| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
সুস্থ মানসিকতা এবং সুন্দর মনের মানুষদের বন্ধু হিসেবে পেতে চাই...
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতীব আব্দুল মালেক সাহেব বলেছেন, “পুরা কওমীরাও যদি জামায়াতে যোগ দেয়, তবুও সব গোমরাহ”!
অর্থাৎ, জামায়াতে ইসলামী দলে যারা আছেন, তারা সবাই গোমরাহ।
সম্মানিত খতীব সাহেব এবং সকল কওমী ওলামাদের কাছে আমার প্রশ্নঃ
১। বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং এই জাতীয় যত দল আছে, সেগুলোতে যোগ দিলে বা সেসব দলগুলো সমর্থন দিলে তারা কি গোমরাহ নাকি হকপন্থী?
২। যেসব কওমী ওলামা, তলেবে ঈলম সেক্যুলার দলগুলোকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন, তারা কি গোমরাহ না হকের পথে আছেন?
৩। বাংলাদেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েমের জন্য কওমী ওলামাদের অবদান কি বা পরিকল্পনা কি? নাকি সারা জীবন আমাদের চাটাচাটিই দেখে যেতে হবে?
৪। কওমী ঘরানার ৭টি দলকে (যাদের নাম বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ জানে না!) তথাকথিত অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম (এই অদ্ভূত সংগঠন ইসলামের হেফাজতে আসলে কি করেছে সেটা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন আছে!), ডাকে ঐক্য করিয়ে দেয়ার জন্য (হাইস্যকর)!
প্রশ্ন হল, কওমীদের দল এত ভাগে বিভক্ত কেন? তাহলে এতগুলো দলের মধ্যে হক কোনটি? এত বছর পরেও কেন তাদের তেমন কোন জনসমর্থন নাই? এটা নিয়ে কওমী ওলামাগণ কি গবেষণা করেছেন? বর্তমান সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন যোগ্যতা কি কওমী ওলামাগণের আছে? আমি মনে করি নেই, তাহলে সেই সক্ষমতা অর্জন এবং জনসমর্থন অর্জনে তাদের পরিকল্পনা কি?
২|
০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ইমাম মাহদী আসার আগে নেতৃত্ব দাবী করা সকল দলই অত্যাচারীদের অন্তর্ভুক্ত।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জামায়াত কে হুজুর দেখতে পারেন না । সাধারণ মানুষ ও পারে না ।