নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি (অ)স্বীকার করলে তোর কলঙ্ক হবে!

আমি (অ)স্বীকার করলে তোর কলঙ্ক হবে!

সাত্ত্বিক ফারুক

আমি (অ)স্বীকার করলে তোর কলঙ্ক হবে!

সাত্ত্বিক ফারুক › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রত্যেকটা তুই হলো “তুমি”

১০ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:২২

"প্যারিসের চিঠি" অ্যালবাম বের হতে একটু দেরি হলো। দেরির জন্য ভেতরে ভেতরে খুব কষ্ট হচ্ছিলো। জানতাম না, এই দেরি’র পেছনে অনেক ভাল কিছু থাকবে। এই দেরিতে অনেক কিছু পেয়েছি। পেয়েছি আমার সব কিছু উৎসর্গ করার মতো, তোমাকে। এই তুমিটা ছিলে না তখন, যখন তুমি-হীন কাতর ছিলাম, এখন আছো তুমি। তোমার প্রেমে কাতর হয়ে বলেছি- “তুই কি আমার দুঃখ হবি।” তোমাকে জানিয়েছি- “স্ইুজারল্যান্ডের লেকের স্বচ্ছ জলে নিজের ছায়ার পাশে যাকে খুঁজেছি, সে তুমি।” আবার বলেছি- “হাঁটু জলে নেমেগিয়ে তোর সিঁথিতে আবার আমি পড়িয়ে দেব কাঁদার সিঁদুর।” যখন রাত হয়, তখন- “অন্ধকারে তোমার আমার সব দেখা যায়, সব দেখা যায় মনে মনে।” এখন বৃষ্টির দিন। বৃষ্টি পরে, তখন মনে হয়- “আর কোনোদিন কি ফিরে আসবে ছোটবেলা? ছোটবেলার বৃষ্টিবাদল, তোমাকে দেখার লোভ?” তোমাকে ভালবাসি বলেই তোমাকে বলি- “ঐখানে যেও নাকো তুমি।” তোমার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা না হলে তোমাকে লিখি- “এখন তুমি কোথায় আছো কেমন আছো, পত্র দিয়ো।” মধ্যরাতে তোমার টেলিফোন বন্ধ থাকলে নিজেই নিজেকে বলি- “এখন থেকে আমার সময় গুলো পৃথিবীর প্রথম মানুষ আগমনের মত নি:সংগ কাটবে।” সেই নিঃসঙ্গতা ভেঙ্গে দিয়ে তুমিই প্রথম ডাক দাও। সকালে তোমার ডাকে ঘুম ভাঙ্গে আমার। আমার যে কি ভাল লাগে তখন! জানো না। তুমি আমাকে ডেকেছ। আর আমি- “যখন তুমি ডাক দিয়েছ অমনি গেছি ছুটে। যখন তুমি আসতে ছিলে দাড়িয়ে ছিলাম রুটে।” তোমার চিবুক ছুঁয়ে যখন দেখেছি একটি তিল। আর দেখেছি- “একটি মাছি বুকের পরে। একটি মাছি নাকে। একটি মাছি আমাকে চেনে। একটি চেনে তাকে।” তোমার আমার কথা গোপনে রাখার জন্য অনেক ব্যান্ডেজ লাগিয়েছি। অবশেষে জেনেছি- “ব্যান্ডেজ, রক্তপাতকেই কেবল আড়াল করে রাখতে পারে, প্রেমকে নয়!”



প্যারিসের চিঠিতে যে কবিদের কবিতা আছে তাদের বেশির ভাগ জনের সাথেই ভাই বা দাদা’র সম্পর্ক। জীবন বাবু আর রবি ’দা থাকলে এমনটাই ডাকতাম হয়ত। তাদের সবগুলো কবিতায় যে তুই, তুমি বা তোমার শব্দ ব্যাবহার হয়েছে। তার প্রত্যেকটাই হয়ত ভিন্ন ভিন্ন জন। কেউ কেউ হয়ত কল্পনা করেও লিখেছেন।



কিন্তু আমি যখন আবৃত্তি করেছি তখন প্রত্যেকটা তুই হলো “তুমি”। প্রত্যেকটা তুমি হলো “তুমি”। প্রত্যেকটা তোমার মানে “তোমার”। আমার সবগুলো তোমার, তুই, তুমি হলো একমাত্র “তুমিই”।



অবশেষে, এতো প্রতীক্ষার পর স্বপ্নসিঁড়ি'র ব্যানারে “প্যারিসের চিঠি” এইবার ঈদে আসছে। এর জন্য যার অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি হলেন আমার প্রিয় ভাই, প্রিয় বন্ধু, প্রিয় কবি সেজুল হোসেন। তার কাছে আমি চিরঋণী। চিরকৃতজ্ঞ।



অ্যালবামে যাদের কবিতা থাকছে তাঁরা হলেন- আনিসুল হক, আলফ্রেড খোকন, আমিনুল ইসলাম, আসলাম সানি, আবুল হোসেন, জীবনানন্দ দাশ, টোকন ঠাকুর, দাউদ হায়দার, নির্মলেন্দু গুণ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,লতিফুল ইসলাম শিবলী, সরকার আমিন, হেলাল হাফিজ। সকল কে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ। অ্যালবামের কবিতা থেকেই কিছু কিছু লাইন নিয়ে উপরের লেখাটা লিখেছি। আশা করছি “প্যারিসের চিঠি” সকলের ভাল লাগবে।

- সাত্ত্বিক ফারুক

https://www.facebook.com/Pariser.Chithi



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.