নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হিন্দু না ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোনজন, কান্ডারি বলো ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা'র

পারভেজ আলম

হাসরের ময়দানে ইট কাঠ আর কংক্রিটের দেয়ালে, রক্তের কালিতে, কবিতা কালাম লিখে মরা মানুষএর মিছিলে দাঁড়ায় একবিংশের রাসুল। দুই হাত ভরা ব্যাগে নানান ব্র্যান্ডের আমলনামা।

পারভেজ আলম › বিস্তারিত পোস্টঃ

কুরবানী সমালোচনায় ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণীচেতনা ধারণ করা থেকে বিরত হউন

২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৪০

কুরবানীর ঈদ ছোটবেলা থেকেই একটা সেকুলার উৎসব হিসাবে উদযাপিত হতে দেখছি। এর উৎস ধর্মীয় হলেও 'প্রিয় জিনিস কুরবানী'র থিওরি নিয়া খুব বেশি বাঙালি মুসলমানের মাথাব্যাথা আছে বলে মনে হয়না। আমার যেসব হিন্দু বন্ধুরা টুকটাক গরুর মাংস খায় এই দিনটা তারাও বেশ মজা করেই উদযাপন করে দেখেছি। কার গরু কতো বড়, কার গরুর দাম কতো বেশি এই বিষয়গুলা দিয়া সামাজিক স্ট্যাটাস দেখানোর বা ধরে রাখার ব্যাপার আছে। এইখানে এসে গরু কুরবানী সামাজিক ক্ষমতাকাঠামো বিন্যাসের রিচুয়ালে পরিণত হয়। অনেকটা আগের কালের বিভিন্ন যজ্ঞের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজা যেমন তার সোস্যাল স্ট্যাটাস এবং ক্ষমতা জাহির করতেন, বিষয়টা তেমনি। যেকোন ধর্মীয় কুরবানী বা বলীরই এই ধরণের সামাজিক গুরুত্ব থাকে। এজটেকরা ধর্মীয় কুরবানীর মাধ্যমে নিজেদের মাংসের চাহিদা পুরোনের বানিজ্যিক সুবিধাও তৈরি করেছিলো। আধুনিক বাংলাদেশে কুরবানীর ঈদ ঘিড়ে গরু ছাগল ছাড়াও এদের চামড়া ব্যাবসা থেকে শুরু করে আরো নানাবিধ আনুসাঙ্গিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড এবং জীবিকার সুবিধা গড়ে উঠেছে। ধর্মীয় গুরুত্ব শূণ্যের কোঠায় চলে গেলেও এর অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই কুরবানী আরো দীর্ঘদিন বাংলাদেশে টিকে থাকবে।



যেকোন ধর্মীয় বা সেকুলার উৎসব কিংবা তার সাথে জড়িত অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের সমালোচনা করা যেতে পারে। কুরবানীর ঈদএর ক্ষেত্রেও তাই। তবে কুরবানীকে বর্বর, অসভ্য, হিংস্র ট্রাডিশন বলে অনেকেই যে ধরণের সমালোচনা করেন তাতে যুক্তি তর্ক এবং সমালোচনার গভীরতা দুইই কম থাকে। বলি কসাইর কি দোষ? কসাইতো একটা জরুরি কাজ করে। গরুর মাংস আমি খাবো, কিন্তু এর কাটাকুটিকে বলবো অসভ্য, বর্বর, এইটা অনেকটা একধরণের ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণী চেতনার মতো। এই জাতীয় সমালোচনা ভারতবর্ষের সূদীর্ঘ বর্ণবাদী ও জাত পাত ভেদএর যেই ট্রাডিশন সেই ট্রাডিশনেরই ধারাবাহিকতা মাত্র। ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণী চেতনা সমাজের নানান প্রান্তিক এবং ব্যাবসায়ী জাতির লোকজনের সেবা ঠিকই নেবে বেঁচে থাকার এবং ভোগ করার তাগিদে, কিন্তু আবার তার পরিশ্রমী কাজের প্রচন্ডরকম বর্ণবাদী সমালচনা করবে, তাকে এবং তার কাজকে অসভ্য বর্বর বলবে, তাকে পাপী এবং তার কাজকে পাপ কাজ বলবে। এই কারনে কৃষকের উৎপাদিত ধানএর উপর ব্রাহ্মনের বেঁচে থাকে নির্ভর করলেও কৃষক তার চোখে জমিতে ধান ফলিয়ে পাপ কাজ করে, কারন লাঙলের ফলায় কতোনা ছোট ছোট জীব নিহত হয়। বড়ই আজব ধরণের মানবিকতার সংজ্ঞা তৈরি হয় এই ধরণের শ্রেণী চেতনায়। গরুর মাংস খেয়েও যারা কুরবানীকে অসভ্য ও অমানবিক বলেন তাদের মানবিকতার সংজ্ঞাও এই ধরণের এলিটিস্ট শ্রেণী চেতনায় তৈরি হওয়া। ব্রিটিশ আমলের শেষদিকে বাঙলায় যেসব বড় বড় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে তার বড় অংশই গরু কুরবানী নিয়া। মধ্যযুগে ভারতের অনেক জায়গাতেই এই কুরবানী নিয়াই দাঙ্গা হয়েছে। গরু কুরবানীর শাস্তি স্বরূপ কসাইওএর পুত্রকে জবাই দেয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। ৩০/৪০এর দশকে দেখা গেছে মাংসের উৎস হিসাবে গরু রপ্তানিতে কোন আপত্ত্বি না থাকলেও মুসলমানদের গরু কুরবানীতে ব্রাহ্মণ এবং হিন্দু উগ্রবাদীদের বিরাট আপত্ত্বি। এসব ঘটনার রেকর্ড আছে ইতিহাসে। সেই ব্রাহ্মণ্যবাদী ভাষাতেই যখন বাংলাদেশের এই সময়ের মুক্তমনা হিসাবে পরিচিতরা মুসলমানের গরু কুরবানীর সমালোচনা করেন তখন কিঞ্চিত দুশ্চিন্তায় পরি আমি।



এর বাইরে যারা বলেন যে ছোট বাচ্চাদের সামনে কুরবানী দেয়া বা ছুড়ি চাপাতি নিয়া রক্তারক্তি কাটাকাটি ইত্যাদি কুৎসিত কাজ, এতে তাদের মনমানসিকতায় খারাপ প্রভাব পরে সেটাও খুবি অবৈজ্ঞানিক কথাবার্তা। তাইলে কসাইএর বাড়ির যেই ছোট বাচ্চাটা ছোটবেলা থেকে কসাই হয়ে ওঠে ছুড়ি চাপাতি নিয়া রক্তারক্তি কাটাকাটির মধ্য দিয়া তারা কি কুৎসিত হয়ে বড় হয়, হিংস্র হয়ে বড় হয়? বাংলাদেশের তাবৎ খুন খারাবি কি এইসব কসাই ছোটলোকের বাচ্চারা করে? আমি ছোটবেলায় মুরগি জবাই দিয়েছি অনেকবার। বাংলাদেশে ব্রয়লার মুরগি আসার আগে অনেকেরই দিতে হয়েছে। আধুনিক শ্রম বিভাজনের কারনে মুরগি জবাই দেয়া এখন আমার কাজের মধ্যে পরেনা। হয়তো আমার পুত্র হলে ভবিষ্যতে তার কাজের মধ্যেও পরবেনা। তাই বলে এটা মনে করার কোন কারন নাইযে সেইটা আমার পুত্র করলে সে অসভ্য, বর্বর এবং হিংস্র হয়ে উঠবে, কেননা তা হলে আমি ব্রয়লার মুরগিগুলা কিছু অসভ্য, বর্বর, হিংস্র মানুষের কাছ থেকে কিনে থাকি।



কৃষিজীবী নাগরিক সমাজে যখন শিকারজীবীরা মিশে যেতে বাধ্য হয়েছে তখন থেকেই কুরবানী বা বলীর ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক ট্রাডিশনের সূত্রপাত। শিকারীর জঙ্গল কেটে কৃষকএর নগর তৈরি হয়েছিল, শিকারীর তাই সেই নগরে কসাই হতে হয়েছে। বাঙলার ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণী চেতনায় এই কসাই বরাবরি ছোটলোকের জাত, অচ্ছুৎ। গরু কুরবানী দেয়া মুসলমানও এই শ্রেণী চেতনায় ছোটলোকের জাত, অচ্ছুৎ। গরু কুরবানীর সমালোচনা করতে গিয়া মুসলমানবিরোধী এই জাতীয় বর্ণবাদী শ্রেণীচেতনা আয়ত্ত্ব করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ।









মন্তব্য ৮০ টি রেটিং +২২/-১

মন্তব্য (৮০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫১

নজিবুল্লাহ বলেছেন: ধর্মীয় গুরুত্ব শূণ্যের কোঠায় চলে গেলেও এর অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই কুরবানী আরো দীর্ঘদিন বাংলাদেশে টিকে থাকবে।

=p~ =p~ =p~

২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৪৫

পারভেজ আলম বলেছেন: ধর্ম একটি সামাজিক বিষয়, ধর্মীয় উৎসব আরো সামাজিক। আপনি একা একা কিভাবে কুরবানী দেন সেইটা সামাজিক উৎসবএর চরিত্র প্রকাশ করবেনা। বাংলাদেশে যেকোন ঈদই যেই সামাজিক প্রক্রিয়ায় উদযাপিত হয় সেইটা সকাল বেলার নামাজ বাদ দিলে পুরাটাই সেকুলার। কুরবানীর ঈদ ঘিরে মানুষের কাজ কাম, আনন্দ, টিভির অনুষ্ঠান, পত্র পত্রিকার আয়োজন সবকিছুই সেকুলার, আপনার একার বা আপনার মতো অল্প কয়েকজনের ব্যক্তিগত ধার্মিক ইমোশন এই সামাজিক উৎসবের আড়ালেই ঢাকা পরে থাকে বলে মনে হয়। তাও আমি মেনে নিতে পারি যে শূণ্যের কোঠায় হয়তো এখনো নামেনাই, কিন্তু আপনে যখন এর সামাজিক গুরুত্ব নিয়া আলাপ করবেন তখন আমার কথায় তেমন ভুল পাবেন না।

২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৩

লেখোয়াড় বলেছেন:
এর বাইরে যারা বলেন যে ছোট বাচ্চাদের সামনে কুরবানী দেয়া বা ছুড়ি চাপাতি নিয়া রক্তারক্তি কাটাকাটি ইত্যাদি কুৎসিত কাজ, এতে তাদের মনমানসিকতায় খারাপ প্রভাব পরে সেটাও খুবি অবৈজ্ঞানিক কথাবার্তা। তাইলে কসাইএর বাড়ির যেই ছোট বাচ্চাটা ছোটবেলা থেকে কসাই হয়ে ওঠে ছুড়ি চাপাতি নিয়া রক্তারক্তি কাটাকাটির মধ্য দিয়া তারা কি কুৎসিত হয়ে বড় হয়, হিংস্র হয়ে বড় হয়?

পারভেজ আলম, আপনি মনে হয় আস্তে আস্তে জাতে উঠছেন।
আপনার এই পরিবর্তনের হেতুটি কি?

বাম থেকে একবারে ধর্মঘরে চলে এলেন য়ে?
আপনার এই লেখাটা ধর্মীয় ভন্ডরা বেশ বাহাবা দিবে।
যদিও তারা তাদের মত একগুঁয়ে।

ধন্যবাদ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৪৮

পারভেজ আলম বলেছেন: হুম। এজাতীয় মন্তব্যের সামনে আমার প্রায়ই পরতে হয়, উত্তরও প্রায়ই দিতে হয়। নিচে দেখবেন কেউ কেউ বলছে তার এই লেখাটা ভালো লেগেছে কিন্ত আমার আগের লেখাটাই হয়তো তার ভালো লাগেনাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন যেটা তা হলো আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের কারনে আমার অবস্থান পরিবর্তন হওয়ার অভিযোগ তোলাটা কি উচিৎ? কুরবানী বিষয়ে ৩ বছর আগেও বাঙলা ব্লগে আমার এই পোস্টের সাথে মিল আছে এমন মন্তব্য খুজে পাওয়া যাবে। আমি কোথাও থেকে কোথাও যাই নাই, আপনারা যাস্ট সবকিছু স্টেরিওটাইপের চশমায় দেখতে দেখতে এখন খোলাচোখে দেখতে পারছেন না।

৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৩

নজিবুল্লাহ বলেছেন: তা ভাইজান, কোরবানীর বিধানটা সেকুলারিস্টদের কোন কিতাব থেইক্কা নাযিল হইল ?

৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৪

শিপলু সিনহা বলেছেন: সহমত।

৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৮

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: মানে বলছিলাম ........ মানুষ কখনো নিজেই নিজের বিরোধিতা করে ....... যেমন : এই লেখার শেষ অংশের লাইন ........ সমাজের কোন শ্রেনীর মধ্যে ছোটলোক-বড়লোক ইত্যাদির তথাৎ করে না ?

সেটা কি আপনি জানেন ? বা এর কোন উত্তর আপনার কাছে আছে ....

যেহেতু আপনি উত্তর দিতে পারবেন না , সেই বিশ্বাস থেকেই বলছি , সব সমাজেই/অফিসেই ছোটলোক-বড়লোক (ছোট অফিসার-বড় অফিসার) ইত্যাদি ভেদ আছে । ভেদ কতটুকু অত্যাচারের দিকে যাচ্ছে সেটি বিশ্লেষন করার ব্যাপার , ভেদ বিশ্লেষন করার ব্যাপার নয় । শ্রেনীভেদ আছে, থাকবে , সেটি যেন কোন অত্যাচারের কারন না হয়ে দাঁড়ায় ।




২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৪৯

পারভেজ আলম বলেছেন: আমার লেখায় যা লিখেছি তার প্রমান বিপ্লব কান্তির করা এই পোস্টের একাধিক মন্তব্য। তিনি সুশিল কায়দায় ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণী চেতনা ও জাতপাত ভেদ জায়েজ করার জন্যে ছুটে এসেছেন।

৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৯

নজিবুল্লাহ বলেছেন: ধর্মীয় ভন্ড আর ধর্মীয় লেখোয়াড় সাধু এর সঙ্গাটি কি ভাই ?

৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৯

নজিবুল্লাহ বলেছেন: ধর্মীয় ভন্ড আর ধর্মীয় লেখোয়াড় সাধু এর সঙ্গাটি কি ভাই ?

৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:০০

নজিবুল্লাহ বলেছেন: ধর্মীয় ভন্ড আর ধর্মীয় সাধু এর সঙ্গাটি কি লেখোয়াড় ভাই ?

৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:০৬

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @বিপ্লব কান্তি,

অফিসের ছোট অফিসার আর বড় অফিসার এর শেনী বিন্যাস আর আপনাদের ধর্মের জাত-পাত কি এক হলো ? আপনাদের এক শ্রেনী দের মন্দিরে জাওয়া নিষিদ্ধ, গীতা পাঠ নিষিদ্ধ এসব ধর্মীয় জাত পাত এর সাথে অফিসের শ্রেনী বিণ্যাস কি করে মিলে গেল ? B:-) B:-) নিচের পোষ্ট এ আপনার এক ধর্মীয় ভাইকে আপনাদের ধর্ম সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন করেছিলাম কিন্তু কোন উত্তর পেলাম না, আফসুস !!! Click This Link

১০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:০৮

রাফসান রাফী বলেছেন: আরিফ জেবতিক ভাইয়ের পর আপনি---

বাংলাদেশের নতুন সুশীলরা কিছুটা হলেও সত্যকথন শুরু করেছেন, মন্দ না---!

কয়দিন আগে এক নাস্তিক পুজাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ধর্মের কিছু রিতি নীতির কড়া সমালোচনা করেছিলেন, সাথে সাথে অনেক হিন্দু ভাইকে আহত হতে দেখলাম, এরাই আবার ইসলাম নিয়া কিছু কইলে সেই নাস্তিকের পোস্টে ধুমাইয়া লাইক দিত। যাই হোক, তর্কের ময়দানে মুসলিম তরুনরা যুক্তি দিয়েই লড়বে, অন্যদের মত আহত হয়ে নাকি কান্না জুড়ে দেবে না। আর আমি বাজি ধরে বলতে পারি, অন্য ধর্মের কেউ এই রকম যুক্তির লড়াইয়ে মুখোমুখি হওয়ার সাহস করবেনা।

১১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:০৯

মুনসী১৬১২ বলেছেন: ভালো লিখেছেন

১২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:১১

নজিবুল্লাহ বলেছেন: সেই পোষ্ট এ আপনার জাত-পাত বিষয়ক মন্তব্য :

ধর্মের বোঝাবোঝিতে যদি যান ....... তাহলে ব্রাহ্মণ হতে গেলে কয়েকটি ধাপ পেরোতে হয় , এখনকার ব্রাহ্মণরা ঐ ধাপগুলো পেরোতে পারেন না ........ তাই গীতা বা বেদে যে ব্রাহ্মণের কথা বলা আছে .....সেটা হতে পারেন না । বিপ্র পর্যন্ত হতে পারেন।

আপনাদের এই শ্রেনী বিভেদ আর অফিসের শ্রেনীবিভেদ কে এক করে ফেললেন ? হায় সেলুকাস !! B:-) B:-)

১৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২০

মুদ্‌দাকির বলেছেন: "সেই ব্রাহ্মণ্যবাদী ভাষাতেই যখন বাংলাদেশের এই সময়ের মুক্তমনা হিসাবে পরিচিতরা মুসলমানের গরু কুরবানীর সমালোচনা করেন তখন কিঞ্চিত দুশ্চিন্তায় পরি আমি। "

ভাই মুসলমান হইলে কি আর কুরবানির সমালোচনা করার কথা নাকি??? আপনি যাদের কথা বললেন তারা হয়ত মুখে মুসলমান, অন্তরে না!!!!

১৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২৪

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: @ নজি ..........।

আমাদের ধর্মের জাতপাত হলো একটি সুষ্ট সমাজ পরিচালনার মন্ত্র , মি: নজি ........ লাইন টু লাইন সনাতন গীতা গ্রন্হটি একমনে পড়ে দেখুন , যদি মন স্হির থাকে ! দেখবেন লাইন টু লাইনে সুষ্ট সমাজ ও আত্ননিয়ন্ত্রনের কথা বলে হয়েছে ।

মি: নজি ....... মন্দিরে অমুকের যাওয়া ঠিক, অমুকের নয় , ইত্যাদি হিন্দু ধর্মীয় প্রথা নয়, সমাজের বলশালী কিছু লোকের নিজস্ব বানানো প্রথা । আর সেগুলোকে পাবলিসিটি করে কিছু সনাতন বিপক্ষরা , যেমন এই পোষ্ট লেখা লোকটা লিখেছে : তার কিছু হিন্দু বন্ধু গুরুর মাংস খায় , এই রকম লোকের কথা আমি শতেক বার শুনেছি , অমুক হিন্দু গরুর মাংস খেয়েছে এগুলো বলে বেড়াতে । বিষয়টা এরকমই , দু-চার হিন্দু নামের লোক গরুর মাংস খায়, সেগুলোকে ইনিয়ে বিনিয়ে বা প্রকটভাবে প্রচার করে বিরুদ্ধরা , আবার এতে ও পার না পেলে বলে দুধ খাস তাহলে মাংস খাবি না কেনো ?

আর সবশেষে মি: নজি ........ ইতিহাসটা সবার নিজের পক্ষেই লিখে , আক্রান্ত সনাতন সমাজের ইতিহাসগুলো আপনার নখদর্পনে , আপনাকে সেগুলোই পড়ানো হয়েছে , শোনানো হয়েছে , কিন্তু দু:খের বিষয় আপনার সনাতন বিপক্ষের হাতের ইতিহাসগুলো পড়ে নিয়েছেন । যেমন এই পোষ্ট লেখা লোকটার গরুর মাংস খাওয়ার গল্প । নিরপেক্ষগুলো পড়েননি বা অনুভব করেননি , করতে পারবেন ও না , কারন সনাতন ধর্ম নিরপেক্ষ অনুভব করা মাত্রই সে জাত সনাতনে পরিনত হবে এবং সাথে সাথেই তার মধ্যে শান্তি বিরাজিত হয়ে যাবে । যেটা এখন আর হবে না, কারন এখন প্রকৃতি ধ্বংসের দাদামা দিকে সবাইকে যেতে বলছে , শান্তি বিরাজিত কিছু সবার মনে বা সংখ্যাগরিষ্টের মনে চলে আসলে প্রকৃতি ওদিকে যেতে পারবে না ।

১৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২৯

রিমন০০৭ বলেছেন: ধর্মীয় গুরুত্ব শূণ্যের কোঠায় চলে গেলেও এর অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই কুরবানী আরো দীর্ঘদিন বাংলাদেশে টিকে থাকবে।

মানতে পারলাম না।

১৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:২৯

মুদ্‌দাকির বলেছেন: মাফ করবেন আমার পূর্বের মন্তব্যটা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছে। চাইলে মুছে দিতে পারেন। দুঃক্ষিত।

লেখার প্রতিটি বাক্যের সাথে একমত হইতে পারিনাই।

কিন্তু আপনার বাংলাদেশের তাবৎ খুন খারাবি কি এইসব কসাই ছোটলোকের বাচ্চারা করে? প্রশ্ন আমারও??

১৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৩১

নজিবুল্লাহ বলেছেন: বিষয়টা এরকমই , দু-চার হিন্দু নামের লোক গরুর মাংস খায়, সেগুলোকে ইনিয়ে বিনিয়ে বা প্রকটভাবে প্রচার করে বিরুদ্ধরা , আবার এতে ও পার না পেলে বলে দুধ খাস তাহলে মাংস খাবি না কেনো ?

গরুর মাংস খাওয়াকি মানবিকতার বিরুধী ? গরু কি আসলেই ভগবান ?

১৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৪১

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: মি: নজি ...........

শেষ বার আমার প্রতি করা কমেন্টের উত্তরে বলছি :

আপনি আমার ধর্মের প্রতি নিরক্ষর , ভুল বলে ফেলেছি , আসলে আমার ধর্মের কয়েকটি লাইন জানেন আপনি ...... ভাবচক্ষরে সেগুলো নিয়ে ব্যস্ত ......

আমার ধর্মকে জানতে হলে এর ভিতরে যেতে হবে, দেখতে হবে ..... কি হচ্ছে .....

মি: নজি ......... ধরেন এই আমি ......... পৃথিবীর অনেক জাতিরই অনেক ধারার কথা জানি ........ কিন্তু সেগুলো বিশ্লেষনে যাই না ...... কারন আমার সেই ক্ষমতা নেই ....... যেমন কয়েকদিন আগে একটি ১৮ + পোষ্টে বলেছিলাম ........ যা লুসাইদের একটি সেক্স প্রথা নিয়ে ছিলো ........

যে পৃথিবীর অনেক জাতি ছোটবেলা থেকে নির্ধারন করে বসে, তার গায়ে একটি দাগ বা কাটা তাকে নিতে হবে , সেই রক্তপাত ও কাটাকে সে পবিত্র মনে করে এবং এর জন্য সে মানসিকভাবে গর্ববোধ করে যেমন: নাগা

সাধারনভাবে আপনি হেনতেন বলে ফেলতে পারেন , যে শরীরে কাঁটা এটা মোটেই মানবিক নয় , হেনতেন ........ কিন্তু আসলে এটা বলতে পারেন না...... কারন তার বিশ্বাসের বিন্দুমাত্র আপনার কাছে নেই ........ যাই বলবেন সেটা তার বিপক্ষ মানসিকতা থেকে বলা হবে ।

মি: নজি ........... অফিসের ছোটলোক-বড়লোক প্রথা , সেটা উদাহরন দেয়ার জন্য , যদি ছোটলোক-বড়লোক প্রথা না মানেন, তাহলে অফিসের পিয়নের চেয়ারটা আপনার পাশে যেন থাকে , সেটি করবেন না।

আর মি: নজি ............. সমাজ বড়ই বিচিত্র ............. আপনি হিন্দু ধর্মের ছোটলোক-বড়লোক প্রথা নিয়ে ব্যস্ত, আপনাকে একটু বলে যাই ......

আমি ছোটবেলায় সে এলাকায় বড় হয়েছি তার কিছু দূরেই ছিলো ........ জেলেদের গ্রাম, আর তার কিছু দূরে ছিলো পান বিক্রেতাদের গ্রাম ........ এটা আপনার ধর্মের ...... এই গ্রামগুলোর সাথে সুন্নী সম্প্রদায়ের লোকদের কোন সামাজিক যাতাযাত ছিলো না, বরং ছিলো জেলে বলে ঘৃনা , বিবাহ বা অন্য কিছু ছিলো না , প্রশ্নই উঠে না .... একজন জেলের সাথে একজন সুন্নীর মেয়ের বা ছেলের বিয়ে !!!!!! এমনকি প্রাথমিক বিদ্যালয়-উপাসনালয় আলাদা । কথা বার্তায় বিদ্ধেষ , জেলেদের নামটা গালিতে ইউজ হতো । কাউকে গালি দিতে হলে জেলেদের স্হানীয় নামটা ইউজ করে

এই বিদ্ধেষের একটা মারাত্নক পরিনতি আমি দেখেছি, জেলেরা ধনী ও প্রভাবশালী ছিলো , বাজার থেকে শুরু হয় ঝগড়া এবং সেই ঝগড়া একদিনের যুদ্ধে রুপ নেই , একদিকে হাজার হাজার সুন্নী আরেকদিকে জেলেদের গ্রাম ...... চারজন জেলে নিহত হয় ।

এখন প্রশ্ন হলো কেনো এই বিভেদ ...... আপনি কি আপনার মেয়েকে একজন জেলের ছেলে কাছে অথবা পান বিক্রেতা ছেলেক কাছে বিয়ে দিবেন । তখন তো লাফ দিয়ে খাট ভেংগে ফেলবেন :)

হা হা ...........।

বুঝলেন মি: নজি ................. বাস্তবতা



১৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৫১

নুর ফ্য়জুর রেজা বলেছেন: @নজিবুল্লাহ.....ভাই আপনি কোথায় কিভাবে কমেন্ট করতে হয় তা বোধহয় এখনও শিখেন নাই। এতগুলা কমেন্ট না করে একটা কমেন্টেই আপনি আপনার কথা বলতে পারতেন।

@লেখক.....পারভেজ ভাই, আমি আপনার সব ব্যাপারে একমত হতে পারলাম না। এখনও অনেক মুসলমান আছেন যারা ধর্মীয় গুরুত্বের জন্যই কোরবানী দেয়। যদিও হাল আমলের অনেকের কাছেই কোরবানী একটা ফ্যাশন। এই অংশটুকু বাদে লেখাটা অনেক ভালো লাগছে। :)

২০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৫২

বোরহান উদদীন বলেছেন:

আমার মনে হয় ঝগড়া ঝাটি শুরু হবে এখানে। আমি নাইরে ভাই।

২১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:০৩

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @বিপ্লব কান্তি,

কিন্তু আসলে এটা বলতে পারেন না...... কারন তার বিশ্বাসের বিন্দুমাত্র আপনার কাছে নেই ........ যাই বলবেন সেটা তার বিপক্ষ মানসিকতা থেকে বলা হবে ।


ওয়েল, আপনাদের বিশ্বাস মতে গরু হলো ভগবান তাই গরু জবাই অমানবিকতা ও গুরর মাংস খাওয়া হিংস্রতা, নাগাদের বিশ্বাস মতে গায়ে কাটা দাগ নেয়া পবিত্র ও অমানবিকতা নয়, মুসলিমদের বিশ্বাস মতে কোরবানী প্রথা স্রষ্টার বিধান সো এটা অমানবিকতা নয়। এখন বিপরীত ধর্মী এই তিন ধর্ম বিশ্বাসের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু ? যে কেউ ই কি ইচ্ছা করলে একটা ধর্মের নাম নিয়ে কিছু রীতি নীতি আবিষ্কার করে ফেলতে পারে ? ধর্মের গ্রহণযোগ্যতার যৌক্তিক ভিত্তি কি ? প্রত্যেক ধর্মই দাবী করে তার ধর্মই সত্য বাকী সকল ধর্ম মিথ্যা। এবং আমি ও দাবী করি যে, আমার ধর্ম ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম এবং বাকী সকল ধর্ম স্রষ্টা প্রেরিত হোক অথবা মানবআবিষ্কৃত হোক তা বিকৃত হয়ে গিয়েছে কালের বিবর্তনে একমাত্র ইসলাম ধর্ম এর কিতাব কোরআন ই অবিকৃত রেয়েছে। এখন আপনার দাবী আমার দাবী নাগাদের দাবী এ পোষ্ট এর লিখক নাস্তিক ধর্মের দাবী এত এত ধর্মের দাবীদ্বার, এখন কার দাবী সত্য ? কার দাবী গ্রহণযোগ্য ? আমি আমার ধর্মের ইতিহাস ও এর সত্যতার ভিত্তি বলতে পারি আপনি কি আপনার ধর্মের ইতিহাস ও ভিত্তি বলতে পারবেন ? না পারলে কেন তাকে সত্য ধর্ম বলছেন ? মৌখিক দাবী করলেই কি তা গ্রহণযোগ্য হবে ? যেমন আপনাদের দাবী হলো গরু ভগবান। আমি প্রশ্ন করেছিলাম গরু কি করে ভগবান হলো আপনি কোন উত্তর দিলেন না, তাই আপনার বিশ্বাস ও ধর্মের ভিত্তি কি তা আগে উপস্থাপন করুন , তারপরে জাত-পাতের আলোচনা হবে। তবে এতটুকু আপনাকে বলে রাখি ইসলামে কোন জাত-পাত নেই। ইসলামে মানুষের মর্যাদা নির্নিত হয় একমাত্র তাকওয়া বা খোদভিতিতে। ইসলামে একজন নিগ্রও সাদাদের নেতা হতে পারে এবং হয়েছেও যার প্রমান ইতিহাসে আনেক আছে। ইসলাম এসেছেই জাত-পাত নির্মূল করে মানুষকে মানুষের মর্যাদা দিতে। তাই আপনাদের এ শেনীভেদ বা বর্ণভেদ কেন গ্রহণযোগ্য হবে কেন তা মনুষত্বকে দলীত মথিত করেছে না তার প্রমাণ উপস্থাপন করুন।

২২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:০৫

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @নুর ফ্য়জুর রেজা,

লেখোয়াড় ভাইকে মন্তব্য করতে গিয়ে আমার দুটি ভুল হয়ে গিয়েছিল । লেখককে অনুরোধ করি আমার ৬ এবং ৭ নয় মন্তব্যটি মুছে দেবার জন্য। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দু:খিত।

২৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:০৭

কাকপাখি ২ বলেছেন: "ধর্মীয় গুরুত্ব শূণ্যের কোঠায় চলে গেলেও" -- আপনের এই কথাটা একটা ভূল ফোরকাস্ট। ধর্মের গুরুত্ব শুন্যের কোঠায় চলে যাওয়া বিষয়ক নাস্তিকীয় দিবাস্বপ্নের দিন শেষ।

লেখাটা পছন্দ হইছে, এই লন প্লাস:

+++++++++++++++++++

২৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:০৮

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @নুর ফ্য়জুর রেজা,

আপনি সবগুলো কমেন্ট পড়লে বুঝতেন আমি যেমন লেখককে উদ্যেশ্য করে মন্তব্য করেছি ঠিক তদ্রুপ আরো দু জন ভাইকে উদ্যেশ্য করে মন্তব্য করেছি, আপনি না বুঝলেও তারা ঠিকই বুঝতে পারতেছেন যে, আমি কাকে উদ্যেশ্য করে কি বলতেছি।

২৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১১

জাতির নানি বলেছেন: নাতী লেখাটা মনোযোগ দিয়াই পড়সি, ভালো লাগসে কোন দ্বিমত নাই। খালি একটা জায়গায় দ্বিমত আছে।


ধর্মীয় গুরুত্ব শূণ্যের কোঠায় চলে গেলেও এর অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই কুরবানী আরো দীর্ঘদিন বাংলাদেশে টিকে থাকবে।


একেবারে শুন্যের কোঠায় নামায়া দেওন কি ঠিক হইছে?

২৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১১

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: মি: নজি ........ গরূ কি আসলেই ভগবান ?

........ ভগবান ........ সেটি অন্য বস্তু , ভগবান কে ধরা যায় না, ছোয়া যায় না , গরূ ভগবান কিনা সে প্রশ্ন দেখার পর আপনার উদ্দেশ্যে পরের কমেন্ট লিখবো সেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি আমি , আমার প্রাথমিক স্কুলের ৮ বছরের বন্ধু কুতুবের মানসিকতা আর আপনার মানসিকতা একই সেই ধারনা জন্ম নিচ্ছে , ৮ বছরের কুতুব এই প্রশ্ন করতো আমাকে :) :)

একটি পশু কিভাবে ভগবান হয় সেটি আপনার সাধারন চিন্তায় বুঝবার সমস্যা হওয়ার কথা ছিলো না বলেই আমার ধারনা । যা হোক আপনাকে কুতুবসম ধরেই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি

::::: কিছু কিছু ধর্মের কিছু কিছু লোকেদের দেখা যায়, অন্য ধর্মের প্রতিকি বিষয়ের প্রতি চরম বিদ্ধেষ থাকে , এবং সেই বিদ্ধেষ অনুসারেই রামুতে বৌদ্ধ মূর্তি ভাংচুরের মত ঘটনা ঘটে ।

::::: সনাতন ধর্মের লোকেদের দেখা যায় , মূর্তি পূজা-মূর্তি উপাসনা করতে , আর অনেক অনেক দেবতা দেখা যায়, এখন সবাই কি ভগবান ? না ভগবান একজনই ...... অন্যরা শক্তি .......... এবং তারা ভগবানের সৃষ্টি বলে সনাতনরা বিশ্বাস করে ......... কারো জন্ম ঈশ্বরের চোখের জ্যাতিতে আর কারো জন্ম অন্য কোন শক্তিতে .......

আবার এরা মানুষ সম নয় , যেহেতু এরা ঈশ্বরের প্রাধান্যের সৃষ্টি ........

মূর্তি হলো একটি প্রতিক, কোন কোন সম্প্রদায়ের লোকেদের একটি নির্দিষ্ট দিকের প্রতি দূর্বলতা থাকে ,সে দিকেই উপাসনালয় থাকে , হিন্দু ধর্মের দিকের প্রতি দূর্বলতা আছে এবং যেমন দেবতাদের দক্ষীনমূখি এবং প্রার্থনাকারীরা উত্তরমুখী হয়ে বসেন ।

হিন্দু ধর্মের দূর্বলতা আছে, কদম গাছে-তমাল গাছে , তুলসি গাছে । সেই গাছকে তারা শ্রদ্ধা করে । কদম গাছ-তমাল গাছ ঈশ্বর নয় । অবতার ভগবান কৃষ্ণ কদম গাছের তলায় , তমাল গাছের তলায় বাঁশি বাজাতেন তাই হিন্দু মন্দিরগুলোতে এসব গাছের উপস্হিতি দেখা যায় , এরা গাছকে পূজা করে না , পূজা করে কৃষ্ণকে, গাছ এখানে শ্রদ্ধার একটি প্রতিক । এবং এই তিনটি গাছকেই হিন্দুরা জ্বালানী কাঠ হিসেবে ইউজ করে না , এগুলো ভগবান ধরে নয় , এগুলোকে ভগবানের জন্য শ্রদ্ধা করে , ভক্তিভরে ।

যেমন দেখা যায় , কোন কোন সম্প্রদায়ের লোকেরা , কোন কোন ফলকে অন্য ফলের চেয়ে পবিত্র মনে করে , সেই ফলটি তার কোন মেসেজ্ঞার নয় , সেই ফলটি তার মেসেঞ্জার খেতেন বলে সেটিকে সে পবিত্র হিসেবে ধরে , এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে সেই ফল বাজারে অনেক দেখা যায় , এবং ব্যাপকভাবে খাওয়া হয়


আসলে এসব বিষয়ের সাথে শ্রদ্ধা-প্রতিক ইত্যাদি শব্দ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত ।

২৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩২

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: মি: নজি ............

আপনি বলেছেন: আপনাদের বিশ্বাস মতে গরু হলো ভগবান তাই গরু জবাই অমানবিকতা ও গুরর মাংস খাওয়া হিংস্রতা, নাগাদের বিশ্বাস মতে গায়ে কাটা দাগ নেয়া পবিত্র ও অমানবিকতা নয়, মুসলিমদের বিশ্বাস মতে কোরবানী প্রথা স্রষ্টার বিধান সো এটা অমানবিকতা নয়। এখন বিপরীত ধর্মী এই তিন ধর্ম বিশ্বাসের গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু ?


***** গরুকে পবিত্র পশু মনে করে হিন্দুরা , আবার ছাগল-মহিষকে অসুর শক্তির প্রতিক মনে করে , খেয়াল করেননি ..... গতকল্য শেষ হওয়া দূর্গা পূজায় দূর্গার নিচে একটি মহিষ ছিলো । শাক্তরা মহিষ বলি দেয় ।

আপনার প্রশ্ন গুলোর উত্তর শর্টকার্ট

** গরু ভগবান নয় , একটি পশু ভগবান ও হতে পারে না, অসুর ও না ।

** নাগাদের বলতে নাগাদের নয়, নাগা , ভারতের নাগাল্যান্ডে বাস করা একটি ছোট জাতি , তারা এখন আর কাটা দাগ নেয় না , আগে নিতো , এটি উদাহরনে বলেছিলাম , আসলে পৃথিবীর অনেক বড় বড় জাতিই কাটা দাগ নেয় শরীরে , সেদিকে খেয়াল করুন ।

** আপনার ধর্মের কোনটা স্রষ্টার বিধান, কোনটা নয়, সেদিকে আমার না গেলেই চলবে , কোনটা করবেন, কোনটা নয় , এটা ঐ ধর্মের লোক বুঝবে । এটা নিয়ে আমার কোন বিশ্লেষনাত্নক শব্দ উচ্ছারন একান্তই অপ্রাসংগিক হবে, কোন শব্দই এটার জন্য আমি উচ্ছারন করবো না, আমার কোন মন্তব্য সেদিকে নয় , আমার মন্তব্য অনলি ফর আমার ধর্ম ।

আমি মনে করি আপনার অনেক চিন্তার খোরাক হবে , আমার উত্তরগুলি ।

এত কিছু না বুঝলে সহজে বুঝে রাখুন , হিন্দু ধর্মের সাথে প্রকৃতির (এই প্রকৃতি মানে গাছ-পশু-পাখি) নিবিড় সম্পর্ক, পূজা-অর্চনাগুলিতে ও প্রকৃতি জড়িত ।

কিন্তু সনাতন ঈশ্বর এক, আর বাকি যা দেখতে পান, সেগুলি ঈশ্বরের শক্তি , যদি দেখতে পান কেউ জুতাকে পূজা করছে তাহলে মনে করবেন এই জুতা সেই জুতা নয় , এই জুতা হলো ভগবানের রামের জুতা, যা তার সৎভাই পূজা করেছিলেন ।

প্রতিকি ব্যাপারগুলি প্রত্যেকধর্মেই জড়িত থাকে , যেটা অল্প অল্প লিখেছি ।



২৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৩৫

নজিবুল্লাহ বলেছেন: ভাই আমি আসলেই ৮ বছরের বাচ্চার মতই উৎসুক মন নিয়ে জানতে চাচ্ছি আপনি ঠিকই ধরেছেন। কারণ আমি আপনার ধর্ম সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ। তাই আশা করি আমার প্রশ্নগুলোতে বিরুক্ত না হয়ে আমাকে আপনার ধর্ম সম্পর্কে একটু জ্ঞান দিবেন।

আপনি লিখেছেন :
" অবতার ভগবান কৃষ্ণ কদম গাছের তলায় , তমাল গাছের তলায় বাঁশি বাজাতেন তাই হিন্দু মন্দিরগুলোতে এসব গাছের উপস্হিতি দেখা যায় , এরা গাছকে পূজা করে না , পূজা করে কৃষ্ণকে, গাছ এখানে শ্রদ্ধার একটি প্রতিক ।"

ভগবান আর অবতার কি একই সত্বা ? আমি জানতাম ভগবান বলতে আপনার স্রষ্টাকেই বুঝেন আর অবতার বলতে স্রষ্টা প্রেরিত পুরুষকে বুঝেন, আমরা যাদেরকে নবী রাসূল বলি। আর কৃষ্ণকে ইসলামের অনেক স্কলার্সগণ নবী বলেছেন। এখন আমার প্রশ্ন হলো আপনারা কি সেই প্রেরিত পুরুষকে পুজা করেন নাকি স্রষ্টাকে পুজা করেন। নাকি প্রেরিত পুরুষকে পুজা করা আর স্রষ্টাকে পুজা করা সমান বলে বিশ্বাস করেন ? যেমন আমাদের ধর্মে একমাত্র স্রষ্টাকে পুজা করার কথা বলা হয়েছে আমরা তার শ্রেষ্ঠ প্রেরিত পুরুষ হযরত মুহাম্মদ (স.) কেও কোন পুজা করিনা। গরু বিষয়ক আপনার উত্তরটি ক্লিয়ার হলো না। গরু কি তাহলে ভগবানের কোন প্রতিক বা শক্তি ? গরু কেন এত পবিত্র আপনাদের ধর্মে ?

২৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৩

আহসান২২ বলেছেন: @biplob kanti
apni onner nam sotik ba purapuri lekhen.

৩০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৩

পারভেজ আলম বলেছেন: আমার হাতে এই মুহুর্তে সময় নাই। কিন্তু আমি সবার প্রশ্নেরই উত্তর দেবো। তার আগে নজিবুল্লাহ ও বিপ্লব কান্তিকে বলছি আপনাদের দাড়ি ও টিকি দোলানো ঝগড়া অন্য কোথাও গিয়ে করুন প্লিজ। আপনাদের কোন মন্তব্যে সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পাওয়া গেলে সেগুলা যুক্তি সহকারে আইডেন্টিফাই করে আমি আলাদা আলাদাভাবে রিপোর্ট করবো। ধন্যবাদ।

৩১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫০

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @পারভেজ আলম,

আমরা কোন ঝগড়া করছিনা ভাইজান, যাষ্ট একে অপরের ধর্মকে জানার চেষ্টা করছি।

৩২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৮

ব্লগার রাইয়ান বলেছেন: বিপ্লব কান্তি, এই দুনিয়াতে সম্ভবত হিন্দুরা ছাড়া আর সবাই গরুর গোশত খায়। এটি গোশতের একটি অন্যতম উৎস। এজন্য মুসলমানদের আলাদা করে ঘৃণা করাটা হিন্দুদের মানসিক দৈন্যতা ছাড়া কিছু নয়। সবচেয়ে বড় কথা, তাদের ভারতেও গরুর চামড়ার ওপর ট্যানারি শিল্প টিকে রয়েছে। গো চর্ম দিয়ে বাদ্যযন্ত্র বিশেষ করে পূজার ঢোল বানানোটা শাস্ত্রের নির্দেশ। কিন্তু গরুর গোশত খেলে মুসলমানরা রাক্ষস হয়ে যায়! এটা হিন্দুসমাজের স্বাভাবিক হিপোক্রেসিরই একটি অংশ। কারণ একটু আগেই একজন বলেছে, জনৈক নাস্তিকের সাথে হিন্দুরা মিলেমিশে মুসলমানদের গালি দিলেও যখন পূজার সিজনে তাদের দেবীর কাপড় খুলে নেয়া হয় তখন বাইম মাছের মত তড়পানো শুরু করে।

মুক্তমনার বিপ্লব পালের একটি পোস্টে শারদীয় দুর্গাপূজায় কলকাতার হিন্দুরা যে গরুর গোশত সার্ভ করত তার বিবরণ রয়েছে। আমার নিজেরও এ নিয়ে একটি পোস্ট আছে , তাতে আরো অনেক বেশি তথ্য এড করা হয়েছে।

৩৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২০

ব্লগার রাইয়ান বলেছেন: এই গরুর গোশত সার্ভ করা দিয়েই দুর্গাপূজার জন্ম কিন্তু মুসলমানরা তা খেলেই অমানুষ হয়ে যায়। এত মানবিকতা থাকলে তারা গলায় নরমুন্ড ঝোলানো কালীপূজা করে কি করে? হায়রে হিপোক্রেট!

৩৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২১

তানভীরসজিব বলেছেন: লেখাটা বেশ ব্যালেন্স করে লিখেছেন। আমার মনে হয়না কারো মনে আঘাত লাগার মতো। বিপ্লব ভাই বলেছেন হাতে গোনা কিছু হিন্দু গরুর মাংস খায়, এই হাতে গোনার পরিমানটা দিন দিন বেরেই চলছে এটা হয়তো জানেননা । কারন একটাই ধর্মিয় গোড়ামী থেকে মানুষ আ্স্তে আস্তে বেরিয়ে আসছে, সেটা যদি ইসলাম ধর্মের গোড়ামী হয় সেটাও থাকবেনা, যেমন হিল্লা বিয়ে, ফতোয়া প্রথা কিন্তু সমাজ থেকে উঠে যাচ্ছে, এরকমি গরুর মাংস খাওয়া হিন্দু বাড়বে বই কমবেনা । নজিবুল্লাহ ভাই আপনি বিরাট তর্করত্ন দেখা যায়, আর ধর্ম জিনিসটাই তর্কের না, বিস্বাসের। হিন্দু ধর্মের মানূষজন গরুর মাংসা খায় না কারন গরু কৃষ্ঞের বাহন , তা্ই সম্মান করে খায়না (আমার বন্ধুদের থেকে জানা) যদিও আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এটাকে গোড়ামী ই বলব, অন্যদিকে চিন্তা করতে গেলে দেবী স্বরসতীর বাহন হলো হাস, হাস তো খা্ওয়া হয়, তাহলে তার সন্মান কই ?

সব কথার উর্ধে যার যার ধর্ম তার তার কাছে এটাই আমাদের নবীজি (স) এর কথা । ধন্যবাদ ।

৩৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৩৩

কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: আপনে নাস্তিক হইলেও আপনার এই মনোভাবের জন্য সাধুবাদ জানায়া গেলাম। আপনেরে ভালা পাইনা খুব একটা, মাগার পোস্টের কনটেন্টরে আইজকা ভালা পাইলাম।

৩৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:০৫

বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন: স্ট্যাটাস মেজরিটি কি ? নাকি কিছু লোক ? দেখুন যাচাই করে মহল্লায় একটা বাড়ি --

আর সবাই নরমাল -- যাই হোক ভালা লিখছেন -- আইজ পত্থম প্লাস দিলাম আপনার পোষ্টে !!

বাটা - এপেক্স , বে , ট্যানারি - ল্যাদার ব্যাগ টলি -- ইত্যাদি বাংলাদেশে ২ লাক্ষ মানুষ নিয়োজিত কর্মসংস্থানে -- হিউজ বৈদেশিক মূদ্রে আনছে - প্লাস যে গরু লালন করছে সেও নিজের কর্মসংস্থান গড়ে তুলছে --!


৩৭| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:০৬

শেখ আসিফ বলেছেন: যারা এসব নিয়া এত মাতামাতি করতাছে তাদেরকে জাতিয় গবাধিকার কমিশন এ চাকরি দেয়া উচিত

৩৮| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৭

বিষাদ সময় বলেছেন: প্রাচীন যুগে ঈশ্বরকে খুশি করার জন্য অনেক ধর্মে নরবলী প্রথা চালু ছিল। মানুষ সভ্য হওয়ার সাথে সাথে সে প্রথা সমাজ থেকে উৎখাত হয়ে গেছে।পরে এসেছে পশু বলি অধিকাংশ ধর্মে এটিও এখন একটি বিলীন প্রথা।

গরু জবাই করেন আর থাশি বা ঊট জবাই করেন সব একই কথা। যারা বলেন গরু জবাই করা খারাপ কিন্তু খাশি বা উট জবাই করা অন্যায় নয় তারা ব্রাক্ষ্মণবাদী চেতনায় বিশ্বাসী।

আপনি বলেছেন গরুর মাংস খাবো কিন্তু গরু জবাই করতে পারবো না এটা কেমন কথা।মানুষের প্রয়োজনে অনেক নিষ্ঠুর কাজই করতে হয়, তবে তা প্রকাশ্যে না করায় উত্তম এটা সভ্য সমাজের রীতি। যেমন মানুষ সেক্স করে, তবে সভ্য সামাজে তা প্রকাশ্যে করা হয় না।কোন ব্যক্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হলে সভ্য দেশে তা লোক চক্ষুর অন্তরালেই কার্যকর করা হয়।

অনেক কারণে রাষ্ট্রকে বা সমাজকে অনেক নিষ্ঠুর কাজ করতে হয় তবে সভ্য সমাজের রীতি হচ্ছে তা জন সম্মুখে না করা।


তাই গরুর গোস্ত খাই বলে তা বাড়ির সামনে রাস্তায় ফেলে জবাই করতে হবে এমন কথা কে বলল?

পরিশেষে আপনি বলেছেন গরু জবাই যদি শিশু মনে প্রভাব ফেলতো তবে কাসই এর ছেলেরা সব খুন খারাপি করতো। এ যুক্তিও আপনার খোঁড়া যুক্তি। যে কোন মনোচিকিৎসককে জিজ্ঞেস করে দেখুন, যে কোন নিষ্ঠুরতাই শিশু মনে গভীর প্রভাব ফেলে। আজ কুরবানী দেখে আপনি কত অদ্ভুত যু্ক্তি দিচ্ছেন। অথচ অন্য কোন ধর্মের লোক যদি আপনার বাড়ির কাছে আপনার ছোট্ট শিশুর সামনে কোন পশু বলি দিত বা কোন কসাই যদি এ কাজটি আপনার বাসার সামনে করে তখন দেখবেন আপনি এর বিরুদ্ধে কেমন সোচ্চার হচ্ছেন।

সত্যি সেলুকাস মানুষ বড়ই বিচিত্র।ধন্যবাদ।


৩৯| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১১

জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: শিরোনামে ব্রাহ্মণ্যবাদী না বলে সুশীল বললেও পারতেন।কেননা ব্রাহ্মণ্যবাদী রেসিজমের আড়ালে নিজেদের পাঠাবলিরে জায়েজ করলেও কিছু হিন্দু নানা উছিলায় কোরবানির বিরোধীতা করে।আর মুসলমান ঘরের কিছু সুশীলও একই কাজ করে।এই দুইশ্রেণীকে একসাথে সুশীল বলা যায়।আপনি ব্রাহ্মণ্যবাদী বলতে যা বুঝাইলেন তার মর্মার্থে না গিয়া মানে রেসিজমরে না ধইরা বরং ধর্মীয় আফিম কাজে লাগাইয়া হিন্দুবিদ্বেষী কিছু মুসলমান উৎসাহ পেয়ে যেতে পারে।

৪০| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩২

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পারভেজ আলম বলেছেন: আপনাদের দাড়ি ও টিকি দোলানো ঝগড়া অন্য কোথাও গিয়ে করুন প্লিজ।

=p~ =p~ =p~ =p~ =p~

৪১| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৩

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পারভেজ আলম বলেছেন: আপনাদের দাড়ি ও টিকি দোলানো ঝগড়া অন্য কোথাও গিয়ে করুন প্লিজ।

=p~ =p~ =p~ =p~ =p~

৪২| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৯

পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: মনে একটা প্রশ্ন উদয় হলো, পৃথিবীতে যদি মানুষের চেয়ে শক্তিশালী প্রাণী থাকতো এবং সেই প্রাণী যদি মানুষকে ধরে ধরে হত্যা করতো। আমরা সেই প্রাণীকে কি ভাবতাম??

আসলে দুনিয়ায় শক্তিমানেরাই রাজত্ব করে সব সময়। এ কারনে মানুষ তার ধর্মগ্রন্থগুলোতেও নিজের স্বার্থ ঠিক রেখেছে।
যাইহোক, জীবনধারণের জন্য পশু হত্যার প্রয়োজন। তবে উৎসব করে একদিনে লাখ লাখ পশু হত্যা করাটা কিঞ্ছিত পাশবিকও বটে। একদিন গরিবকে গোমাংস খাইয়ে বরং তাদের লোভ ধরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের জীবনমানের কোনো পরিবর্তন হয় না। সবাই স্বার্থকে ঠিক রেখে ধর্মটাকে ব্যবহার করছে।
সবাইকে গোমাংসের সহিত সারাবুন তাহুরার (বোতল) শুভেচ্ছা

যাইহোক,

মুসলিম বাঙালীদের ভণ্ডামির চিত্র তুলে ধরে গত রমজানে আমি একটি বানী দিয়েছি। পড়ার আহবান জানাই।

Click This Link

৪৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৫০

আমি সাজিদ বলেছেন: অনেক ভাল্লাগসে পড়ে।

৪৪| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:০০

বিপ্লব কান্তি বলেছেন: মত সন্ত্রাসীটির পোষ্টটি ব্যাপক সাম্প্রদায়িক মনোভাব সম্পন্ন, কারন পোষ্টের শুরুতেই ব্রাহ্মণ্যবাদী লিখেছে, ব্রাহ্মন্যবাদীতা হিন্দু ধর্মের উৎস । কিন্তু বাংলাদেশে কোথায় ও কোন হিন্দু কামিং ঈদ-উল-আজহায় কোন পশু কোরবানী কার্যে বিরোধিতা করেছে কিনা সেটি পোষ্টে উল্লেখ নেই । এই নিয়ে কোন পত্রিকায় কোন খবর এসেছে কিনা সেটি ও উল্লেখ নেই , তাই পুরো বিষয়টি ভিত্তিহীন একটি সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ধারায় পড়ে, এবং বিষয়টি আরো সুগভীরে প্রোথিত কারন শব্দ বিশ্লেষনে এটিকে দীর্ঘ চিন্তার ফসলের লেখা বলে ধরে নেওয়া যায় , আর এই চিন্তাটি আসলে দুইটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের লোককে একে অপরের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলায় চিন্তা , তাই সব মিলিয়ে এই পোষ্টটাকে মত সন্ত্রাস এবং পোষ্টদাতাকে মত সন্ত্রাসী বলা যায় ।

বাংলাদেশে ইদানিং কার ঘটনাগুলো বিচার করলে দেখা যায় যে ফেসবুকের একটি ছবি নিয়ে দাঙা , বাংলাদেশের সার্বোভৌমত্বের খুটিটাকে আঘাত করেছে , এবং গত মাসে এই ব্লগেই একটি ছবি নিয়ে ব্লগ পর্যদের বিরুদ্ধে যে গালাগালি হয়েছিলো , তা সভ্য সমাজে বিরল । তাই সর্বান্তকারনে এসব পোষ্টকে ও পোষ্টদাতাকে ব্যান করার অনুরোধ জানাচ্ছি , অনুরোধ আরো জোরালো হয়ে যায় যখন গত মাসের বিষয়টি চিন্তা করা যায় ।


রিপোর্টেড

৪৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৩২

জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: @বিপ্লবকান্তি: ব্রাহ্মন্যবাদীতা হিন্দু ধর্মের উৎস এটা সবক্ষেত্রে ঠিক না।এটাকে বরং রেসিজম বলা যায়।আমি নিজেই দেখেছি অনেক উঁচু জাতের হিন্দু এখনও রেসিজমের দাম্ভিকতার কারণে নিচুজাতের হিন্দুর ঘরে খেতে যায় না এবং তাদের শিশুদেরকেও একইভাবে ট্রেইন করে।তবে আশার কথা ব্রাহ্মন্যবাদীতা আজ বিলুপ্তপ্রায়।যেগুরুগম্ভীর ব্রাহ্মণরা জাতপাতের অহংকারে অন্যজাতকে অবজ্ঞা করত তারা আজ শিক্ষিত হিন্দুদের সাথে পাল্লাদিতে শিক্ষিত হতে,মিশতে,জিন্সের প্যান্ট,মোবাইল ইউজ করতেও পিছপা হয়না যাকে ব্রাহ্মণ্যবাদের আসন্ন পরাজয় বলা যায় যদিও নতুন লেভেলের আড়ালে আবডালে তা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।আপনি কি দূর্যোধনের কিবোর্ডের আড়ালে মোল্লাতন্ত্র পোস্টটা পড়েন নাই?সেখানে এব্যাপারে অনেক আলোচনা হইসে যে কোনটা ধর্মের ব্যাপার আর কোনটা আঁতলামী।

৪৬| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৩৩

নজিবুল্লাহ বলেছেন: =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

৪৭| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪৯

জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: ছাগুবুল্লাহ আবার কি বুইঝা হাসলা?

৪৮| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২৬

কাউন্ট ড্রাকুলা বলেছেন: বিপ্লব কান্তি
@
হাঁস খান তো দাদা। হেব্বি টেস্টি। B-)) তো এই হাঁস তো স্বরসতীর বাহন। আপনাদের শ্রদ্ধার পাখি। তো এই হাঁস খেলে আপনাদের শ্রদ্ধা নষ্ট হয়না?

আপনি একটা কথা বলেন তো, সত্যি করে বলেন। আপনি কি মুসলিম বিদ্বেষী নন? আপনার বিভিন্ন কমেন্ট যেটা অনেক আগেই প্রমান করেছে?

৪৯| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩৪

ব্লগার রাইয়ান বলেছেন: বিপ্লব কান্তি পুরানপাপী। ইসকনের সাম্প্রদায়িক প্রতিনিধি। @ ড্রাকুলা।

৫০| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৫

অ্যানোনিমাস বলেছেন: পোস্টের মূলবক্তব্য যথেষ্ঠ যুক্তিপূর্ন +++++++

৫১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১১

গ্যাম্বিট কিং বলেছেন: উসাদারন পোস্ট, ভাল লাগল খুব ভাল লাগ্ল, নাস্তিকদের দাতভাঙ্গা জবাব হবে এই লেখাটী। ফেসবুকে শেয়ার দিলাম

৫২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:১৫

মেংগো পিপোল বলেছেন: আপনার আজকের লেখাটা ভালো লেগেছে বলব। কিছু বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও লেখাটার মূল বিষয়ে একমত। যা হোক আপনাকে একটা লিংক দিয়ে যাই আমারই লেখা, দেখুন কেমন লাগে। এখানে আপনার হয়তো প্রিয় একজনের উপস্হিত টের পাবেন,
View this link

৫৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:১৫

সুদীপ্ত কর বলেছেন: গুড পোষ্ট। ভালো লাগলো +++

৫৪| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৫২

অনিক আহসান বলেছেন: স্কচের সাথে গরুর মাংশের স্টেক খেতে খেতে গরুবাদি হওয়া শ্রেফ বিটলামি। তবে কোরবানীর ঈদে রাস্তার উপরে পশু কোরবানী দেয়ার অভ্যাসটা বদলানো দরকার। কোরবানীর ৩ দিন জেলা প্রশাসক বা সিটি কর্পোরেশনের পাড়া মহল্লা ভিত্তিক অস্থায়ী স্ল্যাটারিং জোন বসানো উচিত। কারন অভিজ্ঞতা থেকে দেখছি ঐ দিন সনাতন ধর্মপ্রান মানুষ রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে বিব্রত বোধ করেন। স্বাভাবিক কারনেই তাদের ধর্মীয় দৃস্টিকোন থেকে জিনিসটা প্রীতিকর না।


পুনশ্চঃ বিপ্লব কান্তি দা কি ধর্মীয় কারনে আহত হচ্ছেন না গরুবাদি হওয়ার কারনে আহত হচ্ছেন পরিস্কার না ।

৫৫| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:২১

জামিল হাসান বলেছেন: সেকুলার উৎসব ব্যাপারটা পরিষ্কার না

Click This Link

৫৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৫

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @জেনারেশন সুপারস্টার,

বিপ্লব কান্তি ভাইয়ের সর্বশেষ কমেন্ট পড়ে হাসছি। আপনি আামর হাসি দেইখা আবার ডরাইলেন নি দাদা ?

৫৭| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১১

রাসেল মেটামোরফোজ বলেছেন: ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ।

৫৮| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:১১

বিপ্লব কান্তি বলেছেন:

.....

হা হা

৫৯| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:২০

নজিবুল্লাহ বলেছেন: কান্তি দাদা, আমার শেষ প্রশ্নটির উত্তরও দিলেন না, আর আপনার ধর্ম সম্পর্কে আমি কিছু জানতেও পারলাম না। :(

৬০| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১১

হাছন রাধা করিম বলেছেন: সুন্দর এবং যুক্তিপূর্ণ পোষ্ট পারভেজ ভাই। তবে একটা ব্যাপারে দ্বিমত আছে। কোরবানি কিন্তু বিশ্বাস আর তাকওয়ার কারণেই মানুষ দেয়। এখানে কোন সেকুলারিজম নেই। তবে হয়তো ঈদের আনুসঙ্গিক ব্যাপার গুলোয় অনেক সেকুলারিষ্ট ধ্যান ধারনা চলে এসেছে এটা বলা চলে।

৬১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২২

হাছন রাধা করিম বলেছেন: @জেনারেশন সুপারষ্টার: নন্দ দুলালের মাহাত্য নিয়ে পোষ্ট দিয়ে এসেএখানে একজন মুসলমানের নামকে বিকৃত করে লিখার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছেন? ব্রাহ্মণ্যবাদ চেগিয়ে উঠেছে, তাই না? তবে আমি কিন্তু নজরে রাখছি। নিজের ধর্মের অসঙ্গতিগুলো নিয়ে সমালোচনায় লিপ্ত হোন।
আগে একবার দাবড়ানি খেয়েছেন। এখন আবার খামোকা নিজের বেইজ্জতি ডেকে আনবেন না।
পারভেজ ভাই অফটকিক মন্তব্য করার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

৬২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৫২

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @পারভেজ আলম,

ধর্ম একটি সামাজিক বিষয়

ধর্মের পরিচিতি নির্নিত হবে কি ধর্মে অবিশ্বাসীদের দ্বারা নাকি ধর্ম বিশ্বাসীদের দ্বারা ? কে ধর্মের সঙ্গা নির্ধারনের অধিকার রাখেন ? যারা ধর্ম কে মানবরচিত বলে তারা নাকি যারা ধর্মের ইতিহাস জানেন তারা ?

৬৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫৯

নিশ্চুপ শরিফ বলেছেন: অনিক আহসান @ আপনার সাথে একমত।অনেকেই বিব্রত হন আর পরিস্কার রাখারও একটা ব্যপার আছে।

৬৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৬:০৮

ভাম_বেড়াল বলেছেন: নজিবুল্লাহ আর বিপ্লব কান্তি, একজন সাসপেক্টেড রাজারবাগী, আরেকজন সাম্প্রদায়িক হিন্দু - ভালোই কোন্দল লাগছে B-))

@লেখক - গরুর দাম বর্তমানে এক্সট্রিম পর্যায়ে। আমাদের ফ্যামিলি থেকে এবার সত্তর দেওয়া লাগছে গরু নিতে। এই প্রথা বন্ধ হলে অন্তত অার্থিক সাশ্রয় করা সম্ভব। কিন্তু ফ্যামিলির কেউ না কেউ ঠিকই ধর্মরক্ষার জন্য চাপ দিয়ে গরু কেনায়। এর চেয়ে মুরগি, খাসি অনেক ভালো। আর কুরবানি থেকে হিংস্রতা ছড়ানোর যে ফাউল হাইপোথিসিস আছে সেব্যাপারে আপনার ভিউ এর সাথে সহমত।

৬৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৬:৫১

নজিবুল্লাহ বলেছেন: @ভাম_বেড়াল,

হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে বললেই সে রাজারবাগী ? যদিও আমি এ পোষ্ট এ হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে কিছুই বলিনি, যাষ্ট জানার জন্যে কিছু প্রশ্ন করেছিলাম কান্তিদার কাছে কিন্তু আফসুস তিনি আমার উত্তর গুলোও দিলেন না আর আমিও জানতে পারলাম না এ ধর্মটার ভিত্তি কি ? কি করে তার এর কুসংস্কারগুলো বিশ্বাস করতেছে! আমাদের বিশ্বাস এর ভিত্তি যেমন কোরআন-হাদীস, যার সঠিক ইতিহাস রয়েছে, কিন্তু তাদের ধর্মের ইতিহাস কি !

যাই হোক আমার পোষ্টগুলিতে একটু চোখ বুলাইয়া আসেন তাইলেই টের পাবেন আমি রাজারবাগী কিনা, রাজারবাগীদের বিরুদ্ধে আমার পোষ্টের চাইতে হার্ডকোর পোষ্ট মনে হয়না অনলাইনে আর কারো আছে।

৬৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২১

জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন: @হাছন রাধা করিম: কেন ভাই,নজিবুল্লাহ কি এমন মুসলমান হইল যে তার নাম বিকৃত করা যাবে না?আপনার কমেন্টে বোঝাই গেল আপনার টাইপের পাবলিকরা প্রতিনিয়ত অমুসলিম ধর্মগুলা বাতিল করার ধান্ধায় যে পরিমাণে সেই সব ধর্মের নামে কুৎসা রটান তার তুলনায় কারে ছাগুবুল্লাহ বলা হইল সেটা কিছুই না বরং আপনারা এসব করার সময় নিজের জাতভাইয়ের দোষটা চিহ্নিত না কইরা যেভাবে একটা আরেকটারে ব্লোজব দেওয়া স্টার্ট করেন তাতে কিন্তু নিজের অজান্তেই নিজ জাতিরই সম্মানটা নষ্ট করেন আর তার জন্য হাস্যকরভাবে আবারও অমুসলিমদেরই দোষ দেন।আর হ্যাঁ,মনে হচ্ছে আপনি পারভেজআলম ভাইয়েরএইপোস্টে37,38,41 no.কমেন্টটা দেইখাই বারবার মনে করতেসেন আমি অপমানিত হইসি।তাই তো?আর অন্য কোন পোস্টের কমেন্ট বা প্রতিমন্তব্য হলে শুধু শুধু আরেকজনের ব্লগে ঝগড়া করার দরকার নাই,আমার ব্লগে আমারে একবার জানান দিয়া আলোচনায় বসলেই হবে যদি আমার ব্লগে আসতে আপনার ইজ্জত না যায়।আপনারে আগেই পারভেজ আলম ভাইয়ের আরেক পোস্টে ১৫৮ নম্বর কমেন্টে গিয়া ফাইনালি কিছু কথা কইসিলাম যেটার উত্তর না দিয়া আপনি আবারও সেই পুরাণা কথা নিয়া আসছেন।এবার ঠিকমত উপস্হাপণ করতে পারলে করেন নাইলে আপনার সাথে কথা বলে মাথা খারাপ করতে পারবোনা।


আর হ্যাঁ আরেকটা কথা কই আপনারে:
১)এটা হল ব্লগ যা একটা পাবলিক মিডিয়া সুতরাং এখানে আলোচনা সমালোচনা হবেই।কিন্তু আপনি যেভাবে কইলেন একজন মুসলমানের নামটা বিকৃতকরা যাবে না তাইলে আপনি আলাদাকইরা পোস্ট দিয়া ছাগুটাইপের পাবলিকরে কইতে পারবেন যে তোমরা অমুসলিম কোন ধর্মের সমালোচনা বা তাগো ধর্ম তাগো থেইকা বেশী বুঝোনা এই টাইপের পোস্ট,কমেন্ট কইরোনা এইব্লগে?

২)আপনি বারবার তথ্যপ্রমাণ হাজির না কইরা যেভাবে আমার মন্তব্যগুলার ব্যবচ্ছেদ করতে চাইতেসেন তার ফলে কিন্তু উল্টা আমার হিটই বাড়াইতেসেন।তো কি হইল?এই ব্লগের হিন্দুর পোলা এবং আপনার মতানুসারে ইসলামবিদ্বেষীতার অংশ হিসেবে ছুপা নাস্তিক সাজার পায়তারা করা জেনারেশন সুপারস্টাররে দেখার লাইগা পাবলিক আমার ব্লগে ছুইটা যাইবো।আমার হিট বাড়বো।

৩)আর হ্যাঁ লাস্টকথা আপনার নিকটা একটা সন্দেহজনক নিক কেননা আপনি কম সময়ের ভিতরে অনেক কিছুই জানেন দেখা যাচ্ছে।আপনার নিক এবং আইপি ট্রেসের ব্যবস্হা করে যখন ডিভাইসের ঐ পাশের আসল মানুষটাকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে তখন যদি দেখি পুরানা কেউ আপনি সেইদিন কিন্তু ইজ্জত একটুও থাকবেনা।

৬৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪২

সরোজ রিক্ত বলেছেন: শ্রেফ গরু খাওয়ার জন্য এই পোস্ট দিলেন নাকি অন্তর ক্লিয়ার!! বামদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে, সেটা আপনার পোস্ট দেখেই অনুমান করা যায়।

নাস্তিকগুলা পাঠা বলি জায়েয করার জন্য এই ধরণের দু-একটা পোস্ট দিতেই পারে, ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নাই। ছাগল ছাগলই থাকবে চিরকাল।

৬৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৪

সিস্টেম বলেছেন: আজাইরা পোষ্ট পিয়ালম। "ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণীচেতনা"!! বাংলাদেশে?
বর্তমানে? আছে নাকি? তাইলে বাংলাদেশ মুস্লিম কান্ট্রি হইলো কেম্নে কি! চিন্তা করতে করতে কখন যে দুইশ বছর পিছাইয়া গেছেন আর পোষ্ট দিয়া দিছেন!! শদুয়েক বছর আগে পোষ্ট টা দিলে + দিতাম।
বর্ত্মানের জন্য এইটা একটা বাল্পোষ্ট

৬৯| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১২

সিস্টেম বলেছেন: ছঔদি আজবে নাকি এলাকার কোরবানি সব একই স্থানে করা হয়? বাংলাদেশের মত ছড়াইয়া ছিটাইয়া চ্যারাব্যারা না বাঝাইয়া। ঐখানে কি ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণীচেতনা থেকে এইটা করা হয় ?

৭০| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৭

সিস্টেম বলেছেন: ব্রাহ্মণ্যবাদী শ্রেণীচেতনাটা ছৌদিয়ারবের আমিরদের মাঝে ট্র্যান্সফার হইল কেম্নে!

৭১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৪৮

আরিফ রুবেল বলেছেন: কমেন্ট সেকশন তো পুরাই ল্যাদায়া গেছে পারভেজ ভাই =p~

৭২| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:০৮

হাছন রাধা করিম বলেছেন: @জেনারেশন সুপারষ্টার: অনুজপ্রতিম পারভেজ আলম আমার খুবই প্রিয় একজন ব্লগার। তাই তাঁর ব্লগে ঝামেলা বাধানোর কোন ইচ্ছা আমার নেই। আর আপনার ব্লগে গিয়ে হিট বাড়ানোরও কোন ইচ্ছা আমার নেই।
আপনার বয়স কম সেটা মেনে নিলেও ভায়া ভাষার যে শ্রী আপনার, আর রাজদরবারের মতো রাজারবাগী ভন্ড পীরের মুরিদের সংগে বাহাস করে বড়াই করেন তাতেই আপনার জ্ঞানের ম্যাচিউরিটি অনূমেয়।

নজিবুল্লাহ তো ইসকন সদস্য এবং প্রকাশ্য ইসলাম বিদ্বেষী বিপ্লব কান্তির সংগে মতামত আদান প্রদান করছিলেন। মাঝপথ থেকে আপনার গায়ে লাগার কি কারণ হলো বুঝিনি। দ্বিতীয় কথা হলো যে নজিবুল্লাহ'র নামের সংগে আল্লাহ নাম সংযুক্ত আছে। কাজেই খুব খেয়াল করে।

আপনার কথা মতো যেসকল মুসলিম অন্য ধর্মের সমালোচনা করে তারা ছাগু, তাহলে আপনার মতো ইসলাম বিদ্বেষীরা যখন ইসলাম এবং মুসলিমদের সমালোচনা করে তখন তাদেরকে কি বলে ডাকাটা উচিৎ মনে করেন?

ভায়া আপনি নিজেই স্বীকার করছেন এই পারভেজ আলম ভাইয়েরই এক পোষ্টে আপনি দাবড়ানি খেয়েছিলেন তাহলে আমার কথায় আঁতে ঘা লাগলো কেনো? আপনি তো আরো বড়ো দাবড়ানি খেয়েছিলেন যা আমি দেখেছি। তারপর অনেকদিন ব্লগমুখি হননি। আর ব্লগ পড়তে হলে যে সদস্য হওয়া লাগেনা এই বোধটুকু বোধহয় আপনার নেই। এই মন্তব্যটা পড়ার আগে আমার নিকের নামটা ভালো করে বানান করে পড়বেন। আইপি ট্রেস করবেন বলে হুমকি দিলেন। ওয়েল, ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম টো ডু সো। কিন্তু আমি যদি আপনারটা ট্রেস করি এবং সিলেট বিভাগের কোন এলাকায় সেটা ট্রেসড হয় তাহলে?

যেহেতু আমি কোরআনের মৌলিক শিক্ষায় বিশ্বাস করি তাই কোরআনের "লাকুম দ্বিনুকুম ওয়ালইয়াদ্বিন" অর্থাত তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম আর আমার জন্য আমার ধর্ম নির্দেশটা মনে প্রাণে মেনে চলার চেষ্টা করি। কিন্তু কেউ যখন অহেতুক আমার আক্বিদা নিয়ে স্টান্টবাজি করে তখন আমি সেটার প্রতিবাদ করি এবং শক্তভাবেই করি এবং সাধ্যমত প্রতিহত করারও প্রচেষ্টা করি। এরজন্য খুব ভদ্রভাবেই বলেছি যে ইসলাম এবং মুসলিমদের সমালোচনা না করে আপনার নিজের ধর্মের অসঙ্গতিগুলো নিয়ে কথা বলুন। আমরা মুসলমানরা তো প্রতিনিয়ত সেটা করে যাচ্ছি। দেশের কথা বলেন, দেশপ্রেমের কথা বলেন দেখবেন এই আমিই সর্বপ্রথম আপনাকে বাহবা দিচ্ছি।

আজকে ব্নগার মহান পংকজের পোষ্টে যেরকম দাদাগিরি মন্তব্য করেছেন তাতে আমি বলতে পারতাম আপনিও হলেন ব্লগার বীরেন্দ্রের মতো বর্নবাদি ও সাম্প্রদায়িক বংকিমচন্দ্রের সুযোগ্য উত্তরসুরি। কিন্তু বিরত থাকলাম এই কারণে যে আপনার বয়স কম। তবে মনে রাখবেন আমি আপনাকে নজরে রাখছি।

৭৩| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩০

ভাম_বেড়াল বলেছেন: নজিবুল্লাহ - সাসপেক্টেড কথাটা আপনার নজর এড়িয়ে গেলো কেম্নে? আর সাসপেক্ট করার কারণ আছে। রাজদরবারের প্রতি আপনার কিঞ্চিৎ সফট কর্ণার নজর করসি। বাউলদের বিরূদ্ধেও আপনি সোচ্চার। নেহায়েত আপনার লেখার স্টাইল 'উনি' টাইপ না, তাই সাসপেক্টেড কথাটা ব্যবহার করছি।

৭৪| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৪৫

জ্বীন কফিল বলেছেন: নজিবুল্লাহ সম্ভবত সালাফি।

৭৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:৩০

মেহেদী পরাগ বলেছেন: মনের কথাগুলো পেলাম আপনার লেখায়।

৭৬| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:১১

ভাঙ্গাচুরা যন্ত্রপাতি বলেছেন: আমি কোরবানীর পক্ষে। এবং আমি কোরবানীকে মাঠ ময়দান থেকে সরিয়ে উন্নত ব্যাবস্থার কৃত্তিমতার অধীনে নেয়ার বিপক্ষে।

আমরা মানব জাতী। আর দশটা প্রাণীর মত আমরাও এই পৃথিবীতে বেচে থাকার জন্য লড়াই করি। আর বেচে থাকার প্রধান উপাদান খাদ্য। খাদ্য সংগ্রহে হাজার হাজার বছর ধরেই আমাদের পূর্বপুরুষরা শিকার/পশুপালন করে আসছে। এই পঞ্চাশ বছর আগেও সবাই নিজ হাতে পশু জবাই করত। এমনকি বছর দশেক আগে আমি নিজেই মুরগী জবাই করেছি। খাদ্যের জন্য পশু পাখি হত্যা করা আমাদের স্বাভাবিক আচরণের অংশ। এমনিতেই আমরা সভ্য হতে যেয়ে অতিরিক্ত সভ্য হয়ে গেছি। প্রকৃতির উপর আধিপত্য বিস্তার করে জীবনকে সহজ করতে যেয়ে যন্ত্রিক সভ্যতার দাস আমরা এখন। এর মাঝে কোরবানী আমাদের স্বাভাবিক আচরনের/প্রাকৃতিক আচরনের চর্চা করার একটা সুযোগ করে দেয়। ঠিক আদিম সমাজের/আমাদের হাজার বছর ধরে চলা সহজাত প্রবৃত্তির চর্চা করার একটা সুন্দর উপায় কোরবানী। সবাই মিলে পশু হত্যা করে মাংশ ভাগ বাটোয়ারা করা, সেই মাংশ একা নয় বরং সমাজের সবার সাথে শেয়ার করা, আমেজের সাথে রান্না করে খাওয়া, উপভোগ করা, এই ধরনের সহজ স্বাভাবিক এবং আমাদের সহজাত স্বভাবগুলো বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতায় করার সুযোগ কেউ পায় না। অথচ শিকার করা/ পশু হত্যা করা আমাদের রক্তের সাথে মিশে আছে। আমরা মানুষ। আমরা যেমন তৃণভোজী, ঠিক তেমনই আমরা মাংশাসী। আমিষের চাহিদা পুরন করতে যেয়ে পশু হত্যায় নির্মমতা খোজাটা আমাদের প্রকৃতিবিরুদ্ধ। স্বাভাবিক আচরনের উপর কৃত্তিমতা জোরপূর্বক আরোপন করাটা ঠিক নয়। আধুনিক সমাজে সবাই তার খাদ্য নিজ হাতে জমি থেকে তুলতে পারে না। তবে বছরে একটা দিন যদি মানুষ নিজ হাতে জমি থেকে খাবার তুলতে পারে তবে আমি তাতে বাধা না দিয়ে সাধুবাদই জানাব। আমরা মাংশাসী, আমরা পশু হত্যা করবই আমাদের চাহিদা মেটাতে। অনর্থক মানবিকতার আড়ালে একে গোপন করার প্রয়োজন নাই। আমরা আমাদের আদরের পোষা কুকুরটাকে নিশ্চয়ই হত্যা করি না খাবার জন্য। আমরা ভালবাসতেও যেমন জানি হত্যা করতেও তেমন জানি। আমরা মানুষ। দেবতা হবার কোন প্রয়োজন আমাদের নাই।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৫৭

পারভেজ আলম বলেছেন: একমত। মন্তব্য ভালো লাগছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.