| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সংলগ্ন ‘মিনি বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স। কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গতকাল সকালে আকস্মিকভাবে এটি বন্ধ করে দেয় পরিচালনা প্রতিষ্ঠান কনকর্ড গ্রুপ। তারা জানিয়েছে, সরকার পরিচালনা চুক্তি নবায়ন না করায় এবং তৃতীয় দফা টেন্ডার বাতিল হওয়ায় কমপ্লেক্স পরিচালনা থেকে তাদের সরে আসতে হয়েছে। কনকর্ডের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও সরকার নতুন কাউকে পরিচালনার দায়িত্ব না দেয়ায় জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স পরিচালনা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। কবে নাগাদ এটি চালু হবে তাও কেউ বলতে পারছেন না। অভিযোগ উঠেছে, সুুকৌশলে কমপ্লেক্সটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শহীদ জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার জন্যই। কমপ্লেক্সটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কনকর্ড ছাঁটাই করেছে সেখানে কর্মরত তাদের প্রায় ৮০ কর্মচারীকে। চাকরিচ্যুত কর্মীরা চাকরিতে পুনর্বহাল অথবা বিধি অনুযায়ী তিন মাসের অগ্রিম বেতনের দাবিতে কমপ্লেক্সের ভেতর ও বাইরে গতকাল ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। এদিকে বিনোদন কেন্দ্রটি হঠাত্ই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শত শত দর্শনার্থীকে পড়তে হয় বিপাকে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কমপ্লেক্সটি ২০০৬ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ৩ বছরের জন্য পরিচালনার দায়িত্ব পায় কনকর্ড গ্রুপ। পরিচালনা চুক্তির মেয়াদ এরই মধ্যে গত বছরের জুনে শেষ হয়ে গেছে। এরপর আরও দুই দফায় ৬ মাস চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। বর্ধিত মেয়াদের শেষ দিন ছিল গতকাল।
কনকর্ড থেকে বলা হয়েছে, নতুন করে আর মেয়াদ না বাড়ানোয় তারা কমপ্লেক্স পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে। কমপ্লেক্সটি পরিচালনার জন্য তৃতীয় দফা দরপত্র মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল করা হয়। মোট ৮৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে কয়েকজন ছাড়া বাকিদের ছাঁটাই করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তাদের পাওনা পরিশোধ করা হবে।
চাকরিচ্যুত অ্যাকাউন্টস বিভাগের কর্মচারী মোঃ জামাল উদ্দিন জানান, তাদের এক মাসের বেতন দিতে চাইছে কনকর্ড। এটা তারা মানবেন না। হয় চাকরিতে পুনর্বহাল, না হয় ৩ মাসের অগ্রিম বেতন দিতে হবে। আরেক কর্মী সাইফুল বলেন, তাদের চাকরিচ্যুতির কোনো নোটিশ না দিয়েই চলে যেতে বলা হয়েছে।
চাকরিচ্যুত প্রায় ৮০ কর্মী গতকাল জিয়া কমপ্লেক্সের ভেতরে ও বাইরে মিছিল এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। তারা অভিযোগ করেন, সরকার চাইলে কমপ্লেক্সটি চালু রাখতে পারত। কিন্তু তারা তা না করে বার বার টেন্ডার বাতিল করেছে। এটা এক ধরনের ষড়যন্ত্র। শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলার জন্য এ ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন। সমাবেশ চলাকালে চাকরিচ্যুত কর্মীরা ভাংচুরের চেষ্টা চালালে চান্দগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
উল্লেখ্য, গত চারদলীয় জোট সরকার কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র সংলগ্ন বিশাল জায়গাজুড়ে প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ করে। শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে বেতার কেন্দ্রের পাশেই শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়। ২০০৬ সালের ২৯ আগস্ট তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকেই কমপ্লেক্সটি চট্টগ্রামসহ সারা দেশের মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। কমপ্লেক্সটিতে রয়েছে গোটা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থানসমূহের নিদর্শন। এর মধ্যে রয়েছে সংসদ ভবন, আহসান মঞ্জিল, দরবার হল, সোনা মসজিদ, কান্তজির মন্দির, সেন্ট নিকোলাস চার্চ, বড় কুঠি, ছোট কুঠি, কার্জন হল, লালবাগ কেল্লা, জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এছাড়া রয়েছে সুউচ্চ রিভলভিং রেস্টুরেন্ট ও নানা ধরনের এমিউজমেন্ট রাইড।
Click This Link
২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৮
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: জিয়া এয়ারপোর্ট বন্ধ না করলেই আমি খুশি। দেশে ফিরতে চাই। ![]()
৩|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৩
রেহনুবানিজাম ইভা বলেছেন: প্রতিহিংসা বন্ধ হোক
৪|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
হতবুদ্ধি বলেছেন: জিয়া বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হোক যাতে নেতা-নেত্রী দেশ ভ্রমন না করতে পারে।
৫|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২
হুতুম পেঁচার নকশা বলেছেন: হতবুদ্ধি বলেছেন: জিয়া বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হোক যাতে নেতা-নেত্রী দেশ ভ্রমন না করতে পারে...................................সহমত।
Shame!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
৬|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২
মন্দিরা বলেছেন: আরে ভাই বন্দ না করে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স এর নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্স করলেইতো হয়। তাহলেতো আর কর্মচারীরা আন্দোলন করবেনা।কি কন ভাইজানেরা হে-হে-হে-েহ????
৭|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
েহলাল খান বলেছেন: একটা স্মৃতি কমপ্লেক্স নিয়ে যে দল রাজনীতি করে তার মতো হীনমন্য রাজনৈতিক দল থেকে জাতি কি বা আশা করতে পারে?
আর নু:পুংশুক বিএনপি নেতাদের বলছি মুখে প্রতিবাদের তুবড়ী না মেরে রাজপথে নামেন না হলে শাড়ি চুড়ি ঘরে বসে থাকেন।
৮|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০১
মিলটন বলেছেন: ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিলে সমস্যা কি? আমি তো এটা বুঝি না।
৯|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৭
বাবর মোহাম্মদ বলেছেন: বিএনপি-আওয়ামীলিগ বলে লাভ নেই....এটা এদেশে ট্রেডিশনাল......
১০|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৯
যোগী বলেছেন: আরও যেসব স্বাধিনতার ঘোষক আছেন তাদের কারও নামে কমপ্লেক্সটির নাম করন করে পূনরায় চালু করা হক।
১১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৩
লুকোচুরি বলেছেন: প্রধানমন্ত্রীর নোংড়া প্রতিহিংসা বন্ধ হোক।
১২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯
আকাশদেখি বলেছেন: হতবুদ্ধি বলেছেন: জিয়া বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হোক যাতে নেতা-নেত্রী দেশ ভ্রমন না করতে পারে..।
সহমত।
১৩|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৯
এস এইচ খান বলেছেন: হ, জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স এর নাম পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্স করলেইতো হয়।
১৪|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯
সাজিদ বলেছেন: ক্ষমতায় আসার জন্য যারা চট্যগ্রাম বন্দর বন্ধ কোরতে পারেন তারা এয়ারপোট্ ও বন্ধ করতে পারেন। যদি বিকল্প থাকতো তাহলে সেটও করতো।
১৫|
০৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৬
আশীষ কুমার বলেছেন: নাম পরিবর্তন করে কি জিয়াকে বঙ্গবন্ধু করবে ভাবছেন? আ.লী এক কাচা কাম করে না।
ঐটা মহিউদ্দিনের নামে করবে কারণ আউলিয়ার নামেতো আর বিনোদন পার্ক করা যায় না...।
১৬|
০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৩
বিশ্বমিত্র বলেছেন: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র সংলগ্ন ‘মিনি বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স।
হাসতে হাসতে চেয়ার থেকে পড়ে গেলাম!
১৭|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৪
এনটনি বলেছেন: প্রতিহিংসার রাজনীতি ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
রহমানরক্তিম বলেছেন: তীব্র নিন্দা ঘৃনা ছিড়া স্যান্ডেল সহকারে ক্ষোভ ধ্বিক্কার জানিয়ে সরকারকে দ্রুত এ সিন্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হুকুম করছি, না হলে চিটাগং থেকে ডিজিটাল কে এনালগ করে দেয়া হবে।