নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাধারণ সাস্টিয়ান

সাধারণ সাস্টিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

যৌন নিপীড়নকারী শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাতী শিক্ষকের মমতার জল খসানোর গল্প

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১১:৪৭

যে গরম পড়ছে তাতে মনে হয় মমতার জল নয়, কারো জল-ই খসানো সম্ভব নয়। পুকুর যখন পানিতে টয় টম্বুর থাকে। তখন কিন্তু মাছ ধরা কঠিন হয়ে পরে। আবার জায়গামত জাল ফেলালে বড় মাছ থেকে চুনোপটিও ধরা সম্ভব হয়।



৩২০ একরে কাদের বসবাস জানেন? রাম-যদু-মধূ-আক্কেল-বেআক্কেল-সুবিধাবাদী সব ঘরনার ছাত্র শিক্ষককর্মকর্তা কর্মচারীতে লোকারন্য। এদের কেউ ক্ষনে ক্ষনে রং বদলায়। কেউ রং ঠিক রেখে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করে। এদের আবার রাজনৈতিক পরিচয়ও আছে। কেউ আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ বিএনপি ছাত্র দল, জামায়ত-ছাত্র শিবির. হিযবুত তাহরী, ফুলপুরী মধূপরী অধুনা হেফাজতীও আছে



অনলাইনে লোক প্রশাসন বিভাগের আন্দোলনের উপর একটু আধটু নজর রাখছিলাম। ঘটনার সূত্রপাত দেখে মনে হইছে কর্তৃপক্ষ চাইলেই অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পার্ত।



ঘটনা যখন কর্মচারীকে পাশ কাটিয়ে শিক্ষকের দিকে মোড় নিল। তখন যদু মধুরা সেটাতে রাজনৈতিক রং মেশাতে শুরু করল। প্রথম সারির কয়েকটি জাতীয় দৈনিক বাদে কিছু অনলাইন পত্রিকা ঐ শিক্ষককের নগ্ন গায়ে রাজনৈতিক চাদর পরিয়ে দিল। পরিয়ে দেওয়া বলা ভুল হবে। রক্ষা করল বলা যায়। বিভিন্ন অনলাইনে দেখলাম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত তাই বলে। শুরুতে তা ছিল না। কিভাবে যৌণ নিপডিড়নকারী একজন শিক্ষককে বেতনভাতাসহ শশুর বাড়িতে পাঠায় এই গরমে অর্গাজম ঝরাতে!! আজ সন্ধ্যায় দেখলাম পোক্টর সাহেবকে গেটে নবীন শিক্ষার্থীদের মুরগীভেবে নাড়া চারা করতে। র‌্যাগের রক্ষা কর্তাই র‌্যাগ দিচ্ছে। ব্যপারটা এমন আমি ধর্ষন করলে পাপ নেই । ভুপেন ধর্ষন করলেই যত দোষ। অভিযুক্ত শিক্ষক নি:সন্দেহে খ্রাপ কাজ করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রক্ষক (শিক্ষক) হয়ে ভক্ষকের দায়িত্ব নিয়েছে। এরকম ভক্ষক লোকপ্রশাসনে না অনেক বিভাগে জায়গাইতেই আছে। এই গরমে নাড়া দিলেই বের হয়ে পরবে।



আপনি ধর্ষককে ধর্ষক বলবেন, চুরকে চুর বলবেন ঠিকাছে তাই বলে তার পরিচিত-পরিজনকে ধর্ষক বলবেন চুর বলবেন। তখন ধর্ষন আর চুরির গন্ডি পেরিয়ে সেটা দল কেন্দ্রিক হয়ে যাবে। লোক প্রশাসনের বিভাগের ঘটনায় ঠিক তাই হয়েছে। রাজনীতির মধ্যে পলিটিক্স হান্দায় (সিলেটি ভাষা) দিছে। এই হান্দা হান্দি খেলায় অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে পরাজিত হইছে হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।



এই ক্যাম্পাসে অনেক মিথ-ট্রু ইনসিডেন্ট প্রচলিত আছে। ভর্তির পর সিনিয়রদের মুখে শোনা গল্প। সেটার কথা বলি। অনেক বছর আগের কথা শিবির-ছাত্রদলের যখন ক্যাম্পাসে আধিপত্য ছিল। তখন জাফর স্যারে জিহ্বা কেটে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। দুষ্টজনরা কানাকানি করছে আজ শিবির-ছাত্রদল তোষনকারী জিামায়াত বিএনপি শিক্ষকদের গালে কইষা চর মারার স্লোগান শোনা গেছে। দুইটি ঘটনারই নায়করা ঘটনার সময় পর্দার আড়ালে মিট মিটিয়ে হাসছে। সেদিন অন্যদল হাসছিল আজ আরেক দল হাসছে। এটা প্রতিশোধ বলা যায়। এইসব নোংরামি না থামলে এইভাবেই চলতে থাকবে।



একদল আন্দোলন করবে অন্যদল তাড়াতে। পরে দুই দল মিলে তাড়াবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক ভাইস চ্যন্সেলর কে। এটাই নিয়ম। এইভাবেই পুল খেলতে হয়। এই পুল খেলাচ্ছে কারা ? এই যুদুরা কিন্তু এখন প্রশাসনে নেই। অবস্থা দৃষ্টে তাই মনে হয়েছে। নচেৎ ঘটনা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।



যে মতের বা গোত্রেরই হোক শিক্ষকদের গালাগালি করাতে সুযোগ দেওয়া হল বাঁচিয়ে দেওয়া হল যৌণ নিপীড়নকারী ঐ শিক্ষককে। এই কাজটি যাদের দারাই প্রভাতি হয়ে করা হয়েছে। ভুল হয়েছে। এখন গালাগালি যারা করেছে তাদের ধরতে দেখা যাবে প্রশাসন উল্টা শিক্ষাথৃীদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করছে। ছাত্রছাত্রীদের মনে রাখতে হবে-শিক্ষকরা হচ্ছে রসুনের পুটকির মত। একত্রিত। ব্যপারটা এমন আজ জামাতের শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাড়ালে কাল শিবির-ছাত্রদলের ছেলেদের দিয়ে একই ধরনের অভিযোগ দাঁড় করিয়ে তাদেরও তাড়ানোর ব্যবস্থা করবে। অভিযোগ সত্য না মিথ্যা পরে দেখা যাবে। শিক্ষক সমিতি রসুনের পুটকি মুখে দিয়ে কুলুপ এটে আছে। রা নেই মুখে। এই ধরনের অভিযোগ শাস্ত্রমত খুজ কররৈই পাওয়া যাবে। মোট কথা গু শুধু তাদের পাছায় নয় আমারও পাছায় লেপ্টে আছে। নাড়াচারা করলেই গন্ধ ছড়াবে। তাই বেতনসহ যোৗন নিপীড়ককে শশুর বাড়ি পাঠানোই শ্রেয়।



মনে হচ্ছে মমতার জল খসানো এই গরমে সম্ভব নয়। কারণ মমতার জলের নোনতা স্বাদ সবাই পেতে চায়। এই ঘটনায় অনেকে স্বাদ না পেলেও ঘ্রাণ পেয়েছে। সর্ষে ইলিশের ঘ্রাণ। তাই মমতার জল ঘোলা করাতেই মজা বেশি। ঘোলা জলে নিজেকে আড়াল করে রাখা যায়। বিচি-তাড়িয়ে ছারিয়ে পো বিছি হওয়ার স্বপ্ন দেখা যায়। এই যেমন আমিও এই গরমে জল ঘোলা করে লেখলুম।

ফেইসবুকে শেয়ার লিংক

Click This Link

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১২:২৪

সোহেল সি এস ই বলেছেন: একজন সাস্টিয়ান হিসাবে এই লজ্জা আমারও। সিলেট শহরে টিউশনি করতে গিয়ে এক বোন লাঞ্চিত হলে আমরাই এলাকাবাসীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ি। রাবার বুলেটের শিকার হয় আমার বন্ধুরা। আর আজ আমাদের শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছেই জিম্মি আমার বোনেরা। কার সাথে সংঘর্ষে জড়াবো আমরা?

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৯

সাধারণ সাস্টিয়ান বলেছেন: কিছু কুলাঙ্গারের জন্য এই অবস্থার সৃষ্টি হইছে.।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.