নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি জাহিদ হাসান শিশির। আপনাদেরকে আমার ব্লগে স্বাগতম।

জাহিদ হাসান

বড় বড় স্বপ্ন দেখায় অভ্যস্ত এক ছেলে

জাহিদ হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা কেন অটোপ্রমোশন চাচ্ছি?

১৪ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে অধিভুক্ত কলেজগুলো পুনরায় খোলার এক মাসের মধ্যে তারা সবার ফাইনাল পরীক্ষা নেবে। কিন্তু আমাদের কলেজ আবার কবে খুলবে বা কত বছর পরে খুলবে কেউ জানে না। কি আশ্চর্য ব্যাপার। আর আমরা আশা করে বসে আছি।যেখানে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনা রাতারাতি দূর হবে না। এমনকি এই অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে।

অন্যদিকে ধরে নিলাম রাতারাতিই অবস্থার পরিবর্তন হয়ে গেল। এখন ঝট করে পরীক্ষা নেওয়া হলে কি হবে? তৃতীয় বর্ষের অনেক বই আমরা এখনো তিন ভাগের এক ভাগও বুঝে উঠতে পারিনি। অনলাইনে ক্লাসও হচ্ছে না। কিংবা হলেও আমাদের মধ্যে একজনও সেই ক্লাসে এটেন্ড করার ক্ষমতা নেই। গরীব দেশে গরীবের অনলাইন ক্লাস করার চিন্তা করা ঘোড়া রোগ।তাছাড়া অনলাইন ক্লাস কখনই উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাস্তব ক্লাসের বিকল্প হতে পারে না। আমি কয়েকদিন অনলাইনে ক্লাস করেছি। প্রতীকী যুক্তিবিদ্যার এক অধ্যায় কিছুই বুঝে উঠতে পারিনি।কিছু প্রশ্ন ছিল। সেটাও করতে পারিনি। এভাবে পড়াশোনা হয়না। বাসায় নিজের চেষ্টায় শেষমেশ পাঠ্যবই কয়েকটা আর্ধেকটা শেষ করেছি।কয়েকটা পুরোপুরি শেষ হয়েছে আল্লাহর রহমতে। এখন কথা হচ্ছে এই ভাবে গোলেমালে যদি এই বছরটা যায়ই, তাহলে কি হবে?আল্লাহই ভালো জানে।
শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে তো বলেই দেয়া হয়েছে যে অটোপ্রমোশন দেওয়া হবে না। এখন আমাদের একটা বছর আগেই চলে গেছে তৃতীয় বর্ষে। আমরা কি সেই একটা বছর খরচের খাতায় ফেলবো? আমরা ঢাবি অধিভুক্ত কলেজের ১৬-১৭ ব্যাচ তাই ফাইনাল ইয়ারে অটোপ্রমোশন চাচ্ছি। তানাহলে আমাদের আরও একটি বছর অযথাই নষ্ট হবে। আর এই অটোপ্রমোশনটা এই বছর গেলে তারপর দিলে কোন লাভ হবে না। জুলাই মাসে আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

আমরা চাচ্ছি অল্প সময়ের মধ্যেই অটোপ্রমোশন। তাহলে আমরা ফাইনাল ইয়ারের পাঠ্যবই জোগাড় করে বাসায় বসে প্রস্তুতি নিতে পারবো। এবং আগামী বছর কলেজ খুললে আমরা প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় বসতে পারবো। তাহলে আমাদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাবে।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:৫৪

ফয়সাল রকি বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়! ছাত্র ছাত্রীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেন যায়? শিখতে নাকি ডিগ্রী নিতে? যদি শিখতে যায় তাহলে তাদের শিক্ষা পরিপূর্ণ না হলে পরবতীধাপে যাওয়া উচিত না। আবার যদি বিষয়টা ডিগ্রী নেয়া সংক্রান্ত হয় তাহলে আমার বলার কিছু নাই। আমার নার্সারী পড়ুয়া ছেলেকে নিয়েও এরকম জটিলতা দেখছি। বেশি ছোট হওয়ায় ওদের অনলাইনে ক্লাশ নেয়া হয় না। স্কুল থেকে প্রতিমাসের বেতনের জন্য তাগাদা দেয় এবং ওরা বলে যে, বছর শেষে উপরের ক্লাশে তুলে দিবে! কথা হলো, নার্সারীর বাচ্চারা তো ঠিক মতো বেঞ্চেই বসতে শেখেনি আর পড়ালেখা শেখা তো অনেকদূরের কথা! বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ক্ষেত্রে তো সমস্যা আরো বেশি হবার কথা।

১৪ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:০৯

জাহিদ হাসান বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই এটাও সমর্থন করেন না যে একজন এক ক্লাসে দুই বছর থাকুক? কোন পরীক্ষা ছাড়াই এক ক্লাস শেষ করতে আমাদের দুই বছর লাগতেছে। এর আগেও একবার সেশনজটে এক বছর নষ্ট হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক আগেই অনার্স শেষ করে চলে গেছে। আর আমরা ঢাবি অধিভুক্তরা মাত্র তৃতীয় বর্ষে। অথচ সাড়ে চার বছর হয়ে গেছে।

অটোপ্রমোশন ছাড়া কোন গতি নেই।

২| ১৪ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:০২

রাজীব নুর বলেছেন: অটোপ্রমোশন দাবীর সাথে আমি একমত নই।

১৪ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: আপনার একমত হওয়া না হওয়া দিয়ে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা সরকারের উপরে চাপ সৃষ্টি করে যাবো।

৩| ১৪ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৬

ফুয়াদের বাপ বলেছেন: অটোপ্রমোশন সঠিক সমাধান মনে হচ্ছে না। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার দিকটা কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভাবা দরকার।
সময় মানুষকে অনেক কিছুই শেখায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে নতুন পদ্ধতিতে পড়ানো-পরীক্ষা নেওয়া।

=< অনলাইনে লাইভ ক্লাসের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এবং জনপ্রিয় হচ্ছে।
=< Zoom app এর মাধ্যমে টিউশনি করাও শুরু হয়ে গেছে।
=< বিভিন্ন স্কুল গার্ডিয়ানকে পরীক্ষক বানিয়ে যার যার ঘরে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যাবস্থা করেছে (যদিও এটা স্কুল লেভেল পর্যন্তই)

এমন ভাবে আউট অফ দ্যা বক্স অনেক কিছু নতুন করে চিন্তা করার সময় এসে গেছে।

অটোপ্রমোশন শিক্ষার্থীর শিক্ষার মেরুদন্ড ভেঙে দিবে...

১৪ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫২

জাহিদ হাসান বলেছেন: আপনাদের কাছে সঠিক মনে না হলেও শুধু ভুক্তভোগীই জানে তার জন্য কতটা প্রয়োজন।

৪| ১৪ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:২৯

ফয়সাল রকি বলেছেন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক আগেই অনার্স শেষ করে চলে গেছে। আর আমরা ঢাবি অধিভুক্তরা মাত্র তৃতীয় বর্ষে। অথচ সাড়ে চার বছর হয়ে গেছে। এই বিষয়টার সাথে করোনাকালীন সময়ের একটু পার্থক্য আছে। মহামারী কালীন জরুরী সময়ের সাথে সাধারণ সময় গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, এই বছরটা অন্য বছরগুলোর থেকে আলাদা যেখানে বেঁচে থাকাটাই একটা চ্যালেঞ্জ। এইবছরের লসটা সবাইকেই মেনে নিতে হবে এবং প্রায় সবক্ষেত্রেই।
আর, এক ক্লাসে দুইবছর থাকাটা যেমন সমর্থনযোগ্য না, তেমনি অটো প্রমোশনও না। তবে মন রাখতে হবে, এখন সময় স্বাভাবিক না।
শুভ কামনা রইলো।

১৪ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫৪

জাহিদ হাসান বলেছেন: আপনি নিজেই স্বীকার করলেন যে মহামারীর সময় স্বাভাবিক সময়ের মত নয়।

সুতরাং এই প্রজন্ম অটোপ্রমোশনের মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার দাবীদার।

উপরের ক্লাসে অটোপ্রমোশন চাই।

৫| ১৪ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:১৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: না হলে বাচ্ছাদের মনে প্রভাব পড়বে

১৪ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:১৮

জাহিদ হাসান বলেছেন: ইয়ার লস হলে বিরাট প্রভাব পড়বে। আমরা যারা উচ্চশিক্ষায় আছি আমরাই তো ঝরে যাবো।

৬| ১৪ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ছাত্রদের সাথে যোগাযোগ রেখে কলেজ তাদেরকে বাড়ীতে কোর্স শেষ করে, "টেইক হোম" পরীক্ষার ব্যবস্হা করতে পারে।

১৪ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৪০

জাহিদ হাসান বলেছেন: বাড়ীতে কোন পরীক্ষা হওয়া সম্ভব না। অটোপ্রমোশনই একমাত্র রাস্তা।

আপনাকে দেখে ভালো লাগলো । অনেকদিন ধরে আপনার কোন মন্তব্য পাই না আমার পোস্টে।

৭| ১৪ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৩

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: Take home exams with a 7-10 day deadline for each subject plus permission for collaboration among the studentms but indedepnt submissions will be the best.

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২২

জাহিদ হাসান বলেছেন: বাড়িতে বসে কোন পরীক্ষা হয়না।

৮| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫৬

মৌরি হক দোলা বলেছেন: আমরা কোন পথে আছি ভাই? সামনে এইচএসসি দেব, ভার্সিটিতে ভর্তি হবো... সব এই করোনা শেষ করে দিলো। কবে যে হবে আল্লাহপাকই জানেন!

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: আপনাদের সমস্যা আরও বেশি জটিল। এর সমাধান আমার জানা নেই।

৯| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১:৪৫

কাছের-মানুষ বলেছেন: সমস্যা জটিল। অটোপ্রমোশন না দিয়ে বিকল্প উপায় বা এসাইনমেন টাইপের এক্সাম নিতে পারে যা অনলাইনে সাবমিট করতে হবে। রেজাল্ট আসবে বিকল্পভাবে মানে সাকসেস বা ফেইল হিসেবে, কোন গ্রেডিং রাখা উচিৎ হবে না এই বছর কারন একুরেট মার্কিং এর জন্য পরিক্ষা ছাড়া বিকল্প নেই। যেহেতু পরিক্ষা নেয়া দূরহ তাই সাকসেস বা ফেইল হিসেবে সাবজেক্টগুলো মার্কিং হতে পারে।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

জাহিদ হাসান বলেছেন: অটোপ্রমোশনই একমাত্র সমাধান।

১০| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২০

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: আপনি বাড়িতে বসে পরীক্ষা দেননি কোনোদিন, তাই বিষয়টি জানেন না। করোনাকালীন সময়ে বিশ্বের অনেক স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় বাড়িতে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে। শুধু শুধু অটোপ্রমোশন দেয়ার চেয়ে এটি অনেক ভালো। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এটিই যথার্থ।

১৬ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৫৫

জাহিদ হাসান বলেছেন: বাড়িতে বসে পরীক্ষা দিতে গেলে যেই ধরনের ব্যবস্থা দরকার তা হুট করে করে ফেলা আমাদের দ্বারা সম্ভব নয়। আবার এর চাইতে অটোপ্রমোশন অনেক ভালো। ইউরোপ-আমেরিকার সাথে আমাদের তুলনা করবেন না। আমাদের তুলনা আফ্রিকার দেশগুলোর মত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.