| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছোটবেলায় শিখেছিলাম যে সকল ইংরেজি সাল ৪ দিয়ে বিভাজ্য সেগুলো লীপ-ইয়ার, এবং প্রতি চার বছর পর পর আসে এই লীপ-ইয়ার । দুটি কথাই আংশিক সঠিক ।
১৮৯৬ সাল লীপ-ইয়ার ,১৯০৪ সাল সেটাও লীপ-ইয়ার কিন্তু ১৯০০ সাল কিন্তু লীপ-ইয়ার ছিল না না।এমনকি লীপ-ইয়ার ছিল না ১৭০০ কিংবা ১৮০০ সালও।
২০০০ সাল লীপ-ইয়ার ছিল কিন্তু আগামী ২১০০,২২০০ কিংবা ২৩০০ এর কোনটাই লীপ-ইয়ার হবে না।
খৃষ্টাব্দ ২০০০,১৬০০,১২০০,৮০০,৪০০ এই পাঁচটি সাল বাদে প্রতি শতাব্দীর শেষ সালটি চার দ্বারা বিভাজ্য হলেও লীপ-ইয়ার না।
প্রতি চারশো বছরে তিনটা লীপ-ইয়ার মিসিং থাকে। এবং তা অবশ্যই অকারণে নয়।
আমরা বছর হিসেব করি ৩৬৫ দিনে।আর প্রতি চার বছর পর একটা করে লীপ-ইয়ার হিসেবে থাকলে ক্যালেন্ডারের পাতায় চার বছরের মোট দিন সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৬৫+৩৬৫+৩৬৫+৩৬৬=১৪৬১ ।
আমাদের মুহূর্ত গণনার কাজে ব্যবহৃত ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ডের হিসেব করা হয় সূর্যের সাপেক্ষে ।কক্ষপথের একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে যাত্রা করে সূর্য্যকে প্রদক্ষিন করে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে পৃথিবীর মোট সময় লাগে ৩৬৫.২৪২১৯ দিন।
পৃথিবী সূর্য্যকে একবার প্রদক্ষিন সমাপ্ত করলে একটি বছরও সমাপ্ত হয়।সে হিসেবে চার বছরে চারবার প্রদক্ষিন ক্রিয়া সমাপ্ত করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫.২৪২১৯x৪=১৪৬০.৯৬৮৭৬ দিন ।
অর্থাৎ পৃথিবী কিংবা সূর্য্যের তোয়াক্কা না করে প্রতি চার বছরে আমরা ক্যালেন্ডারে অতিরিক্ত (১৪৬১-১৪৬০.৯৬৮৭৬) ০.০৩১২৪ দিন সময় বাড়িয়ে নিচ্ছি।
০.০৩১২৪ দিন মানে (০.০৩১২৪x২৪x৬০)= ৪৫ মিনিট।
চার বছরে ৪৫ মিনিট মানে, এক শতাব্দীতে বাড়তি সময় জমা পড়ে (৪৫x২৫) ১১২৫ মিনিট।
আর চারশ বছরে (৪৫x১০০) ৪৫০০ মিনিটে ।
৪৫০০ মিনিট মানে প্রায় তিনদিন।
এই তিনদিনের অসামঞ্জস্য দূর করতে প্রতি চারশো বছরে তিনটি সাল লীপ-ইয়ারের তকমা অর্জন থেকে বঞ্চিত হয়।চারশো বছরে ১০০টি লীপ ইয়ার এর বদলে আমরা পাই ৯৭ টি লীপ ইয়ার ।
২|
০৭ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ৯:২২
জীসান মাহমুদ বলেছেন: জানাতে পেরে খুশি হলাম ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ৮:৪০
বিজন রয় বলেছেন: দারুন তো!!
জেনে নিলাম।
++++