| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
Sujon Mahmud
কারো যদি গোপন সাফল্যের চাবিকাঠি থাকে, তাহলে সেটা থাকে তার অন্যের কথার দৃষ্টাকোণ আর নিজের দৃষ্টি কোণ বুঝে নেওয়ার মধ্যে।।
chatGPT অবশ্যই কিছু প্রোগ্রামারদের চাকরি খাবে। শুধু প্রোগ্রামার না বরং আরো অনেক ফিল্ডের চাকরিও খাবে। (এইটা আমার পার্সোনাল ওপিনিয়ন। অন্য কারো কারো ডিফারেন্ট ওপিনিয়ন থাকতেই পারে। আমি তাদের ওপিনিয়নকে অবশ্যই রেসপেক্ট করি। আর আমরা সবাই যেহেতু ধারণা করতেছি। তাই এইগুলা কোনটাই ফিউচারের বাস্তবতার সাথে ১০০% মিল হবে না। সেটা মাথায় রাখতে হবে)।
.
অন্য ফিল্ডের কথা বাদ দিয়ে শুধু প্রোগ্রামিংয়ের কথা যদি বলি। সেক্ষেত্রে কেউ কেউ মনে করতে পারে এখন chatGPT শুধু ছোট ছোট কোড ব্লক করে দিতে পারে। বা ছোট ছোট কোড ব্লকের মধ্যে কিছু ভুল থাকলে সেটা ধরিয়ে দিতে পারে। সে বড় কোড করে দিতে পারে না। বা ভেজাইল্লা কোড করে দিতে পারতেছে না। কিংবা দুই তিন ফাইলের মেশানো কোডে ডিবাগ করতে পারেননা। বা দুই-চারটা জিনিসে ভুল উত্তর দিতেছে। সেটা নিয়ে হাসাহাসি করতেছে। আমার কাছে এইগুলা প্রাথমিক লেভেল হিসেবে ঠিক আছে। কারণ chatGPT এখন শিশু।
.
কিন্তু আজকের শিশু chatGPT আজ থেকে তিন বা পাঁচ বা দশ বছর পরে কিন্তু একই লেভেলের শিশু chatGPT থাকবে না। সে যেভাবে Reinforcement Learning অর্থাৎ হিউম্যান ফিডব্যাক নিয়ে নিয়ে শিখতেছে। এবং দুনিয়ার মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ chatGPT ইউজ করে করে তাকে শেখাচ্ছে। তার নলেজ, স্কিল, বুদ্ধিমত্তা, ইফিসিয়েন্সি নেক্সট ৫ বা ১০ বছরে অকল্পনীয় লেভেলে চলে যাবে। প্লাস এই টাইপের আরো অনেক স্পেশালাইজড টুলস চলে আসবে। তখন হয়তো আর ছোট একটা কোড ব্লকে আটকে থাকতে হবে না। বরং বড় বড় মডিউল বা প্যাকেজও করে দিতে পারবে। ইন্টিগ্রেট করতে পারবে। টেস্টিং এর অনেক কাজ করে দিতে পারবে। CI/CD অটো সেটাপ হয়ে যাবে। ইউনিট টেস্ট অটো লিখে দিবে। আরো অনেক বেশি ইন্টিলিজেন্ট এবং রোভাস্ট হয়ে উঠবে।
.
তবে ভয় পাওয়ার তেমন কারণ নাই। কারণ নেয়ার ফিউচারে AI টুলসগুলা দুনিয়ার ১০০% সব প্রোগ্রামারদেরকে রিপ্লেস করতে পারবে না।
১) AI বেইজড টুলস কে কমান্ড দেয়ার জন্য হলেও প্রোগ্রামিং জানে বুঝে। এবং chatgpt যে উত্তর দিচ্ছে সেটা বুঝে নিবে। সেই লেভেলের প্রোগ্রামিং জানা লোক লাগবে।
২) কাস্টমার নিড বুঝে সেই অনুসারে সফটওয়্যার এর ফিচার, ইনোভেটিভ এঙ্গেল বের করার জন্য হলেও প্রোগ্রামারদের লাগবে। অর্থাৎ কি রিকোয়ার্মেন্টস, কি স্পেসিফিকেশন সেটার ডিসিশন নিতে হলেও প্রোগ্রামিং জানা কিছু হিউম্যানকে ডিসিশন মেইক করতে হবে।
.
৩) আজ থেকে ৫-১০ বছর পরে সফটওয়্যার এর ডিমান্ড, কমপ্লেক্সিটি, সফটওয়্যার এর সংখ্যা এবং কাজের ভলিউমও বাড়বে। অর্থাৎ chatgpt বা এই টাইপের টুলস না আসলেও আরো বেশি প্রোগ্রামার এমনিতেই লাগতো। অর্থাৎ কাজের পরিমাণ, এবং প্রোগ্রামারের দরকার এমনিতেই বাড়বে।
.
৪) তবে সেই ডিমান্ড আবার একটু কমে আসবে। কারণ কিছু স্মার্ট প্রোগ্রামাররা (হিউম্যান প্রোগ্রামাররা) এইসব AI বেইজড টুল ইউজ করে তাদের প্রোডাক্টিভিটি দুই, তিনগুণ বাড়িয়ে নিবে। তাদের লাইন বাই লাইন কোড লেখা লাগবে না। গুগলে সার্চ দিয়ে উত্তর বের করার দরকার কম হবে। ডিবাগ অনেক ইফিসিয়েন্ট হবে। ততদিনে chatGPT আরো বড় বড় কোড ব্লক এর কোড করে দিতে পারবে। প্রোগ্রামার কোড রিভিউ বা ওভারভিউ দিয়ে চেক করে নিবে। ইন্টিগ্রেট করবে। ঠিক মতো না হলে ডিফারেন্ট কোডব্লক দিতে বলবে। আউটপুট এক্সপেক্টশন এর সাথে ঠিক আছে কিনা সেটা চেক করবে। অর্থাৎ যারা ভালো প্রোগ্রামিং জানে এবং AI বেইজড টুলস ইউজ করতে পারে তাদের কোন সমস্যা হবে না। বরং তাদের ডিমান্ড এবং স্যালারি অনেক বেড়ে যাবে।
৫) যারা ইনোভেটিভ চিন্তা করতে পারে। ক্রিয়েটিভ মানুষ। নিত্য নতুন জিনিস নিয়ে আসতে পারে। তাদের ডিমান্ড থাকবে।
------
চার ধরণের প্রোগ্রামার ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বা তাদের ডিমান্ড কমে যাবে বা তারা চাকরি হারাবে।
১. যারা প্রোগ্রামিং জানে কিন্তু AI বেইজড টুলস ইউজ করবে না। কিংবা ট্রাই করে দেখবে না। তাদের প্রোডাক্টিভিটি; যারা AI বেইজড টুলস ইউজ করবে তাদের চাইতে কম হবে। এবং তারা ধরা খাবে।
২. যেসব প্রোগ্রামার প্রোগ্রামিং ভালোভাবে না শিখেই AI বেইজড টুলস ইউজ করতে যাবে। এবং AI ডিফারেন্ট কোন উত্তর দিলে ধরতে পারবে না। বা ইন্টিগ্রেট করতে পারবে না। তাদের প্রোডাক্টিভিটি স্বাভাবিকভাবেই কমবে। এবং তাদের একটা বড় অংশ ধীরে ধীরে চাকরি হারাবে।
.
৩. AI আমাদের চাকরি খেয়ে দিবে বলে যারা বসে থাকবে। শিখবে না। চেষ্টা করবে না।
৪. যাদের লার্নিং গ্রোথ নাই। সেইম রিপিটিটিভ কাজ করবে। তাদের কাজ ইজিলি AI বা AI এর সুপার পাওয়ার ওয়ালা আরেকজন করে ফেলবে।
সো, এইভাবে চিন্তা করলে মিনিমাম ১০-২০% মানুষ যারা লেটেস্ট টেকনোলজি এডাপ্ট করবে না। তারা জব হারাবে।
.
মেইন কথা হচ্ছে-- তুমি মানো আর না মানো। টেকনোলজিক্যাল রিভোলিউশন আসলে সে কারেন্ট সিস্টেমে ইমপ্যাক্ট ফেলবেই। সেটা এভোয়েড করার একমাত্র উপায়-- সেই টেকনোলজি, সেই টেকনোলজি এর সুপার পাওয়ার নিজে আয়ত্ত করা। সেটা ইউজ করে তোমার নিজের এবিলিটি, তোমার প্রোডাক্টিভিটি বাড়িয়ে নিতে পারলে তুমি টিকবে। না হয়, তুমি মারা খাবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮
আমি নই বলেছেন: একট্রাওর্ডিনারী ছারা সব প্রোগ্রামাররাই নাই হয়ে যাবে। প্রো লেভেলের প্রোগ্রামিং এর জন্যে চ্যাটজিপিটি ব্যাবহার হয়না অথবা যারা জিএলএম৫, qwen coder, মিনিম্য্ক্স, কিমি বা ক্লওডকে চেনে না তারাই চ্যাটজিপিটি দিয়ে প্রোগ্রামিংয়ের সল্যুশন খোজে। যেটা হাস্যকর।
বাস্তবতা হচ্ছে ৫-১০ বছর পর নয় এখনি এআই দিয়ে কমপ্লিট মডুলার স্ট্রাকচারে সফ্টওয়ার বানানো হচ্ছে, যেখানে সফ্টওয়ারের ফিচার অনুযায়ি ইচ্ছামত ফাইল বাড়ানো যায়। ১০-১৫ হাজার লাইন কোডের একটা সফ্টওয়ার বানাতে ১০-১৫ মিনিট সময় লাগতেছে (ডিবাগিং করতে অবস্য আরো ২-৩ ঘন্টা লাগতে পারে)। কিন্তু সবচাইতে বড়কথা প্রোগ্রামিংয়ের প জানা থাকা লাগেনা। এআই নিজেই ব্যবহার কারির প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ভাষা সাজেস্ট করে, প্রশ্ন করে করে ফিচার এ্যাড করে দেবে।
আপনি নিজেও কি এই পোষ্টটা চ্যাটজিপিটি দিয়ে লিখে নিয়েছেন?