নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"নিজকে জানো\"- বাক্য নিয়ে জ্ঞানীকুলের ব্যস্ত থাকার পথে ভ্রমন করতে চাচ্ছি,এর বেশি কিছুই না।

শূন্য সারমর্ম

Two things define you: Your patience when you have nothing & your attitude when you have everything.

শূন্য সারমর্ম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিভ্রাট ২

২৩ শে মে, ২০২০ ভোর ৪:০৪

চোখ বন্ধ করে আর চোখ খুলতে না পারার আক্ষেপ কোনোদিন মিটবে না। সময়ের অপব্যয়ী মানুষ কেদে উঠে। ধুমড়ে মুচড়ে নিয়ে যায় ভিতরে। স্মৃতি ভাসে, পাপ ভাসে। পাপের কাতার থেকে নাম মুছতে কল্পনায় ইরেজার ব্যবহার করে। ঢোক গিলে। ভয় পায় কিসের তাড়নায়। প্রতিটি নিশ্বাসের ওপারে কি থাকে.? অক্সিজেন কি শুধু নিলেই হয়। দায়িত্ববোধ বহন করে না? পরিচিত সমাজ মিটমিট হাসে, আস্তে আস্তে হাসিটা পরিণত হয় অট্রহাসিতে।মানুষ অমানুষ হয়। যুগ বদলায়। যুগ বদলানোর কারিগররা একসময় ঘুমিয়ে পড়ে। অমানুষের সংখ্যা কমে না। কুকুরকে রাস্তায় সংগম করতে দেখে, অমানুষ মজা নেয়। ঢিল ছুড়ে। প্রিয় মানুষ তীর ছিড়ে চলে যায়, স্বার্থসাধনে, লোভে পড়ে। কষ্ট একসময় নিংড়ে রোদে শুকাতে দিয়েছিলাম।লাভ হয়নি। বৃষ্টি এসেছিল। রাতের আকাশে চাদঁ নিয়ে কল্পনায় হারিয়ে যেতেই পেচাঁর ডাকে পেচাঁকে আপন করতে হয়েছিল। ইনসমনিয়ায় ভুগতে ভুগতে মস্তিষ্কের গঠন পরিবর্তিত হয়েছিল।ভরদুপুরে লাশ নিয়ে যেতে দেখেছি,। পিছু নিয়েছি, সবাই কার্যসম্পাদন করে চলে যাবার পর অনেক বছর অপেক্ষা করেছি। রোদে পুড়েছি, বৃষ্টিতে ভিজেছি, হুশ ফিরতো বজ্রপাতেন শব্দে। দিনের পর দিন লাশের মাটির ক্ষয় দেখেছি। ঠিক করে দিয়েছি। কতবার যে জিগ্যেস করেছি "কেমন আছেন ভিতরে.? উত্তর আসেনি।এখনও আসেনা। আগের মত আর টানে না নতুন লাশ, শশ্মানে পোড়ানো গন্ধ, মর্গের বিভীষিকা। গতকাল কাদঁতে বসেছিলাম সর্ব শক্তিমানের সামনে। অভিনয় করেও পারিনি। মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে অন্যশক্তি। মনে হয়েছিলো রেললাইনে গিয়ে শরীরকে দ্বিখন্ডিত করবো কি? কখনও মানুষ হত্যা করিনি। নিজেকে প্রতিনিয়ত মারি। তলিয়ে যাই অতল গভীরে। কেদেঁ উঠি। অন্ধকার রুমে কয়েকমাস মানুষিক রোগীর মত আচরন করেও সুখ পাইনি, তৃপ্তি পাইনি। সাদা কাগজে ডিপ্রেশনের ১০০ পয়েন্ট উল্লেখ করে রচনা লিখেও কাজ হয়নি। পোড়াতেই হয়েছে সেই কাগজ।পোড়াদাগ সরে না ভিতরে থাকা অন্তরে। গন্ধ পাই। চুলকায় মাঝেমধ্যে।মুগ্ধতা হারিয়ে গেছে। ধোয়া দিয়ে চারপাশ ঘিরে রেখেও মুক্তি পাইনি। চোখের সামনে বাচ্চা নিমগাছ অশরীরী হয়ে গেলো। মানুষ কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান কল্পনায় পেয়ে গেলেও, বাস্তবে কিছুদিন হলো পেয়েছে। তবে আমার নিজের কৃষ্ণগহ্বর ব্যাখ্যার জন্য ইচ্ছা হয় সূএ নিয়ে বসি।ব্যস্ত থাকি।হয়তো ভালো থাকবো। ধৈর্য্য টেনে নিয়ে যায় সেই কৃষ্ণ।আজ হাতে বল আছে, মগজের ধারে বর্ণমালার ব্যবহার টুকটাক শিখতে শুরু করেছি। এখনও ইরেজার হাতে নিয়ে পাপ মুছি।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:৫০

ডাকঘর সাহিত্য পত্রিকা বলেছেন: অনেক ভালোলাগা প্রিয় কবি।

২৩ শে মে, ২০২০ দুপুর ২:৪০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: ধন্যবাদ..ভালোবাসা রইলো

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.