নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি লেখক নই, মাঝে মাঝে নিজের মনের ভাবনাগুলো লিখতে ভাল লাগে। যা মনে আসে তাই লিখি,নিজের ভাললাগার জন্য লিখি। বর্তমানের এই ভাবনাগুলোর সাথে ভবিষ্যতের আমাকে মেলানোর জন্যই এই টুকটাক লেখালেখি।

তারেক_মাহমুদ

পৃথিবীর সব ভাল টিকে থাকুক শেষ দিন পর্যন্ত

তারেক_মাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ জীবনের নানা রঙ

২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:২০




এক।

-তোর কিন্তু পড়াশোনায় একেবারে মন নেইরে ছোটন, এমন করলেতো পাশই করতে পারবি না।

-তুমি কি যে বল রানু আপু, গতবারওতো আমি ক্লাশে ফাস্ট হয়েছি আর তুমি কিনা বলছো আমি পাশ করতে পারবো না?

-গতবার ফাস্ট হয়েছিস বলে প্রতিবারই যে ফাস্ট হবি তাতো নয়। পড়াশোনা না করলে এক থেকে দশের মধ্যেও থাকতে পারবি না। আর তুই যদি রেজাল্ট ভাল না করিস তাহলে বদনাম তো হবে আমারই। তোর আব্বা আম্মা অনেক ভরসা করে আমার কাছে তোকে পাঠায় আর তুই যদি রেজাল্ট ভাল না করিস তবে আমার মান থাকবে বল?
-তোমার মান যাবে এমন কিছু আমি কোনদিনই করবো না আপু।
-আচ্ছা রেজাল্টের সময় দেখা যাবে।

রানু আপু আমার চাচাতো বোন। আমার চেয়ে মাত্র দুই বছরের সিনিয়র। আমি পড়ি ক্লাস সিক্সে আর উনি ক্লাস এইটে। কিন্তু ভাবখানা এমন যেন উনি আমার মহা মুরব্বি। উনি ছাত্রী হিসাবে বেশ ভাল, ক্লাশের ফাস্ট গার্ল। এই অজপাড়াগাঁয়ে ভাল প্রাইভেট শিক্ষক পাওয়া সেসময় খুবই দুষ্কর, তাই আম্মা একদিন রানু আপু বলেছিলেন
-রানু তুই ছোটনের পড়াশোনাটা একটু দেখিয়ে দিসতো
সেই থেকে আমি রানু আপুর ছাত্র। আমাকে সারাক্ষণ কড়া শাসনে রাখেন। শুধু পড়াশোনাই নয় আমি কাদের সাথে মিশবো, কখনো খেলাধুলা করবো, কোথায় যেতে পারবো কোথায় যেতে পারবো না এই সবকিছুই আপু দেখেন। মোটকথা তিনি আমার সার্বক্ষণিক শিক্ষক।আমি স্কুল থেকে ফিরি দুপুর দেড়টায়, এরপর বিকেল তিনটে থেকে পাচটা পর্যন্ত রানু আপুর কাছে পড়ি। বিকেল পাচটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করি। সন্ধ্যায় পুনরায় আপুর সাথে পড়তে বসি।
আপুর প্রতিটি কথাই আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করি, তাই আমার পরিক্ষার ফলাফল আগের চেয়ে ভাল।

আমার রানু আপু শ্যামলা বর্ণের। হাসিটা অদ্ভুত সুন্দর।আপুর গজদাতের সেই মধুর হাসি দেখে যেকোন ছেলেই পার করে দিতে পারবে অনন্তকাল। শ্যামলা বর্ণের মেয়েরাও যে সুন্দর হতে পারে সেটা আপুকে না দেখলে জানতাম না। কিন্তু সারাক্ষণ কেমন যেন মাস্টার মাস্টার ভাব নিয়ে থাকেন তাই উনার হাসি দেখার সৌভাগ্য সবসময় হয় না। আমি প্রতিদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে আপুর জন্য বকুল ফুল কুড়িয়ে আনি। আপু সেই ফুল দিয়ে লম্বা লম্বা মালা গাথেন, আপুর ঘরটা সবসময় বকুল ফুলের মিষ্টি সুবাসে ভরে থাকে। শুধু বকুল নয় শিউলি, বেলী, কামিনী ফুলও মাঝে মাঝে আপুর জন্য নিয়ে আসতাম। নিজের লাগানো গাছের প্রথম গোলাপটাও আপুকেই উপহার দিয়েছিলাম।

তখন বর্ষাকালে পানিতে আমাদের বাড়ির চারপাশ থৈ থৈ করতো। তাই এলাকার ঘরবাড়িগুলো তাই বেশ উঁচু করেই বানানো হতো। মাঝে মাঝেই সাপ বিচ্ছুসহ নানারকম পোকা মাকড় ঘরে ঢুকে পড়তো। বর্ষাকালে সবসময় আমরা আতংকের মধ্যে থাকতাম। আমাদের বাড়ি থেকে মুল সড়কে যেতে হলে নৌকা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। কিন্তু সবসময় নৌকা পাওয়া যেতো না। তাই নিজেদের যাতায়াতে সুবিধার্থে প্রত্যেক বাড়িতে একটা করে কলার ভেলা বানিয়ে রাখা হতো। কিছুদিন পর ভেলাটি পচে গেলে আবার নতুন ভেলা তৈরি করা হতো।

তখন বর্ষার ঐ নতুন পানিতে বাড়ির আশপাশে দেশী প্রজাতির মাছেরা খেলা করে বেড়াতো। আমি ঐ অল্প পানিতে দুইপাশে দুটি বাশের কোঞ্চির খুটি দিয়ে লম্বা জাল পেতে রাখতাম। সেই জালে পুঠি, ট্যাংরা,কৈ সহ দেশীয় প্রজাতির মাছ মাঝে মাঝে এত বেশি পরিমাণে আটকাতো যে আমার একার পক্ষে ঐ জাল তোলা সম্ভব হতো না।মাঝে মাঝে অন্যদের সহায়তা নিয়ে জাল পানি থেকে উপরে তুলতাম।বেশি মাছ ধরা পড়লে আপুদেরও মাছের ভাগ দিতাম।

একদিন আম্মাকে না জানিয়ে কলার ভেলা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম জন্য শাপলা তুললে, আপু আমাকে ভেলা নিয়ে যেতে দেখে বলেন
-ছোটন কই যাস?
-শাপলা তুলতে বিলে যাই।
-তুইতো সাতার জানিস না খবরদার একা একা যাস না,চল আমিও যাবো তোর সাথে।
আপুকে আমার ভেলায় তুলে নিলাম।
চারিদিক পানিতে থৈ থৈ করছে। আমার কাছে বৈঠা নেই একটা লম্বা বাশের লাঠি দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে ভেলা চালাচ্ছি। ভেলায় বসে থাকতে আপুও যে খুব মজা পাচ্ছেন সেটা আমি বেশ বুঝতে পারছি।শাপলা তুলতে তুলতে একসময় আমরা গভীর পানিতে চলে এলাম আমার হাতের বাশটি তখন আর মাটিতে তল পাচ্ছে না।বাশটিকে বৈঠার মত করে ধীরে ধীরে ফিরে আসতে চেষ্টা করলাম। তখন একটা লম্বা শাপলায় টান দিতে গিয়েই ঘটলো বিপত্তি,
আমি পানিতে পড়ে গেলাম এবং সাতার না জানার কারনে হাবুডুবু খেতে লাগলাম। আপু বেশ ভাল সাতার জানতেন, তিনি পানিতে ঝাপিয়ে পড়লেন এবং আমাকে পানি থেকে টেনে ভেলায় তুললেন। সেদিন আপু আমায় নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করলেন। পরে আপুই আমাকে সাতার শিখিয়েছিলেন।


দুইঃ

আমি ক্লাস এইটে ওঠার পর আব্বা জানালেন, তিনি আর আমাদেরকে গ্রামে রাখতে চান না। তাই আমরা গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় চলে এলাম। বিদায় বেলায় রানু আপুর জন্য অনেক মন খারাপ হয়েছিল। আপুরও সেদিন চোখ ছলছল করছিল। আপু সেদিন আমাকে একটা রুমাল গিফট করেছিলেন। রুমালের উপর বড় বড় অক্ষরে সুতো দিয়ে সেলাই করে লেখা ছিল,
'আমাকে ভুলে যাবি নাতো?
আমি মনে মনে বলেছিলাম তোমাকে কিভাবে ভুলবো আপু, সেদিন তুমি না থাকলে আমার কি হতো তা উপরওয়ালাই জানে।

একেবারে অজপাড়াগাঁ থেকে রাজধানী ঢাকার নামকরা একটা স্কুলে ভর্তি হলাম। নতুন পরিবেশ নতুন স্কুল নতুন বন্ধু বান্ধব। প্রথম প্রথম একেবারেই মন বসতো না। গ্রামের পরিবেশকে খুব মিস করতাম। কাদায় ফুটবল খেলা,বরশি দিয়ে মাছ ধরা, অন্যের আম গাছে ঢিল ছুড়া, বিশেষ করে রানু আপুকে অনেক বেশি মিস করতাম।

সময়ের সাথে গ্রামের কিশোরটি নারিকেলের ডাল দিয়ে বানানো ব্যাট ছেড়ে দোকান থেকে কেনা কাঠের ব্যাট দিয়ে ক্রিকেট খেলা শুরু করলো। গ্রামের পুকুরে বরশি দিয়ে মাছ ধরার ছেলেটা শহুরে গলিতে মোস্তফা গেম কিংবা ম্যাকগাইভার টিভি সিরিয়ালে মজে গেল। একসময় সে তিন গোয়েন্দা, মাসুদ রানা নামক গল্পের বইয়ের সন্ধানও পেয়ে গেল। মারবেল খেলার চেয়ে স্টিকার দেশী বিদেশী স্টাম্প সংগ্রহ করার নেশাও তাকে পেয়ে বসলো। ধীরে ধীরে রানু আপুর জন্য বুকের ভিতরের হাহাকার কমে গেল। আসলে সময়ই মানুষকে বদলে দেয়।


তিনঃ

একসময় প্রতি মাসে দুই টাকার হলুদ খামে রানু আপু একটা চিঠি আসতো। তাতে বিস্তারিত লেখা থাকতো গ্রামে কখন কোথায় কি ঘটেছে তার বিস্তারিত বিবরণ। এই যেমন আপুদের কালো গরুটার একটা লাল টকটকে বকনা বছুর হয়েছে, আমাদের আমগাছগুলোতে প্রচুর আম ধরেছে,এবারের বৈশাখী মেলায় একজন বাউল শিল্পী দারুণ গান গেয়েছেন আরও কত কি! আমিও ফিরতি চিঠিতে শহুরে জীবনের বিস্তারিত বর্নণা লিখে পাঠাতাম। আমি ভাল আছি এবং শহুরে জীবনে অভ্যস্থ হয়ে উঠেছি জেনে খুশি হতেন। একসময় আপুর চিঠি আসা বন্ধ হয়ে গেল, আমিও স্কুল, বন্ধুবান্ধব, পড়াশোনায় ব্যাস্ত হয়ে পড়ায় রানু আপুর চিঠির প্রতীক্ষাও কমে গেল।

আমি স্কুল কলেজ জীবন পার করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রবেশ করেছি, একদিন আপুর একটা চিঠি পেলাম,

প্রিয় ছোটন

সেই ছোটবেলা থেকে আমরা একসাথে বড় হয়েছি। আমাদের সম্পর্কটা ভাইবোনের হলেও আমিতো তোর বন্ধুও। কেবলমাত্র তোর কাছেই আমি আমার মনের সব কথা বলতে পারি। আমি সত্যি ভাল নেইরে ছোটন। আমার গায়ের রং কালো এটা কি আমার দোষ তুই বল? আমার জন্য আমার ছোটবোনের বিয়ে হচ্ছে না। আশপাশের মানুষগুলোর কাছ থেকে আমাকে কত যে কটুকথা শুনতে হয় রোজ। আমার চিন্তায় বাবা মায়ের ডায়াবেটিস প্রেসার দুটোই বাড়ছে। আমার বোনটা আমার উপর বিরক্ত, বাবা মাকে বলেছি আগে শানুর(রানু আপুর ছোট বোন) বিয়ে দিয়ে দাও কিন্তু বাবা কিছুতেই রাজী নন। এই পৃথিবীর মানুষগুলো মনে হয় আমাকে বেচে থাকতে দেবে না।

অনেক ভাল থাকিস নিজের যত্ন নিস।

ইতি
তোর রানু আপু।


চার ঃ
রানু আপুর চিঠি খানা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল।
আমার রানু আপু কালো এটা কারা বলে? ছেলেবেলায় যে আপুর সৌন্দর্যে আমি সবসময় মুগ্ধ ছিলাম।সেদিন আপু না থাকলে হয়তো এতদিন এ পৃথিবী থেকে আমাকে বিদায় নিতে হতো।আপুর কষ্টের কথাগুলো জানার পর আমার মন চাইছিল ছুটে আপু কাছে চলে যাই। দুইবছরের সিনিয়র হয়েছে তো কি হয়েছে? সিনিয়র মেয়ের সাথে বিয়ে হচ্ছে না কোন ছেলের?
কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, সামনে আমাকে পাড়ি দিতে হবে জীবনের আরও অনেকটা পথ, তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহপাঠীকে আমি ভালবাসি ওকেতো আর ঠকাতে পারিনা।
একসময় রানু আপু ভাবনা বাদদিয়ে নিজের কাজে মনোনিবেশ করলাম।


কয়েকবছর পর একদিন চাচার জরুরি ফোন পেয়ে আমরা গ্রামে ছুটে গেলাম। গ্রাম এখন আর আগের মত নেই, পাকারাস্তা, বৈদ্যুতিক বাতি, ভ্যানের পরিবর্তে গ্রামের রাস্তা এখন ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক আর ভটভটির দখলে।

কাল রানু আপুর বিয়ে। আপু এখন গ্রামের সরকারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা। আপুর হবু বরও প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক।আগের দিন রাতে সারারাত আমরা কেউ ঘুমালাম না, আমাদের সব আত্মীয় স্বজনরা এসেছেন, দারুণ এক উৎসবের আমের বিরাজ করছে পুরো বাড়িতে। ডেকোরেটরের লাল নীল লাইটে আমাদের পুরো বাড়ি আলোকিত। সেদিন আপুর হাসিমাখা মুখখানা দেখতে বড্ড ভাল লাগছিল, মনে হচ্ছিল
আহা! এমন কিছু মুহুর্তের জন্যইতো পৃথিবীতে বেচে থাকা।


















মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৩০

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: গল্প পড়ছিলাম আর ভয় পাচ্ছিলাম এই ভাবে, শেষে খারাপ কিছু না ঘটে ! তবে হ্যাপি এন্ডিং মন ভালো করে দিল !:#P

২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পবিত্র হোসেইন ভাই,

হা হা হা, আপনি যেমন ভাবছেন শেষটা তেমনি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভাবলাম আমার সব গল্পগুলো কেমন যেন দুঃখ দুঃখ ভাব তাই শেষটা পরিবর্তন করলাম।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

২| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

মুক্তা নীল বলেছেন:
তারেক ভাই ,
বাস্তবিক এর ছোঁয়ায় এবং আমাদের আশপাশের কিছু সামাজিক বৈষম্য , এই গল্পটার মাঝে খুজে পেলাম । গ্রাম আর শহর অঞ্চলেই বলেন , সেটেল ম্যারেজেএ সাধারণত ফর্সা পাত্রী
দেখা হয় , যোগ্যতা ও লাবণ্যতা পড়ে দেখে । আর সিনিয়র
ও জুনিয়র এর প্রেমে বাধা আছে, থাকবেই ।
সব মিলিয়ে আপনার এবারের গল্পেও ভালো লাগা রইলো।

পোস্টে লাইক।

২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুপ্রিয় মুক্তা নীল আপু
প্রথমেই বরাবরের মত পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ,
সামুতে মন্তব্য করতে বড্ড ঝামেলা হচ্ছে, অন্য জায়গায় মন্তব্য লিখে কপি করে সামুতে পেস্ট করতে হচ্ছে তাই অনেক পোস্ট পড়লেও মন্তব্য করা হয় না।

সমাজের বাস্তব একটি চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
অনেক শুভকামনা আপনার জন্য ।

৩| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৩

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: ভালো লাগলো গল্প, রানু আপুর বিবাহিত জীবন সুখের হোক,
শুভকামনা আপনার জন্য

২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ও ভালবাসা নয়ন ভাই।

৪| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সুন্দর গল্প। এমনটা অনেক মেয়ের ক্ষেত্রেই হয়। পাত্র টেকো হলে সমস্যা নাই পাত্রী ফর্সা চাই। সময় অনেক গড়ালেও কিছু কিছু দিক দিয়ে সমাজ এখনো অন্ধকারে।

গ্রামের চিত্র ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। শহর কখনো গ্রামের সমকক্ষ হতে পারবে না।

২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও ভালবাসা রইলো, সুন্দর মন্তব্যে অনেক ভাললাগা।

৫| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন। গ্রামের চিত্রগুলো দারুন বর্ননা করেছেন। সব ছবিগুলো যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছে। আপুর জন্য অনেক শুভকামনা থাকলো। তবে লাস্টে একটু টুইস্ট আশা করেছিলাম।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: এখানে হয় রানু আপুকে বাচিয়ে রাখতে হবে না হয় মেরে ফেলতে হবে এছাড়া আর কি টুইস্ট হতে পারে? আমার ভাবনায় তেমন কিছু আসেনি, পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সুপ্রিয় পদাতিক ভায়া।

৬| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১৯

করুণাধারা বলেছেন: গল্পের মাধ্যমে জীবনের একটা দিক তুলে ধরেছেন, আমাদের সমাজে কালো মেয়ে যত ভালই হোক না কেন, তার কোনও কদর হয় না!

২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: সুপ্রিয় করুনাধারা আপু

আপনি ঠিকই বলেছেন মেয়েদের কালো হওয়া অভিশাপ, তবে ধৈর্য্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা উচিত,অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো।

৭| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:২২

রাজীব নুর বলেছেন: আমার যদি একটা রানু আপু থাকতো!

২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আসলেই যার একটা বড়বোন আছে সে ভাগ্যবান। অনেক ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৮| ২৬ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: বর্ষাকালটা কিন্তু আমার ভীষন প্রিয়।

শহরের বর্ষা নয়, গ্রামের বর্ষা।

২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: হুম অনেক সুন্দর তবে গ্রামের মানুষ বর্ষাকাল খুব বেশি পছন্দ করে না।

৯| ২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



রানুর বিয়ে হওয়ায় লেখাটা ভালো লাগলো; আমি কষ্টের গল্প শুনতে চাই না।

২৬ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: যাক আপনাকে কষ্ট পেতে হয়নি, অনেক শুভেচ্ছা রইলো।

১০| ২৬ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

মা.হাসান বলেছেন: মোস্তফা গেম জিনিসটা জানা নেই । গল্প অতি মনোহর হয়েছে । অনেক প্লাস।

২৭ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:০২

তারেক_মাহমুদ বলেছেন:


এটাই মোস্তফা গেম, নব্বইয়ের দশকে অলি গলিতে গড়ে ওঠা ভিডিও গেমের দোকানগুলোতে কিশোর বয়সীদের অনেক প্রিয় গেম ছিল এটা। 
অনেক ধন্যবাদ ভাই ম হাসান

১১| ২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ভালো লেগেছে।

২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:৫৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১২| ২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:৫০

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: মন ছুয়ে গেছে গল্পটি। খুব আফসোস,আমি তো কালো মেয়েও পেলাম না,যার ঠিকানায় চিরকুট প্রেরণ করিবো।

২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:৫৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আহা আপনার জন্য শুভকামনা, অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১৩| ২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ১০:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় তারেক ভাই প্রতিমন্তব্যে আবার আসা। আপনাকে আপুকে মারার দরকার নেই। যেহেতু রং চাপার কারণে প্রথমে বিয়ে হচ্ছিল না সে কারণেই এমন একজন পাত্রকে ঠিক করতেই পারতেন যাকে একদম শুরুতে লোফার হিসেবেই আপু বা আপনাদের কাছে পরিচিতি পেয়েছিল। যাক এখন তো সেটা প্রকাশ হয়ে গেছে।

২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:০১

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আমি চেয়েছিলাম গল্পের হ্যাপি এণ্ডিং এ কারণেই ওই ধরনের কিছু ভাবিনি, পুনরায় মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

১৪| ২৭ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৪

নীলপরি বলেছেন: ভালো লিখেছেন ।
শুভকামনা

২৭ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৪৪

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।

১৫| ২৭ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি এমন একটা দেশে থাকি, যেখানকার আদি বাসিন্দারা বর্ণবাদী হিসাবে সারা দুনিয়াতেই পরিচিত ছিল একসময়। তবে, এ'ক্ষেত্রে আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশকে তারা কোনদিন হারাতে পারবে না.....এ'ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।

গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্রের শেষ পর্যন্ত বিয়ে হওয়াতে ভালো লাগলো।

১৬| ২৭ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:১৫

সুমন কর বলেছেন: গল্পে পুরনো দিনের ফ্লেভার পেলাম। +।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.