নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

shorbonam

vagabond only

ুুসর্ব্নাম

vagabond only

ুুসর্ব্নাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামার হাতা কাইটা দিছে ভালো হইছে

২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৬



উদয়ন স্কুলের আগে থেকাই নিয়ম করা আছে যে লম্বা জামা পইড়া যাওয়া যাবে না। যারা নিয়ন মানে না, তাদেরকে পানিশমেন্ট। নিয়ম কানুন মাইনা চলার বিষয়টা স্কুলে না শিখলে আর কই শিখবে? ফলে, লম্বা জামার হাতা কাইটা দেয়া হইছে।







ছাত্রীরা সেই স্কুলে জামার হাতা বিষয়ক নিয়ম জাইনা শুইনাই ভর্তি হইছে। তারপরে, সেই নিয়মরে বুইড়া আঙ্গুল দেখাইতে গিয়া ফুল হাতা জামা পইড়া ঘুইড়া বেড়াইতেছিলো।



দেশে এইরকম নজির আরো আছে। যেইখানে লুঙ্গি এলাউ না সেইখানে লুঙ্গি পইড়া গিয়া হাজির হয় কেউ কেউ, মিডিয়ারে ডাইকা আইনা বলে- দেখেন, আমারে ঢুকতে দেয় না!



নিয়ম ভাঙ্গার এই বিপ্লবী টেন্ডেন্সীরে ওয়েলকাম।

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১২

চোরাবালি- বলেছেন: সঠিক
নিয়ম অবশ্যই পালন করা উচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ম ব্যতিত।

২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৭

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: কোন প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত হইলে পরে তাদের নিয়ম মাইনা চলা কর্তব্য। সেইটা যেই প্রতিষ্ঠানই হোক।

২| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৬

jotil_pola_jamalpur বলেছেন: সবাই নিয়ম দেখায় কেউ পালন করে না B-)

২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৮

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: স্কুল কলেজ নিয়ম শিক্ষা দেওনেরও প্রতিষ্ঠান। তারা পালন করতে শিখায়। নাইলে পানিশমেন্ট।

৩| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৭

ফ্রিঞ্জ বলেছেন: হাতা কাইটা দিসে তো 'ওভারলক' কইরা কিনার টা সিলাই কইরা দিতে হইবোনা? নাইলে তো সুতা ছুইটা যাইবো।
অর্ধেক কাজ করার তীব্র নিন্দা জানাই।

২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩০

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: হাতা কাইটা দেওন তো পানিশমেন্টমাত্র, এইটারে জামা ছোট করার কারিগরী প্রশিক্ষন ভাবলে ভুল হবে। ওভারলক কইরা দিলে তো আর পানশমেন্ট হইলো না!

আপনের নিন্দা তুইলা নেন।

৪| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৩

চোরাবালি- বলেছেন: বগুড়ার কোথাকার কোন মাদ্রাসায় নিয়মানুযায়ী ছাত্রীকে বোরকা পড়তে বাধ্য করালে জাতীয় দৈনিক ধারাবাহিক রিপোর্ট করে এবং সে রিপোর্টের ভিত্তিতে হাইকোর্ট রুলও জারি করে। কিন্তু এখানে করবে না কারণ এটি তো ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না।

২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৮

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: প্রতিষ্ঠানের নীতির সমালোচনা নিন্দা করতে রাজী আছি আমি প্রাসঙ্গিক হইলে, কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের নিয়ম ভাঙ্গার বিষয়ে সমর্থন করতে আমার আপত্তি আছে।

৫| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫১

কায়েস বলেছেন: যদিও ঘটনাটা আমার পুরোপুরি মনে নেই তবু বছরখানেক আগের একটি ঘটনা আপনিও শুনে থাকবেন। এমনই এক প্রিন্সিপাল তার প্রতিষ্ঠানের ড্রেস কোড (বোরখা) মানতে জোর করে। এতে ব্যথিত হয়ে একজন অন্যধর্মী স্বপ্রনোদিতে হয়ে আদালতে মামলা করেন। মামলার রায়ে এই ধরণের বাধ্যবাধকতাকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। প্রতিষ্ঠানের নিয়ম দেখিয়ে ওখানে বাধ্য করা অবৈধ হলে এখনকারটা বৈধ হয় কিভাবে? ডাবল-স্ট্যান্ডার্ড!
যে কোন একটা অনুসরন করা হোক, প্রতিষ্ঠানের নিয়ম যা তা মানতে হবে, পছন্দ না হলে অন্য প্রতিষ্ঠানে যান; এই নিয়ম হলে উভয়ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হওয়া উচিত। আর তা না-হলে কাউকেই এমন নিয়ম তৈরী করতে দেয়া হবেনা।
আপনার দৃষ্টিভংগিতে এই ঘটনা যদি ঠিক হয় ভাল, কিন্তু কাল কোন প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ড্রেসকোড বাধ্যতামূলক করলে তখন যেন আবার রথ উল্টাদিকে ঘুরাবেননা।

২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৭

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: হাইকোর্ট যখন কোন নীতিকে অবৈধ ঘোষনা করে, তখন প্রতিষ্ঠান সেই নীতি বদল কইরা থাকে। ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ম ভাঙ্গতে উতসাহ দেয় না হাইকোর্ট, দরকার হইলে নিয়ম বদলাইয়া ফেলতে চায় তারা।

প্রতিষ্ঠানের নীতির সমালোচনা নিন্দা করতে রাজী আছি আমি প্রাসঙ্গিক হইলে, কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের নিয়ম ভাঙ্গার বিষয়ে সমর্থন করতে আমার আপত্তি আছে।

৬| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩১

চোরাবালি- বলেছেন: ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ধর্মীয় নিয়ম থাকবে এটাই স্বাভাবিক এখানে নীতির সমালোচনার কিছু নাই। যখন সে ভর্তি হচ্ছে জেনেই ভর্তি হচ্ছে, ভাল না লাগলে প্রতিষ্ঠানের অভাব নাই। আমরা আসলে নীতি মানতে নারাজ যেটি আমরা বড়দের কাছ থেকে এখন নিয়মিত শিখছি।

২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১:০৩

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: আমরা শিখতে নারাজ হইলে সমস্যা নাই, আমরা তো স্কুলে যাই না।

যারা স্কুলে যায় তারা শিখতে রাজী হইয়াই তারপরে যায়।

৭| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৩

চোরাবালি- বলেছেন: নারী তোমাকে যে ভাবে দেখলে আমি পুলকিত সেটাকেই আমি তোমার স্বাধীনতা বলি-- বুঝলেন ব্যপাটা

২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১:০৫

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: এইটা আপনের স্বাধীনতা।

যেই নারী যেইভাবে আপনেরে দেখতে চায় সেইটাও তার স্বাধীনতা।

৮| ২৫ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৫

বিবর্ণ সময় বলেছেন: ভাই কম জেনে উল্টা পাল্টা মনে হয় না বলাই ভাল। এমন ফাপরে পড়বেন। অলনাইনে নিজের আইডেন্টিটি নিয়া ঝামেলায় পড়ে যাবেন :|

২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১:০৮

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: কারে কম জানা লোক সাব্যস্ত কইরা উপদেশ পরামর্শ রাখতে আসলেন আপনে বলেন তো?

৯| ২৫ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:১৪

কসমিক রোহান বলেছেন: পানিশমেণ্ট দিলে দিতে পারে। বড়জোর বহিষ্কার করতে পারে তবে হাতা কেটে দিতে পারে না । এই অধিকার স্কুল কর্তৃপক্ষের কারো নাই।
এটা যে করবে সে অপরাধী। তাকেই বহিষ্কার করা উচিৎ।

২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১:১১

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: জামার হাতা কাইটা দেওন অবশ্যই অপরাধ হইছে। মানহানি বলতে পারেন।

আর, নিয়ম ভাঙ্গার ফলে ছাত্রীরা যে অপরাধ করছে, সেইটারেও আমলে নিতে হবে।

১০| ২৫ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:৫৬

জহির উদদীন বলেছেন: এই সব প্যাচাল ভাল লাগে না...ভবিষৎতে স্কুলে স্লিভলেস জামা পড়ে মেয়েদের আসার সু্যোগ দেওয়া হউক তাতে মেয়েদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং সমাজে মেয়েদের কদর একটু বাড়বে....

২৭ শে মে, ২০১৩ রাত ১:১২

ুুসর্ব্নাম বলেছেন: জামা না পইরাও আসা যায় এমন স্কুলও থাকতে পারে, কি বলেন?

১১| ২৫ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:০৯

দুরন্ত-পথিক বলেছেন: পা ও কাইটা দিক

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.