নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পুরো নাম শাইয়্যান মোহাম্মদ ফাছিহ-উল ইসলাম। অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি লেখালিখি করি, মনের মাধুরী মিশিয়ে

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দূর্নীতিবাজদের কি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করার সময় হয়ে এসেছে?

০৯ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:০৭

খুব বেশি দিন আগের ঘটনা নয়। গত শতাব্দীর চল্লিশের দশকের কথা। তখন ইরান শাসন করছেন রেজা শাহ পাহলভী। সেই সময়েই, রোজকার মতো একদিন আবারো সরকারী কাজের তদারক করতে বের হয়েছেন রেজা শাহ। একটি রাস্তা বানানো হয়েছিলো সপ্তাহ খানেক আগে। বাদশাহ গিয়ে দেখেন সেই নতুন রাস্তায় চিড় ধরেছে!

বাদশাহ তক্ষুনি কিছু বললেন না। শুধু খোজ-খবর নিলেন কোন কন্ট্রাক্ট্রর এই কাজটি করেছে। তিনি সেই কন্ট্রাক্টরকে রাজপ্রাসাদে দাওয়াত দিলেন।

দাওয়াত পেয়ে সেই ব্যবসায়ীটি তো মহা খুশি! রাজা তাকে দাওয়াত দিয়েছেন!

যথা দিনে, সেই ব্যক্তিটি রাজার সাথে দেখা করতে গেলো। রাজা তাকে প্রাসাদের তিন তলার ছাদে নিয়ে গিয়ে বললেন- ''আমি তো তোমার রাস্তা দেখেছি। তুমি এখন ছাদ থেকে লাফ দিবে, নাকি আমি ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠাবো।'' দূর্নীতিবাজটি ছাদ থেকে লাফিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলো। কিন্তু সে তা পারেনি।

ইতিহাসবীদ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন এই গল্পটিই গত সোমবার রাতে একটি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে দর্শকদের শুনিয়ে মন্তব্য করেন, বাংলাদেশেও এমন কাজীর বিচারের সময় হয়ে এসেছে।

এক সময়ের পৃথ্বী'র এক নম্বর দূর্নীতিবাজ দেশের তালিকায় থাকা বাংলাদেশ এখন ১৮০টি দেশের মাঝে ১৪৬-তম। তবু, দূর্নীতি থেমে নেই। তবে কি ইরানের বাদশাহ'র কৌশল অবলম্বন করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই!

সময়ই তা বলে দিবে।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৫৪

সাইন বোর্ড বলেছেন: কাজীটি কৈ ? প্রথমে তার হাতে হাতুড়ি দিয়ে একটা বাড়ি দেওয়া হবে, তাতে কাজ না হলে কচাৎ ।

এমন কাজীও আছে, যে সঠিক বিচার করবে ?

২| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৪৭

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমি ফায়ারিং স্কোয়াড প্রতিষ্ঠার পক্ষে। বছরে একদিন "দুর্নীতি মোচন দিবস" পালন করা যেতে পারে যেটা জাতীয় ছুটির দিন হবে। আর সেদিনই দুর্নীতিবাজদের পরিষ্কার করা যেতে পারে, তবে সেটা যেন অবশ্যই সকল চ্যানেলে প্রচার করা হয়। বাঙালী ভদ্র ভাষায় কোনদিনও কথা শোনেনি।

৩| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৫৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মন্ত্রী পুত্র ও মিঠু গংদের বিচার কে করবে

৪| ০৯ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:১২

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশের দূর্নীতিবাজদের কিছুই হবে না। অতীতে যারা দূর্নীতি করেছে তাদের কি হয়েছে? কিছুই হয় নাই। দূর্নীতি বাজদের কঠিন শাস্তি হয় না বলেই লোকজন দূর্নীতি করছে দেদারছে।

৫| ১১ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৭:৫৮

জিজ্ঞাসু মন বলেছেন: দুর্নীতির ঘটনাগুলো বাস্তব- লেখক ও কয়েকজন মন্তব্যকারির মনের কষ্ট টা সঙ্গত কারনেই তীব্র। তবু বলি ব্যাক্তি নির্ভরতা কোন স্থায়ী সমাধান হতে পারেনা, অনেক সময় লাগবে তবুও আমাদের সিষ্টেম নির্ভরতার দিকেই এগুতে হবে।
ওই বক্তার আলোচনা শুনিনি কিন্তু মনে প্রশ্ন জাগে বাদশাহ কিভাবে নিশ্চিত হলেন যে শুধু কনট্রাকটর এর লোভেই রাস্তা টি খারাপ হয়েছে? কেজানে এর সাথে আরো বহু হোমড়া চোমড়া জড়িত ছিল কিনা ? হয়তো রাস্তা দরকার ই ছিল না, স্থানীয় নেতারা কিছু কমিশন খাবার জন্য এটা বানিয়েছেন। রাস্তার প্রজেক্ট পাশ করার জন্য বাদশাহ এর মন্ত্রনালয়- ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কে কি আগে ঘুষ দিতে হয়েছে? নির্মান পর্যায়ে কি স্থানীয় রাজনীতিবিদ ,মাস্তান চাদাবাজদের খুশি করতে হয়েছিল? ইন্সপেকশন এর সময় কি সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক জনকে সন্তষ্ট করতে হয়েছিল? বিল পাশের সময় কি পার্সেন্টেজ দিতে হয়েছিল? সিষ্টেম টা কি এমন ছিল যে ,কোন কন্ট্রাকটর এই ঘাটে ঘাটে খরচ না করলে সে কাজ ই পাবেনা? নিতান্ত অসহায় হয়েই কি সে সংসার চালাবার জন্য বেচারা এই প্রচলিত পথে পা বাড়িয়েছিল? যদি তাই হয়, তাহলে নিরীহ এই লোক টিকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে কি ন্যায় বিচার করা হল- নাকি আসল অপ্ রাধীদের আড়াল করা গেল?
অথচ সিষ্টেম অনুযায়ী বিচার হলে এই সকল সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে প্রকৃত অপরাধীদেরকেই শাস্তি দেয়া যেত সবচেয়ে বড় কথা সিষ্টেম এর ত্রুটিগুলো সংশোধন করা যেত যাতে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ আর না হয়।
পৃথিবীতে যে সব দেশ উন্নত তারা সবাই সিষ্টেম নির্ভর- ব্যাক্তি নির্ভর নয়। সিষ্টেম ডেভেলপ করা যথেষ্ট সময় , শ্রম, মেধা,আন্তরিকতা ও ব্যায় সাপেক্ষ। যত তাড়াতাড়ি আমরা এই কাজ শুরু করতে পারব, ততই আমাদের মঙ্গল। সকলকে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.