| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দেব চৌধুরী
সাংবাদিকতায় আমি নবীন।

সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করা যাচ্ছে যে আমাদের দেশীয় টেলি যোগাযোগ মাধ্যম টেলিটক কে গতিশীল করে তুলুন। এটা গতিশীল করলে দেশের টাকা দেশেই থাকবে। বাহিরে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। টেলিটক কে গতিশীল করতে পারলে সরকারের লাভ হবে। দেশীয় যেকোন মাধ্যমের দ্বারা যদি একটু-আধটু ফি বেশি নেওয়া হয় তাহলে বলতে পারবো যে আমরা আমাদের মাতৃভূমি আমাদের দেশ বাংলাদেশেই টাকা রাখছি। শুধু গ্রামীনফোন নয় বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল ও সিটিসেলও কোন না কোন ভাবে অতিরিক্ত চার্জ কেটে নিয়ে যাচ্ছে সাধারন মানুষদের কাছ থেকে। আমাদের দেশীয় মাধ্যমকে উন্নতি করতে পারলে আমরা বাংলাদেশকে আরো উচ্চশিখরে নিয়ে যেতে পারবো। বাংলাদেশ যেভাবে একের পর এক সাফল্যের জন্য পুরস্কার পেয়ে যাচ্ছে তাতে নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে এক্ষেত্রেও আমরা সফল হতে পারবো। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাধা আসবেই। সেই সব বাধা পেরিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। তার জন্য দেশের অভ্যন্তরীন প্রতিষ্টানগুলোকে উন্নতি করতে হবে। সেটা হোক বেসরকারী আর সরকারী। কথায় আছে হাত তালি দিতে গেলে দুহাত দরকার পরে, এক হাতে হয় না। তাই সরকারী এবং বেসরকারী দুয়ে মিলে এক সাথে কাজ করলে যেকোন ধরনের অসম্ভবকে সম্ভব করা যাবে। সেই জন্য নিজের সদিচ্ছ থাকাটা অতিব জরুরী।
আইটি খাতে করা হচ্ছে উন্নয়ন। অতি অল্প দিনে উন্নতি করা আইটি খাতে বিশ্বের বৃহৎ পুরস্কারটি বাংলাদেশ পেল। এছাড়াও আরো একটি বিশ্বের বৃহৎ পুরস্কার বাংলাদেশ পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও প্রধামন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয় বলেছেন “ভবিষ্যতের গুগল-ফেসবুক বাংলাদেশের তরুনরাই তৈরি করবে”। অবশ্যই হবে। তার আগে ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই দুটোকে উন্নত করতে পারলে কাজটি আরো সহজ হয়ে যাবে। আর সেটি বেশি দুর চেয়ে থাকতে হবে না। বাংলাদেশ এখন আর আগের বাংলাদেশে নেই। বাংলাদেশ অনেক দুর এগিয়ে গেছে। আগে পরনির্ভরশীল ছিল আমাদের এই বাংলাদেশ। কিন্তু ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথা মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে গেছে অনেকটা দুর। বাংলাদেশ এখন যেখানে রয়েছে। সেখান থেকে ইচ্ছে করলে টেনে নামাতেও পারবে না। টেনে নামানোর চেষ্টা করলেই জনগন তা প্রতিহিত করবে।

“আপনাদের যে অভিজ্ঞতা আছে সেটা আমারও হয়েছে। সিলিকন ভ্যালিতে একটা কথা আছে, কারো প্রথম স্টার্টআপ কখনো সফল হয়নি। তবে আবার চেষ্টা করতে হয়। একবারে পড়ে গেলে হয় না। উঠে দাঁড়িয়ে আবার চেষ্টা করতে হয়।
“একবার, দুবার, তিনবার- চেষ্টা করতে থাকলে, নিজের মেধা থাকলে সফলতা একসময় না একসময় আসবেই।..................বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়।
আমি একমত (সজিব ওয়াজেদ জয়) উনার মতে। একবার পড়ে গেলেই যে সব শেষ তা না। চেষ্টা করতে হবে। সেটা হোক একবার, দুবার, তিনবার বা তার বেশি। আপনার সাথের কেউ একবার চেষ্টা করে আগে চলে গেল। কিন্তু আপনি এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কোন অসুবিধা নেই। এসব দেখে আপনার মনোবলকে থামিয়ে রাখবেন না। নিজের আতœবিশ্বাস ও দৃঢ় মনোবল যদি থাকে তাহলে আপনারা একদিন না একদিন সফল হবেন। আপনাকে কেউ আটকাতে পারবে না। তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ রইল যে, দেশীয় টেলিযোগাযোগ মাধ্যম টেলিটক কে আরো উন্নত করুন। দেখবেন বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে। আর এসবের জন্য যদি জনগনের সহযোগিতা চান তাহলে তারা না করবে না। বরং যেকোন ধরনের সহযোহিতা দরকার তারা করবে।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:২৮
দেব চৌধুরী বলেছেন: সব কিছু যদি টাকা দিয়ে কেনা যেতো তাহলে গোটা পৃথিবীকেই কিনে ফেলতো আমেরিকা।
২|
২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:১৩
ইকরাম বাপ্পী বলেছেন: টেলিটকের কলরেট ভালোই... ... নেটওয়ার্ক সব জায়গায়তে পাওয়া যায় নাহ, অবশ্য আমি যেখানে থাকি তাতে আমার সমস্যা হয় নাহ। কিন্তু অফারের ধরন ধারণ কিছুটা পরিবর্তন করলে আরো সাড়া পেত, আর কাস্টমার সার্ভিস ভয়াবহ। এক "আগামী সিম" এর সমস্যার জন্য কত্তভাবে যোগাযোগ করলাম কেউ সঠিকভাবে কিছুই বলে নাহ, কিংবা কার কাছে গেলে সমাধান পেতে পারি তাও কিছু বলে নাহ। আবার সিমও দেয় নাহ। উলটা আগামী সিমের জন্য গিয়েছি বলে বর্ণমালা সিমের জন্য রেজি করে যান আগামী সিমের সমস্যার সমাধান না দিয়ে। আর একদিন দেখি কাস্টমার ম্যানেজার একজন গ্রাহকে রীতিমত ধমকাচ্ছেন। দেখে হা করে তাকিয়ে ছিলাম কিছুক্ষণ।
এই যায়গাগুলোতে উন্নতি করার সুযোগ অনেক, এবং তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী, সম্প্রতি তাদের ফেসবুক ফ্যান পেজে দেখলাম রেগুলার রেসপন্স করা হয়, এটা ভালো
কিন্তু তার পরেও আমার সমস্যা তারাও সমাধান করে দিতে পারে নাই, কিংবা কার সাথে যোগাযোগ করলে সমস্যা সমাধান হবে তাও বলে নাই, কিছু জিজ্ঞাসা করলেই বলে কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যান, আর কাস্টমার সেন্টার বলে আমরা এটা সমাধান করতে পারবো নাহ, তাহলে কে করবে,সেটা বলা যাচ্ছে নাহ। সামান্যতম সহযোগিতা নাই
তারপরেও আশা রাখি এটা চেঞ্জ হবে, বিদেশি বেসরকারি ছেড়ে দেশীয়টা ব্যবহার করবো একদিন
৩|
২৫ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:৫৯
দেব চৌধুরী বলেছেন: ভাই খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যে। টেলিটক যে জায়গায় ভালো নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় সেখানে তারা নানা সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে।
বিদেশী ছেড়ে এবার দেশীয়ের উপর নির্ভর হতে হবে। পরনির্ভরশীল ছেড়ে নিজের পায়ের উপর দাড়াতে হবে।
পৃথিবীতে সব কিছুই পরিবর্তনশীল। তাই এটাও পরিবর্তন হবে।
কাস্টমার সার্ভিস, নিয়মিত অফার সম্পর্কে গ্রাহকদের সাথে কথা বলা, সমস্যার কথা বললে দ্রুত সমাধান করাসহ সবগুলো উন্নতি করলে টেলিটক বাংলার মানুষের প্রান হয়ে উঠবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ ভোর ৪:৫২
সজিব হাওলাদার বলেছেন: এটা নাকি টাকা দিয়ে কেনা?