| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভালবাসা কি ?
ভালবাসা এমন একটি জিনিস যা একবার কারও মাঝে আসলে সে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে আবার অনেকেই স্রোতের মুখে গা ভাসিয়ে দেয়।
ভালবাসার ধরনঃ
ভালবাসার অনেক ধরন আছে আর তা বলতে গেলে অনেক সময় লেগে যাবে তবে আমরা যখন কাউকে ভালবাসি তখন না পাওয়ার পর বলে থাকি সে আমায় বুঝল না। আসলে ব্যপারটা সে রকম না কেননা সে হয়ত এমন কাউকে ভালবাসে যার জন্য এই ছোট ছোট ভালবাসা গুলোকে কিছুই মনে হয়না। আবার আমি এমন অনেক কলেজের মেয়েকে দেখেছি ইউনিভার্সিটির একজন ছাগল হলে সে আর কিছুই ভাবেনা। আবার এটাও বলে থাকি, ‘আজ তার বিয়ে হয়ে গেল , একদিন সে আমায় ঠিকই বুঝতে পারবে” কিন্তু এমনটা কখনই হয়ে উঠেনা আবার অনেক ছেলে নিঃসঙ্গ হয়ে যায় কিন্তু বিয়ের পর সব ঠিক হয়ে যায়। আসলে মানুষ স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করে আর বড় হতে চায়। সেই মেয়েটি গর্ববোধ করে তার স্বামীর/প্রেমিকের স্যালারী অন্যান্যদের চেয়ে বেশি। বাস্তবিক অর্থে আমরা এক মরীচিকার পিছনে ছুটে চলেছি তবে নারী পুরুষের অধিকার যেমন সমান তেমনি ভাবে আমাদের সকলের চাওয়া পাওয়াও সমান হওয়া দরকার তা নাহলে প্রতিটি মানুষ মরুভূমির বালির উপর ছুটে চলবে অনন্ত কাল ফলশ্রুতিতে পানির দেখা আর পাবেনা।
প্রাপ্যতাঃ
এই পৃথিবীতে অনেক মানুষই আছেন যারা ভালবাসা পায়না তবে দিন দিন মানুষ ভালবাসা হারিয়ে ফেলছে আর তা পরিনত হয়েছে সম্মান। তার অর্থ হল একে অপরের প্রতি সম্মান কিন্তু এই সম্মানের মাধ্যমটা আজ পরিবর্তন হতে চলেছে। ছোট একটা উদাহরণ দেয়া যাক। সমাজে অনেক মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ আছে যারা প্রায়শই ফেসবুকে বা অন্যান্য গণমাধ্যম গুলোতে উচ্চশ্রেণীর চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করেন । এখন কোন নিম্নশ্রেণীর মেয়ে যদি ভালো কোন অবস্থানে উত্তীর্ণ হয় তখন সে তার অতীত ভুলে যায় আর নিম্নশ্রেণীর মানুষের প্রতি কোন ভালোবাসা থাকেনা এমনকি বিয়ের ক্ষেত্রেও প্রাধান্য দেয় উচ্চশ্রেণীর নষ্ট মানুষদের। ছেলেদের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন আর তা হল তারা ডিসি, ম্যাজিস্ট্রেটের মেয়েদের প্রতি টার্গেট রাখে। বিবাহ বন্ধনের মত একটা অবস্থানে যদি কেউ এ রকম অসঙ্গতি রাখে তাহলে উচ্চশ্রেণীর মন জুগাতে নিম্নশ্রেণীর প্রতি একটা দূরত্ব তৈরি হওয়া টাই স্বাভাবিক। যার কারনে অনেকে বলে থাকেন শোষিত শ্রেনীরা আরও শোষিত হচ্ছে আর উচ্চবিত্তরা আর বিত্তশালী।
©somewhere in net ltd.