নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সামহোয়্যারইন ব্লগের সম্মানিত ব্লগার ও ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জানাই ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮


বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগার চাঁদগাজী


বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগার ডঃ এম এ আলী


বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগার আহমেদ জী এস


কিশোর বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগার জুল ভার্ন

ব্লগার চাঁদগাজী ভাই, ব্লগার ডঃ এম এ আলী ভাই ও ব্লগার আহমেদ জী এস ভাইকে নিয়ে ব্লগে নতুন করে কিছু বলার বা লেখার নেই, তাঁদের কাছে আমি নিতান্ত শিশু ও অখ্যাত একজন ব্লগার মাত্র। ব্লগে এ তিনজন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করছেন তার প্রমাণ পাই এই তিনজনের কোনো একজন যদি কোনো কারণে ৫-৭ দিন অনুপস্থিত থাকেন ব্লগ যেনো পানসে হয়ে পরে। তাদের উপস্থিতিতে ব্লগ মেতে উঠে - ব্লগ নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। এছাড়া ব্লগে আমাদের সাথে আছেন অসম সাহসী কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ন ভাই।

ডঃ এম এ আলী ভাইয়ের এক একটি মন্তব্য আস্ত একটি পোষ্টের দাবীদার ও এক একটি মন্তব্যে নতুন করে ভাবতে হয় “কি বলেছেন এর ব্যখ্যা আর এর মূল্য”। ব্লগার চাঁদগাজী ভাইয়ের কাছে রেহায় পান না বর্তমান বিশ্বে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতি, তাজ উদ্দিন সাহেব, এমন কি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব কেও ছেড়ে কথা বলার মানুষ নন তিনি। ব্লগার আহমেদ জী এস ভাইয়ের লেখায় উঠে আসে বাংলাদেশের অন্তর্নিহিত সমস্যা, জীবনের রুপরেখা, সমাজের রুপরেখা, ব্লগার আহমেদ জী এস ভাইয়ের জীবনে মানুষের কতো রঙ হতে পারে তা তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। ব্লগার জুল ভার্ন ভাই কি এক অসম দুর্বার শক্তিতে কিশোর বয়ষে যুদ্ধে গিয়েছিলেন তা আমাদের গল্পের রুপকথাকেও হার মানায় কিন্তু সত্যি আর বাস্তব হচ্ছে বাংলাদেশে ১৯৭১ এর পটভূমিতে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ছিলো তারা যুদ্ধের মাঠে অসম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন এবং দুর্বার সাহসিকতায় শহীদ ও হয়েছেন। ৭১ এর বীরদের সামহোয়্যারইন ব্লগে লেখনীতে বারংবার একটি কথাই মনে হয় কি পরিমান দেশপ্রেম, কি পরিমান জীবনের উপর অভিজ্ঞতা থাকলে তাঁরা দেশের জন্য সমাজের জন্য এভাবে লিখতে পারেন। ব্লগিং কি - ব্লগিং কাকে বলে তা জানতে হলে অবস্যই ব্লগার ডঃ এম এ আলী, ব্লগার চাঁদগাজী ও ব্লগার আহমেদ জী এস ভাইয়ের পোষ্ট পড়তে হবে। প্রতিটি মন্তব্যর উত্তর কিভাবে দিতে হয় তা তাদের সাজানো গোছানো, যেমন থাকে প্রথম শ্রেণীর একটি লাইব্রেরীর বই তাকে তাকে সাজানো গোছানো।

অত্যন্ত গর্বের সাথে জানাচ্ছি এ চারজন ব্লগার সামহোয়্যারইন ব্লগের অত্যন্ত সম্মানিত ব্লগার ও ১৯৭১ সনের বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁরা ছিলেন বলে আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। তাঁরা ছিলেন বলে আজ আমরা খোলা আকাশের নিচে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারি। তাঁরা ছিলেন বলে আজ আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি গান গাই, কবিতা প্রবন্ধ গল্প উপন্যাস লিখি। তাঁরা ছিলেন বলে আজ আমরা বিসিএস কর্মকর্তা হতে পারি নয়তো পূর্ব পাকিস্তানের কোনো সরকারি দপ্তরে হয়তো পিয়ন হয়ে ফাইলের বোঝা টেনে আর চায়ের কাপ পিরিচে জীবন পার করে দিতে হতো। তাঁরা ছিলেন বলে স্বাধীন দেশে নিজের নামে লাইসেন্স করে মাথা উঁচু করে ব্যবসা করি বিদেশ ভ্রমণ করি। সুখে দুঃখে হাসি কাঁদি আনন্দ করি। নয়তো পূর্ব পাকিস্তানে আজও আমাদের বোবার জীবন যাপন করতে হতো।

আজ অত্যন্ত গর্বের সাথে সামহোয়্যারইন ব্লগে উল্লেখ করছি ব্লগার চাঁদগাজী ভাই ও ব্লগার ডঃ এম এ আলী ভাইয়ের লেখা পোষ্ট এ ফোর পেপারে প্রিন্ট হয়ে দেশের সরকারি মহলের সর্বোচ্চ স্থানে তাঁদের জরুরী ফাইলে গিয়ে আলোচিত হয়। সম্প্রতি সে সকল আলোচিত বিষয়ের অন্যতম বিষয় “কোরবানির পশুর চামড়া, রোহিঙ্গা মেয়ে রাহী আক্তার খুশী, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তা বেষ্টনী সহ নিরাপত্তা চৌকি জোড়দার”।

আজ আমরা তিনবেলা পেট পুরে খাই, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যর দাম আমাদের গায়েও লাগেনা। অত্যন্ত কষ্ট ও পরিতাপের সাথে জানাচ্ছি ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে আমাদের সোনার সন্তানরা দিনের পর দিন না খেয়ে থেকেছেন, এমন নয় তারা গরিবের সন্তান - না খেয়ে তারা অভ্যস্ত ! তারা সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান নিজেদের ঘরের গরু মহিষের দুধ দই ঘি আর নিজেদেরে পুকুর বিলের মাছ খেয়ে বড় হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে দিনের পর দিন একমুঠো চিড়া মুড়ি কখনো শুধু টিউবওয়েলের পানি হয়েছে তাদের সারা দিনের আহার। অত্যন্ত দুঃখের সাথে গর্ব নিয়ে বলছি সেসব সোনার সন্তানরা গায়ে পুরোনো ছেড়া ধুলি ধুসরিত জামা পেন্ট, ছেড়া জুতা, খালি পায়ে মাঠে খালে বিলে দৌড়েছেন শরীরের শক্তিতে নয় - মনের শক্তিতে, দেশপ্রেমের শক্তিতে। তাদের রক্তে রঞ্জিত লাল সবুজের স্বাধীন বাংলাদেশ।

আজ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে আমাদের সামনে চারজন মহান মুক্তিযোদ্ধা জনাব ডঃ এম এ আলী সাহেব, মুক্তিযোদ্ধা জনাব চাঁদগাজী সাহেব ও মুক্তিযোদ্ধা জনাব আহমেদ জী এস সাহেব ও কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ন ভাইকে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম। তাঁরা দেশের জন্য যেই ত্যাগ স্বীকার করেছেন তার জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা। আপনারা ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ব্যস্ত থাকুন আর আমাদের সাথে থাকুন। আমরা আপনাদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ, আমরা আপনাদের কাছে চিরো ঋণী।

অনুরোধ: - ব্লগে সকল ব্লগারদের প্রতি অনুরোধ সামহোয়্যারইন ব্লগে যারা যারা মুক্তিযোদ্ধা আছেন তাদের তালিকা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করুন, তাদের লেখার সাথে আমরা সবাই যুক্ত হতে চাই। যেভাবেই হোক তাদের লেখায় আমরা অনুপ্রেরণা হতে চাই।

উপসংহার: - আমি মুক্তিযোদ্ধা নই। ৮-৯ বছরের একটি বালকের পক্ষে একটি রক্তাত্ব যুদ্ধে যাওয়ার মতো সাহসিকতা আর মন মানসিকতা থাকেনা। আমারও ছিলোনা, তবে আমি যুদ্ধকালীন সাক্ষী। ১৯৭১ এর রক্তাত্ব ভয়ঙ্কর যুদ্ধের করাল সাক্ষী। - সে গল্প হয়তো হবে কোনো একদিন।

কৃতজ্ঞতা:- সামহোয়্যাইন ব্লগ কর্তৃপক্ষ। নির্বাচিত পোস্টে “উক্ত লেখাটি” স্থান দেওয়াতে সামহোয়্যারইন ব্লগ কর্তৃপক্ষকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।।






মন্তব্য ১০২ টি রেটিং +২৭/-০

মন্তব্য (১০২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

নুরহোসেন নুর বলেছেন: উনারা দুজনেই জ্ঞানী ও শক্তিমান ব্লগার,
উনাদের সর্বাত্মক মঙ্গল কামনা করছি।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নুরহোসেন নুর ভাই,
আপনার লেখা বক্তব্য তাঁরা পড়বেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: চাঁদগাজী মুক্তিযোদ্ধা জানতাম, তবে, ডাঃ আলী ভাইয়ের কথা আজই প্রথম জানলাম।

দুজন সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা ব্লগারের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম রইল।

আমরা যেন সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতিই সমান ভক্তি ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে পারি, সেটাই হোক আমাদের ব্রত ও অঙ্গীকার।

তাঁদের নিয়ে লেখার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দেশের সূর্য সন্তান। ১৯৭১ এ নয় মাস নির্ঘুম রাত পাড়ি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা আর তাই আজ আমরা স্বাধীন দেশে শান্তিতে ঘুমোতে পারি। আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

হাবিব স্যার বলেছেন:




বিনম্র শ্রদ্ধা সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি। আপনার কল্যানে জানতে পারলাম যে আলী ভাইও মুক্তিযোদ্ধা! ওনারা দীর্ঘজীবী হউক। আমি কোন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখলে কতক্ষন তাঁর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি আর ভাবি, কি হিম্মতওয়ালা এই মানুষগুলো। খুব করে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে তখন, তাঁর মতো কিছুটা সাহস বুকে ধারণ করবার আশায়।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাই হাবিব,
মুক্তিযোদ্ধারা অকুতোভয় সাহসী বীর ছিলেন, এরা বাংলাদেশের সূর্য সন্তান। যাদের কারণে দেশ স্বাধীন। যাদের কারণে আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি। যাদের কারণে আমরা তিনবেলা পেট পুরে ভাত খেতে পারি। বাংলাদেশের দুর্দিনে এই সাহসী সন্তানেরা দেশ মায়ের সম্মানে ঝাপিয়ে পরেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। তাদের কাছে আমরা চিরো কৃতজ্ঞ।

৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ব্লগের এই দুই বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ
বাংলাদেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের
জানাই সশ্রদ্ধ সালাম ও শুভেচ্ছা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই,
ব্লগের এই সম্মনিত দুজন ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছে আপনার শুভ্ছো পৌছে যাবে। তাঁরা আপনার মন্তব্য দেখতে পাবেন। আমরা গর্বিত আমাদের মাঝে ব্লগে এখনো দুজন বীর আছেন যারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। যাদের কারণে আমরা আজ খোলা বাতাসে শ্বাস নিতে পারি যেখানে কোনো বারুদের গন্ধ নেই।

৫| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৫

হাবিব স্যার বলেছেন: এই পোস্টে লাইক করলাম কিন্তু লাইক দেখাচ্ছে না কেন?

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাই হাবিব,
আপনার লাইক এখন দেখা যাচ্ছে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই পোষ্টটি লাইকের দাবীদার নয়। আপনাদের সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা দাবী ও কামনা করে। ধন্যবাদ হাবিব ভাই।

৬| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

ইসিয়াক বলেছেন: দুজন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগারের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম রইলো। উনাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করছি ।
আপনার প্রতি ও রইলো শুভকামনা প্রিয় মাহমুদ ভাই ।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ইসিয়াক ভাই,
আপনাদের সশ্রদ্ধ সালাম, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা তাঁরা দেখতে পাবেন।
আপনার জন্য রইলো অনেক অনেক শুভ কামনা।

৭| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এই দুই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই,
আপনাদের সশ্রদ্ধ সালাম তাঁরা আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করবেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৮| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চাঁদগাজী সাহেবের ছবি ও বােেয়োগ্রাফী জানতে চাই।
আড়ালে থাকবেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা তা হতে পারেনা।
আমরা তাকে সম্মান জানাতে চাই আলোতে, অন্ধকারে নয়।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই,
দেশের সূর্য সন্তান পর্দার আড়ালে থাকতে পছন্দ করেন। তিনি নিজে যদি কখনো নিজ সম্পর্কে জানান - জানাবেন নয়তো ছায়া হয়ে থাকবেন এটিই তাঁর বৈশিষ্ট। নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমাদের আহমেদ জী এস ভাই একজন সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা। আমি পোষ্টে তাঁর নাম ও কিছু তথ্য তুলে ধরেছি।

৯| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জ্ঞানী ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও শুভেচ্ছা

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নের শঙ্খচিল ভাই,
আমাদের ব্লগে আমার জানামতে তিনজন মুক্তিযোদ্ধা পেয়েছি এছাড়া আর কেউ আছেন কিনা তা আমার সঠিক জানা নেই। আমাদের আহমেদ জী এস ভাই একজন সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা। আমি পোষ্টে তাঁর নাম ও কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১০| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনাকে ও সকল ব্লগারকে বিজয়ের শুভেচ্ছা।
সম্প্রতি ব্লগার 'আলআমিন১২৩' জানিয়েছেন যে, উনিও মুক্তিযু্দ্ধ করেছেন ২ নং সেক্টরে; আপনার পোষ্টের সাথে উনাকেও আমি সম্পৃক্ত করলাম।

জাতি যখন আক্রান্ত হয়েছিল, তখন যুদ্ধ করার দরকার ছিলো, আমরা করেছি। ব্লগার হিসেবে আমি খুবই বিতর্কিত ছিলাম বরাবরই, আমি আধুনিক বাংলাদেশে বিশ্বাস করি, '৭১ এর জেনারেশন আধুনিক একটি দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন।
সবাইকে আবারও বিজয়ের শুভেচ্ছা।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




চাঁদগাজী ভাই,
আমাদের আহমেদ জী এস ভাই একজন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমি পোষ্টে তাঁর নাম ও কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। সময় থেমে থাকেনা। যুদ্ধ নিয়ে আমার অনেক কিছু লেখার আছে যা আমার নিজ চোখে দেখা। আমার আব্বা সহ তিন চাচা মোট চারজন মুক্তিযোদ্ধা। চারজনে দেশের জন্য যুদ্ধ করে ফিরে এসেছেন মাত্র তিনজন। যুদ্ধের মাঠে রেখে এসেছেন তাদের প্রিয় আদরের ছোট ভাই সৈয়দ আতিকুল হোসেন ঠাকুরকে। তিনি মেট্রিকে ও ইন্টারে প্রথম শ্রেণীতে পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ভূগোলের ছাত্র ছিলেন। পরিবারের সবচেয়ে পাগলা ছেলেটিকে তাঁরা বুকে পাথর বেধে যুদ্ধের মাঠে রেখে আসেন। বিজয় আসে বিজয় যায়, চাঁদগাজী ভাই আমার কাছে বিজয় মানে দুঃখের এক সাগর যেখানে আমার ছোট চাচার মতো লক্ষ লক্ষ শহীদ হয়েছেন তাদের হারিয়ে আনন্দ করার মতো মন মানসিকতা আমর কখনো হয়নি।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার সামনাসামনি কেউ কখনো আজেবাজে কথা বলতে পারেনা। ব্লগে অনেকে মুক্তিযোদ্ধা-যুদ্ধ-শীহদ নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে কথা বলে এই দুঃখ বলে শেষ করা যায় না।

ব্লগিং কি ব্লগিং কাকে বলে তা জানতে হলে চাঁদগাজী ভাই আপনার ব্লগ, ডঃ এম এ আলী ভাইয়ের ব্লগ ও আহমেদ জী এস ভাইয়ের ব্লগ পড়তে হবে। আমি পোষ্টে উল্লেখ করেছি আপনি ব্লগার চাঁদগাজী সাহেবের লেখা পোষ্ট, ব্লগার ডঃ এম এ আলী সাহেবের লেখা পোষ্ট এর দুরত্ব কতোদুর!

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বাংলাদেশের সমগ্র জাতি আমরা আপনাদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ, আমরা আপনাদের কাছে চিরো ঋণী। সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আমি ঠাকুরমাহমুদ আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম জানাচ্ছি।
সালাম গ্রহণ করুন।

১১| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৩

পুলক ঢালী বলেছেন: বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ এম,এ,আলী ও চাঁদগাজী ভাইকে সশ্রদ্ধ সালাম।
দুজনেই সীমাহীন জ্ঞানের অধিকারী। ডাঃ আলী ভাইয়ের পোষ্ট মানেই বিষয়ের পোষ্টমর্টেম করে গবেষনা পত্র উপস্থাপন করা।
চাঁদগাজী ভাইয়ের পোষ্ট মানেই রাজনৈতিক বিচার বিশ্লেষন কটাক্ষ সহ। তবে রাজনৈতিক পোষ্টের বাহিরে গাজীভাই যা লিখেন সেগুলো আমার কাছে অনেক বেশী সাবলীল এবং আকর্ষনীয় মনে হয়।

ঠাকুরভাই ব্লগের এ দুজন সম্পদকে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




পুলক ঢালী ভাই,
ব্লগার “আহমেদ জী এস” ভাই একজন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমি পোষ্টে তাঁর নাম ও কিছু তথ্য তুলে ধরেছি।
আমরা গর্বিত যে আমাদের সাথে ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা আছেন আমরা তাদের সাথে ব্লগিং করছি। এটি বিড়াট সাহসের বিষয় যে আমরা ৭১ এর যোদ্ধাদের সাথে বিতর্ক করার সুযোগ পেয়েছি। দেশের সূর্য সন্তানদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা কৃতজ্ঞ আজ তাদের জন্য আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক।

১২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৫

অন্তরন্তর বলেছেন: ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের সশ্রদ্ধ সালাম ও শুভেচ্ছা। আমার জানা মতে ব্লগার আহমেদ জী এস ভাই ও মুক্তিযোদ্ধা। 'আলআমিন১২৩' উনার পোস্টে দেখলাম উনিও একজন মুক্তিযোদ্ধা। সকল মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট।আপনি সহ সকল ব্লগারদের ( জামাত, শিবির ছাড়া ) বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অন্তরন্তর ভাই,
ব্লগার “আহমেদ জী এস” ভাই একজন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমি পোষ্টে তাঁর নাম ও কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। আমরা গর্বিত যে আমাদের সাথে ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা আছেন আমরা তাদের সাথে ব্লগিং করছি। আমরা তাঁদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ।

১৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমি যদি ৭১ এ থাকতাম- অবশ্যই যুদ্ধ করতাম। লুকিয়ে থাকতাম না অথবা পালিয়ে ইন্ডিয়া চলে যেতাম না।
আমাদের সামুর এ দু'জন ব্লগারকে শ্রদ্ধা জানাই। তাদের পোষ্ট গুলো দূর্দান্ত হয়। মন্তব্য গুলোও অসাধারন।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




রাজীব নুর ভাই,
ব্লগার “আহমেদ জী এস” ভাই একজন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমি পোষ্টে তাঁর নাম ও কিছু তথ্য তুলে ধরেছি। আমরা গর্বিত যে আমাদের সাথে ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা আছেন আমরা তাদের সাথে ব্লগিং করছি। আমরা তাঁদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ। আমি মনে প্রাণে বিস্বাস করি ১৯৭১ যুদ্ধে রাজীব নুর ভাই থাকলে অবস্যই যুদ্ধে যেতেন। পালিয়ে ভারত যেতেন না। রাজীব নুর ভাই আপনার লেখার যে ধর্য্য আপনি মুক্তিযোদ্ধা হলে বাংলাদেশ পেতো তথ্য বহুল মুক্তিযুদ্ধের সকল ঘটনা আর রহস্যে ঘেরা রক্তে রঞ্জিত যুদ্ধ সহ শহীদ ও শহীদের পরিবারের কষ্ট।

১৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০১

এমজেডএফ বলেছেন: যুগের নিষ্ঠুর বন্ধন হতে মুক্তির এ বারতা আনলে যারা, আমরা তোমাদের ভুলবো না।

সকল মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা।



১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




এমজেডএফ ভাই,
স্বাধীনতার যুদ্ধ কতোটা ভয়াবহ মর্মান্তিক ছিলো তা আজকের জেনারেশন জানেনা বলেই নানা ধরনের অসঙ্গতী কথা বলে - রটায়, খুব দুঃখ হয় যখন এসব কথা ব্লগেও চলে আসে। ব্লগে এর প্রতিবাদ করার লোকজন খুব কম দেখতে পাই। যারা প্রতিবাদ করেন তাদের ভারতপ্রেমী সহ নানা বাজে কথা বলা হয়। তাহলে কিভাবে ব্লগারগণ প্রতিবাদ করবেন - কটু কথা কে শুনতে চায়?

বিজয়ের দিনে শুভেচ্ছা সহ দেশের প্রতি মায়া মমতা ও ভালোবাসা তৈরি হোক প্রতিটি নাগরিকের এই প্রত্যাশা করছি।


১৫| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৫

রুমী ইয়াসমীন বলেছেন: বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর ভালোবাসা জানাই দেশের সকল মহান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সাথে ব্লগের সম্মানিত চাঁদদাদু ও শ্রদ্ধেয় ডাঃ এম.এ.আলী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি জানাই হাজার হাজার বিনীত সালাম।

দোয়া করি ওনারা সবসময় সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন এবং সবার প্রিয় সামু ব্লগকে সবসময় মাতিয়ে রাখুন ওনাদের মেধা ও জ্ঞানের আলোয়....
সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বোন রুমী ইয়াসমীন,
৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমাদের সাথে ব্লগার হিসেবে পেয়েছি এটি আমাদের বিরল সৌভাগ্য। তাদের জন্য সব সময় প্রার্থনা করি তাঁরা ভালো্ থাকুন - সুস্থ থাকুন ও দীর্ঘজীবী হোন।

১৬| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ এম,এ,আলী ও চাঁদগাজী ভাইকে সশ্রদ্ধ সালাম

ডাঃ আলী ভাইয়ের পোষ্ট মানেই বিষয়ের গভীরে গিয়ে মুক্তো মানিক তুলে আনা!
চাঁদগাজী ভাইয়ের পোষ্ট যদিও খখোন কখণো একপেশে হয়ে যায়, তারপরো ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই, জানাই শ্রদ্ধা।
আরো কেউ আছে কিনা, সার্চ দা খোঁজ চালাতে পারেন। যেমন এই পোষ্টেই নাম এলো ব্লগার আল আমিন ভাইয়ের।

দারুন উপস্থাপনায় সকলকে অবহিত করায় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বিদ্রোহী ভৃগু ভাই,
ব্লগে সকল ব্লগারদের প্রতি অনুরোধ সামহোয়্যারইন ব্লগে যারা যারা মুক্তিযোদ্ধা আছেন তাদের তালিকা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করুন, তাদের লেখার সাথে আমরা সবাই যুক্ত হতে চাই। যেভাবেই হোক তাদের লেখায় আমরা অনুপ্রেরণা হতে চাই।

১৭| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৪

ওমেরা বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, বই টইও এখনো তেমন পড়া হয়নি, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আম্মু আব্বুর মুখে গল্প শুনে অল্পকিছুই জানি মুক্তি যুদ্ধ সম্পর্কে । কিন্ত আজকে নিজেকে খুব ভাগ্যবতীই মনে হচ্ছে আমি আমার দেশের শ্রেষ্ট সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ব্লগিং করছি । আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ সালাম জানাচ্ছি। সাথে আপনাকেও ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ওমেরা আপা,
দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

১৮| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৬

সোহানী বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই ব্লগিং এ খোঁচা আর সমালোচনার নতুন মাত্রা এনেছেন ব্লগে :P । কথাটা রুঢ় শোনালেও আমার তাই মনে হয়েছে। আমাদের পানসে আবেগী জীবনে এ ধরনের মন্তব্যকে আমি বরাবরেই স্বাগত জানাই। নতুবা আমরা নিজেদেরকে আপডেট করতে পারবো না।

ড: এম এ আলী ভাই এর সাথে কাউকে তুলনা করতে লজ্জা লাগে। উনার জ্ঞানের পরিধি, কাউকে, সন্মান করার কৈাশল, কোন বিথয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষন…….. এক কথায় অবাক বিস্বয় আমার কাছে। উনারতো থাকার কথা দেশের বড় কোন পজিশানে যেখান থেকে দেশকে নির্দেশনা দেয়ার কথা… B:-)

ড: এম এ আলী ও চাঁদগাজী ভাই এর ব্লগার পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উনাদের প্রতি থাকলো সীমাহীন শ্রদ্ধা।

ব্লগার আল আমিন ভাইকে যুক্ত করার আহবান জানাই। আর ভৃগুর মতো বলি আরো কেউ আছে কিনা, সার্চ দা খোঁজ চালাতে পারেন।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সোহানী আপা,
ডঃ এম এ আলী ভাই, চাঁদগাজী ভাই, আহমেদি জী এস ভাই এরা হচ্ছেন সামহোয়্যারইন ব্লগের এ্যাসেট। কেউ যদি ব্লগ সম্পর্কে কিছু জানতে চান আমি তাদের কারো একটি পোষ্ট পড়তে দিয়ে দেই - যেমন তেমন লোকের আক্কেল গুড়ুম হয়ে যায়।

ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

১৯| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

শাহিন-৯৯ বলেছেন:





কাল্পনিক ভালবাসা ভাইয়ের এক কমেন্ট অনুযায়ী জেনেছিলাম ব্লগার জুলভার্ণ একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা।
চমৎকার লেখাটির জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




শাহিন-৯৯ ভাই,
দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। কিশোর বীর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ ভাইকে পোষ্টে নিয়ে এসেছি, এছাড়া ব্লগে যদি আর কোনো মুক্তিযোদ্ধা থেকে থাকেন তাদের নাম ও তথ্য দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করবেন।

ধন্যবাদ শাহিন-৯৯ ভাই।

২০| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগারের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম।

ব্লগের বাকি সব মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযুদ্ধের স্বেচ্ছাসেবক আশ্রয়দাতা সহায়তাকারি সমর্থনকারি সকল ব্লগারদের বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




হাসান কালবৈশাখী ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ব্লগে এখন পর্যন্ত চারজন মুক্তিযোদ্ধা খোঁজে পেয়েছি এছাড়া ব্লগে আরো মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান পেলে আমাকে সহযোগতিা করবেন তাদের নাম ও তথ্য দিয়ে। আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।



২১| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৪

সোহানী বলেছেন: আপনি জী এস ভাইকে যুক্ত করেছেন দেখে আমি অবাক হয়েছি, কারন আমি জানতাম না উনার কথা। আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যাক্তিত্ব। কি লিখায় কি কমেন্টে রীতিমত যাদুকরি ক্ষমতা রাখেন তিনি। উনার লিখা শুরু করলে শেষ না ওয়া পর্যন্ত শান্তি মিলে না।

ব্লগার জুলভার্ণ একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা???...……..

খুব গর্ববোধ করছি এহেন মানুষদের সাথে ব্লগিং করার জন্য।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সোহানী আপা,
এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আপনার সাথে আমিও বলছি খুবই গর্ববোধ করছি এহেন মানুষদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি এটি আমাদের সৌভাগ্য।

২২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার আহমেদ জী এস একজন মুক্তিযোদ্ধা, জেনে খুবই ভালো লাগছে; উনার জন্য যথাযথ সন্মান রলো। ব্লগার হিসেবেও উনার তুলনা নেই।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




চাঁদগাজী ভাই,
মানুষ যে বহুরুপি, মানুষ যে ক্ষণে ক্ষণে রুপ পাল্টায় এটি আমার মনে হয় ব্লগে সবচেয়ে বেশী দেখেছেন আমাদের প্রিয় আহমেদ জী এস ভাই - তিনি মানুষকে চিনেছেন তার জীবনের প্রতিটি মহুর্তে মুহুর্তে। আহমেদ জী এস ভাই ইজ আ গ্রেট ব্লগার।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বাংলাদেশের সমগ্র জাতি আমরা আপনাদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ, আমরা আপনাদের কাছে চিরো ঋণী। সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আমি ঠাকুরমাহমুদ আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম জানাচ্ছি।
সালাম গ্রহণ করুন।

২৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তাদের শ্রদ্ধা জানাই । পোস্টের জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সেলিম আনোয়ার ভাই,
এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।


২৪| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: উনাদের সবাইকে শুভেছা।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





সত্যপথিক শাইয়্যান ভাই,
এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।


২৫| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মহান এই বিজয়ের দিনে আপনার এ লেখাটি পাঠে আনন্দ অনুভুতি প্রকাশের সঠিক ভাষা জানা নাই। হাজার মুক্তিযুদ্ধার ভীরে তাদেরই একজন হয়ে থাকতেই আনন্দ বেশী তারপরেও খুশীযে হ্ইনি তা নয়। আবেগতারিত হয়ে কোনদিন যে কোন মন্তব্যের ঘরে প্রসঙ্গক্রমে বলে ফেলেছিলাম মুক্তিযুদ্ধে প্রতক্ষ অংশ গ্রহণের কথা তা সঠিক মনে করতে পারছিনা। তবে যতদুর মনে পরে চাঁদ গাজী ও আপনার কোন পোষ্টে প্রসঙ্গক্রমে বলে ফেলেছিলাম মুক্তি যুদ্ধের কিছু প্রতক্ষ্য অভিজ্ঞতার কথা। সেটাযে এমন ভাবে ডালা মেলবে ভাবতে পারিনি । কিন্তু কত আর নীজকে চেপে রাখা যায় বলেনত, কোন না কোন ভাবে অনেক সময় নীজের অজান্তেই বের হয়ে যায় কিছু মুক্তিযুদ্ধের কথন ।

যাহোক, মনে পড়ে আমাদের কলেজের অনেক সহপাঠিই মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন। মনে পরে তাদের সাথে একসাথে কাধে কাধ রেখে রনাংগনে লড়াই এর কথা। যাঁরা সেদিন বীরের মত লড়ে দেশের স্বাধীনতার তরে অকাতরে হাসতে হাসতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন সেসব কথা মনে হলে বুকের ভিতরটা হু হু করে উঠে । আজকে এই বিজয় দিবসে তাঁদের কথাই বেশী মনে পরছে।
আমরা তো যারা বেঁচে আছি তারা লাল সবুজের পতাকা তুলে বিজয় দিবস পালন করছি, দেশের কষ্টার্জিত স্বাধিনতার আনন্দ ও সুফল ভোগ করছি । জিবীত মুক্তিযুদ্ধাদের অনেকেই দেশের রাস্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, বড় বড় পদ ও বিবিধ ধরনের সুবিধা ও স্বাধিনতার সুফল ভোগ করছি। কিন্তু যারা অকাতরে বীরের মত শত্রুর সাথে যুদ্ধ করে গুলী খেয়ে, মাইন বিস্ফোরনে তংক্ষনাত মৃত্যুবরন করেছেন এবং অনেকেই আহত হয়ে বিনা চিকিৎসায় পরে কাতরাতে কাতরাতে চোখের সামনে নীজের জীবনকে দেশের তরে দিয়ে গেলেন তাদের কথা মনে হলে চোখের অশ্রু বাধ মানেনা কিছুতেই। বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরে এসে তাঁর মা বাবা কিংবা বিধবা স্রীর কাছে সেই শহীদদের শেষ স্মৃতি চিহ্নটুকু তুলে দিয়ে মৃত্যু সংবাদ যখন শুনাতাম তখন বাড়ীজোরে শোকের মাতম দেখে কান্না রোধ করা যেতোনা কিছুতেই। সেই বীর শহীদদের রক্তমাখা স্মৃতিচিহ্ন (মৃত্যু পথযাত্রী কতক শহীদ বন্ধুদের অনুরোধ রক্ষার কারণে)সেই কঠীন দিনগুলিতে সযতনে বয়ে বেড়ানো কত যে কষ্টকর ছিল তা বলে বুজানো যাবেনা সহজে। সেসব স্মৃতি বলতে গেলে হয়ে যাবে বিশাল কাহিনী । তাই এই বিজয়ের দিনে শত আনন্দের মাঝেও নীজের ভিতরে নিরবধি বয়ে চলে শোকের অশ্রধারা ।

আমাদের জিবীত মুক্তিযুদ্ধাদেরকে যেভাবে আপনি ও অন্যান্য সহব্লগারগন শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানালেন তার জন্য সকলকে অন্তরের অন্তস্থল হতে কৃতজ্ঞতা ও ভালবাসা জানাই । সে সাথে আমাদের সকল শহীদ মুক্তিযুদ্ধা, তাঁদের পরিবার পরিজন, সেসাথে মুক্তিযুদ্ধাদেরকে সাহায্য করতে গিয়ে যারা শহীদ ও নির্যাতীত হয়েছেন, পাকবাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নিহত হয়ে যারা শহীদের কাতারভুক্ত হয়েছেন তাঁদের সকলের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, মহমর্মীতা ও ভালবাসা ।


প্রসঙ্গক্রমে একটি কথা বলতে ইচ্ছে করছে, যারা দেশের ভিতরে থেকে নীজ নীজ অবস্থানে থেকে নীজের জীবন ও বাড়ীঘরের নিরাপত্তার কথা না ভেবে রনাংগনের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সহযোগীতা করেছেন তারাও মুক্তিযুদ্ধার অভিধায় অভিহিত হওয়ার দাবী রাখেন। এটা শুধু তাদের দাবীই নয় তাঁরা মুক্তিযুদ্ধার স্বীকৃতিরও হকদার। তাদের সকলের মহান ত্যাগের ফলেই মুক্তি যুদ্ধ সাফল্যমন্ডিত হয়েছে। আমার মনে পরে পাক বাহিনীর ক্যাম্পে গেরিলা হামলা চালানোর সময় প্রাকপ্রস্তুতিমুলক গোয়েন্দা তৎপরতা চালনোর সময় নেহায়েত প্রয়োজনে মুক্তিযুদ্ধা পরিচয় প্রকাশ করা হলে এলাকার লোকজন বলতেন, বাবারা তোমরাতো রাতের বেলায় গুলাগুলি করে চলে যাবে, কিন্তু দিনের বেলায় পাকবাহিনী তাদের দেশীয় দোসরদেরকে সাথে করে নিয়ে এসে নির্বিচারে আমাদের বাড়ী ঘর জ্বালিয়ে দিবে । তারপরেও বলতেন ঠিক আছে, দেশের স্বাধিনতার জন্য, দেশকে হানাদারমুক্ত করার জন্য আমরা সর্বোচ্য ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তত। দেখা যেতো অনেক জায়গায় গেরিলা আক্রমনের পরে সেখানে বাড়ীঘরে ঘটত অগ্নিকান্ড, নিধনযজ্ঞ ওনির্যাতন। তাই সে সময়কার নির্যাতিত সকলের প্রতি রইল শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা।

আমার ধারনা আমাদের সমসাময়িক কালের ব্লগারদের মাঝে এখনো রনাঙগনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন অনেক মুক্তিযুদ্ধা আছেন যাঁদেরকে তাঁদের পোষ্টে কিংবা মন্তব্যের ঘরে তালাস করলে খুঁজে পাব। তাঁদেরকে খুজে পাই কিংবা না পাই,তাঁদের সকলের প্রতি রইল অকৃতিম ভালবাসা ও শ্রদ্ধা।

এ ব্লগের জনপ্রিয় ব্লগার চাঁগগাজীকে মুক্তিযুদ্ধা হিসাবে জানতাম। আজ আপনার পোষ্টের কল্যানে ব্লগের স্বনামধন্য আরেক জন গুণী ব্লগার সুপ্রিয় আহমেদ জী এস ভাই এর কথা জানতে পারলাম । এই দুই জনের প্রতি রইল শ্রদ্ধাঞ্জলী।

আমার অতি সাধারণ মানের লেখা নিয়ে যা বলেছেন তাতে আমার অনুপ্রেরনাই বাড়ে। আমি সকল ব্লগারদের সাথে মিলেমিশে তাঁদের মতই একজন হয়ে থাকতে চাই।

আমাদেরকে নিয়ে পোষ্ট দেয়ার জন্য রইল শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা ।পোষ্ট টি প্রিয়তে গেল ।

ভাল থাকুন, জীবন হোক সর্বাঙ্গ সুন্দর এই কামনা রইল ।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বাংলাদেশের সমগ্র জাতি আমরা আপনাদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ, আমরা আপনাদের কাছে চিরো ঋণী। সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আমি ঠাকুরমাহমুদ আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম জানাচ্ছি।
সালাম গ্রহণ করুন।

২৬| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: সামু ব্লগ গর্বিত এই তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে।
তারা ভালো থাকুক। সুস্থ থাকুক।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




রাজীব নুর ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

২৭| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনিসহ ওনাদের তিনজনকে ফুলেল শুভেচ্ছা।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মোঃ মাইদুল সরকার ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

২৮| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২০

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: তিনজন প্রিয় ব্লগার তিনজনই তুমুল জনপ্রিয়, আহমেদ জি এস ভাইয়ার সাথে আমার দুইবার দেখা হয়েছে, চমৎকার একজন মানুষ কিন্তু জানা ছিল না তিনি মুক্তিযোদ্ধা। মহান এই বিজয় দিবসের দিনে তিন বীরযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




তারেক_মাহমুদ ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

২৯| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩০

নতুন নকিব বলেছেন:



ঠাকুর মাহমুদ ভাই,
আমি তো আপনাকেও একজন মুক্তিযোদ্ধা বলেই জানতুম। আপনিসহ পোস্টে স্মরিত তিন মহান যোদ্ধাকে সশ্রদ্ধ সালাম। পোস্টে +++

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নতুন নকিব ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, নতুন নকিব ভাই আপনাকেও সশ্রদ্ধ সালাম। এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৩০| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬

রাশিয়া বলেছেন: আজকে অনেকেরই শখ হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা হবার। কেউ কেউ আফসোস করে কেন যে মুক্তিযুদ্ধের আগে জন্ম হইলনা, তাইলে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এখন বুক ফুলিয়ে চলতে পারত। কিন্তু তখনকার বাস্তবতা কি যে কঠিন ছিল, সেইসময়ে যারা অবরুদ্ধ পশুর জীবন নিয়ে বেঁচে ছিল, তারা জানে। আমার এক চাচাকে দুইবার ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে ধরে আনা হয়। দ্বিতীয় বার হুমকি দেয়া হয় এই বলে যে এরপর আর ফেরত আনবোনা - জায়গায় মেরে রেখে আসব। একজন ফুপা আমাকে বলছিলেন, সেই সময় পরিস্থিতি ছিল এরকম - মনে হত কোনভাবে এমন জায়গায় যাওয়া যেত, যেখানে কেউ খুঁজে পাবেনা।

একজন দূর সম্পর্কের মামাকে ঘরের চৌকির তলার গর্ত থেকে তুলে নিয়ে ব্রাশ ফায়ার করেছিল খানেরা। কাজেই মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারাটা কোন সৌভাগ্য নয় - সেটা সেই সময়ে ছিল নির্মম বাস্তবতা।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাই রাশিয়া,
দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৩১| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,





আপনার এই পোস্ট দেখে শত ব্যস্ততার মাঝেও লগ-ইন হতে হলো।
আমার নামটি যে আপনি কোথায় পেলেন জানিনে, তবুও ধন্যবাদ আপনাকে এবং সহ-ব্লগারদের যারা আমাকে সম্মান জানিয়েছেন।
যেহেতু আপনি আমাকে এই মঞ্চে এনে দাঁড় করিয়েছেন সে কারনেই আমার ভূমিকার কথা সবাইকে জানানো আমার কর্তব্য বলে আমার মনে হয়েছে।
আমি বন্দুক হাতের প্রথাগত কোনও মুক্তিযোদ্ধা নই। এ প্রসঙ্গে শ্রদ্ধেয় ডঃ এম এ আলীর এই কথা - " যারা দেশের ভিতরে থেকে নীজ নীজ অবস্থানে থেকে নীজের জীবন ও বাড়ীঘরের নিরাপত্তার কথা না ভেবে রনাংগনের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সহযোগীতা করেছেন তারাও মুক্তিযুদ্ধার অভিধায় অভিহিত হওয়ার দাবী রাখেন।" (যা আমারও মনের কথা) জানিয়ে বলতে চাই------
আমি মূলত ৭০-৭১ এর একজন সাংস্কৃতিক কর্মী। কোনও প্রথাসিদ্ধ রাজনীতি না করেও আমরা কয়েকজন শুধুমাত্র দেশের জন্যে ৬৯ এর গণ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় "গণসঙ্গীত" এর একটি দল গড়ে তুলি। প্রায় প্রতি দিনই সে দল নিয়ে আমরা বরিশাল শহর সহ প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকাগুলোর কোথাও না কোথাও গিয়ে গণজাগরণমূলক দেশাত্ববোধক গান, জারী, ভাটিয়ালী ( বলে রাখি - গ্রামের মানুষ কিন্তু আধুনিক দেশাত্ববোধক গান বোঝেন না। তাই প্রতিটি জায়গাতেই জনগণের চাহিদা বুঝে চাষী-জেলে-মাঝির মনের কথা তুলে আমাদেরকে গান বাঁধতে হয়েছে তৎক্ষনাত, সুর দিতে হয়েছে এবং গাইতে হয়েছে তখন তখনি। এতে মনের কথা মিলে যাওয়ায় গ্রাম বাঙলার জনতার মূহুর্মূহ উল্লাস আমাদেরকে আরো শক্তি যুগিয়েছে। এটা খুব কঠিন একটি কাজ। তখন রক্তে আমাদের জোয়ার বইছে স্বাধীনতার। এই কঠিন কাজ আমরা প্রানের আবেগেই করে ফেলেছি অনায়াসেই। ) পরিবেশন করে বাঙালীর আকাঙ্খিত স্বাধীনতার জোশকে জাগিয়ে তুলতে চেষ্টা করি। সে সময় সবত্রই আমরা প্রভূত প্রশংসা পেয়েছি সর্বস্তরের মানুষের কাছ থেকে। গ্রামে-গঞ্জে মশার কামড় খেয়েও রাত-বিরেতে আমরা গান গেয়ে গেছি। গ্রামের অনেক মানুষ সামর্থ্য না থাকা সত্বেও আমাদের আপ্যায়ন করেছেন ভালোবাসায়। খড় পুড়িয়ে মশা তাড়িয়েছেন । ২৫ মার্চের কালো সন্ধ্যা থেকে আমরা গনসঙ্গীত পরিবেশন করছিলুম বরিশাল শহরের সদর গার্লস স্কুলের সামনে কো-অপারেটিভ অফিসের মাঠে । রাত ১০ টার দিকে অনুষ্ঠান শেষ হলে শহরের সদর রোডে নাম করা " গুলবাগ" হোটেলে খেতে বসি। ঐ সময় "গুলবাগ" হোটেলের প্রানপুরুষ হক ভাই রাত সম্ভবত ১১টা পরে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমাদের কে বলেন- "তোরা এহোনও বৈয়া রইছো। ঐদিকে ঢাকায় গোলাগুলি শুরু হৈয়া গেছে। অবস্থা খুব খারাপ। বাসায় যা সবাই। " আমরা জানতাম এরকম কিছু একটা হবেই। আমাদের দলের বন্ধুরা ঠিক করলাম আরো কয়েকজন মিলে কাল খুব সকালে পুলিশ লাইনে গিয়ে রাইফেল ( থ্রী নট থ্রী) জোগার করতে হবে। শুরু করতে হবে শত্রু নিধন..............
এরকমটাই ছিলো আমার ভূমিকা। ডিসেম্বরের ৮ তারিখ বরিশাল পাকসেনা বিহীন হয় পড়ে মানে মুক্ত হয়। ৯ তারিখে বরিশালের চাঁদমারী এলাকায় ত্রিশ গোডাউনে (পাক বাহিনী ও আলবদরদের একটা কমান্ড সেন্টার) আশ্রয় নেয়া আলবদরদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল সংঘর্সের পরে যথারীতি আলবদরদের ধরা হয়, কাউকে কাউকে মেরে ফেলাও হয়। পরে সেখান থেকে পাওয়া নথিপত্রে জানতে পারি বরিশালের বুদ্ধিজীবী হত্যার তালিকাতে আমাদের গণসঙ্গীত দলের মূল হোতাদের নামও ছিলো, যেখানে ছিলো আমার নামটিও ।

সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে আমার এই সামান্য অংশগ্রহন অতি তুচ্ছ। সরাসরি রণাঙ্গনে অংশগ্রহনের অক্ষমতার কারনেই আমি কখনও নিজেকে "মুক্তিযোদ্ধা" বলিনে। এটুকু আমার সরল স্বীকারোক্তি যাতে সহব্লগাররা আমাকে কোনও বিশেষ আসনে না বসান।
ব্লগে হয়তো সত্যিকারের সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা আরও আছেন। তাদের কথা নিশ্চয়ই লিখবেন, যারা জানেন বলবেন তারাও। শুরু যখন করেছেন, অনেকখানি শেষ তো করতেই হবে।

চাঁদগাজী , ডঃ এম, আলী সহ সকল অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম।

শুভেচ্ছান্তে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বাংলাদেশের সমগ্র জাতি আমরা আপনাদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ, আমরা আপনাদের কাছে চিরো ঋণী। সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আমি ঠাকুরমাহমুদ আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম জানাচ্ছি।
সালাম গ্রহণ করুন।

৩২| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০০

অপু তানভীর বলেছেন: আমার জানা মতে ব্লগে আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা আছেন । তাদের ভেতরে একজন হচ্ছেন ব্লগার জুল ভার্ন ভাই । বেশ কিছুদিন তিনি ব্লগ থেকে দুরে ছিলেন । সম্প্রতি আবার তাকে ফিরে আসতে দেখলাম ।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অপু তানভীর ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৩৩| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩২

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আমার প্রিয় এই দিনজন ব্লগার মুক্তি যুদ্ধার প্রতি স্ব-শ্রদ্ধ সালাম। আরো যারা আছেন আমাদের সাথে এই ব্লগে পথ পদর্শক সবাইকে শ্রদ্ধার সাথে জানাচ্ছি। আপনারাই আমাদের অহংকার।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মাহমুদুর রহমান সুজন ভাই,
মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দেশের সূর্য সন্তান। ১৯৭১ এ নয় মাস নির্ঘুম রাত পাড়ি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা আর তাই আজ আমরা স্বাধীন দেশে শান্তিতে ঘুমোতে পারি। আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৪| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪১

নতুন বলেছেন: আজকের আমি এর পেছনে সকল মুক্তিযোদ্ধা,শহীদ, বিরাঙ্গনাদের ভুমিকা আছে।

নতুবা স্বাধীনদেশের নাগরিক হিসেবে বিশ্বে মাথা তুলে থাকতে পারতাম না।

যারা যুদ্ধে গিয়েছিলেন তারা সময়ের প্রয়োজনেই গিয়েছিলেন, জীবন বাচাতে পালিয়ে যান নি, মৃত্যু ঝুকি নিয়েছিলেন। এটাই বীরের কাজ, দেশপ্রেমিকের কাজ, ভালো মানুষের কাজ।

হ্যাটস অফ টু দেম। সকল অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নতুন ভাই,
মুক্তিযোদ্ধারা অকুতোভয় সাহসী বীর ছিলেন, এরা বাংলাদেশের সূর্য সন্তান। যাদের কারণে দেশ স্বাধীন। যাদের কারণে আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলি। যাদের কারণে আমরা তিনবেলা পেট পুরে ভাত খেতে পারি। বাংলাদেশের দুর্দিনে এই সাহসী সন্তানেরা দেশ মায়ের সম্মানে ঝাপিয়ে পরেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। তাদের কাছে আমরা চিরো কৃতজ্ঞ।

৩৫| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: চাঁদ্গাজী ছাড়া বাকিদের কথা জানা ছিলো না। গর্বে বুক ভরে উঠলো ইনাদের সাথে ব্লগিং করছি জেনে। অনেক ভালোবাসা এবং শুভকামনা রইলো।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




হাসান মাহবুব ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৩৬| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:


আপনার পোস্ট পড়ার পর দেখি ধীরে ধীরে এটা আরো অসাধারণ সুন্দর একটি পোস্ট হয়ে গেছে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৩৭| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: উনারা মুক্তিযোদ্ধা জানতাম না । আজ তোমার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো
উনাদের শ্রদ্ধা জানাই অনেক অনেক

আর আমিও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান
আমার আব্বার নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুর রউফ

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কাজী ফাতেমা ছবি আপা,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৩৮| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

তারেক ফাহিম বলেছেন: সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




তারেক ফাহিম ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৩৯| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: অনেক কারণেই এই পোষ্টটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অনেক কিছুই জানলাম এবং অনেক বড় গর্ব করার মতো তথ্য জানলাম।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সবসময়ই বিনম্র শ্রদ্ধা আমার। তবে, এই পোষ্টে বর্ণিত মুক্তিযোদ্ধা ব্লগারদের প্রতি দরদমাখা বিনম্র শ্রদ্ধা রইল।
তাঁদের আনন্দময় দীর্ঘ জীবন প্রার্থনা করি।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বিএম বরকতউল্লাহ ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪০| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ এম,এ,আলী ও চাঁদগাজী ভাই এবং আহমেদ জী এস ভাই কে সশ্রদ্ধ সালাম।
উনাদের প্রতি ব্লগিং এর সময় ও বিমম্র শ্রদ্ধা সবসময় ই ছিল, আছে এবং থাকবে। আমি গর্বিত উনাদের সহ ব্লগার হতে পেরে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মনিরা সুলতানা আপা,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪১| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২০

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: চার-চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে একই ব্লগে লিখতে পারছি জেনে কৃতার্থ বোধ করছি। ওনাদের প্রত্যেকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি। সেই সাথে ১০ নং মন্তব্যের প্রত্যুত্তর থেকে আপনার পরিবারেও চারজন মুক্তিযোদ্ধা(যাদের একজন দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন) জেনে আপনার এবং আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা বহুগুণ বেড়ে গেল। আমি নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধার নাতি।
সামুর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগারদের সকলের সাথে ঘটা করে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ওনাদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের সুযোগ করে দেওয়ায় আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আমার সালাম নেবেন। ভালো থাকুন!

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




রূপম রিজওয়ান ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪২| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৪

সুপারডুপার বলেছেন: বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম। শ্রদ্ধেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্লগারদের আমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য মাহমুদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সুপারডুপার ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪৩| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: উল্লেখিত ব্লগারদের মধ্যে আহমেদ জিএস এবং জুলভার্ন দুজনই শুধু মুক্তিযুদ্ধা নন প্রথিতযশা ব্লগার বিখ্যাত ব্লগার তাদের কাছ থেকে ব্লগিং বিষয়ে অনেক শেখার আছে, ডঃ এম এ আলী জ্ঞানের ভাণ্ডার ব্লগিং এ নতুন হলেও তার পোস্ট গুলো কমেন্ট গুলো বেশ তথ্যবহুল প্রেরণা দায়ক আর আমাদের বুড়ো খোকা ড্যাশিং চাঁদগাজী একজন প্রাজ্ঞ সমালোচক সাম্প্রতিক রাজনৈতিক হালচাল তার শানিত বক্তব্যে আরো ধারালো হয়ে ওঠে বুড়োমনিটা আরো পরিণত হবে ব্লগিং এ বয়স বাড়ার সাথে ।তিনি যে পরিমান সময় দেন ব্লগিং এ সত্যি বিস্ময়কর। মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতা আমার কাছে বরাবরই প্রকট একটা বিষয় দারুন গর্বের ভালোবাসার আর বেদনা মিশ্রিত বীরত্বমাখা আখ্যান । আহমেদ জিএস জুলভার্ন ডঃ এম এ আলী তাদের কমেন্টে উদ্বুদ্ধ হন অনেকে নতুন পোস্ট লেখার । আর চাদগাজী সময়ের দর্পন । শুধু প্রতিফলন টি বুঝে নিতে হয় । মানুষ শতভাগ মুক্তমনা কেউ নন জন্মগত সমাজগত ব্লা ব্লা গত কারণে । তারপর স্বার্থপরতা তো আছেই । উনাদের বিচরণে ব্লগ আরো সমৃদ্ধ হোক । না বলে পারছিনা আমি মুগ্ধ একজন ঘুড্ডির পাইলটে, একজন শিপু ভাই, একজন নীল সাধু, একজন অন্যমনষ্ক শরৎ, একজন কান্ডারী অথর্ব , শের শায়েরী, একজন ঠাকুর মাহমুদের উপস্থিতিতে পুরো ঘুণে ধরা সমাজটা যেনো বদলিয়ে দেয়ার সক্ষমতা তাদের আছে । জানা আপু নিশ্চয়ই
আশায় বুক বাঁধতেই পারেন সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ হয়তো বিরচিত হবে এমন শত শত মানবপ্রেমিক দেশপ্রেমিক নিবেদিত প্রাণ মানুষ তথা ব্লগারদের হাত ধরে । এখানে আমি আরও উল্লেখ করতে চাই আমাদের জুন আপু, আরজুপনি, সোহানী আপু ,মুনীরা আপু শিখা রহমান তারা চুম্বকের মতই পাঠকের দৃষ্টি কেড়ে নেন তাদের অনুপস্থিতিতে ব্লগে কেমন পানসে হয়ে যায় । একজনের নাম বললাম না ইচ্ছে করেই এত কবিতা আর কাউকে নিয়ে তামাম পৃথিবীতে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। বিনোদন আর জ্ঞানের ষোল আনা যেন ব্লগে আছে। আমার অন্তত তাই মনে হয় ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সেলিম আনোয়ার ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪৪| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৪

জাহিদ হাসান বলেছেন:

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছি।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




জাহিদ হাসান ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪৫| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

জুল ভার্ন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই তিন শ্রদ্ধেয় মুক্তি যোদ্ধার সাথে আমার নামটা স্মরণ করার জন্য।

আমার মুক্তি যুদ্ধে যোগ দেওয়া আকস্মিক নয়, বরং ঘটনা পরম্পরায় প্রাসঙ্গিক ছিলো। আমাদের বৃহত্তর পরিবারের অনেকেই ঐতিহ্যগত ভাবে মুসলিম লীগ, আওয়ামী লীগ ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিল।

স্কুলের নিচু ক্লাসের ছাত্র থাকতেই আমি আউব বিরোধী অনেক মিছিল মিটিংয়ে অংশ নিয়েছি। স্কুল পালিয়ে বংগ বন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির জন্য অনশন ধর্মঘটে অংশ নিয়েছি। "জেলের তালা ভাংবো, শেখ মুজিবকে আনবো", "জেলের তালা ভেংগেছি, শেখ মুজিবকে এনেছি" মিছিল করে স্কুল থেকে বহিস্কৃত হয়েছি।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমি জিনেদাহ ক্যাডেট কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র। নতুন বছরের ছুটি কাটিয়ে ফেব্রুয়ারীতে কলেজে ফিরে যাই। আমাদের কলেজ প্রিন্সিপাল লেঃ কর্ণেল রহমান স্যারকে পাক সেনারা নির্যাতন গুলি করে হত্যা করে। তার দুইদিন পর ৮/১০ জন সিনিয়র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর) ক্যাডেটদের সাথে আমিও ফজরের ওয়াক্তে দেয়াল টপকে ক্যাম্পাস ছাড়ি। কলেজে আমার স্থানীয় অভিভাবক ছিলেন আমার খালু এমএম কলেজের কেমেস্ট্রির প্রফেসর শমসের আলী। উদ্দেশ্যহীন ভাবে রাতে যশোর খালুর বাসায় পৌঁছি। ওখানে পৌঁছে জানতে পারি ঢাকায় ধানমণ্ডি ও কলাবাগানে আমাদের পৈত্রিক বাড়ি ও বড়ো ফুফা মহিউদ্দিন আহমেদ(ন্যাপ নেতা, পরে আওয়ামী লীগের এমপি), কলাবাগান ছোট ফুফুর বাড়ি, গ্যান্ডারিয়ায় আমার বড়ো চাচার বাড়ি পাক সেনারা পুড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের পরিবারের সবাই বরিশাল, গোপালগঞ্জ, চিতলমারী সহ বিভিন্ন স্থানে নিরাপদ আশ্রয়ে আছে। আমার দুই মামাকে(ঢাবির ছাত্র) ২৫ মার্চ পাক সেনারা হত্যা করেছে। খালুর বড়ো ছেলে বর্ডার পেরিয়ে ইন্ডিয়া চলে গিয়েছে। ছোট জন এমএম কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র পালানোর সুযোগ খুঁজছে... আমাকে বরিশাল গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার নামে শহর ছাড়া মানুষের সাথে আমাকে নিয়ে রওয়ানা দেয়। অসংখ্য ঘরছাড়া মানুষের সাথে হেঁটে দৌলতপুর, খালিশপুর, খুলনা, রুপসা নদী পার হয়ে চারদিনে বাগেরহাট পৌঁছি। সেখান থেকে পায়ে হেটে(দিনের বেলা কোথাও ঘাপটি মেরে থাকি আর রাতে হেঁটে চলি, কখনো কখনো নৌকায়)চিতলমারী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর হয়ে বরিশাল পৌঁছাতে আরো দশদিন কেটে যায়।

আমাদের বৃহত্তর পরিবারে অনেক সদস্যই সেনা নৌ বিমান বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা। যেমন-আমার আব্বা, দুই চাচা, চাচাতো ভাই, মামা সহ অনেকেই সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তা। আমার বড়ো ভাই ইপিআর হেড কোয়ার্টার পিলখানায় ডেপুটি ডাইরেক্টর হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ২৬ মার্চ একাধিক সমরাস্ত্র নিয়ে পালিয়ে বরিশাল গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে যুবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছেন। অন্য ভাই ফৌজদার হাট ক্যাডেট কলেজ থেকে পাশ করে সেনা কমিশন্ড অফিসার হিসেবে রিক্রুট হয়ে আছেন যার এপ্রিল মাসেই কাকুলে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে জয়েন করার কথা। এঁরা সবাই মুক্তি যুদ্ধ করার সিদ্ধান্তে অটল। আমাদের পরিবারের বিভিন্ন জনের নামে লাইসেন্স করা একাধিক বন্দুক, পিস্তল, রিভলবার ও পয়েন্ট টুটু বোর রাইফেল ছিলো -সেগুলো নিয়েই চলছে প্রশিক্ষণ।

ততকালীন পটুয়াখালী জেলার বামনা থানা ও পার্শ্ববর্তী সীমানা বরিশাল জেলার মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া, কাঠালিয়া থানার সংযোগ স্থল নিয়ে বিরাট এলাকা যোগাযোগ বিহীন অজপাড়াগাঁ। এই এলাকার বুকাবুনিয়া নামক দুর্গম অজপাড়ায় ক্যাপ্টেন শাজাহান ওমর (বীর উত্তম), ক্যাপ্টেন মেহেদী ইমাম (বীর বিক্রম), অনারারী ক্যাপ্টেন আলমগীর(বীর প্রতীক), লেঃ জাহাঙ্গীর (বীর প্রতীক), আঃ মজিদ মাস্টার (বীর প্রতীক) সহ অনেক সেনাবাহিনীর অফিসার মুক্তি যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্বে একটি একটা মুক্তি যোদ্ধা দল গড়ে তোলেন এবং কাছাকাছি থানা, পুলিশ ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে যেতে থাকে। একই সাথে বিভিন্ন গ্রুপ করে প্রশিক্ষণের জন্য ছাত্র যুবকদের ইন্ডিয়া পাঠাতে থাকেন। আমি আগে থেকেই ছোট অস্র চালাতে পারতাম। আমাকে সহ ১০ জন তরুণদের নিয়ে একটা গ্রুপ করা হয় মুক্তি যোদ্ধা ইনফর্মার হিসেবে, যাদের মধ্যে বয়সে আমি সর্ব কনিষ্ঠ। যদিও আমাদের দশ জনকেই স্মল আর্মস চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে কিন্তু আমাদের মূল কাজ ছিলো পরবর্তী আক্রমণ টার্গেট রেকি করে বিস্তারিত তথ্য নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো এবং ছোট ছোট অস্রের চালান এক ক্যাম্প থেকে দূরবর্তী অন্য ক্যাম্পে পৌঁছে দেওয়া। ক্যাম্প বলতে অবশ্যই কোন কনভেনশনাল ক্যাম্প নয়, বিশেষ কোনো বাড়ি বা ব্যক্তিদের কাছে অস্র, সংবাদ পৌঁছে দেওয়া। প্রায় আট মাস আমি আমার উপর ন্যস্ত দায়িত্ব, কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করে আমাদের সাব সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন শাজাহান ওমর, ক্যাপ্টেন মেহেদী ইমাম স্যারদের প্রসংশা পেয়েছি।

যুদ্ধ শেষে অনেক মুক্তি যোদ্ধাই তাদের অস্র যথাযথ ভাবে জমা না দিয়ে (মূলত অস্র জমা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো দিক নির্দেশনা না থাকায়) যে যেমন পেরেছে যেখানে সেখানে আন অফিশিয়াল রেখে গেছে, কেউ কেউ পছন্দের একাধিক অস্র নিয়ে চলে গেছে। আমিও আমার পছন্দের একটা পয়েন্ট টুটু বোর রাইফেল নিয়ে এসেছিলাম। বড়ো ভাইর নির্দেশে সেটা যখন থানায় জমা দেই তখন আমাকে একটা রিসিভ কপি দেওয়া হয়। সেই অস্র জমা দেওয়ার রিসিভ কপি, ইউনিট কমান্ডার, কোম্পানি কমান্ডার, সাব সেক্টর কমান্ডার যাদেরকে লিখিত সনদ দিয়েছেন তাদেরকেই জেনারেল ওসমানীর সিগনেচার করা সনদ দেওয়ার কথা থাকলেও জেনারেল ওসমানী স্বাক্ষরিত সেই সনদ গণহারে বিলি করতে দেখেছি।

উল্লেখ্য যে, সারাদেশের বিভিন্ন এলাকা ভাগ করে যখন ১১ টা সেক্টর গঠিত হয় তখন বৃহত্তর বরিশাল জেলা, পটুয়াখালী জেলা, ফরিদপুর জেলা ও খুলনা জেলার বিরাট এলাকা নিয়ে গঠন করা হয় নয় নম্বর সেক্টর। যার সাব সেক্টর হেড কোয়ার্টার ছিলো এই বুকাবুনিয়া নামক দুর্গম অজপাড়া- যা মুক্তি যুদ্ধের পুরোটা সময়ই মুক্তাঞ্চল ছিলো। ওই দুর্গম অজপাড়া গাঁয়ে কোনো দিন পাক সেনারা যেতে পারেনি। কিন্তু এখান থেকেই বৃহত্তর বরিশাল, পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন এলাকার পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এদেশীয় সহযোগীদের উপর আক্রমণ পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হয়েছে।

সাব সেক্টর হেড কোয়ার্টার এলাকার মুরব্বিরা এখনো আমাকে মনে রেখেছেন অত্যন্ত গর্ব ও সম্মানের সাথে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বাংলাদেশের সমগ্র জাতি আমরা আপনাদের কাছে চিরো কৃতজ্ঞ, আমরা আপনাদের কাছে চিরো ঋণী। সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আমি ঠাকুরমাহমুদ আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম জানাচ্ছি।
সালাম গ্রহণ করুন।

৪৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৫৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধা !!
শুধু বয়স কম হবার কারনে (৫ম শ্রেণির ছাত্র)
আসল অস্ত্র হাতে নিতে পারিনাই
তবে খেলনা পিস্তল নিয়ে অনেক
যুদ্ধ করেছি। উজিরপুরের হেমায়েত
বাহিনী প্রধান হেহেমায়েত উদ্দিন, বীর বিক্রম
আমার হাতে বানানো অস্ত্র দেখে উ্ৎফুল্ল হয়ে ছিলেন।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নূর মোহাম্মদ নূরু ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪৭| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
পরম সৌভাগ্য এই দেশে জন্মেছি বলে। কাদের সাথে ব্লগিং করছি সেটা মনে হলেই গর্ববোধ করছি , ব্লগিং লাইফে সুবিশাল প্রাপ্তি।
আপনার পোস্টের চার জনই আমার প্রিয় ব্লগার। ব্লগ ডে তে ইনাদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান আমাদের একান্ত কর্তব্য বলে মনে করি।
জানি ইনারা কোন ব্যক্তিগত প্রাপ্তির আশায় রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েননি। এনারা লড়ে ছিলেন ভালো রাখার জন্য , সুন্দর আগামীর জন্য।
সকলের প্রতি শ্রদ্ধা। পোস্ট প্রিয়তে নিলাম স্যার ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




স্বপ্নবাজ সৌরভ ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪৮| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫০

আমি তুমি আমরা বলেছেন: বাহ, চারজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে একই প্লাটফর্মে ব্লগিং করছি জেনে ভাল লাগল। তাদের সকলের জন্য শ্রদ্ধা রইল।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি তুমি আমরা ভাই,
বাঙ্গালীর শ্রেষ্ট সন্তান ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, এখন পর্যন্ত সামহ্যোয়ারইন ব্লগে চারজন মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ পেয়েছি তারা হচ্ছেন: -

১। মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ জী এস
২। মুক্তিযোদ্ধা ডঃ এম এ আলী
৩। মুক্তিযোদ্ধা চাঁদগাজী
৪। কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জুল ভার্ণ

আমি ব্লগের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি। দেশের মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছেন পরশ পাথর, তাদের সাথে গল্প করতে পারা আসলেই সৌভাগ্যর বিষয়। আপনি যথার্থ বলেছেন আমরা ভাগ্যবান যে তাদের সাথে ব্লগিং করতে পারছি। ব্লগের সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম ও ভালোবাসা।

৪৯| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

মিরোরডডল বলেছেন: Salute to all of our heroes

১২ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৬:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বোন মিরোরডডল,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৫০| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঠাকুর মাহমুদ ভাই,

চমৎকার একটি বিষয়কে সামনে আনলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা চারজন ব্লগারকে জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে গভীর শ্রদ্ধা। পোস্টে ভীষণ ভালোলাগা। ++++
ধন্যবাদ আপনাকে।

নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




প্রিয় পদাতিক চৌধুরি ভাই,
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই চারজন সম্মানী মানুষ এরা সামহোয়্যারইন ব্লগের সম্পত্তি। স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা চারজন ব্লগারকে জানাই অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে গভীর শ্রদ্ধা।

আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। শুভ রাত্রি।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.