নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মন্তব্য

উদদিন

"সামহোয়্যার ইন ব্লগের ব্লগার হিসাবে নিবেদিত প্রাণ যারা" প্রসঙ্গে ঃ আমার বক্তব্য টি সংযোযন করলাম ;- ব্লগার যাযাবর বেদুইন-কে বলছি ; "আপনার পোষ্ট পড়ে অন্তত কিছু "সু-শীল ব্লগার হস্তীদের" চিনতে পারলাম, এই-সব "সু-শীল হস্তী" বা রাঘব-বোয়ালদের কারনেই হয়তো আমাদের লেখার সাথে সম্পৃক্ত ছবিগুলো "সু-শীল ব্লগার হস্তীদের" মত বা "রাঘব-বোয়ালদের লেখার মত লেখার পূর্ব-লাইনে সংযোযন করা হয়-না ; -যেমন তাদের পোষ্টে সংযোযন করা হয় এবং "সু-শীল ব্লগার হস্তীদের" সাদা-বিষের ছোবলে সত্যের সন্ধ্যানীদের জন্য আমাদের লেখা-গুলো প্রথম পাতা থেকে বাদ-দেয়া হয় অথবা মুছে ফেলা-হয় , বন্ধ করে দেয়া হয় অন্যান্য পাঠকদের জন্য পড়ার লিংক ! ধন্যবাদ আপনাকে "যাযাবর বেদুইন" !

উদদিন › বিস্তারিত পোস্টঃ

Beaucoup de musulmans d’origine du Bangladesh ne savent pas vivre ensemble.

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:২০





আমার লেখা সত্য গঠন মূলক এবং বাস্তবের সম্পর্ক রেখে প্রকাশ করি যা বিশ্বের লাখ লাখ অন-লাইন পাঠক পাঠ করে, সুতরাং « WWW. somewhereinblog.net » প্রথম পাতা থেকে মুছে দিলে-ও বিশ্বের লাখ লাখ অন-লাইন পাঠকের মন থেকে মুছে ফেলতে পারবেন-না ! আমি আরো বলছি "যদি আমার ব্লক « WWW. somewhereinblog.net » থেকে-ও মুছে ফেলেন কিন্তু আপনারা কন্টিনিউ আপনাদের সিটের এড্রেসের আগে « WWW. » ব্যাবহার করেন তা"হলে আপনাদের অস্তিত্য খুজে বের করতে সময় লাগবে হয়তো কয়েক সেগেন্ড , আমার হাজার হাজার আমেরিকান , ইংরেজ ও ফরাসী ( ফ্রাঁন্স ) বন্ধু আছে যারা সত্যে সন্ধানী এবং আমি বিশ্বাস করি আমার হাজার হাজার বা লাখ লাখ বাংগালী পাঠক বন্ধু-ও আছেন তাঁরা-ও সত্যের সন্ধানী , অতএব আমার সেই সন্মানী পাঠক বন্ধুদের উদ্যেশ্বে আমি লেখা পোষ্ট করি, করে থাকি ‘সেই-সব সত্য কথা-গুলো যা বলা প্রয়োজন অথচ কেউ বলে-না, কিন্তু সেই-সব সত্য কথা ঘটনা গুলো যেমন বলা প্রয়োজন, তেমনি জানা-ও বিশেষ প্রয়োজন এবং আমি সেই-সব সত্য "কথা "ঘটনা গুলো"ই যা আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য , তাঁদের সুন্দর ভবিষৎ এবং, এবং সুন্দর ও দূর্নিতী মুক্ত বাংলাদেশ গঠনের জন্য-ও বিশেষ প্রয়োজন বলে আমার গভীর বিশ্বাষ, ধন্যবাদ ।





ইউরোপ এবং আমেরিকায় বসবাস রত ৯৫ % বাংলাদেশী মুসলমান বিদেশীদের সাথে সামাজিক ভাবে বসবাস করতে জানে-না ( নিবন্ধটি ফরাসী ভাষায় লেখা )

Beaucoup de musulmans d’origine du Bangladesh ne savent pas vivre ensemble.

Depuis plusieurs années, je m’aperçois, que beaucoup de musulmans du Bangladesh, qui vivent en Europe et D’États-Unis , ont une grande gueule. Et se sont des menteurs. Ils parlent beaucoup et toutes leurs paroles sont des mensonges. Tellement qu’ils se trahissent des fois avec leurs propres paroles. Ils mentent tout le temps, beaucoup, et ils ne se rappellent plus quand ils ont dit quoi. À un moment plus personne ne les croit. À cause de LEUR mauvais caractère, moi, étant aussi un musulman du Bangladesh, à cause de leur faute, je suis devenu une victime. Après être devenu une victime, aujourd’hui, je conteste leur mensonge. Je leur donne des exemple vrais pour leur montrer qu’à cause d’eux, les autres ont des problèmes. JE leur dis que s’ils continuent comme ça, on aura des problèmes plus graves, je leur dis de faire des choses bien, de dire la vérité, et d’essayer de se mélanger à la société, avec différentes cultures. Mais quand je leur dis ça, ils me traitent de malade mental, de fou. Je suis fou pour eux parce que je dis la vérité, quel genre de personnes sont-ils, et quel genre du musulmans ?





বেশীর-ও বেশীর ভাগ বা ৯৫ % মুসলমান-দের মাজে কথা এবং কাজের মধ্যে অনেক-অনেক তফাৎ রয়েছে এবং আছে ঃ La parole des musulmans est très mauvaise ;-

Jusqu’à aujourd’hui, je n’ai trouvé aucune parole vraie chez les musulmans. Je l’ai su par mes propres expériences. En tant que chef d’équipe, j’avais le pouvoir de recruter des gens s’il en manquait. Des gens que je connaissais, ou bien j’avais le droit de décider si nous devions garder une personne. J’avais un amis au chômage, et je savais qu’il était une personne très honnête, parce qu’il a fait trois fois le pèlerinage à la Mecque. Donc je me disais que c’était forcément une bonne personne. J’ai parlé avec mon patron, en lui disant que s’il avait besoin d’un travailleur en plus, je pouvais lui en amener un. Mon patron m’a donné le feu vert. J’ai ramené mon ami au travail, même s’il n’avait aucune expérience dans la matière, je lui ai appris moi-même. Mais petit à petit, il a commencé à faire des bêtises, il ne me respectait plus. Il a commencé à arriver en retard presque tout les matins, avec des excuses. Mais c’était faux, parce qu’on vivait presque au même endroit, et moi, je n’avais aucun retard, et aucune difficultés à venir.

Je me fiche qu’il me respectait pas, mais son retard me posait problème dans mon organisation. La production de la compagnie en souffrait aussi. Ça, je n’en voulais surtout pas, et même avant aussi je ne voulais pas gagner de l’argent malhonnêtement. J’ai eu un autre problème aussi avec lui, car tout les midis, il buvait de l’alcool. Des fois ils buvaient tellement que j’avais peur qu’il vomisse si il parlait. Un jour à midi à la cantine, la patron avait entreposé plusieurs bouteilles de champagne dans le frigo. Il en a pris une bouteille entière et il l’a bu, tout seul. Après avoir fait le pèlerinage. J’étais surpris, car quand il allait dehors, je croyais qu’il buvait pour un ami. Mais quand il a bu une bouteille entière devant moi, j’ai eu honte, même si je n’étais pas pratiquant, alors comment c’(était possible pour lui, pratiquant, de finir une bouteille de champagne ?Avant, j’ai dit à mon patron qu’il avait fait trois fois le pèlerinage, j’en avais aussi parlé avec mes collègues. Alors ce jour là, quand il a bu devant tout le monde, ça a touché ma personnalité. JE lui ai dit que j’avais toléré toutes les fois ou il avait bu dehors, mais ce qu’il avait fait aujourd’hui, il avait manqué de respect envers moi, et envers la religion. Il m’a répondu désagréablement : « ça te regarde pas, et on n’est pas dans un pays musulman, tout le monde à le droit de boire. » Il était tout le temps ivre, je ne me suis tu, je ne voulais pas aggraver la situation. Puis le ramadan a commencé quelques jours plus tard. Les musulmans voulaient continuer à travailler pendant les une heure de pause, et mon organisation en a encore souffert, parce que j’avais un demi groupe alors. Je n’étais pas d’accord, même si je suis moi-même musulman, parce que j’avais des responsabilités. De plus les musulmans qui travaillaient disaient souvent que l’on n’était pas dans un pays musulman, alors pourquoi on appliquerait une règle pareille. De plus, nous avions des dates de livraison à respecter. Je n’étais pas d’accord et le patron n’a pas insisté. Depuis j’ai eu pleins de problèmes avec lui. Son comportement est devenu plus sauvage que jamais.



মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৪৭

সরদার হারুন বলেছেন: মুসলমান চলবে তাদের কালচার মোতাবেক তাতে
কারও ভাল লাগা না লাগায় কিছু যায় আসেনা ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫০

উদদিন বলেছেন: সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদীদের করা কোন মন্তব্যের জবাব আমি দেই-না !

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:১০

উদদিন বলেছেন: http://www.somewhereinblog.net

এই ছিটের হর্তা-কর্তা প্রায় সবাই বাংলাদেশের "ইসলামী ট্রেরিষ্টদের" আন্ডার-গ্রাউন্ড লীডার !

"পাকিস্তানিদের ২৫শে মার্চ দর্শন এবং আমাদের বীরদের কথা।"
লেখক কাল্পনিক ভালোবাসার লেখা এই নিবন্ধে যা উল্যেখ করা হয়েছে তা আগে থেকেই সবার জানা, কিন্তু যা কেউ জানে-না তা জানার জন্য পড়ুন, জানুন লেখকের আসল চরিত্র আর রূপ এবং সত্য-কথা বললে তারা কি-ভাবে ১৯৭১ তথা তৎ-কালিন একজন বালক-কে "জামাতী" বানিয়ে তাঁর "মা"-কে কি-ভাবে পাকিস্তানী সৈন্যদের বিছনায় শোয়া ? কি ভাবে তাঁ "মা"-কে অপমান করে ? কি-ভাবে "জামাতী" বানিয়ে পিটিয়ে মারে, করে হত্যা, কি-ভাবে জীবন্ত দগ্ধকরে আগুনে পুড়িয়ে খুন করে, কি-ভাবে একটি শিশু-কে জীবন্ত দগ্ধকরে আগুনে পুড়িয়ে মারে, কি-ভাবে রাজাকার বানিয়ে ভারত থেকে হিন্দু ভাড়া করে এনে যুদ্ধাপরাধে অপরাধী বলে দোষী স্বাব্যস্ত করে জেলে ভরে, ফাসিতে ঝুলায় ? তার"ই এক চুল পরিমান প্রমান বুঝে-নিন এই নিবন্ধে "উদদিন" এর ৭৮ নং এবং ৭৯ নং মন্তব্যের জবাব হিসাবে লেখক -কাল্পনিক ভালোবাসা-"র জবাব .দু"টি পড়ে, পড়ুন প্লিজ, আর যদি মনে করেন এই সমস্ত সাধুদের মুখোস উন্মোচন করে প্রমান করে দিতে পারি আসলে ওরাই বাংলাদেশের আসল ইসলামী ট্রেরিষ্টদের লীডার, দিনে ওদের এক রূপ আর রাতে ওদের ভিন্ন রূপ, ওরাই বাংলাদেশের আসল "জামাতী" "রাজাকার" "যুদ্ধাপরাধীদের" এবং "ইসলামী ট্রেরিষ্টদের" চিহ্নিত করে বিশ্বের চোখে হাজির করাতে পারলে সত্য-সত্য"ই পৃথিবীতে শান্তি আসবে, শান্তি আসবে পৃথিবীর সমস্ত মানুষের, যেখানে যাচাই বাছাই করা হবে-না কে হিন্দু কে মুসলমান ? কে ইহুদী আর কে খৃষ্টান ? তা"হলে প্লিজ পোষ্ট-টি রি-পোষ্ট করুন, বন্ধুদের পড়তে বলুন, তাঁরাও জানুক স্বাধীনতার ভিতরের আসল ইতিহাস, ধন্যবাদ । বিঃ দ্রঃ -আমার করা সমস্ত মন্তব্য মুছে ফেলা হয়েছে, শুধু এক-টুকরা অংশ আছে তা লখকের দেয়া ৭৮ নং জবাবের প্রথম অংশ-টুকো ।


এই ছিটের হর্তা-কর্তা প্রায় সবাই বাংলাদেশের "ইসলামী ট্রেরিষ্টদের" আন্ডার-গ্রাউন্ড লীডার ! পড়ুন লেখক কাল্পনিক ভালোবাসার লেখা "পাকিস্তানিদের ২৫শে মার্চ দর্শন এবং আমাদের বীরদের কথা।" নিবন্ধ-টি এবং পড়ুন মন্তব্য নং এর ৭৮ নং এবং ৭৯ নং মন্তব্যের জবাব হিসাবে লেখক -কাল্পনিক ভালোবাসা-"র জবাব .দু"টি পড়ুন প্লিজ ! পড়ে যদি মনে করেন এই সমস্ত সাধুদের মুখ উন্মোচন করে বাংলাদেশের আসল "জামাতী" "রাজাকার" "যুদ্ধাপরাধীদের" এবং "ইসলামী ট্রেরিষ্টদের" চিহ্নিত করে বিশ্বের চোখে হাজির করাতে পারলে সত্য-সত্য"ই পৃথিবীতে শান্তি আসবে, শান্তি আসবে পৃথিবীর সমস্ত মানুষের, যেখানে যাচাই বাছাই করা হবে-না কে হিন্দু কে মুসলমান ? কে ইহুদী আর কে খৃষ্টান ? তা"হলে প্লিজ পোষ্ট-টি রি-পোষ্ট করুন, বন্ধুদের পড়তে বলুন, তাঁরাও জানুক স্বাধীনতার ভিতরের আসল ইতিহাস, ধন্যবাদ । বিঃ দ্রঃ -আমার করা সমস্ত মন্তব্য মুছে ফেলা হয়েছে, শুধু এক-টুকরা অংশ আছে তা লেখকের দেয়া ৭৮ নং জবাবের প্রথম অংশ-টুকোতে উল্যেখ করা আছে । দিতে পারি আসলে ওরাই বাংলাদেশের আসল ইসলামী ট্রেরিষ্টদের লীডার, দিনে ওদের এক রূপ আর রাতে ওদের ভিন্ন রূপ, এই আওয়ামী ইসলামী ট্রেরিষ্টদের লীডার-গুলো অত্যান্ত দ্রুত, ওদের দ্বারা সব"ই সম্ভব, এমন-কি দিন-কে রাত আবার রাত-কে দিন-ও "ওরা বানাতে সখ্যম, এমন-ও সম্ভব এবং করেছে-ও "নিবন্ধ মুছে-ফেলা", তেমনি ভাবে এই "নিবন্ধটি-ও মুছে-ফেলতে পারে বা করতে পারে, -তাই আমি লেখক কাল্পনিক ভালোবাসার লেখা "পাকিস্তানিদের ২৫শে মার্চ দর্শন এবং আমাদের বীরদের কথা। "নিবন্ধ-টি মন্তব্য সহ কপি করেছি এবং তা পোষ্ট করলাম ;-....আমার লেখা মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ভোর ৪:৪৭

লেখক বলেছেন:
বাংলাদেশের সমস্ত "বুদ্ধী-জীবিদের হত্যা দ্বায় এবং দ্বায়িত্ব শুধু আওয়ামী লীগের , জামাত বা মুসলীম লীগ রাজাকার বা বুদ্ধী-জীবিদের হত্যাকারী তা আওয়ামী মুসলিম ট্রেরিষ্টদের সাজানো কাহিনী মাত্র

আমাকে দেয়া লেখক কাল্পনিক ভালোবাসার ৭৮ নং জবাবটি এই ঃ -"আবে হাউয়ার পুত, আমার এই ব্লগ এমনিতেই ঽজামাতিঽ ছাগলদের জন্য সম্পূর্ন রূপে নিষিদ্ধ তার উপর তুমি হইলা গোয়াজমের পটু দিয়া জন্ম নেয়া একটা থার্ড ক্লাস ছাগল। গোয়াজমের বীর্যে এত নেশা? খাইতে খাইতে পুরাই দেখি টাল হইয়া গেছস!

আফসোস! তোমার বোকচোদ জারজ বাপেরা তোমারে এখনও ঠিকমত তালিম দেয় নাই। কোন প্রকার তথ্য প্রমান ছাড়া এই জাতীয় কথা বললে পাবলিক যে তোমারে পোদে বাঁশ দিয়া বলৎকার করবে এডি কেউ কয় নাই? অবশ্য কইয়াও লাভ কি? গোয়াজমের মাল খাইয়া টাল হইলে কি আর সেন্স মাথায় থাকে?

আবার এইখানে ল্যাদাইতে আসলে তোমার জন্য সেটা ভালো হবে না।"

৭৯. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:২৫




উদদিন বলেছেন:
আমার লেখা মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫২

আমাকে দেয়া লেখক কাল্পনিক ভালোবাসার ৭৯ নং জবাবটি এই ঃ - "আফসোস, তোর জন্ম তো কোন মহিলা দিয়া হয় নাই। হইলে তোর মারে তুইলা গালি দিতে পারতাম। শুধু তাই না যে রাস্তা দিয়া তুই বাইর হইস, সেই রাস্তা দিয়া তোরে কয়েকবার ঢুকাইয়া বাইর করতে পারতাম। সে আবার পাকিস্থানী সৈনিকদের স্বাধ পাইত।"

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.