নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পুরো নাম শাইয়্যান মোহাম্মদ ফাছিহ-উল ইসলাম। অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার পোস্ট সংখ্যা এক সময়ে ৩০০টিতে গিয়ে ঠেকেছিলো। আগে অনেক বিষয় নিয়ে লিখলেও এখন আমার ভাবনার বিষয় শুধুই চীন। তবে, পোস্টগুলো বেশিরভাগই ভাবানুবাদ হবে।

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

লঙ্গিউ গুহা - চীনে মাটির নিচে প্রাচীন এক আশ্চর্যজনক পৃথিবী

০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৬



চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের শিইইয়েন বেইসুয়েন গ্রামের মাটির নিচে আধুনিক বিশ্বের লোকচক্ষুর অন্তরালে লুকিয়ে আছে প্রাচীন পৃথিবীর এক নিদর্শন। আজ থেকে ২৭ বছর আগেও বাইরের দুনিয়া তো দূরে থাক, খোদ চীনের নাগরিকরাও এগুলোর খোঁজ জানতেন না। ১৯৯২ সালের দিকে গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারা হঠাৎ করেই ২০০০ বছরেরও পুরোনো এই কৃত্রিম গুহাগুলোর খোঁজ পেয়ে যান। এখন পর্যন্ত পৃথিবীর কোন প্রত্নতত্ত্ববীদ, স্থাপত্যবীদ, প্রকৌশলী কিংবা ভূতত্ত্ববীদ এগুলো কে বা কারা তৈরী করেছে সে সম্পর্কে খোঁজ দিতে পারেননি। এমনকি এটাও অজানা যে এগুলো কিভাবে বা কেন তৈরী করা হয়েছিলো, সেটাও অজানা আজকের পৃথিবীর মানুষের কাছে।

লঙ্গিউ গুহার মোট সংখ্যা ৩৬টি। এই গুহাগুলো ৩০,০০০ বর্গমিটারের বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। কঠিন সিল্ট পাথরের মাঝে খোদাই করে বানানো এই গুহাগুলো মাটির ৩০ মিটার নিচ পর্যন্ত বিস্তৃত। এগুলোর প্রতিটিতে পাথরের তৈরী ঘর, সেতু, নালা, এমনকি পুলও আছে। সেই সাথে আছে উপরের ছাদকে ঠেকা দেওয়ার জন্যে পাথরের থাম। এখন পর্যন্ত মাত্র একটি গুহাকে পর্যটকদের জন্যে খুলে দেওয়া হয়েছে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, গবেষকদের কাছেও লঙ্গিউ গুহাগুলো এক ধাঁধা। এর কিছু কারণ আজ তুলে ধরবো।




গুহাগুলো কিভাবে বানানো হয়েছে তা কারো জানা নেই

লঙ্গিউ গুহাগুলো বানাতে যে পরিমাণ শ্রমের দরকার হয়েছে, তা সত্যিই আতংকিত করে। এই কৃত্রিম গুহাগুলো খোদাই করে তৈরি করার সময় প্রায় ১০ লক্ষ কিউবিক মিটার পাথর অপসারণ করা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতি দিনে একজন শ্রমিক কতটুকু পাথর খোদাই করতে পারে হিসাব করে বিজ্ঞানীরা বের করেছেন যে, যদি ১০০০ মানুষ দিন-রাত কাজ করে তাহলে এই গুহাগুলো বানাতে সময় লেগেছে প্রায় ৬ বছর। বিজ্ঞানীরা প্রত্যেক শ্রমিক সমান হারে শ্রম দিয়ে কাজ করেছে অনুমান করে হিসাবটি করেছেন। কিন্তু, তা যদি সত্যি না হয়ে শ্রমিকদের শারীরিক শক্তি কম-বেশি হয়ে থাকে আর গুহাগুলোর শৈল্পিক গঠনশৈলীর কথা চিন্তা করা হয়, তাহলে গুহাগুলো বানাতে আরো অনেক বেশি সময় লাগার কথা। এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাচীন স্থাপত্যগুলোর আশে-পাশে নির্মানকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু, লঙ্গিউ গুহাগুলো এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এগুলোর নির্মানকাজে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতিই এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। শুধু তা-ই নয়, একটা গুহার সাথে আরেকটা গুহার যে সামঞ্জস্যতা, নির্মানশৈলী'র নির্ভুলতা আর গঠনে সাদৃশ্যতা এতো নির্ভুল ভাবে কিভাবে করা সম্ভব হলো, আধুনিক কালের বিজ্ঞানীরা এখনো বের করতে পারেননি।


গুহাগুলো নির্মানের কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না

এই যে ১০ লক্ষ কিউবিক মিটার পাথরের ভিতর খনন করা হলো, সেই পাথরগুলো কোথায় গেলো! গুহাগুলো যে এলাকায় অবস্থিত, তার আশে-পাশে সেগুলোর কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি আজ পর্যন্ত। কোন চীনের কোন ইতিহাস বইতেও এর কোন রেকর্ড পাওয়া যায় না। অথচ, এমন কাজ করার জন্যে যে বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রয়োজন, তা লুকিয়ে করা সম্ভবপর নয় বলে মনে করা হচ্ছে। তাহলে!


গুহাগুলোর দেয়াল আর ছাঁদে খাঁজ কাটা ওসব কিসের চিহ্ন?



প্রত্নতত্ত্ববীদ আর স্থাপত্যবীদরা অবাক চোখে দেখেছেন প্রতিটি গুহার মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত কি রকম যেন খাঁজ কাটা। এরকম একই প্যাটার্নে খাঁজ কাটতে প্রয়োজন বিপুল জনশক্তি আর অফুরন্ত সময়। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে- কেন? কিসের উদ্দেশ্যে এরকম খাঁজ কাটা হলো? এগুলো কি শুধুই ডেকোরেশনের জন্যে করা হয়েছিলো? নাকি, খাঁজকাটা লাইন বা প্যাটার্নের মাঝে কোন নক্সা লুকিয়ে আছে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরে এখন পর্যন্ত যা পাওয়া গিয়েছে তা হচ্ছে- এই খাঁজ কাটা লাইনগুলো সাথে স্থানীয় একটি মিউজিয়ামে থাকা খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ থেকে ৮০০ বছরের পুরানো কিছু মৃতশিল্পের উপরের দাগের অনুরূপ।


গুহাগুলোতে কোন মাছ পাওয়া যায়নি

মাটির নিচে গুহাগুলো যখন প্রথম আবিস্কার হয়, তখন সেগুলোতে পানি ছিলো। ধরা হয়, সেগুলো অনেক দিন ধরেই গুহাগুলোতে ছিলো। পানিগুলো সেঁচে ফেলে দেওয়ার সময় ভাবা হয়েছিলো এগুলো এলাকার অন্যান্য তলাহীন পুকুরগুলোর মতোই কিছু হবে। চীনের দক্ষিণের এলাকাগুলোর বাসিন্দারা এরকম অনেক পুকুর খনন করে রাখেন। জেনারেশনের পর জেনারেশন ধরে এগুলো 'তলাহীন পুকুর' নামে এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত। সেগুলোতে মাছও পালন করা হয়। কিন্তু, গুহাগুলো থেকে যখন পানি সরিয়ে ফেলা হয়, তখন সেগুলোতে কোন মাছ ছিলো না, ছিলো না আর কোন প্রাণের অস্তিত্ব। সত্যিই অবাক করা বিষয়!



গুহাগুলো ২০০০ বছর ধরে অক্ষত অবস্থায় টিকে রয়েছে

ব্যাপারটা মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতোই। গুহাগুলোর বয়স ২০০০ বছরেরও বেশি। তার উপর পানির নিচে ছিলো অনেক দিন। অথচ, একটি দেয়াল ধসে পড়েনি। পিলারগুলো অক্ষত অবস্থায় রয়ে গিয়েছে এখনো। গুহাগুলোর কোন কোন দেয়াল মাত্র ৫০ সে,মি, পুরু। তারপরও, সেগুলোর কিছু হয়নি এতো কাল পরেও। গত দুই হাজার বছরে, চীনের ঐ এলাকার উপর দিয়ে অনেক গিয়েছে, যুদ্ধ হয়েছে, বন্যায় প্লাবিত হয়ে অনেক পর্বতের আকৃতি পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়েছে। অথচ, লঙ্গিউ গুহা এর ব্যতিক্রম। যেন গতকালকে কেউ ওগুলো বানিয়েছে।


নির্মানকারীরা আলো ছাড়া কিভাবে কাজ করলেন!

গুহাগুলো এতোটাই গভীর যে উপর থেকে সেগুলোর নিচে মেঝের দিকে তাকালে আলকাতরার মতো কালো অন্ধকার চোখে পড়ে। এটা সত্যিই খুবই অবাক করা বিষয় যে, এতোটা গভীরেও গুহাগুলোর মেঝে, কলাম আর সিলিং-এ খাঁজ কাটা সমান্তরাল লাইনগুলো খোদাই করা হয়েছে। এ নিয়ে চীনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের অধাপক জিয়া গ্যাং-এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন যে- গুহাগুলোর মুখ এতোটাই ছোট যে সেগুলো খনন করে বানানোর সময় অবশ্যই লন্ঠনের প্রয়োজন। দিনের একটা বিশেষ সময়ে, তেরছা ভাবে যখন সূর্যের আলো গুহাগুলোতে পড়ে, শুধু তখনই গুহাগুলো আলোকিত হয়। গুহাগুলোর যত নিচের দিকে যাওয়া যায়, সূর্যের আলো তত কমতে থাকে। একদম নিচে পৌঁছার পর প্রায় আর কিছুই দেখা যায় না। তাহলে, দুই সহস্র বছর পূর্বে চীনে যখন আলোকিত করার কোন যন্ত্র ছিলো না, তখন কিভাবে অন্ধকারে ঐ গুহা আর 'নক্সা'-গুলো বানানো সম্ভব হলো!



গুহাগুলো একটার সাথে আরেকটির কোন সংযোগ নেই কেন!

আগেই বলা হয়েছে, লঙ্গিউ গুহাগুলোর সংখ্যা ৩৬টি। এই সবগুলো গুহাই কিন্তু মাত্র এক বর্গ কিলোমিটার জায়গার মধ্যে বিস্তৃত। এতো ঘন করে থাকা এই গুহাগুলোর একটার সাথে আরেকটির তো সংযোগ থাকার কথা। অথচ, সেগুলোর মাঝে তা নেই। প্রতিটি গুহাই আলাদা আলাদা। অনেক গুহার দেয়ালই মাত্র ৫০ সে,মি, পুরু। তারপরো, সেগুলো কেটে পাশের গুহার সাথে কোন পথ করা হয়নি বলেই সেগুলো ইচ্ছেকৃত ভাবে করা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। কিন্তু, কেন এমন করা হয়েছিলো সেটার উত্তর আজ অবধি পাওয়া যায়নি।




কারা গুহাগুলো বানালো?

আজ পর্যন্ত কেউ জানে না কে ওগুলো বানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন সম্রাট বা নেতার নির্দেশ ছাড়া সাধারণ গ্রামবাসীদের পক্ষে এমন বিশাল কর্মকান্ড চালানো সম্ভব নয়। যেমন- বাইরের শত্রুদের থেকে রক্ষা পেতে চীনের তৎকালীন সরকার চীনের প্রাচীর তৈরীর নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, কোন সম্রাট তা করে থাকলে তো ইতিহাস বইয়ের রেকর্ডে তা থাকার কথা! অথচ, তা নেই।

গুহাগুলো আবিস্কার হওয়ার পর অনেক বছর পেরিয়ে গিয়েছে। অথচ, এখন পর্যন্ত এসব প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর কেউ বের করতে পারেনি। এখনো বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু, আমাদের পূর্বপুরুষদের তৈরি এই গুহাগুলো আজও রহস্যের আবর্তে ঢাকা।



সূত্রঃ

১) চীনের সাংস্কৃতিক মন্ত্রনালয়ের 'ওয়ে ব্যাক মেশিন'
২) Longyou Caves-Quzhou Tourist Attractions-Chinahotel". vhotel.org
৩) Engineering geological characteristics, failure modes and protective measures of Longyou rock caverns of 2000 years old". inist.fr. 24 (2).












মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১০

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: সত্যি অবাক হওয়ার মতো ব্যাপার। কোনো সম্রাট হয়তো, খুব গোপনীয়তার সাথে এগুলো নির্মাণ করিয়েছিলেন।

০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: হয়তো। এখনো ঠিক ঠাহর করা যাচ্ছে না এ সম্পর্কে। তবে, ব্যাপারট খুবই রহস্যময়।

প্লাস ও কমেন্টে কৃতজ্ঞতা।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

২| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১১

মাহের ইসলাম বলেছেন: বিস্ময়কর। তবে, পুরাই অবাস্তব মনে হচ্ছে।
এমন একটা ব্যাপার লোকচক্ষুর আড়ালে রয়ে গেল কিভাবে?

এখন কি ভিন গ্রহীদের আগমনের কথা বলা হবে ?

শুভ কামনা রইল। ভালো থাকবেন।

০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: ভিনগ্রহীদের আগমন! হা! হা! হা!

তা অবশ্য হবার নয়। কারণ, দেয়ালগুলোতে মানুষের ছবি দেখা গিয়েছে।

আপনার প্রতিও শুভকামনা রইলো।

শুভেচ্ছা সহস্র।

৩| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


ওগুলো না দেখা অবধি আমি কিছু বলবো না; হাজার হলেও চীনাদের ব্যাপার স্যাপার

০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: সেটা খুবই ভালো হবে। চীনাদের কাজ খাটো করে দেখার উপায় নেই। ধন্যবাদ।

৪| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: চমকে দেওয়ার মতো ঘটনা। চীনের প্রাচীর এবং মিশরের পিরামিড গুলোকেই এ পর্যন্ত মনুষ্য নির্মিত সবচেয়ে শ্রমসাধ্য ও রহস্যময় নির্মাণ বলে মনে করা হতো। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এই গুহা গুলো ওগুলোর চেয়েও কঠিন ও রহস্যময় নির্মাণ। কে জানে, পৃথিবীতে
আমাদের জন্য আরও কত কিছু অজানা থেকে গেছে!

০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: সত্যিই তা-ই, হেনা ভাই। পাথর খুদে এরকম কাজ করা সত্যিই খুবই কঠিন ব্যাপার হওয়ার কথা। বিশেষ করে এতো বড় কোন প্রজেক্টে তা কিভাবে সম্ভবপর হলো তা বিজ্ঞানীরা এখনো বের করতে পারেননি বলে প্রকাশ হয়েছে।

কমেন্টের জন্যে ধন্যবাদ নিরন্তর।

৫| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৯

আনমোনা বলেছেন: আপনি ওই গুহায় গিয়েছিলেন?

০৭ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:০৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: না। আমার এক বন্ধুর ছোট বোন গিয়েছিলো। ধন্যবাদ।

৬| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:০০

এমজেডএফ বলেছেন: অবাক হওয়ার মতো ব্যাপার! এই রহস্যময় ব্যাপারটি এই প্রথম জানতে পারলাম। ধন্যবাদ।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: এই পুরো পৃথিবীটাই বড় রহস্যময়। তাই, জানার আছে অনেক কিছু।

পড়ার জন্যে আপনাকেও ধন্যবাদ।

৭| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনেক মুল্যবান অজানা তথ্য জানা গেল ও তাদের দুর্লভ চিত্র দেখা গেল , পোষ্টটি প্রিয়তে গেল ।
সত্যিই এর সৃস্টি কৌশল রহস্যময় ও আশ্চর্যজনক , তাতে কোন সন্দেহ নেই । তবে জানা যায় যে পাহাড়ী এলাকায় উপর দিয়ে প্রবাহিত নদী হতে চুয়ে পরা পানি প্রবাহের ফলে নদীর নীচে থাকা চুনাপাথর, ডলোমাইট এবং জিপসামের মতো দ্রবণীয় শৈলগুলি দ্রবীভূত হয়ে যে টপোগ্রাফি তৈরী হয় তা কার্‌স্ট (Karst ) হিসাবে পরিচিত । এই কার্‌স্ট টপোগ্রাফী নিন্মের মত বহু কক্ষ বিশিষ্ট গিরি গুহার জন্ম দিতে পারে।
Škocjan Caves, Slovenia

চুনাপাথর, ডলোমাইট এবং জিপসামের মতো দ্রবণীয় শৈলগুলির মধ্যে কঠিন শিলা গুলি দ্রবিভুত হতে পারেনা বিধায় তা গুহার ভিতরে পিলার , ছাদ ও দেয়ালের সৃস্টি করে । শৈলগুলির অনেক অংশ দ্রবিভুত না হয়ে সেগুলি দেয়াল গাত্রে কিংবা ছাদের নীচে বিভিন্ন ধরনের শিলালিপিরও জন্ম দিতে পারে আর এগুলি নিয়ে রচিত হতে পারে অনেক কল্প কাহিনী। চীনের পাহাড়ি এলাকায় লংইউ গিরিগুহাগুলী ১৯৯২ সনে প্রথম আবিস্কারের পর চাইনীজরা অতি গোপনে সেগুলিতে কিছু প্রয়োজনীয় ঘসামাঝা করে গুহাগুলিকে একটি বিশ্ব পর্যটন কেন্ত্রে রুপান্তরের প্রয়াস নিয়েছে কিনা কে জানে । ইতিমধ্যে তারা সেখানকার একটি গুহাকে পর্যটন আকর্ষন হিসাবে পর্যটকদের কাছে উন্মোক্ত করেছে, তারই কিছু চিত্রাবলী বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে , চাইনীজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রকাশনাতেও এ গুহার ছবি সাথে বিবরনও যুক্ত আছে মর্মে এ পোষ্টের রেফারেন্স হতে প্রতিয়মান হয় । যাহোক, মন্তব্যের এ ঘরে গুহা সৃজন বিষয়ক কথাগুলি একটি ধারনা মাত্র, তবে আশা করি অচিরেই এই গুহাগুলি নির্মানের বা সৃষ্টির সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে, অবসান হবে আমাদের বিবিধ ধরনের চিন্তাভাবনার আর জানা যাবে এর সৃষ্টি রহস্য ।

শুভেচ্ছা রইল

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৩২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আমিও প্রথমে ভেবেছিলাম চায়নিজ কারবারী টাইপ কিছু একটা হবে। পরে দেখি, না! রহস্য আছে এর মাঝে। বিশেষ করে, চায়নিজ ভার্সিটি'র অধ্যাপকেরা এগুলো নিয়ে বেশ আগ্রহী।

কার্স্ট সম্পর্কে আরো বেস্তারিত জেনে ভালো লাগলো।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

৮| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: ইদানিং শুধু চীণ নিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন!
আপনি কি এখন চীন এ?

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: শি ডা, ওয়া জাই চুংকুয়ো। নিন?

৯| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট।+

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

১০| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

অজ্ঞ বালক বলেছেন: কঠিন পোস্ট। এইসব আজিব ব্যাপার স্যাপার নিয়া আমার বহুত আগ্রহ। কাজেই এই গুহা নিয়া আগে থেইকাই জানতাম। পইড়া ভাল্লাগলো।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: জানা জিনিস একটু ভীন্ন ভাবে পড়লে খুব মজা লাগে, তাই না? আমারও এমন অনুভূতি হয়। পড়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।

১১| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: হ্যাঁ সবাই মিলে রহস্যটি বের করুন , আমি এসে পড়ে যাব ।

১২| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫১

বলেছেন: জানলাম..........................

১৩| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০০

শায়মা বলেছেন: গুহাগুলোর মধ্যে লাইট জ্বালানো হয়েছে? তেমনই মনে হচ্ছে ছবিগুলোতে!


কিন্তু গুহা দেখে তো আমি মহা মুগ্ধ!!!

০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:১৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: আরে, আপুনি!!! তুমি!!!

হ্যাঁ, গুহাগুলোতে লাইট জ্বালানো হয়েছে। গুহাগুলো দেখে আমিও মুগ্ধ।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১৪| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২১

শায়মা বলেছেন: এম এ আলী ভাইয়ার মন্তব্য পড়েও চিন্তায় পড়লাম!

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: সেটাও আমলে নেওয়ার মতো। আমি গুগুল আর্থ দিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি। :)

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১৫| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩০

আনমোনা বলেছেন: কি বিস্ময়কর স্থাপনা। আপনার বনধুর বোনকে ঈর্ষা হচ্ছে।

১১ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: একবার ঘুরে আসুন। বাকি সবাই আপনাকে ঈর্ষা করবে। ধন্যবাদ। :)

১৬| ১০ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৪

বেগুনীপাতা বলেছেন: ২০০০ হাজার বছর আগেই চীন অনেক উন্নত ছিল। তাদের পিছেয়ে পড়ার অন্যতম কারন ছিল বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর শিক্ষা ব্যবস্থার কারনে। তাঁরাও তখন আমাদের মত বাক্সবন্দি শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু করেছিল যা নির্দিষ্ট কিছু সিলেবাসের বাইরে যেতে দিত না। তৎকালীন নেতারা সেইভাবেই চীনকে গড়ে তুলেন ফলে চীন পিছিয়ে পরে। না হলে তাঁরা পৃথিবীকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেত। আর এই গুহার রহস্য পিরামিডের মত রহস্যময় মনে হত না। আপনার লেখাটি তথ্যবহুল। ভালো লেগেছে।

১৭| ১০ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: শি ডা, ওয়া জাই চুংকুয়ো। নিন?

ইয়া উং কাং চুং!

১৮| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

নাসির ইয়ামান বলেছেন: মাথা ঘুরায় এগ্লা দেইখা!

১৯| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

নাসির ইয়ামান বলেছেন: মাথা ঘুরায় এগ্লা দেইখা!

২০| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৫৯

দীপঙ্কর বেরা বলেছেন: তথ্যবহুল আলোচনা। ভাল লাগল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.