| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?
জাতিসংঘে বিশ্বের সকল দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান হয়ে গেল ।
সেখানে শাসক, স্বৈর-শাসক ও গনতন্ত্রর বক্ততারা এক হয়েছিলেন । কিন্ত কোন ভালো সিদ্বান্ত
নিতে পেরেছে এখনো জানতে পারি নাই । অথচ নরপিশাচ গাঁজার হত্যাকারী জাতিসংঘে ভাষন দিতে পারল !
বাংলাদেশ গনতান্ত্রিক দেশ হিসাবে যোগ দিল ।
নূতন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ থেকে ।
কিন্ত দু:খজনক বিষয় দাড়ালো যে,গনতন্ত্রর দেশে অলিখিত আইনে ২৫ কি.মি. এর বাইরে তিনি
যেতে পারছেন না, এনিয়ে পক্ষ বিপক্ষর নানাহ বিবৃতি মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে ।সত্য কখনো লুকানো যায়না ।
আমি মনে করি যা সত্য তা স্বীকার করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ ।
দলীয় ভক্তরা প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পেয়ে যে আচরন করেছেন তা বিদেশের মাটিতে গ্রহনযোগ্য নয় ।
বিএনপির সমর্থক কর্তৃক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ রোষানলে পড়বেন তা কি কারও কাম্য ?
============================================================
সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহে আপনি কি ভাবছেন ? আমরা কি রকম সম্মানিত হলাম জাতিসংঘে ।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:০১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: International Criminal Court-এর গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও
নেতানিয়াহু ঠিকই জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন।
..................................................................................................
তাহলে সময় বুঝে আর্ন্তজাতিক আইনও চোখ বুঝে থাকে ???
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সাধারণ বিতর্কের (General Debate)
সময় সাধারণত জাতিসংঘের মহাসচিব ডায়াসে উপস্থিত থাকেন না, এটিই জাতিসংঘের প্রচলিত নিয়ম ও প্রটোকল।
................................................................................................................................................
সুতরাং, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণের সময় মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সভাকক্ষে উপস্থিত
না থাকাটা কোনো ব্যতিক্রমী বিষয় নয়।বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য নিচের তথ্যগুলো লক্ষ্য করুন:
১) জাতিসংঘের স্বাভাবিক নিয়ম: সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশন শুরু হওয়ার পর যখন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানরা মঞ্চে এসে বক্তব্য দেন, তখন সেই সেশনগুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন সাধারণ পরিষদের নির্বাচিত সভাপতি (President of the General Assembly) এবং জাতিসংঘের ভাইস-প্রেসিডেন্ট বা সহকারী কর্মকর্তারা। মহাসচিব সাধারণত উদ্বোধনী দিন বা নির্দিষ্ট কিছু বিশেষ মুহূর্ত ছাড়া সারাদিনের দীর্ঘ সাধারণ বিতর্ক সেশনে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকেন না।
২) মহাসচিবের সাথে বৈঠক: ভাষণের সময় প্রটোকল অনুযায়ী ডায়াসে উপস্থিত না থাকলেও, এই সফরকালেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের অত্যন্ত ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।৩) সৌজন্য সাক্ষাৎ: নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর জাতিসংঘ মহাসচিবের দেওয়া একটি বিশেষ প্রাতরাশ সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান অংশ নেন,
যেখানে মহাসচিব তাঁদের সাথে আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এ ধরনের দাবি বা বিভ্রান্তি মূলত জাতিসংঘের প্রটোকল ও অভ্যন্তরীণ কাজের নিয়ম
না জানার কারণে তৈরি হয়ে থাকে বলে অনেকে মনে করে থাকেন ।
২|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৭
কামাল১৮ বলেছেন: আমাদের কি অর্জন আছে যে তা নিয়ে আমরা গর্ভ করবো?
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @কামাল১৮ বলেছেন: আমাদের কি অর্জন আছে যে তা নিয়ে আমরা গর্ভ করবো?
....................................................................................................................
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সফর ও সাধারণ বিতর্কে বাংলায় দেওয়া ভাষণটিকে বাংলাদেশের কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই সফর থেকে বাংলাদেশের প্রধান অর্জন ও সফলতার দাবীগুলো নিচে বর্ননা করা হলো:
১) নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা উপস্থাপন দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বাংলাদেশ যে পুনরায় গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের পথে যাত্রা শুরু করেছে, প্রধানমন্ত্রী তা বিশ্বমঞ্চে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেন। দেশ পুনর্গঠন ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের "থ্রি-আর" (Recovery, Restoration, and Reconstruction) বা ‘পুনরুদ্ধার, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন’ কৌশল বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করা বড় অর্জন।
২) নির্বাচনী অঙ্গীকারের সাথে জাতিসংঘের এসডিজি (SDG) সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন যে, সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির প্রায় ৭৩ শতাংশ কার্যক্রম সরাসরি এবং ২৭ শতাংশ পরোক্ষভাবে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDGs) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করছে, তা বিশ্ব দরবারে প্রশংসিত হয়েছে।
৩) রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে জোরালো দাবি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের একমাত্র সমাধান, এটি প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে পুনর্ব্যক্ত করেন। মিয়ানমারে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো ও বাস্তবমুখী সহযোগিতা চেয়েছেন, যা এই মানবিক সংকটে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
৪) বৈশ্বিক শান্তি ও সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘের 'পিসবিল্ডিং কমিশন'-এর ভাইস-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। সেই সুবাদে চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতসমূহ আলোচনার টেবিল, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ একটি শান্তিকামী ও সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার পক্ষে নিজের বলিষ্ঠ অবস্থান প্রমাণ করেছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষেও বাংলাদেশের স্পষ্ট সমর্থন ব্যক্ত করা হয়।
৫) উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা চার দিনের এই সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মূল অধিবেশনের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সম্পন্ন করেন। তিনি কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন। বিনিয়োগকারী এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন সহযোগীদের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচনের প্রচেষ্টা চালান।
৬) পারিবারিক ও জাতীয় গৌরব এই ভাষণের মাধ্যমে তারেক রহমান তাঁর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের ষ্টেজে দাঁড়িয়ে ভাষণ দেওয়ার এক বিরল ইতিহাস তৈরি করেন। ইতিপূর্বে ১৯৮০ সালে তাঁর পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯৩ সালে তাঁর মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই মঞ্চে বক্তব্য রেখেছিলেন।
এছাড়াও, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের এই ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও মর্যাদা অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।
সামগ্রিকভাবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জলবায়ু ন্যায়বিচার, এবং বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় দেশের অংশীদারিত্বকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে সফলভাবে পুন:উপস্হাপন নিশ্চিত করেছে।
৩|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:০০
মাথা পাগলা বলেছেন: দেশ পুনর্গঠন ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের "থ্রি-আর" (Recovery, Restoration, and Reconstruction) বা ‘পুনরুদ্ধার, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন’ কৌশল বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করা বড় অর্জন।
স্যারও কিন্তু কথায় কথায় "থ্রি জিরো" কনসেপ্টের কথা বলতেন। আমরাও ভাবতাম কতো না বড় ব্যাপার! লীগের আমলের তুলনায় বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা অবনতি কয়েকগুণ বেশি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক না করার চেষ্টা করে সরকারের পক্ষ থেকে উল্টা যুক্তি দেয়া হয়েছে বিপ্লবের পর এরকম হয়, সাথে প্রেশার গ্রুপ নিয়ে বাজে একটা এক্সাম্পল দিয়েছিলো। আশা করি, সামনে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এ ধরনের দাবি বা বিভ্রান্তি মূলত জাতিসংঘের প্রটোকল ও অভ্যন্তরীণ কাজের নিয়ম
না জানার কারণে তৈরি হয়ে থাকে বলে অনেকে মনে করে থাকেন ।
সহমত।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @মাথা পাগলা : স্যারও কিন্তু কথায় কথায় "থ্রি জিরো" কনসেপ্টের কথা বলতেন।
.............................................................................................................
হ্যাঁ ঐ স্যারকে আমি ও হৃদয়ে ধারণ করতাম, কিন্ত ক্ষমতা পেয়ে তিনি যদি
জনগণের আশা আকাঙ্খার কাজ গুলো করতেন তাহলে সত্যিকারের
জন আকাঙ্খা পূরণ হতো এবং সবাই আজীবন মাখায় তুলে রাখত ।
সেই সুযোগ হারায়ে তিনি নিজ স্বার্থের কাজ করেছেন আর এই সরকারকে
বেশ কিছু যন্ত্রণা মাথায় তুলে দিয়েছেন ।যা অনেকের মতো আমাকে ও কষ্ট দিয়েছে ।
এই "থ্রি-আর" (Recovery, Restoration, and Reconstruction) বা ‘পুনরুদ্ধার, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন’
বাস্তবিক অর্থে প্রয়োজন । ইহা "০০০" এর সংস্করণ নয় ।
কিন্ত এই "থ্রি-আর" বাস্তবায়ন করার জন্য দরকারী পদক্ষেপ সমূহ দেখছিনা ।
প্রথমেই দরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, এজন্য চলমান স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের
কার্যক্রম অব্যাহত রাখা উচিৎ ছিল । কেন বা কার পরামর্শে তিনি কমিন্টমেন্ট থেকে সরে
যাচ্ছেন জানিনা , তবে জনসাধারণ এতে হতাশ হতে শুরু করছে ।
৪|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৬
শ্রাবণধারা বলেছেন: জাতিসংঘ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের কথা বলার একটা ফোরাম। কোনো সিদ্ধান্ত তৈরি করার, তেল-চোর/ ডাকাত বা গণহত্যাকারীকে পাকড়াও করার সংস্থা নয়।
এই ফোরামটা আছে বলেই ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর কথা শোনার পরও, ক্ষীণ হলেও, ইরানের ভাষ্যটাও শোনা যায়। আবার প্যালেস্টাইনের ভাষ্য যাতে না শোনা যায়, সেটা নেতানিয়াহু প্রভাব খাটিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @শ্রাবণধারা বলেছেন: জাতিসংঘ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের কথা বলার একটা ফোরাম।
কোনো সিদ্ধান্ত তৈরি করার, তেল-চোর/ ডাকাত বা গণহত্যাকারীকে পাকড়াও করার সংস্থা নয়।
..............................................................................................................................
কিন্ত নিরপেক্ষ থাকতে পারে নাই ।
ট্রাম্প প্রশাসনের কথা যারা শুনে নাই তাদের ভিসা দেয়া হয় নাই ।
ইন্টারপোল কি পারতনা গ্রেফতারী পারওয়না বাস্তবায়ন করতে ?
তাহলে তৃতীয় বিশ্ব কিছু কি শিখল ?
যদি বাংলাদেশ তার কথা মত চুক্তির শর্তমতে কাজ না করত, তাহলে আমি মনে করি
বাংলাদেশও ভিসা পেতনা । ড: খলিলের কেরামতি খাটতনা ।
সুতরাং কথায় আছে: ছাগল নাচে খুঁটির জোরে//- শফিকুল ইসলাম বাদল
ছাগল নাচে খুঁটির জোরে; কুত্তা নাড়ায় লেজ;
বিকেল বেলায় সূর্য হারায় দুপুর বেলার তেজ।
বকধার্মিক মৎস্য ধরে সাধুর লেবাস পরে;
ধর্মকর্ম শিকায় উঠে জালিম লোকের ঘরে।
নেকড়ে বাঘের ইচ্ছে হলেই ভেড়ার পরান যায়;
মূর্খ নেতার বকবকানি শুনলে হাসি পায়।
চামচাগিরি করে লোকে বানায় টাকাকড়ি;
লজ্জা তারা পায় না, সবাই বলে,'মরি, মরি।'
আকামকুকাম করে বেড়ায় অমানুষের দল;
মানুষ মেরে ষন্ডারা সব ফেলে চোখের জল।
নেতার হাতের আঙুল চুষে চামচা বলে,'ভাই,
লুটেপুটে দাও না এনে, চেটেপুটে খাই।'
আমজনতার গাছের আমে কাউয়া ঠোকর মারে;
আদরসোহাগ দিলে বানর বসে এসে ঘাড়ে।
গুরুমারা বিদ্যা শিখে গুরুর চেলার দল;
গুরুর পাছায় মারতে লাথি, সবাই বলে,'চল্।'
তালুক ছাড়াই দাঁড় বেয়ে যায় তালুকদারের পোলা;
ঘোড়ার মুখে লাগাম দিয়ে সামনে ঝুলায় মুলা।
ভুত বসে রয় সরষেদানার পেটের মধ্যখানে;
কলুর বলদ তেল বানাতে কাঠের ঘানি টানে।
৫|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩
মাথা পাগলা বলেছেন: শুধুমাত্র বিভিন্ন দেশের বক্তব্য শোনা যাচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক আইন ও জবাবদিহির প্রশ্নটা এড়ানো যায় না।
কোথাও বলা হয় নাই যে জাতিসংঘ পুলিশ বাহিনী বা কাউকে ধরে আনবে। প্রশ্নটা আসলে অন্য জায়গায় - আন্তর্জাতিক আইন ও জবাবদিহির যে কাঠামো জাতিসংঘের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, সেখানে ক্ষমতাবান রাষ্ট্রগুলার জন্য কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে?
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @আন্তর্জাতিক আইন ও জবাবদিহির যে কাঠামো জাতিসংঘের মাধ্যমে পরিচালিত হয়,
সেখানে ক্ষমতাবান রাষ্ট্রগুলার জন্য কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে?
.........................................................................................................
গাজা যুদ্ধ আন্তর্জাতিক আইন ও ক্ষমতাবান রাষ্ট্রগুলোর ওপর জাতিসংঘের জবাবদিহির কাঠামোর কার্যকারিতা পরীক্ষার
একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। এই সংকটে জাতিসংঘের ভূমিকা, নৈতিক সাফল্য এবং কাঠামোগত ব্যর্থতার একটি মিশ্র চিত্র তুলে ধরে:
১) নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) অচল অবস্থা ও ভেটোর ব্যবহার গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘের সবচেয়ে শক্তিশালী অঙ্গ, নিরাপত্তা পরিষদ, একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো: ইসরায়েলের প্রধান মিত্র হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র বারবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে অথবা ভোটদান থেকে বিরত থাকে। যদিও পরবর্তীতে সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তার প্রস্তাব পাস হয়, কিন্তু মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়নে পরাশক্তিগুলোর রাজনৈতিক ইচ্ছার অভাব স্পষ্ট দেখা গেছে।
২)আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) ভূমিকা দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদনের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় "গণহত্যা" প্রতিরোধে এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক ও আইনিভাবে বাধ্যতামূলক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ (Provisional Measures) জারি করে।
সীমাবদ্ধতা: ইসরায়েল এই আদেশগুলো পুরোপুরি মেনে চলেনি। যেহেতু ICJ-এর নিজের কোনো পুলিশ বা সেনাবাহিনী নেই, তাই এই রায় বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিরাপত্তা পরিষদের ওপর বর্তায়, যা মার্কিন রাজনৈতিক সুরক্ষার কারণে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
৩)আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) গ্রেফতারি পরোয়ানা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) প্রধান কৌঁসুলি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং হামাসের শীর্ষ সামরিক কমান্ডারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest Warrant) জারি করেন।
সীমাবদ্ধতা: ইসরায়েল বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেউই ICC-এর সদস্য (রোম স্ট্যাটিউট) নয়। তদুপরি, ICC-এর এই পদক্ষেপের কারণে মার্কিন প্রশাসন আদালতের কর্মকর্তাদের ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের প্রস্তুতি নেয়। ফলে, আইনি পরোয়ানা থাকলেও ক্ষমতাবানদের রাজনৈতিক প্রতিরক্ষার কারণে বাস্তবে তাদের গ্রেফতার করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
৪) সাধারণ পরিষদ (UNGA) এবং বৈশ্বিক জনমত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বিপুল ভোটে গাজায় নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস করে। বৈশ্বিক এই ফোরামে বিশ্বের অধিকাংশ দেশই ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবগুলো আইনিভাবে বাধ্যতামূলক না হওয়ায় তা কেবল নৈতিক চাপ সৃষ্টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
৫) মানবিক সহায়তা ও জাতিসংঘের কর্মীদের ওপর আঘাত জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNRWA) গাজায় খাদ্য, চিকিৎসা ও আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করছে। তবে এই সংকটে জাতিসংঘের নিজস্ব নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতাও নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইসরায়েলের হামলায় জাতিসংঘের শত শত কর্মী নিহত হয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন হওয়া সত্ত্বেও এর কোনো তাৎক্ষণিক বিচার করা সম্ভব হয়নি।
সারসংক্ষেপ: গাজা সংকটে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রমাণ করে যে,
সংস্থাটি অপরাধের নথিবদ্ধকরণ, বিশ্ব জনমত গঠন এবং আইনি দিক থেকে অপরাধ চিহ্নিত করতে সফল হলেও, ক্ষমতাবান রাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রদের ওপর সেই আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে বর্তমান কাঠামোটি প্রায় সম্পূর্ণ পঙ্গু।
গাঁজা সংকট বা আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে আপনার কি আরও কোনো প্রশ্ন রয়েছে?
তাহলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘর কার্যক্রমকে কতটা সম্মানিত করতে পারবেন ?
৬|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩
নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেখানে শুধু শুধু গিয়ে অপমানিত হয়েছেন। তিনিই ভালো জানেন তাকে কেনো ২৫ কিঃমিঃ এর বাহিরে বের হতে দেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন।
উনার বক্তব্যের সময় ছিল আমেরিকান সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটায় আর বাংলাদেশ সময় রাত তিনটা। যে সময় অধিকাংশ লোকজন তাদের বক্তব্য পেশ করে হল ত্যাগ করে চলে যায়। ডঃ খলিল ইচ্ছে করেই তাকে এমন স্লটে সময় দিয়েছেন যাতে এসব বকবক কেউ না শুনে।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @নূর আলম হিরণ :তিনিই ভালো জানেন তাকে কেনো ২৫ কিঃমিঃ এর বাহিরে বের হতে দেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন।
..........................................................................................................................................
উনার প্রেস সচিব বলছেন ডাহা মিথ্যা কথা ।
ফলে মিডিয়ার অনেক লোক যাহারা প্রত্যক্ষদর্শী তাহারা ঐ
প্রেস সচিবকে গালিগালাজ করছে আর বিএনপির ভক্তরা
প্রধানমন্ত্রীর দেখা না পেয়ে হোটেলের সামনে জড়ো হয়ে
প্রতিমন্ত্রীকে অপমান করার চেষ্টা নিয়েছে ।
৭|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখার কি উদ্দেশ্য বুঝলাম না । নেতানিয়াহু কিংবা ইরানের প্রেসিডেন্ট গেলে সমস্যা নাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গেলে কি সমস্যা ? কাজের সমালোচনা করেন । প্রথমবার দায়িত্ব নিয়েছেন ভুল ভ্রান্তি স্বাভাবিক।
৮|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭
খায়রুল আহসান বলেছেন: শিরোনামে যতটুকু জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, জানার ইচ্ছেটুকু হয়তো তার চেয়েও অনেক গভীরে যাবে।
ছোট পোস্ট, তবে সময়োচিত হওয়াতে সেটা আরও বেশি পাঠকের নজর পাবার কথা। হয়তো পাবেও। এখনও সময় আছে।
পোস্ট যেমন ভালো লেগেছে, মন্তব্য/প্রতিমন্তব্যগুলোও তেমনি।
৯|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখার কি উদ্দেশ্য বুঝলাম না ।
...................................................................................................
আপনি সমস্ত লেখা কি পড়েছেন ?
আমার উত্তর গুলো দেখেছেন ?
আমি শুধু পরিস্হিতির বর্ননা দিয়েছি ,জাতিসংঘর ভূমিকা নিয়ে বলেছি ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪৭
মাথা পাগলা বলেছেন: অনেকে বলছে ইউনূসের ইশারায় তারেক রহমানের ভাষণের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব উপস্থিত থাকেননি।
জাতিসংঘে ট্রাম্প বলেছেন, আমরা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেণ্টকে কিডন্যাপ করেছি, তাই তাদের তেল এখন আমরা কন্ট্রোল করছি। বিশ্বের ৬০% তেল এখন আম্রিকা কন্ট্রোল করছে। তারপর তিনি ইরানকে হুমকি দিয়ে বলেন ইরানের অবস্থাও সেম হবে, ইরান সন্ত্রাসবাদী দেশ। পরে ইরানের প্রেসিডেন্ট মৃত শিশুদের ছবি দেখিয়ে বলেছেন, ইরান সন্ত্রাসী নয়, বরং সন্ত্রাসবাদের শিকার। ইরান কারো কাছে মাথা নত করবে না। আমেরিকার কথা না শোনায় সুদান এবং ফিলিস্তিনী প্রেসিডেণ্টদের ভিসা দেয়া হয়নি। International Criminal Court-এর গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও নেতানিয়াহু ঠিকই জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন।
আম্রিকা ইরান যুদ্ধে ৫০ বিলিয়নের মতো খরচ হয়েছে। যুদ্ধে আম্রিকার লাভের বদলে ক্ষতি হয়েছে। এখন মুসলিম দেশগুলাতেই বোয়িং বিক্রি করে ক্ষতি পূরণ করার চেষ্টা করছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করার জন্য আমরাও ২৫ কিনছি। দুই তিন মাস বাদে সংখ্যাটা বাড়লে অবাক হবো না। কৈফিয়ত চাওয়ার মতো কেউ নেই।