| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বইপাগল
"... তোমরা যা কিছু করছো আল্লাহ তায়ালা তার সব কিছুই দেখছেন।" (সূরা আল হাদীদঃ আয়াত ৪) ///////// "তিনি চোখের খেয়ানত সম্পর্কে (যেমন) জানেন, (তেমনি জানেন) যা কিছু (মানুষের) মন গোপন করে রাখে (সে সব কিছুও)।" (সূরা আল মোমেনঃ আয়াত ১৯) ///////// "যিনি জন্ম ও মৃত্যু সৃষ্টি করেছেন, যাতে করে এর দ্বারা তিনি তোমাদের যাচাই করে নিতে পারেন, কর্মক্ষেত্রে কে (এখানে) তোমাদের মধ্যে বেশি ভালো, ..." (সূরা আল মূলক, আয়াত ২) ///////// "... অবশ্যই আমার নামাজ, আমার এবাদাত, আমার জীবন, আমার মৃত্যু - সব কিছুই সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার জন্যে।" (সূরা আল আনয়ামঃ আয়াত ১৬২)
প্রশ্ন : সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,
'তোমরা তোমাদের মালিকের পক্ষ থেকে ক্ষমা পাওয়ার কাজে প্রতিযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলো, আর সেই জান্নাতের জন্যেও (প্রতিযোগিতা করো) যার প্রশস্ততা আকাশ ও পৃথিবী সমান, আর এই (বিশাল) জান্নাত প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে সে সব (ভাগ্যবান) লোকদের জন্যে, যারা আল্লাহকে ভয় করে।' (সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩৩)
প্রশ্ন হচ্ছে যে, জান্নাতের আয়তন যদি আকাশ এবং যমীনের সমান হয় তবে জাহান্নামের অবস্থান কোথায়?
উত্তর : প্রকৃতপক্ষে আমরা যমীনের যে সংক্ষিপ্ত অংশে বসবাস করি এতোটুকুই শুধু আসমান যমীনের অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং আমাদের দেখা আকাশের বাইরেও বিশ্বজগতের সীমাহীন প্রশস্ততা রয়েছে এবং সেসবই আল্লাহর মালিকানাভুক্ত। আমাদের বিবেক বুদ্ধি সেই পর্যন্ত পৌঁছতে সক্ষম হয় না। আধুনিক বিজ্ঞানও ততোটা ব্যাপ্তিমূলক গবেষণা করতে সক্ষম নয়।
এ কারণেই মহানবী (স.) নামাযে রুকু থেকে উঠে বলতেন, "আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদু মেলআস সামাওয়াতে ওয়াল আরদে ওয়া মেলআ মা শে তা মিন শাইয়িম বা'দু"। অর্থাৎ হে আল্লাহ তোমার জন্যেই সকল প্রশংসা নিবেদিত। তোমার জন্যে এতো প্রশংসা যা আকাশসমূহ এবং যমীনের সমপরিমাণ এবং আরো সেই সকল জিনিষের সমপরিমাণ যা তুমি চাও। (মুসলিম)
আধুনিক বৈজ্ঞানিকরা গবেষণার মাধ্যমে বিশাল বিস্তৃত বিশ্বজগতের সামান্য অংশেরই পর্দা উন্মোচন করেছেন। এই গবেষণায় তারা লাখো কোটি আলোকবর্ষের দূরত্বে অবস্থানকারী গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। আমাদের এই পৃথিবী এবং নক্ষত্রলোকের মধ্যে দূরত্ব এতো বেশী যে, সেই দূরত্ব অতিক্রমের জন্যে কোটি কোটি আলোকবর্ষ প্রয়োজন।
কাজেই জান্নাত যদি এই যমীন এবং ওই আকাশকে ঘিরে রাখে একথার অর্থ এটা নয় যে, এরপর জাহান্নামের জন্যে কোনো জায়গা থাকে না; বরং আল্লাহর যমীন এতো বিশাল এবং ব্যাপক যে, এতে জান্নাত জাহান্নামের স্থান সংকুলান হয়েও আরো হাজার হাজার জিনিসের জন্যে জায়গা অবশিষ্ট থাকবে।
আপনার প্রশ্ন নতুন কোনো প্রশ্ন নয়। রসূল (স.)-এর কাছে কোনো কোনো সাহাবী ও আহলে কেতাবরা একই প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি জবাবের আগে প্রশ্ন করেছিলেন, যখন দিন আসে তখন রাত কোথায় যায়? হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে এক বর্ণনায় রয়েছে, রসূল (স.) জবাব দিতে গিয়ে বলেছেন, যখন রাত এসে সবকিছু অন্ধকার করে দেয় তখন দিন কোথায় থাকে? প্রশ্নকারী জবাব দিলেন, দিন কোথায় থাকে, আল্লাহ তায়ালা যেখানে ইচ্ছা করেন। রসূল (স.) বলেন, দোযখও সেখানে থাকে যেখানে আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন।
হাফেজ ইবনে কাসীর এই হাদীসের ব্যাখ্যা প্রসংগে বলেছেন, এর দুটি অর্থ হতে পারে।
১. ফজর হওয়ার পর আমরা রাত দেখতে না পাওয়ার অর্থ এটা নয় যে, রাতের অস্তিত্ব কোথাও বিদ্যমান নেই। যদিও রাত্রির অস্তিত্বের কথা আমাদের জানা থাকে না।
২. দুনিয়ার একদিকে রাত্রি যখন থাকে সেই সময় অন্যদিকে দিন থাকে। একই ভাবে জান্নাত এই পৃথিবীর একদিকে অবস্থান করে অর্থাৎ ইল্লিনে।
জাহান্নাম দুনিয়ার অন্যদিকে অবস্থান করে। অর্থাৎ আসফালু সাফেলীনে।
*** জবাব দিয়েছেন শায়খ ইউসুফ আল কারদাওয়ী ***
*** অনুবাদ করেছেনঃ হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ ***
২|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৩২
রাশেদ বলেছেন: ১ এখনো দেই নাই আমি!
৩|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৩৩
চতুরভূজ বলেছেন: ৫
রাশেদ, বইপাগল ভাই গালি দেননা।
৪|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
নাজিম উদদীন বলেছেন: যখন দিন আসে তখন রাত কোথায় যায়?
আরেক দেশে যায়, এ সম্পর্কে নবী ছিল উম্মু।
'দোযখও সেখানে থাকে যেখানে আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন।'
মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক। তাহলে ব্যাখ্যা করা যায় পরকাল বলে কিছু নাই , কি বলেন?
ব্যাখ্যায় করিতে পারি উলট পালট।
৫|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৩৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: ফতোয়াবাজদের না রুখে আপনি ব্লগে ফতোয়া ছড়াচ্ছেন।
১ দেয়া হল।
৬|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৪২
রাশেদ বলেছেন: ওনার কথা বলি নাই। ধর্মান্ধগুলার কথা বলছি।
৭|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৪৪
ডাক্তাড়' বলেছেন: আধুনিক সমাজে যে কোন ধরনের ফতোয়া পরিত্যাজ্য। কায়রোর আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা ধর্ম বদলায় তাদের কতল করার ফতোয়া দেয়, ফাইজলামি নাকি?
৮|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৪৫
বীর বলেছেন: ৫
৯|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:১০
বইপাগল বলেছেন: @রাশেদ - দুঃখিত রাশেদ ভাই, ফ্লাডিং করার উদ্দেশ্য নিয়ে পোস্টগুলো দেই নাই। যাই হোক, এরপর থেকে সতর্ক থাকবো কথা দিচ্ছি। আর আপনার কথার মধ্যে ধর্মের বিরুদ্ধে কোনো কথা তো পেলাম না ! ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপু, আমার ওপর আপনার বিশ্বাস আছে দেখে ভালো লাগলো। @চতুরভূজ
@নাজিম উদদীন - এ দেশের সেইসব ঘৃণ্য 'ফতোয়াবাজ' আর একজন শায়খ যিনি আসলেই ফতোয়া দেবার অধিকার রাখেন, এ দুয়ের মাঝে অনেক পার্থক্য আছে। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ @বীর
১০|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:১২
আবূসামীহা বলেছেন: ৫
১১|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:২০
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: ৫।
কারাদাওয়ীর লজিক আমার খুবই ভালো লাগে।
পরবর্তীতে একবারে টাইপ হয়ে যাওয়ায় কিছু যদি এক সাথে দিতে চান, তাহলে একটা পর্ব প্রথম পাতায় না দিলেও হবে, আমরা খুজে পড়ে নিবে।
ফতুয়াবাজদের ফতুয়া আর ইসলামের সত্যিকারের ফতোয়ার যেই পার্থক্য, সেটা বুঝানোর জন্যই প্রকৃত ফতোয়াগুলোর প্রচলন বাড়ানো উচিত।
১২|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:০১
বইপাগল বলেছেন: ধন্যবাদ @আবূসামীহা এবং @সন্ধ্যাবাতি
১৩|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: "হাফেজ ইবনে কাসীর এই হাদীসের ব্যাখ্যা প্রসংগে বলেছেন, এর দুটি অর্থ হতে পারে।
১. ফজর হওয়ার পর আমরা রাত দেখতে না পাওয়ার অর্থ এটা নয় যে, রাতের অস্তিত্ব কোথাও বিদ্যমান নেই। যদিও রাত্রির অস্তিত্বের কথা আমাদের জানা থাকে না।
২. দুনিয়ার একদিকে রাত্রি যখন থাকে সেই সময় অন্যদিকে দিন থাকে। একই ভাবে জান্নাত এই পৃথিবীর একদিকে অবস্থান করে অর্থাৎ ইল্লিনে।
জাহান্নাম দুনিয়ার অন্যদিকে অবস্থান করে। অর্থাৎ আসফালু সাফেলীনে। "
এইসব বুঝনের ক্ষমতা মানুষের নাই। তয় কারদাওয়ি মনে হয় মানুষ না।
১৪|
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:২৭
বইপাগল বলেছেন: @উদাসী স্বপ্ন - ???
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৩১
রাশেদ বলেছেন: আপনার পোস্টের বিষয়ে কিছু বলতেছি না। কিন্তু আপনি অনেক পুরানো ব্লগার। প্রথম তিন পাতায় আপনার তিনটা পোস্ট। এইটা কি ফ্ল্যাডিং না?
জানি গালি দিবেন কেউ কেউ ধর্মের বিরুদ্ধে কইতাছি কইয়া!!