| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দেব চৌধুরী
সাংবাদিকতায় আমি নবীন।
সাংবাদিকতার জগতে আমি নতুন। ব্যক্তিগত জীবনে হোক আর সাংবাদিকতা জীবনে হোক নানান ধরনের মানুষ, নানান পেশার মানুষ, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে দেখা এবং সাক্ষাতও হয়েছে। কিন্তু কোথাও এমন মানুষকে পাইনি যে মানুষের প্রতি সরল মন, সরল দৃষ্টি, নিজের জীবনের চেয়ে চিন্তা করেন সাধারন মানুষের জন্য, নিজে বিলাসীতা সুযোগ সত্বেও মানুষের সেবাকেই মনে করেছেন বিলাসীতা। সব মানুষের মন এক থাকে না। প্রত্যেক মানুষেরই আছে নানা ধরনে মানসিকতা। কিন্তু আমি আমার জীবনে দুই প্রকৃতির মানসিকতার মতো মানুষ আমার চোখে একজনকে পেলাম। যাকে চাচা বলে ডাকতাম। তিনি হলেন আমাদের মৌলভীবাজার জেলার কৃতি সন্তান, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, মৌলভীবাজার-৩ আসন (মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর) সংসদ সদস্য, মাটি ও মানুষের নেতা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সমাজকল্যান মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসীন আলী। যার বাড়ির দরজা দিন রাত সব সময় সব শ্রেনী পেশার মানুষের জন্য থাকতো খোলা। খালি হাতে ফেরৎ যায়নি কেউ। 
সৈয়দ মহসীন আলী উন্নত চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন সিঙ্গাপুরে। তিনি যেন আবার সবার মাঝে ফিরে আসেন তার জন্য জেলার সবত্র মসজিদ, মন্দিরে হয়েছে দোয়া মাহফিল ও প্রার্থনা। মহসীন আলী তার বাসায় ফিরেছেন। তবে ফিরলেও তিনি আর কাউকে খালি হাতে ফেরৎ যেতে দিতে পারবেন না। কারন তিনিই আজ চলে গেছেন না ফেরার দেশে। জীবনে বহু মানুষের সাথে ছবি তুলেছি কিন্তু এই মানুষটির সাথে তুলিনি। শ্রীমঙ্গলের স্বনামধন্য পরিবারের সন্তান ও আমার জেঠু স্বর্গীয় বিকাশ দেব চৌধুরীর শোক সভায় এসেছিলেন। শোক সভার এক ফাকে বলেছিলাম যে আপনার সাথে একটি ফটো তুলতে চাই। মমতার সহিত উনি পরিচয় জিজ্ঞাসা করে জড়িয়ে ধরে পাশে বসালেন। বললেন ফটো তোলো। এই ফটো যে এতো সকাল স্মৃতির পাতায় চলে যাবে সেটি চিন্তার বাইরে ছিল। মুসলমানরা বলে জান্নাত আর হিন্দুরা বলেন স্বর্গ। আমি আমার প্রিয় চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসীন আলীর জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানাই তিনি যেন তাকে স্বর্গের বাসিন্দা হিসেবে জায়গা দেন।
©somewhere in net ltd.