কিছু নষ্টদের অধিকারে চলে গেছে।

২| ২১ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:১৭

পথিক প্রত্যয় বলেছেন: ভাবছি আমিও কি উহাদের দলে যোগ দিব

৩| ২১ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


এই ম্যাঁওপ্যাঁও পোষ্টটাও নিজে লিখতে পারেননি, কোন এক লিলিপুটিয়ানের লেখা এখানে প্রকাশ করেছেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.