| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যয়
এই ব্লগে প্রকাশিত সমস্ত পোস্টের যাবতীয় তথ্য সম্পূর্ণ সত্য। অপরাধ ও গোপন পাপের সরেজমিন তদন্ত যাচাইপূর্বক প্রকাশিত। সহায়িকা ওয়েবসাইট ও তথ্যদাতার ঋণ স্বীকার করা হবে পোস্টে। ই-মেল : [email protected]
মেয়েটির নাম তাহিয়া তাবাসসুম আদৃতা (১৮-২২ ভাবতেই আশ্চর্য লাগছে প্রথম আলো, বিডিনিউজ২৪ এর মতো পত্রিকাগুলো একজন মানুষের সঠিক বয়স না জেনেই যা ইচ্ছা লিখে দিচ্ছে!)। কুমিল্লা থেকে তার ঢাকায় আসা মডেলিং/শোবিজের আলো ঝলমলে জগতে কাজ করার জন্য। এ কারণে পড়াশোনার উচ্চতর পাট না চুকিয়েই সরাসরি স্টিল মডেলিং দিয়ে শুরু। এ জগতে তাকে নিয়ে আসে ফারিয়া হোসাইন নামের এক তরুণী, যে নিজেও একজন মডেল। অল্প সময়েই সে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা, মডেলিং এজেন্সি এমনকি র্যাম্প মডেলিংয়েও কাজ করা শুরু করে। র্যাম্পের জগৎ খুবই বিচিত্র! র্যাম্প মডেলরা অস্বাভাবিক উন্মাদনায় হাঁটে স্টেজে এ কারণে তাদের রয়েছে নানা "স্ক্যান্ডাল"। বলিউডের "ফ্যাশন" বা হলিউডের "জিয়া" এ ধরণের ছবি দেখে আমরা পর্দার আলো ঝলমলে জগতের ভেতরের দৃশ্যটা দেখতে পাই। কীভাবে মাদক, অশ্লীলতা, দেহব্যবসা ঘিরে রেখেছে ফ্যাশন বা মিডিয়া জগতকে। কীভাবে মেয়েরা ব্যবহৃত হচ্ছে, বাধ্য হচ্ছে অবৈধ কাজকর্মে। আবার কেউ স্বেচ্ছায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে লোভে পড়ে, অসৎ সঙ্গে বা অধিক মুনাফা লাভের আশায়। অথচ এই মিডিয়া বা মডেলিং জগত একজন নারীর জন্য যে কী পরিমাণ ভয়াবহ আর অনিরাপদ তা আবারো প্রমাণিত হলো তরুণী আদৃতার লোমহর্ষক খুনের ঘটনার ভেতর দিয়ে। মাত্র ২০ বছর বয়সে জীবনাবসান ঘটলো একজন মানুষের, আর সবচাইতে কষ্টের বিষয় ঘাতকেরা তার লাশ দাফন করলো "বেওয়ারিশ" হিসেবে এবং তার নিরীহ, নিথর লাশটাকে প্রমাণ করতে চাইলো "টোকাই" বা "পতিতা"র লাশ হিসেবে! টোকাই, পতিতা এরা অস্পৃশ্য আমাদের পুঁজিবাদি ঘাতক সমাজে। আমাদের মুখোশ সমাজে এদের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়?!
না, আদৃতা কোনো টোকাই বা এ ধরণের মানুষ না। তার বাবা-মা আছে। আছে স্বামী (রেহান)। নিজের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে এই সত্যটা তারা প্রকাশ করে নাই আর সর্বোপরি আদৃতা ছিলো একজন উঠতি মডেল। স্বল্প সময়েই সে বেশ কিছু পণ্যের মডেল হয়েছিলো, যদিও বেশিরভাগই স্টিল ফটোগ্রাফি। আর সে কাজ করতো র্যাম্পে। তার স্বামী রেহানও একজন র্যাম্প মডেল। প্রায় ৭ মাস আগে তাদের গোপনে বিয়ে হয়েছিলো বলে জানিয়েছে রেহান। নিজেদের আসন্ন উজ্জ্বল (?) ক্যারিয়ারের কথা ভেবে হয়তো প্রকাশ করেনি। কথায় আছে, মানুষ দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝে না। এই তরুণেরা বিয়ে করে, প্রকাশ করে না, এক মায়াজালে আবদ্ধ থেকে বুনতে থাকে রঙ্গিলা স্বপ্ন আর হারিয়ে যায় অকালেই! মানবজমিন পত্রিকায় সংবাদ এসেছে এভাবে :
মডেলিং করতে গিয়েই গত রোববার দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরের দিন সোমবার রাত পৌনে ১০টায় মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের সি ব্লকের ১২/৬ নম্বর ভবনের ছাদ সংলগ্ন সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
বহুল প্রচারিত (!) প্রথম আলোতে :
মিডিয়াতে মডেল হিসেবে কাজ করা মেয়েদের একটা বড় অংশ মায়ের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারে না। আদৃতাও পারে নাই। এদের অনেকেই বলে, মায়ের অবাধ্য সন্তান। মা চান না মেয়ে মডেল হিসেবে কাজ করুক। কিন্তু এ কথা বেপরোয়া তরুণীদের কে বুঝাবে?
মানব জমিন পত্রিকায় :
নিহতের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, আদৃতা ছিলেন একজন র্যাম্প মডেল। মডেলিং করতে গিয়েই গত রোববার দুপুরের পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরের দিন সোমবার রাত পৌনে ১০টায় মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের সি ব্লকের ১২/৬ নম্বর ভবনের ছাদ সংলগ্ন সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ভবনের তৃতীয় তলার বাসিন্দা ও মানবাধিকার কর্মী নাজিয়া নাসরিন বলেন, 'ভবনের চতুর্থ তলায় জেনেসিস ভিউ মিডিয়া অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের অফিস। এ অফিসের লোকজনই প্রথম মেয়েটির লাশের সন্ধান দেয়। প্রথমে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মেয়েটি চেনে না বলে জানিয়েছিল। পরবর্তীতে তারাই মেয়েটিকে রাস্তার টোকাই হিসেবে প্রচার করে।'
তিনি আরও বলেন, 'জেনেসিস ভিউ মিডিয়া অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মোতালেব হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজেই রক্তের দাগ পরিষ্কার করেছেন। নাজিয়া নাসরিনকে বলেছেন, মেয়েটি টোকাই ছিল। তার পোশাক-পরিচ্ছদ ও কম দামী চুড়ি দেখে রাস্তার মেয়ে মনে হয়েছে। সম্ভবত তার পেশা ছিল পতিতাবৃত্তি। বাইরে কেউ হত্যা করে তাকে ওই ভবনের চারতলার সিঁড়িতে রেখে যেতে পারে।'
জেনেসিস ভিউ প্রতিষ্ঠানের এমন বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নিহতের ঘনিষ্ঠজনরা। এদের একজনের নাম রেহান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। তিনি বলেন, 'আদৃতার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় ৭ মাস আগে তাদের গোপনে বিয়েও হয়েছিল।'
আদৃতার মামা জি কে গাফফার বলেন, 'রোববার দুপুর থেকে আদৃতা নিখোঁজ ছিল। বন্ধ ছিল তার মোবাইল ফোন। অথচ দুপুরে মতিঝিল এজিবি কলোনিতে তার খালার বাসায় যাওয়ার কথা ছিল।'
তিনি আরও বলেন, 'আদৃতা প্রচন্ড জেদি মেয়ে ছিল। মাঝে-মধ্যে রাগ করে বান্ধবীদের বাসায় থাকতো। এ কারণে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে তেমন খোঁজাখুঁজি করেননি তারা। কিন্তু তিন দিন পরও যখন আদৃতাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তখন তাদের সন্দেহ হয়। তারা আদৃতার বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনদের বাসায় খোঁজ করেন। পরবর্তীতে মডেল কন্যার খুন সম্পর্কে পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর তারা আদৃতার হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হন।'
খালা রুমী বলেন, 'আদৃতা তার সঙ্গেই গোড়ানের একটি বাসায় থাকতো। তার বাবার নাম তৌহিদুল ইসলাম আজাদ। বাড়ি কুমিল্লায়। মায়ের নাম বেবি। তিনি থাকেন রাজধানীর মতিঝিলে এক বোনের বাসায়।'
আদৃতা জেনেসিস ভিউ নামের এক মডেলিং এজেন্সিসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলো। যেখানে সব কয়েকটি পত্রিকা সন্দেহ করছে জেনেসিস ভিউ এর পরিচালক মোতালেব হোসেনকে নিয়ে। ধারণা করা হচ্ছে খুনটা সে নিজেই করেছে এবং পরে জেনেসিস ভিউ আদৃতাকে "পতিতা" এবং "টোকাই" পরিচয় দিয়ে পুলিশের যোগসাজশে বেওয়ারিশ লাশ দাফন করার মতো ধৃষ্টতা দেখিয়েছে! এমনকি তারা আদৃতার দুটো মোবাইল ফোনসেটও গায়েব করে দিয়েছে। দুঃখের ব্যাপার পরিমল-কানিজের স্বপক্ষের শক্তি প্রথম আলো "জেনেসিস ভিউ দোষী" এ নিয়ে কোনো রিপোর্টই প্রকাশ করে নাই বরাবরের মতো!
সমগ্র ঘটনার পোস্টমর্টেম :
পুলিশ চলবে রাজনৈতিক, ক্ষমতাবান কুকুরদের ইশারায়। আমরা চলবো সত্যকে পুঁজি করে। সবচেয়ে কষ্টকর ব্যাপার পুলিশ যে চারজনকে গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দিয়েছে, খুনি হয়তো বা লুকিয়ে ছিলো তাদের মধ্যেই। এতটা নিশ্চিত হলো কীভাবে তারা যে খুনের সাথে তাদের কোনো যোগসাজশ নেই। যে বিল্ডিংয়ে একটি মডেল এজেন্সির অফিস সেখানে বাইরে থেকে কেউ এসে খুন করে লাশ রেখে যাবে? এজেন্সির মোতালেব হারামজাদা জানলোও না যে তার একজন মডেল ওখানে আছে? আর যখন জানতে পারলো তখন আবার না চেনার ভান করলো। ডিসগাস্টিং! প্রথম আলো থেকে কপি পেস্ট বন্ধ করলাম। অন্য এক ব্লগারের সংবাদপত্র পোস্ট থেকে নিচের অংশ কপি পেস্টেড :
মোহাম্মদপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, 'আদৃতার প্রেমিক রেহানও একজন র্যাম্প মডেল। আদৃতার খুনের রহস্য উদঘাটনের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মডেল কন্যাসহ ওই ভবনের আরও ১২-১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আদৃতার ঘনিষ্ঠজনদের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পরীক্ষা করে খুনের ঘটনাস্থল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।'
তিনি বলেন, 'যে ভবনে আদৃতার লাশ পাওয়া গেছে ওই ভবনেই আদৃতাকে খুন করা হয়েছে। তবে কারা খুন করেছে সে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার হয়নি।' তিনি বলেন, 'রোববার দুপুরের পরপরই তাকে খুন করা হয়েছে। আদৃতার ওড়না দিয়েই একাধিক ঘাতক শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করেছে। পরে ওড়না নিয়েই তারা পালিয়েছে।' তিনি বলেন, 'রোববার দুপুরের পর মডেল কন্যা ফারিয়ার ডাকে আদৃতা ধানমন্ডির একটি বিউটি পারলারে মেকআপের কাজ শেষ করে তাজমহল রোডের ওই ভবনে গিয়েছিল। এরপরেই ঘাতকদের হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।'
কে এই ফারিয়া ওরফে ফারিয়া হুসেইন?
ফারিয়া হুসেইন মূলত একজন মডেল। আইকন দ্য নেক্সট ডোর নামের এক মডেল গ্রুমিং প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। আইকনসের সাথে জড়িত ছিলো আদৃতা নিজেও। এর ফেসবুক পেইজ :
Click This Link
ফারিয়া ফ্যাশন জগতের কলঙ্ক, বিকৃত রুচির ফটোগ্রাফার অপূর্ব আবদুল লতিফ এবং ইশতিয়াক ইমন, আনিস এর পোষ্য একজন। তাদের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কও রয়েছে। এমনকি আদৃতাও ছিলো ইশতিয়াক ইমন এর মডেল। তবে সে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলো, ইমনের কুরুচিপূর্ণ চরিত্র সম্পর্কে জানার পর।
আনিসের সাথে অন্তরঙ্গ ফারিয়া :
ফারিয়া অবশ্যই জড়িত থাকতে পারে। কেন সে ফোন করে আসতে বলার পরপরই আদৃতা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায়। অথচ ঐদিন কোনো মডেলিং এর কাজই ছিলো না! একে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত।
কে এই ইশতিয়াক ইমন?
উপরের ছবিতে ফারিয়ার সাথে গোলচিহ্নিত সকলেই ফটোগ্রাফার ইশতিয়াক ইমন এর সাথে কাজ করে। বাঁ থেকে প্রথমজন (নাম এই মুহূর্তে সংগ্রহ করা যায় নাই), দ্বিতীয় রোজান আহমেদ, তৃতীয় জ্যাপ্পু আহমেদ, চতুর্থ ফারিয়া হুসেইন, পঞ্চম জন আলিফ। এবং সামনের সারিতে (নাম এই মুহূর্তে সংগ্রহ করা যায় নাই)। এই ইশতিয়াক ইমন (৩৮) একজন ধর্ষক।
ইশতিয়াক আহমেদ ইমন
এর নামে থানায় মামলা হয়েছে একাধিকবার। তরুণী মেয়েদের মডেলিংয়ে কাজ দেবার নাম করে সে ধর্ষণ করেছে নিজের স্টুডিও আরিয়ান-এ। এর মধ্যে অনেকেই হুমকি-ধামকির ভয়ে থানায় মামলা করে নাই তবে সাধারণ ডায়েরি করেছে। এমনকি কোনো কোনো মডেলের বয়ফ্রেন্ডকেও প্রকাশ্যে খুন করার হুমকি দিয়েছে ইশতিয়াক ইমন নামের এই নরপশু! ইশতিয়াক নিজেকে পরিচয় দেয় উত্তরার লাবণী-১ ও লাবণী-২ শ্যুটিং হাউজের মালিক লাবণী আহমেদের ভাই হিসেবে। লাবণী আহমেদের ব্যক্তিগত নাম্বারে যোগাযোগ করে জানা গেছে, ইশতিয়াক ইমন তার আপন ভাই। ইশতিয়াক বিবাহিত এবং এক ছেলে ও মেয়ের জনক। ছেলের নাম আরিয়ান। তার স্ত্রী তার অবৈধ কার্যকলাপ সম্পর্কে জ্ঞাত। ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে আরেক দুই মডেল নিবিড় আদনান নাহিদের (২৪) ও রেহানের (২৩) সাথে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য এই রেহান ওরফে আশিস কর্মকার মূলত আদৃতার বয়ফ্রেন্ড ওস্বামী।
নিবিড় আদনান নাহিদ
রেহান বাঁ থেকে সবার ডানে
আদৃতা ইমনের কাজ ছাড়ার পর সে প্রায়ই তাকে হুমকি দিতো বলে জানা গেছে।
আনিস, আদৃতার ২য় ফেসবুকে :
ইশতিয়াক ইমনের স্টুডিও আরিয়ানের ফেসবুক পেইজ : Click This Link
এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে ইমন।
অপূর্ব সম্পর্কে জানতে : Click This Link
আনিসুজ্জামান আনিস সম্পর্কে জানতে : Click This Link
রোজান ও আনিসের সাথে আদৃতা। প্রথম দিককার ছবি। আনিস সব মেয়েকেই বাধ্য করে তার সাথে ছবি তুলতে!
জেনেসিস ভিউ এর রহস্যময় আচরণ :
অলরেডি জেনেসিস ভিউ এর ওয়েবসাইট থেকে আদৃতার ছবি সরিয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে ফিমেল মডেল/নিউ ফেস ক্যাটেগরিতে তার ছবি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ! কিন্তু "ফারিয়া হুসেইন" এর ছবি বেশ ভালোভাবেই আছে। অর্থাৎ এই ফারিয়া জেনেসিস ভিউ এর সাথেও জড়িত।
লিংক : Click This Link
অথচ এখানেই ছিলো আদৃতার ছবি :
তাহলে বুঝা যাচ্ছে, আদৃতা খুনের ঘটনা আড়াল করতেই তার ছবি মুছে ফেলেছে মোতালেব হোসেন বরুণ। প্রথম আলোর সূত্রমতে, পুলিশ বেশকিছু ছবি জব্দও করেছে অফিস থেকে এবং একজন কর্মী পলাতক। যেখানে সে আদৃতার লাশের রক্ত পরিষ্কার করে, থানায় খবর দিয়ে "ভালোমানুষ" সাজতে চেয়েছিলো... ততটাই ধিকৃত হয়েছে/হতে হবে আদৃতাকে "না চেনার" ভান করে।
অবিলম্বে জেনেসিস ভিউ এর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রিমান্ডে নেয়া হোক। যাদের পুলিশ ছেড়ে দিয়ে মস্ত বড় ভুল করেছে। এটা কোনো "সুইসাইড" না এটা মার্ডার! তাদের গ্রেপ্তার করা হোক। সন্দেহভাজন হিসেবে ফারিয়া, ইশতিয়াক ইমন, অপূর্ব বা আনিস এদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। মিডিয়ায় সব কুকুরের লেজ এক সাথেই নড়ে। রেহান যেহেতু স্বামী এবং স্বীকার করেছে তাদের বিয়ে-প্রেমের সম্পর্ক, তাকে প্রয়োজনে আদৃতার শেষ কয়েক দিনের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে আবারো জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। কোনো হুমকি-ধামকি, এসএমএস বা ফটোগ্রাফার তাকে বিরক্ত করেছে কি না। ফোন কলের তালিকা থেকে যে আটটা নম্বর পুলিশ পেয়েছে, সেইসব সিমকার্ড হোল্ডারদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। আর একটা কথা, আসামি বা সন্দেহভাজন কখনোই স্বাভাবিক পদ্ধতিতে মুখ খুলবে না। পুলিশি প্রক্রিয়াতেই জেরা করা উচিত। মিডিয়ার মানুষ দেখে তারা এক্সট্রা খাতির পাবে তা তো হবে না! মরতে তো হলো নিরীহ আদৃতাকেই! এখন তার গায়ে কলঙ্কের কালিমা লেপছে ফারিয়া-মোতালেব-ইশতিয়াক ইমনরাই... আশ্চর্য বিশ্বাসঘাতক সব! ২০ বছরের একজন তরুণী হত্যার দায় এরা অস্বীকার করতে পারে না। এদের সবারই কোনো একটা "ব্যক্তিগত" বিষয় জড়িত আছে আদৃতার খুনের সাথে।
১. আদৃতাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে কি না জানাটা জরুরী। প্রয়োজনে লাশ কবর থেকে উঠিয়ে সঠিক ময়নাতদন্ত করা হোক। এতে আদৃতার আত্মা কষ্ট পাবে... কিন্তু ধর্ষণের পর হত্যা করা হলে, ঘটনা সম্পূর্ণ অন্যদিকে মোড় নিবে, অপরাধের সত্যতা মজবুত হবে এবং মোতালেবকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা যেতে পারে।
২.প্রতিহিংসাবশত খুন হতে পারে। ফারিয়া বা ইমন কেউ হয়তো আদৃতাকে সহ্য করতে পারে নাই। স্কুল পড়ুয়া ছেলেরা সহপাঠিদের খুন করেছে অতীতে। ফারিয়ার মতো মডেলরাও করাতে পারে। আশ্চর্য হবার কিছুই নেই!
৩.ফটোগ্রাফারদের কাজ ছবি তোলা। হুমকি ধামকি কেন? বিকৃত রুচির ইশতিয়াক ইমন নামের ফটোগ্রাফারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে।
৪.আনিসুজ্জামান আনিস, মূলত আনিসের কাছে ফারিয়াই নিয়ে গিয়েছিলো আদৃতাকে। আনিস-ইশতিয়াক ইমন-ফারিয়া-নাহিদ এরা নিজেরাই একটা "ক্রাইম চ্যানেল"। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এদের সংশ্লিষ্টতা আছে। হোক সেটা মাদকব্যবসা, দেহব্যবসা, নিজেরা করে অন্যদেরও করতে বাধ্য করে।
৫.ধর্ষণের পর ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করাটা বাংলাদেশে খু্বই কমন প্র্যাকটিস। আদৃতাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হাতের কাছে অন্য কিছু না পেলে ওড়না, বালিশ দিয়ে খুন করা হয়।
তার পরনে ছিলো চুড়ি, অর্থাৎ সে পারলার থেকে মডেলিং এর প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিলো জেনেসিস ভিউতে। সেখানে তাকে ডাকে ফারিয়া। ফারিয়ার অনুপস্থিতিতে মোতালেব ও তার সহযোগিরা তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ বেওয়ারিশ দাফন করেছে (সম্ভাব্য )। এর পেছনে ফটোগ্রাফার ইশতিয়াক ইমনদের মতো মানুষের ক্রোধও আছে।
৬.যদি ভাড়াটে কোনো খুনি খুন করে থাকে তাহলে ডেডবডি পুকুরে, নালা-নর্দমায়, জঙ্গলে না ফেলে সোজা বিল্ডিংয়ে বহন করে নিয়ে গেলো সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে?মোতালেব, নাজিয়া নাসরিনকে বলেছেন, মেয়েটি টোকাই ছিল। তার পোশাক-পরিচ্ছদ ও কম দামী চুড়ি দেখে রাস্তার মেয়ে মনে হয়েছে। সম্ভবত তার পেশা ছিল পতিতাবৃত্তি। বাইরে কেউ হত্যা করে তাকে ওই ভবনের চারতলার সিঁড়িতে রেখে যেতে পারে।' খুনটা যে জেনেসিস ভিউ এর দালানেই হয়েছে পুলিশ তো নিশ্চিত! আর ঐ দালানে থাকে কারা? স্বয়ং মোতালেব নিজেই যেখানে রক্ত পরিষ্কার করেছে, না চেনার ভান করেছে, সেখানে নাটের গুরুকে পুলিশ হাতে পেয়েও ছেড়ে দিলো? পুলিশ কি চায় আরো একজন তিন্নির মতো, দিনাজপুরের ইয়াসমিনের মতো সারা জীবন ধিক্কার জানাক নগ্ন পুলিশকে? তিন্নি খুনের পেছনে ছিলো রাজনৈতিক প্রভাবশালী অভি, এখানে আছে মোতালেব, পুলিশ কি মোতালেবকে অভি মনে করছে? আর ফারিয়াকে পুলিশ ধরলো না? আশ্চর্য!
৭.বিডিনিউজ২৪ এর বক্তব্য : মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বৃহস্পতিবার এক মহিলা এবং এক বয়স্ক লোক থানায় এসে এক তরুণীর ছবি দেখিয়ে বলে গত ৩০ অক্টোবর দুপুরের পর থেকে সে নিখোঁজ। তাদের ছবির সঙ্গে জেনেসিস ভিউ থেকে উদ্ধার করা এক জনের ছবি মিলে যায়।
বয়স্ক ব্যক্তি হলেন আদ্রিতার বাবা, তার সঙ্গে ছিলেন আদ্রিতার খালা।
পুলিশ কর্মকর্তা মাহমুদ বলেন, "পরে কিছু বিষয় খোঁজ নেওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যায় এই তরুণীর নাম আদ্রিতা। আদ্রিতা দুই-তিনটি প্রতিষ্ঠানের মডেল হিসেবে কাজ করেতেন।"
আদ্রিতার হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জেনেসিস ভিউয়ের কাউকে গ্রেপ্তার না করার বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা মাহমুদুল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, হত্যাকাণ্ডে তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
হায়রে বাংলাদেশের পুলিশ! নতুন কোনো মিথ্যা ধরার যন্ত্র আবিষ্কার করেছে তারা হয়তো! যে কারণে চেহারা আর গায়ে টাকার গন্ধ দেখে অপরাধী গ্রেপ্তার করে...
এ ধরণের মডেল এজেন্সি থেকে সাবধান, মেয়েরা
আরো আছে, মডেল ব্যাংক ডট কম
http://modelbank.com.bd/
ভার্চুয়োসো বিডি
http://www.virtuosobd.com/
এসব প্রতারক, ব্যবসায়ী মডেলিং এজেন্সি থেকে সাবধান। এরা কতটা অনিরাপদ আদৃতার মৃত্যুর ঘটনাই তা প্রমাণ করেছে। সবগুলোর সিইও একটা চরম ফালতু, মেয়েদের প্রতি দুর্বল, মাদকব্যবসায়ী বা ভাড়াটে অপরাধী। ঘরে স্ত্রী-সন্তান রেখে এই কুলাঙ্গারগুলো সর্বনাশ করে আদৃতাদের... মডেলিং এর লোভ দেখিয়ে... এর আড়ালে এরা দেহব্যবসা, মাদকব্যবসা করে যাচ্ছে। এর যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
ভার্চুয়োসোতে আদৃতার পোর্টফলিও
আমার এই লেখায় তুমি ফিরবে না ছোটবোন আদৃতা! তবুও তোমার এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও তদন্ত দাবি করছি বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক হয়ে। তোমার ন্যায্য বিচারের অধিকার আছে।
পরম শান্তিতে ঘুমিয়ো আদৃতা, আল্লাহ্ তোমাকে জান্নাতবাসী করুন।
সংযুক্তি :
১. বিডি নিউজ ২৪: Click This Link
২. মানবজমিনে বিস্তারিত
Click This Link
প্রতিবেদনটি তৈরীতে যারা সহায়তা করেছেন, ফটোগ্রাফার ইমনের বড় বোন লাবণী আহমেদ, মডেল চ, মডেল র, মডেল শ, মডেল জ, কিছু দৈনিক পত্রিকা ও আদৃতার বন্ধুরা সবাইকে অজস্র ধন্যবাদ। মোতালেব হোসেন বরুনকে ফোনে পাওয়া যায় নি (০১৬১১-৭০০৭০০, ০১৬১১-৬০০৬০০, ০১৭১৩-০৪০০৬০, ০১৬১৩-০৪০০৬০)। আইকন নেক্সট ডোরে ফোন দিলে ০১৮১৬-৩৮৮৯০০ নাম্বারে মিশু নামের একজন ফোন ধরে। ফারিয়াকে চাওয়া হলে "উনি ব্যস্ত আছেন", বলে ফোন কেটে দেয়া হয়। ইশতিয়াক ইমনের নাম্বারে (০১৯৭৩-০৩৩৭২০) একাধিকবার ফোন করা হলে সে বাজে ভাষায় গালি-গালাজ করে ফোন রেখে দেয়। অপূর্ব, আনিসুজ্জামান আনিস কেউই কোনো মন্তব্য করে নাই। সবাই ব্যস্ত মানুষ!
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৬
সত্যয় বলেছেন: হ্যাঁ, ধর্মীয় ভাষায় তো সেটাই আমরা লিখি।
২|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৭
এইতোআমি০০৭ বলেছেন:
৩|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩০
বিডিআর বলেছেন: @আমিনুল ইসলাম, নিজেকে কি খুবই পূণ্যবান মনে হয়? মৃত সবাইকে ভাল বলতে হয়।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৩
সত্যয় বলেছেন: সহমত
৪|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৬
মন রূপ মাঝি বলেছেন: ধন্যবাদ বিস্তারিত করে লেখার জন্য। পত্রিকার খাপছাড়া সংবাদগুলো যুতসই মনে হচ্ছিলনা।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪০
সত্যয় বলেছেন: এর জন্যই সত্যয় এর ব্লগ এর সৃষ্টি। ধন্যবাদ।
৫|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮
কলম.বিডি বলেছেন: আহারে মেয়েটা ! মায়া লাগলো!!
বেচারীর হয়তো উচ্চাকাংখা ছিলো কিন্তু নিজেকে বিক্রী করতে রাজী হয় নাই।আল্লাহই ভালো জানেন। মেয়েগুলার যেনো একটু হুঁশ হয় আর এই পশুগুলারও বিচার হয়।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৩
সত্যয় বলেছেন: আপনার দাবির সাথে সহমত। ঘাতকদের বিচার চাই!
৬|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৯
কাওছার আহমদ বলেছেন: ধন্যবাদ। বিস্তারিত করে লেখার জন্য।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫২
সত্যয় বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
৭|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৬
দিকভ্রান্ত একা বলেছেন: কলম.বিডি বলেছেন: আহারে মেয়েটা ! মায়া লাগলো!!
বেচারীর হয়তো উচ্চাকাংখা ছিলো কিন্তু নিজেকে বিক্রী করতে রাজী হয় নাই।আল্লাহই ভালো জানেন। মেয়েগুলার যেনো একটু হুঁশ হয় আর এই পশুগুলারও বিচার হয়
হুম আমিও একমত পোষণ করছি
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৯
সত্যয় বলেছেন: সহমত এবং ধন্যবাদ
৮|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:২৭
বড় ভাই বলেছেন: ধন্যবাদ। বিস্তারিত করে লেখার জন্য।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০১
সত্যয় বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
৯|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৫৬
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: বিরাট পোস্ট। আপাতত শোকেজে এডাইলাম। পরে পড়ুমনে।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০২
সত্যয় বলেছেন: আপনাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ছবি যুক্ত করা হয়েছে এবং দেখার সমস্যা যাতে না হয়, সেভাবে একটা প্যাসেজের পর কিছুটা গ্যাপ রেখে লেখা হয়েছে। ধন্যবাদ।
১০|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৪০
বিডিওয়েভ বলেছেন: ধন্যবাদ। বিস্তারিত করে লেখার জন্য।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০১
সত্যয় বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
১১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৩
পুদিনা পাত০০৭ বলেছেন: মেয়েটার যেসব ছবি দেখলাম তাতে একটুও খারাপ লাগেনি। যেমন কর্ম তেমন ফল।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০০
সত্যয় বলেছেন: সেরকম কোনো ছবিই এখানে দেয়া হয় নি আর মডেলিং করতে গেলে কে কি ধরণের পোশাক পরবে সেটা ঠিক করে ফ্যাশন ডিজাইনার, ফটোগ্রাফার বা ফ্যাশন হাউস। এখানে মডেল বা মেয়েটার তো কোন দোষ দেখছি না! যদি আপনার পরিবারে এ ধরণের হত্যাকাণ্ড ঘটতো তা হলে কী একই কথা বলতেন?
১২|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২৫
জানতেএলাম বলেছেন: কারোন জানটে পোরুন : http://www.al-ihsan.net
১৩|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৩৩
তাশফী বলেছেন: আরেকটা "তিন্নি হত্যাকান্ড" ???
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪১
সত্যয় বলেছেন: হ্যাঁ আরেকটা তিন্নি হত্যাকাণ্ড! তবে এবার যেন তা আরো ভয়ংকরভাবে, আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সংঘটিত হলো!
১৪|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫০
রহস্য বলেছেন: গলায় ফাঁস দিয়ে মারলে রক্ত কিভাবে আসে মাথায় আসলো না
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৯
সত্যয় বলেছেন: তাকে জোর জবরদস্তি করে ধর্ষণ করা হয়েছিলো খুব সম্ভবত। আর ধর্ষণ করে রক্তাক্ত করে শরীর সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়নায় ঝুলিয়ে দেয়ার দৃশ্যটা হয়তো বা অনেক হিন্দি বা বাংলা সিনেমাতেই দেখেছেন? আত্মহত্যা বুঝানোর জন্য এটা করা হয়।
১৫|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫২
Observer বলেছেন: +
১৬|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৫
রূপকথার রাজকন্যা বলেছেন: @লেখক ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য।
অল্প বয়স্ক মেয়েরা (শুরুর দিকে বেশীর ভাগের ই বয়স ১৮-২০) মডেলিং জগতের রং চং দেখে পরিবারের অমতে মডেল হতে আসে। যদি জানত এর পিছনে কি ভয়াব হ জীবন তাহলে কেউ আসত কিনা সন্দেহ। এই কম বয়সী মেয়েদের জীবনের অভিগ্গতা কম, নিউজ ব্লগ এগুলোর সাথে সম্পৃক্ততা কম। তাই কতটা ভয়াব হ জীবনে তারা এগিয়ে যাচ্ছে তা বোঝার ক্ষমতা কি করে হবে? যখন এই জীবনে ঢুকেই পরে তখন দেখে সবাই এসব করেই টিকে আছে। আস্তে আস্তে সুযোগ সন্ধানীরা কবে যে তাদের এই চক্রে আবদ্ধ করে ফেলে নিজেই বোঝেনা। যখন বোঝে ফেরার পথ থাকেনা , আর পরিবারের সাথে শেয়ার করা তো অসম্ভব।
আমার পরিচিত কয়েকটি মেয়ে মডেলিং এ কাজ করছে।বয়স১৮ এর মত। ওদের বললাম লেখাপড়া করনা কেন?? খালি মডেলিং আর ফটোগ্রাফী করলে হবে?? এইচ এস সি ও পাশ কর নাই। বলে লেখা পড়া করে চাকরী করে কয় টাকা পাও তুমি?? তাও কষ্ট করে ডাক্তার হয়ে। আমি এক একটা ফটোসেশনের জন্য ১০-১২ হাজার পাই। মাসে মিনিমাম ৫০ আসা কোনো ব্যপার ই না। এখন বলুন এই ভালনারেবল বয়সে এত টাকা হাতে পেলে অপরাধ না করে যাবে কই? আর অত টাকা ঐ বয়সে মডেলিং ছাড়া পাবে কই? যখন বুঝবে তখন ও মডেলিং ছাড়তে পারবেনা।
আদৃতাও মাত্র ২০ বছরের একটি মেয়ে। মডেলদের লাইফ স্টাইল নিয়ে আমাদের সমস্যা থাকতেই পারে। অপরাধের আর অপরাধচক্রের ভিকটিম সে। এ অপরাধের সাথে জড়িত ক্রিমিনালরা যেন পার পেয়ে না যায়।
আদৃতার শান্তি কামনা করছি।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৬
সত্যয় বলেছেন: এই মেয়েগু্লো এতটাই "রাফ এন্ড টাফ" হয়ে ওঠে যে এদের নিয়ন্ত্রণ করাটা অসম্ভব হয়ে পড়ে। বেশিরভাগ মেয়েই মায়ের কথা শোনে না। যেমন আদৃতা মায়ের সাথে রাগ করে খালার বাসায় থাকতো। কেন? মডেলিং এর একটা ফটোসেশনের জন্য। মাত্র অল্প কিছু টাকার জন্য। এইসব মেয়েদের আকৃষ্ট করতে ফ্যাশন ডিজাইনার, ফটোগ্রাফাররা মাদক ব্যবহার করে। ড্রিংকস এর সাথে নেশার বড়ি মিশিয়ে, ইয়াবাতে আসক্ত করে এমনকি মাদক ব্যবসাতেও ব্যবহৃত হচ্ছে এরা। নিজেরা টেরও পাচ্ছে না কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে মডেলিং এর নাম দিয়ে, নিজেদের সর্বস্ব বিকিয়ে দিয়ে... ব্ল্যাকমেইল করতে ইশতিয়াক ইমন এর মতো ফটোগ্রাফাররা নগ্ন ছবি তুলে রাখছে, একাধিকবার ধর্ষণ করছে। রেপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা ডিএমপির উচিত এদের কার্যক্রম খুবই ভালো করে মনিটর করা। ইয়াবার চ্যানেল আবারো সক্রিয় হয়েছে ঢাকায়। সরকারের সুদৃষ্ট প্রয়োজন ফ্যাশন-মিডিয়া-শোবিজ জগতে। এখানে ভালো মেয়েদের টিকে থাকা কষ্টকর, খারাপ হতেই হবে কাজ পেতে হলে। আজ বাংলাদেশ বলে এসব সহ্য করে যাচ্ছি আমরা, অন্য কোনো দেশ হলে হয়তোবা এ ধরণের ভালনারেবল মেয়েদের কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা করতো। এরা মানসিকভাবে ভীষণ উন্মাদনায় ভোগে। এদের ব্রেইন ওয়াশ করা হয় সেভাবেই। যার যায় সেই বুঝে। যেমন যন্ত্রণায় কাতর আদৃতার বাবা-মা-খালা-মামা। পুরো একটা পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়ে গেলো ২০ বছরের এই পাগল মেয়েটা!
১৭|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৯
বীরেনদ্র বলেছেন: মডেলিং পেশা উঠতি বয়সি সুন্দরী মেয়েদের জন্য লোভনীয় পেশা। প্রায় কিছু না করে শরীর দেখিয়ে ভাল আয়। এই অল্প বয়সী মেয়েরা নিজের আজন্তেই সর্বনাশের দিকে পা বাড়ায়, তার পর তাদের আর ফেরার উপায় থাকে না।
এই ভাল আয়ের পেছনের ইতিহাস কিন্তু বড়ই করুন, তারই এক নির্মম সাক্ষী আদৃতা। অল্প দু একজন মডেওলকে জানতাম দেশে থাকতে, ভাল লাগতো না এদের।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৮
সত্যয় বলেছেন: সহমত। এর প্রতিকার জরুরী।
১৮|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৫
বীরেনদ্র বলেছেন: আমাদের সমাজ ব্যাবস্থার এক কুৎসিত দিক হল মডেলিং আর শিকার হল অল্প বয়সী সুন্দরী তরুনীরা।
যারা এই সুযোগ নেয় তারা ঘৃন্য আর সমবেদনা আদৃতা সহ সব মডেলদের জন্য। মডেলিং পেশা হয়ে উঠুক এক সম্মানজনক পেশা, এই কামনা করি।
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৮
সত্যয় বলেছেন: এর পেছনে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করে অবিলম্বে বিচারের দাবি করছি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে।
১৯|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৪
আশরাফুল সিয়াম বলেছেন: এরা ভাই এভাবেই মারা যায়, মার্ডার ২ ছবি দেখেন নাই?
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৭
সত্যয় বলেছেন: ছবির সাথে বাস্তবতাকে সেভাবে মিলিয়ে দেখাটা ঠিক না। এরা এভাবে মারা যায়? এরা কারা? এরা তো আমাদের সমাজেরই অংশ। কারো ছেলে বা কারো মেয়ে। সেভাবে চিন্তা করেন।
২০|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৪
আশরাফুল সিয়াম বলেছেন: এরা ভাই এভাবেই মারা যায়, মার্ডার ২ ছবি দেখেন নাই?
২১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৩
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
অবাক লাগছে, অপরিচিত এই মানুষটার জন্য মায়া লাগছে, আর এই পিশাচ গুলার জন্য থু থু । নিঃশ্বাস থাকতে যার মুখছবির জন্য এত আয়োজন, লালসা, কামনা, জৌলুশ, তাকে হত্যার পর নাম পরিচয় টাও মুছে ফেলা হল, " টোকাই / পতিত" নামে !! ধিক !!
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৬
সত্যয় বলেছেন: ধিক্কার ওদের! ঘাতকদের বিচার চাই!
২২|
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৬
ফালাক বলেছেন: তাতেও কি আমাদের মেয়েদের হুশ আছে? একটু মিডিয়াতে চান্স পাবার জন্য পাগল থাকে। জীবন যৌবন সব বিলাবে। আজব সব ছাগী গুলা!!!!
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৭
সত্যয় বলেছেন: এসব চক্রে যার পা আটকে যায়, চক্র থেকে বের হওয়াটাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। যে খারাপ, তাকে কেউই কিছু বলার কথা না। কিন্তু যে একটু ভালো থাকতে চাইবে, শত্রুসংখ্যা তারই বৃদ্ধি পাবে। আসলেই এসব থেকে মনে হয় দূরে থাকাটাই ভালো। অন্তত কাউকে তো এভাবে মরতে হবে না পাঁচদিন নিখোঁজ থাকার পর!
২৩|
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৩
নীরব একজন বলেছেন: মারা যাওয়া মানুষকে নিয়ে কিছু বলার নাই, সে কেমন ছিল সেটা না কপচাই। তবে লেখাটা পড়ে কয়েকবারই মনে হল " সে বড় কিছু হতে চাইছিলো" এই ব্যপারটা বললে অনেকটা মডেলিং সাপোর্ট করা হয়। বেশিরভাগ মডেলই ভাবে সে অনেকের চাইতেই অনেক বেশি অ্যাট্রাক্টিভ, হাতাকাটা ব্লাউজ আর টাইটফিট কাপড় পড়লে একটা বোরকা পড়া মেয়েকেও সেক্সি দেখাবে, সমস্যা হচ্ছে অনেক মাথামোটা মডেলের মাথায় এই সহজ কথা ঢোকেনা। ঐ হাত পা বের না করে নরমাল সালোয়ার কামিজ পড়লেও কয়জন তাকাতো তাদের দিকে সন্দেহ আছে, ম্যাক্সিমামেরই অমন আহামরি কোন লুক না তাদের। মাথার ঘিলু কাজে না লাগিয়ে যারা পয়সা ইনকাম করতে চায় ওদের জন্যই মডেলিং, ভাল থাকবার এত ইচ্ছাই থাকলে বিসমিল্লাতেই ঐ পথে পা বাড়াতোনা। সেইসব কাজ করার দরকারটাই বা কি যেখানে নিজের পড়ার জামাটুকুর সাইজও ফ্যাশন ডিজাইনার ঠিক করে দেবে, যদি বিন্দুমাত্র নিজের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা থাকে। একটা মানুষ মারা গেল বলে বাড়তি কিছু বলা গেলনা, কিন্তু ভেতর থেকে কোন কষ্ট অনুভব করার মত অবস্থা এরা রেখে যায়নি।
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৯
সত্যয় বলেছেন: মডেলিং বা শোবিজ লাইনে "বড় হবার ইচ্ছা" প্রত্যেকেরই থাকে। হোক সে ছেলে বা মেয়ে, সবার ইচ্ছা অন্তত টেলিভিশন পর্যন্ত যাবার। আর স্বল্প সময়ে খ্যাতি অর্জনের জন্য লুইচ্চা পরিচালক, ফ্যাশন ডিজাইনার, ফটোগ্রাফার কুপ্রস্তাব দিলে অনেকেই সেটা সানন্দে গ্রহণ করে আবার জোরপূর্বক গ্রহণ করতে বাধ্য হয়, অনেকে ধর্ষিতও হয়। সেক্স বিজনেস কোন জায়গায় নেই? নাটক-টেলিভিশন-সিনেমা-মডেলিং সব জায়গাতেই নারীকে পণ্য হিসাবে উপস্থাপনের একটা পশ্চিমা রীতি কিন্তু বাংলাদেশে চর্চা হয়ে আসছে বিগত কয়েক বছর ধরেই। ডিজে পার্টি, মডেল ফ্যাশন শো এসবও অহরহ হচ্ছে ঢাকায়, গুলশান, বনানীতে। তরুণ সমাজ ঝুঁকে পড়ছে মাদক, ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল এবং সাম্প্রতিক বিশেষ মাদক "শিশা"তে। এসব রোধ করবে কারা? যদি আদৃতা বাজে কাজের সাথে জড়িত থাকতো, তাহলে সে খুন হলো কেন? প্রভা-চৈতি-মিলা-শখ কিংবা অরুণ চৌধুরি-অপূর্ব-এনামুল করিম নির্ঝর এদের মধ্যে কে কোন বিড়ম্বনার শিকার হয়েছে এ পর্যন্ত? প্রত্যেকেই নিজেদের যৌনকর্মের ভিডিও করে বাজারজাত করেছে! এরা কি কোনোরকম হামলা বা হুমকির শিকার হয়েছে? সেখানে আদৃতা ছিলো একজন উঠতি মডেল। তার উপর মোতালেব, ফারিয়া, ইশতিয়াক ইমনদের এত ক্ষোভ কেন? কী দোষ ছিলো তার যে খুন করে ফেলতে হবে? খুব ভালোভাবে ভেবে দেখুন। উত্তর পেয়ে যাবেন।
২৪|
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:২১
স্বাধীকার বলেছেন:
বিস্তারিত, যৌক্তিক এবং অনেক গুলো ক্লু সমৃদ্ধ লেখাটির জন্য লেখককে ধন্যবাদ। আদৃতার জন্য আপনাদের প্রচেষ্টাটিকে সাধুবাদ জানাই। আপনাদের সহযোগিতায় আদৃতার পরিবার যেন উপযুক্ত বিচার পান-সেটাই চাইছি। আপনাদের মতো বন্ধু-স্বজন থাকার পরও আদৃতাকে বেওয়ারিশ, টোকাই এবং বাজে মেয়ের কলংক নিয়ে তাকে সমাধিত হতে হয়েছে-এটা শাসন ব্যবস্থার বিশৃংখলা এবং রাষ্ট্রের চরম দায়িত্বহীনতাকে নির্দেশ করে।
একটি অমানবিক, লোভী, ধর্ষকামী সমাজ ব্যবস্থার জীবন্ত বলি হলেন আদৃতা। মডেলিং-এ দোষ আছে, বদনাম আছে, কলংকও থাকতে পারে, তাই বলে এভাবে কাউকে হত্যা করে টোকাই হিসাবে চালিয়ে দিতে সক্ষম হওয়া কিভাবে সম্ভব? অর্থের কাছে বিবেককে বন্ধক দিয়ে আমাদের আজ জানোয়ারের খাতায় নাম লেখাতে হচ্ছে, কিন্তু কেন? সমাজের চোখে ভালো সেজে আদৃতাদের জীবননাশি এই সব কুকুরদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। যে প্রশাসন টাকায় বিক্রি হলো কিংবা দায়িত্ব এড়াতে আদৃতাকে বেওয়ারিশ হিসাবে কবরস্থ করালো-তাদের কোনো ভাবেই দায়মুক্তির সুযোগ নেই।
আদৃতার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি, তার পরিবারের জন্য ন্যায় বিচার দাবী করছি।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৯
সত্যয় বলেছেন: প্রথমেই আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াসটুকু উপলব্ধি করবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
বিগত কয়েক বছরে বাংলা ব্লগ একটি শক্তিশালি প্লাটফর্ম হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। যেখানে দৈনিক পত্রিকাগুলো সংবাদের অতিরঞ্জন, বিকৃতকরণ এবং অসত্য তথ্য পরিবেশন করে, সেখানে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে একজন সাংবাদিক বা লেখক পূর্ণ স্বাধীনতায় তথ্যসমৃদ্ধ লেখা অনায়াসে লিখে যেতে পারেন। এর লক্ষেই সত্যয় এর ব্লগ।
আপনার বক্তব্যের সুরেই বলতে চাই, একজন মানুষকে খুন করে তার লাশকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করাটা যে কতটা অমানবিক সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। জাপানে জাংকো ফুরুতা নামের এক কিশোরিকে অকারণে হত্যা করেছিলো বর্বর কিছু পথভ্রষ্ট তরুণ। আর এই একবিংশ শতকে আমাদের বাংলাদেশে খুন হলো আদৃতা... বর্বরেরা, জানোয়ারেরা যুগে যুগে ফিরে আসে, কিন্তু ফিরে আসে না ফেরেশতা! আদৃতাকে খুন করেছে মিডিয়ার ভেতরের লোক, জেনেসিস ভিউ এর সিইও, জড়িত রয়েছে ফারিয়া হুসেইন এবং ইশতিয়াক ইমন নামের ফটোগ্রাফার। এদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি করছি। প্রয়োজনে আদৃতার স্বামী রেহানকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক।
বাংলাদেশের পুলিশ কী পারে না সঠিক তদন্ত করে একজন নিরীহ মানুষকে ইনসাফ দিতে? নাকি এরা আজন্ম পোষ্য জন্তুই থেকে যাবে?
বাংলাদেশি বরাবরই আবেগপ্রবণ। আমি বিশ্বাস করি আমাদের এই আবেগ বড় এক শক্তি, এই আবেগের পবিত্র জল পুঞ্জীভূত করে আমরা কি ছোট্ট আদৃতার খুনের বিচার পাবো না?
জাংকো ফুরুতা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে : Click This Link
২৫|
০৭ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪২
এ হেলাল খান বলেছেন:
++++++++++
২৬|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০০
লিমন মাহমুদ বলেছেন: Click This Link plz visit this site and then give ur review.. u told many things about modeling of night life of dhaka but u forgot to mention that u were there other wise u cant tell so many things abt them.. so blogger she was a bitch a real one n she was searching new1..be aware of them..
n "JANNAT BASI"... hahahahahahahahahahaahaha just read thos chatting pics in that site n then tell "JANNATBASI".. but who evet post those chat pics need to be punished. becoz to get those he needed to hack her fb id..
০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৯
সত্যয় বলেছেন: ধন্যবাদ লিংকের জন্য। শুরুতেই বলে রাখি "অনলাইন জার্নালিজম" এখন অনেকেরই পেশা বা নেশা। আমি আদৃতা সম্পর্কে যে তথ্য সংগ্রহ করেছি, সেটার সবকিছুই ফেসবুক বা ইন্টারনেট থেকে নয়। বাস্তবে ফোন করে, ফেস টু ফেস হয়ে এসব করতে হয়েছে। এখানে একটি মেয়ের মৃত্যুই উপজীব্য। সে কেমন ছিলো আর যদি সে খারাপ হয়ে তাকে কেন এ করুণ পরিণতি হলো তার সেটাও ভেবে দেখতে হয়েছে বারবার। হুট করে ফেসবুকের নোটে বিশ্বাস করার মতো মানসিকতা আমার নেই। তবে এখানে আদৃতা যাদের সাথে কথা বলছে তারাও কিন্তু মডেলিং এর ভেতরেরই লোকজন। আমি লিখেছি এরা একটা "ক্রাইম চ্যানেল" মেইনটেইন করে নিজেরাই, যেখানে ইয়াবার মতো মাদক বা সেক্স বিজনেস অনেকটা গোপনে করা হয়। আদৃতার মতো মেয়েরা সেই জায়গাটাতেই ব্যবহৃত হচ্ছে। যদি অনলাইন এ সাক্ষ্যপ্রমাণগুলোকে আদালতে উপস্থাপন করা যায় আসামিরা অবশ্যই গ্রেপ্তার ও শাস্তি পাবেই পাবে।
২৭|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৯
রিফাত বিন সাদিক বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ।
মডেলিং হল মেয়েদের পণ্য বানানর একটা সিস্টেম আর কিছু না।
১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২২
সত্যয় বলেছেন: হয়তো-বা!
২৮|
১২ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৩৭
রূপকথার রাজকন্যা বলেছেন: @লিমন মাহমুদ ....আল্লাহ আপনাকে মাফ করুক। আপনি নিজেও বলতে পারেন না আপনার কোন কাজ কোন মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, জীবনে সামনে কোন পরিস্থিতি আসবে যাতে আপনিও একটা ঘৃনিত অন্যায় করতে বাধ্য হবেন...এখনও করতে হয়নি সেটা আল্লাহর রহমত আপনার প্রতি। আর আদৃতা টাইপ মেয়েদের করতে হচ্ছে সেটাও পুরা তাদের ইচ্ছায় না....
কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা বাধ্য হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অভাব, কোনো ক্ষেত্রে তাদের উপরে ওঠার বাসনা, কোনো ক্ষেত্রে ফিরে আসার উপায় না থাকা সব কিছুর জন্যই এরা এই চক্রে আটকে পড়ছে।
পৃথিবীতে মানুষ অন্যায় করবে..ফ্যাসাদ করবে...আবার এই মানুষ ই কাউকে না কাউকে ভালবাসবে, কাউকে না কাউকে বাচিয়ে তুলবে। তবে মৃত্যুর পরে জান্নাত পাবে কি না পাবে তা নিয়ে যেভাবে হাসলেন তাতে মনে হল জান্নাতে আপনার মতামত আর আপনার ইচ্ছা ছাড়া কাউকে পাঠানো হবেনা। আল্লাহ কেন ঐ মেয়েদের তকদিরে এ পথ রেখেছিলেন...কেন তারা এ মৃত্যুর শিকার হল তা পরম করুনাময় ই ভাল জানেন। উনার বিচার বোঝার ক্ষমতা আপনার আমার নেই। একজন মৃত মানুষ সে যেমন মানুষ ই হোক না কেন ...মৃতের সাথে কিসের শত্রুতা আর রাগ?? মুসলিম হিসেবে , মানুষ হিসেবে আমি দোয়া করি... যে পৃথিবীতে শান্তি পায়নি, যে পৃথিবীতে ধোকা আর অন্ধকার জগতের যন্ত্রনা পেয়েছে..সে অন্যায় করে থাকতে পারে... তাকেও পরম করুনাময় সর্ব শক্তিমান যেন ক্ষমা করে দেন। তার আত্মার শান্তি দেন। কারন উনি যা জানেন আমরা কেউ তা জানি না।
১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২৩
সত্যয় বলেছেন: প্রকৃতপক্ষে আদৃতা ছিলো একটা নোংরা পরিস্থিতির শিকার। বহু মেয়ে এখনো এই ব্যবসায়ে এ ধরণের নেশা-দেহব্যবসাতে জড়িয়ে বেছে নিচ্ছে এক অনিয়ন্ত্রিত জীবন। আবারো ধন্যবাদ।
২৯|
১৪ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১৫
জারনো বলেছেন: মডেলিংয়ে এখন অনেক শিক্ষিত ও বনেদী পরিবারের ছেলে মেয়েরা জৌলুষ নিয়ে বিচরণ করছে। নিজের আব্রু, সম্মান, পরিবারিক শিক্ষা যদি নিজের মাঝে লালন না করতে পারে গড্ডালিকা প্রবাহে নিজেকে সপে দেয় তা হলে তার জন্য দায়ী মিডিয়া নয়। আসলে পুকুরের ব্যাঙ নদীতে আসলে তার
অবস্থান ভুলে যায় যার জন্য এই করুন পরিনতি। আমরা আদৃতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি সাথে সাথে আগামী দিনের মডেলদের আদৃতার পরিনতি থেকে শিক্ষা নেবার আহ্বান জানাচ্ছি।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:০৪
সত্যয় বলেছেন: মিডিয়াটা আসলে কী? এটা চালায় কারা? মিডিয়ার পরিবেশ ভালো হলে তো কারো কোনো আপত্তি ছিলো না!
৩০|
১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৮
রূপকথার রাজকন্যা বলেছেন: খবরের কাগজে দেখলাম.....আদৃতার স্বামী মানে জনাব রেহান.......ঐ ভদ্রলোক তাকে হত্যা করেছে। কি বলা যায় একে .।মিডিয়ার দোষ নাকি পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের দোষ ??? আদৃতার মৃতুর পরে দেখলাম এখানকার ই একজন ব্লগার পোষ্ট দিয়েছে .।হেডলাইন এরকম...হিজাব খুলে ফেল..জিন্স পর....ব্লা ব্লা ব্লা। এখন তো ধরা পড়ল...মডেল জনাব রেহান হত্যার মত জঘন্য অপরাধ এর পাশাপাশি মৃত প্রেমিকা(বউ) এর জামা কাপর খুলে ছিড়ে তাকে বিবস্ত্র করে ওখানে ফেলে রেখে এসেছে। এটা নিয়ে কোনো পোষ্ট তো দেখলাম না। দেখি এব্যপারে কেউ সামনে আগায় কিনা। আসলে কোনো মেয়ের দুর্ঘটনাও মানুষের কাছে রসালো ঘটনা মনে হয়। আর আসল ক্রাইম চোখের আড়ালে থেকে যায়।
১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:৫৪
সত্যয় বলেছেন: হ্যাঁ রেহানকে এর আগেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। আবার তদন্ত করে তাকেই আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাহলে আগে কী কারণে তাকে গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দেয়া হলো? পুরো ব্যাপারটা এখনো জটিল ঠেকছে। ইয়াবা, জোর-জবরদস্তি, ধস্তাধস্তি এটাই কী মৃত্যুর একমাত্র কারণ? ডিবি পুলিশ মিডিয়ার সামনে সব তথ্য কী প্রাসঙ্গিকভাবে এনেছে নাকি তদন্তের স্বার্থে খতিয়ে দেখছে নিজেরা আবারো? অনলাইন ইনভেস্টিগেশনে চাঞ্চল্যকর তথ্য, মিডিয়ার অনেক নোংরা লোকের জড়িত থাকার সম্ভাবনা বেরিয়ে এসেছিলো। বিস্তারিত : Click This Link কিন্তু রেহানের সরল সহজ স্বীকারোক্তি যেন পুরো দৃশ্যপটটাই বদলে দিলো! এটা অবশ্যই পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের দোষ, যেহেতু রেহান তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে, আদৃতার আচরণেরও দোষ। প্রথমত, সে মানসিকভাবে সুস্থ ছিলো না পুরোপুরি, এ ধরণের মডেল কেউই স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত নয়। দ্বিতীয়ত, মিডিয়া বদলে দিয়েছে রেহান বা আদৃতার মতো তরুণের জীবনাচরণ। জেনেসিস ভিউ এর মোতালেব এর আচরণও ছিলো রহস্যজনক। দৃঢ়ভাবেই আমরা এখনো বিশ্বাস করি, শুধু রেহান নয়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে আদৃতার খুনের পেছনে। যারা অশ্লীল ছবি, সেক্স বিজনেসের সাথেও জড়িত। এরা লো প্রোফাইলে এ ধরণের ঘৃণ্য ব্যবসা করে আসছে। আর হ্যাঁ আদৃতা হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমার আরো একটা পোস্ট সামনে আসছে। আপাতত খতিয়ে দেখছি ব্যাপারগুলোর সত্যতা। ধন্যবাদ।
৩১|
১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:০৭
রূপকথার রাজকন্যা বলেছেন: সর্বশেষ সংবাদ দেখলাম।
Click This Link
১৯ শে নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:০২
সত্যয় বলেছেন: রেহান বলেন, ‘আমি ওকে পরিকল্পিতভাবে খুন করিনি। আদৃতা মানসিক রোগী ছিল। বিভিন্ন সময় সে আমাকে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা করেছে। আদৃতার প্রেম আমাকে নরকের যন্ত্রণা দিয়েছে। ওর সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পর আমি এক রকম অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিলাম। পড়াশোনা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। আদৃতা আমাকে হল ছাড়তে বলে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে যেতে এবং বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ না করতে চাপ দেয়। সে নিজে মডেল হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও আমাকে মডেলিং করতে নিষেধ করতো। কারণে- অকারণে সব সময় আমাকে সন্দেহ করতো। ওর অত্যাচারে আমি দিশেহারা হয়ে যাই। সারাক্ষণ আতংকিত থাকতাম। আমি প্রচণ্ড মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলাম।’
এসি তৌহিদ আরো বলেন, রেহান ও আদৃতার মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে রেহানকে ঘাতক হিসাবে শনাক্ত করা হয়। কললিস্টে দেখা যায় হত্যাকাণ্ডের দিন দুপুর তিনটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রেহান তার মোবাইল থেকে আদৃতাকে কোনো কল দেননি। অথচ এর আগে তাদের মধ্যে অসংখ্যবার কথা হয়েছে। এ কারণে রেহানের ওপর সন্দেহ আরো বেড়ে যায়। বুধবার রাতে রাজধানীর দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করেন। বৃহস্পতিবার দিনভর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পড়েছি। আরো বেশ কয়েকটা দৈনিকে ১২ নভেম্বর। ধন্যবাদ এবং ব্যাপারটা কেমন যেন দায়সারা গোছের। শুধুমাত্র কললিস্ট এর সূত্র ধরে কী বাংলাদেশের পুলিশ অপরাধী গ্রেপ্তার করে? আরেক পত্রিকা লিখেছে, আদৃতাকে ফারিয়া হোসাইন ফোন করে মডেলিংয়ের কাজে জেনেসিস ভিউতে আসতে বলেছিলো। আবার রেহানের স্বীকারোক্তি (এটার কোনো ভিডিও ফুটেজ কী আছে? খোঁজ করছি) নিতান্তই সহজ-সরল! ব্যাপারটা আমার কাছে এখনো জটিল!
৩২|
২২ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:০৮
বিতর্কিত বিতার্কিক বলেছেন: এই পোস্ট এর জন্য আপনাকে কি পরিমান পরিশ্রম করতে হয়েছে তা ভাবে পাচ্ছিনা ।
স্যালুট
২২ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৮
সত্যয় বলেছেন: ধন্যবাদ সময় নিয়ে পড়ার জন্য। আসলে মূল ঘটনার শিকড় উদঘাটন করতেই সত্যয় এর ব্লগ।
৩৩|
২২ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪১
আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
উপযুক্ত শাস্তি কি আসবে?
২২ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৪
সত্যয় বলেছেন: উপযুক্ত ব্যক্তিরাই তো গ্রেপ্তার হলো না এই পর্যন্ত। খুন যাকে দিয়ে করানো হয়েছে সে গ্রেপ্তার হয়েছে কিন্তু যারা খুন করিয়েছে তারা পলাতক। মনে হয় সুষ্ঠু ন্যায়বিচার হলো না। যে খুন করেছে আইন অনুযায়ী অবশ্যই তার বিচার হবে, তবে খুনটা যারা করিয়েছে পুলিশ তাদের ধরে ছেড়ে দিলো কেন?
৩৪|
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩২
তাসনুভা বিপা বলেছেন: খুব শিক্ষনীয় এবং তথ্যবহুল পোস্ট। দুনিয়াতে বিচার না হলে আখিরাতে হবে ইনশাল্লাহ.।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০৫
সত্যয় বলেছেন: ধন্যবাদ
৩৫|
২৭ শে মে, ২০১৪ সকাল ৮:৪৯
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
অনেক সুন্দর করে লেখা, ইনভেষ্টিগেটরি রিপোর্টের মত লেখা।
এত ক্লু পাওয়ার পরও কারও কোন শাস্তি হলনা?
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২২
আমিনুল ইসলাম বলেছেন: জান্নাতবাসী?