| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একরামুল হক শামীম
http://www.facebook.com/samimblog আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চাই আজীবন।
(এখনো পর্যন্ত এ খবরটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নি, কিংবা কোন মিডিয়াতে খবরটি আসেনি। তারমানে প্রথম এই খবরটি সামহোয়ারইনব্লগে প্রকাশিত। ঠিক এই লেখাটির প্রকাশসত্ব সংরক্ষিত এবং অনুমোদন সাপেক্ষ)
অনেকেই এখনো জানেন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শিখর কেওকারাদং (বানানটা কেওকারাডং নয়)। আবার অনেকেই বলে থাকেন তাজিংদং (বানানটা তাজিংডং নয়) হচ্ছে সর্বোচ্চ পর্বত শিখর। জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) দিয়ে মেপে দেখা গেছে কেওকারাদং এর উচ্চতা ৩১৯৪ ফিট। আর তাজিংদং এর উচ্চতা ৩১৮৪ ফিট। অথচ জিপিএস এর রিডিং এর মিসটেক ১৫ ফিট পর্যন্ত হয়ে থাকে। সুতরাং খুব জোর দিয়ে বলা যাবে না কোনটি সর্বোচ্চ পর্বতশিখর; কেওকারাদং নাকি তাজিংদং?
অবশ্য সরকারী হিসেবে কেওকারাদং এর উচ্চতা ৩১৭২ ফিট।
জিং ফালেন পৃথিবীর সেরা পর্বতারোহীদের একজন। এই ব্রিটিশ ভদ্রলোক পৃথিবীর উচু উচু পর্বতশৃঙ্গ আরোহন করেছেন। তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশে নতুন একটি পর্বত শৃঙ্গে আরোহন করেন। পরে তিনি তার গাইডকে বলে যান যে এই নতুন পর্বতশৃঙ্গই হিসাব মতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হবে। জিং ফালেনের গাইডের নাম রামমং মাস্টার। তিনি তাজিংদং এর পাশেই একটি গ্রামের অধিবাসী। তিনি পরবর্তীতে বিভিন্ন মানুষের কাছে বলে বেড়ান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংদং নয়, অন্য একটি। এই কথাটি মুখে মুখে প্রচারিত হতে হতে জানতে পারেন কিছু পর্বতআরোহী। এদের মধ্যে বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব, এক্সটিমিস্ট এবং বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট এক্সপ্লানডেশন ফোরামের পর্বতআরোহীরা রয়েছে। তারা বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী হয়ে পড়ে।
তারা গুগলআর্থে বিষয়টি নিয়ে সার্চ দিয়ে দেখেন আসলেই জিং ফালেনের আরোহন করা পর্বতটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। তখন তারা এ পর্বতে আরোহনের ব্যাপারে অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে পড়ে। ঢাকা থেকে ৭ জনের একটি পর্বাতারোহী দল রওনা দেয় ১৯ ডিসেম্বর। এরমধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী পর্বতারোহী। বাংলাদেশের খ্যাতনামা ট্রেকার ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে তারা এ পর্বত আরোহন অভিযানে যান। এ দলে আরো ছিলেন পর্বতারোহী সজল খালেদ। দলটি ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শেষ থানা বলে প্রচলিত থানচি তে পৌছায়। পরবর্তীতে তারা প্রয়োজনীয় কার্য্যক্রম গ্রহণ করে পর্বত আরোহনের দিকে এগিয়ে যায়। দুর্গমপূর্ণ পর্বত আরোহনের পর দলটি ২৫ ডিসেম্বর সাফল্য পায়। ২৫ ডিসেম্বর সকাল ৯টা ৪৮ মিনিটে প্রথম দলের নেতা ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশের নতুন সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গে আরোহন করেন। পরবর্তীতে আরোহন করেন সজল খালেদ। পরে অন্যান্য সদস্যরা আরোহন করে।
দলটি বিভিন্ন দিক থেকে জিপিএস দিয়ে পর্বতশৃঙ্গটির উচ্চতা মেপে দেখেছেন। তারা নির্ণয় করেছেন এই পর্বত শৃঙ্গটির উচ্চতা ৩৪৬১ ফিট। তার মানে এই পর্বতটি কেওকারাদং থেকে প্রায় ৩০০ ফিট বেশি উচু। দলটির সদস্যরা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ আরোহণ শেষে ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন।
এরইমধ্যে বাংলাদেশের নতুন এই সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটির নাম দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি নাম প্রস্তাবের পর নাম ঠিক করা হয় “ত্লাংময় স্বপ্নচূড়া” (বানানটা ত সংযুক্ত ল আকার হবে)। ত্লাংময় (বানানটা ত সংযুক্ত ল আকার হবে) একটি বম শব্দ। বম চাকমাদের মতোই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠি। শব্দটির মানে সুন্দর পাহাড়।
পর্বাতারোহী দলটির অভিযান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গে প্রথমবারের মেতা বাংলাদেশিদের আরোহণ নিশ্চিত করলো।
পর্বাতারোহী দলটিকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৬
একরামুল হক শামীম বলেছেন: পুরোপুরি আপডেট দয়ো হলো। ধন্যবাদ।
২|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: সর্বশেষ ব্লগ দেখেছেন-
ঝড়ো হাওয়া
শিবলী
মিসকল মফিজ
নাদান
`হাসান
চিরতা
আবদুর রাজ্জাক শিপন
মনের কথা
এরমধ্যে কার কাছে পোস্টটি ভালো লাগেনি। বুঝলাম না ভালো খবর কার কাছে ভালো লাগলো না। এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতেও ইচ্ছে হচ্ছে না। শুধু বলবো ব্যক্তিগত বিরোধ থাকলে সেটা পুরো দেশের ভালো খবরের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
৩|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৯
শিবলী বলেছেন: আমি + দিয়েছিলাম, একটা মন্তব্য দিলাম, বিট লেখা আসলো নট লগড ইন!!!
যা হোক-
ছবি থাকলে এড করে দিয়েন।
এরকম কত অজানা জিনিষ রয়েছে দেশে ......
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আমার কাছে এখন কোন ছবি নেই।
এই লেখাটির মাধ্যমেই খবরটি প্রথম প্রকাশিত হলো।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
৪|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৫
শীমুলতা বলেছেন: ভাল্লাগছে+
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ।
৫|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪০
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ।
৬|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪২
সুখী মানুষ বলেছেন: কাজের পুষ্ট শামীম ভাই...
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ অরুন ভাই।
৭|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০২
মদনবাবু বলেছেন: এখনো পর্যন্ত এ খবরটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নি, কিংবা কোন মিডিয়াতে খবরটি আসেনি।
এ মাসের কোনও এক দিনের প্রথম আলো বা ছুটির দিনে এই বিশয়ক বিস্তারিত এসেচে । ছুটির দিনের কপিগুলো পড়েন ।
স্বত্ব পরে লাগান ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এ মাসের ছুটির দিনে তে কিভাবে আসলো? তারাতো ফিরেই এসেছে ২৮ ডিসেম্বর। সামনে ছুটির দিনে তে আসবে ।
৮|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৩
মদনবাবু বলেছেন: পর্বাতারোহী দলটির একজনই ঐ প্রবন্ধটি লিখেছিলো । মনে পরেছে ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬
একরামুল হক শামীম বলেছেন: তারিখটা বলবেন কি?
৯|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪২
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই খবরটা শেয়ার করার জন্য। একটু অফটপিক..... বাংলাদেশের পর্বতারোহীদের কি কোন ক্লাব বা এরকম কিছু আছে? মানে কেউ এইসব ব্যাপারে আগ্রহী হলে কাদেস সাথে যোগাযোগ করা উচিত? যদি জানেন তাহলে শেয়ার করলে খুশি হব। থ্যাংকস।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আছে। বেশ কয়েকটি ক্লাব আছে। আমিইতো এখানে তিনটির নাম উল্লেখ করেছি। নামগুলো খুজে বের করুন। ধন্যবাদ।
১০|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৭
মদনবাবু বলেছেন: লেখক বলেছেন: তারিখটা বলবেন কি?।
অবশ্যই চেশ্টা করবো । প্রবন্ধটা আমি পড়েছি । পেপারগুলোও আছে জমানো । ধন্যবাদ ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ। একটু তাড়াতাড়ি জানানোর চেষ্টা করেন প্লিজ।
১১|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫১
মদনবাবু বলেছেন: লেখক কি কষ্ট করে প্রথম আলোর সাংবাদিক ব্লগার শওকত হোসেন মাসুম সাহেব কে ব্যপারটা জানাাবেন ? ভালো হয় ।
১২|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৪
মদনবাবু বলেছেন: @ মাহমুদউল্লাহ ।বাংলাদেশে ট্রেকারস্ ক্লাব আাছে । এই পোস্টের ফলোআপে তথ্য দিতে চেষ্টা করবো ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: খুজে পাইছেন তারিখ?
১৩|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৬
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: সরি শামীম ভাই, নামগুলা মিস করেছিলাম।
@ মদনবাবু, ধন্যবাদ। আপনিও কোন ইনফরমেশন দিলে খুশি হব। এইদিকে আমার একটু আগ্রহ আছে। সামনে দেশে ফিরে সুযোগ পেলে একটু ঘোরাঘুরির ইচছা আছে।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২১
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আপনি কি কোন ক্লাবে জয়েন করতে চান? তাহলে আপনি আপনার মেইল অ্যাড্রেসটা দিন। আমি পরে ঠিকানা মেইল করে দিবো।
১৪|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৫
মদনবাবু বলেছেন: নারে ভাই । ছয় মাসের পেপার একসাথে । একটু টাইম দেন । মাসুম ভাইরে মনে করে খোচা দিবেন একটা । ধন্যবাদ ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: তারা এ পর্বতে আরোহনের ব্যাপারে অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে পড়ে। ঢাকা থেকে ৭ জনের একটি পর্বাতারোহী দল রওনা দেয় ১৯ ডিসেম্বর। এরমধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী পর্বতারোহী। বাংলাদেশের খ্যাতনামা ট্রেকার ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে তারা এ পর্বত আরোহন অভিযানে যান। এ দলে আরো ছিলেন পর্বতারোহী সজল খালেদ। দলটি ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের শেষ থানা বলে প্রচলিত থানচি তে পৌছায়। পরবর্তীতে তারা প্রয়োজনীয় কার্য্যক্রম গ্রহণ করে পর্বত আরোহনের দিকে এগিয়ে যায়। দুর্গমপূর্ণ পর্বত আরোহনের পর দলটি ২৫ ডিসেম্বর সাফল্য পায়। ২৫ ডিসেম্বর সকাল ৯টা ৪৮ মিনিটে প্রথম দলের নেতা ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশের নতুন সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গে আরোহন করেন। পরবর্তীতে আরোহন করেন সজল খালেদ। পরে অন্যান্য সদস্যরা আরোহন করে।
>>> আপনি দয়া করে লেখার এ লাইনগুলো পড়ুন। দলটি যে পাহাড়ের সর্বোচ্চ চুড়ায় উঠেছে তা হয়েছে ২৫ ডিসেম্বর। ২৫ তারিখের পর শনিবার হচ্ছে ২৯ তারিখ। কিন্তু ২৯ তারিখের ছুটির দিনেতে কি এ বিষয়ক কোন লেখা ছাপা হয়েছে?
১৫|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
সৌম্য বলেছেন: কেওকারাডং আর তাজিন ডং এর এত অদ্ভুত বানান কেন? দং শব্দটা কি সজল ভাইএর কাছে শুনেছেন? ডং মানে পাহাড়। আর ক্ল্যান বা ত্লাং (ত ল যুক্ত বর্ণ) মানে চুড়া। পাহড়িদের উচ্চারনের জন্যে ক্লিয়ার না ত নাকি ক।
সজল ভাইরা ঈদের পর পর রওনা হয়েছিলেন। তারা থানছি দিয়ে ঢুকেছিলেন। একই সময়ে ন্যাচার ক্লাবও রওনা দেয়। ওরা রুমা দিয়া ঢুকছিলো। আর্মিদের পার্মিশান না পেয়ে মুংলাই পাড়ায় রাত কাটিয়ে কেওকারাডং দিয়ে অনুমতি ছাড়াই ঢুকে পড়ে। পরে তল্যাং ময় এর চুড়ার কাছে একটা গ্রামে রাত কাটায়। ওটা ত্রিপুরাদের গ্রাম। আর যতোটা জানি সজল ভাইদের হেল্প করেছিলেন রামমং মাস্টার (ইনি জীন ফুলেনকেও হেল্প করেছিলেন)। ওরা ম্রো। ওদের ভাষা থেকেই পাহাড়টার নাম তল্যাং ময়। কে আগে উঠেছে বিএমটিসি নাকি ন্যাচার এটা নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। বিএমটিসির সদস্যদের নামতো আপনি দিছেনই। আর নেচার ক্লাবের টিমটায় ছিল সাজ্জাদ, হান, শহীদুল্লাহ ভাই, এবং আলম ভাই (জিপিএস আলম নামে সবাই চিনে)। সম্ভবত দুই দলকেই একই সময়ে দাওয়াতে ডেকেছিলেন গ্রামের কারবারী।
ন্যাচার ক্লাবকে গাইড করেছিল ত্রিপুরারা। ওদের ভাষায় পুবের পাহাড় মানে সাকা হাফং। এবং গুগল আর্থ কিংবা সবখানেই সাকা হাফং নামেই পাহাড়টা পরিচিত।
জীন ফুলেন ব্রিটিশ এক্সপ্লোরার। বিখ্যাত লোক। ১৯৪টা স্বাধীন রাষ্ট্রের ১৪৯টার সর্বোচ্চ চুড়ায় উঠে গিনেজ রেকর্ড করেছে। মেসেঞ্জারে ওনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম সাকা হাফং এর ব্যাপারে। সে মনে করতে পারে না। সাকা হাফং নাকি ক্ল্যান ময় কোন নামটা ব্যাবহার করেছে,
আর নেচার ক্লাব খুব উচু মানের জিপিএস (জার্মেইনের মডেল নাম্বার মনে নেই) ব্যাবহার করেছিল। আলম ভাই এডভেঞ্চার কমিউনিটি জিপিএস ফ্রিক হিসাবে পরিচিত। উনি অনেক গুলো রিডিং নিয়ে ৩৪৮৮ফিটকে স্ট্যান্ডার্ড ধরেছেন। ১২% এরর ছিল।
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এই বিষয়ে অনেক কিছুই আমার জানা ছিল না। জানানোর জন্য ধন্যবাদ সৌম্য ভাই।
১৬|
০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬
সৌম্য বলেছেন: আর সর্বোপ্রথম কে? এইটা এদেশের মাউন্টেনিয়ারিং জগতে কুতসিত কিছু বিতর্ক তৈরি করেছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। এই বিতর্ক আর না করাই ঠিক।
ব্লগে কয়েকজন মাস্টার মাউন্টেনিয়ার আছেন। মুনতাসির ভাই, মুসা ভাই। উনাদের একাউন্ট আছে সামুতে।
১৭|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:১১
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: একটা জিনিষ বুঝি না, সবার আগে কে উঠেছে এই কৃতিত্বটা জিন ফুলেনকে দিলেই তো হয়, ওনারই প্রাপ্য। বিদেশী বলে আমাদের যদি গায়ে লাগে, তাহলে রামমং মাস্টার হোক।
বাংলাদেশের মাউন্টেনিয়ারিং জগতে বিতর্ক পয়দা করা কি দরকার!
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৯
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: আপডেট এর অপেক্ষায়।
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।