| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কথা হুনলে মন চাই ফারা
মাইরা ছ্যাটকাইয়ালাই ।
নদীর পানি কইম্যা
গেলে আসলে কিন্তুক
আমাগো বিরাট লস
বালু কি ততা ।
ঐ যে নদীর কিনারায়
তাগো মত নৌকায় চড়বেন নাকি ?
না কাল সাঁতার কাটুম ।
আহেন,...
একাত্তরের চেৌদ্দ ডিসেম্বরে
লড়াই করে ব্যর্থ, দিশেহারা
মেধার উপর বসায় মরণ কামড়
বুদ্ধিজীবী নিধন করে তারা।
যুদ্ধ করে হেরে যাওয়ার গ্লানি
বুকে তাদের জ্বলে ধিকি ধিকি
বীর বাঙালি জয়ের নেশায় মাতাল
দেশটা থেকে তাড়াই তাদের ঠিকই।
রেডিওর শব্দ
আর উড়ো বাতাস,খবর
বয়ে এনেছিল-
দেশ স্বাধীনের
বেশী দেরী নেই আর।
এন্টারপ্রাইজ দিক বদলায়।
ওদিকে সোভিয়েত রণতরী সাহস দেয়
-ভয় পেয়োনা,বাংলার স্বাধীনতা এলো বলে।
দিনের বিষণ্ণ আলো নিজেকে সঁপে দেয় আঁধারে
মোমবাতির ম্লান আলো আপ্রাণ চেষ্টা করে
আঁধার...
*চন্দ্রস্নানের সাক্ষী*
--বিষাদ বিদীর্ণ
চন্দ্রন্সাত হয়ে ফিরছিল অন্ধ বাদুর
কেও তার সাক্ষী নেই…
শুধু ছিল শেওলা বৃক্ষের লক্ষী পেঁচাটা,
আর প্রাচীরের ক্ষণস্থায়ী গেছো বিড়াল
ঘাড় উচিয়ে গিলছিল জোছনা।
নাড়িকেল গাছের পাতা গুলোও ছিল
সাথে ছিল নীল পুকুরের শুভ্র...
এক
সত্যি সত্যিই এতো ভাল খাওয়া-দাওয়া হবে আমি মোটেই ভাবতে পারি নি । কথা ছিল কেবল মেয়ে দেখেই আমরা চলে যাবো । সন্ধ্যার সময় দেখা, হবে টুকটাক কথা হবে, হালকা পাতলা...
আমি বাবলু জুবেল ভাই রুহেল ও এমরান আমাদের বাড়ির সামনে, রেল লাইনের পাশে দাড়িয়ে খেলা করছি। এমন সময় মোগলাবাজার রেল স্টেশন থেকে একটা হালাকা পাথলা লোক একটি বাঁরের গলায় দড়ি...
পরিকল্পনার পরী উড়ে গিয়ে
পড়ে থাকে কল্পনা,
ধুসর পৃথিবীর মরুময় বুকে-
এ পাওয়াও যে অল্প না!
চারিদিকে স্বার্থপর আর
স্বার্থহীনের দ্বন্দ চলে,
স্বার্থ উদ্ধার হলেই দেখি
আপনজনা মাড়িয়ে চলে!
এই মাড়িয়ে যাওয়াই শেষ নয় তা
না জানলে জেনেই...
আহ্ ডিসেম্বর মাস..ছোট বেলার বহুল প্রতীক্ষিত মাস...ফাইনাল পরীক্ষা শেষ...স্কুল যাওয়ার বালাই নেই...মায়ের রক্তচক্ষু নেই...দুপুর বেলায় ভাত খেতে খেতে গল্পের বই পড়া যাবে...সারা দিন সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ালেও কেউ কিচ্ছু বলবে...
©somewhere in net ltd.