| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা যেমন কোন যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না,ঠিক তেমনি ধর্মও এমন একটি বিষয় যা আপনি সব সময় যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারবেন না।
আমি নিজে একজন যুক্তিবাদী ছেলে।কেউ কোন বিষয় বা মতামত উপস্তাপন করলে তা বিভিন্ন প্রশ্ন বা যুক্তিদিয়ে প্রমাণের চেষ্টা করি।
কিন্তু আমাদের চারপাশে বিষয় রয়েছে যা আপনি সহজেই যুক্তি দিয়ে বা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তাকে অস্বীকার করতে পারবেন না।আমার মতে 'ধর্ম' এমন একটি বিষয় যা আমাদের অনেক যুক্তি ও প্রশ্নের উর্ধে উঠে বিশ্বাস করতে হয়।
আমরা আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ভাবে বিভিন্ন নিয়ম-কানুন,বিধি-নিষেধ তৈরী করে নেয়>>
এখন প্রশ্ন আসতে পারে -
#ধর্মীয় নিয়ম কানুনের কি দরকার?
#কেন আমরা ধর্ম পালন করব?
যেখানে ধর্ম, পালন করতে গিয়েই যত রাজনীতি,হানাহানি,মারামারি,খুনোখুনি
দলীয় সার্থেই যত ধর্মের ব্যবহার ![]()
এক্ষেত্রে একটি প্রচলিত উক্তি মনে পড়ে গেল ;
ধর্ম থেকেই শিক্ষা নাও,ধর্ম পালন কারীদের দেখে নয়
মুলকথা হল,আমরা দলীয় বা রাজনৈতিক স্বার্থেই ধর্মকে ব্যবহার দেখছি,ধর্মের নামে বিভিন্ন কুলাঙ্গার আলেম! ধর্মব্যবসায়ী নিজেদের স্বার্থেই ধর্মকে ব্যবহার করছে।আর তাদের দেখেই কিছু শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিক/ তরুন সমাজের মধ্যে ধর্ম সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে,তারা প্রতিনিয়ত ধর্মের দোষ ত্রুটি বের করতে লিপ্ত হচ্ছে,অনেক ক্ষেত্রে তা ধর্ম বিদ্বেষ বা গালাগালি পর্যায়ে চলে যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে আপনি শুধু মাত্র তাদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিতে পারবেন না।কারণ তারা যা দেখছে,বুঝচ্ছে ও শুনছে তা থেকেই শিক্ষা নিচ্ছে।
কারণ তারা ধর্ম সম্পর্কে সঠিক ধারনা পাচ্ছে না বা যাদের উচিত ছিল জানানো তারাই নিজ নিজ স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করছে।
সব ধর্মই অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী হতে শেখায়।
আপনার মনে ধর্ম নিয়ে যে প্রশ্নগুলো তৈরী হচ্ছে বা সংশয় হচ্ছে তার উত্তর হয়ত আপনার ধর্মের মধ্যেই দেয়া আছে,আপনি হয়ত খুজে নিতে পারছেন না। :-&
ধর্মের কিছু কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক,এর মানেই তো আপনার মধ্যে বিচারবুদ্ধি রয়েছে ।
পরিশেষে,আগে নিজের ধর্ম সম্পর্কে জানুন।
তারপর নাহয় ধর্মকে অস্বীকার করবেন ![]()
দাগ থেকে যদি দারুন কিছু হয়,তাহিলে দাগই ভাল ![]()
©somewhere in net ltd.