নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাইলেন্ট সোল

সাধারন,প্রিয় রং সাদা , ভ্রমন করতে ও জানতে ভাল লাগে

sr_milton

sr_milton › বিস্তারিত পোস্টঃ

রানা প্লাজায় হচ্ছে শহীদ কমপ্লেক্স ----

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ৯:৫৮

রানা প্লাজায় ঘটে যাওয়া নৃশংশতায় যে সমস্ত মানুষেরা প্রান হারিয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে রানা প্লাজাকে একটা " শহীদকমপ্লেক্স" করে এদেরকে মালিকানা দেয়া হোক , এবং এই শহীদকমপ্লেক্স নির্মানের যাবতীয় ব্যায় বিজিএম ই এ ও সরকারকে বহন করার জন্য অনুরোধ করছি । এই মন্তব্যের সাথে একমত থাকলে সহমত প্রকাশ করুন এবং শেয়ার করুন। রিপোস্ট...



মন্তব্য ১২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:১৯

মৃদুল মিয়া বলেছেন: সহমত। যুক্তিযুক্ত প্রস্তাব। কিন্তু এ পোড়ার দেশে কত কথাই তো নেতা-নেতৃীরা দেয়। কিন্তু কয়টা বাস্তব হয় ভায়া। কিছুদিন পরে যদি আরও বড় কোন ঘটনা ঘটে তবে সবাই আমরা ভুলে যাব এটার কথা। যেমন ভুলেছি অন্যান্যগুলো। একটা ধামাচাপা দিতে অন্য আরেকটার জন্ম হয়। এভাবেই তো চলছে। জানি না আর কত দিন চলবে।

২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:২২

রানিং ফ্ল্যাশ বলেছেন:

Click This Link

রানা প্লাজার ধ্বংসাবশেষ সরানোর পর সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হোক আমাদের নিহত ভাই বোনদের স্মরণে।।

_________

আপনি কি মনে করেন ওখানে মার্কেট হলে তার কোন অংশের বা দোকানের বরাদ্দ ক্ষতিগ্রস্তরা পাবে?

উত্তর :- পাবে না।

স্থানীয় নেতা এবং পর্যায়ক্রমে সরকারী দলগুলো এর সুফল ভোগ করবে। এখানে মার্কেট হলে কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্তরা উপকৃত হবে না। আর আমরাও সময়ের সাথে সাথে সব কিছু ভুলে যাব। তার চেয়ে স্মৃতিস্তম্ভই ঠিক আছে। ঐ জায়গায় আর কিছুই না হোক এই প্রার্থনা এইটাই।

বাংলার ইতিহাসের ভয়াবহ একটি ঘটনা কংক্রিটের নীচে চাপা পড়ে যাবে। এমন ঘটনা চাপা না পড়ুক। তাতে মানুষ সতর্ক হবে।

৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:২৪

রানিং ফ্ল্যাশ বলেছেন:



তাই

রানা প্লাজার ধ্বংসাবশেষ সরানোর পর সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হোক আমাদের নিহত ভাই বোনদের স্মরণে।।


এতে আমরা অন্তত তাদের মনে রাখবো। অর্থ আর কংক্রিটের নীচে তা চাপা পড়ে থাকবে না।

৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:৫২

আহ্নিক অনমিত্র বলেছেন: কি বুদ্ধি আমার ভাই এর।
রানা প্লাজার জায়গায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে একটি বহুতল ভবন গড়ে তোলা হোক। গার্মেন্টস থাকবে, বাংলাদেশের সব চাইতে নিরাপদ গার্মেন্টস। উদাহারন সৃষ্টি করতে হবে। এই সব গার্মেন্টসের মালিকানা থাকবে প্রতিটি কর্মীর।

প্রতি বছর তারা টাকা পাবেন, উদ্বৃত্ত অর্থ একটা গার্মেন্টস শ্রমিক ওয়েলফেয়ারে যাবে।

৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১০:৫৬

মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: শহীদকমপ্লেক্স বানানো হোক দোকান গুলো তাদের ক্ষতিগ্রস্ত দের দেওয়া হক..

আমারা জনগন যে ভাবে সাভার ট্রেজেটির পাশে ছিলাম এখনেও লেগে থাকলে কোন অপ শক্তি কিছুই করতে পারবেন।

স্মৃতিস্তম্ভ মনে রাখা ছাড়া কোন কাজে ই আসবে না,আর শহীদকমপ্লেক্স করলে দুইটাই হবে মনেরাখা ও তাদের উপাকার (যেটা সবচে বেশি প্রয়োজন)।

৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:০২

আহমেদ নিশো বলেছেন: সহমত

৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:১৯

একাকী বাংলাদেশি বলেছেন: বাহ্‌ আমার ভাই দেখি সাভার ট্রাজেডীতে বাংলা ভাষাও ভুলে গেছে। শিরোনাম দেখে তো ভিতরে ঢুকে দেখি উনি মাত্র প্রস্তাব উথ্থাপন করতেছে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ২:৪১

sr_milton বলেছেন: শিরোনামটার আকষণ Briddhir jonno. sorry ei jonno vaia.

৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ সকাল ১১:৪১

স্বাধীন জামিল বলেছেন: সহমত। ঐ খানে ১ টা ১০ তলা গার্মেন্টস ফ্যাক্টঅরি করা হবে। যেখানে আমাদের বেছে যাওয়া সব শ্রমিক সহ নতুন শরমিক রাও কাজ করবে, সুস্থ রা শারিরিক শ্রম এবং যারা শারিরিক খতিগ্রস্থ তারা বুদ্ধি ভিত্তিক শ্রম দিবেন। এখানে যারা কাজ করবেন তারা সবাই ফ্যাক্টরির বাৎসরিক মুনাফার সমান অংশ পাবেন। সরকার কোন রকম ট্যাক্স বসাতে পারবে না উতপাদনের উপর, যাবতিয় রপ্তানি বিষয়ক সহযোগিতা সরকার এবং প্রয়োজনীয় তদারকি করবে। বিজে।এম।ই।এ এর সদস্য থাকবে না এটা কিন্তু একটা সদস্য যে সুবিধা ভোগ করে তা এটা পূর্ন ভাবে করবে।

৯| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১:৪৪

মুঘল সম্রাট বলেছেন: এটা খুবই যুক্তি সংগত প্রস্তাব। নিহত এবং আহতদের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য এটা একটা ভাব প্রস্তাব।

১০| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৬

শিপু ভাই বলেছেন:
এখানে ১২ তলা কমপ্লেক্স করে বিভিন্ন গার্মেন্টস কোম্পানিকে বরাদ্দ দেয়া হোক। এই কমপ্লেক্সের মালিকানা শেয়ার থাকবে এখানে আহত নিহত সকল শ্রমিক। সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখানকার ভাড়া বাবদ আইয়ের শেয়ার পাবে প্রত্যেকে।

১১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৩

বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: পোষ্টে সহমত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.