নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দৃষ্টি, ভাষা, ব্যাবহার মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় - আলোর মিছিল

সোহানাজোহা

(Disaster Management) Disaster of Risk Management and Climate Change Global Warming Adaptation

সোহানাজোহা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাটির চুলা

০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩১


ছবি কথা বলে: আজ হাটবার আপনে দেড়ি না করে বাজারে যান গা, নাতি নাতনি ছেলে বউ শহরের বাসায় নদীর মাছ খায় কিনা আল্লাহ মাবুদ জানে! (মাটিরে চুলাতে দাদীজান পিঠা ভাজছেন, দাদাজান পিঠা খাওয়ার সাথে সাথে দাদীজানের কাছে জেনে নিচ্ছেন গঞ্জের বাজার হতে আজ কি কি বাজার করতে হবে)
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
গ্রামের বাড়িতে যেতে ট্রেন থেকে নেমেই জেলা শহর। রেল স্টেশন থেকে আমাদের গ্রামে যেতে দুরত্ব প্রায় ১৩ কিঃমিঃ। গ্রামের শুরুতেই যা চোখে পরে তা হচ্ছে আমাদের গ্রামের অতি পুরাতন একটি বাজার। বাজারে মাটির চুলাতে সারাদিন চা হচ্ছে, গ্রামের লোকজন খুব আগ্রহ করে চায়ে চুমুক দেন, আব্বাকে দেখে বাজারের সবাই আগ্রহ নিয়ে বলেন “মিয়াবাই পরিস্তিতি বালা না, খুবই চিন্তায় আছি” তাদের চেহারা দেখে মোটেও চিন্তাযুক্ত মনে হয় না, বরং মনে হয় তারা বেশ আনন্দে আছেন! মনা কাকার চায়ের দোকানে আব্বা সবাইকে চা বিস্কুট খেতে বলেন - বিস্কুট ডুবিয়ে সবাই চা খান। আব্বাও সবার সাথে খুবই চিন্তাযুক্ত কথা শুনেন - সকলে হাসেন, চায়ে চুমুক দেন। মনা কাকার ব্যস্ততা বাড়ে তিনি দোকানের কর্মচারীদের হাক দেন “তোরা আমার দুহান বন্ধ কইরা ছারবি” মনা কাকার দোকান বন্ধ হবার দোকান না, ভোর থেকে রাতঅব্দি নিরবচ্ছিন্ন চা-সিঙ্গারা-পুরি-মোগলাই-পরোটা-ভাজি বিক্রি হচ্ছে তো হচ্ছে। সেই ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি মনা কাকার বাবা রহিম উদ্দিন দাদা সাথে মনা কাকা একই ভাবে এই চা স্টল চালাতেন। এখনো চলছে - জ্বলছে মাটির চুলা আর সাথে চা - কয়লার ঘ্রাণ

আমাদের গ্রামে গ্যাস নেই, যদিও আমরা গ্যাসের দেশের মানুষ। বাড়িতে এলপি গ্যাসে রান্না হয় আর মাটির চুলাতেও রান্না হয়। মাটির চুলা পাকের ঘরে আছে দুইচোখা চুলা একটি, আর একচোখা চুলা একটি। আর পাকের ঘরের বাইরে আছে চারচোখা চুলা একটি, তাতে বাড়িতে ধান সিদ্ধ করার জন্য ব্যবহার হয়, এছাড়া বাড়িতে আত্মীয় পরিজন আসলে তাতে বড় পরিসরে রান্না হয়। মাটির চুলার সাথে আমাদের ঘরের সকলের যে ভালোবাসা মিশে আছে তা দীর্ঘদিনের। জ্ঞান হওয়ার পর থেকে দেখছি বাড়িতে এই তিনটি মাটির চুলা। মেরামত করে করে চলছে - চলছে। ২০ - ৩০ বছর তো আধুনিক কোনো চুলাও থাকার কথা না। মাটির চুলা যেগুলো গ্রামের বাড়িতে দেখছি তার বয়স কম করে হলেও ৪০ বছর হবে। মাটির চুলায় রান্না করার সময়ে বাড়ির সকল মহিলারা চুলার পাশে বসে নানান জীবনমুখি গল্প করেন - সেসব গল্প বই উপন্যাসকেও হার মানাতে পারে।

রান্না শেষে মাটির চুলার আগুন নেভানো হলেও তাতে জ্বলন্ত কয়লা ও গরম ছাই থেকে যায় তাতে গোল আলু গুজে রেখে দিলে কয়লা ও ছাইয়ে আলু পুড়ে সিদ্ধ হয়ে থাকে এই পোড়া আলুর ভর্তার স্বাদ মনে রাখার মতো। তাছাড়া একই অবস্থায় চুলাতে একটি রুটি তাওয়া রেখে তাতে রুটি রেখে দিলে ধিরে ধিরে সেই রুটি মুচমুচে টোস্ট হয়ে যায়। বিকালের নাস্তাতে এই টোস্টের স্বাদ অসাধারণ। দেশ বিদেশের বিখ্যাত ব্রান্ডেড বেকারির ব্রেড রুটি খেয়েছি, কিন্তু যতো দামি রুটি হোক গ্রামের বাড়ির গনগনে আগুনের চুলা থেকে নামানো রুটির স্বাদের সাথে কখনো তুলনা করা যায় না। এই গনগনে আগুনে গরম রুটির সাথে মিশে আছে আমাদের গ্রামের বাড়ির ভালোবাসা, ৪০ বছরের পুরোনো আমার দাদীজানের হাতের ভালোবাসা। আমার মা এই চুলাকে খুব যত্ন করেন। কারণ এই বাড়িতে এই চুলাতে আমার দাদীজান রান্না করেছেন। দাদীজান এখনো বাড়িতে গেলে নিজের হাতে দুধ গরম করেন, চা তৈরি করেন। - মাটির চুলাতে তিনি রান্না করে আনন্দ পান।

মাটির চুলার ছাই সবজি চাষে কাজে লাগে। মাছ কাটতেও এই ছাইয়ের ব্যবহার অপরিসীম। তাছাড়া এক সময়ে আমাদের গ্রামে অনেকেই ছাই দিয়ে ভোর সকালে হাড়ি পাতিল ধুয়ে ঝকঝকে পরিস্কার করতেন। আজও ডেকোরেটরের বড় বড় হাড়ি পাতিলগুলো ছাই দিয়ে পরিস্কার করা হয়। আমাদের পুরোনো বাড়ির মাটির চুলার বয়ষ প্রায় ৭০ বছর। এখনো টিকে আছে খুব সুন্দর ভাবেই আছে। প্রতি তিন-চার মাস অন্তর কাদা মাটি করে চুলার ভেতরে ও বাইরে একবার লেপ দিয়ে নিতে হয়।

মাটির চুলা যুগ যুগ থেকে টিকে থাকুত শতাব্দীর পর শতাব্দী। টিকে থাকুক মাটির চুলার পাশে বসে গ্রাম বাংলার স্মৃতি বিজড়িত মা চাচীদের সুখ দুঃখের গল্প, টিকে থাকুক মাটির চুলার ভালোবাসা।

ছবি: টুইটার থেকে সংগ্রহ।





মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের বাসার ছাদে একটা মাটির চুলা আছে।
বছরে কয়েকবার মাটির চুলায় রান্না হয়। ছাদে আমরা পিকনিক করি। চারিদিকে ধোঁয়া দিয়ে ভরে যায়। ধোঁয়ায় চোখ জ্বলে।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:০৫

সোহানাজোহা বলেছেন: মাটির চুলা মাটির পরিবেশে গিয়ে রান্না করতে হয়। - বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। আপনি শ্রীকান্ত ধাঁচে লেখা কি শুরু করেছেন?

২| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:০৩

রাতুল_শাহ বলেছেন: আমার মাটির চুলার রান্না ভালো লাগে। বাড়িতে গ্যাস, ইলেকট্রিক চুলা সব আছে। আমি ছুটিতে বাড়ি গেলে আম্মাকে বলে দিই, ফ্রিজের খাবার রান্না করবানা, টাটকা খাবার রান্না করবা, তবে মাটির চুলায়।

আমাদের এলাকায় কালাই রুটি কিন্তু অবশ্যই মাটির চুলাতে করতে হয়। মাটির চুলার তরকারির ঘ্রাণ অন্য রকম। মাটির চুলায় আবার পাতার জালানি আর খড়ির জালানির মধ্যে পার্থক্য আছে। ভালো খড়ির তরকারির টেস্ট একটু আলাদা হয়।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২০

সোহানাজোহা বলেছেন: আপনি সঠিক বলেছেন। মাটির চুলা মাটির পরিবেশে গিয়ে রান্না করতে হয়। তাই মাটির পরিবেশ ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব।

৩| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:০৩

ইসিয়াক বলেছেন: মাটির চুলায় রান্নাতে খাবারে অন্য রকমের স্বাদ আসে। যেটা গ্যাসের চুলা বা ইন্ডাকসনে পাওয়া যায় না।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৫

সোহানাজোহা বলেছেন: মাটির চুলায় রান্নাতে খাবারে অন্য রকমের স্বাদ আসে। যেটা গ্যাসের চুলা বা ইন্ডাকসনে পাওয়া যায় না। - সঠিক বলেছেন। মাটির চুলাতে রান্না করা বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়েছেন?

৪| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫৭

আহলান বলেছেন: খড়ি কাঠের মাটির চুলা ..অসাধারণ তার গুন!

০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৭

সোহানাজোহা বলেছেন: অসাধারণ। সত্যি সত্যি অসাধারণ।
অর্থাৎআপনি গ্রামের বাড়িতে রান্না খেয়েছেন এবং জানেন। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা নিবেন।

৫| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:

গ্রামে মাটির চুলা ঘিরে বসে রান্না করার ফকে ফাকে বাড়ি ঘরের মেয়েরা জীবনের নানান গল্প করেন, সেই গল্প শুনে যে কোনো মেয়ে তার জীবন পাল্টিয়ে ফেলতে পারেন। হতে পারেন পরিবারের আদর্শ একজন অভিভাবক।

ফলাফল: চুলার পাড়ে বসে থাকা ময়ের সন্তান হোন প্রথম শ্রেণীর একজন সচিব - রাষ্ট্রদূত, আর আধুনিক ফেসবুকার মায়ের সন্তান হোন গাঁজা পার্টির সদস্য।

মাটির চুলা যেমন তেমন বিষয় না। মাটির চুলা মানুষকে তার শিকড়ের সাথে ধরে রাখে। মানুষ গাছের মতো মানুষের শিকড় প্রয়োজন পরে নয়তো মানুষের শক্তি থাকে না। শিকড়বিহীন মানুষের কোনো মূল্য নেই।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৩৭

সোহানাজোহা বলেছেন:




আপনি সঠিক বলেছেন। ভালো মাতাপিতার সন্তান অবস্যই ভালো হবেন। আমি ও আমরা গ্রাম ছাড়িনি - গ্রামে আমরা যেই মূল্যায়ন স্নেহ মায়া মমতা ভালোবাসা সম্মান পাই তা অনেক অনেক দিনের অর্জন। অবস্যই এটি আমদের শিকড়ের অর্জন।

জ্বী সঠিক বলেছেন সচিব রাষ্ট্রদূত একজন মানুষ বৈকি, জ্বীন পরি না। আপনার জন্য অনেক অনেক দোয়া করি ভালো থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

৬| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন আপু।আপনাদের এখনো সুযোগ আছে মাটির চুলায় খাবার-দাবার খাওয়ার।বিশেষ করে মুরগির মাংসের রান্নার ক্ষেত্রে মাটির চুলার কোন বিকল্প নেই।কিন্তু আমাদের কাছে এখন সেটা অতীত হয়ে গেছে।খুবই মিস করি মাটির চুলাকে।এক মুহূর্তে যেন স্মৃতিবিজড়িত ছবিগুলো ভেসে উঠলো। চমৎকার পোস্টে ভালোলাগা।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৯

সোহানাজোহা বলেছেন:




আপনি সঠিক বলেছেন, মাটির চুলাতে মুরগির মাংস, গরুর মাংস সহ বিরিয়ানী রান্না মারাত্বক স্বাদ হয়। আমাদের গ্রামে বিয়ে বাড়ির রান্না মাটির চুলাতে হয়, ডেকোরেটরের লোকজন আগের দিন এসে মাটি কেটে ড্রেনের মতো করে চুলা তৈরি করেন, তাতে কাঠের চেলা কাঠ কয়লা দিয়ে রান্না শুরু করেন।

খুবই মজাদার রান্না। ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইলো।

৭| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৪১

মুক্তা নীল বলেছেন:
আপা ,
মাটির চুলার রান্না খুবই টেস্ট হয় যেটা গ্যাসের চুলায় অথবা ওভেনে হয় না। গ্রামে এখন ঘরে ঘরে গ্যাসের সিলিন্ডার
তারপরও মাটির ছিল আমাদের গ্রামীণ পটভূমি এক বিশাল
ঐতিহ্য । চমৎকার লেখনি।

শুভকামনা রইলো ।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৫১

সোহানাজোহা বলেছেন:




মাটির চুলাতে ব্যবহৃত হাড়ি পাতিলগুলোর বাইরের দিকটা হয় কুচকুচে কালো। কাঠের আগুনের কারণেই এমনটি হয়। এই কালো হাড়ি পাতিল গুলো হচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও ভালোবাসা। এই পাতিল দেখেই মনে হয় “আহারে কতো না স্মৃতি মিশে আছে এই হাড়ি পাতিলের সাথে”

বিয়ে বাড়িতে বা অনুষ্ঠানে দম বিরিয়ানী আর বিয়ে বাড়ির দইয়ের স্বাদ মনে হলে ইচ্ছে করে আজ এখনি গ্রামে চলে যাই।

আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন।

৮| ০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: মাটির চুলা মাটির পরিবেশে গিয়ে রান্না করতে হয়। - বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। আপনি শ্রীকান্ত ধাঁচে লেখা কি শুরু করেছেন?

গ্রামে খুব একটা যাওয়া হয় না। অবশ্য আমাদের গ্রামেও কেউ আজকাল মাটির চুলায় রান্না করে না। বাসার ছাদের ব্যাপারটা হলো দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানোর মতোণ।

শ্রীকান্তর ধাচে লেখা আমার পক্ষে সম্ভব না।

ভালো থাকুন।

০৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৫৬

সোহানাজোহা বলেছেন:




ফরগেট শ্রীকান্ত। এখন থেকে নিজের দেশের বই - নিজের দেশের সাহিত্য।
আপনি গ্রামে গেলে রান্নার একটা ব্যবস্থা করবেন। আমার মনে হয় সেই গল্প আপনি অনেক সুন্দর করে ব্লগে লিখতে পারবেন। ছাদে মাটির চুলাতে অনেকেই এখন চিকেন গ্রিল্ড করেন।

আপনার সাথে মজা করেছি - আপনি একজন ভালো মানুষ। আপনিও ভালো থাকুন।

৯| ০৬ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৪১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: একসাথে এতগুলি মাটির চুলা আগে দেখিনি। আপনি ভাগ্যবান আপনার দাদা দাদী এখনও জীবিত আছেন। আমি শুধু আমার নানিকে পেয়েছি। আমি ক্লাস ফাইভে থাকতে উনি মারা যান। বাকিরা আরও আগেই মারা গেছেন।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১২

সোহানাজোহা বলেছেন:




ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য উত্তর দিতে দেড়ি হওয়াতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার দাদাজান জীবিত নেই, আমার দাদীজান জীবিত আছেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১০| ০৬ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ কোনো দিনই পুরোপুরি ভুলে যেতে পারে না। হুটহাট এক আধদিন মনে পড়ে যায়।
গ্রামে আমার কম যাওয়া হয়। ঢাকার কাছেই আমাদের গ্রাম। বিক্রমপুর।
সুন্দর লেখা আমাকে দিয়ে হবে না। আমি প্রতিভা শূণ্য মানুষ।

আমি বিরাট বদ।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১৩

সোহানাজোহা বলেছেন:




ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য উত্তর দিতে দেড়ি হওয়াতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১১| ০৬ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫৬

তারেক ফাহিম বলেছেন: মাটির চুলার রান্না আমার সবসময় খাওয়া হয়।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১৪

সোহানাজোহা বলেছেন:




আপনি ভাগ্যবান মানুষ। ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য উত্তর দিতে দেড়ি হওয়াতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১২| ০৬ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:০৫

সারফারোশ ঠাকুর বলেছেন: গ্রামে মাটির চুলা না থাকলে সেই গ্রাম আর গ্রাম থাকে না, সেটি হয়ে উঠে উপশহর। গ্রামের বর্ণনা গ্রামে থাকতে হবে। দিনের পর দিন বাংলাদেশ থেকে গ্রাম হারিয়ে যাচ্ছে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। এজন্য আমরাই দায়ী। আপনাদের গ্রামের গল্প পড়ে খুব ভালো লেগেছে, গ্রামের জীবন যাপন হবে সহজ সরল আপনার বর্ণনাতে ঠিক তেমনি খুঁজে পেয়েছি। অনেক অনেক ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা নিবেন।।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১৬

সোহানাজোহা বলেছেন:




গ্রামে মাটির চুলা না থাকলে সেই গ্রাম আর গ্রাম থাকে না, সেটি হয়ে উঠে উপশহর। গ্রামের বর্ণনা গ্রামে থাকতে হবে। দিনের পর দিন বাংলাদেশ থেকে গ্রাম হারিয়ে যাচ্ছে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। এজন্য আমরাই দায়ী। - ১০০ ভাগ সঠিক বলেছেন।

ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য উত্তর দিতে দেড়ি হওয়াতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৩| ০৬ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


বেশী পরিমাণ ধান সিদ্ধ করা চাষী পরিবারের মেয়েদের জন্য কষ্টের কাজ; চাষীদের জন্য ভ্রাম্যমান বয়লার চালু করে, ইহাকে সহজ করা সম্ভব।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১৯

সোহানাজোহা বলেছেন:




ভ্রাম্যমান বয়লার নেই, তবে এখন প্রতিটি থানা ও উপজেলার বাজারে ধান সিদ্ধ করার বড় আকারে ব্যবস্থা আছে, সেখানে ধান সিদ্ধ করা সম্ভব।

ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য উত্তর দিতে দেড়ি হওয়াতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৪| ০৬ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২৪

মিরোরডডল বলেছেন:



সোহানাপু , চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন । শৈশব থেকে ঘুরে আসলাম । ছোটবেলায় গ্রামে দেখেছি, মাটির চুলার রান্না খেতেও মজা আর ঘ্রাণটা সেইরকম । এখন গ্রাম অনেক বদলে গেছে কিন্তু তারপরও অনেকেই মেইন বাড়ীর সাথেই আরেকটা খোলা কিচেন করে ওখানে মাটির চুলা কনটিনিউ করছে । সবাই মিলে যখন একসাথে গ্রামে বেড়াতে যাই তখন ওখানে নানারকম গরম গরম পিঠা চা এটা সেটা হয় । ভালো লাগে । ঠিক বলেছেন টিকে থাকুক মাটির চুলা ।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৯

সোহানাজোহা বলেছেন:




মাটির চুলাতে রান্না হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন পারিবারিক ভালোবাসার রান্না। টিকে থাকুক মাটির চুলা, টিকে থাকুক গ্রাম বাংলার ভালোবাসা।

ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য উত্তর দিতে দেড়ি হওয়াতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৫| ০৬ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:০৩

ঢুকিচেপা বলেছেন: একটি ঐতিহ্যকে উপস্থাপন করতে চমৎকারভাবে আঞ্চলিকতা দিয়ে শুরু করেছেন। ভাল লেগেছে।
অল্প কিছু পরিবার ছাড়া অধিকাংশ পরিবারে জড়িয়ে রয়েছে মাটির চুলা আর তার নানা রকমের স্মৃতি।

শুভেচ্ছা রইল।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৩১

সোহানাজোহা বলেছেন:




মাটির চুলাতে রান্নার পাতিলগুলো কুচকুচে কালো থাকে, কিন্তু তাতে ভালোবাসা থাকে সবসময় ঝকঝকে।

ব্যস্ত থাকায় মন্তব্য উত্তর দিতে দেড়ি হওয়াতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


১৬| ১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানাজোহা ,





আপনার এই পোস্ট তো আমি আগেই পড়েছি কিন্তু মন্তব্য যে কেন করা হলোনা বুঝতে পারছিনে! সম্ভবত মাটির চুলার উপরে কোনও তথ্য বা লোককাহিনী খুঁজতে গিয়ে দেরী হওয়াতে আর মনে ছিলোনা। দুঃখিত।

শহরে আমাদের বাসাতেও মাটির চুলা ছিলো আর ছিলো পিঠা বানানো এবং ভাজার মাটির ছাঁচ। দেখতে এরকম


ঐ মাটির চুলোর ছাই ছাই আগুনে মিষ্টি আলু, সীমের বিচি পুড়িয়ে খেতুম।
নষ্টালজিক পোস্ট।

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:১১

সোহানাজোহা বলেছেন:




আপনি আমার পোস্ট পড়েছেন তাতেই আমি খুশি।
আপনি হচ্ছেন ঝালের দেশের মানুষ। ঝাল আর মাটির চুলা হচ্ছে একে অপরের বন্ধু। মাটির চুলার পাশে বসে পিঠা খাওয়ার যে আনন্দ আছে তা আর কোথাও নেই। আর সেটি যদি হয় শীতের দিনের ভোর তাহলে তো কথাই নেই।

অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সব সময়।

১৭| ১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৫২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মাটির চুলার খাবার কোনদিন খাওয়া হয় নি ।
ঠাকুর মাহমুদ ভাই কি আপনার আত্মীয় ????

১৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:১৩

সোহানাজোহা বলেছেন:




ব্লগ এডমিন কাল্পনিক_ভালোবাসা আমার আত্মীয় হোন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, নেলসন মেন্ডেলা, মাদার তেরেসা, সম্রাট বাবর, সম্রাট হুমায়ূন, সৈয়দা হুররা, বড় পীর আব্দুল কাদের জীলানী রাঃ , হযরত আলী রাঃ আমার আত্মীয় হোন।

আদম সন্তান সবাই সবার আত্মীয়, ঠাকুরমাহমুদ স্যার উনিও আমার আত্মীয় হোন আপনি ডার্ক ম্যান ভাই আপনিও আমার আত্মীয় হোন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.