| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
একটু আগে তারাবী নামাজ পড়ে আসলাম। এসে ফেসবুক খুলতেই চোখে পড়লো, আমার এক আত্মীয় জুনায়েদ সাকীকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। সাকী সাহেব বুঝি সমকামীদের সমর্থন করেছিলেন। যেহেতু তিনি সমকামীদের সমর্থন করেছেন, সেহেতু, বিএনপি তাঁকে প্রতিমন্ত্রী করে ভুল করেছে।
আমার কেমন যেন খটকা লাগলো। বাংলাদেশে বসে কেউ সমকামীদের সমর্থন করবেন, এমনটা হয় কি করে! সাথে সাথে আমি ইন্টারনেটে সার্চ লাগালাম। বিস্তর তথ্য এসে চোখে ঝাপটা মারলো। অনেকগুলো ওয়েবসাইটে লেখা, জুনায়েদ সাকী সমকামীদের নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। কিন্তু, সেই পোস্টের কোন স্ক্রিন শট সেইসব ওয়েবসাইট বা ফেসবূক লিংকে চোখে পড়লো না!
সেইসব ওয়েবসাইট ঘেঁটে যা বুঝলাম, জুনায়েদ সাকী মনে হয় হিজড়াদের অধিকার নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন। আর যায় কোথায়! তাই, অনেক মুসলমান রাজনীতিবীদ ক্ষেপে গিয়েছেন। এমনকি কিছু মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে এক সময়ে ঝাড়ু মিছিলও করেছিলেন।
তাই, মনে প্রশ্ন আসছে, ইসলামে কি হিজড়াদের অধিকারে নিয়ে কিছু বলা নেই? ইসলামে তাদেরকে একঘরে করে রাখতে বলা হয়েছে কি? ইসলাম কি হিজড়াদের সেক্স করার অধিকার দেয়? এই নিয়ে ইসলামী স্কলাররা কি বলেন?
দুই ধরণের হিজড়া আছেন বলে শুনেছি - মেয়ে হিজড়া এবং ছেলে হিজড়া। তারা কি উপায়ে সেক্স করেন তা আমার জানা নাই। কিন্তু, আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যেসব বাংলাদেশী এর প্রতিবাদ করেছিলেন, তারা কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে, হিজড়ারা সমকামী? এই নিয়ে কোন ইসলামী নির্দেশনা আছে কি?
আমি জানি না। কিন্তু, জানতে চাই।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সেটাই বলছি। লেসবিয়ান আর গে আমাদের সুস্থ্য মানুষদের মাঝেই আছে।
হিজড়ারা লেসবিয়ান বা গে কি না সেটা নিয়ে ভেবে দেখতে হবে।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
২|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হিজড়ারা কি উপায়ে সেক্স করে এটা জানার কি দরকার ? তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন ।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৪
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
দরকার আছে।
কেন দরকার এটা আপনার রাডারের উপর দিয়ে যাচ্ছে দেখে হাসি পেলো।
৩|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫৩
মাথা পাগলা বলেছেন: ইসলামে সমস্ত জ্ঞান দেয়া আছে, শান্তির ধর্ম হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তবে হিজড়া, নাস্তিক ও সমকামীদের অধিকার নিয়ে আলোচনা হলেই বিতর্ক শুরু হয়ে যায়।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ইসলামে অবশ্যই হিজরাদের নিয়ে দিক-নির্দেশ থাকার কথা।
হিজড়ারা সমকামী নাও হতে পারে।
৪|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৫
মাথা পাগলা বলেছেন: তারা কি কেমন - সেটা বিচার না করে তাদের অধিকারের কথা বলেন।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৯
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
কেন! সেক্স করা কি অধিকার নয়!
সেক্স করা যেমন নারীর অধিকার, তেমনি পুরুষেরও অধিকার।
৫|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খুবই গুরুত্বপুর্ণ একটি বিষয়ে প্রশ্ন রেখেছেন । এ ব্লগের ইসলামী চিন্তাবিদগন আশা করি এ স্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা
করতে পারবেন । আমি কোন ইসলামী স্কলার নই । তবে বিভিন্ন ইসলামী সাহিত্য পর্যালোচনায় যা পেয়েছি তার একটি
সংক্ষিপ্ত বিররণ এখানে তুলে ধরছি । ভুল ভ্রান্তি হলে ক্ষমা প্রবর্থনা করছি সকলের তরে ।
ইসলামে হিজড়া (যাদের আমরা আজ তৃতীয় লিঙ্গ বা উভলিঙ্গ বৈশিষ্ট্যযুক্ত মানুষ বলি) তাদের বিষয়ে আলোচনা
আছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইসলামে হিজড়া শব্দটি আধুনিক সামাজিক অর্থে নয়, বরং ফিকহি (শরিয়তী)
পরিভাষায় খুনসা নামে আলোচনা করা হয়েছে।
নিচে সহজভাবে, দলীলভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ কিছু তথ্য তুলে ধরছি ।
ইসলামী ফিকহে খুনসা বলা হয় এমন ব্যক্তিকে যার মধ্যে পুরুষ ও নারীর উভয় বৈশিষ্ট্য আছেঅথবা যার লিঙ্গ
নির্ধারণ স্পষ্ট নয়।
ইসলামি আইনবিদরা আবার একে দুই ভাগ করেছেন ১) খুনসা ওয়াদিহ (স্পষ্ট) –যার লিঙ্গ পরে নির্ধারণ করা যায়
২) খুনসা মুশকিল (জটিল) যার লিঙ্গ নির্ধারণ কঠিন অর্থাৎ ইসলাম এই ধরনের মানুষের অস্তিত্ব স্বীকার করেছে
বহু শত বছর আগে।
তবে কুরআনে হিজড়া শব্দ নেই, কিন্তু একটি গুরুত্বপর্ণ ইঙ্গিত আছে। কুরআনে এমন পুরুষদের উল্লেখ করা হয়েছে
যারা নারীর প্রতি যৌন আকর্ষণহীন(sexual desire নেই)।এ থেকে আলেমরা বুঝেছেন মানুষের প্রকৃতি একরকম
নয়; ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মানুষ আছে।
হাদিসে মুখান্নাছ (নারীসুলভ পুরুষ) উল্লেখ আছে ।রাসূল(স.) এর যুগে কিছু মানুষ ছিলেন যাদের বলা হতো মুখান্নাছ স্বভাবগতভাবে নারীসুলভ পুরুষ।
হাদিসে দেখা যায় তারা সমাজে উপস্থিত ছিলেন,রাসুল (স.) তাদের অস্তিত্ব অস্বীকার করেননি, তবে ইচ্ছাকৃত
ভাবে নারী-অনুকরণ নিষেধ করেছেন (যদি তা অভিনয় বা বিকৃতি হয়) অর্থাত ইচ্ছাকৃত লিঙ্গ অনুকরণ নিষিদ্ধ
ইসলামের দৃষ্টিতে তাদের মর্যাদা প্রসঙ্গে বলা হয় যে ইসলামের মূল নীতি হল তারা আদম সন্তান,পূর্ণ মানুষ,
আল্লাহর সৃষ্টি আর তাই সমাজচ্যুত করা হারামসদৃশ আচরণ। ইসলাম তাদের অধিকার অস্বীকার করেনি; বরং
মানবিক আচরণ নির্দেশ দিয়েছে।
শরিয়তে তাদের জন্য আলাদা বিধান থাকার কারণ হিসাবে কিছু বাস্তব প্রশ্নের কথা বলা হয় যথা
তারা নামাজ কোথায় পড়বে? উত্তরাধিকার কীভাবে পাবে?, বিয়ে বৈধ কি? পর্দার বিধান কী?
এই কারণে ফিকহে বিস্তারিত আইন তৈরি হয়েছে।যেমন নামাজ পড়বে যে লিঙ্গ বেশি স্পষ্ট তার ভিত্তিতে,
উত্তরাধিকার নির্ধারিত হবে সন্দেহ হলে মধ্যবর্তী হিসাবে, আর বিয়ে হবে লিঙ্গ নির্ধারণের পর।
আর সামাজিক অধিকার হবে অন্য মুসলিমদের
গুরুত্বপূর্ণ একটি নীতি হল ইসলাম দুই জিনিস আলাদা করে জন্মগত অবস্থা,এটি আল্লাহর সৃষ্টি তাই গুনাহ নয়।
মুল কথা হল ইসলাম হিজড়াদের অস্তিত্ব স্বীকার করেছে (খুনসা হিসেবে),তাদের জন্য আলাদা ফিকহি বিধান দিয়েছে,
মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করেছে, জন্মগত অবস্থাকে গুনাহ বলেনি,কিন্তু ইচ্ছাকৃত লিঙ্গ বিকৃতি বা প্রতারণা নিরুৎসাহিত
করেছে। ইচ্ছাকৃত লিঙ্গ পরিবর্তন বা বিকৃতি অর্থাত নিজে অঙ্গ বিকৃত করা বা কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন করা নিষিদ্ধ
বলে অধিকাংশ আলেম মত দিয়েছেন।
ইসলামের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হল তারা মানুষ, তাদের সম্মান আছে, সমাজ থেকে তাড়ানো যাবে না, অধিকার আছে ,
তাদের প্রতি দয়া ও ন্যায় আচরণ করতে হবে। উপহাস, ঘৃণা, নির্যাতন ইসলামের শিক্ষা নয়।
চার মাযহাবই খুনসা বিষয়ে বিস্তারিত ফিকহ তৈরি করেছে এটি প্রমাণ করে যে বিষয়টি বাস্তব সামাজিক প্রশ্ন ছিল।
হানাফি মাযহাব (ইমাম আবু হানিফা) মূল নীতি ছীল প্রস্রাব কোন অঙ্গ দিয়ে বের হয় তা লিঙ্গ নির্ধারণের প্রধান লক্ষণ
যদি নির্ধারণ সম্ভব না হয় তাহরে খুনসা মুশকিল।এর বিধান হল উত্তরাধিকার কম অংশ দেওয়া হয় (সতর্কতার জন্য)
নামাজে মাঝামাঝি অবস্থান।
মালিকি মাযহাব (ইমাম মালিক) তারা গুরুত্ব দিয়েছেন শারীরিক লক্ষণ, বয়ঃসন্ধিকালের পরিবর্তন
যেমন দাড়ি ওঠা,স্তন বৃদ্ধি,মাসিক ইত্যাদি, যে লক্ষণ শক্তিশালী সেই লিঙ্গের বিধান।
শাফিঈ মাযহাব (ইমাম শাফিঈ) তারা সবচেয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেন।তাদের নীতি ছিল যতক্ষণ নিশ্চিত
না হয় সতর্ক বিধান।ইবাদত ও সামাজিক ক্ষেত্রে মধ্যবর্তী অবস্থান। উত্তরাধিকার এর বিষয়ে বলা হয়েছে সম্ভাব্য
দুই হিসাবের কম অংশ দেওয়া।
হাম্বলি মাযহাব (ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল) তাদের মত প্রায় হানাফিদের কাছাকাছি।ধাপভিত্তিক নির্ধারণ:
১)প্রস্রাবের পথ ,২)শারীরিক লক্ষণ, ৩)যৌবনের বৈশিষ্ট্য ,৪)শেষ পর্যন্ত সন্দেহ থাকলে বিশেষ বিধান।
সব মাযহাব কয়েকটি বিষয়ে একমত: খুনসা বাস্তব মানবিক অবস্থা, তাদের অধিকার আছে, আলাদা ফিকহি
বিধান প্রয়োজন, জন্মগত অবস্থা গুনাহ নয়, লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হলে সেই অনুযায়ী শরিয়ত প্রযোজ্য
গুরুত্বপূর্ণ একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য লক্ষনীয় খুনসা জন্মগত শারিরিক অবস্থা , আর মুখান্নাস হল আচরণগত বৈশিষ্ট ।
মোদ্দা কথা হিসাবে বলা যায় রাসুল(স.) এর যুগ থেকে আমরা দেখি তারা সমাজে ছিল,মানবিক আচরণ পেয়েছে,
শরিয়ত বাস্তবসম্মত সমাধান দিয়েছে। চার মাযহাব তাদের জন্য পূর্ণ আইনগত কাঠামো তৈরি করেছে।এটি
ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য মানুষের বাস্তব বৈচিত্র্যকে অস্বীকার নয়, বরং ন্যায়ভিত্তিকভাবে পরিচালনা।
আশা করি এ ব্লগের বিজ্ঞ আলেমদের কাছ হতে এ বিষয়ে আরো মুল্যবান অলোচনা জানতে পারব ।
শুভেচ্ছা রইল
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ, শ্রদ্ধেয় এম এ আলী ভাই।
আমি আপনার সাথে একমত। এই নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন আছে।
খুনসা বা হিজড়াদের অধিকার দিতে হলে, তাদের সম্পর্কে জানতে হবে। তাদেরকে পথে পথে ছেড়ে দিলে শুধু সামাজিক অনাচার নয়, নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ার চান্স আছে।
আমরা কয়েক বছর আগে দেখেছি, কিছু অসাধু ব্যাক্তি হিজড়া সেজে চাঁদাবাজি করেছে। একটা ঘটনা শুনেছি, এক ব্যাক্তি লিঙ্গ পরিবর্তন করেছে।
কিন্তু, আসল হিজড়ারা খুবই অবহেলিত জীবন যাপন করেন বলে লক্ষ্য করেছি। আমি আমার কর্মস্থলে কখনো কোন হিজড়াকে দেখি নাই। তাহলে, তারা জীবন অতিবাহিত করেন কি করে!
ভালো থাকুন নিরন্তর।
৬|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৯
রাজীব নুর বলেছেন: আমি আপনার কাছে জানইতে চাই-
হিজড়াদের সারাদিন কিভাবে কাটে? অর্থ্যাত আমি বলতে চাচ্ছি এরা চাকরি বা ব্যবসা করে? এদের আয়ের উৎস কি?
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আগের একজন মন্ত্রী তাদের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করে দিয়েছিলেন।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
৭|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭
সপ্তম৮৪ বলেছেন: আপনি কিভাবে সেক্স করেন ?
হিজড়াদের সম্মুখ জননাঙ্গ অকার্যকর থাকে ফলে তারা বেশি ভাগ পায়ুকামী।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি সামনে, পিছনে দুই দিক দিয়েই আমার স্ত্রীর সাথে সেক্স করি। পিছন থেকে করলে আমার স্ত্রী বেশি উত্তেজিত হোন। তাই, সেটাই আমার বিশেষ পছন্দের।
আপনি কীভাবে করেন?
সব হিজড়া পায়ুকামী এটা কে বললো? তাদের অনেকে সাধারণ মানুষের সাথে সেক্স করেন বলে শুনেছি।
ধন্যবাদ।
৮|
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:০৬
সপ্তম৮৪ বলেছেন: তাদের মধ্যে সাধারণ মানুষদের সাথে মিলিত হওয়ার তেমন সুযোগ কোথায়। তারা প্রাপ্ত বয়স্ক হলেই হয়ে যায় ঘর থেকে বিতাড়িত। ঠিকানা হয় হিজড়া গোষ্ঠীতে। সেখানে তাদের জৈবিক চাহিদা মেটানোর একমাত্র পথ পায়ুকামই হওয়ার কথা।
আর যারা সাধারণ মানুষদের মত সেক্স করেন তারা এলিট। হাই ক্লাস। সব রকমেই তারা চাহিদা মেটাতে পারে।
আমার স্ত্রীর সেক্সে আগ্রহ কম। ফলে আমাকে সঙ্গম নয় সংযম মেনে চলতে হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশে বসে কেউ সমকামীদের সমর্থন করবেন, এমনটা হয় কি করে!
.........................................................................................................
বর্তমান সমাজে সবই সম্ভব,
ছবিতে দেখছি বড় লোকের ছেলেরা এববে অগ্রগামী,
মেয়েদের অদ্ভূদ আচরন অনেক ছেলের কাছে
ভয়ংকর মনে হয় ।