নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি কে? রাজাকার!

৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০১



ভারতে দেশপ্রেমের সজ্ঞা কী? ভারতে একজন কট্টরপন্থীর দেশপ্রেম হলো প্রথমত পাকিস্তান বিরোধী হতেই হবে। দ্বিতীয়ত মুসলিম বিরোধী হতেই হবে। এই দুই ছাড়া কোনভাবেই সে ভারতকে ধারণ করেনা এমন একটা চিন্তা চেতনা ভারতীয়দের মননে মগজে প্রথিত হয়েছে। এটা একদিনে হয়নি। এর গোড়াপত্তন হয় ১৯২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। কট্টরপন্থী এই আরএসএস - RSS এর প্রতিষ্ঠাতা ছিল ডা. কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার। পরবর্তীতে ১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে এর মূল উগ্র ও রাজনৈতিক রূপকার হিসেবে নেতৃত্ব দেয় বিনায়ক দামোদর সাভারকর (ভি ডি সাভারকর)। বর্তমানে এই ঝান্ডা বহন করছে নরেন্দ্র মোদী।

ভারতের যে হিন্দুর একবেলা খাবারের পর আরেক বেলা খাবার জুটবে কিনা সে জানেনা সেও এখন এই মতবাদের বিশ্বাসী অথচ এই ছালবিহীন হিন্দুই কিন্তু মন্দিরে ঢুকতে পারেনা, তাদের সংগে খেতে পারেনা, তাদের সামনে চেয়ারে বসতে পারেনা অর্থাৎ এককথায় অচ্ছুৎ। অথচ এই অচ্ছুৎ হিন্দুটিও মননে মগজে পাকিস্তান ও মুসলিমের ঘোর বিরোধী।

ঠিক অনুরুপভাবে ইয়ের বাচ্চা অমানুষ আম্লিগের মননে মগজে দেশ প্রেমের সজ্ঞা হলো পাকিস্তান বিরোধীতা। এরা আম্লিগ ও ভারত ছাড়া অন্যকিছুতে একেবারেই নারাজ। দেশ একেবারে লুট করে ফতুর হয়ে গেলেও আম্লিগের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে তেমনিভাবে ভারত দেশ দখল করলেও ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবেনা তাহলেই রাজাকার ট্যাগ নিশ্চিত ভাবে। তারমানে বাংলাদেশীদের দেশপ্রেমের সজ্ঞা হলো নিশ্চিতভাবে পাকিস্তানের বিরোধীতা ও নিশ্চিতভাবে ভাবে ভারতে মাড়াখাওয়া এদুইয়ের সংমিশ্রনে প্রকৃত দেশপ্রেম।

ই সজ্ঞায় না পড়ায় অনেকেই আমাকে রাজাকার বলে কেউ আবার আকারে ইঙ্গিতে বলে। সংগত ভারত বিরোধীতার কারণে কেউ যদি আমাকে রাজাকার বলে তাহলে আমি রাজাকার।

টী হাসিনা যেমন ছাত্রছাত্রীদের রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিল তখন সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা স্লোগান দিত-- তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার কে বলেছে কে বলেছে স্বৈরাচার স্বৈরাচার তখন জাফর ষাঁড় বলেছিল যে ছাত্রছাত্রীরা নাকি নিজেদেরকে রাজাকার দাবী করেছে সেই দুঃখে ষাঁড় কোনদিন ঢাবিতে যাবেনা বলে প্রতিজ্ঞা করেছিল। আমাকে আবার সেই রকম রাজাকার বানায়েন না প্লিজ প্লিজ.....।

বি:দ্র: এখানে ভারত বিরোধীতা মানে ভারত সরকাররের নীতিকে বোঝানো হয়েছে এবং নটী বলতে দুষ্টু। :-P

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভারত বিরোধীতা মানে ভারত সরকাররের নীতিকে বোঝানো হয়েছে এবং নটী বলতে দুষ্টু।
.............................................................................................................................
ভারত যখন সত্যিকারের গনতন্ত্র চর্চ্চা করত,
তখন মোদীর শাসন ছিলোনা, বিশ্বে সত্যিকারের গনতন্ত্রর নিদর্শন ছিলো
যদি ও হিন্দু রাষ্ট্র তথাপি মুসলিমরা শান্তিতে ছিলো ।
বর্তমানে মোদীর শাসনের কিছু পূর্ব থেকে দৃশ্যপট পাল্টাতে থাকে ,
ফলে , দেশে একধরনের জঙ্গী মতবাদ প্রতিষ্ঠা লাভ করে । এখন সুষ্ঠু গনতন্ত্রও নাই
এবং মুসলিমরা অত্যাচারিত ও ওয়াকফ জমি সরকার দখলে দুষ্টু কাজে তারা ব্যস্ত ।
.............................................................................................................
যেহেতু প্রতিবেশী রাষ্ট্র আগের সহনশীলতায় নেই মোদীর কারনে, এর অবসান অবশ্যই
হবে , তাই আমাদের কৌশল অবলন্বন করা যুক্তি সঙ্গত, পরের মুখের ঝাল আমরা খেতে চাইনা ।
নিজ বিবেচনায় চলতে চাই, সে কারনে ১৫ বৎসরের গোলামী চুক্তির প্রতিবাদ করি,
সেখানে এতসব বিজ্ঞ জনেরা কথা বলেন না কেন ???

২| ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হুমায়ূন ফরীদি আসলে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.