নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\"নিজকে জানো\"- বাক্য নিয়ে জ্ঞানীকুলের ব্যস্ত থাকার পথে ভ্রমন করতে চাচ্ছি,এর বেশি কিছুই না।

শূন্য সারমর্ম

Two things define you: Your patience when you have nothing & your attitude when you have everything.

শূন্য সারমর্ম › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনা ইতিবৃত্ত

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ১২:১২



চীনের উহান দেশের জন্য ততটা গুরুত্ববহন না করলেও চীনা সরকারের স্কলারশিপ অনেক স্টুডেন্টদের লোভনীয় শহর। ভাইরাস শনাক্ত করার পর ছড়িয়ে পড়লে চীনা সরকার নড়ে চড়ে বসে লকডাউন কড়াকড়ি করে।তখনো বিশ্ব দিব্যি হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। মিডিয়ার কল্যানে আতংক জন্ম নিচ্ছিলো ধীরে ধীরে, গবেষক সাইন্টিস্টরা ভাবতে থাকে।চীনের অন্য শহর কেন ছড়ায়নি যা নিয়ে কন্সপারেন্সি থিউরী এখনো আছে।ভাইরাস আশেপাশের দেশ পছন্দ না করে মধ্যপ্রাচ্যের ইরানে ছোবল দিয়ে, ইতালিতে আসন পেতে বসলো। যার প্রভাব ইউরোপের বাকি দেশ গুলোতে পড়লো। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন মহামারী ঘোষণা দেবার আগে আমেরিকার সিডিসি পেনডেমিক হতে পারে আশংকা করলো। আমেরিকার সরকারের ব্যর্থতায় নিউইয়র্ক বিস্তার শুরু হলো। ইত্যেমধ্যে ইউরোপ গ্রাস সম্পন্ন। আড়াইমাস চলে গিয়ে ইউরোপ কিছুটা স্ট্যাবল হয়। ভীতি শুরু হয় দক্ষিণ এশিয়ায় ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের সতর্ক বানীতে। ইন্টারনেটের কল্যানে কতশত তথ্য, রিসার্স পেপার, গবেষণা মিলিয়ে দেখার জন্য অপেক্ষা করে কয়েকমাস। আলোচনায় থাকে সুইডেন,বেলারুশ ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন মত পদক্ষেপ না নিয়ে। দেশে মার্চের শেষ আর্মী নামে, সবকিছু লকডাউনে চলে যায়।প্রধানমন্ত্রী প্রণোদনা ঘোষণা করে ধাপে ধাপে।মাস ঘুরতেই আতংক না কমলেও ত্রানচুরি বাড়তে থাকে।দরিদ্র বাধ্য হয় রাস্তায় নামতে। দক্ষিণ এশিয়ার যা হবার ছিল তা না হওয়ায় দেশে আনঅফিশিয়ালি লকডাউন শিথিল চলে। দেশে ঘটে বাড়ি ফেরা,জানাযার মত লাখো মানুষের মিলন। কিন্তু ঐরকম পরিস্থিতি নেই। স্বাস্থ্যখাত টেস্ট কম,আক্রান্ত কম থিউরীতে এগুতে থাকে। বিভিন্ন ড্রাগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় বিশ্বে ট্রাম্প মোদিকে জোর করে ম্যালেরিয়া ঔষধ পাঠাতে। ইরান সফল হয় প্লাজমায়। রেমডিসিভির এফডিএ স্বীকৃতি দেয়, দেশে প্রস্তুত করে এস কে এফ,বাজারজাত করে বেক্সিমকো। ভ্যাক্সিন নিয়ে আলোচনায় সারা গিলবার্ট। মর্ডারেনা ভালোমত এগুতে থাকে। ব্লেইমগেম চলে চীন, আমেরিকায়।চলে কিমের মৃত্যুগুজব, ভিয়েতনাম, নিউজিল্যান্ডে করোনো জয়।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনকে ট্রাম্প অর্থায়ন বন্ধ করে। গভর্নরের সাথে চলে ঝামেলা। ড.ফাউচী সম্মানিত ব্যাক্তি হিসেবেই থাকে। ট্রাম্প ঘোষনা দেয় লকডাউন তুলে ফেলার। ইউরোপ স্ট্যাবল হয়। ইতালি পর্যটন খুলে, জার্মানি খুলে ফুটবল লীগ। উপমহাদেশে রমজান শেষে বিশেষ করে বাংলাদেশ বাড়ি যাবার ধুম পড়ে। অন্য দিকে সংক্রামণ বাড়ে। গণস্বাস্থ্য কীট নিয়ে জটিলতা চলে কয়েকদিন। দেশে লকডাউন নেই, প্রণোদনার নাটক চলে, জিনোম সিকোয়েন্স থেকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি, হার্ড ইম্যুনিটি কতদুর তা সময় বলে দিবে। যদিও ভাইরাস দেশে সুবিধা করতে পারছে না। কেন? মিউটেশন, তাপমাত্রা নাকি অন্য কোনো ফ্যাক্ট তা সময়ই বলে দিবে।কাল ঈদ। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.