| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই ভবিষ্যতেও থাকবেনা।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ (দক্ষিণ)-এর সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক ভারতের নিরাপত্তার স্বার্থে রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের আদলে বাংলাদেশে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সহ্যান্ডলে এই কুলাঙ্গার মন্তব্য করে যে, ন্যাটোকে কেন্দ্র করে রাশিয়া যেভাবে ইউক্রেনে আক্রমণ চালিয়েছে, ভারতের সুরক্ষার জন্যও ঠিক তেমনিভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কঠোর বা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এখন বলুন আম্লিগ কার স্বার্থে কার করে? এরা কখনই বাংলাদেশের স্বার্থে কাজ করেনি। আম্লিগ যতদিন ক্ষমতায় ছিল ততদিন শুধু ভারতের স্বার্থ রক্ষার কাজই করে গেছে।
এজন্যই ভারত বিনা ভিসা পার্সপোর্টে বাংলাদেশে যত আসামী বিশেষ করে আম্লিগের গুন্ডাপান্ডা, এমপি, মন্ত্রী, আমলা, কামলা সবাইকে আশ্রয় দিয়েছে। এরা যে দুহাতে ভারতে দিয়েছে তার প্রতিদান এখন পাচ্ছে।
ইয়ের বাচ্চা মানে জানেন কি? ইয়ের বাচ্চা মানে শুয়োরের বাচ্চা।
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪২
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আম্লিগ কখনোই বাংলাদেশকে ধারণ করেনা। ওদের একমাত্র ধান্ধা হলো লুটপাট ও পাচার।
২|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:২৮
কামাল১৮ বলেছেন: দ্বিমত প্রকাশ করছি।
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: কোন মানুষ ইহাতে সহমত প্রকাশ করতে পারেনা।
৩|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০০
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: কারা যেন ভারতের সাত বোনকে তুলে নিয়ে আসার দুঃসাহস দেখিয়েছিলো.........?
ভারতের মুরগী গলা চিবানোর খায়েশ প্রকাশ করেছিলো?
বাস্তবতা এটাই যে সুযোগ থাকার পরও জামায়াতি আল-বদর ৭১ এ ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করার সাহস করেনি।
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: যে যা বলুক ও করুক মানিকের মতো আপনিও কি চান ভারত বাংলাদেশ আক্রমন করুক?
৪|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:১০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সামু কোন রাজনৈতিক মন্চ নয়,
কিন্ত দিনে দিনে মাথা নষ্টরা দখল করে
যা মনে আসে তাই বলে যাচ্ছে ।
..................................................................
বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মতো, সমাজেও বিভ্রান্তি দেখছি ।
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সামু তাহলে কোন মঞ্চ? আপনার বড় দাদা তো ভারতকে বাংলাদেশ আক্রমনের কথা বলছে তার বিরুদ্ধে কথা বলা কি মাথা নষ্টদের কথা? আপনিও কি চান ভারত বাংলাদেশ আক্রমন করুক?
৫|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:১১
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
গোলাম আযম এবং জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন নেতৃত্ব মধ্যপ্রাচ্য তথা সৌদি আরব ও জিসি (GCC) দেশসমূহকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য লবিং করেছিলেন। ফলাফল ৭২-৭৩ এদেশের মানুষ হজ্জে যেতে পারেনি....
গোলাম আজম কিয়ের বাচ্চা??
৬|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০১
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: আধুনিক সময়ে যুদ্ধ জয়ের পর গনিমতের মাল হিসেবে নারী ভোগ করার চল নেই। অতিতে ছিলো। তাও কেবল যুদ্ধে জয় লাভের পরই জয়ী পক্ষ শত্রু পক্ষের নারীদের নিজেদের অধিকারে নিয়ে ভোগ করতো।
কিন্তু ই গনিমতের মাল কি কেউ যুদ্ধে বিজয় অর্জনের আগেই ভোগ করে? অথচ একমাত্র সাচ্চা মুসলমান পাকি বাহিনী যুদ্ধ জয়ের আগেই বাংলাদেশের গ্রামের হিন্দু-মুসলিম নারীদের তাদের সামরিক ক্যাম্পে নিয়ে ভোগ করতো। আর ক্যাম্পে নারী সরবরাহকারী ছিলো জামায়াতের শান্তি কমিটির সদস্যরা।
এই মুসলিম ভেকধারীরাই ইসলামের প্রকৃত শত্রু....।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:২৮
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: মেয়াদহীন গাঁজা সেবনে মাতাল হয়ে বেঠিক বীর্য পাতের ফসল হলো এই মানিক।