নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শিক্ষাই দরিদ্রদের জন্য সম্পদ।

সোনাগাজী

একমাত্র সোস্যালিষ্ট অর্থনীতি বাংগালী জাতিকে নিজ পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।

সোনাগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিশীরাতের ভিখারিনী

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ ভোর ৪:৩৬



এটি একজন দরিদ্র আফ্রিকান আমেরিকান মেয়ের কাহিনী।

আমি তখন নিউইয়র্ক শহর থেকে ১১০ মাইল উত্তরে এক গ্রামে একটি কোম্পানীতে কাজ করতাম; শনি, রবিবারে নিউইয়র্ক শহরে গিয়ে কিছু ছেলেমেয়েকে চাকুরীর ট্রেনিং দিতাম। কিছু পরিচিত লোকজন ছিলেন সেখানে, খেয়েদেয়ে, আড্ডা দিয়ে ফিরতে ফিরতে রাত গভীর হয়ে যেতো; আমি পাহাড়িয়া পথে ফিরতাম।

একরাতে পাহাড়ের বেশ উঁচু এলাকায় দেখি আমার গাড়ীতে গ্যাসোলিন কম; ভালো যে, আমি তখন মোটামুটি নীচের দিকে নেমে আসছি; সমতলে নামলেই ১টি গ্যাস ষ্টেশন আছে; আমার অফিসও সেই এলাকায়; কিন্তু বাসা তখনো ১৫ মাইলের মতো দুরে; বেশী রাতে আমি কোথায়ও থামতে চাইতাম না। বাধ্য হয়ে গ্যাস ষ্টেশনে থামলাম, এলাকা চুপচাপ, ষ্টোরের ভেতরে ক্যাশিয়ার আছে। আমি গ্যাস নেয়ার সময়, কোন এক পাম্পের পেছন থেকে একজন মেয়ে বেরিয়ে এলো; সুশ্রী আফ্রিকান আমেরিকান মেয়ে, পরনে ময়লা জিন্স ও টি-শার্ট; সে হ্যালো বলার পর, কিছু একটা বলার জন্য আমার মুখের দিকে চেয়ে আছে; আমি বললাম,
-বল।
-আমার গাড়ীটার গ্যাসোলিন শেষ হয়ে গেছে, পয়সা নেই, আটকে গেছি।
-গাড়ী কই?

সে আংগুলের ইশারায় ষ্টোরের পাশে পার্ক-করা একটা গাড়ী দেখালো; গাড়ীটা হাল-আমলের মার্সেডিজ।
-ওটি তোমার গাড়ী?
-হ্যাঁ।
-দেখতো তোমার কাপড় চোপড়ের সাথে উহার কোন মিল আছে কিনা? যার মার্সেডিজ থাকে, তার কাছে ক্রেডিটকার্ডও থাকে।

সে চুপ হয়ে গেলো। আমি বললাম,
-তোমার বলা উচিত ছিলো যে, এখান থেকে আধামাইল দুরে রাস্তার পাশে রেখে এসেছ গাড়ীটা; এবং তোমার হাতে গ্যাসোলিন নেয়ার জন্য একটি পাত্র থাকার দরকার ছিলো।
-আমি সারাদিন তেমন কিছু খাইনি; দাদীর সাথে থাকি, দাদী রুটি, আলু ও ক্যানফুড খেয়ে দিন কাটিয়ে দেয়, আমার গলা দিয়ে নামে না।
-তুমি থাক কোথায়?
-২ ব্লক দুরে।
-এত রাতে এখানে একা আসা বিপদজনক; বেশী রাতে অনেক খারাপ মানুষ বের হয়, তোমাকে নিয়ে যেতে পারে। ভেতরে গিয়ে ১টা স্যান্ডউইচ ও সোডার অর্ডার দাও, আমি গ্যাস নিয়ে ভেতরে আসছি।

ভেতরে সে স্যান্ডউইচের জন্য অপেক্ষা করছে; আমি বললাম,
-চাকুরী করলে তো তুমি দাদীকে নিয়ে ভালোই চলতে পারতে।
-আমার জুতা,কাপড় কিছুই নেই, কাজ খুঁজতে যাবো কিভাবে?
-কম্প্যুটার কোম্পানীর কারখানার ২নং গেইটে একটি লন্ড্রি আছে, দেখেছো?
-আমি চিনি।
-কালকে, বিকেল ৪/৫টায় ওটার সামনে দাঁড়াইয়ো; শতশত সাদা মেয়ে কাপড় দিতে ও কাপড় নিতে আসবে; তোমার সাইজের মেয়েদের বলিও যে, তুমি কাজ খুঁজতেছ, তোমার জুতা ও কাপড় নেই; ওরা তোমাকে ২/৩ বছরের জুতা, কাপড় দিয়ে দেবে।

মেয়ের হাতে ৫টা ডলার দিয়ে বেরিয়ে এলাম; প্রায় ২ মাস পেরিয়ে গেছে, ঐ পথে যাওয়া আসা আছে, আসতে যেতে খেয়াল রাখি, মেয়েটা আর চোখে পড়েনি। একদিন কাজ শেষে ঘরে ফেরার সময়, আমাদের এলাকায় ১টি কেনটাকি ফ্রাইড চিকেনের ড্রাইভ-ইনে সামান্য অর্ডার দিলাম। জানালায় টাকা দেয়ার সময়, ক্যাশিয়ার হ্যালো বলার পর, আমাকে বলছে,
-মি: আমার দিকে তাকিয়ে দেখো!
-দেখছি, তুমি বেশ সুন্দরী।
-তুমি আমাকে চেননি; মনে আছে গ্যাস ষ্টেশনে রাতে আমাকে চাকুরীর কথা বলেছিলে? আমি এখানে চাকুরী পেয়েছি।
-তুমি ক্যাপ ট্যাপ পরে এত সুন্দরী হয়ে গেছ যে, তোমাকে চেনা সোজা ব্যাপার নয়। খুবই ভালো খবর।

সে টাকা নিবে না; বললো, নিজের পকেট থেকে দেবে; আমি জোর করলাম, নিলো না। বললো,
-সময় পেলে আসিও, আমি সপ্তাহে ৬ দিন বিকেলে কাজ করি।
-আসবো, লেগে থাকো, তোমার সবই হবে।





মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ ভোর ৬:৩৭

কামাল১৮ বলেছেন: দিন সকলের সমান যায় না।আজকে খারাপ তো কালকে ভালো।মেয়েটি আপনার কথা মনে রেখেছে।
এখন গাঁজার অবস্থা খুবই করুন।আবার একদিন হয়তো তাদের অবস্থা ভালো হবে।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ৯:৩৯

সোনাগাজী বলেছেন:



ফিলিস্তিনকে যদি আমেরিকা স্বীকৃতি দেয়, ইহার কিছু পরিবর্তিন হবে; তবে, ফিলিস্তিনীরা নিজ পায়ে দাঁড়াতে অনেক সময় লাগবে।

২| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ৮:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোনাগাজী,




চমৎকার! আসলে মানুষের নিয়তি কোথা থেকে তাকে কোথায় নিয়ে যে যায়!!!!!!!!!!

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ৯:৪০

সোনাগাজী বলেছেন:



আফ্রিকান আমেরিকানরা কিছুতেই আমেরিকার মুল সুযোগগুলো নিতে সক্ষম হচ্ছে না।

৩| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ৯:৫৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:


এটাই জীবন।
জীবনকে বদলাতে চেষ্টা করতে হবে।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১০:০৬

সোনাগাজী বলেছেন:



আমাদের বসুন্ধরা, আলম ব্রাদার্স, বেক্সিমকো, ব্যাংকের উঁচুপদের লোকেরা, ব্যুরোক্রেটরা, ব্যবসায়ীরা ও সরকারের লোকেরা মিলে বাকী সবার জীবন বদলায়ে দিয়েছে।

৪| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:২৮

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: এই গল্পটি আপনি হয়তো আগেও লিখেছিলেন তারপরও পড়তে ভালোলাগছে; এই ঘটনাগুলো অনুপ্রেরণা জাগায়।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৯

সোনাগাজী বলেছেন:



সঠিক, আগেও ১ বার পোষ্ট করেছিলাম।

৫| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:৩০

এম ডি মুসা বলেছেন: না পড়ে মন্তব্য করছি। পড়ে এসে পড়ব।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:৫২

সোনাগাজী বলেছেন:



আপনি পড়েননি? আপনি তো লোকজনকে হাসালেন!

৬| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:৩৯

Snowflake বলেছেন: আপনার কি মনে হয়, আমেরিকায় আফ্রিকানরা বেশি বর্ণবাদের শিকার হয় নাকি উপমহাদেশের মানুষরা?

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:৫৬

সোনাগাজী বলেছেন:



আমেরিকার অনেক সাদা মনে করে যে, আফ্রিকান আমেরিকানরা কাজে ফাঁকি দেয়, অদক্ষ ও অসৎ; সেই কারণে, বর্ণবাদ। উপমহাদেশে ধর্ম নিয়ে; উপমহাদেশেরটা ভয়নকর।

৭| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:২১

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালো লাগলো খুবই। স্মৃতিচারণ পর্বগুলো আমি খুব উপভোগ করি।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:৫৬

সোনাগাজী বলেছেন:



ধন্যবাদ।

৮| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:২২

মিরোরডডল বলেছেন:




খেলাঘরের এই মানবিক দিকটা ভালো লাগে।
সাহায্য করাতো দুরের কথা, অনেকেই তাদের সাথে খারাপ বিহেব করে, বর্ণবাদ কম বেশি এখনও আছে সব জায়গায়।
মেয়েটার অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে জেনে ভালো লাগলো।

ভাবছি আমারও একটা মেমোরি শেয়ার করবো কিনা!

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:৫৭

সোনাগাজী বলেছেন:



শেয়ার করুন।
অনেকে অনেক কিছু করেন, যা অন্যদের জন্য উৎসাহের কারণ হতে পারে।

৯| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:৩৭

শাহ আজিজ বলেছেন: ভাল লাগলো কাহিনি ।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:৫৯

সোনাগাজী বলেছেন:


আমেরিকায় চেষ্টা করলে চাকুরী বাকুরী পাওয়া যায়; আমাদের দেশে সহজে কিছু ঘটে না।

১০| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১:৩৪

আফলাতুন হায়দার চৌধুরী বলেছেন: ভালো লাগলো। মানবিকতা আছে বলেই এখনও পৃথিবীটা সুন্দর। সাহায্য করার আগে যাচাই করেছেন সেটাও ভালো লেগেছে।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০০

সোনাগাজী বলেছেন:



ধন্যবাদ।

১১| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১:৩৯

প্রামানিক বলেছেন: কাহিনীটি অনেক ভালো লাগল।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০২

সোনাগাজী বলেছেন:



ধন্যবাদ

১২| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৩:১২

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

রিপোস্ট।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০২

সোনাগাজী বলেছেন:



নতুন পোষ্ট টাইপ করতে কেমন যেন কষ্ট হচ্ছে আজকাল।

১৩| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর। প্রেরণাদায়ক। +

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:০৩

সোনাগাজী বলেছেন:



ধন্যবাদ

১৪| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৪১

মিরোরডডল বলেছেন:




খেলাঘর বাইরে স্টাডি করেছে, ওখানে ইউএসএ-তে কি নিয়ম জানিনা কিন্তু আমাদের এখানে অস্ট্রেলিয়াতে স্টুডেন্ট অবস্থায় মাত্র ২০ ঘণ্টা কাজ করা যায়। আমি তখন স্টুডেন্ট, ইউনিতে এক বছর চলছে। ইন দ্যা মিন টাইম কিছু কাজের অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে। ডেফিনিটলি স্টুডেন্ট অবস্থায় নো অফিস জব, কাস্টমার সার্ভিস অনলি।

সেমিস্টার ব্রেকে আনলিমিটেড কাজ করি, নো টাইম রেস্ট্রিকশন। সেরকম একবার একটা পার্ট টাইম করছি, But I need more money সেকেন্ড জবের জন্য ইন্টারভিউ দিয়েছি, কাজটা হয়ে গেছে।

সেখানে মাত্র বাংলাদেশ থেকে আসা একটা মেয়ে যে ইন্টারভিউতে রিজেক্টেড হয়েছে, কোন অভিজ্ঞতা নেই, স্পাউজ ভিসায় আসা, ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যারিয়ার আছে, কনফিডেন্টের অভাব, ওভারল খুব শেকি। কিন্তু মেয়েটার কাজ দরকার।

আমি তখন ম্যানেজারের সাথে কথা বললাম, আমি যদি স্টেপ ব্যাক করি, আমার জায়গায় এই মেয়েটাকে নেয়া যায়?
ম্যানেজার আমাকে একটা লুক দিলো, কি বলে এসব! তোমার হয়েছে তুমি করো, এর অভিজ্ঞতা নেই এখানে হবেনা ওর।

বললাম If you allow me, initially I can assist, I will train her.
কি মনে করে ম্যানেজার রাজি হলো, মেয়েটার জব হয়ে গেলো।
ওদের ট্রেনিং এর পাশাপাশি আমি তাকে কাজটা বুঝিয়ে দিয়ে আসলাম।
আমার কাছে সে কম্ফোর্ট ছিলো।

অল্প দিনের মধ্যেই আমিও অন্য কোথাও জব পেয়ে গেলাম।
এখানে স্টুডেন্ট লাইফের যে কত বিচিত্র অভিজ্ঞতা, সেগুলো লিখে শেষ করা যাবে না।
শুধু এটুকু বলবো, I worked so hard, all hard work paid off.
thank God!


০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৫০

সোনাগাজী বলেছেন:



আমেরিকায়ও অনেকটা একই নিয়ম; ক্যাম্পাসে কাজ করলে ২০/২২ ঘন্টার বেশী কাজ করতে দেয় না; বাইরে কাজ করলে ফুল-টাইম চাকুরী করা সম্ভব, কেহ কোন ব্যবস্হা নেয় না।

আপনি বড় কাজ করেছেন, চাকুরী পাওয়াটাই আসল চ্যালেন্জ; কেহ কাজ দেখায়ে দিলে, বেশীরভাগই শিখে নেয়।

১৫| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৩০

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: মেয়েটার আর খোঁজ না পেলে, বা চাকরি না পেলে খারাপ লাগত। ভালো লাগল আপনার লেখাটা।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৩২

সোনাগাজী বলেছেন:



ধন্যবাদ।

১৬| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:২৭

Snowflake বলেছেন: আপনাকে একটা অনুরোধ এই ধরনের লেখা অব্যাহত রাখবেন। আমি নিজে ভালো লিখতে পারিনা কিন্তু ভালো লেখা পড়তে পছন্দ করি। আপনার কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করলাম।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:৪৯

সোনাগাজী বলেছেন:




অনেক ধন্যবাদ, লিখবো।

০৩ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৯:১৫

সোনাগাজী বলেছেন:


আপনি লেখার শুরু করেন!

১৭| ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ১১:২২

Snowflake বলেছেন: চেষ্টায় আছি। আপনি কি স্বপরিবারে আমেরিকায় থাকেন?

০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ রাত ২:২৩

সোনাগাজী বলেছেন:



স্বপরিবারে নিউইয়র্কে। লিখুন।

১৮| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ রাত ২:৫৮

আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: ভালো লাগলো পড়ে। বাংলাদেশে এমন হলে , অনেক সময় বিপদে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ রাত ৩:৪৯

সোনাগাজী বলেছেন:



বাংলাদেশের মানুষের আচরণটা কোনভাবে মানবিক হচ্ছে না; এমন কি তরুণরাও উদার নয়।

১৯| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ ভোর ৬:৪৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:



বাংলাদেশে উদার মনের মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না।

২০| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ ভোর ৬:৫৮

শ্রাবণধারা বলেছেন: সুন্দর একটি ঘটনা। তবে ঘটনার স্থান কাল অমেরিকায় না হয়ে বাংলাদেশে হলে বলতাম চোখ ভিজে যাওয়ার মত ঘটনা!!!

০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ সকাল ৭:৪৫

সোনাগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশেও এই রকম হাজার ঘটনা ঘটছে; তবে, সেগুলো কোথায় লেখা হয় না, মনে হয়।

০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ সকাল ৭:৪৭

সোনাগাজী বলেছেন:


আমেরিকায় পড়ার সময় ১ জন আফ্রিকান আমেরিকান মেয়ে আমাকে আমার ১ম চাকুরী ( কন্ট্রাক্ট চাকুরী ) পেতে সাহায্য করেছিলো।

২১| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি মানুষটা ভালো।
ভালো লোক মানুষকে ভালো পথ দেখায়। আর ভালো মানুষের কথা মতো চললে ভালো ফল পাওয়া যায়।

০৪ ঠা মার্চ, ২০২৪ বিকাল ৫:১৪

সোনাগাজী বলেছেন:




দেশে থাকলে আমি মানুষকে শান্তনা দিটে পার‌্তাম; প্রবাসে জীবনটা কেটে গেলো।

২২| ০৫ ই মার্চ, ২০২৪ রাত ১:৪৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশে এরকম ঘটনা আছে
কিন্তু প্রকাশ করাটা বিড়ম্বনা ।

................................................................
আমাদের পরিবেশের কারনে মনে করা হয় যে,
নিশ্চয়ই কোন উদ্দেশ্য আছে ।

০৫ ই মার্চ, ২০২৪ ভোর ৬:৪৪

সোনাগাজী বলেছেন:



জাতিটা চোখের সামনেই লিলিপুটিয়ানে পরিণত হলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.