| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমেদ রাজীব হায়দার নাকি নাস্তিক।কিভাবে?দেশপ্রেম..অন্যায়ের বিরুদ্ধে রূখে দাড়ানো..এগুলোই কি?নাকি তার বিভিন্ন লেখায় ঈশ্বরকে নিয়ে লেখা কিছু লাইনের জন্য?....তাহলেতো বেশিরভাগ লেখকই নাস্তিক।সত্যিই যদি উনি নাস্তিক হতেন তাহলে তার জানাজায় এতো মানুষের ভীড় হতো কি?এতোগুলো লোকের দোয়া যার কপালে থাকে তাকে কিভাবে নাস্তিক বলা যায় জানি না..তার উপর যে ঈশ্বরের সদয়ভাব প্রকাশিত অন্তত মৃত্যুকালে তা বোঝা যায়...কে বা কারা বা কেন খুন করেছে এখনো প্রমাণিত না...কিন্তু যারাই এই ঘৃণীত কাজ করেছে আসলে তারাই নাস্তিক।
আহমেদ রাজীব হায়দার যদি নাস্তিক হন তাহলে এরকম নস্তিকের খুবই প্রয়োজন এইদেশে।যদি এই আন্দোলনের কারণেই তাকে হত্যা করা হয় তাহলে আমার চোখে তিনি একজন শহীদ।তার আত্মার শান্তি কামনা করি।ঈশ্বর যেন তার পরিবারকে এই দুঃসহ কষ্ট সইবার ক্ষমতা দেন।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৫১
সুন্দরমন বলেছেন: আপনার ৮০ বছরের বৃদ্ধের গল্পটা আমার খুবই ভাল লেগেছে।আসলে মানুষ ভুলে যায় যে পাপপূণ্যের বিচার করার জন্য ঈশ্বর আছেন...অন্যের পাপপূণ্যের হিসাব রাখতে গিয়ে নিজেরা যে পাপী হচ্ছে সেটা খেয়াল করতে চায় না কেউ।সত্যিই আমি কারো মৃত্যু কামনা করি না তবে অপশক্তির বিনাশ হওয়া জরূরী সবার ভালোর জন্য....আর তাই চাই রাজাকারের বিনাশ হোক।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২৫
দুরন্ত সাহসী বলেছেন: হুম ভালো বলেছেন
একটা কথা কেন সবাই ভুলে যাচ্ছে জানিনা, রাজিবকে আমরা একজন মুসলিম হিসেবে চিনিনা,চিনি একজন ব্লগার হিসেবে,আজকে শাহাবাগে আমরা ব্লগাররা আন্দোলন করছি ইসলামের পক্ষে বিপক্ষে নয়,এখানে আন্দোলন হচ্ছে মানবতা বিরুধীদের বিচার দাবিতে,যারা মানবতা লঙ্গন করেছে,যারা একাত্তরে ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষ হত্যা করেছে।আমরা রাজিবের আর কোন পরিচয় নিয়ে কথা বলতে চাইনা,সে একজন ব্লগার,তাকে মরতে হয়েছে শাহাবাগের আন্দলনে ভুমিকা রাখা হয়েছে বলে,সে বহু আগে থেকেই ইসলাম বিদ্ধেষী,তাকে আগে যখন মারা হয়নি তাহলে বুঝবো রাজীব হত্যা শুধু মাত্র শাহাবাগ আন্দোলনের কারণ।
তাই সবাইকে বলো আসুন,রাজীব ধর্ম কি সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়,কারা তার জানাযা পরেছে কি পরেনি,উচিৎ কি অনুচিৎ সেই নিয়ে আমাদের বিতর্কে যাওয়ার কোন দরকার নেই, আমরা আমাদের একজন সহ ব্লগারকে হারিয়েছি এটাই আমাদের শোক শক্তি হোক।
যদি জানাযা নিয়ে কথা বলতে হয় তো বলবো একটা মৃত মানুষকে পচন থেকে বাঁচাতে হলে মাটি চাপা বা সলিল সমাধি অথবা দাহ করা হয়ে থাকে।আমরা যেহেতু মুসলিম আমাদের নিয়ম হলো মাটি চাপা দেয়া ,রাজীব যেহেতু মুসলিম পরিবারের এবং আমরা যেহেতু মাটি চাপা নিয়ে সৎকার করি এবং রাজীবের সৎকার যেহেতু আমাদেরকেই করতে হবে তো আমরা এভাবেই করেছি।আমাদের ধর্মকে রাজীব ভুল বুঝলেও আমরা চাইবো বিধাতা তাকে ক্ষমা করে দিন অথবা বিধাতার ইচ্ছে অনুযায়ী কর্মের ফল দিবেন সেখানে আমাদের মতামত দেয়ার কিছু নেই।
একটা ঘটনা বলি- এক ৮০ বছরের বৃদ্ধ মসজিদে থেকে দান করা খাদ্য খেতে গেলে জৈনক ইমাম সাহেব তাকে প্রশ্ন করলো নামাজ পড়েছে?নামাজ না পড়লে খাবার দেয়া হবেনা,তখন বৃদ্ধের বললো-আমি ৮০ বছর নামাজ পড়িনি,আল্লাহকে স্মরণ করিনি,কিন্তু আল্লাহ আমাকে ৮০ বছর পর্যন্ত প্রতি বেলা খাইয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন,তিনি কখনো আমাকে প্রশ্ন করেনি নামাজ পড়েছি কিনা,আর আপনি ইমাম সাহেব এক বেলা খাওয়াবেন তাতেই এত শর্ত কেন?
এখানে আমার কথা হলো মানুষ ভুল করে,রাজীব ধর্ম চিন্তায় আমাদের মতে ভুল ছিলো।আমরা রাজিবের এই দিকটা নিয়ে বিতর্কে না গিয়ে যেই কারণে এই ঘটনা সৃষ্টি হয়েছে সেই বিষয় নিয়ে কথা বলি,তার সমধান এবং আমাদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করি।
সার কথা রাজীব একজন ব্লগার, তাকে আমরা চিনেছি ব্লগার হিসেবে,মুসলিম হিসেবে নয়।
সবাই দেশের এই সময়ে একটু সচেতন থাকি যেন কোন অপ শক্তি আমাদের মধ্যে জায়গা করে নিতে না পারে ধর্মের দোহাই দিয়ে।
চাই শিবির জামাতের বিলুপ্তি,চাই রাজাকারের ফাঁশি।