| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরলপাঠ
সবার উপরে দেশ - আমার স্বদেশ। ভাল লাগে সততা, সরলতা। খারাপ লাগে নোংরামি, মিথ্যা, অহমিকা, কুটিলতা।
বিএনপির উচিৎ নির্বাচনী কৌশল পুনর্বিন্যাস করা। বাংলাদেশের মানুষ ২৪এর পূর্বের রাজনীতিতে ফিরতে চায়না। কিন্তু বিএনপির নির্বাচনী কৌশল জনগণকে বিএনপি সম্পর্কে ভুল বার্তা দিচ্ছে।
১) বিএনপি জুলাই এর অন্যতম দাবীদার, কিন্ত সংস্কার বিরোধী। বিএনপির কিছুলোক তৃণমূলে না ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে।
২) জনগণ সংস্কার চায়। কিন্তু অধিকাংশ বিএনপির অধিকাংশ অনলাইন এক্টিভিস্টরা সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালায়।
৩) বিএনপির কিছু নেতা হা ভোটের পক্ষে, অধিকাংশ তৃণমূলের নেতারা না ভোটের পক্ষে। বেশীরভাগ বিএনপি নেতাই এই ব্যাপরে নিশ্চুপ। হয়ত গণভোটই জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপির ভরাডুবির কারণ হতে পারে।
৪) মানুষের মধ্যে এই ধারণা জোরদার হচ্ছে, বিএনপি সংস্কার বিরোধি, কারণ তারা ক্ষমতায় এসে আওয়ামীলীগের মতই লুটপাট এবং ফ্যাসিজম কায়েম করবে।
৫) বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড এর সাথে মানুষ আওয়ামীলিগের ১০ টাকা সের চালের তুলনা করছে। বিএনপিকে নিশ্চিৎ করতে হবে তারা কোন প্রকারের দূরনীতি ব্যাতীত এটি বাস্তবায়ন করবে।
৬) বাংলাদেশে সরকারী ব্যবস্থার সাথে দূর্নীতি/লুটপাট, আর ক্ষমতার দাপট নিবিড়ভাবে জড়িত। বিএনপির কিভাবে দুরনীতি দূর করবে, তার কোন কৌশল নেই।
৭) বিএনপি জুলাইএর মূল কৃতিত্ব দাবী করে, কিন্ত জুলাইকে সেভাবে ধারণ করেনা। বিএনপি নেতারা, অনলাইন এক্টিভিস্ট, এবং বিএনপির টকশো ব্ক্তারা জুলাইকে প্রতিনিয়ত ঘায়েল করার চেষ্টা করে।
৮) মানুষ ২০২৬এ বিএনপির নির্বাচনী কৌশলে সাথে আওয়ামীলিগের ২০০৮ এর নির্বাচনী কৌশলের মিল পাচ্ছে।
৯) তৃণমূলে সন্ত্রসী, মাস্তান, এবং চাঁদাবাজেরা বিএনপির নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ায়, ভাসমান বা সিদ্ধান্তহীন ভোটাররা বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।
আশাকরছি বিএনপির থিংকট্যান্ক এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাববেন।
©somewhere in net ltd.