| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনের তুলনা করা যায়। ১৯৭৩ সালের নির্বাচন ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম নির্বাচন অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচন হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে। আম্লিগ সিট পায় ২৯৩ যার মধ্যে ১১ ছিল বিনা প্রতিদ্বন্দীতায়; মজিবর, নজরুল, জিল্লুর ও তোফায়েল বিপরীতে কোন প্রার্থী ছিলোনা। মানে দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। মজিবরের বিপক্ষে দাঁড়ানো আজহারউদ্দিনকে (মেজর হাফিজের বাবা) অপহরণ করা হয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে হাসিনার নির্বাচনে ১৫৩ টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় হাতিয়ে নেয়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে দিনের ভোট রাতেই হয়ে যায় হাতিয়ে ২৮৮টি আসন। ২০২৪ সালের নির্বাচন হয় আমি ডামি নির্বাচন। বাবার সংগে মেয়ের নির্বাচনের কি অপূর্ব মেলবন্ধন!
মজিবর একদলীয় শাসন বাকশাল চালু করে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বন্ধ করে দেয় হাসিনাও ডিজিটাল নিরাকত্তা আইন ও ঘুম, খুন ও আয়না ঘরের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করে দেয়।
সিরাজ সিকদাকে হত্যা করে মজিবর প্রথম ক্রশফায়ার চালু করে হাসিনাও RAB এর মাধ্যমে শতশত মানুষকে হত্যা করে বাবার পথে হেঁটেছে।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে মজিবরকে গ্রেফতার করে তার আগে তাজ উদ্দিন মজিবরকে লুকানোর পরামর্শ দেয় কিন্তু মজিবর না লুকিয়ে পরিবারের জন্য পাকিস্তানী সরকারের কাছে ১৫০০ টাকা ভাতার ব্যবস্থা করে এবং স্যুটকেস গুছিয়ে নেয় সেই সময়ও মজিবর পাইপ ও তামাকের কথা ভোলেনি সর্বশেষ পরিবারের কাছে বিদায় নেয় অর্থাৎ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেঅ কিন্তু জনগনের কথা একবার ভাবেনি।
তাজ উদ্দিন মজিবরের স্বাধীনতার ভাষন রেকর্ড করতে চাইলে মজিবর কোন ভাবেই রাজি হয়নি এমন কি স্বাধীনতার লিখিত ভাষনেও সই করতে রাজি হয়নি।
অনুরূপভাবে হাসিনাও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার আগে তার জ্ঞাতিগোষ্টিকে আগেই বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছিল এবং সর্বশেষ রেহানাকেও সংগে নিতে ভুল করেনি। তার বড় আমলা কামলা সহ মন্ত্রী, এমপি, স্পিকার, ডিপুটি স্পিকার সহ চেয়ারম্যান মেম্বার এমনকি ইমাম পর্যন্ত পালিয়ে গেলো।
নিজেদের জ্ঞাতিগোষ্টি নিরাপত্তার বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সঠিক বলেছেন।
২|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬
অরণি বলেছেন: শেখের জ্ঞাতিগোষ্টি নাতিপুতি যে যেখানে ছিল সেখান থেকেই পগার পার। হাসিনা আগে তাদেরকে ক্ষুদেবার্তা দিয়ে ভেগে যেতে বলেছিল।
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: হ্যাঁ হাসিনা ম্যাসেজ দিয়ে তার জ্ঞাতিগোষ্টিকে যতদ্রুত সম্ভব দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলেছিল এমনটাই বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়।
৩|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩
অরণি বলেছেন: যারা এখন হাসিনার জন্য লাফাচ্ছে তাদের কথা কিছু বলে যায় নি হাসিনা?
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ওদেরকে বলেছে যে, বলদেরা তোরা লাফা আবার যখন মধু খাওয়ার সময় হবে তখন আমরা জ্ঞাতিগোষ্টি সবাই এসে হাজির হবো। ![]()
৪|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬
অরণি বলেছেন: আওয়ামীলীগের লোকজন কতটা বোকা এরা একবারও ভাবেনা যে সব রুইকাতলা বিদেশে পালিয়ে গিয়ে আয়েশি জীবন যাপন করছে আর মাঝে অডিও বাণী দিচ্ছে এতেই তাদের কাজ শেষ অন্যদিকে বলদগুলো দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করে জেলে যাওয়ার পথ সুগম করছে।
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন। বলদেরা এগুলো দেখেও কি কিছু বোঝেনা?!
৫|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭
অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: তার ছিল একই অঙ্গে অনেক রূপ। তিনি কাপড় সেলাই করতেন, নিজ হাতে রান্না করতেন, গাছে পানি দিতেন, ১৮ ঘন্টা দেশের জন্য কাজ করতেন এরই মাঝে আবার তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তে কোনদিন মিস করতেন না। এতো রূপ ছিল তার!!!
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ক্যামেরাম্যান ঠাঁই দাড়িয়ে থাকতো কখন তাহাজ্জুতি বেগম তাহাজ্জুতের নামাজ পড়বে সেই অপেক্ষায়। আহা কি কষ্ট বেচারার। তার দুই পাঁ ফুলে ঢোল হয়ে গিয়েছিল তাহাজ্জুতি বেগমের তাহাজ্জুত নামাজ পড়ার একটা শর্ট নেওয়ার অপেক্ষা করতে করতে।
৬|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনের সাথে শেখ হাসিনার শাসনের কোনো মিল নেই । শেখ মুজিবুর রহমান বৈধ রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন । সে সময় আর কোনো রাজনৈতিক দল ছিলো না । বাংলাদেশের মানুষ খুব ডেমোক্রেটিক হয়ে উঠেছিলো বলে মনে হয় না । পাকি মিলিটারীর শাসন থেকে মাত্রই মানুষ মুক্ত হয়েছিলো। শেখ মুজিবুর রহমান যতই খারাপ শাসক হন তার কারণে উনাকে হত্যা করা আরো বড়ো ক্রাইম । তাকে জেলে নেয়া যেত , বিচার হতো যদি তার অন্যায় করেন । সে সুযোগ কেন দেয় হলো না ? কারণ রাজাকার গোষ্ঠী জানতো যে শেখ মুজিবুর রহমানকে জেলে আটকিয়ে রাখা যাবে না । শিশু রাসেল কে খুন করার মাধ্যমে বোঝা যায় যে আসলে ভয় টা কোথায় ছিলো।
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০৯
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: মজিরর বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ও মানুষকে অত্যাচার করা তার জন্য কাল হয়েছিল। মজিবর মোটেও ভালো মনের মানুষ ছিলোনা সে ছিল ভারত তথা র এর ক্রীড়নক। তাজ উদ্দিনের মেয়ে লেখা থেকে জানা/বোঝ যায় তার ধান্ধা ছিল পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হওয়া বাংলাদেশে স্বাধীনতা মজিবর চায়নি।
৭|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩
একজন নিষ্ঠাবান বলেছেন: মুজিবুর ও হাসিনা এখন ইতিহাস।
৮|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬
আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: ঘুমত মানুষের পারালাগবি তাই না
ঘুমের মধ্যে স্বপ্নটাও চলে আসে
এটা দোষের কিছু না আপনে আপনি
বুঝছে ফেলবে পাবলিক তারপরও
যদি বুঝতে না পারে তাহলে মরাই ভাল!
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩২
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: তাহারা ছিল ভারতীয় ডিএনএ। সুতরাং কর্ম চিন্তায় একই হবে এটা ধরে নেওয়া যায়।