নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তানভীর আহমদ সায়েম

পেশায় ছাত্র(প্রশিক্ষণার্থী পাইলট),কোরআন হিফজ করেছি ছোটবেলায়।

তানভীর আহমদ সায়েম › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটু সচেতন হই।

২৬ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৭

আমরা প্রায়ই শেভিং ব্লেড ব্যবহার করে যত্র-তত্র ফেলে দেই।আর যারা একটু সচেতন তারা হয়তো ময়লার ঝুড়িতে ফেলি।

আমার মনে হয়,ব্যবহারকৃত এসব ধারালো ব্লেড,ছুরি,কাঁচি যত্র-তত্র বা সাধারণ কোন ময়লার ঝুড়িতে না ফেলে আলাদা মুখবন্ধ কোন বয়াম/জারে সংরক্ষণ করা উচিত।বয়াম ভরে গেলে পরে মাটি খুড়ে এসব মাটিচাপা দিয়ে দিলে পরবর্তিতে মাটির সাথে মিশে যাবে এবং কোন ক্ষতির কারণ হবে না।

যদি এসব ধারালো জিনিস যেখানে সেখানে ফেলি তাহলে বড় ধরণের যে কোন দূর্ঘটনা যে ঘটতে পারে সেটা আমরা সবাই ভাল করেই জানি।কিন্তু ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে আমরা যদি সাধারণ ময়লার ঝুড়িতেও ফেলি তাহলেও দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।কারণ,ময়লার ঝুড়ির ময়লাগুলো পরবর্তিতে আমরা বাসার আশে-পাশের ডাস্টিবিনেই ফেলি।অনেক সময় এই ব্লেড/ধারালো জিনিসগুলো সেখান থেকে কুকুর বিড়ালের মাধ্যমেও রাস্তায় গিয়ে পড়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।আর এতে মানুষের সমূহ বিপদের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।

অন্যদিকে,কুকুর বিড়াল সাধারণত ডাস্টবিন থেকে খাবার খায়।এতে এই অভুক্ত বোবা প্রাণিগুলো আহত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ।আর এরা না পারে বলতে না পারে সহ্য করতে!বিশেষত তাদের মুখের ভেতর থেকে শুরু করে এসব ছোট ছোট ব্লেড দেহের ভেতরে যে কোন দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে।আমাদের একটু সচেতনতা এসব মারাত্মক দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে মানুষ থেকে শুরু করে বোবা প্রাণিগুলো পর্যন্ত।

আমরা কোন বিপদের সম্মুখীন হলে আমরা অনেক সময়ই বলে থাকি যে,"আমি কি এমন পাপ করলাম যে আল্লাহ আমারে এমন বিপদে ফেলল!"আসলে আমরা প্রায়ই জেনে বা না জেনে এমন সব মারাত্মক ভুল করছি যে তা হয়তো আমরা বুঝতে পারছি না।কিন্তু উপরওয়ালা ঠিকই নোট করে নিচ্ছে প্রতি মুহূর্তে।

ধরুন,আমি বা আপনি ডাস্টবিনে নিরাপদ ভেবে একটা ব্যবহৃত ব্লেড ফেলে দিলাম।পরক্ষণেই একটা কুকুর বা বিড়াল সেখানে খেতে এসে তার মুখ/চোয়াল টা কেটে গেল।এতে সেই বোবা প্রাণিটাও কিন্তু অভিশাপ দিবে।আর এদিকে যে সৃষ্টিকর্তা সেটা নোট করে ফেলেছে আমাদের কোন খবর নাই।পরবর্তিতে এমন সব অজানা ভুলের জন্যই আমরা বিভিন্ন ক্ষতির সম্মুখীন হই।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে,আমরা হয়তো এমনটা শুনেছি যে,শয়তানের ধোকায় পড়ে আল্লাহর কোন হক নষ্ট করলে আল্লাহর কাছে সত্যিকারভাবে তওবা করলে আল্লাহ মাফ করে দিবেন,কিন্তু কোন বান্দার হক নষ্ট করলে যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা আপনাকে/আমাকে ক্ষমা করছে ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করবে না।

সুতরাং,জীবনে চলার পথে আমাদের এসব বিষয়ে খুব খেয়াল রাখা প্রয়োজন যে,আমাদের দ্বারা কোন মানুষ বা প্রাণির ক্ষতি হচ্ছে কিনা।

আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।।
আমীন।।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.