| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(যারা নিজে যাচ্ছেন তাদের জন্য কিম্বা পরিচিত কেউ যাচ্ছেন তাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন )
হজ্বে যারা প্রথম যাচ্ছেন তাদের মনে স্বাভাবিক ভাবেই অনেক প্রশ্ন থাকে। প্রথমতঃ নতুন একটা জায়গা। দ্বিতীয়তঃ এক সাথে এত আমাল যা আগে কখনোই করা হয়নি। অনেকেই হয়তো আর কবে যাবেন বা আদৌ আরেকবার যাবার তাওফিক হবে কিনা সেটাও জানা নেই। সুতরাং সবকিছু সুচারু ভাবে করা অতীব জরুরী। আমি শুধু আমার অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু আলোচনা করতে চাই।
বাস্তবে আমল করা আল্লাহর তাওফিকেই সম্ভব। সুতরাং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া যেন হজ্বের যাবতীয় আহকাম সেই সাথে সমগ্র সফরে থাকা খাওয়া চলাফেরা সবকিছুই সুন্দরভাবে সমাধা হয়। কাজেই আগে থেকে কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখা জরুরী। সফরের প্রস্ততির মধ্যে কয়েকটা জিনিষ সামিলঃ
১) আর্থিক প্রস্ততি
২) শারীরিক প্রস্ততি-
৩) মানসিক প্রস্ততি
৪) হজ্বের যাবতীয় এলেম শিখে যাওয়া
ঙ) ভ্রমনের আনুসঙ্গিক প্রস্ততি
প্রথমেই উপরের ছয়টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাক।
১) আর্থিক প্রস্ততিঃ হজ্বের জন্য যে অর্থ ব্যয় হবে, তা হালাল হওয়া উচিত। এমনকি কোন কোন আলেমের মতে হালাল উপার্জনের সাথে হারাম মাল মিশ্রিত থাকলে যদি এই অর্থ দিয়ে হজ্ব করা হয় তবে হয়তো ফরজ আদায় হয়ে যাবে, তবে হজ্বের ফায়দা পাওয়া যাবে না। এছাড়া দোয়া কবুলের জন্যও হালাল মাল শর্ত। তাই প্রথমেই এই দিকে দৃষ্টিপাত করা উচিত।
ডলার না নিয়ে রিয়াল নিয়ে যাওয়াটাই শ্রেয়ঃ। তাহলে মানি এক্সচেঞ্জে ঘোরার সময়টা বেচে যাবে। হজ্বের ফ্লাইট শুরু হওয়ার পরে ডলার বা রিয়ালের দাম বেড়ে যায়। অনেক সময় ১ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায় যার ফলে কেঊ ২০০০ রিয়াল নিয়ে গেলে অতিরিক্ত ২০০০/- অযথা খরচ করতে হবে। তাই হজ্বের ফ্লাইট শুরুর ১ মাস আগেই রিয়াল কিনে রাখা যেতে পারে।
২) শারীরিক প্রস্ততিঃ হজ্বের সফর একটি পরিশ্রমের কাজ। যদিও আল্লাহ কারো সাধ্যের বাইরে কোন কিছু চাপিয়ে দেন না।
যার যতটুকু তাওফিক হয় তার জন্য সেটুকুই করনীয়। তবে মাযুর না হয়েও কষ্টের কারনে কোন আমাল অন্যকে দিয়ে করাটা সঠিক হবে না বলেই একাধিক উৎস থেকে জেনেছি। অপরদিকে নফলের মাধ্যমে যেহেতু আল্লাহর কাছে বেশী নৈকট্য লাভ করা যায় তাই বেশী বেশী নফল আদায়ের জন্য সুস্থ থাকাটা জরুরী।
আরো একটি শারীরিক প্রস্ততি হল যেহেতু ওখানে দুই ফিতাওয়ালা স্যান্ডেল পরে অনেক হাটতে হবে, নতুন স্যান্ডেল নিয়ে গেলে প্রায়ই ফোস্কা পড়ে যায়। তাই দেশে থাকতেই আগে ভাগে স্যান্ডেল কিনে সেটা পড়ে হাটার অভ্যাস করতে হবে।
... চলবে
২|
১৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:৪০
টুং টাং বলেছেন: কাজে লাগবে। ইন্ সা আল্লাহ্ ।
৩|
২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৮
েবনিটগ বলেছেন: shukran jazilah.
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:৩৮
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: তত্যবহুল সুন্দর পোষ্ট
নতুন হজ যাত্রিদের অনেক কাজে আসবে ।।