| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বুকের তাজা রক্ত ঢেলে যারা স্বাধীন করেছে বাংলা, ভুলবোনা তাদেরে আমরা , যায়না কভু ভোলা
হিন্দ্ বিন আবু হালার বর্ণনা: রাসূল সঃ সত্ত্বাগত ভাবে মহান ছিলেন, মানুষের দৃষ্টিতেও ছিলেন প্রভূত মর্যাদার অধিকারী। পূর্ণিমা রাতের চাঁদের মত তার চেহারা মুবারক ঝলমল করত।মধ্যমাকৃতির চেয়ে সামান্য দীর্ঘ এবং খুব দীর্ঘাঙ্গী লোকের তুলনায় বলা যায় একটু খাটো ছিলেন।
তাঁর মাথা মুবারক একটু বড় ছিল। তাঁর চুল মুবারক ছিলো সামান্য ঢেউ খেলানো,সামান্য কোঁকড়ানো! অনায়াসে সিঁথি করা গেলে সিঁথি কাটতেন,অন্যথায় সিঁথি কাটতেন না।চুল মুবারক যখন ওয়াফরা (এক প্রকার লম্বা চুল)করে রাখতেন তখন তা কানের লতি অতিক্রম করত।
তিনি লালিমা মিশ্রিত উজ্জ্বল বর্ণের ছিলেন। কপাল মুবারক ছিল বেশ উন্নত।ভ্রু ছিলো চিকন সরু ও ঘন লম্বা পাপড়ি বিশিষ্ট।দু চোখের ভ্রু পৃথক পৃথক ছিলো। মিলানো ছিলো না। সেখানে একটি রগ ছিলো, রাগের সময় তা ভেসে উঠত।
নাসিকা মুবারক সুদীর্ঘ,খাড়া ছিল। তাতে এক ধরণের নূর চমকাত। কেউ গভীরভাবে লক্ষ্য না করলে মনে করত তিনি প্রকাণ্ড নাক বিশিষ্ট। দাঁড়ি মুবারক ঘন ছিল। গণ্ডদ্বয় ছিল মসৃণ। মুখ ছিল প্রশস্ত। দন্ত মুবারক ছিল আলাদা আলাদা (একটির উপর অন্যটি উঠানো ভাব ছিল না)
বুক থেকে নাভি পর্যন্ত পশমের সরু একটি রেখা ছিল (স্বপ্ন যোগে তা দেখার সৌভাগ্য অধম এ লেখকের হয়েছে, প্রশংসা আল্লাহর জন্যই)
তাঁর গর্দান মুবারক এতো উন্নত ও সুন্দর ছিল যে, মনে হত যেন হাতির দাঁত দ্বারা নির্মিত পুতুলের গর্দান, তবে তা ছিল রুপার মত ঝলমলে। সুসামঞ্জস্য পূর্ণ গড়নের অধিকারী ছিলেন তিনি। সুদৃঢ় মজবুত ছিল অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। পেট ও বুক (উচ্চতায়)সমান ছিল। বুক বেশ প্রশস্ত ছিল। দু কাঁধের মাঝে বেশ দূরত্ব ছিল। জোড়ার হাড়গুলো মোটা ছিল। আবরণবিহীন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ খুব উজ্জ্বল ছিল।
বুকের উপরিভাগ থেকে নাভি পর্যন্ত পশমের চিকন রেখা ছিল ,তবে বুকের দু পাশ ও পেট লোম শূণ্য ছিল।এছাড়া উভয় বাহু,উভয় কাঁধ ও বুকের উপরি ভাগ লোম যুক্ত ছিল।
তাঁর উভয় হাতের বাহু ও হাতের তালু প্রশস্ত ছিলো। হাত পায়ের আঙ্গুল গুলো মাংসল ও লম্বা ছিল । উভয় পায়ের তালুর মাঝখান গভীর ছিল,পায়ের উপরিভাগ মসৃণ ছিল,ফলে পানি ঢাললে তত্ক্ষভণাত্ গড়িয়ে পড়ত।
যখন হাঁটতেন তখন পা তুলে তুলে দৃপ্ত পদে হাঁটতেন (তাতে মেয়েলী ভাব থাকত না)সামনের দিকে ঝুঁকে স্বচ্ছন্দ ও কিছুটা দ্রুত গতিতে হাঁটতেন। যখন হাঁটতেন (সামনের দিকে কিছুটা ঝুঁকে হাঁটায়) মনে হত তিনি যেন নিম্নভূমিতে অবতরণ করছেন।
কোন দিকে তাকানোর সময় পূর্ণ রুপে তাকাতেন (তথা কানি চোখে তাকাতেন না, যা অহংকারীদের অভ্যাস) । দৃষ্টি অবনত রাখতেন। উপরের চেয়ে নীচের দিকেই তার দৃষ্টি বেশী থাকত। সাধারণতঃ স্বাভাবিক দৃষ্টিতে তাকাতেন(ছানাভরা ¬ ও বিস্ফোরিত দৃষ্টিতে তাকাতেন না) তিনি তাঁর সাহাবীদেরকে সামনে রেখে নিজে পিছনে পথ চলতেন ।কারো সাথে দেখা হলে তিনি আগেই সালাম দিতেন। (সূত্রঃ শামায়েলে তিরমিযী। হাদীস নং ৭)
দু কাঁধের মাঝখানে ছিল মহরে নবুওয়াত। তিনি সর্বশেষ নবী। তিনি ছিলেন প্রশস্ত হৃদয়ের অধিকারী,শ্রেষ্ঠ দানবীর। ছিলেন সবচেয়ে সত্যবাদী। সবচেয়ে কোমল স্বভাবের। সবার চেয়ে মহৎ ও দয়াদ্র।
হঠাৎ যে তাকে দেখত ভাব গাম্ভীর্য ও ব্যক্তিত্বের দরুণ ভয় পেত। যে তার সাথে উঠাবসা করত সেই তার প্রতি অনুরাগী হয়ে পড়ত । তার পরিচয় বর্ণনাকারী যে কেউ তাকে দেখে বলবে তাঁর মত আর কাউকে আমি কখনো দেখিনি। তার আগেও না পরেও না। (শামায়েলে তিরমিযী, হাদীস ৬ এর আংশিক উল্লেখ করা হলো। বাকীটুকু আগের হাদীসে এসে গেছে, তাই আর উল্লেখ করা হলোনা।)
কিভাবে হাসতেন তিনি ?
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমন সদা চিন্তার সাগরে ডুবে থাকতেন তেমনি মাঝে মাঝে হাসি কৌতুকও করতেন। সাহাবী জাবের ইবনে সামুরা রাযিঃ বলেন রাসূলে কারীম সঃ এর পায়ের গোছা সামান্য সরু ধরণের ছিল। তিনি তাবাসসুম বা মুচকি হাসি হাসতেন।আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে (মনে মনে)বলতাম তিনি দু চোখে সুরমা লাগিয়েছেন। অথচ তিনি সুরমা লাগানো অবস্থায় ছিলেন না। (শামায়েলে তিরমিযী, হাদীস নং ২১৭)
আব্দুল্লাহ ইবনে হারেস ইবনে জায বলেনঃ আমি রাসূল সঃ এর চেয়ে অধিক মুচকি হাসতে আর কাউকে দেখিনি! (শামায়েলে তিরমিযী, হাদীস নং হাদীস২১৮)
প্রিয় নবীর রুপ সৌন্দর্য ও একটি ঘটনা
হযরত হাসসান বিন ছাবেত রাযিঃ ছিলেন বিখ্যাত আরব্য সাহিত্যিক এবং নামকরা একজন কবি। তার ইসলাম গ্রহণের আগে কাফেররা তাকে বলল তুমি কবিতার ছন্দে মুহাম্মদ সঃ এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করো তবে তোমাকে অঢেল ধন সম্পদ দেয়া হবে। তিনি রাজী হলেন।নবীজীর শারীরিক দোষ ধরার জন্য তাকে দেখার অপেক্ষায় রইলেন যে কখন তাকে দেখবেন। অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো ।নবীজী সঃ যাচ্ছিলেন উঁচূ টিলা থেকে হাসসান যখন তাঁকে দেখলেন তাঁর রুপ সৗন্দর্যে সীমাহীন অভিভূত হয়ে পড়লেন এবং একটি কবিতা আবৃত্তি করলেন যার অর্থঃ
“যখন আমি তাঁর সৌন্দর্যের অপূর্ব জ্যোতির বিচ্ছুরণ দেখতে পেলাম ,তখন দৃষ্টিশক্তি বিলুপ্ত হবে এ শংকায় হাত দিয়ে চোখ দুটি চেপে ধরলাম। ফলে তার অপরুপ সৌন্দর্য যতটুকু দেখার ভাগ্য লিপি ছিল ততটুকুই দেখতে পেলাম। এ যে আলোর আত্মা চাঁদের দেহে! এ যেন গহনা যা বানানো আলোময় উজ্জ্বল তারা দিয়ে ”
এরপর তিনি কাফেরদেরকে এসে বললেন, তোমাদের সম্পদ তোমরা নিয়ে যাও।এটা কোন মিথ্যুকের চেহারা হতে পারেনা।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ এক ও একক। মুহাম্মদ (সঃ) নিঃসন্দেহে তাঁর প্রেরিত রাসূল!
প্রিয় নবী (সঃ) এর সৌন্দর্য সম্পর্কে বিখ্যাত কবি হাসসান বিন ছাবেত রাযিঃ এর একটি কবিতা (অনুবাদ)
তোমার চেয়ে সুন্দর কোন সত্ত্বা আমার দু নয়ন কভু দেখেনি।
তোমার চেয়ে রুপময় কোন সন্তান কোন মা কভু জন্মেনি।
তোমায় সৃষ্টি করা হয়েছে রুপ সৌন্দর্যের সকল দোষ থেকে মুক্ত করে।
যেন তোমায় সৃষ্টি করা হয়েছে তুমি যেমন চাও তেমনই করে।
![]()
তোমাকে ভালোবাসি হে নবী!! ভালোবাসি অনেক বেশী, নিজের জীবনের চেয়ে বেশী। সন্তান , পিতা-মাত এবং পৃথিবীর সকল মানুষের চেয়েও বেশী। লাখো কোটি দরুদ ও সালাম তোমার উপর বর্ষিত হোক হে প্রিয়তম!!
২|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ২:১৮
সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: মারশাল্লাহ! চমৎকার একটা পোস্ট পড়লাম জাজাকাল্লা হি খাইরিয়ান!
৩|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ২:১৮
সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: মারশাল্লাহ! চমৎকার একটা পোস্ট পড়লাম জাজাকাল্লা হি খাইরিয়ান!
৪|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৯
আসিফুর রহমান বলেছেন: @"দ্যা ফ্রীল্যান্সার " --ভাই অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা থাকা উচিত । আর যদি মুসলমান হন তাহলে মনে মনে ক্ষমা প্রার্থনা করুন।
৫|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ৯:২৯
দ্যা ফ্রীল্যান্সার বলেছেন: বস্তুত: মোহাম্মদকেই মানুষ আল্লাহ জ্ঞানে পূজা করে। বিশ্বের ইতিহাসে এতবড় ব্যক্তিপূজা অন্য কোন মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায় না। মোহাম্মদের চেলারা প্রতিবার আজান শোনার পর তথাকথিত আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দেয়, হেই আল্লার বাচ্চা আল্লাহ, তুই কিন্তু ভুইল্লা যাইস না মোহাম্মদরে বেহেস্তের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থানটি দিতে। আযান-উত্তর এই প্রার্থনায় স্পষ্টত: আল্লাহকে সন্দেহ করে বলা হচ্ছে: নিশ্চয়ই তুমি ভঙ্গ করনা অঙ্গিকার। আল্লার যদি প্রাণ থাকত, মোমিনদেরকে থাবরাইয়া মাইরা ফালাইত তাকে সন্দেহ করার জন্য এবং একই কথা তার কানে প্রতিদিন কোটি কোটিবার ঢুকানোর অপরাধে।ভাগ্যিস সত্যি সত্যি আল্লাহ নামের কিছু নাই।
৬|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ৯:৪৭
চুক্কা বাঙ্গী বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। পড়ে অনেক ভাল লাগলো। জাযাকাল্লাহ!
হযরত হাসসান বিন ছাবেত (রা.) বলেছেন-
তোমার চেয়ে সুন্দর কোন সত্ত্বা আমার দু নয়ন কভু দেখেনি।
তোমার চেয়ে রুপময় কোন সন্তান কোন মা কভু জন্মেনি।
তোমায় সৃষ্টি করা হয়েছে রুপ সৌন্দর্যের সকল দোষ থেকে মুক্ত করে।
যেন তোমায় সৃষ্টি করা হয়েছে তুমি যেমন চাও তেমনই করে।
৭|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ৯:৫৯
করিম মিয়া বলেছেন: লেখকের উচিত ফ্রীল্যঞ্জার নামক হনুবাদী নাস্তিকটির কমেন্ট মুছে তাকে ব্লক করা।
সামু ব্লগ যে এখনো ভালো হয় নি, তারা যে এসব হনু (নাস্তিক) দের চুপে চুপে লালন করে এটা কি তার একটি প্রমাণ নয়?
সবাই এই ব্লগারের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করুন।
৮|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ১০:০৭
দ্যা ফ্রীল্যান্সার বলেছেন: মডুর কাছে রিপোর্ট করবেন কেন? মডুকে কি আল্লার চেয়ে শক্তিশালী মনে করেন? আর তা যদি মনে না করেন, তাহলে আল্লার কাছে প্রার্থনা করে বলেন আমার কমেন্টগুলি ডিলিট করে দিতে। আল্লা যদি কমেন্টগুলি ডিলিট করতে পারে আমি নিজেও মাথা পেতে মেনে নিব তার অস্তিত্ব।
৯|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ১০:৫৩
সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: @দ্যা ফ্রীল্যান্সার আপনার কথাবলার ধরণ ও যুক্তগুলো ভালো লাগল। আপনি সম্ববত একজন আদর্শ নাস্তিক । আপনার কাছথেকে অনেক কিছু শেখার আছে। আপনার কাছ থেকে সবিনয়ে একটা বিষয় জানতে চাই যে, আপনি কি মাছ বিশ্বাস করেন ? যা পানির নিচে থাকে। বিশ্বাস করে থাকলে সেটা কিভাবে? কোন যুক্তিতে? দান্দীক বস্তুবাদের ভিত্তিতে? নাকি পানির নিচের জগতের অভিজ্ঞতা থেকে?
১০|
০৫ ই মে, ২০১৪ ভোর ৬:০৩
দ্যা ফ্রীল্যান্সার বলেছেন: আমি বিশ্বাস করি সৃষ্টিকর্তা একজন থাকতেও পারেন। তবে তিনি অবশ্যই বালছাল আল্লা, ভগবান, রাম-শ্যাম, যিশু হতে পারেন না। জগতের ঘটনাসমূহ পর্যবেক্ষণ করলে বুঝা যায়, কাকে কে মেরে ফেলল, কাকে কে ধর্ষণ করল, কাকে কি পূজা-অর্চনা করল কোথায় কোন সুনামী/ভূমিকম্প/ভূমিধ্বসে হাজার হাজার মানুষ মরে গেল তার কিছুই তিনি খেয়াল রাখেন না, কিংবা নিয়ন্ত্রন করেন না।
১১|
০৫ ই মে, ২০১৪ রাত ১০:৫৯
সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: আপনি ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩ একটি পোস্টে লিখেছিলেন যে আপনি কারো মতে বা বিশ্বাসে আঘাত দিয়ে কথা বলেন না এবং এটা পছন্দ করেন না। এ জাতিয় অনেক জ্ঞানও দিয়েছিলেন সম্প্রতি আরকাইভ থেকে ডিলিট করেছেন বটে । কিন্তু আপনার বর্তমান মন্তব্যগুলি স্ব-বিরোধী হয়ে যাচ্ছে না? নাকি তখনকার লেখাটি ছিল ভন্ডামী? আর নাকি এটা ভন্ডামী? আশাকরি মুক্ত আলোচনা আপনি ভালোবাসেন। যাইহোক আসুন কারুর বিশ্বাসে আঘাত নাকরে কু-রুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার পরিহার করে মুক্ত আলোচনা করি। কোন সভ্য মানুষ অন্যের বিশ্বাসে আঘাত করতে পারে না। আমার একটি প্রশ্ন ভালো আমের বীজ থেকে কিভাবে ভালো জাতের আমগাছ জন্মে?
১২|
০৫ ই মে, ২০১৪ রাত ১১:০৪
সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: প্রীয় সরল পথিক আমার উপরের মন্তব্য টি @দ্যা ফ্রীল্যান্সার এর জন্য
১৩|
০৫ ই মে, ২০১৪ রাত ১১:৩৯
সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: @দ্যা ফ্রীল্যান্সার! রাসুল্লাহ (সা
থেকে একটা হাদীস এরকম যে, "যে সমাজে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে, সে সমাজে এমন রোগ দেখাদেয় যা তদের পূর্ববর্তীদের ভিতর ছিলনা আর তা মৃত্যু পর্যন্ত না নিয়ে ছাড়ে না" সহী মুসলীম সহ কয়েকটি হাদিস গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে। ১৪০০ বছর আগে কি এইডসের মত রোগ আবিস্কার হয়েছিল? আর একটা হাদীসে কেয়ামতের আলামতের কথা বলা হয়েছে যে, কেয়ামতের আগে পূর্বে, পশ্চিমে, উত্তরে, দক্ষিনে ভূমি ধস হবে (২টি হাদীস একত্রে) আর একটা হাদীসে কেয়ামতের আলামতের কথা বলা হয়েছে যে, আরবের বাড়ির উচ্চতা হীরা পাহাড়ের উপরে উঠবে বর্তমানে তা হতে চলেছে। আরবরা সবথেকে উচু টাওয়ার বানাতে চলেছে। কি ভাবে ১৪০০ বছর আগে এটা জানা সম্ভবপর হল। একটু ভেবে দেখবেন কোরআন- হাদীসে এরকম অনেক নিদর্শন রয়েছে ।
১৪|
২১ শে মে, ২০১৪ রাত ৮:৩৫
সরল পথের পথিক বলেছেন: পৃথিবীতে মানুষরুপী নরপশুর সংখ্যাও কম না।
১৫|
২১ শে মে, ২০১৪ রাত ৯:০২
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: তোমাকে ভালোবাসি হে নবী!! ভালোবাসি অনেক বেশী, নিজের জীবনের চেয়ে বেশী। সন্তান , পিতা-মাত এবং পৃথিবীর সকল মানুষের চেয়েও বেশী। লাখো কোটি দরুদ ও সালাম তোমার উপর বর্ষিত হোক হে প্রিয়তম!!
২৪ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৬
সরল পথের পথিক বলেছেন: আমীন!!
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা মে, ২০১৪ রাত ২:১৭
সৃজনশীলপ্রয়াস বলেছেন: মারশাল্লাহ! চমৎকার একটা পোস্ট পড়লাম জাজাকাল্লা হি খাইরিয়ান!