নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তানভীর আহমদ সায়েম

পেশায় ছাত্র(প্রশিক্ষণার্থী পাইলট),কোরআন হিফজ করেছি ছোটবেলায়।

তানভীর আহমদ সায়েম › বিস্তারিত পোস্টঃ

অর্থ

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১১:৩৩

#অর্থ
"অর্থই অনর্থের মূল" যে ব্যক্তি এই কথা বলেছিল তার কাছে মূলত "আঙ্গুর ফল টক" ছিল,বিধায় সে এই কথা বলেছে।

কেননা,মানুষের জীবনে যে কোন জিনিসেরই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা যদি না থাকে তাহলে যে কোন ব্যাপারই অনর্থ বা বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।তাই বলে সেটা অর্থের বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দোষ হতে পারে না।

সুতরাং,ওই ব্যক্তি এই কথা বললেও সর্বোচ্চ এতটুকু বলতে পারত যে,"অর্থের অব্যবস্থাপনা-ই অনর্থের মূল"।

এতে অন্তত ভাল মানুষেরা বৈধ উপার্জনের মাধ্যমেও টাকার মালিক হওয়াটা কে নেতিবাচকভাবে ভাবত না।অর্থনীতির চাবি-কাঠি কিছুটা হলেও ভাল মানুষের হাতে থাকত।ভাল মানুষগুলো আরেকটু ভাল থাকত।

অন্যদিকে আমাদের ফকিন্নি মার্কা আলেম সমাজের চিন্তা ধারাও ফকিন্নি মার্কা।ছোটবেলায় তাদের ওয়াজগুলোতে গেলেই শুনতাম তারা অধিক উপার্জনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষদের বুঝাচ্ছে।অথচ,তাদের বলা দরকার ছিল অধিক অর্থ উপার্জন করুন কোন বাঁধা নেই।তবে অধিক বা কম যতটুকুই উপার্জন করুন সেটা অবশ্যই হালাল হওয়া শর্ত।

যেখানে ইসলামে হালাল(বৈধ) পথে অধিক অর্থ উপার্জন এবং সদকা করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।কেননা,এতে একজন মুসলমান তার আরেক ভাইকে সাহায্য করার সুযোগ বৃদ্ধি পায়।তাছাড়া এর ফলে যাকাতের পরিমাণও বৃদ্ধি পায় আর ধনী ব্যক্তি যাকাত আদায় করলে আরেকজন অভাবী মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার পথটাও সুগম হয়।

আর হালাল উপায়ে অধিক অর্থ উপার্জনের সবচাইতে সম্মানজনক উপায় হচ্ছে হালাল ব্যবসা।যা কিনা স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা:) এবং উনার সাহাবায়ে কেরাম (রা:) গণের এর আদর্শ ছিল।

এদেশে দার্শনিদের চিন্তা-চেতনায় যে পরিমাণ দৈন্যতা আলেম সমাজের মধ্যেও সমপরিমাণ দৈন্যতা-ই কাজ করে।

ইসলাম যুগে যুগেই আধুনিক ছিল।এদেশে এই আধুনিক ইসলামকে যখন ফকিন্নি মার্কা আলেম সমাজ রিপ্রেজেন্ট করা শুরু করল তখন তার হাল কি হতে পারে সেটা আমরা স্বচক্ষেই দেখছি,ভুগছি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.