নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্লগারদের প্রতি অনুরোধ “ভারত নিয়ে আলোচনা বন্ধ করুন”

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:২১



পৃথীবির কোনো দেশে মুসলিম সম্প্রদায় নিয়ে কোনো সমস্যা হলে বাংলাদেশের মানুষের এক লাফে সজাগ হয়ে উঠেন! সাথে সাথে ফেসবুক ব্লগ ইউটিউবে তান্ডব ঝড় তুফান সাইক্লোন শুরু হয়ে যায়, আর এই কারণে বাংলাদেশ একটি জঙ্গী দেশ হিসেবে পরিচিত হবে সারা বিশ্বে - এটি কি বুঝতে পারছেন সবাই? কাশ্মীর সমস্যা আজকে কালকের সমস্যা নয় এটি অনেক পুরোনো। এগুলো পাক-ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়। আর পাক-ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আমাদের সাধারণ মানুুষের উচিত একদম ঘুমে থাকা। আমরা কিছুই জানিনা কিছুই বুঝিনা। আমাদের কোনো প্রয়োজন নেই পাক-ভারতের কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করে নিজের বিপদ ঘনীভূত করার।

ভারতের হাতে শক্ত মিডিয়া আছে। পৃথীবির সকল বিখ্যাত প্রথম শ্রেণীর মিডিয়াতে ভারতীয় নাগরিক খুবই উঁচু পদে আছেন - যেখানে বাংলাদেশের মানুষ ঝাড়ুদার হিসেবেও নেই !
পাকিস্তান জঙ্গীবাদ নিয়ে ভারত যতোগুলো ছবি সিনেমা তৈরি করেছে এখন পাকিস্তান যদি শ্বেত শুভ্রও হয়ে যায় তারপরও সারা বিশ্বে পাকিস্তান একটি জঙ্গী দেশ হিসেবে পরিচিতি থাকবে কারণ সিনেমা ‍ও মিডিয়া প্রচার !!!

বাংলাদেশের মানুষ কাশ্মীর নিয়ে লেবু চিপে বেশী তিতা করবে!!! বাংলাদেশকে নিয়ে ভারত একটি জঙ্গী সিনেমা তৈরি করে মার্কেটে ছেড়ে দিবে - এর পরিনাম হবে “ভয়াবহ ভয়ংকর” !!!


মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৩২

চাঁদগাজী বলেছেন:


পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে হিন্দুরা চলে গেছে, এটা কোনভাবে লুকানো সম্ভব হয়নি।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ১৯৭১ এ একবার যুদ্ধ করেছেন সেই যুদ্ধের রক্তের দাগ এখনো দেশে লেগে আছে। বেশিদিন হয়নি ফেসবুকাররা পাগল হয়ে গিয়েছিলো রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে যেনো বাংলাদেশ বার্মার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

২| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৪৯

রাকু হাসান বলেছেন:

খারাপ বলেন নি । পরের বিষয় চর্চা থেকে বিরত থাকাটাই শ্রেয় । তবে বাংলাদেশের মুসলমানদের একটু আবেগ কাজ করবেই । কেননা ধর্মপ্রাণ মুসলমান মাত্রই চায় কোনো মুসলমান এমন বিপদে পড়ুৃক। তবে আমরা অতি উৎসাহী । জাতি হিসাবে পরের চড়কায় তেল মাখার কথা বলতেই স্বাচ্ছধ্যবোধ করি ।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: মিডলইষ্টে বাংলাদেশী যারা আছেন তারা সবচেয়ে বেশী রিউমার ছড়াতে পছন্দ করেণ।

৩| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:০৯

গাবগাছী বলেছেন: ভাওরিতো দালালি বন্দ করুন

৪| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:১১

এমজেডএফ বলেছেন: যারা জেগে জেগে ঘুমায় তাদেরকে কেউ জাগাতে পারে না। আপনি যত চিৎকার করে বলুন “ভারত নিয়ে আলোচনা বন্ধ করুন” তা ওনাদের কানে যাবে না।

বাংলাদেশের এই লোকগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক ও আফগানিস্তান আক্রমণের সময়ও এভাবে লাফালাফি করেছিলো, কিন্তু সাদ্দাম ও তালেবানদের পরাজয় ঠেকাতে পারে নাই। বার্মার সাথে যুদ্ধ করতে এবং মুসলিম ভাই হিসাবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্যও ওনারা নির্যাতীত রোহিঙ্গাদের ছবি নিয়ে ফেসবুক, ব্লগ, ইউটিউবে কান্নাকাটি করেছিলেন। এখন রোহিঙ্গাদের আসল রূপ এবং বার্মার কূট-কৌশল দেখে ওনারা আর কোনো আওয়াজ করে না। মাঝখানে বার্মায় ফেরত যেতে অনাগ্রহী ১০ লক্ষ অপরাধপ্রবণ রোহিঙ্গা নিয়ে অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশ!

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এখন প্রয়োজন বাছাই করে করে প্রতিটি ফেসবুকার ব্লগারের পরিবারে একটি করে রোহিঙ্গা পরিবার দিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশের অবস্থা আরোও খারাপ হবে এভাবে মুসলিম মায়া কান্না যদি বন্ধ না করে। আর এই সব মায়া কান্নায় অপপ্রচারে সবচেয়ে এগিয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মুর্খ্য অর্ধমুর্খ্য বাংলাদেশী আদম সহ দেশে থাকা তাদের পরিবার পরিজন। এরা মুসলিম বাঁচাও মুসলিম বাঁচাও করে নিজেরা আত্মঘাতী হয়ে উঠে - অতীতে যার অসংখ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।


বার্মার সাথে তো বিশ্ব কূট-কৌশলে হার মেনেছে, আর বাংলাদেশের আগাছা নেতা আর পরগাছা আমলা ফুঁতে উড়ে যাবে !!!

৫| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:২৫

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ভালো বলেছেন - ভারত-পাকিস্তানের বিরোধিতা নিয়ে কথা বললে বাংলাদেশের সমস্যা আরো বাড়বে | ভারতের মিডিয়া ও পাশ্চাত্য লবিং অনেক শক্তিশালী | তাদের সাথে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলই টক্কর দিতে পারবে না | ভারত ও পাকিস্তানের মতো দুইটি চরম কুটিল, স্বার্থপর ও বিরক্তিকর প্রতিবেশী থাকাটা বাংলাদেশের জন্য অনেকটা জন্মই আমার আজন্ম পাপের মতো কাঁটা হয়ে গলায় বিঁধে আছে |

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ভারত ও পাকিস্তান বার্মার মতো তিনটি চরম কুটিল, স্বার্থপর ও বিরক্তিকর প্রতিবেশী থাকাটা বাংলাদেশের জন্য অনেকটা জন্মই আমার আজন্ম পাপের মতো কাঁটা হয়ে গলায় বিঁধে আছে |

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ব্লগে যারা আছেন তারা অনেকে লিখতে জানেন পড়তে জানেন কিন্তু নিজের দেশের ভালো কতোটুকু চান তার প্রমাণ গত জাতীয় সঙ্গীত বিতর্কে জানা গেছে। তাদের জ্ঞান প্রশ্নফাঁস জেনারেশনে আটকে আছে। আর মুর্খ্য ফেসবুকার যারা অন্ধের মতো পোষ্ট শেয়ার করে এই দোয়া শেয়ার করলে এতো নেকী এটি অমুকের দাড়ি এটি অমুকের লাঠি - আসলে কতোটা সঠিক সেসব তথ্য !!!

প্রতিনিয়ত দেশের এক শ্রেণীর আহাম্মক গুলো চাচ্ছে বাংলাদেশ যে কোনো দেশের সাথে বড় একটি ইস্যু নিয়ে জড়িয়ে পড়ুক। শুরু হয়ে যাক দন্দ্ব। যেই প্রশাসন ডেংগু সমস্যা সামলাতে পারছেনা তারা সামলাবে বৈশ্বিক আমলাতন্ত্র এও সম্ভব !!! ???

৬| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৪৮

কালো যাদুকর বলেছেন: আপনার ছবিটাতেই বক্তব্য পরিস্কার। ব্লগে লেখালেখি করে কি আর যুদ্ধ ফুদ্ধ লাগে নাকি ভাই? তবে ভারতকে ভয় পাওয়াটা অবশ্যই দরকার।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: মিশরের তাহরীর স্ট্রিটে উম্মাদ জনতা ফেসবুক দিয়ে আরব বসন্ত নামক চিকেন পক্স বসন্ত রোগ ছড়ায় যার ভয়াবহতা এখনো রয়ে গেছে এবং অনন্তকাল থাকবে।

৭| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমার মনে হয়, ব্লগে লিখলে কোন সমস্যা নেই। কেবল ঢাকার রাজপথে মিছিল, ভাঙচুর , অগ্নিসংযোগ না করলেই চলে। লেখালেখি করলে বরং চিন্তা শক্তির বিকাশ ঘটে। আমাদের প্রচুর পরিমাণে পড়াশোনা করা দরকার। এটা তার একটা অংশ হতে পারে।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই, সামহোয়্যারইন ব্লগের মতো কি কোনো ব্লগ মালয়েশিয়া আছে যাতে দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে সবাই লেখালেখি করে? এমনকি ফেসবুকে মালায়ু - চাইনিজ - তামিলদের কোনো লেখা যা চোখে পড়ার মতো?

বাংলাদেশ অবাধ - যেখানে কোনো বাঁধ নেই শৃংখলা নেই, যা ইচ্ছা তা হচ্ছে।

৮| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

ইসিয়াক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন । আদার ব্যাপারি জাহাজের খবর নেয়ার মতো অবস্থা ।
নিজের দেশের সমস্যা নিয়ে ই তো দফারফা অবস্থা।
এগুলো সমাধানের তো কোন ..........।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ডেঙ্গু সমস্যা নিয়ে মাথার ঘাঁ’য়ে কুত্তা পাগল অবস্থা সেখানে ভারত সমস্যা নিয়ে আসছে বড় বড় গুণীজন মহাজন।

৯| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:৪৬

নতুন বলেছেন: নিজের চরকায় তেল দেওয়াইতো ভালো?

ভারত বা পাকিস্তানের জনগন যদি আমাদের ইসুতে লাফালাফি করে তবে আমরা তাদের চুপ থাকতে বলবো। তেমনি তারাও আমাদের এতো জ্ঞান নিতে আগ্রহী না।

আর আমাদের দেশের মানুষ আসলে নিজেদের সমস্যাগুলি সমাধান হবেনা তাই সেই গুলি নিয়ে কথা বলেনা.... বলে বাইরের বিষয়ে।

আমাদের সবার উচিত দেশে দূনিতি কিভাবে কোমানো যায় সেটা নিয়ে আলোচনা করা কাজ করা।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ডেঙ্গু, ফর্মালিন, সড়ক ব্যাবস্থা ও নিরাপত্তা, ধর্ষণ - হত্যা, শিক্ষা রাজনীতি, শিক্ষা ব্যাবসা, পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র, ভেজাল খাদ্য দ্রব্য আরো শত সহস্র সমস্যায় জর্জরিত বাংলাদেশ আর সেখানে এক একজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ভারত নিয়ে লেবু চিপে তিতা করেন।

তাদের কাছে আমার প্রশ্ন আপনার নিজের বাসায় সমস্যা আছে কি? নিজের বাসা বাড়ী সামলান। পরে দেশ নিয়ে ভাবুন, আর আন্তর্জাতিক ভাবনাতো মাথা থেকে ঝেড়েই ফেলুন।

১০| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: আলোচনা বন্ধ করার দরকার নাই।
আলোচনা চলতে থাকুক।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: রাজীব নুর ভাই, বাংলাদেশের একজন শক্তিশালী মন্ত্রীর “শ্যালিকা” ও তাঁর পরিবার আপনার পাশের বিল্ডিং এর এপার্টমেন্টে থাকেন - তাঁদের পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনি মাথা ঘামালে সমালোচনা করলে আপনার কি কি ধরনের বিপদ হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

১১| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: টুকটাক আলোচনা সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু আমাদের দেশে যেটা হচ্ছে বা হয় সেটা মাত্রাতিরিক্ত, বাড়াবাড়ি। রাস্তায় মিছিল করে 'এই করমু, সেই করমু' টাইপ উল্টাপাল্টা স্লোগান দেওয়াটা খুব বাজে শুনায়।
তাছাড়া এমনিতেই ভারতের (সাম্প্রদায়িক ভোটের রাজনীতির কারণে) সাথে আস্তে আস্তে আমাদের টুকটাক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। (আজ প্রথম আলোতে দেখলাম, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মতানৈক্য হওয়ার কারণে, মিটিং পরবর্তী প্রেস কনফারেন্স একসাথে হয়নি। দু দেশ আলাদা আলাদাভাবে প্রেস কনফারেন্স করেছে।)
আমাদের উচিত, এইসব বিষয় লক্ষ রাখা; এবং আজাইরা প্যাঁচাল থেকে দূরে থাকা।

দেশকে বিজেপির উগ্র রাজনীতিবিদদের চক্ষুশূল করার ফল ভালো হবে না।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমরা বেশী সচেতন তাই আমাদের ডেঙ্গু সমস্যা। আমরা একটি বেশী মুসলিম ভাতৃত্ব প্রবণ তাই মসজিদে নামাজী নেই কিন্তু অলি গলিতে মসজিদ করে সরকারী খাস জমি মৃত মানুষের জমি দখল করছি। আমরা এতোই আবেগী মুসলিম যে আরেকজন মুসলিমের প্রাণ নিতে দ্বিধা করছি না। আমরা এতোই মুসলিম যে ফেসবুকে বড় বড় বাণী হাদিস শেয়ার করি আর ধর্ষণ হত্যায় সর্বাগ্রে।

ভারতের সমস্যা নিয়ে মুসলিম ইস্যু তৈরি করা এটি একটি ভয়ংকর পাপ হয়ে যাবে যার জের ৫০০ বছরে দিয়েও শেষ করা যাবে না। বাংলাদেশর তথাকথিত মুসলিমদের পাহাড়ী বেতের মাইর দরকার। এটি এখন সর্বোচ্চ সহজ ঔষধ আমি মনে করি।

১২| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: বাংলাদেশে আলোচনা হলে তা খুব একটা বড় ইফেক্ট ফেলবে না বিশ্ব বাজারে ভারতের ইমেজে।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ। ভারত-বাংলা সম্পর্ক হয়তো আপনি ওয়াকিবহাল নন - এটি দোষের নয়, তবে এটি অবস্যই দোষ হবে যদি হয় “অপপ্রচার আর আলোচনা সমালোচনা”। আমি রাজীব নুর ভাইকে একটি প্রশ্ন করেছি একই পশ্ন আপনাকে করছি আশা করি উত্তর দেবেন।




প্রশ্ন: - বাংলাদেশের একজন শক্তিশালী মন্ত্রীর “শ্যালিকা” ও তাঁর পরিবার আপনার পাশের বিল্ডিং এর এপার্টমেন্টে থাকেন - তাঁদের পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনি মাথা ঘামালে সমালোচনা করলে আপনার কি কি ধরনের বিপদ হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

১৩| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইসিয়াক বলেছেন, "ঠিকই বলেছেন । আদার ব্যাপারি জাহাজের খবর নেয়ার মতো অবস্থা । "

-আপনি আদার ব্যাপারি হয়ে পদ্য লিখে চলছেন, আপনার থেকে বুদ্ধিমান আদার ব্যাপারীরা জাহাজ নির্মাণ করে চলছেন।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই, আমি ব্লগার রাজীব নুর ও সত্যপথিক শাইয়্যানকে প্রশ্ন করেছি যার উত্তর এখনো পাইনি তাছাড়া সত্যপথিক শাইয়্যান এর পোষ্টে আমি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকি কারণ আমি অন্যান্য মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য পড়ে দেখতে পাই সত্যপথিক শাইয়্যান মন্তব্য স্কিপ করেন। যাইহোত আপনাকেও একই প্রশ্ন করছি উত্তর দিবেন প্লিজ।



প্রশ্ন: - বাংলাদেশের একজন শক্তিশালী মন্ত্রীর “শ্যালিকা” ও তাঁর পরিবার আপনার পাশের বিল্ডিং এর এপার্টমেন্টে থাকেন - তাঁদের পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনি মাথা ঘামালে সমালোচনা করলে আপনার কি কি ধরনের বিপদ হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

১৪| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার প্রশ্ন, "- বাংলাদেশের একজন শক্তিশালী মন্ত্রীর “শ্যালিকা” ও তাঁর পরিবার আপনার পাশের বিল্ডিং এর এপার্টমেন্টে থাকেন - তাঁদের পারিবারিক ও ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়ে আপনি মাথা ঘামালে সমালোচনা করলে আপনার কি কি ধরনের বিপদ হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? "

-যেহেতু বাংলাদেশের মন্ত্রীর ব্যাপার, এটা নিয়ে কথা বললে, ভয়ংকর বিপদ হবে; তবে, এই ধরণের কোন মন্ত্রী "নোয়াখালীতে যদি শ্যালিকা" নিয়ে লিব-টুগেদার করে; নোয়াখালীর লোকেরা উহাদের মেরে গায়েব করে দেবে।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমার নানা বাড়ী নোয়াখালী সেই অর্থে আমি আমি অর্ধেক নোয়াখালীর। আমি এই বিষয়টি পাক-ভারত আলোচনার ইস্যু হিসেবে উদাহরণ স্বরুপ টেনেছি। আমরা পাক-ভারত আলোচনা থেকে দুরেই থাকি। আপনার লবঙ্গ বিষয়ক আগ্রহের উত্তর আমি ব্লগার খায়রুল আহসান ভাইয়ের পোষ্টে দিয়েছি।

১৫| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২৪

বলেছেন: কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ফেবুয়ান ও মুসল্লীদের জান বাজি দেখতে দেখতে হয়রান।।।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বস্ ফেবুয়ানদের রিউমার বন্ধ করা যাবেনা, তবে ব্লগে এই আলোচনা বন্ধ করার একটা চেষ্টা করেছি - যদি কাজ হয় এই আশায়। লাষ্ট আমার জাপান ভ্রমণে টোকিও ইমিগ্রেশনে মুসলিম পাসপোর্ট হোল্ডারদের যেভাবে বডি সার্চ, লাগেজ সার্চ সহ জিগ্যাসাবাদ হয়েছে - তা খুবই লজ্জাকর ও আপত্তিজনক যা বলার ভাষা আমার কাছে জানা নেই। আর এর অন্যতম কারণ ও দায়ভার মুসলিম সমাজের - ইমিগ্রেশন ও ভ্রমণকৃত দেশের নয়।

১৬| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২৭

আনমোনা বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ ভাই, আপনি যদিও প্রশ্নটি মাত্র তিনজনকে করেছেন, আমি এটি সবার জন্যই ধরে নিচ্ছি।

আমি উত্তর দিতে অস্বীকার করছি। উত্তর দিলে আমার বড় বিপদ হবে।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এটিই বড় বিষয় - “উত্তর দিতেও ভয় পাচ্ছি উত্তর দিলেই বিপদ হবে”। আপনার এই এক কথায় বোঝা উচিত ঝুকিপূর্ণ অসংলগ্ন কথা বলা বিড়াট বিপদ হতে পারে।

“আপনার একটি কথা সারা জীবনের কান্না হতে পারে”

১৭| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১০

কানিজ রিনা বলেছেন: হতভম্ব হওয়ার কি আছে ঠাকুর
বনাম মাহমুদ। এত ভয় আপনার?
বার্মাতো বাংলাদেশের উপর যুদ্ধ
চাপিয়ে দিচ্ছিল কিন্তু আমাদের
সরকার গা বাচাতে আন্তরজাতীক
সর্দার অর্থাৎ জাতীসংঙ্ঘকে সম্মান
দেখিয়ে গিয়েছেন।
স্বাভাবিক ভাবেই কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে
পক্ষ বিপক্ষ আলাপ আলোচনা হতে
পারে সেটা নিয়ে আপনার ভারত
জুজুর ভয় কেন?
আপনি যে পশ্ন করেছেন শালিকা
মন্ত্রীর প্রতিবেশী হলে প্রতিবাদ করতে
পারবেনা? তাহলে ধরেই নিলাম
প্রতিবেশী মন্ত্রী শালিকা জ্ঙ্গী আইএস।
উগ্রবাদী ঠিক তো? আসলে কি জানেন?
যে পুকুরে বেশী মাছ থাকে যত চালাক
কাঁটা ওয়ালা হোকনা কেন তারা ধরা পরে
বেশী। যেমন পাকিস্তান তেমন ভারত।
হায়েনা কুমিড়ের পাল্লায় পড়ে কাশ্মীর দুই
খন্ডের সাধারন মানুষ বিপর্যস্ত দিনে দিনে
তা বেড়েই চলেছে। ঠাকুর মামুদ হতভন্ব
হয়েন না ভয় পেয়েন না। তবে অন্যায়কে
অন্যায় বলার সাহস রাখা উচিৎ।
মায়ানমার বার্মার রহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে
আপনি এই ব্লগে কত লেখা দেখেছেন
সেখানে কি কাউকে জুজুর ভয় পেতে
দেখেছেন? আপনি হতভম্বতা কাটিয়ে
উঠুন ভাল থাকুন।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ ব্লগে কি পরিমান প্রতিবাদমুলক লেখা পোষ্ট দিয়েছে তার একটি আপনি পড়েন প্লিজ । আমি যুদ্ধ সম্পর্কে আপনাকে বলেছি। রোহিঙ্গা এটি আন্তর্জাতিক ইস্যু - তাদের নিয়ে আমাদের ইমোশনাল হওয়ার কিছুই নেই। যারা রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে বিচলিত তাদের পরিবারে একটি রোহিঙ্গা পরিবারকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করুক। যারা কাশ্মীরে নিয়ে বিচলিত তারা কাশ্মীর গিয়ে কথা বলুক, বাংলাদেশে থেকে নয়। যেখানে সমস্যা সেখানে যেতে হয়, ২,৫০০-৩,০০০ কিমি দুরে থেকে হা হতাশা করা কোনো সঠিক কাজ নয়। তারা সঠিক কাজটি বেছে নিক।

সিরিয়া ফিলিস্তিন নিয়ে কষ্ট পাচ্ছে? চলে যাক সেখানে।

১৮| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৬

কানিজ রিনা বলেছেন: সরকারী অনুমোদন নাই রহীঙ্গাদের
পারিবারিক ভাবে ঠাই দেওয়ার।
আমি এও জানি পেপার পত্রিকা
পড়ে জানি অলরেডি রহিঙ্গারা গোপনে
সারাবাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
আপনাকে কে বললো কাশ্মির
ইস্যু আন্তরজাতীক মানবঅধিকার
ও জাতীসংঙ্গে আলাপ আলচনায়
বসে নাই।
ভারত পাকিস্তানের আভ্যন্তরিন বিষয়
কাশ্মীর বিষয় যুদ্ধ তাই হাজার হাজার
নির্অপরাধ মানুষের পক্ষে কথা বলা যাবেনা
আমাদের দেশের কতকত শান্তি বাহীনি কত
যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে আপনি জানেন?
ধুর অযথাই তর্ক করছি

০৯ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বাংলাদেশ হতে শান্তিরক্ষী বাহিনী জাতিসংঘের একটি নীতিমালায় চলে। আপন ইচ্ছেয় শান্তিরক্ষী বাহিনী যুদ্ধে যেতে পারেন না। পাক-ভারত ইস্যু এটি তাদের আভ্যন্তরীণ অথবা আন্তর্জাতিক ইস্যু হোক সেখানে ইচ্ছে মতো বাংলাদেশের জনগণ ঢালাও কথা বলার বা আলোচনা সমালোচনা করার ভুমিকা রাখতে পারেন না, সেই অধিকারও নেই। এখানে বাংলাদেশের আমলা বা দেশের সর্বোচ্চ পদের লোকজন যদি উক্ত জাতিসংঘের বৈঠকে থাকেন তাও একটি নীতিমালায় থাকবেন।

এই কথাগুলো শুধু আপনাকে বলা না, প্রতিটি আলোচনা করা ব্লগারকে বলা, “যেখানে যে সমস্যা সেখানে তার সমাধান। আর সমস্যা ও সমাধানের জন্য কুটনৈতিকগণ আছেন” এগুলো খুব সেনসেটিভ বিষয় সাধারণ মানুষ এসব ইস্যুতে জড়ালে ভয়ংকর রুপ ধারণ করে।

আমি আমার আগের মন্তব্য কারেকশান করে দিয়েছি। আমার কথা কোনোটি আপনাকে ব্যাক্তিগত আক্রমণ করার উদ্যেশ্যে নয়।

১৯| ১০ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৩২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
শুধু কথার ব্যাপারে?
আপনে দেরি করে ফেলেছেন।
অলরেডি দেখলাম অনেকেই গাট্টিবোচকা নিয়ে রেডি হচ্ছেন। যেহাদের পথে কাশ্মিরে ...

১০ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আসলেই আমার দেরি হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে অনেকে গাট্টি বোচকা নিয়ে যেহাদের পথে বেহেস্তের পথে হুর গেলমান নিয়ে লটর পটর করার বাসনায় ... ... ... ... ... ... ...

২০| ১০ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৩৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গুরু,
এই উপমহাদেশের অধিকাংশ মানুষ নিজেদের ধর্মীয় পরিচয়টা আগে দেয়। এই সমস্যাটা "৪৭ থেকে শুরু হয়েছে যা আগামী কয়েক হাজার বছর ব্যাপী চলমান থাকবে। কাশ্মীরিরা খুব দুর্ভাগা। এরা দুই দিক থেকে দুই হায়েনার চিপায় পড়ে মরছে। এরা যতই চিল্লাক কোন লাভ নেই। স্বাধীন কাশ্মির হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তাই দখলীকৃত ভারতীয় আর পাকিস্তানের একার নাগরিকরা সে দেশের সার্বভৌমত্ব মেনে নেওয়া সুবিবেচক হবে। আমাদের মিছিল আর স্লোগানে শুধু শুধু গলার টনসিলে টান পড়বে; কোন ফায়দা পাওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই। আন্তর্জাতিক রাজনীতির খেলা আমরা কম বুঝি; এজন্য লাফাই হুদাই।

১০ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমাদের এ্যালার্জী বেশী তাই লম্ফ ঝম্ফও বেশী। অতিরিক্ত তেল হলে যা হয় আরকি। এই দেশের মানুষের শরীরে রেমিটেন্সের তেল জমেছে আর জানেন তো মাংস খাওয়া মানুষের (মাংসাশী) মাথা উগ্র হয়।

২১| ১০ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:১৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মাঝখানে বার্মায় ফেরত যেতে অনাগ্রহী ১০ লক্ষ অপরাধপ্রবণ
রোহিঙ্গা নিয়ে অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশ!
.........................................................................................................

মনে রাখতে হবে রোহিঙ্গা সংকট , একটি আন্তর্জাতিক চক্রান্ত
এর পিছনে তিন থেকে চারটি দেশ জড়িত আছে এবং তাদের স্বার্থ হাসিল
না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকট কাটবে না ।
..................................................................................................................
বিশ্বের অনেক (২/৩ টি ) শক্তিশালী দেশ আছে যাদের স্বার্থহানি হলে ঢাকার রাস্তা
থেকে আপনি নিখোঁজ হতে পারেন যার অতীত রের্কড আছে ।

১০ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমাদের অবস্থা হচ্ছে জলে কুমির ডাঙ্গায় বাঘ !!! এটি ব্লগে অনেকে বোঝেন না। তারা ভারত নিয়ে যা ইচ্ছা তা লিখে যাচ্ছেন। ব্লগার হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: অলরেডি দেখলাম অনেকেই গাট্টিবোচকা নিয়ে রেডি হচ্ছেন। যেহাদের পথে কাশ্মিরে ...

আমাদের প্রতিবেশী দেশ নিয়ে আমরা মনগড়া যা ইচ্ছা তা লিখতে পারিনা। এটি সাধারণ জ্ঞান। এবং অতি উৎসাহী হয়ে সমালোচনাও করতে পারিনা। আর বর্তমান বিষয় খুব সেনসেটিভ। এটি থেকে যতো বিরত থাকা যায় ততো ভালো। ধন্যবাদ।

২২| ১১ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:১৪

প্রবালরক বলেছেন: কাশ্মীর নিয়ে আলোচনায় লেখকের পুন: পুন: আপত্তির তাৎপর্য ধরতে পারছিনা।
কট্রর মৌলবাদী মোদী ভারতের হিন্দুদের বিশাল অংশের মধ্যে উম্মাদনা জাগিয়ে তুলছেন। সে উম্মাদনার একটা বড় উপাদান মুসলিম বিদ্বেষ।
গুজরাট দাঙ্গা, বাবরী মসজিদ ভাঙ্গা, গো-রক্ষার উম্মাদনায় বহু মানুষের প্রান হরন, কাশ্মীর দখল, এনএসসি ইস্যু ও ৪০ লাখ মুসলিম বিতাড়নের প্রক্রিয়া..... মৌলবাদী মোদী গেরুয়ার ধ্বজা উড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ইতিহাস পুন:লেখনের প্রক্রিয়া চালু করে দিয়েছেন। তিনি এখানেই থামবেননা বলে প্রায় নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়া যায়। অতএব স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে - তারপর কি?
গেরুয়া উম্মাদনা ক্ষুদ্র প্রতিবেশী ভারতের প্রতি নতজানু গনবিচ্ছিন্ন সরকারের অধীনে বাংলাদেশকে শ্পর্ষ করবে কিনা, করলে কতটুকু শ্পর্ষ করবে, তার সুদুরপ্রসারী ফল কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তার চুলচেরা বিশ্লেষন অবশ্যই চলতে হবে। ক্রমাগত আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরী করার প্রক্রিয়া চালাতে হবে।
হিটলারের জার্মানীর জনগনও এমন উম্মত্ত হয়ে উঠেছিল।

১১ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: পাক-ভারত দন্দ্বে আমরা কোন দুঃখে জড়াবো। বাংলাদেশে ১৯৭১ এর যুদ্ধে সিরিয়া ফিলিস্তিন সাউদি আরব থেকে মানুষ কি করেছিলো। আপনি আমার পোষ্ট পড়েন নি। আবার আমার পোষ্ট পড়ুন। নুন্যতম আমলাতন্ত সম্পর্কে না জনলে যা হয় সাধারণ মানুষের তাই হচ্ছে। ভারতের হাতে শক্ত মিডিয়া আছে। পৃথীবির সকল বিখ্যাত প্রথম শ্রেণীর মিডিয়াতে ভারতীয় নাগরিক খুবই উঁচু পদে আছেন - যেখানে বাংলাদেশের মানুষ ঝাড়ুদার হিসেবেও নেই ! পাকিস্তান জঙ্গীবাদ নিয়ে ভারত যতোগুলো ছবি সিনেমা তৈরি করেছে এখন পাকিস্তান যদি শ্বেত শুভ্রও হয়ে যায় তারপরও সারা বিশ্বে পাকিস্তান একটি জঙ্গী দেশ হিসেবে পরিচিতি থাকবে কারণ সিনেমা ‍ও মিডিয়া প্রচার !!!

বাংলাদেশের মানুষ কাশ্মীর নিয়ে লেবু চিপে বেশী তিতা করবে!!! বাংলাদেশকে নিয়ে ভারত একটি জঙ্গী সিনেমা তৈরি করে মার্কেটে ছেড়ে দিবে - এর পরিনাম হবে “ভয়াবহ ভয়ংকর।।

জাহান্নামে যাক ভারত পাকিস্তান জাহান্নামে যাক কাশ্মীর।

২৩| ১১ ই আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

প্রবালরক বলেছেন: বাংলাদেশের কাছ থেকে হাজার মাইল দুরের সমস্যা কাশ্মীর ইস্যু পাক-ভারত-কাশ্মীর সমস্যাই শুধু নয়। মোটিভেশন ফোর্সটি উগ্র গেরুয়া জাতীয়তাবাদ। ৩৭০ ধারার পর টান খাবে ৩৭১ ধারা। তখন আগুন জ্বলবে পাশের ঘরে।

ইতোমধ্যে অমিত শাহ সহ কেউ কেউ ‘অখন্ড ভারত’-র কথা বলা শুরু করেছেন।

ঠ্যালা সামলানোর দরকার নেই!!!

১২ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: অমিত শাহ কে ? চিনিনা।। আমাদের নিজের দেশে ডেঙ্গু এখন বড় সমস্যা যা সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে পরছে। কাশ্মীর নিয়ে চিন্তা করার সময় নাই। কাশ্মীর কোন দেশে, এটি কোথায়? কাশ্মীরের হালুয়া আছে আর কাশ্মীরের গায়ে দেওয়ার শীতের শাল আছে এর বেশী ক্শ্মীর চেনার প্রয়োজন নাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.