| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোহেলভাই
আমি ফিফা চেয়ারম্যান হতে চাই। তখন আমার নাম হবে জন ফু সোহেল
Eco-Nat একটি পরিবেশ বান্ধব পণ্য
সময়ের ধারাবাহিকতায় বিশ্বব্যাপী যে বিষয়টির উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করে সচেতনতার ঝড় উঠেছে এবং যা থেকে আমরাও বাদ যাইনি তা হচ্ছে পরিবেশ এবং পরিবেশের বিপর্যয়। যার জন্য দায়ী আমরাই। আমাদের ভূমি, বনায়ন, মৎস্য খামার, নদী, জলাশয়, নর্দমা আজ চরম বিপর্যস্ত। আমাদের জীবন যাপন আজ হুমকির মুখে। আমাদের চারপাশে বর্জ্যের পাহাড় আর দুর্গন্ধে বাতাসও দূষিত। দিন দিন যা আমাদের গড় আয়ুকে ক্ষয় করছে। ব্যাহত হচ্ছে সামগ্রিক উৎপাদন। মূলত চাষাবাদ, বনায়ন, মৎস্য উৎপাদন, পশুপালনের পাশাপাশি আমাদের মাটি ও পানি তার স্বাভাবিক গুনাগুন হারাচ্ছে। শিল্প কারখানা আর মানুষের বর্জ্যে আমাদের পরিবেশ আজ বিপন্ন। বাংলাদেশের পরিবেশ তথা বনায়ন শিল্প, মৎস্য চাষ, পশু পালন, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, ময়লা আবর্জনা দূরীকরণ, নর্দমার ময়লা পানি, ও জলাশয়ের পানি পরিস্কার করার জন্য, বাংলাদেশে এই প্রথম বারের মতো একটি পরিবেশ বান্ধব, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন কার্যকরী পণ্য হচ্ছে এই Eco-Nat থাইল্যান্ডে উৎপাদিত এই পণ্যটি শুধু বাণিজ্যিক দৃষ্টি ভঙ্গি নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে উৎসাহিত হয়ে মার্কেটিং করছে Destiny-2000 ltd. এই পণ্যটির আমদানি কারক, Destiny Group এর আরেক সহযোগী প্রতিষ্ঠান Destiny Environment Saving Energy Ltd.
D2k Eco-Nat Yeast Extract পরিবেশবান্ধব এবং উপকারী কিছু অণুজীব (ব্যাকটেরিয়া এবং ঈষ্ট) এর সমন্বয়ে তৈরি একটি আবশ্যক পণ্য যা চর্বি, গ্রিজ, কার্বোহাইড্রেট, সেলুলোজ, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ও পচনশীল জৈবিক উপাদানকে খেয়ে ফেলে এবং মাটি, পানি, বায়ু, পরিশুদ্ধ করে। D2k Eco-Nat গৃহস্থালির ময়লা আবর্জনার স্তূপ, নর্দমা, টয়লেট, কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধন সহ দুরগন্ধমুক্ত এবং জীবাণুমুক্ত করে। এছাড়া পশুপালন, কৃষিকাজ, বায়োগ্যাস, এবং জৈব সার উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে বিগত সুনামির পর থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ায় যে পরিবেশ বিপর্যয় নেমে এসেছিল, তা থেকে উত্তরনে Eco-Nat বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।
D2k Eco-Nat পণ্যটি Thailand Institute of Nuclear Technology, Overseas Merchandise Inspection Co. Ltd. (OMIC)-Thailand, Food Research Center Foundation of Japan কর্তৃক প্রত্যায়িত, পরীক্ষিত এবং সনদপ্রাপ্ত হয়ে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ও ইন্দোনেশিয়া সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাজারজাত হয়ে আসছে। পরীক্ষিত ফলাফল অনুযায়ী দেখা যায়, ইকো-ন্যাট বিষাক্ত নয় এবং মানুষ ও প্রাণীকুলের জন্য ক্ষতিকারক নয়।
Eco-Nat এর অভ্যন্তরীণ অণুজীব গুলো হোলঃ
1. Pichia Farinosa
2. Dekkera Bruxellensis
3. Pediococcus Pentosacceus
সক্রিয় অবস্থায় এই অণুজীব গুলো ক্ষতিকারক জৈব পদার্থকে ভেঙ্গে ফেলে এবং ক্ষতিকারক গ্যাস, দুর্গন্ধ উৎপাদনকারী অণুজীবদের ধ্বংস করে। যেমন অ্যামাইন, অ্যামোনিয়া, ইন্ডোল, স্কেটল, হাইড্রোজেন সালফাইড এবং র্যানসীড ফ্যাট।
উপকরনঃ
উপাদান পরিমান প্রোটিন ১১% আঁশ ৬% ফ্যাট ১% ময়েশ্চার ৭% কার্বো হাইড্রেট ৬৭% ল্যাক্টিক এসিড ১.৩*১০৬ সিএফইউ/জি ঈষ্ট (অণুজীব) ১.৯*১০৫ সিএফইউ/জি।
D2k Eco-Nat এর বৈশিষ্টঃ
১. উচ্চ সহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন।
২. অতি অম্লীয় অবস্থায় অণুজীবগুলো পি.এইচ. ১.৫ পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
৩. অতি স্বল্প অক্সিজেন মাত্রায় বদ্ধ অবস্থায় ০.৫ পিপিএম পর্যন্ত স্বাভাবিক ভাবে কাজ করে।
৪. বিস্তৃত লবনাক্ত পরিসরে অণুজীবগুলো সর্বোচ্চ ৬৫ পিপিসি পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
৫. ক্লোরিন যুক্ত পানিতে ও সক্রিয় থাকে (৩ পিপিএস পর্যন্ত)।
৬. উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল (৬৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত)
৭. এন্টিবায়োটিক পদার্থের উপস্থিতিতে কর্মক্ষম থাকে। (৩০ পিপিএস পর্যন্ত)
৮. পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন
D2k Eco-Nat এর গুণাবলীঃ
১. পরিবেশ বান্ধব হিসেবে কাজ করে।
২. মানুষ, পরিবেশ বা অন্য কোন প্রাণীর জন্য ক্ষতিকারক নয়
৩. সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে জীবন ধারনের যোগ্যতা সম্পন্ন অণুজীব
৪. সহ-অবস্থান গুন সম্পন্ন বিভিন্ন অণুজীব ধারন করে।
৫. অণুজীবগুলো সুপ্ত অবস্থায় থাকে। যেকোনো সময় ব্যাবহার করা যায়।
৬. মাটির উৎকর্ষ সহ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
৭. রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
৮. আবর্জনার দুর্গন্ধ দূর করে, ময়লার সাথে সৃষ্ট ক্ষতিকর অণুজীব ধ্বংস করে।
৯. পুকুর ও জলাশয়ের জমাকৃত আবর্জনা পরিশোধন করে পানি পরিস্কার রাখে।
১০. তেল ও গ্রিজ জাতীয় পদার্থ ভেঙ্গে ফেলে পরিশোধন করে।
D2k Eco-Nat ব্যবহারের ক্ষেত্রঃ
বনায়ন, কৃষি খামার, হাঁস মুরগীর খামার, পশু-পালন, মৎস্য খামার, একুরিয়াম, চিড়িয়াখানা, নর্দমা, শৌচাগার, পয়ঃশোধনাগার, তৈলাক্ত এবং স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, খাল, বিল, পুকুর, ময়লার স্তূপ, শিল্পাঞ্চল, রাসায়নিক বর্জ্য ক্ষেত্র, দুর্গন্ধ যুক্ত যে কোন স্থান, মাটির উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে।
চাষাবাদ ও বনায়নঃ
১. মাটির স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনে।
২. মাটির উৎকর্ষতা বৃদ্ধি করে।
৩. রাসায়নিক জীবাণুনাশক এবং পতঙ্গনাশক পদার্থের ব্যাবহার কমিয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
৪. রোগবালাই প্রতিরোধ করে।
মৎস্য চাষঃ
১. সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং পরিবেশের ক্ষতি না করে পুকুরের রাসায়নিক ক্রিয়াকলাপ এবং জলজ পরিবেশ বজায় রাখে।
২. নীলাভ এবং সবুজ শ্যাওলা যেমন ওসিলোটোরিয়া মাইক্রোসিসটিস, নক্টিলুকা নিয়ন্ত্রন করে পানির ক্ষারের মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখে।
৩. পুকুর তৈরির সময় জলজ উদ্ভিদ (Phyto and Zoo-plankton) জমতে সহায়তা করে।
৪.প্রাথোজেনিক অণুজীবের সংক্রমণ থেকে জলজ প্রাণীকুলের মৃত্যু ঝুঁকি কমায়।
৫. পানিতে জমে থাকা ময়লা, আবর্জনা, তৈলাক্ত পদার্থ ইত্যাদি দূর করে পানির অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে।
৬. চিংড়ি ও অন্যান্য মাছের খামার, খাল বিল, পুকুর ছাড়াও একুরিয়াম এ ব্যাবহার যোগ্য।
পশুপালনঃ গরু, ছাগল, ঘোড়া, হাঁস, মুরগীর খামার:-
১. রোগ ও মৃত্যুর হার কমায়
২. খাদ্য বিষক্রিয়া এবং আন্ত্রিক সমস্যা কমায়
৩. অ্যামোনিয়া এবং মিথেন গ্যাসের স্মরণ কমায়।
৪. মলমূত্রের দুর্গন্ধ লক্ষণীয়ভাবে কমায়।
৫. ইকো-ন্যাট ব্যবহার করে পশু পাখির পানের পানিকে বিশুদ্ধ করা যায়।
৬. খাদ্যে বিষক্রিয়া সৃষ্টিকারী নিম্নোক্ত অণুজীব দ্বারা সৃষ্ট ডাইরিয়া ও আন্ত্রিক পীড়া রোধ করেঃ-
**ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম,
**ভিব্রিও কোলেরি,
**স্ট্যাফিলোকক্কাস অরেআস,
**ক্যাম্পাইলোব্যকটার কোলি,
**লিস্টেরীয়া মোনোসাইটোজেন্স,
**ক্লস্ট্রিডিয়াম পারফ্রিঞ্জেন্স,
**ভিব্রো প্যারাহেমোলাইটিকাস,
**ইসেরিসিয়া কোলি,
**অ্যারোমোনাস হাইড্রোফিলা,
**সালমোনেলা টাইফি।
৭. পানি বাহিত রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ময়লা আবর্জনা ও দুর্গন্ধ দূর করতেঃ
১. দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী অণুজীবগুলোকে ধ্বংস করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুর্গন্ধ দূর করে।
২. আবর্জনার মধ্যে অবস্থিত অ্যামোনিয়া এবং অ্যামিন্সকে হজম করে ধ্বংস করে ফলে মশা, মাছি, পোকা মাকড়ের উপস্থিতি হ্রাস পায়।
৩. তৈল ও গ্রিজ জাতীয় পদার্থ ভেঙ্গে ফেলে দ্রবনযোগ্য করে তোলে।
ব্যবহার বিধিঃ
***গৃহ পালিত পশু পাখির জন্য ২গ্রাম ইকো-ন্যাট ১০ লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। মিশ্রণটিকে আরও ১০ লিটার পানির পানির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। (প্রতি ২ গ্রাম ইকো-ন্যাট ১০ কেজি ওজনের শরীরের জন্য)
***পোলট্রি ও গরু ছাগল ইত্যাদির পানের পানি বিশুদ্ধ করার জন্য ১ কেজি ইকো-ন্যাট ২৫০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ২৪-৩৬ ঘণ্টা রাখুন। উক্ত মিশ্রণ থেকে ২ লিটার প্রতি ১০০০ লিটার খাবার পানির সাথে মিশান।
***কৃষি খাতে ২০০ গ্রাম ইকো-ন্যাট ২৫০ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ৪০-৪৮ ঘণ্টা রাখতে হবে। এরপর মিশ্রণটিকে ছেঁকে আরও ২০০০ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে নিন। প্রতি ৭-১৪ দিন পর পর মিশ্রণটি ৩ হেক্টর (২২.৫ বিঘা বা প্রতি বিঘায় ১০ গ্রাম) জমিতে ছিটিয়ে দিন।
***মৎস্য চাষে ২৫০ গ্রাম ইকো-ন্যাট ২৫০ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ২৪-৪৮ ঘণ্টা রেখে পুকুরের পানিতে ঢেলে দিতে হবে।(২৫০গ্রাম ইকো-ন্যাট/হেক্টর)। চিংড়ি ঘেরের ক্ষেত্রে ২৫০ গ্রাম ইকো-ন্যাট ১০০০ কিউবিক মিটার পানিতে মিশিয়ে পুকুরের পানির উপরে ছিটিয়ে দিতে হবে। ২-৩ দিনের মধ্যে ফলাফল হিসেবে পানির মান অনেক উন্নত হবে।
***দুর্গন্ধ দূরীকরণ এবং গৃহস্থালি ধোয়া মোছার জন্য ১০ গ্রাম ইকো-ন্যাট ৫ লিটার পানিতে মিশিয়ে ভালভাবে ঝাঁকান। এরপর ২৪-৪৮ ঘণ্টা পর মিশ্রণটি ব্যাবহার করুন।
২|
২৮ শে মে, ২০১২ রাত ১২:০৫
কে এম মিজানুর রহমান বলেছেন: উপরোক্ত লেখার মানে ইকো-নাটের বৈশিষ্ট ও গুণাবলী যদি সঠিক হয় তবে নিঃসন্দেহে এটা একটা ভালো উদ্যোগ। অনেকেই ডেসটিনিকে নাক সিটকায়, তবে আমি নাক সিটকাইনা। অনেক ভালো ভালো প্রডাক্ট ডেসটিনি এদেশে এনেছে। তবে তাদের পন্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, যদিও তারা বলে যে আমার পন্যের দাম কম নেই, সরাসরি ভোক্তার কাছে পৌছে দেই বলে। এটা ডাঁহা মিথ্যা কথা। ইকো-নাটের দাম যদি সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা হয় হয় তবে সত্যিই একটা কাজের কাজ করবে ডেসটিনি।
২৮ শে মে, ২০১২ সকাল ৯:৪০
সোহেলভাই বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
৩|
২৮ শে মে, ২০১২ রাত ১২:০৯
যেড ফ্রম এ বলেছেন: কমেন্ট মুছলেন ক্যানো ভাইজান!
২৮ শে মে, ২০১২ সকাল ৯:৪১
সোহেলভাই বলেছেন: না তো ভাই। মনেহয় ভুল দেখছেন।
৪|
২৮ শে মে, ২০১২ রাত ১২:২৩
নতুন বলেছেন: এতো সব` রোগের ঔষুধের মতন মনে হইতেছে....
আরো বুইঝা তার পরে ভাল না মন্দ বলা যাবে...
৫|
২৮ শে মে, ২০১২ রাত ১:১১
অবয়ব বলেছেন: নিশ্চিত থাকেন ধান্ধাবাজি।
ওরা এমন প্রোডাক্ট আনে যার সম্পর্কে কারো কোন ধারণা নেই, দামও কেউ জানে না। ইচ্ছামত দাম রেখে দেয়।
৬|
২৮ শে মে, ২০১২ সকাল ৯:৪২
সোহেলভাই বলেছেন: আপনার কথায় যুক্তি আছে।
৭|
২৮ শে মে, ২০১২ সকাল ১০:৩৫
মোঃ সামিউল বলেছেন: চায়না থেকে পন্য এনে নিজেদের নামে চালায়। এদের কাছ থেকে এখন দূরে থাকা ভাল। এমন ধান্ধাবাজ কাস্টোমার কে আক্রিস্টো করার জন্য নাইজেলা বিজ্ঞাপনে সহী বুখারী হাদিস কে তারা ব্যবহার করেছে। হাদিসের মানে বুঝে। কত বড় হারামি। ধর্ম নিয়া ব্যবসা করবি তাহলে পিটিয়ে সে চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে পরবে জনগন।
৮|
২৮ শে মে, ২০১২ সকাল ১০:৪১
নিক টা আমার বলেছেন: অবয়ব বলেছেন: নিশ্চিত থাকেন ধান্ধাবাজি।
ওরা এমন প্রোডাক্ট আনে যার সম্পর্কে কারো কোন ধারণা নেই, দামও কেউ জানে না। ইচ্ছামত দাম রেখে দেয়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে মে, ২০১২ রাত ১১:৪১
সোহেলভাই বলেছেন: ভালো লাগলে কিছু একটা বইলেন ভাই।