| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১। যে কোন শাক কেনার সময় খেয়াল করতে হবে শাকের পাতায় ছোট/বড় ছিদ্র বা দাগ আছে কি’না। থাকলে কেনা হবে না। দাগে ছত্রাকের কোটি কোটি স্পোর থাকে। আর ছিদ্র হয় কীটপতঙ্গের কারণে। কোন কোন মহিলা শহরের খুবই নোংরা জায়তে জন্সানো শাক তুলে নিয়ে বিক্রি করতে আসে। এতে ক্রিমির ডিম থাকতে পারে। ফলে সংক্রমণে আশংকা থাকে। এগুলো কেনা ঠিক না। কিনলে বেশি পানি দিয়ে খুব বেশি ধৌত করতে হবে।
২। আলুর গা মশৃণ কিনা। থাকলে কেনা যাবে। দাউদের মতো দাগ থাকলে-কেনা যাবে না। বুঝতে হবে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক আছে।
৩। লেবু কেনার সময় আলুর মতই। গোলাকার দাউদের মতো দাগ থাকলে কেনা যাবে না। এটা ক্যাঙ্কার রোগ। লেবুর তলায় পাক থাকতে লেবুতে রস বেশি হয়। কাগজি লেবুর স্বাদ বেশি। এ লেবু সাধারণত গোলাকার হয়।
৪। বেগুন বাজারে স্বাভাবিক দামের চেয়ে যদি কোন দোকানে কম দামে পান তবে প্রাথমিকভাবে বুঝতে হবে পোকা বেশি আছ। এক্ষেত্রে কিনলে একটা একটা করে বেছে নিতে হবে। তবে তারপরেও নিশ্চয়তা নেই। বেগুনের গায়ে বাইরে থেকে ছিদ্র না থাকলেও ভিতরে পোকা থাকতে পারে। কারণ পোকার জীবনচক্রে শুককীট পর্যায়ে বেগুনে গা ছিদ্র করে ভিতরে ঢোকে। এই ছিদ্র কখনো থাকে, আবার কখনো বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু পোকা ভিতরেই থেকে যায়। ফলে বুঝা মুশকিল হয়ে যায় বেগুনে পোকা আছে কিনা। তবে সাধারণভাবে ধরে নিতে হয় বেগুনের গায়ে ছিদ্র না থাকলে বেগুন ভালো আছে। তারপর ভাগ্য।
৫। পটলের বোঁটা দেখে বুঝতে হবে পটল টাটকা কিনা। টাটকা হলে বোঁটা শুকনো বা পঁচা থাকবে না। যত বেশি শুকনো তত বাসি।
৬। ঝাল কাঁচা মরিচ কিনবেন ? মরিচের মাথা সামান্য একটু ভেঙে জিহ্বায় আলতো করে ঠেকান। সঙ্গে সঙ্গে যদি অসহনীয় জ্বালা হয় তবে ঝাল। আর জ্বালা হতে একটুও দেরি হলে কম ঝাঁল।
৭। লাউ-কুমড়া, বরবটি, কাঁকরোল, ঝিঙা, চিচিংগা, শশা প্রভূতি কচি হওয়া দরকার। অন্য কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখা তেমন জরুরী নয়।
৮। গরুর বা খাসির মাংস কেনার সময় সামান্য কলিজা সহ বিভিন্ন অংশ থেকে একটু একটু করে আপনার প্রয়োজনীয় পরিমাণ কিনবেন। তাতে স্বাদ বেশি হয়। বাজারে আগে যাওয়া দরকার। অথবা একটা গরুর মাংস বিক্রি শেষ হলে কসাইরা অন্য গরুর মাংস দোকানে আনে। তখন কিনতে হবে। শুকনো মাংস না কেনাই ভালো।
৯। খুব বড় মাছ মরা কেনা কম নিরাপদ। এ ধরনের মাছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রিজাভেটিভ থাকে।
এরপর ফল কেনার সময় কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখা দরকার তা জানানোর চেষ্টা করব-ইনশাল্লহ্।
ধন্যবাদ।।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৯
জামিলা শফী সিদ্দীকি বলেছেন: আপনার কথা ঠিক। গ্লামার ওয়ালা শাকের জন্য ভয় করছেন। ভয়েরও দরকার আছে। ভবে রাসায়নিক সার প্রয়োগের কারণে যদি শাক-সবজি সতেজ হয় তাতে ভয়ের কিছু নেই। তবে কীট-নাশক চরম ক্ষতিকর। রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া থেকে উদ্ভিদ পায় নাইট্রোজেন। আর এই নাইট্রোজেনের ৪টি পরমাণু প্রয়োজন হয় এক অণু ক্লোরোফিল তৈরি করতে। এই ক্লোরোফিল ব্যবহার করেই এরা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করে। সেজন্য ইউরিয়া ব্যবহার আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর-এ কথা সত্যি নয়। তবে জমির উর্বরতার ক্ষতি হয়। আর কীট-নাশক যদি জিংক বা মার্কারি ঘটিত পদার্থ দ্বারা প্রস্তুত হয় তবে সেটা আমাদের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর।
২|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:১৯
ক্যাপ্টেন রিফাত বলেছেন: কয়েকদিন আগে কেন্ট এর একটা বিজ্ঞাপন দেখলাম/ তরকারী কেনার পর , ফরমালিন মুক্ত করতে ওইটা ব্যবহার করা যেতে পারে
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩২
জামিলা শফী সিদ্দীকি বলেছেন: সব খাবরেই তো আর ফরমালিন দেয় না। কাজেই কোন একটি মাত্র বিশেষ প্রক্রিয়ায় খাবার বিষমুক্ত করা সম্ভব নয়। সেজন্য একটু সতর্ক হয়ে চলা ভালো।
৩|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২১
জোবায়ের বলেছেন: ভাল পোস্ট, কাজে লাগবে, প্রিয়তে নিলাম।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৩
জামিলা শফী সিদ্দীকি বলেছেন: ধন্যবাদ।।
৪|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১৯
আজব আরাফাত বলেছেন: যে কোন শাক কেনার সময় খেয়াল করতে হবে শাকের পাতায় ছোট/বড় ছিদ্র বা দাগ আছে কি’না। থাকলে কেনা হবে না।
>> ছিদ্র নাই মানে ঐ শব্জি তে অতিরিক্ত মাত্রায় কিটনাশক দেয়া হয়েছে তাই পোকা ছিদ্র করতে পারে নাই
আলুর গা মশৃণ কিনা। থাকলে কেনা যাবে। দাউদের মতো দাগ থাকলে-কেনা যাবে না।
>> মসৃন মানে ইহাতেও প্রচুর পরিমানে কিটনাশক দেয়া হয়েছে।
বেগুনের গায়ে বাইরে থেকে ছিদ্র না থাকলেও ভিতরে পোকা থাকতে পারে
>> এর মানে ইহাতেও অতিরিক্ত মাত্রায় কিটনাশক দেয়া হয়েছে তাই পোকা ছিদ্র করতে পারে নাই।
পটলের বোঁটা দেখে বুঝতে হবে পটল টাটকা কিনা। টাটকা হলে বোঁটা শুকনো বা পঁচা থাকবে না। যত বেশি শুকনো তত বাসি।
>> এ জন্যই প্রতিদিন সকালে ব্লেড দিয়ে বোটা কেটে টাটকা বানানো হয়, সকালে গেলে দেখতে পারবেন।
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৪
জামিলা শফী সিদ্দীকি বলেছেন: তাই বলে কি রোগগ্রেস্ত শাক-সবজি খেতে চাচ্ছেন ? মশৃণ মানেই আলুতে প্রচুর পরিমাণে কীটনাশক দেয়া হয়েছে-এ কথা ঠিক নয়। ফসল হার্ভেস্টিং-এর সময় কীটনাশক ব্যবহার করলে বেশি ক্ষতিকর। তবে ফসলের গাছ যখন কচি অবস্থায় থাকে অর্থাৎ আলু যখন জন্মাতে শুরু করেনি তখন যদি কীটনাশক দেয়া হয় তবে তা অতটা ক্ষতিকর হয় না। যে জীবাণু আলুর গা অমশৃণ বা দাউদের মতো করে তা মূলতঃ জৈব সার থেকে আসে অথবা একবার জমিতে ওই জীবাণু আসলে তা পরপর মাটিতে থেকে যায়। সেজন্য কীট-নাশক দ্বারা মাটি শোধিত হলে এ রোগ হয় না। কাজেই সরাসরি আলুতে কীটনাশক প্রয়োগের দরকার হয় না আলুর গা মশৃণ রাখতে। আর অন্য যে দু'টি রোগ আলুর হয় তা হলো-লেইট ব্লাইট ও আরলি ব্লাইট। এই দুই রোগেই আলুর গাছ পচে যায় এবং আলু হওয়ার পর আলুও পচে যায়। আলু খাওয়াই উপযোগী থাকে না। এই রোগের জন্য কীট-নাশক প্রয়োগ করলে ওই দুই রোগ থেকে গাছ মুক্তি পায়। এর সাথে আলু মশৃণ হওয়া না হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। তবে কীট-নাশক আমাদের জন্য ক্ষতিকর। এই বিষয়টি মাথায় রাখা ভালো।
৫|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪২
ইয়ার শরীফ বলেছেন: আমার মত কাঁচাবাজার নবীশদের জন্য অতি উপকারি পোস্ট
ধন্যবাদ
৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৩৭
রাফাত নুর বলেছেন: একটা ভালো পোস্ট । +
৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০২
পড়শী বলেছেন: "লাউ-কুমড়া, বরবটি, কাঁকরোল, ঝিঙা, চিচিংগা, শশা প্রভূতি কচি হওয়া দরকার। " কচি চেনার উপায় কি?
++ আপনার লেখায়।
বাজার নিয়ে আপনার ভাবীর বকা খেতে খেতে জীবন শেষ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৪
েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: শাক সবজি যেটা বেশি গ্লামর ওয়ালা , মানে চকচকে, ফুটা ফাটা নেই, পোকাও নেই, চোখ বুজে বুঝবেন ঐগুলা হেভি রকমের রসায়নিক সার আর কিটনাশক দিয়া ফলানো হইছে, যার কিছু অংশ রান্নার পরে রেসিডুয়াল হিসাবে আপনে পাইবেন একে বারে ফ্রি অব কস্ট।