নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ও বলতে চাই !

ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন

ব্লগিং হউক সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার।

ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি কূটনৈতিক ভুল, নাকি কৌশলগত সিদ্ধান্ত?

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

ভারতের নয়াদিল্লিতে গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষণ অঙ্গনে এক ধরনের শোরগোল সৃষ্টির অপচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে বহুপক্ষীয় এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের আউটরিচ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে একটি নির্দিষ্ট মহল নানামুখী প্রচারণায় নেমেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত ছবি, সম্মেলনস্থলে বিশ্বনেতাদের উপস্থিতি এবং নরেন্দ্র মোদী, শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের মতো পরাশক্তিগুলোর শীর্ষ বৈঠকের আলোকচিত্র সামনে এনে একটি সুনির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের দাবী ভারতে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্ট থেকে দূরে থেকে বাংলাদেশ নাকি এক অপূরণীয় কূটনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং এটি বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির একটি বড় ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত। তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিকে যারা কেবল শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিতি, ক্যামেরার সামনে করমর্দন বা যৌথ ছবি তোলার সুযোগ দিয়ে বিচার করেন, তাদের বিশ্লেষণের ক্ষেত্রটি হয়তো অত্যন্ত সংকীর্ণ না হয় বিশেষ গোষ্ঠীকে খুশি রাখারই অপচেষ্টা মাত্র। কূটনীতির খেলায় শেষ বলে কোনো কথা থাকে না। কোনো সম্মেলনে যোগদান নিঃসন্দেহে সম্পর্ক উন্নয়ন, অনানুষ্ঠানিক বার্তা আদান-প্রদান ও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের পথ তৈরি করে কিন্তু সেখানে না যাওয়া মানেই কোনো রাষ্ট্র কূটনৈতিক ভাবে পরাজিত হয়েছে বা দেশের বিশাল ক্ষতি হয়ে গেছে এমন ধারণা একেবারেই ভিত্তিহীন ও অবাস্তব। এই সিদ্ধান্তটি সঠিকভাবে মূল্যায়নের জন্য নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে মূলত কোন পরিচয়ে এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, সেই আমন্ত্রণের পেছনের কৌশল কী ছিল এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব কতটুকু।

প্রথমত, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এককভাবে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে বা ব্রিকসের বিশেষ দ্বিপক্ষীয় অংশীদার হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে তাঁর কাছে আমন্ত্রণটি এসেছিল মূলত আঞ্চলিক সংস্থা ‘বিমসটেক’ এর বর্তমান পর্যায়ক্রমিক চেয়ারপারসন বা সভাপতি হিসেবে। সংস্থাগুলোর নিয়ম অনুযায়ী সভাপতি পদটি আবর্তিত হয়, আর সেই প্রক্রিয়াতেই বাংলাদেশ বর্তমানে বিমসটেকের শীর্ষ নেতৃত্বে রয়েছে। ফলে তিনি যদি বিমসটেকের দায়িত্বে না থাকতেন, তবে এই আমন্ত্রণের হয়তো কোনো অস্তিত্বই থাকত না। বহু রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের ক্ষেত্রে তাঁদের নিজ নিজ দেশের সার্বভৌম প্রতিনিধি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পদাধিকারবলে পাওয়া একটি আঞ্চলিক পরিচয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। এর পাশাপাশি একই সময়ে সরকার প্রধান হিসেবে ভারত সফরের জন্য একটি পৃথক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার প্রস্তাবও বিবেচনার বিষয় ছিল। ফলে একটি আন্তর্জাতিক জোটের বহুপক্ষীয় সম্মেলনে যোগ দেওয়া আর একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেওয়া এই দুটির অর্থ ও কূটনৈতিক তাৎপর্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। বহু পাক্ষিক সম্মেলনের লক্ষ্য থাকে সাধারণ ও বৈশ্বিক ইস্যুতে সম্মিলিত অবস্থান প্রকাশ করা, আর দ্বিপক্ষীয় সফরে সমাধান হয় দুই দেশের ভূ-রাজনৈতিক বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট মৌলিক সমস্যা গুলো। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বর্তমানে এক জটিল ও সুসংবেদনশীল মধ্যবর্তী পর্যায় অতিক্রম করছে। সীমান্তে প্রাণহানি, তিস্তাসহ যৌথ নদীর পানি বণ্টন, তীব্র বাণিজ্য বৈষম্য, ট্রানজিট, জ্বালানি ও নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো কেবল কোনো শীর্ষ সম্মেলনের পার্শ্ববর্তী বা 'সাইডলাইন' সংক্ষিপ্ত সৌজন্য সাক্ষাৎকারে সমাধান হওয়া অসম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন দুই দেশের সুস্পষ্ট প্রস্তুতি, আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচি এবং রাজনৈতিক আস্থার ভিত্তিতে পরিচালিত পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সংলাপ।
এই বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর প্রথম ভারত সফরকে কেবল একটি বহুপক্ষীয় আয়োজনের প্রান্তিক আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না রেখে সুনির্দিষ্ট এজেন্ডাভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য সংরক্ষিত রাখতে চান, তবে সেই সিদ্ধান্তের পেছনে একটি গভীর কৌশলগত আত্মমর্যাদা ও কূটনৈতিক প্রজ্ঞা কাজ করেছে। ভারতের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হয়েছিল এই আমন্ত্রণকে এমনভাবে তুলে ধরতে যেন নতুন বাংলাদেশ নেতৃত্বকে অতি দ্রুত দিল্লির দরবারে হাজির করানো সম্ভব হয়েছে। বহুপক্ষীয় ফোরামের সভাপতির আমন্ত্রণকে দ্বিপক্ষীয় সফলতার মতো করে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রোপাগান্ডা চালানোর যে মনস্তাত্ত্বিক ছক ভারত তৈরি করেছিল, বাংলাদেশ অত্যন্ত পরিপক্কতার সঙ্গেই সেই ফাঁদ এড়িয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধানদের অনুপস্থিতি নতুন বা অভূতপূর্ব কিছু নয়। রাষ্ট্রনেতারা সর্বদা নিজেদের জাতীয় নীতি, অভ্যন্তরীণ গুরুত্ব এবং কৌশলগত অবস্থান হিসাব করেই সফর নিশ্চিত করেন। এই ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনেই বিশ্ব রাজনীতির অত্যন্ত প্রভাবশালী একাধিক দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব সশরীরে অংশ নেননি। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান নিজে না এসে তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়েছেন। লাতিন আমেরিকার দেশ উরুগুয়ের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। এই সকল প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতারা সম্মেলনে সশরীরে যোগ না দিয়ে যদি কোনো অলঙ্ঘনীয় ভুলের অংশীদার না হন বা তাঁদের রাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন সমীকরণ দাঁড় করানো পুরোপুরি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

দ্বিতীয়ত, ব্রিকস সম্মেলনের প্রকৃত ফলাফল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে এর কার্যকারিতা কতটুকু তা অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় বিশ্লেষণ করা দরকার। সম্মেলন শেষে গৃহীত যৌথ ঘোষণাপত্রে একতরফা নিষেধাজ্ঞা বা বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপের যে সমালোচনা করা হয়েছে, তা ক্লিয়ারলি যুক্তরাষ্ট্র কেন্দ্রিক পশ্চিমা নীতির বিরুদ্ধেই নির্দেশিত। ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, রাশিয়া ও চীনের মতো বৈরী স্বার্থের দেশগুলোকে একটি টেবিলে আনা ভারতের কূটনৈতিক সফলতা হলেও, কাঠামোগত দিক থেকে ব্রিকস এখনও একটি অত্যন্ত ভঙ্গুর ও স্বার্থদ্বন্দ্বে জর্জরিত জোট। ব্রিকস সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য ছিল বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থায় পশ্চিমা আধিপত্য এবং বিশেষ করে মার্কিন ডলারের একচ্ছত্র বিশ্বায়নকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি বিকল্প অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও সংস্থাটি বাস্তবে সেই ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। কারণ এর প্রধান দুই অংশীদার চীন ও ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি ও লক্ষ্য সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। চীন চায় মার্কিন প্রভাবের বিপরীতে একটি চীন কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অন্যদিকে ভারত কখনোই ব্রিকসকে চীনের আজ্ঞাবহ বা মার্কিন বিরোধী চরমপন্থী কোনো অক্ষ হিসেবে রূপ নিতে দিতে রাজি নয়। ভারতের লক্ষ্য হচ্ছে একদিকে পশ্চিমা অর্থনৈতিক বলয়ে নিজের অবস্থান শক্তিশালী রাখা আবার অন্যদিকে " গ্লোবাল সাউথ "এর নেতৃত্ব দাবি করা। ডলারের বিকল্প মুদ্রা চালুর আলোচনা বহু বছর ধরে চললেও তা বাস্তবে রূপ নেওয়া তো দূরের কথা কার্যকর রূপরেখাই তৈরি করা সম্ভব হয়নি। মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক একক স্থানকে ধাক্কা দেওয়ার সামর্থ্য ব্রিকসের এখনও গড়ে ওঠেনি।

একইভাবে, ব্রিকস প্রতিষ্ঠিত " নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক " যার সদস্য বাংলাদেশ নিজেই তা বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফের প্রকৃত বিকল্প হয়ে উঠতে বহু দূর পিছিয়ে রয়েছে। ফলে ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থায়ন বা বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় অনেক ক্ষতি হয়েছে এমন দাবি একেবারেই অবাস্তব। বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান চালিকাশক্তি এখনও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপরই নির্ভর করে।
এখানে ভারতের দ্বিচারিতাও স্পষ্ট। ভারত নিজের অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ বজায় রেখে নির্দ্বিধায় চীনের সঙ্গে শত বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য করছে, সীমানা বিতর্ক নিয়েও বৈঠক করছে এবং রাশিয়ার কাছ থেকে সস্তায় জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জাম কিনছে। কিন্তু বাংলাদেশ যখন নিজের সার্বভৌম প্রয়োজন অনুযায়ী চীনের সাথে পরিকাঠামোগত বা বাণিজ্যিক চুক্তি করতে যায়, তখন ভারতের গণমাধ্যম ও নীতি-নির্ধারণী মহলে নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কার গুজব তোলে। এই ধরনের অসম দৃষ্টিভঙ্গিকে মেনে নিয়ে সমতাহীন কূটনীতি পরিচালনা করা সার্বভৌম রাষ্ট্রের পরিচয় হতে পারে না।
তবে এই সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশকে কিছু বাস্তবমুখী কূটনৈতিক ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হবে।

শীর্ষ সম্মেলনে না যাওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্রের বার্তা দিয়েছে, কিন্তু এতে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে বর্তমান রাজনৈতিক আস্থার ঘাটতি যেন আরও দীর্ঘস্থায়ী বা জটিল রূপ না নেয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। দিল্লির সঙ্গে দ্রুত এক কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যম উন্মুক্ত করে পানি, সীমান্ত, বাণিজ্য এবং ট্রানজিটের মতো বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধানে আন্তরিক ও সম মর্যাদাপূর্ণ আলোচনার উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশকে তার পররাষ্ট্রনীতির মূল নীতি সবাইকে সাথে নিয়ে নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা দক্ষতার সাথে বজায় রাখতে হবে। চীনের সঙ্গে অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে সু-প্রতিবেশী সুলভ ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক বাজার ধরে রাখা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানের মতো কৌশলগত উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়াই বাংলাদেশের জন্য কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করবে। নয়াদিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির জন্য কোনো কূটনৈতিক বিপর্যয় নয়। এটি বিচ্ছিন্নতার সংকেতও নয় বরং এটি ছিল এক হিসাব-নিকাশ করা কৌশলগত অবস্থান। কিন্তু এর সফলতা নির্ভর করবে আগামী দিনের কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর। যদি বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ, মর্যাদাশীল ও ফলাফলমুখী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের রূপরেখা তৈরি করতে পারে এবং চীন ও পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর মাঝে নিজের অবস্থান সুরক্ষিত রাখতে পারে, তবে ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার এই প্রজ্ঞাপূর্ণ পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় কূটনীতির এক বলিষ্ঠ বার্তা হিসেবেই ইতিহাসে স্থান করে নেবে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্রিকস একটি আর্ন্তজাতিক ফোরাম,
এখানে বাল্য শুলভ আচরন করে না যাওয়াটা চরম বোকামী ছিল ।

.........................................................................................
অনেকে বলছে না গিয়ে এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করা হলো ।
১) ট্রাম্পকে খুশী করা
২) মোদীকে চ্যালেন্জ করা ।
আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় আমরা জিতে গেছি
এযে বোকার ধান পোকায় খায় এমন ঘটনা হয়েছে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.