নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জেবিদ

"অবশ্যই আমার নামাজ আমার এবাদাত আমার জীবন আমার মৃত্যু সবকিছুই সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহর জন্যে।"

বইপাগল

"... তোমরা যা কিছু করছো আল্লাহ তায়ালা তার সব কিছুই দেখছেন।" (সূরা আল হাদীদঃ আয়াত ৪) ///////// "তিনি চোখের খেয়ানত সম্পর্কে (যেমন) জানেন, (তেমনি জানেন) যা কিছু (মানুষের) মন গোপন করে রাখে (সে সব কিছুও)।" (সূরা আল মোমেনঃ আয়াত ১৯) ///////// "যিনি জন্ম ও মৃত্যু সৃষ্টি করেছেন, যাতে করে এর দ্বারা তিনি তোমাদের যাচাই করে নিতে পারেন, কর্মক্ষেত্রে কে (এখানে) তোমাদের মধ্যে বেশি ভালো, ..." (সূরা আল মূলক, আয়াত ২) ///////// "... অবশ্যই আমার নামাজ, আমার এবাদাত, আমার জীবন, আমার মৃত্যু - সব কিছুই সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার জন্যে।" (সূরা আল আনয়ামঃ আয়াত ১৬২)

বইপাগল › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফতোয়া ১৯ - প্রসঙ্গ - তালাক সংক্রান্ত হাদীস

২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৭

প্রশ্ন : তালাক সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ আলেমরা এবং ফকীহরা রসূল (স.)-এর নিম্নোক্ত হাদীসের ওপর নির্ভর করেন, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হালাল জিনিস হচ্ছে তালাক। কতিপয় আলেমে হাদীস এই হাদীসকে যঈফ বলে অভিহিত করেন। আপনার জানামতে অন্য এমন কোনো দলিল কি রয়েছে যাতে তালাকের অপছন্দনীয় হওয়ার উল্লেখ রয়েছে?



উত্তর : আপনার প্রশ্নের উত্তর আমি নিম্নোক্ত শিরোনামের অধীনে দেয়ার চেষ্টা করবো। ১. এই হাদীসের সহীহ হওয়ার প্রমাণ। ২. কোরআন হাদীসের সেই উদ্ধৃতি যার দ্বারা তালাককে অপছন্দনীয় বলা হয়েছে। ৩. শরীয়তের নীতিমালায় এই অপছন্দনীয় হওয়ার সমর্থন।



১. আবু দাউদ ইবনে মাজা এবং হাকেম এই হাদীসকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রসূল (স.) এ রকম বলেছেন। ইমাম বায়হাকী এই হাদীসকে মুরসাল বলেছেন। অর্থাৎ এই হাদীসের সনদে সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-এর উল্লেখ নেই। ইবনে জাওযি এই হাদীসের একজন রাবী ওবায়দুল্লাহ ইবনে ওলীদ আল ওছাফিকে যঈফ বলে অভিহিত করেছেন। তবে ইমাম সুয়ুতী এই হাদীসকে সহীহ বলে অভিহিত করেছেন।



উপরোক্ত ওলামায়ে কেরামের বক্তব্যের আলোকে আমি মনে করি যে, এই হাদীস যদি সহীহ মর্যাদাসম্পন্ন নাও হয় তবে হাসান শ্রেণীর মর্যাদার চেয়ে কিছুতেই কম নয়। যারা এই হাদীসের বর্ণনার কোনো কোনো দিককে যঈফ বলেছেন, তারা বলেন একই জিনিস একই সময়ে হালাল এবং আল্লাহর দৃষ্টিতে অপছন্দনীয় এই দুই রকম হতে পারে কি ভাবে?



কোনো কোনো আলেম এ কথার জবাবে বলেছেন, হালালের একটি রকম এমনও রয়েছে, যা আল্লাহর দৃষ্টিতে মাকরূহ। ইমাম খাতাবি বলেন, তালাকের মধ্যে মাকরূহের কিছু নেই বরং মাকরূহ সেই উপাদানে রয়েছে যেসব উপাদানের কারণে তালাক দেয়া হয়। কেউ কেউ এই ব্যাখ্যা করেছেন যে, তালাক এমনিতে হালাল কিন্তু এর মধ্যে মাকরূহ হচ্ছে সেটা যা কিনা তালাকের পরিণামে দেখা দেয়।



২. কোরআনে হাদীসে এ রকম সাক্ষ্য বিদ্যমান রয়েছে যা দ্বারা তালাকের অপছন্দ হওয়া প্রমাণিত হয়। কোরআনে স্বামীদের তাকিদ দেয়া হয়েছে তারা যেন নিজেদের অপছন্দ করা স্ত্রীদের তালাক না দেয় বরং তাদের সাথে যেন মানিয়ে চলার চেষ্টা করে। আল্লাহ তায়ালা বলেন,

'তোমরা যদি তাদের পছন্দ নাও করো তবুও তাদের সাথে সদ্ভাবে জীবন যাপন করো, এমনও তো হতে পারে যে, যা তোমরা পছন্দ করো না, তার মধ্যেই আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্যে অফুরন্ত কল্যাণ নিহিত রেখে দিয়েছেন।' (সূরা আন নেসা, আয়াত ১৯)



অবাধ্য স্ত্রীদের বিষয়ে কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,

'তবে যদি তারা (এমনিই) অনুগত হয়ে যায়, তাহলে (খামাখা কষ্ট দেয়ার) জন্যে অজুহাত খুঁজে বেড়িয়ো না।' (সূরা আন নেসা, আয়াত ৩৪)



চিন্তা করার বিষয় হচ্ছে, অবাধ্য স্ত্রীদের সাথে যখন বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করা হয়েছে, তাহলে আনুগত্য পরায়ণ এবং পূন্যশীল স্ত্রীদের ওপর তালাকের যুলুম কিভাবে চাপিয়ে দেয়া যাবে?



আল্লামা ইকবাল ইবনে তাইমিয়া বলেছেন, তালাক আসলে নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র প্রয়োজনের সময়ে এর অনুমতি দেয়া হয়েছে। হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে একটি সহীহ হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ইবলিস তার আসন সমুদ্রে স্থাপন করে, তারপর চারিদিকে নিজের অনুসারীদের পাঠায়। যে শয়তান সবচেয়ে বেশী অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে সে ইবলিসের অধিক নৈকট্য লাভ করে। নিজের কাজের বিবরণ দিয়ে সে ইবলিসকে জানায় যে, আমি তাদের মধ্যে ঝগড়া বাধিয়ে দিয়েছি, তারপর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছি। এ কথা শোনার পর ইবলিস তার সেই অনুসারীকে কাছে ডাকে এবং তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে। এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ একটি শয়তারী কাজ এবং অপছন্দনীয় কাজ।^



আল্লাহ তায়ালা জাদু বিদ্যার নিন্দা করে বলেন,

'তারা তাদের কাছ থেকে এমন কিছু বিদ্যা শিখে নিয়েছিলো, যা দিয়ে এরা স্বামী স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদের সৃষ্টি করতো।' (সূরা আল বাকারা, আয়াত ১০২)



অন্য একটি হাদীসে রসূল (স.) বলেন, যেসব মহিলা খোলা (তালাক) করায় তারা মোনাফেক।'^^



অন্য একটি হাদীসের মর্মকথা হচ্ছে, যে মহিলা কোনো কারণ ব্যতীত নিজের স্বামীর কাছে তালাক দাবী করেছে তার জন্যে জান্নাতের সুগন্ধি হারাম।



এসব যুক্তির আলোকে বলা যায় যে, তালাক প্রকৃতই একটি অপছন্দনীয় কাজ।



৩. বিখ্যাত ফেকাহর কেতাব হেদায়ায় তালাকের প্রসংগে বলা হয়েছে যে, তালাক এমন বিবাহকে শেষ করে দেয় যে বিবাহের মাধ্যমে দুনিয়ার এবং দ্বীনের কল্যাণ নির্ভর করে।



তালাক সম্পর্কে হাম্বলী মাযহাবের অনুসারীদের অভিমত আলমুগনী গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, তালাক স্বামী স্ত্রী দু'জনের জন্যেই ক্ষতিকর এবং কষ্টদায়ক। অকারণে তালাক দেয়া হারাম।



হানাফী মাযহাবের অনুসারী ইবনে আবেদীন বলেছেন, অকারণে তালাক দেয়ার মধ্যে কোনো ফায়দা নেই বরং অকারণে তালাক দেয়া নির্বুদ্ধিতা এবং বোকামীর পরিচয় প্রকাশ করে। এ রকম তালাক শরীয়তে নিষিদ্ধ।



এ সকল যুক্তি প্রমাণের আলোকে এ কথা স্পষ্ট হয়েছে যে, তালাক প্রকৃতই একটি অপছন্দনীয় কাজ। আল্লাহর কাছে তালাক অপছন্দনীয় হালাল বলে আপনি প্রশ্নে যে কথা উল্লেখ করেছেন, সেই হাদীস একটি সহীহ হাদীস।^^^





তথ্যসূত্রঃ

^ ফতোয়া ইবনে তাইমিয়া। ৩৩তম খন্ড, পৃষ্ঠা ৮১

^^ সুনানে তিরমিযীর বর্ণনা।

^^^ সুনানে তিরমিযীর বর্ণনা।







*** জবাব দিয়েছেন শায়খ ইউসুফ আল কারদাওয়ী ***

*** অনুবাদ করেছেনঃ হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ ***

মন্তব্য ৯৫ টি রেটিং +৪/-৬

মন্তব্য (৯৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৫

নিধিরাম সর্দার বলেছেন: "অবাধ্য স্ত্রীদের বিষয়ে কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
'তবে যদি তারা (এমনিই) অনুগত হয়ে যায়, তাহলে (খামাখা কষ্ট দেয়ার) জন্যে অজুহাত খুঁজে বেড়িয়ো না।' (সূরা আন নেসা, আয়াত ৩৪) "

একজন মানুষ আরেকজন মানুষের অনুগত হবে কেন? যেখানে একটা বিবাহ চুক্তিতে দুজনই সমান পার্টনার ,এ আয়াতের মানে কি?

হাদিসের নামে লোক হাসানোর জন্য ১ দিলাম

২| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৬

নিধিরাম সর্দার বলেছেন: ছাগলামির একটা সীমা থাকা উচিত।

অন্য একটি হাদীসের মর্মকথা হচ্ছে, যে মহিলা কোনো কারণ ব্যতীত নিজের স্বামীর কাছে তালাক দাবী করেছে তার জন্যে জান্নাতের সুগন্ধি হারাম।

৩| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩০

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: যেহেতু, আমার পোস্টে করা প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেন না, বা হঠাত হঠাত ঢুকে কয়েকটি কমেন্ট করে চলে আসেন, তারপর আর আপনার কোন খোঁজ মেলে না বা পরবর্তী প্রশ্ন গুলো এভোয়েড করেন, তাই এখানেই কিছু প্রশ্ন করছি।
আশা করছি, এড়িয়ে যাবেন না বা মুছে দিবেন না। প্রশ্ন গুলো প্রাসঙ্গিক থাকবে।

৪| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫০

সংস্থাপক বলেছেন: হাদিসের নামে লোক হাসানোর জন্য ১ দিলাম

৫| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫১

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: "আল্লাহ তায়ালা জাদু বিদ্যার নিন্দা করে বলেন,
'তারা তাদের কাছ থেকে এমন কিছু বিদ্যা শিখে নিয়েছিলো, যা দিয়ে এরা স্বামী স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদের সৃষ্টি করতো।' (সূরা আল বাকারা, আয়াত ১০২)"


ইসলামী মতে কি তাহলে যাদুর অস্তিত্ব আছে? আমি ভেবেছিলাম ইসলাম যাদুটোনা অস্বীকার করে! বিস্তারিত জানতে চাই।

৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩

সংস্থাপক বলেছেন: জানতে চাইলেই হইবো? বইছাগল তো শুধু কাটিংপেষ্টিং মাষ্টার।

৭| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৫

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: ১। তালাক দেয়া আল্লাহর অপছন্দনীয় হলে, এটাকে হারাম করা হলো না কেন, বা তালাককে কেন্দ্র করে কোন গুনহার ব্যবস্থা করা হলো কেন?
২। যায়দ কেন যয়নবকে তালাক দিল? (সুরা আহযাব, আয়াতঃ ৩৬, ৩৭ দ্রষ্টব্য)। এখানে শয়তানের অনুসারিদের কি ভূমিকা ছিল বা একাজে সফলকাম হওয়ায় ইবলিস তার অনুসারিকে কি বুকে জড়িয়ে ধরেছিল? (প্রসঙ্গত উল্লখ্য যে, মুহাম্মাদ স. এর পালক পুত্র যায়দ যয়নবকে তালাক দিলে তিনি যয়নবকে বিয়ে করেন- (ঐ আয়াত দ্রষ্টব্য) এবং যয়নবের বিয়েতে ওয়ালিমা বাবদ সবচেয়ে বেশী খরচ করেছিলেন- (বোখারী শরীফ দ্রষ্টব্য))।
৩। কোন পুরুষ তালাক দিলে বা তালাক দাবি করলে তার জন্য বেহেস্তের সুগন্ধি হারাম করা হলো না কেন?
৪। 'অকারণে' কথাটির ডেফিনেশন দিবেন কি?
৫। নারী তালাক করালে মোনাফেক, কিন্তু পুরুষ তালাক দিলে মোনাফেক নয় কেন? এই বৈষম্যের কারণ কি?
৬। হিলা বিবাহ সম্পর্কে কিছু বলবেন কি? যে মহিলা প্রথম স্বামীর কাছে আসার উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় স্বামীকে তালাক দিবে সেও কি মোনাফেক?
অদ্ভুদ নিয়ম! স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক দিলে, সে মোনাফেক না, আবার সেই স্ত্রীকে গ্রহণ করতে চাইলে- সেই মহিলার অন্য পুরুষকে বিবাহ করতে হবে এবং দ্বিতীয় পুরুষটিকে তালাক দিতে হবে, তারপর ১ম স্বামীকে বিবাহ করতে পারবে।- সুরা বাকারা, আয়াত ২৩০ দ্রষ্টব্য, এবং হাদীসে আছে, শুধু ২য় জনকে বিয়ে করলেই হবে না, যৌন সম্পর্কও স্থাপিত হতে হবে- বোখারী শরীফ। এটা কেমন নীতি? ঐ মহিলা ২য় জনকে তালাক দেওয়ালে সেটা কি মোনাফেকি হবে?
৭। স্বামী স্ত্রীকে উপেক্ষা করলে ও তালাক দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করতে চাইলে- আপোষ-মীমাংসাকে উত্তম বলা হয়েছে- সুরা নিসা, আয়াত১২৮; ব্যাখ্যা- বোখারী শরীফ দ্রষ্টব্য। এখানে ঐ পুরুষটি মোনাফেকি করল না অথচ, স্ত্রীকে এমন একটি অপমানকর ভাবে উপস্থাপন করা হলো কেন? এক্ষেত্রে ঐ স্ত্রী তার লম্পট স্বামীরত্নটিকে তালাক দিতে পারবে না কেন? বা, কোরআনে সেটাকে উত্সাহিত করা হলো না কেন?

৮| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৭

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: উত্তর দিন, বইপাগল।

৯| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৬

বইপাগল বলেছেন: @নিধিরাম সর্দার - আপনার ছবিটা দেখে কিন্তু মনে হচ্ছে আপনি একটুও হাসেননি বরং ভয়ে মুখ লম্বা হয়ে গেছে ...

@প্রশ্নোত্তর - ইসলাম কবে কখন যাদু-বিদ্যার কথা অস্বীকার করলো ! কোরআনে বর্ণিত হযরত মূসা (আঃ) এর কাহিনী জানেন না?

@সংস্থাপক - ঠিকই বলেছেন

@নাস্তিকের ধর্মকথা - ধৈর্য্য ধরেন, পরে ধীরে ধীরে উত্তর দিবো, অবশ্য সবগুলো উত্তর আমি গুছিয়ে দিতে পারবো না বলে মনে হচ্ছে যদিও, যাই হোক, আল্লাহ ভরসা। আর যদি আপনি আমার এই জবাবটি দেখে নিশ্চিত হন যে, আমি এড়িয়ে যাচ্ছি, সেক্ষেত্রে "সংস্থাপক"-এর মন্তব্যটি আপনাকে উপহার দিচ্ছি, ঐ বেচারার মন্তব্যটা আমার পছন্দ হয়েছে, {একসময় এই মাস্টারের প্রিয় ছাত্র ছিলো কিনা } "জানতে চাইলেই হইবো? বইছাগল তো শুধু কাটিংপেষ্টিং মাষ্টার।"

১০| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৮

নিধিরাম সর্দার বলেছেন: দুর মিয়া আপনে এসব হাদিসের নামে ধুনফুন বাদ দেন। কোরান ঠিক আচে, আপনি হাদিসের নামে ইসলামরে বরং পচাইতেসেন

১১| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৪

বইপাগল বলেছেন: @নিধিরাম সর্দার - না সর্দারজী, আমি ঠিকই আছি, তয় আপনাগো লগে মতের একটু প‌্যাঁচ খাইয়া গ্যাছেগা ... এই আর কি ...

১২| ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৬

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: তাহলে যাদু আচে! আই সি! হুমমম...

বইপাগল ভাই, একটু বিস্তারিত বলবেন কি?

১৩| ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২৩

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @বইপাগল
ধন্যবাদ।
ধৈর্য ধরলাম এবং অপেক্ষায় থাকলাম।

১৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৯

শাইরি বলেছেন: প্প্ব্রপ্প্বক্কপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্বঙ্প্প্ব্ত্রপ্প্বগুপ্প্ম প্প্বমপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্ক প্প্বৃপ্প্ব্রপ্প্মপ্প্বেঙ্প্প্ম প্প্বক্সপ্প্বজ্জপ্প্ম্ব....................প্প্ম্র

১৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১০

বইপাগল বলেছেন: @নাস্তিকের ধর্মকথা - আপনার প্রশ্ন ১ এর জবাবে বলছি যে, কখনো কখনো দুজন মানুষের একেবারেই একসাথে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তাই তখন যেন সেই সম্পর্ক তাদের একজনের বা দুজনেরই ওপর বোঝা না হয়ে দাঁড়ায় তাই তালাককে হারাম করা হয়নি। তবে আল্লাহ তায়ালা একত্রে থাকাটা পছন্দ করেন, তাই তা করতেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে আর অকারণে তালাক দিলে যে গুনাহ হবে না, তা তো বলা হয়নি। সঙ্গত কারণ ছাড়া তালাক দিলে বা চাইলে অবশ্যই গুনাহ হবে।

আপনার প্রশ্ন ২ এর জবাব এই পোস্টটির মন্তব্য পড়লে পাবেন। এর আগে এখানে একবার আমি জবাব দিয়েছিলাম।

বাকিগুলোর উত্তর ইনশাল্লাহ পরে দেবার আশা রাখছি।

১৬| ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৯

নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
১। তালাকের প্রশ্নটি তখনই আসে। মানে- কখনো কখনো দুজন মানুষের একেবারেই একসাথে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন সেই সম্পর্ক তাদের একজনের বা দুজনেরই ওপর বোঝা না হয়ে দাঁড়ায় -এরকম সময়েই মানুষ তালাক দিলে সেটা কি আল্লাহর অপছন্দনীয়?
২। ২ নং প্রশ্নটি আরেকবার পড়বেন কি?

১৭| ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৭

বইপাগল বলেছেন: @নাস্তিকের ধর্মকথা - আপনি যেরকম বর্ণনা করেছেন সেরকম সময়ে তালাক হলে তা অপছন্দনীয় নয়, কিন্তু কখনো কখনো অন্যায়ভাবে তালাক দাবী করা হয় বা দেয়া হয়, তা কখনো পুরুষ দেয় বা নারীও দাবী করে। আমি সেটার কথা বলেছি। সব ক্ষেত্রেই যে বোঝা নামাবার জন্য তালাক হয়, তা কিন্তু না ...

২ নং প্রশ্নের উত্তরে এর বেশী আমার বলার কিছু নেই, কারণ এরপরের ব্যাখ্যা আমি জানি না।

৩ নং প্রশ্নের উত্তর এখন বলতে পারবো না। জানি না। আল্লাহ ভালো জানেন।

৪ নং এর জবাবে অনেক রকমভাবেই "অকারণ"কে ব্যাখ্যা করা যায়। কোনো অবৈধ ইচ্ছাকে পূর্ণতা দেয়ার জন্য তালাকের পরিস্থিতি ইচ্ছা করে সৃষ্টি করাটা এরকম একটি "অকারণ"

বাকি গুলো আবার পরে দেবার চেষ্টা করবো, ইনশাল্লাহ

১৮| ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৬

চতুরভূজ বলেছেন: ৫
জেনে রাখলাম, কাজে লাগলেও লাগতে পারে।

১৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫১

বইপাগল বলেছেন: দোয়া করি আপু, তালাকের মতো আল্লাহর অপছন্দনীয় কাজের পরিস্থিতি যেন কখনও আপনার জীবনে না আসে। সব অবস্থায় মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করাটাই আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করেন। @চতুরভূজ

২০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫৫

`হাসান বলেছেন: এচব ধুন ফুন পুস্টানো বনদ করো
হাদিসের নামে লোক হাসানোর জন্য ১ দিলাম

২১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫৮

বইপাগল বলেছেন: তবুও ভালো, ০ এর চেয়ে ১ ই ভালো ! @`হাসান

২২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪

ফারজানা১৬ বলেছেন:
বই পাগল,

কোরানের চলে আসা ভুল ব্যাখ্যা সম্বলিত অর্থের উপর ভিত্তি করে যদি এভাবে ফতোয়া নিয়ে কথা বলা কাংখিত নয়।
১- সুরা নিসা’র ৩৪ নং আয়াতের ‘অবাধ্যতা’ শব্দের যে আরবী শব্দ, তা নিয়ে অনেক মতামত আছে। আমরা অবাধ্যতা বলতে সাধারনত যা বুঝি তা নয়। এখানে পারিবারিক মুল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উদ্দেশ্য। এবং তা স্বামী-স্ত্রী দুজনের জন্যেই।
২- হাহাহাহাহাহাহাহহাহাহা! যে সব মহিলা খোলা তালাক করায় তারা মোনাফেক????????????????? আপনি হাদীসের কত বড় পন্ডিত???? হাদীস নিয়ে প্রচুর কথা আছে স্যার। এবং আপনি জেনে আশ্চর্য হবেন, শুদ্ধ হাদীসের সংখ্যা হাতে গোনা ( একিউরেট সংখ্যাটা এখন মাথায় আসছেনা)। নারীদেরকে নিয়ে এইসব হাদীসের ৯৯ ভাগ বানানো। তথাকথিত ভন্ড শয়তানরা মেয়েদেরকে হাতের মুঠোয় রাখার জন্যে বানিয়েছে।
খোলা তালাক যদি মোনাফেকী হবে তাহলে তার বিধান কী শরিয়তে রাখা হত??? নিজের কমন সেন্স খাটান।

২৩| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২০

ফারজানা১৬ বলেছেন: নিধি ঠিক বলেছেন, একজন মানুষ আরেক জন মানুষের অনুগত হওয়ার প্রশ্নই আসেনা। কথা হল দু’জনের-ই পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।

নাস্তিক, তালাক অপছন্দনীয়। এর অর্থ মানুষকে পারিবার ভেংগে দেয়ার প্রতি নিরুতসাহিত করা। এর মানে এই না যে কেও তালাক দিলে খারাপ কাজ করল।

যায়েদ যয়নব বিয়ে ভেংগে যায় কারন যয়নব সামাজিক মর্যাদার দিক দিয়ে যায়েদের চে’ উপরে ছিলেন। তাদের পারিবারিক জীবনে তা অশান্তি সৃষ্টি করছিল। আর রাসূল তাকে বিয়ে করেন এই ভুল ধারনা ভাংগানোর জন্যে যে পালক পুত্র যতই নিকটবর্তী হোক, সে রক্তের সম্পর্কের নয়। যা আরবরা মনে করত।

বেহেস্তের সুগন্ধি হারামের বিষয়টি একটা বোগাস কথা।

হিলা বিয়ে নিয়ে আপনি ভুল বুঝেছেন। সময় পেলে আরেকদিন বলব।

স্ত্রী অবশ্যই তালাক দিতে পারবে। বই পাগল ভুল ইম্প্রেশান দিয়েছে আপনাকে।

২৪| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫

বইপাগল বলেছেন: @ফারজানা১৬ - প্রথমেই ভুলটা ধরিয়ে দেই আপনার, আমি হাদীসের কেন, কোনো কিছুরই পন্ডিত নই, এ ফতোয়া আমার দেয়া নয় বরং এটা বলেছেন, "শায়খ ইউসুফ আল কারদাওয়ী" আর আমি এগুলো পোষ্ট করি জানা এবং আলোচনার উদ্দেশ্য নিয়ে, আজ যদি আমি এ পোষ্টটি না করতাম, তবে এভাবে আপনার আপনাদের মতামত কোথায় দিতেন?

নারীদের নিয়ে বাংলাদেশের প্রচারিত হাদীসের ৯৯ ভাগই বানানো, এটা আমিও মনে করি, তবে এও বিশ্বাস করি যে, শায়খ ইউসুফ আল কারদাওয়ী এর মতো ব্যক্তিত্ব বানোয়াট হাদীস দিয়ে ফতোয়া দেবেন না। আমি ওনার ফতোয়া শুদ্ধ মনে করছি, আপনি কি মনে করবেন তা আপনার অভিরুচি। এখানে জানা, জানানো এবং আলোচনাই মূল উদ্দেশ্য, মানা বা না মানা যার যার ব্যক্তিগত।

অবাধ্যতা বলতে আপনি যা বলেছেন, আমিও সেটাই জানি। আপনার সাথে এখানে আমি একমত। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৫| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬

ফারজানা১৬ বলেছেন:
ইউসুফ কারদাভী আমার কাছেও একজন সন্মানিত উদারপন্থী ইসলামিক থিংক ট্যাংক। কিন্তু তিনি যেই হাদীস-ই কোট করবেন, তাই শুদ্ধ হবে তা কিন্তু নয়।
আর আপনাকে শক্ত ভাষায় বলার কারন আপ্নারা যারা ইসলামের বেইস’র উপর দাঁড়াতে চান, তারা কেন শুদ্ধ ইসলাম নিয়ে রিসার্চ করছেন না? কেন আপ্নারা ভুল তথ্য দিবেন? কেন আপ্নারা এখনো মেয়েদের অবস্থানকে ক্লিয়ার করতে পারছেন না? কেন মেয়েদের সম্পর্কে এমন পরিভাষা ব্যাবহার করবেন যা মেয়ে হিসেবে আমাদের জন্যে অপমানজনক??? কেন???

২৬| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৬

বইপাগল বলেছেন: ঠিক আছে, ইনশাল্লাহ আমি ইসলামে মেয়েদের অধিকার বা অবস্থান সংক্রান্ত কিছু পোস্ট শিঘ্রই দেবার চেষ্টা করবো, যা হয়তো আপনার এ অভিমানকে দূর করতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ @ফারজানা১৬

২৭| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮

ফারজানা১৬ বলেছেন: হিলা বিয়ে বুঝতে হলে তালাক বুঝতে হবে।
আমরা যেভাবে মনে করি মুখে তালাক তালাক তালাক বললেই তালাক হয়ে গেল, তা নয়।
ইসলাম সবচে’ বেশী গুরুত্ব দিয়েছে পারিবারিক ব্যাবস্থাকে। তাই পরিবার ভাংগাকে করেছে সবচে কঠিন।
তালাক দেয়ার সময়কাল তিনমাস (স্ত্রীর তিন পিরিয়ড)। প্রতি পিরিয়ডের মাঝখানে একবার। এবং এই তিনমাস তাদেরকে অবশ্যই একসাথে থাকতে হবে। যাতে করে এর মধ্যে তাদের দু’জনের সমঝোতা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর এরমধ্যে যদি স্ত্রী তালাক নেয়ার ব্যাপারে দৃঢ় থাকেন, অথবা স্বামী তালাক দিবেন-ই, তাহলেই তালাক হবে।

এখন কথা হল, তিন মাস পরেও যদি কেও তালাক দেয়, এবং এরপর আবার যদি পুনরায় আগের স্বামী/স্ত্রীর সাথে ঘর করতে চায়, তারমানে হল সে যেন পারিবারিক জীবনকে খেলা হিসেবে নিয়েছে। ইচ্ছামত তালাক দিবে, ইচ্ছামত আবার ফেরত নিয়ে আসবে। এটা ঐ পরিবারে যদি বাচ্চা থাকে তাহলে তার উপর-ও মারাত্নক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে। সে পারিবারিক জীবনকে একটা ভংগুর জীবন হিসেবে শিখবে।

তিনমাসে তিন তালাক হয়ে যাওয়ার পর কেউ কারো কাছে ফেরত যেতে পারবেনা। একমাত্র উপায় হল স্ত্রী যদি আরেকজনকে বিয়ে করেন এবং তাকে স্বইচ্ছায় তালাক দেন। এখানে খেয়াল করুন সম্পুর্ন ব্যাপারটা স্ত্রীর হাতে। স্ত্রী চাইলে তার দ্বিতীয় স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রথম স্বামীর কাছে ফেরত যাবে, না চাইলে যাবেনা।

আর স্ত্রীকেই কেন বিয়েটা করতে হবে তার কারন হলো-
ইসলামিক প্রশাসনে একটা ছেলে যখন বিয়ে করে তখন তার উপর সব রেস্পনসিবিলিটি বর্তায়। সেই বউকে খাওয়ানো, পড়ানো, থাকা, সব সব্বব্বব্বব্বব সব্বব্বব্ব কিছু দিতে ছেলে বাধ্য। ইভেন (উদাহরন স্বরুপ)মেয়েটা ইচ্ছা করলে তার বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াতেও অস্বীকৃতি জানাতে পারে। তখন ছেলেটা বাধ্য বাচচার দুধের জন্যে আলাদা ব্যাবস্থা করতে।
তাই ছেলেটা যদি দ্বিতীয় বিয়ে করে তার পক্ষে সম্ভব নয় আবার প্রথম স্ত্রীর কাছে ফেরত আসা। কারন তখন তার আসাটা নির্ভর করবে দ্বিতীয় স্ত্রীর হাতে।
তাই স্ত্রীর পক্ষেই সম্ভব বিয়ে করে ফেরত আসা।

আর মনে রাখতে হবে, এই ব্যাপার টা স্বামী স্ত্রী দু’জনের জন্যেই পানিশমেন্ট। কারন তারা তিন মাসের লম্বা সময়েও সঠিক ডিসিশানতো নিতেই পারেই নি, উলটো পারিবারিক ব্যাবস্থা নিয়ে খেলা তামাশা শুরু করেছে।

নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে পড়লে আশা করি বুঝতে পারবেন।

২৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০০

ফারজানা১৬ বলেছেন: বইপাগল, অভিমান?????? আমি রাগান্বিত। ইসলাম কোনো ছেলে খেলা নয়। একটা আদর্শ। পুরো জীবনের গাইড লাইন। আর মোল্লাদের দল একে ছেলেখেলা বানিয়ে নিয়ে মেয়েদেরকে যা ইচ্ছা তা বলবে, আর আমরা মেয়েলী অভিমানে বসে থাকব???

২৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: খুলা তালাকের হাদীস প্রসঙ্গে বলি।
হাদীসটা 'তিরমিযী'র, তিরমিযী সহীহ সিত্তার মধ্যে একটা। তাই আমি একটু রিসার্চ করলাম এই হাদীসটা নিয়ে। দেখলাম ইংরেজী অনুবাদে হাদীসটা এভাবে এসেছে: In another Hadith, Abu Hurairah (RA) said: the Prophet of Allah (SAW) said:
"Those who seek Khula without any reason are hypocrites."

'কোন কারণ ছাড়া' এর মত এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বাক্যাংশকে বাংলায় বাদ দিয়ে নারীদের অবমাননা আর বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোন মানে আছে!!! "কারণ" অনেক হালালকে হারাম করে দেয়, হারামকে হালাল করে দেয়, তা জানেন নিশ্চয়ই? খাওয়া তো এমনি তে হারাম না, বরং খেয়ে শরীর ঠিক রাখা অত্যাবশ্যক, ফরজ, কিন্তু রোজার সময় তো খাওয়াটাও 'হারাম'!

৩০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৭

অচেনা বাঙালি বলেছেন: "বিশ্ব যখন এগিয়ে যাচ্ছে বিজ্ঞানের গবেষণায়
আমরা তখন পড়ে আছি বিবি তালাকের ফতোয়া নিয়া"
হুবহু মনে নাই তবে কবি নজরুল ৬০/৭০ বৎসর আগে এইরকম লিখছিলেন।
মজার ব্যাপার হলো "বিবি তালাকের ফতোয়া" নিয়া কাইজ্জা এখনো সমান তালে চলতেছে।

৩১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১২

আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: ধর্ম নিয়ে আমরা সুস্থ মাথায় চিন্তা করি না,করলে এইসকল কথাবার্তার সিরিয়াস ডিফেক্টগুলো আমাদের চোখে পরত।
আমরা অধিকাংশই বাংশানুক্রমে ধার্মিক(!)।
সুতরাং একটি ১ দিয়ে কেটে পড়াই ভালো।প্রশ্নের উত্তর পাবার আশা খুবই কম।
আর ফারজানা,
আপনার চিন্তাধারার মধ্যে যে রেভ্যুলিউশনারি গন্ধ আছে সেটা নিয়ে একটু সতর্ক থাকবেন।ফ্লেক্সিবিলিটি প্রদর্শন করলে স্ববিরোধিতার মুখে পরতে হবে।তারচেয়ে এত কষ্ট না করে জাহান্নামী হওয়া ভালো।কারন জান্নাতের বর্ননা এবং এসম্পর্কে যে লোভ দেখানোর প্রবনতা আছে তা অতি স্থুল এবং বাজে।জাহান্নামে বরং একটু এক্সাইটমেন্ট আছে।
এক হিসাবে কাঠমোল্লারাই সর্বাধিক সুখী।

৩২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৪

ফারজানা১৬ বলেছেন: সন্ধ্যা, একমত।
তবে ইমাম তিরমিযী নিজেই অনেক হাদীসের নিচে বলেছেন ‘এই হাদীসটা দুর্বল’, ‘এই হাদীসটা বানানো’, ‘এই হাদীসটা অমুক তমুক…’ এখন আমরা যদি শুধু মাত্র তিরমিজীতে আছে বলে নীচের লাইন সহ না পড়েই বলি ইসলাম এটা বলেছে, তাহলে হবে??
আর হ্যা, খোলা বিয়ে নিয়ে এই হাদীসটার একটা কারন আছে- তৎকালীন সময়ে প্রচুর মেয়েরা বিয়ে করত একধরনের ব্যাবসার মত করে। তারা বিয়ে করত হয় সম্পদ না হয় সামাজিক স্ট্যাটাসের জন্যে। এবং সম্পদ বা সুনাম পেয়ে গেলেই তালাক দিয়ে দিত কোনো কারন দর্শানো ছাড়াই।
এদের উদ্দেশ্যেই এই হাদীস।
তালাক যে পক্ষই দেক না কেন, অবশ্যই যথোপযুক্ত কারন থাকতে হবে।

৩৩| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৮

সংস্থাপক বলেছেন: ফারজানার ভক্ত হয়ে গেলাম। ফারজানাকে ৫ এবং হাদিসের নামে লোক হাসানার জন্য বইহাগলকে ১।

৩৪| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২০

ফারজানা১৬ বলেছেন: তুহিন,
হুম।
তবে কিনা আমি একজন মানুষ হিসেবে, একজন মেয়ে হিসেবে এবং একজন মুসলিম হিসেবে আমার পরিচয় আমার কাছে ক্লিয়ার রাখতে চাই।
আমি কেন মানুষ এবং কেন মানুষ হিসেবে গর্বিত?
আমি কেন মেয়ে এবং কেন মেয়ে হিসেবে গর্বিত?
আমি কেন মুসলিম এবং কেন মুসলিম হিসেবে গর্বিত?
সেজন্যে জানতে চাই।
আর জানতে গিয়ে যখন দেখি কেও ভুল ইনফরমেশন দিচ্ছে, মেজায সামলানো কঠিন হয়ে যায়।
পৃথিবী এক একটা আদর্শ হাজার হাজার রক্তের সিঁড়ি বেয়ে আসে। প্রতিটা আদর্শের জন্যেই অনেক মানুষ অকাতরে নিজের প্রান দিয়ে দেয়। কোনো আদর্শকে নিয়ে না জেনে অনর্থক খোঁচানো মানে সেই আদর্শের জন্যে প্রান দিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর অপমান।
আর আমার কাছে ইসলাম আমার বিশ্বাস। আমার বিশ্বাস কে নিয়ে যখন ভুল বুঝাবুঝি চলে তখন আমি চুপ থাকতে পারিনা।
বাংগালি, উত্তর পেয়েছেন আশা করি।

৩৫| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৩

সংস্থাপক বলেছেন: ফারজানা, খুব মন খারাপ থাকলে বইহাগলের বাকি ফতোয়াগুলোও পড়ে দেখেন, অনেক মজা পাবেন।

৩৬| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৭

অচেনা বাঙালি বলেছেন: ভাত খেতে গেলাম।
তার আগে ১টা কথা বলে যাই ফারজানা, আমার কমেট টা আপনাকে না, আপনাকে বললে ডাইরেক্ট বলতাম।
এইটা বলছি কাট মোল্লাটারে। যদিও মানে হয়ে গেছে সেইরকমই ।

৩৭| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৮

`হাসান বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন :
২০০৭-১১-২৯ ১৩:০৬:৫৬
'কোন কারণ ছাড়া' এর মত এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বাক্যাংশকে বাংলায় বাদ দিয়ে নারীদের অবমাননা আর বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোন মানে আছে!!! "কারণ" অনেক হালালকে হারাম করে দেয়, হারামকে হালাল করে দেয়, তা জানেন নিশ্চয়ই? খাওয়া তো এমনি তে হারাম না, বরং খেয়ে শরীর ঠিক রাখা অত্যাবশ্যক, ফরজ, কিন্তু রোজার সময় তো খাওয়াটাও 'হারাম'!


@ ইবিনিংবাতি
আর রেটেড মুভি বা mature থিম ওলা মুভি দেকা হালাল কিনা সেটা জিগাইলে তো সাতে সাতে ব্লক কইরা দিলা।
তুমাদের মত ভন্ড গুলার জাইগা জাহানন্নামেও হবে কিনা সনদেহ যারা ধর্মকে নিজের সুবিদা মত ব্যাখা করে।

প্রথমে কইলা মুভিটা পিজি ১৩। যকন আমি লিংক সহ পরমান দিলাম তকন শুদু আমারে বলক করলাইনা আমার দেয়া লিংক টাও মুইছা দিলা।
তুমাদের জন্য খুব করুনা হয়। বিরুদ্ধ মত সহ্য করার মত মানবিক গুনাবলা তুমাদের মইদ্যে কবে যে গড়ে উঠবে।
তুমার পুষ্টে কি আমি কুনো গালি দিসি বা বাজে কতা কইসি যে আমারে ব্লক করলা।
যকন কুনো যুক্তি খুইজা পাইলানা তকন বলক করা চারা আর কি বা কর্বা।

৩৮| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৩

দ্বিধা বলেছেন: খাইসে...

৩৯| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৭

সংস্থাপক বলেছেন: হাসান, ধান্দাবাতি পতহারার উপ্‌রে খেপছিল, ঝড়টা তোমগো উপর দিয়া গেছে। পথহারা তারে পুরা শোয়াইয়া হালাইছে।

৪০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৮

আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: ফারজানা
আদর্শকে খোচানো হচ্ছে না,যুক্তি দিয়ে বোঝার চেষ্টা হচ্ছে।
সমস্যা হচ্ছে বিশ্বাস এর এগেনস্টে তর্ক করা কঠিন।কারন বিশ্বাসের কারনে অনেকেরই চোখ অন্ধ হয়ে থাকে।সাধারন যুক্তিও প্রবেশ করে না।
বিশ্বাসীদের(প্রসঙ্গক্রমে আমিও বিশ্বাসী,ঠুনকো হলেও) অধিকাংশের ধর্মকে প্রশ্ন করার সাহস থাকে না।তাদের এটিচিউড হয় "যেহেতু এটা ধর্মে আছে এটা অবশ্যই সঠিক" এবং তারপর তারা বিভিন্ন যুক্তি খোজার চেষ্টা করে কিভাবে বিষয় টি কে সঠিক বানানো যায়।লক্ষ্য করুন এখানে সিদ্ধান্ত আগেই নেয়া হয়েছে কেবল পাজল মেলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।এধরনের এটিচিউড বিশুদ্ধ যুক্তির পরিপন্থী।নানা যুক্তিতে পরাজিত হয়ে ক্রিস্টিয়ানিটি এখন একটা স্পিরিচুয়াল ব্যাকআপে পরিণত হয়েছে।জাস্ট একটা প্রেরনা।
ধর্মীয় ব্যাপারগুলো সম্পর্কে আগে সিদ্ধান্ত না নিয়ে প্রথমে বিশ্লেষন করা উচিত।তাহলে রসুলে নাবালিকা বিয়ে সঠিক মনে হবে না।কারন এমন একটা ঘটনা আপনার আশেপাশে ঘটলে আপনি বিরোধিতা করতেন।
ধর্ম সম্পর্কে নৈর্বত্তিক হওয়া প্রয়োজন।

৪১| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪১

`হাসান বলেছেন: সংস্থাপক বলেছেন :
২০০৭-১১-২৯ ১৩:৩৭:৫৯
হাসান, ধান্দাবাতি পতহারার উপ্‌রে খেপছিল, ঝড়টা তোমগো উপর দিয়া গেছে। পথহারা তারে পুরা শোয়াইয়া হালাইছে।


পতহারা ঐ পুষ্টে অনেক পরে আসছিল, প্রথমেই আমি ৩-৪ টা কমেন্ট কর্চিলাম, ধান্দাবাতি উততর দিবার না পাইরা ওগুলা মুইছা দিচে।

৪২| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫২

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: 'হাসান,
তোমাকে কেন ব্লক করেছি আমি কারণটা বলেছি সাথে সাথেই। তুমি ভুল বানানে, অপ্রাসংগিক কথা বলছিলে। তুমি কি সত্যিই কেয়ার করো কোনটা ইসলামে হালাল না হারাম তা নিয়ে? সত্যিই জানতে চাও? তোমার জেনে কি লাভ? তুমি সেটা মেনে চলবে? যদি মেনে না চলো, তাহলে আমার কাজের চেক দেয়ার জন্য তোমাকে কে শরীয়াহ পুলিশ হিসেবে নিয়োগ করেছে? ইসলামে মুভ্যির হালাল হারাম নিয়ে আমার মন্তব্য জানতে চাও? আস্তমেয়ে নামে আমি এই ব্যাপারে পোস্ট দিয়েছিলাম, সেগুলা জেনে নাও।

তোমার দুইটা অপ্রাসংগিক কমেন্ট মুছেছি। আমি পরে চেক করেছি, রেটিঙের কারণ কি। কারণ আমার স্মৃতি ঘেটেও আমিও মুভ্যিটায় ইনএপ্রোপ্রিয়েট কিছু পাই নি। 'ম্যাচুয়ার থিম' (সেকজুয়াল সিন না) কেন হারাম হবে তুমি আমাকে বুঝাও। তুমি পরকালে বিশ্বাস করো না বলেই কি এতটা নির্ভয়ে মানুষকে নিয়ে এত জঘন্য খেলা খেলতে পারো?

৪৩| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: পথহারার মন্তব্য কিছু সত্য ছিল। আমি ব্লগে অনেক ফাও সময় কাটাই। ইসলামের এমন কিছু উদ্ধার করি তা না। ইসলাম নিয়ে লিখি না অনেক দিন। এটা সময় নষ্ট, একশ ভাগ একমত। কিন্তু শুধুই অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট। এটা হারাম না, কিন্তু নি:সন্দেহে আমার সময় নষ্টের জন্য আমাকে নিজেকেই জবাবদিহি করতে হবে। আর ব্লগে ছেলেদের সাথে যতটুকু ইন্টার‌্যাকশন হয়, আমি চেষ্টা করি সেটাকে এপ্রোপ্রিয়েট রাখতে। সীমা লংঘন না করতে। এতটুকু ইন্টার‌্যাকশন আমাকে প্রফেশনের খাতিরে, ইউনিভার্সিটি পড়ার খাতিরে ছেলেদের সাথে করতেই হয়। এই ইন্টার‌্যাকশনটুকু একেবারে না করে কি পারব? তাহলে আমাকে চার দেয়ালে আবদ্ধ থাকতে হবে। আমার জানা মতে, সেটা ইসলামের বিধানও না। পথহারা আমাকে শোয়ায় নাই, তোমাদের দেখে আমার কেবলই মনে হয়, মানুষ নিজের দিকে না তাকিয়ে কিভাবে অন্যের দিকে এভাবে আংগুল তোলে? রুচি হয় না কথা বলতে।

৪৪| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৪

ফারজানা১৬ বলেছেন: আহোতু,
আপনি একদম খাঁটি কথা বলেছেন। সিদ্ধান্ত না নিয়ে প্রথমে বিশ্লেষন করা উচিত।
রাসুলের বিয়ে নিয়ে আমার নিজের-ই প্রচুর কনফিউশান ছিল। অনেক কে প্রশ্ন করেছি। কিন্তু তারা উলটা পালটা যুক্তি সাজাতে চেষ্টা করতেন। ‘তিনি নবী তাই এটা তার বিশেষ মর্যাদা’! আমি বলতাম- আল্লাহ অন্য কিছু দিয়ে মর্যাদা দিতে পারলেন না? মেয়ে দিয়ে দিলেন??
তখন উত্তরদাতা আমার দিকে এমনভাবে তাকাতো যেন পারলে তখনি আমাকে কাফের বলে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেবেন!
এরকম অনেক কথা…
শেষে ঠিক করলাম নিজেই একটু ঘেটে দেখি।
ইসলামের বিধান অবতীর্ণ হয়েছে পর্যায়ক্রমে। যেন এক ধরনের জীবন ব্যাবস্থায় অভ্যস্থ মানুষগুলো ধীরে ধীরে নতুন ব্যাবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। যেমন মদের ব্যাপারে কিন্তু প্রথমেই নিষেধ করা হয়নি। প্রথমে বলা হয়েছে- মদ খেয়ে নামায পড়োনা।
তারপর বলা হয়েছে- মদ খাওয়া অপছন্দনীয়।
তারপর বেশ অনেক দিন পর বলা হয়েছে- এবার তোমরা মদ একদম ছেড়ে দাও। মদ খাওয়া এখন থেকে হারাম।
এই রাসুলের বিয়ের ব্যাপারটাও অনেকটা তেমন।
তখন মানুষ প্রচুর বিয়ে করত। যেমনভাবে ছেলেরা তেমনভাবে মেয়েরাও। পার্থক্য হল ছেলেরা সব বউ একসাথে রাখত। আর মেয়েরা তালাক দিয়ে দিয়ে একের পর এক বিয়ে করত।
যখন ইসলাম আসলো, তখন দেখা গেল- সবার ঘরেই অনেক অনেক বউ। কারো পাঁচটা, কারো সাতটা, কারো এমনকি পনের ষোলটা পর্যন্ত!! এতে করে কিন্তু তখন কেও মাইন্ড করতনা। কারন আগেই বলেছি এটা ছিল সোশাল কালচার।
যখন কোরানের আয়াত অবতীর্ণ হল - তোমরা চারের অধিক স্ত্রী রাখতে পারবেনা।
তখন সবাই চারজন রেখে বাকীদেরকে তালাক দিল।
তখন প্রশ্ন আসল নবীর ক্ষেত্রে। কারন ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কারনে (নবীর প্রতিটা বিয়ের পিছনের কারন বলতে গেলে অনেক লম্বা হয়ে যাবে। তবে রাসূল খাদিজা এবং খাদিজার মৃত্যুর পর আয়েশা কে ছাড়া অন্য সবাইকে কোনো না কোনো কারনে বিয়ে করেছেন) রাসুল’র স্ত্রীর সংখ্যা তখন ৯জন। এখন রাসুল যদি এদের মধ্যে চারজন কে রেখে বাকী ৫ জন কে তালাক দেন, এই ৫ জনের কী হবে? কারন অন্যদের তালাক দিয়ে দেয়া স্ত্রীরা আবার বিয়ে করতে পারবে। কিন্তু রাসূলের বিবাহিতা স্ত্রীকে কে বিয়ে করবে?
টেকনিক্যাল প্রব্লেম টা বুঝতে পারছেন?
*রাসুলের সহধর্মীনিকে কে বিয়ে করবে তাই নিয়ে ভীষন রকম গোলমাল লেগে যেত। রাসুলের সহধর্মীনিকে বিয়ের অর্থ অনেকটা তার মর্যাদার কাছাকাছি চলে আসা।
*যেহেতু রাসূলের অনুসারীরা ছিলেন শক্ত রকমের ভক্ত, তারা কেউ-ই রাসুলের সহধর্মীনিকে বিয়ে করতেননা, এতে করে রাসুলের তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীদের কী হত?
* যে ৫ জনকে তালাক দিতেন, তাদের সামাজিক মর্যাদাহানি হত।
তাই আল্লাহ’র পক্ষ থেকেই রাসুলের বিয়ে করে ফেলা স্ত্রীদের তালাক না দেয়ার অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু ঐ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর আর একটাও বিয়ে তিনি করেন নি। করার অনুমতি-ই ছিলনা।

অনেক লম্বা কথা বলে ফেললাম।
বলতাম না, কিন্তু আপনার লেখা দেখে মনে হল আপনি শুধুমাত্র খোঁচানোর জন্যে প্রসংগটা তুলেন নি। সেক্ষেত্রে আমি যতটুকু জানি জানাতে চেষ্টা করেছি।
আর আপনি ঠিক-ই বলেছেন। বিশ্বাসকে যদি যূক্তির বাইরে রেখে অন্ধভাবে অনুসরনের জন্যে চাপ প্রয়োগ করা হয়, সেই বিশ্বাস একসময় স্পিরিচুয়াল ব্যাকআপেই পরিণত হয়।


৪৫| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১

রাশেদ বলেছেন: এইখানে দেখি যুদ্ধ হইয়া গেছে।

৪৬| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২

দিগন্ত বলেছেন: "তিন মাস পরেও যদি কেও তালাক দেয়, এবং এরপর আবার যদি পুনরায় আগের স্বামী/স্ত্রীর সাথে ঘর করতে চায়, তারমানে হল সে যেন পারিবারিক জীবনকে খেলা হিসেবে নিয়েছে। ইচ্ছামত তালাক দিবে, ইচ্ছামত আবার ফেরত নিয়ে আসবে। " - ফারজানার এই যুক্তি অদ্ভূত। অন্য যে যে ধর্মে (ধরা যাক খ্রীষ্টান) এই নিষেধ এর ব্যবস্থা নেই, সেখানে কি এরকম ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে? আমি জীবনে একবারও এরকম ঘটনা ঘটতে দেখিনি বা শুনিনি যে দুদিন পরপর বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে একই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। সাধারণত প্রথম বিচ্ছেদেই সম্পর্ক সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু তবু, বিচ্ছেদের পরে ভুল বুঝতে পারলে আবার পুনির্মিলিত হয়ে দাম্পত্য জীবনে যোগ দিয়েছে, এরকম উদাহরণ অনেক আছে।

৪৭| ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৫

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @ফারজানা১৬
তো নাবালিকা বিবাহের মাজেযা কি প্রমাণিত হইলো?

৪৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩২

বইপাগল বলেছেন: @ফারজানা১৬ - আপনার মতের সাথে বেশীরভাগই আমি একমত হলাম। ভালো লাগলো মন্তব্যগুলো পড়ে, এখন মনে হচ্ছে, এ পোস্টটা দেয়াতে আসলেই অনেক কিছু জানা গেলো। ধন্যবাদ।

@সন্ধ্যাবাতি - আপনার দেয়া তথ্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞ। অনুবাদক এখানে ভুল অনুবাদ করেছেন, আমার মনেও এ ব্যাপারটা খঁচ খঁচ করছিলো "নাস্তিকের ধর্মকথা" এর প্রশ্নের পরে কিন্তু ঘাটাঘাটি করার সময় বের করতে পারছিলাম না বা ধরুন উপায় পাচ্ছিলাম না। অনেক ধন্যবাদ।

মন্তব্য যাই হোক ... ধন্যবাদ @অচেনা বাঙালি, @আরিফুল হোসেন তুহিন, @সংস্থাপক, @`হাসান, @দ্বিধা, @রাশেদ, @দিগন্ত এবং @প্রশ্নোত্তর

৪৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৭

ফারজানা১৬ বলেছেন: প্রশ্নোত্তর,
সংক্ষেপে আপনার উত্তর-
• বিয়ের সময় আয়েশার বয়স ৬ ছিল, নাকি ৯ ছিল, নাকি ১২ ছিল তা নিয়ে প্রচুর মতপার্থক্য আছে। এবং এটা সর্বজন স্বীকৃত যে, বিয়ে যখন ই হোক আয়েশা রাসূলের ঘরে আসেন ৯ বছর বয়সের পরে।
• এখনো পর্যন্ত আরব মেয়েরা ৯/১০ বছর বয়সেই ফিজিক্যালি ম্যাচিউরড হয়ে যায়। জিউগ্র্যাফিক্যাল ইফেক্ট’র কারনেই এটা হয় বলে সাইন্স’র ধারনা।
• প্রচুর তথ্য মতে, রাসূল আয়েশাকে বিয়ে করেন আয়েশার পিতা আবু বকরের পিড়াপিড়ীতে। আবু বকর তার যেকোনো একজন মেয়ের মাধ্যমে যেভাবেই হোক রাসূল কে তার পরিবারের সদস্য করতে চাচ্ছিলেন।
• বিয়েটা হয় আয়েশার পূর্ণ সম্মতিক্রমে। রাসূলের স্ত্রী হওয়ার ব্যাপারে তিনি আগ্রহী ছিলেন (তার নিজের হাদীসগুলো পড়ুন)।
• সবচে’ বড় কথা মিঃ প্রশ্নোত্তর, আপনার দাদী বা দাদীর দাদী, এবং আপনার নানী বা নানীর নানীর বিয়ে কখন হয়েছিল স্যার? আমাদের ২ জেনারেশন আগে তো পনের বছর হলেই সে মেয়ের আর বিয়ে হতনা!! ৮/৯ এর মধ্যে সব মেয়ের-ই বিয়ে হয়ে যেত! এখন কি আমরা তাহলে আমাদের দাদা/নানাদের বিরুদ্ধে গিয়ে নাবালিকা বিবাহের অভিযোগ উত্থাপন করব? (করলে দাদী বা নানী-ই সবার আগে দৌঁড়ে আসবে মারতে!)। আরে সেখানে আমরা কথা বলছি পনের’শ বছর আগের!!!!!

থিংক নিউট্রালি। বি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফ্রম দ্য ইন্টেনশনাল প্রপাগান্ডা অফ মিডিয়া। এন্ড ডু স্টাডী ইউরসেলফ। তখন রিয়েলাইজ করবেন, আমরা নিজেরা কী পরিমান অজ্ঞ হয়েও যা জানিনা তা নিয়ে কত পিকিউলিয়ার কোশ্চেন করি!!

৫০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৩

ফারজানা১৬ বলেছেন: দিগন্ত, আপনি তাহলে মিডিয়ার খবর রেগুলার রাখেন না মনে হয়! সবকিছু ছেড়ে শুধু বলিউডের এক্টর এক্ট্রেসদের বিয়ের খবর নিয়ে দেখবেন! এক, দুই, তিনবার না, তারা ছয় সাতবার পর্যন্ত একই বউ/জামাইকে ডিভোর্স দিয়ে আবার তাকেই আবার বিয়ে করে!!

৫১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৩

দিগন্ত বলেছেন: "এক, দুই, তিনবার না, তারা ছয় সাতবার পর্যন্ত একই বউ/জামাইকে ডিভোর্স দিয়ে আবার তাকেই আবার বিয়ে করে!!" - আপনি একটি উদাহরণ দেন না আমাকে ... আমি তো জানি না। একি স্বামী-স্ত্রীর একাধিক ডিভোর্সের ঘটনা আমার অজানা।

৫২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৮

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: ফারজানা১৬,
আমার অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল রাসুল (সা) এর স্ত্রীদের নিয়ে কিছু লিখব। ইন ফ্যাক্ট অনেক আগেই একটা পর্ব লিখে রেখেছিলাম। আজকে পোস্ট করলাম, কিন্তু তোমার মন্তব্যগুলো দেখে মনে হচ্ছে, কাজটা তুমি আমার চেয়ে আরও অনেক ভালো করতে!
প্রগতিশীল ব্লগারদের জন্য আরেকটা তথ্য। আমেরিকায় ১৮৮০ সাল পর্যন্ত, মেয়েদের বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স ছিল ৬ বছর!!!

৫৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫২

দিগন্ত বলেছেন: "আমেরিকায় ১৮৮০ সাল পর্যন্ত, মেয়েদের বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স ছিল ৬ বছর!!!" - কিন্তু আমেরিকানরা এখন সেই ভুল শুধরে নিয়েছে। শরীরের গঠন অনুসারে ১৮ বছরের আগে বিয়ে হওয়া উচিত নয়। এখন অল্পবয়সে বিয়েতে অগ্রণী ভূমিকায় আছে মধ্যপ্রাচ্য আর দক্ষিণ এশিয়া।

৫৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০১

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: দিগন্ত,
প্রতিটা মেয়ের শরীরের গঠন আলাদা। আবার আবহাওয়া আর জলবায়ু অনুযায়ী শরীরের পরিপূর্ণতা আগে কিংবা দেরিতে হয়। এখন একটা মেয়ের পরিপূর্ণতা আসলো ১৬তে, আরেকটা মেয়ের ৯ এ, সে জন্য একটা দেশের সাধারন আইন হিসেবে ১৮ বয়সটা ঠিক আছে। কিন্তু এই ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন, একটা মানুষের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, সেরকম কিছু রাসুল (সা) কখনও করেন নি। আমি আমেরিকার উদাহরনটা টেনেছি অন্য কারণে। বলতে চেয়েছিলাম, বিয়ের আদর্শ বয়স যুগ থেকে যুগে আলাদা। আমাদের দেখার চোখ বদলে যায় বলে কি এক সময় একটা মানুষ মহৎ, আরেকটা সময় সে-ই লম্পট হয়ে যাবে? না। বাই দ্যা ওয়ে, আমেরিকার কেনটাকিতে এখনও বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স ১৬। বিয়ের বয়সের রাষ্ট্রীয় সময় সীমার পিছনে আসলে শরীরের পরিপূর্ণতাই এক মাত্র ফ্যাক্টর না। মানসিক ম্যাচুয়ারিটি একটা বড় ফ্যাক্টর। যেটা আয়েশা (রা) এর ছিল।

৫৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৯

`হাসান বলেছেন: ফারজানা১৬ বলেছেন :
২০০৭-১১-৩০ ০৯:৪৭:১০
• সবচে’ বড় কথা মিঃ প্রশ্নোত্তর, আপনার দাদী বা দাদীর দাদী, এবং আপনার নানী বা নানীর নানীর বিয়ে কখন হয়েছিল স্যার? আমাদের ২ জেনারেশন আগে তো পনের বছর হলেই সে মেয়ের আর বিয়ে হতনা!! ৮/৯ এর মধ্যে সব মেয়ের-ই বিয়ে হয়ে যেত! এখন কি আমরা তাহলে আমাদের দাদা/নানাদের বিরুদ্ধে গিয়ে নাবালিকা বিবাহের অভিযোগ উত্থাপন করব? (করলে দাদী বা নানী-ই সবার আগে দৌঁড়ে আসবে মারতে!)। আরে সেখানে আমরা কথা বলছি পনের’শ বছর আগের!!!!!




কোনো যুক্তি দেবার আগে নুন্যতম একটু চিনতা করা উচিত ফারজানা আফা, দাদা নানার কতা যে কইলা তো তুমার দাদা নানা কি ৫৪ বসর বয়সে তুমার ৯ বসরের দাদিরে শাদি মুবারক করছিল নাকি?
ধর কাইলকা তুমার আব্বাজান ৬/৯ বসরের একটা শিশুকে বিয়া কইরা ঘরে আনলো , তাকি তুমি মাইনা নিতে পারবা।

৫৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১১

`হাসান বলেছেন: কতা শরির কত বয়সে পরিপুর্ন হয় হেইডা না, কতা হইল ৫৪:৯।
ধান্দাবাতি্র পুষ্টের যারা ভুল ধরাই দেই তাগরে ব্লক কইরা খুব গ্যানি গ্যানি পুষ্ট মারাইতেচে।
এচব জ্ঞানপাপীর জইণ্য শুদুই ঘৃনা।

৫৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৩

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: যাক, বয়সের নিম্নতম সীমার ইস্যু তো গেল!
এবার আসলো অনুপাত!
আমাদের ব্লগে এমন প্রেমিক যুগল আছে যাদের বয়সের পার্থক্য ১৫। আমাদের কিন্তু সেটা খারাপ লাগে না। কারণ ওরা বেশ জনপ্রিয় প্রেমিক যুগল। হলিউডে তো কতই হয়। অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে ধনী প্রথম কয়েকজনের মধ্যে একজন ৮০ বছর বয়সী। সে বিয়ে করেছে ৩০ বছর বয়সীকে। এগুলো আমাদের সমাজে এখনও হচ্ছে। বিয়ের বয়সের অনুপাতের উপর এখনও কোন নিষেধাজ্ঞা বসানো হয় নি। কারণটা হচ্ছে, দুই জন মানুষের বয়স এক হতে পারে, কিন্তু তাদের মধ্যে কম্প‌্যাটিবিলিটিটাই হলো আসল। এক বয়সের কত মানুষের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হচ্ছে, ঘেন্না ঘেন্নি হচ্ছে, কিন্তু আয়েশা (রা) আর মুহাম্মদ (সা) এর বয়সের পার্থক্য সত্ত্বেও খুব সুন্দর সম্পর্ক ছিল, বন্ধুত্ব ছিল।

আরেকটা কথা। সম্পর্কটা শুধু যৌন সম্পর্কের ছিল না, বিয়ে ছিল। একটা সামাজিক বন্ধন ছিল। এবং, আয়েশা (রা) একজন নবীর স্ত্রী ছিলেন। তিনি নিজে সমস্ত বিশ্বাসীর মা ছিলেন, শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর অল্প বয়সের তীক্ষ্ম স্মৃতি শক্তি দিয়ে রাসুল (সা) এর কাছ থেকে যত শিখেছেন, তা অন্য কোন স্ত্রী শিখে নি। অন্য কোন 'মহিলা' কিংবা 'পুরুষ' শিখে নি! অনেক দামী কিছু হাদীস, রাসুলের (সা) এর বর্ণনা পেয়েছি আমরা আয়েশা (রা) এর সূত্রে। সব দিক বিচার করলে, তিনি বিয়েটা না করলে আমরা মুসলিমরা ক্ষতিগ্রস্ত হতাম!

'হাসান, জ্ঞান পাপী তো আপনি। বাংলায় ব্লগ করছেন, বাংলা বানান এতো জঘন্য ভুল! আমার ঘেন্না লাগে বাংলার এইরকম অবমাননা দেখলে। আর, হায় আমাদের দুর্ভাগ্য, জ্ঞানী পোস্টের ভুল ধরেন, কিন্তু নিজে জ্ঞানী পোস্ট করেন না! আপনি নিজে গ্যানি পোস্ট দেন, আমরা পড়ি। শুধু মানুষের পিছে লেগে থাকা মানুষদের সহ্য করতে পারি না, না সমাজে, না ব্লগে।

৫৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৭

`হাসান বলেছেন: হাদীস, রাসুলের (সা) এর বর্ণনা পেয়েছি আমরা আয়েশা (রা) এর সূত্রে। সব দিক বিচার করলে, তিনি বিয়েটা না করলে আমরা মুসলিমরা ক্ষতিগ্রস্ত হতাম!

অবিশাস্য হাস্যকর যুকতি, যার আগে থেকেই ৮-১০ জন ইসতিরি আছে তার ৬ বসরের এক দুধের শিশুকে বিয়া করা লাগলো আগামো ভালো মুসলিম বানানোর জইণ্য?

এসব খোড়া যুকতি না দিয়ে বরং বলো যে "প্রকৃত মুসলিম হতে হলে প্রফেটের কোনো কাজের সমালোচনা করা যাবেনা , তিনি যা করেচেন সব ঠিক বলে মেনে নিতে হবে" তাহলেও সম্মান সামান্য
পরিমান রক্ষা পাবে তুমার, নাহলে এচব উল্টাপাল্টা যুকতি দিয়া নিজেরে হাস্যকর করে ফেলতেছো

৫৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২

`হাসান বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন :
২০০৭-১১-৩০ ১২:২৩:৪৫
হায় আমাদের দুর্ভাগ্য, জ্ঞানী পোস্টের ভুল ধরেন, কিন্তু নিজে জ্ঞানী পোস্ট করেন না! আপনি নিজে গ্যানি পোস্ট দেন, আমরা পড়ি


হ আমি পুষ্ট দিলেতো ধর্ম গেল ধর্ম গেল, অনুবুতি আগাত প্রাপতো হইয়া মইরা গেলো টাইপ আন্দুলন শুরু কর্বা।

৬০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪

`হাসান বলেছেন: একজন ৮০ বছর বয়সী। সে বিয়ে করেছে ৩০ বছর বয়সীকে। এগুলো আমাদের সমাজে এখনও হচ্ছে। বিয়ের বয়সের অনুপাতের উপর এখনও কোন নিষেধাজ্ঞা বসানো হয় নি। কারণটা হচ্ছে, দুই জন মানুষের বয়স এক হতে পারে, কিন্তু তাদের মধ্যে কম্প‌্যাটিবিলিটিটাই হলো আসল।


কতা হইল একটা ৬ বসরের শিশূর বুদ্দি বিবেচনা কতটুকু গ্রো করে যে নিজের ভালো মন্দ সে বুজতে পার্বে। ৮০:৩০ সমস্যা না, সমস্যা হল ৫০:৬

৬১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৯

পথহারা বলেছেন: হাচান, বেচে রহো বেটা.........
দেকি ইভিনিং/পারজানা আপায় কি কয়?

৬২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫০

`হাসান বলেছেন: আগামো = আমাগো(আমাদের)

৬৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১১

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: 'হাসান, তুমি নিজেকে হাস্যকর করতেস কারণ তুমি জানো না যে সেটা প্রকাশিত হয়ে যাচ্ছে। আয়েশা (রা) মুহাম্মদ (সা) এর ৩ নম্বর স্ত্রী। খাদীজা (রা) মারা যাওয়ার "কয়েক বছর" পরে সওদা (রা) এর সাথে বিয়ে হয় মুহাম্মদ (সা) এর। সওদা (রা) এর বয়স ছিল পঞ্চাশের বেশি, এক জন বৃদ্ধা ছিলেন তিনি। বিয়ে করার মূল কারণ ছিল খাদীজা (রা) এর সন্তানদের একজন "মা" দরকার ছিল। কিন্তু সওদা (রা) এর বিভিন্ন বর্ণনা পড়লে বুঝা যায়, ভীষণ সরল মহিলা ছিলেন। আয়েশা (রা) খুবই বুদ্ধিমতী, তীক্ষ্ম মেয়ে ছিলেন। তাছাড়া, তিনি জন্ম থেকেই মুসলিম ছিলেন। কারণ, বাবা আবু বকর আর মাকে সারা জীবন মুসলিম হিসেবে দেখে এসেছেন। একটা মেয়ে, যে জন্ম থেকে এরকম মূল্যবোধে বড় হয়ে এসেছে, তার সাথে একেবারেই কিছু না জানা অন্য কোন স্ত্রীর তুলনা হয় না। "যোগ্য সহধর্মিনী" ছিলেন এই জন্যই। আর মুহাম্মদ (সা) এর সাথে, খাদীজা (রা) এর পরে সবচেয়ে লম্বা সময় কাটিয়েছেন। তাই তাঁর জীবনকে অনেক কাছ থেকে দেখেছেন। আরেকটা ব্যাপার হলো, একটা অল্প বয়সী মেয়ে যেভাবে মূল্যবোধ থেকে শুরু করে সব শিখে নিতে পারে, বয়স্কদের বেলায় তা হয় না। রাসুল (সা) এর বাকি সব স্ত্রীরাই বিধবা ছিলেন, আগে বিয়ে করেছেন, সেখানে ছেলেমেয়ে ছিল, আলাদা সংসার ছিল। আয়েশা (রা) এর মত কেউ-ই ছিল না। আয়েশা (রা) অল্প বয়সী ছিল বলে প্রশ্ন করতেন অনেক। যার ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা চলে এসেছে। অন্য কেউ এমন প্রশ্ন করে নি, কোন নারী না, কোন পুরুষও না। রাসুল (সা) অন্য সব স্ত্রীদের থেকে আসা হাদীসের সংখ্যা অনেক কম, কিন্তু
আয়েশা (রা) থেকে আসা হাদীসের সংখ্যা ২ হাজারের বেশি। তাছাড়া রাসুল (সা) এর মৃত্যুর পরেও তিনি শক্ত সামর্থ ছিলেন (অন্য স্ত্রীদের মত না), তাই অনেক দিন পর্যন্ত তিনি মুসলিমদের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। চার খলীফার প্রত্যেকে, অনেক নামী দামী সাহাবীরা তাঁর কাছে কুরআনের ব্যাখ্যা শিখার জন্য যেত, তিনি রীতিমত বিখ্যাত ছিলেন 'শিক্ষিকা' হিসেবে। তুমি এসব ইতিহাস জানতা? এক অর্থে 'ইসলাম রক্ষাই' বলতে পারো।

আবার সেই ৬/৯ এ গেল! বিয়ের নিম্নতম বয়সসীমা নিয়ে না আমরা মাত্র আলোচনা শেষ করলাম?

৬৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯

দিগন্ত বলেছেন: "এখন একটা মেয়ের পরিপূর্ণতা আসলো ১৬তে, আরেকটা মেয়ের ৯ এ" - আপনি হয়ত জানেননা ৫ বছর বয়সে এক মহিলা মা হয়েছিলেন। আপনার সাথে এ বিষয়ে একমত।

"বলতে চেয়েছিলাম, বিয়ের আদর্শ বয়স যুগ থেকে যুগে আলাদা।" - এটা একেবারে ঠিক কথা নয়। একেক যুগে মানসিকতা একেকরকম থাকে মানুষের। কিন্তু শারীরিকভাবে একইরকম থাকে। বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাহায্যে আজকে আমরা জানি হরমোনের সাথে বৃদ্ধি ও বিকাশের সম্পর্ক। তাই আমরা সঠিক বয়সও নির্ধারণ করতে পারি। আগে জানতাম না, তাই অল্পবয়সে বিয়েও হত।

"আমাদের দেখার চোখ বদলে যায় বলে কি এক সময় একটা মানুষ মহৎ, আরেকটা সময় সে-ই লম্পট হয়ে যাবে? না।" - একেবারে না। বরং বোঝা যায় সেও যুগধর্মের সাথে তাল মিলিয়ে আরো দশজন মানুষ যা করে উনিও তাই করেছেন।

"বাই দ্যা ওয়ে, আমেরিকার কেনটাকিতে এখনও বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স ১৬। বিয়ের বয়সের রাষ্ট্রীয় সময় সীমার পিছনে আসলে শরীরের পরিপূর্ণতাই এক মাত্র ফ্যাক্টর না।" - কেন্টাকীর কথায় পরে আসছি। কিন্তু আপনার সাথে দ্বিমত, শরীরের পরিপূর্ণতাই রাষ্ট্রীয় সময়সীমা নির্ধারণে একমাত্র মাপকাঠি কারণ মানসিক পরিপূর্ণতা মাপা যায় না।

"মানসিক ম্যাচুয়ারিটি একটা বড় ফ্যাক্টর।" - কিন্তু শারীরিক পরিপূর্ণতা না থাকলে মানসিক পরিপূর্ণতা থেকেও কোনো লাভ নেই। আর আগেই বললাম মানসিক পরিপূর্ণতা মাপা যায় না। তাই দুটোই থাকলে তবেই তাকে 'বিবাহযোগ্যা' বলে স্বীকার করা যায়।

৬৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৩

শাইরি বলেছেন: 'বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে, আমরা তখনো বসে
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি হাদিস কোরান চষে' - কাজী নজরুল ইসলাম।

৬৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫০

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আপনি কি জানতেন একটা মেয়ে ঋতুবর্তী হওয়ারও কয়েক বছর পর পর্যন্ত মা হতে পারে না, সাধারনত। শরীর তৈরি হয় না। কিন্তু একটা ছেলে বয়:সন্ধীর সাথে সাথে ম্যাচুয়ার, হেলদি স্পার্ম প্রডিউস করতে সক্ষম। শারিরীক ম্যাচুয়ারিটি যদি একমাত্র কারণ থাকতো, রাষ্ট্রের বিয়ের সময় সীমা নির্ধারণের, তাহলে ছেলেদের বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স ১২ করা উচিত ছিল। বাংলাদেশে নাকি সেটা ২২? কি অবিচার! ছেলে মেয়েতে কি বৈষম্য! মেয়েদের বিয়ের সময় শারিরীক পরিপূর্ণতা আর ছেলেদের মানসিক/আর্থিক যোগ্যতা! এই বিজ্ঞানের যুগেও?

------------------------
রাসুল (সা) এর সময়ে পুরুষ সাহাবীদেরও অল্প সময়ে বিয়ে হতো, যদি তাদের সংসারের দায়ভার বহন করার যোগ্যতা থাকতো। আর হ্যা, তিনি সমাজের বিরুদ্ধে সেই সব জায়গায় যান নি, যেখানে ইসলামের সাথে কোন সমস্যা ছিল। যেমন, পরিবারের বয়জেষ্ঠ্যদের শ্রদ্ধা করাটা ইসলামপূর্ব আরব সমাজের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। সমাজের সব কিছুর বিপরীতে শুধু শুধু ঔদ্ধত্য দেখাতে হলে, তৎকালীন আরব সমাজের এরকম অনেক ভালো ব্যাপারকেও ফেলে দিতে হতো।
আরেকটা কথা, "মুহাম্মদ (সা) প্রস্তাব দেয়ার আগেই আয়েশা (রা) এর আরও অনেক প্রস্তাব এসেছিল বিয়ের"। মুহাম্মদ (সা) প্রথম প্রস্তাব দেন নি!!! তার মানে মুহাম্মদ (সা) বিয়ে না করলেও মেয়েটার ৯ বছর বয়সে ঠিকই বিয়ে হয়ে যেত। অন্য যার সাথেই বিয়ে হোক, সে কি যোগ্যতায় কখনও মুহাম্মদ (সা) কে হারাতে পারতো? কমবয়সী কাউকে বিয়ে করে, তাকে তৈরি করে, মুসলিম নারী পুরুষদের শিক্ষিকা হিসেবে যদি মুহাম্মদ (সা) নিয়োজিত করতে চাইতেন, যার অন্য কোন জীবন নেই, অন্য সংসারের ছেলে মেয়ে নেই, তাহলে অন্য কি ব্যবস্থা হতো, আপনি ভেবে দেখেন।
আমাদের কাছে যা ঠিক মনে হয় না, হতে পারে সেটা আমাদের দৃষ্টির সীমাবদ্ধতার জন্য!

৬৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৪

রোকন বলেছেন: পথহারা বলেছেন :
২০০৭-১১-৩০ ১২:৪৯:০৯
হাচান, বেচে রহো বেটা.........
দেকি ইভিনিং/পারজানা আপায় কি কয়?

ফারজানা১৬ = সন্ধাবাতি?

৬৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৭

পথহারা বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি......
আমাকে ব্লক করেছেন আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়েই। সো সেই ব্যাপারে আর কিচু বল্লাম না।

এখানে আপনাকে পেলাম...তাই কিচু জিগাই, (দয়া করে বলবেন না ' আপনার সাথে কথা বলার রুচি নাই' এটা এড়িয়ে যাবার লক্ষন)

১।
আপনি নিজের সত্বাকে সাক্ষি রেকে বলেন তো...একজন মেয়ে হয়ে আপনি কখনো কি আপনার স্বামীর ২য় বিয়ে মেনে নিবেন মনের মধ্যে কোনো রুপ রক্তক্ষরণ ছাড়াই?(নো মেটার হোয়াট দা রিজন ইজ)




২।
যদি আমি ধরমে বিশ্বাসী না হৈ আর এ প্রশ্ন করি....আয়েশা ছাড়া নবী সমস্ত বিয়া ৩০/৪০ এর উপরের মহিলাদের করেছেন.... তাই কমবয়সী মেয়েদের চেখে দেখার জন্য আয়েশা কে বিয়ে করেছেন....তাহলে জবাব কি দিবেন?
৩।
একজন আদরশ মানুষ যাকে হাজার বছর মানুষ ফলো করবে সে কি এটুক বুঝতো না যে ফিউচারে তাকে ফলো করতে গিয়ে সাধারন মানুষ অনেক বড় ধরনের ভুল করে বসতে পারে?

[আমরা সবাই সামহাও কোনো না কোনো আদরশের অথবা ধরমের বানী দারা ব্রেইন ওয়াশড। নিজেদের প্রিয় মানুষের শুধু ভালো দিকটা দেখি খারাপ টা নিয়ে ভাবতে চাইনা]

প্রশ্ন গুলি ফারজানা আপার কাছেও ...

উল্লেখ্য, হুমায়ুন ভক্তরা মেয়েবয়সী শাওনকে বিয়ে করার পর নান উসিলা বের করবে...বলবে গুরুর এছাড়া উপায় ছিলো না ব্লা ব্লা.........কিন্তু গুলকেতিনদের গোপন কষ্ট/কান্না......তাদের কাছে আধারেই রয়ে যাবে যুগযুগ...

৬৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৯

`হাসান বলেছেন: প্প্বুপ্প্বুপ্প্ম েপ্প্বুপ্প্বপ্প্ব্বেপ্প্বজ্জ প্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্বজ্জপ্প্ব েপ্প্বষপ্প্ব্ত্রপ্প্বগুপ্প্ব্বপ্প্মপ্প্বেঙ্ প্প্বগ্গপ্প্বপ্প্বেনপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্ষ্মপ্প্ম্ক প্প্বপ্প্বেষপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্বমপ্প্ব্লপ্প্ম েপ্প্বপ্প্বেষপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব্রপ্প্ম্বপ্প্মপ্প্ব্যেপ্প্ম প্প্ব্বপ্প্ব্বপ্প্বজ্জ প্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বমপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্ষ্ম প্প্বগ্গপ্প্বপ্প্ম্বেপ্প্বজ্জ প্প্বসপ্প্বজ্জপ্প্ম্বপ্প্ব্যপ্প্বজ্জপ্প্মমপ্প্ব্যপ্প্বজ্জপ্প্বষ , প্প্বগুপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্কপ্প্ব্ত্রপ্প্ম্বপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্ম প্প্বপ্প্বেক্ক প্প্বষপ্প্ম প্প্বসপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্ন প্প্বপ্প্ম্বেপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্বুপ্প্ম প্প্ব্লপ্প্ব েপ্প্ব্লপ্প্মপ্প্বেগুপ্প্ব্ত্রপ্প্বঙ্ প্প্ব প্প্ব্বপ্প্বজ্জ প্প্বপ্প্ব্যেপ্প্ব্রপ্প্ম্কপ্প্মম

[ইংলিশ]ঘধৎৎধঃবফ ঔধনরৎ নরহ 'অনফঁষষধয:
ও ধিং ধপপড়সঢ়ধহুরহম ঃযব চৎড়ঢ়যবঃ ড়হ ধ লড়ঁৎহবু ধহফ ধিং ৎরফরহম ধ ংষড় িপধসবষ ঃযধঃ ধিং ষধমমরহম নবযরহফ ঃযব ড়ঃযবৎংব্জ

৭০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১১

`হাসান বলেছেন: ওখে ওইডা আমার লেখাই মিসটেক হইসিল কিন্তু আমার পয়েন্টটা কিনতু স্টিল রিমেইনস, নাম সিরিয়াল আর ম্যারিজ ইয়ার খুব বেসিক একটা ইনফো এগুলা সবাই জানে

৭১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১১

`হাসান বলেছেন: [ইংলিশ]ঘধৎৎধঃবফ ঔধনরৎ নরহ 'অনফঁষষধয:
ও ধিং ধপপড়সঢ়ধহুরহম ঃযব চৎড়ঢ়যবঃ ড়হ ধ লড়ঁৎহবু ধহফ ধিং ৎরফরহম ধ ংষড় িপধসবষ ঃযধঃ ধিং ষধমমরহম নবযরহফ ঃযব ড়ঃযবৎংব্জ

৭২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৩

`হাসান বলেছেন: Narrated Jabir bin 'Abdullah:
I was accompanying the Prophet on a journey and was riding a slow camel that was lagging behind the others… When we approached Medina, I started going (towards my house). The Prophet said, "Where are you going?" I said, "I have married a widow." He said, "Why have you not married a virgin to fondle with each other?" I said, "My father died and left daughters, so I decided to marry a widow (an experienced woman) (to look after them)." He said, "Well done." (Sahih Al-Bukhari, Volume 3, Book 38, Number 504)

Narrated Jabir bin Abdullah:
While we were returning from a Ghazwa (Holy Battle) with the Prophet, I started driving my camel fast, as it was a lazy camel A rider came behind me and pricked my camel with a spear he had with him, and then my camel started running as fast as the best camel you may see. Behold! The rider was the Prophet himself. He said, 'What makes you in such a hurry?" I replied, I am newly married " He said, "Did you marry a virgin or a matron? I replied, "A matron." He said, "Why didn't you marry a young girl so that you may play with her and she with you?" When we were about to enter (Medina), the Prophet said, "Wait so that you may enter (Medina) at night so that the lady of unkempt hair may comb her hair and the one whose husband has been absent may shave her pubic region. (Sahih Al-Bukhari, Volume 7, Book 62, Number 16)

Narrated Jabir bin 'Abdullah:
When I got married, Allah's Apostle said to me, "What type of lady have you married?" I replied, "I have married a matron." He said, "Why, don't you have a liking for the virgins AND FOR FONDLING THEM?" Jabir also said: Allah's Apostle said, "Why didn't you marry a young girl so that you might play with her and she with you?" (Sahih Al-Bukhari, Volume 7, Book 62, Number 17)

Hence, Muhammad’s comments indicate that his reason for marrying Aisha while a young virgin is so that he could fondle and sexually play with her!

Muhammad also had eyes for an infant girl, promising to marry her when she grows up. Ibn Ishaq places this event during the time of the Battle of Badr in 624 AD when Muhammad was roughly 54 years old. (Guillaume, pp. 310-312)

Now let us be generous and assume that Muhammad would have waited for the girl to reach the age of ten to marry her, Muhammad would have been at least 62 years old at that time!

So here we have two instances where a man well over fifty has his eyes on two prepubescent girls! Now this is a problem.

৭৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৪

রোকন বলেছেন: পথহারা, তোমাকে বিপ্লব দিলাম।

৭৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৪

`হাসান বলেছেন: বাংলঅ কর্তে পারলাম না বলে দুক্ষিত, তো দেকা যাচ্ছে শুদু আইশাই না আরও শিশু তার নজরে ছিল বিয়ের জইণ্য।
এব্যাপারে কিচু বলেন

৭৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৫

পথহারা বলেছেন: রোকন বেচে রহো.....বেটা........

৭৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৬

`হাসান বলেছেন: [ইংলিশ]অরংযধ ধিংহব্জ

৭৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৬

লাল মিয়া বলেছেন: ঈশ্বর নিশ্চিতভাবেই আছেন এবং তিনি নিশ্চিতভাবেই একজন তিলেখচ্চর

৭৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৭

`হাসান বলেছেন: ধুর ালের ডেভেলপাররা ালের সাইট বানাইসে, একটা ইংরেজি দিতে তিনবার ট্রাই করা লাগে

৭৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯

`হাসান বলেছেন: Aisha wasn’t the only young girl Muhammad had eyes for:

(Suhayli, ii. 79: In the riwaya of Yunus I. I. recorded that the apostle saw her (Ummu'lFadl) when she was a baby crawling before him and said, 'If she grows up and I am still alive I will marry her.' But he died before she grew up and Sufyan b. al-Aswad b. 'Abdu'l-Asad al-Makhzumi married her and she bore him Rizq and Lubab… (Ibn Ishaq, The Life of Muhammad: A Translation of Ishaq's Sirat Rasul Allah, translated by A. Guillaume (Oxford University Press, Karachi), p. 311)

Muhammad saw Um Habiba the daughter of Abbas while she was fatim (age of nursing) and he said, "If she grows up while I am still alive, I will marry her." (Musnad Ahmad, Number 25636)

৮০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯

পথহারা বলেছেন: হাচান........ইজি ম্যান.....উত্তেজিত হবার কিচু নাই........

৮১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩১

দিগন্ত বলেছেন: "মেয়েদের বিয়ের সময় শারিরীক পরিপূর্ণতা আর ছেলেদের মানসিক/আর্থিক যোগ্যতা! এই বিজ্ঞানের যুগেও?" - একদম ঠিক বলেছেন। ছেলেদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র আলাদা করে বিয়ের বয়স ঠিক না করলেও চলে। আরো একটা ব্যাপার আছে - যেটাকে বলে 'এজ অফ কনসেন্ট'- মানে স্বাধীনভাবে বিচার করে পার্টনার চয়েস করার বয়স। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে শারীরিক মাপকাঠিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, কোনো মেয়ের 'এজ অফ কনসেন্ট' যদি ১০ বছর হয় আর শারীরিকভাবে সে যদি ১৫ বছরে পরিপূর্ণ হয়, তবে তার বিয়ের বয়স হবার কথা ১৫।

৮২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৪

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: 'হাসান,
১. আপনার সর্বশেষটার রেফারেন্স লক্ষ করুন, সেটা যেহেতু সহীহ হাদিস না, যে কোন রেফারেন্সকে আমি রাসুল (সা) এর বিরুদ্ধে প্রমান হিসেবে দেখতে রাজি নই।
২. আপনার প্রথম কমেন্টের সব কয়টা হাদীস একই ব্যক্তি জাবির বিন আবদুল্লাহকে ঘিরে। একই ঘটনার বিভিন্ন রকম বর্ণনা। দু:খজনক অনুবাদ। দু:খজনক অনুবাদ! শুধু মাত্র হাদীসটার কথা বলছি, মাঝের কথাগুলোর না... । এখানে 'ফণ্ডলিং' শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আমি অন্য যেসব হাদীস পড়েছি সেখানে এই শব্দটার ব্যবহার দেখি নি। অনুবাদটা আমার কাছে এরকম মনে হয়েছিল, 'হাসাহাসি করা, মজা করা'। অল্প বয়সী যাবির, প্রথম বিয়ে কেন এক বিধবা, বয়স্ক মহিলাকে করেছে, যেখানে তার কাছে নি:সন্দেহে নিজের বয়সী একটা মেয়েকে বেশি আকর্ষণীয় মনে হতো, তার সাথে সময় কাটাতে ভালো লাগতো, এই প্রশ্নটাই করেছেন রাসুল (সা)। জবাবে কিন্তু তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন। আর কিছুই কিন্তু বলেন নি।

৩. 'হাসান, তুমি কোট করেছো 'আনসারিং ইসলাম' থেকে, যেই সাইটটা Arabic / Chinese / Dutch / English / Finnish / French / German / Indonesian / Malay / Persian / Portuguese / Russian / Thai / Turkish / Urdu এতগুলা ভাষায় এভেইলেবল... যার মূল কাজ হচ্ছে ইসলামের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিকৃত অনুবাদে জঘন্য মিথ্যা কথা ছড়ানো ইসলাম সম্পর্কে... হাসান তোমার কোট করা অংশ টুকু গুগল সার্চ দিয়ে হুবুহু পেলাম আমি আনসারিঙ ইসলামে। যেই সাইটটা খুবই স্পষ্টতই
--> একটা ইসলাম বিরোধী প্রচারনার সাইট,
--> অসত একটা সাইট... হাদীসের বিকৃত অনুবাদ ব্যবহার করে, আবার সেটার ফাকে ফাকে নিজেদের বিকৃত ব্যাখ্যা... যেটার অসততার প্রমান আমি আগেও উম্মোচন করেছিলাম বিভিন্ন পোস্টে,
--> যেই সাইটের মিশনারী স্বভাবের প্রমান হুলো এতগুলো ভাষায় তার এভেলেবিলিটি...
তুমি কি করে সেই সাইটটা থেকে ইসলাম শিখো? তুমি কি পাকিস্তানের মিলিটারী ওয়েব সাইট থেকে বাংলাদেশের ইতিহাস শিখা সমর্থন করো? যদি না করে থাকো, তাহলে এসব কি ধরণের হিপোক্রেসী? ছিহ!!!!! জ্ঞানপাপী তুমি কাকে বলো?

একটা খ্রীষ্টান মিশনারী, ইসলাম বিদ্বেষী ওয়েব সাইট থেকে তুমি ইসলামের বিরুদ্ধে প্রচারণা করো... তোমার আসল উদ্দেশ্য কি বলো তো? তোমার পরিচয় কি তাই শুনি!!!

৮৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৬

`হাসান বলেছেন: যারা ধর্মকে নিজের সুবিধামত ব্যাখা করে তাদের সাথে তর্কে যাওয়ায় একটা বিরাট ভুল

৮৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: ওহ বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, আনসারিঙ ইসলামের দুইটা শাখা আছে-- 'বেসিক খ্রিষ্টিয়ানিটি' আর 'ওরা কেন ধর্মান্তরিত হয়েছিল' (যেখানে ইসলাম থেকে খ্রীষ্টান ধর্মে যাওয়া মানুষের রিকাউন্ট দেয়া)....

৮৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭

পথহারা বলেছেন: আমার প্রশ্নের জবাব নাই.......

৮৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৮

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: তুমি যে খ্রীষ্টিয়ানিটির সুবিধামত ব্যাখ্যা করছো... তোমার সাথে তর্কে যাওয়া অবশ্যই পৃথিবীর অনেক বড় ভুল..

৮৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪১

`হাসান বলেছেন: আমি একজন ধর্মপ্রান মুসলিম , তুমার মত একটি রাজণৈতিক মতাদশের অনুসারীনা যারা ধর্ম বেচে খাই

৮৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪২

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: পথহারা,
মুহাম্মদ (সা) এর স্ত্রী সংখ্যার ব্যাখ্যা ফারজানা১৬ দিয়েছিলেন। আর একটা কথা, রাসুল (সা) ১১ জনের মধ্যে ১ জন ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করেছেন। কেউ যদি এতই 'অনুসরণ' করতে চায়, তাহলে তার তো আগে বিধবা বিয়ে করতে হবে! প্রথম বিয়ে করতে হবে নিজের চেয়ে ১৫ বছরের বড় একজনকে, এবং তার সাথে বিবাহিত থাকতে হবে যতক্ষন না পর্যন্ত সে মারা যাবে সে পর্যন্ত.... তারপরে, দ্বিতীয় বিয়ে করতে হবে নিজের চেয়েও বয়সে বড় এক বয়স্কা মহিলাকে... তারপর, তৃতীয় বিয়ে ৯ বছরের মেয়েকে। প্রথম দুইটা করতে রাজি করান, তারপর দেখা যাবে, কয় জনের ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করে সুন্নত পালনের শখ থাকে।

৮৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৩

`হাসান বলেছেন: ১৫ বছরের বড় কিনতু বিশাল ধনসম্পদের অধিকারী!

৯০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৬

`হাসান বলেছেন: ধর্মকে যারা যুকতি দিয়ে প্রমান করতে চাই তারা হয় মূর্খ না হয় ধান্দাবাজ।
ধর্ম একটি বিশ্বাসের ব্যাপার এখাণে যুকতির কোনো স্হান নেই, এটা ধান্দাবাতিকে কে বুঝাবে

৯১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: 'হাসান, কতটা নিচে নামবা? ধর্মান্তরিত হওয়া খারাপ কিছু না, অন্তত: সৎ থাকো এই ব্যাপারে। শুভ কামনা। তোমার সাথে এই ব্যাপারে তর্কের এখানেই শেষ। তোমাকে আমার ব্লগে ব্লক করা আমার খুব ভালো সিদ্ধান্তগুলোর একটা। অন্তত: এরকম মাল্টি লিঙ্গুয়াল খ্রীষ্টান মিশনারী সাইট থেকে বিকৃত অনুবাদ দিয়ে ইসলাম বিরোধী প্রচারণার অংশ আমার ব্লগ পাতা হয় নি!

৯২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫১

`হাসান বলেছেন: যে হাদিস পসন্দ হইবোনা তারে বাদ দেয়ার উপায় খুব সহজ , প্রতমে হেরা খুজবে সহীহ হাদিস কিনা, না হলে তো কতাই নাই আর হইলে কইবো ভুল অনুবাদ করা হইসে, অনুবাদ ঠিক এটা ধরাইয়া দিলে কইবো যে কুন কনটেকসট এ বলা হইসে তা দেকতে হবে,

এচব পুরান ধন্দি, ধান্দাবাতি, এচব বাদ দেও

৯৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৪

`হাসান বলেছেন: আগামি একমাস আমি এমনিও বলগে আসবোনা, ক্রিসমাসের ছুটিতে বেরাতে যাচ্ছি।
ব্লক কর্তেই তো পারো , ভিন্ন মত সহ্য করার মত সত সাহস সবার থাকেনা।

৯৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫

`হাসান বলেছেন: হাদিস সহি কিনা সেডাই আসল , কুন অয়েব সাইট থেকে নিসি সেডা না

৯৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫

শাইরি বলেছেন: সন্ধ্যাবাতিকে............৫

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.