নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের মন, ভাবনা, অনুভূতি ও ভালবাসা বৈচিত্র্যময় বলেই পৃথিবীটা এত সুন্দর!https://www.facebook.com/akterbanu.alpona

আলপনা তালুকদার

ড.আকতার বানু আলপনা,সহযোগী অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী

আলপনা তালুকদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাবামাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশী

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৬



কথাটা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি কথা। কখনও জেনেশুনে, কখনও অজান্তে, আবার কখনও অনিচ্ছাসত্ত্বে বাধ্য হয়ে বাবামা সন্তানদের সাথে অহরহ এমন কিছু আচরণ করেন যার মাধ্যমে তাঁরা তাঁদের সন্তানদের উপর নির্যাতন করেন। কখনও শারীরিক, কখনও মানসিক নির্যাতন। সংখ্যায় কম হলেও কখনও কখনও সন্তানরা বাবা ও মা ( মা সন্তানকে নির্যাতন থেকে বাঁচাতে পারেনা বলে বা নির্যাতনের কথা জেনেও চুপ করে থাকে বলে সে নিজেও নির্যাতনকারী) দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। বাবামার নানা নির্যাতনের উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। যেমন -

১। বাবামার ত্রুটিপূর্ণ প্রতিপালনঃ

ক) কলহপূর্ণ পারিবারিক পরিবেশঃ একটা শিশুর দেহ ও মনের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য সুস্থ ও স্বাভাবিক পারিবারিক পরিবেশ খুবই জরুরী। মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা (গর্ভকালীন ও জন্ম পরবর্তী সময়ে) শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশকে চরমভাবে প্রভাবিত করে।

মনোবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন যে, শিশুদের সুষ্ঠু মানসিক বিকাশের জন্য ভগ্নগৃহ বা ব্রোকেন হোমের (পরিবারে মৃত্যু, বিবাহবিচ্ছেদ, সেপারেশন বা ডিজারশনের কারণে স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনের অনুপস্থিতি) চেয়ে কলহপূর্ণ পরিবার ( যে পরিবারে বাবা-মা অধিকাংশ সময়ে কলহে লিপ্ত) অনেক বেশী ক্ষতিকর।

বাবা-মার ঘন ঘন কলহ শিশুর মনে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। কেননা তার নিরাপত্তা বিধান ও স্বার্থ রক্ষার একান্ত আশ্রয়স্থল (বাবা-মা) সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে পড়ে। বাবা-মার দ্বন্দ্ব শিশুর আত্মদ্বন্দ্বে পরিণত হয়, যার মীমাংসা সে করতে পারেনা। পরিণামে শিশুর চরম মানসিক বিপর্যয় ঘটে। অনেক বাবামা সন্তানের সামনে কলহ করেন বা তাঁদের সমস্যা সমাধানে সন্তানকে মধ্যস্থতা করতে বলেন। অল্প অভিজ্ঞতার কারণে শিশু এ কলহ মেটানোর কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে অপরাধবোধে ভোগে। এ কলহের জন্য নিজেকে দায়ী করে ও দুশ্চিন্তা নিয়ে বড় হয়। সে ভীরু হয় ও তার আত্মবিশ্বাস কমে যায়। তাছাড়া বাবার দৈহিক ও মানসিক নির্যাতনে মা যখন কষ্টে থাকে, তখন সে সন্তানদের দিকে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিতে পারেনা। ফলে শিশুরা হতাশা, ভয়, নিরাপত্তাহীনতা, অপরাধবোধ, স্নেহবঞ্চনা, দুশ্চিন্তা... এসবে ভোগে। অনেক বাবারা মায়ের সাথে সাথে সন্তানদেরও গালি দেয় ও মারে।

বাবা-মার মধ্যে কলহপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যে বড় হলে শিশুদের নানারকম মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রচণ্ড মানসিক চাপ থেকে নানা মানসিক সমস্যা ও রোগ যেমন- দূর্বল ব্যক্তিত্ব, পরনির্ভরশীল, নানা পরিবেশ ও মানুষের সাথে সঙ্গতিবিধানের অক্ষমতা, কাউকে বিশ্বাস করতে বা ভালবাসতে না পারা, ট্রমা, এংজাইটি, ক্রনিক ডিপ্রেশন, ফোবিয়া, অবসেসিভ এন্ড কম্পালসিভ ডিজঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, পোস্ট ট্রমেটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার... ইত্যাদি হতে পারে।

পিতা-মাতার প্রত্যাখ্যান ( Parental Rejection) শিশুর জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। পরকীয়া বা দ্বিতীয় বিয়ে বা অন্য কোন কারণে সন্তান বাবামার কাছে অবাঞ্ছিত হলে তারা সন্তানের প্রতি অতিরিক্ত ঔদাসীন্য ও অনীহা প্রদর্শন করে। একে নিষ্ক্রিয় প্রত্যাখ্যান ( Passive Rejection) বলে। আবার কখনও বাবামা সন্তানের প্রতি রূঢ় ও উৎপীড়নমূলক আচরণ করতে পারে। একে সক্রিয় প্রত্যাখ্যান ( Active Rejection) বলে। এ উভয় প্রত্যাখ্যানই শিশুর উপর অত্যন্ত বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে। তারা সমস্ত জগৎ সংসারকে অত্যন্ত নিষ্ঠুর স্থান মনে করে। এরূপ পীড়নমূলক অবস্থায় নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় বোধ করে, তার সামাজিক অভিযোজন প্রক্রিয়া বিপর্যস্ত হয়। পরিণামে বিভিন্ন মানসিক গোলযোগে আক্রান্ত হয়। কৃত্রিম পরিবেশ ( যেখানে সামাজিক কারণে বাবা-মা সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেন, প্রকৃতপক্ষে তাদের মধ্যে কোন সুসম্পর্ক থাকেন।) ও শিশুর ব্যক্তিত্ব বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশে শতকরা ৮০ ভাগ নারী তার নিজ গৃহে অতি আপনজন দ্বারা নির্যাতিত। তারমানে এই আশি ভাগ নারীর সন্তানেরা প্রতিনিয়ত মাকে নির্যাতিত হতে দেখে। এসব কলহপূর্ণ পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুরা ভয়, দুশ্চিন্তা, কষ্ট নিয়ে বড় হয় যা তাদের প্রতি বাবামা দ্বারা মানসিক, কখনও কখনও শারীরিক নির্যাতন।

খ) বাবামার অতিরক্ষণঃ কিছু বাবামা সন্তানদের অতিরিক্ত আগলে রেখে বড় করেন। তাদেরকে নিজে নিজে কোন কিছু করার স্বাধীনতা দেননা। সবসময় বাবামার হুকুম মেনে চলতে বাধ্য করেন। হুকুম না মানলে বাবামা দৈহিক ও মানসিক নির্যাতন করেন।

গ) অরক্ষণঃ কোন কোন বাবামা নিজেদের ব্যস্ততার কারণে সন্তানের প্রতি যথেষ্ট খেয়াল করতে পারেন ন। সন্তানের দেখাশোনা কাজের লোকের উপর দিয়ে রাখেন। সন্তান কখন কোথায় যাচ্ছে, কি করছে, কার সাথে মিশছে, এসব কিছুই খেয়াল করেন না। এসব শিশুকে অরক্ষিত শিশু বলে। এসব শিশুরা সহজে নানা নির্যতনের শিকার হয়। তানহারা তার প্রমাণ। বস্তির শিশুরা অরক্ষিত বলেই তারা হারিয়ে যায়, পাচার হয়, নানা অপরাধে জড়ায়, কেউ চুরি করে নিয়ে গিয়ে অঙ্গহানি করে ভিক্ষা করায়। অনাদরে বেড়ে ওঠা এসব শিশুরা অবহেলিত ও নির্যাতিত হয়। বাবামার আর্থিক অসঙ্গতি কখনও কখনও শিশু শ্রম ও শিশু নির্যাতনের কারণ। সম্প্রতি কাজের মেয়ে নির্যাতনের বিভৎসতায় বিষয়টি প্রকটভাবে উঠে এসেছে।

ঘ) সন্তানের প্রতি পক্ষপাতিত্ত্বমূলক আচরণঃ বাবামার কোন কোন সন্তানের প্রতি ( ছেলে সন্তান, পড়ালেখায় ভাল সন্তান, ছোট বা অসুস্থ সন্তান ইত্যাদি) পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ অন্য সন্তানদের প্রতি, বিশেষ করে মেয়ে সন্তানের প্রতি মানসিক নির্যাতনের কারণ। আমাদের সামাজিক ব্যবস্থায় মেয়ে সন্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ শুরু হয় তখন থেকেই যখন জানা যায় গর্ভস্থ শিশুটি মেয়ে। ছোটবেলা থেকে আমাদের ছেলেমেয়েরা পরিবার, প্রতিবেশী, স্কুল, খেলার সাথী, শিক্ষক, সমাজ - এদের কাছ থেকে দিনে দিনে একটু একটু করে শেখে যে মেয়েরা নীচু শ্রেণীর জীব, পুরুষের আজ্ঞাবহ, চাকর সমতুল্য এবং কোনমতেই সে পূর্ণাঙ্গ মানুষ নয়।

ঙ) অতিরিক্ত পড়ার চাপঃ বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থারয় সৃজনশীল পদ্ধতি, পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষা, অতিরিক্ত পাঠ্য বই ও গাইড বই পড়ার চাপ, প্রাইভেটের চাপ, পরীক্ষার চাপ, ভর্তি পরীক্ষার তীব্র প্রতিযোগিতা ইত্যাদি কারণে আমরা ছেলেমেয়েদের সারাক্ষণ পড়তে বাধ্য করি যা ওদের প্রতি মানসিক নির্যাতন। আমরা ওদের খেলার, বিনোদনের সময় দেইনা। আগে পরীক্ষার পর ছেলেমেয়েরা আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যেত। এতে তাদের বিনোদন, আবেগিক, মানসিক, সামাজিক বিকাশ হতো। এখন ওরা পরীক্ষার পরের দিন থেকেই প্রাইভেট পড়ে। ফলে ওরা আত্মকেন্দ্রিক ও অমানবিক হয়ে গড়ে উঠছে। আমরা সবসময় পড়ার বিষয়ে সন্তানদের সামনে অন্য বাচ্চার তুলনা করি, নিজের সন্তানের দোষ ধরি, সমালোচনা করি, জোর করে নিজের মত ওদের উপরে চাপাই, পারিবারিক কোন বিষয়ে ওদের মত নেইনা,.. এগুলো সবই ক্ষতিকারক ও নির্যাতন।

চ) বাবামার অতি প্রশ্রয়ঃ

কোন কোন বাবামা অতি প্রশ্রয়, অতিরিক্ত টাকা, মোবাইল, এসব দিয়ে সন্তানকে উশৃংখল বানান। সন্তানের অপরাধকে উপেক্ষা করেন। (যেমন আমিন জুয়েলারসের মালিকের ছেলে।)এতেও সন্তানের ক্ষতি হয়। বাবামার উচিত, তাঁদের যা আছে, সন্তানকে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে শেখানো। অপচয় না করতে শেখানোও দরকার। সন্তানের মতকে গুরুত্ব দিতে হবে। তবে তার সব আবদার রাখা যাবেনা। তার কোন কথা মানা সম্ভব না হলে তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে। সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া যাবেনা। আবার টাকা জমিয়ে না রেখে খরচ করাও জরুরী। সন্তানের ছোটখাট ইচ্ছা পূরণ করতে হবে।সন্তান দোষ করলে বাবামা একসাথে শাসন করতে হবে। একজন শাসন করলে ও অন্যকেউ প্রশ্রয় দিলে শিশুর আচরণ শোধরানো যাবেনা।

২। বাবামার অসৎ চরিত্রঃ

বিজ্ঞানীররা প্রমাণ করেছেন যে, মানুষের আচরণের জন্য দায়ী তার জিন ও পরিবেশ। বাবামা ও শিশুর চারপাশের পরিবেশ ভাল হলে সন্তান ভাল হবে। আর বাবামা অপরাধী ও পরিবেশ খারাপ হলে শিশুও অপরাধী বা খারাপ হবে।

বাবামার অসৎ চরিত্র সন্তানদের মানসিক ক্ষতি করে সবচেয়ে বেশী। বাবামা পরকীয়া করলে, ঘুষখোর, দূর্নীতিপরায়ণ, অপরাধী হলে, বাবা একাধিক বিয়ে করলে, নিকট আত্মীয়দের দেখাশোনা না করলে, বৃদ্ধ বাবামাকে অবহেলা করলে সন্তানরাও তাই শেখে। ওদের সামনে কোন গুরুজনদের সমালোচনা বা মিথ্যে বদনাম করলে শিশুরা আপনার প্রতিও শ্রদ্ধা হারাবে, তাদের আচরণে সে অশ্রদ্ধা প্রকাশ পাবে। বৃদ্ধ বয়সে তারা আপনাক ঐশীর মত খুন করবে। অথবা বৃদ্ধাশ্রমে বা কোন মসজিদের বারান্দায় ফেলে রাখবে।

যেসব পরিবারে বাবা সব খারাপ বা নেতিবাচক ঘটনার জন্য (যেমন- সন্তান ফেল করলে, বখে গেলে, দোষ করলে, ভুল করলে, প্রেম করলে, চুরি করলে, ইত্যাদি) মাকে দায়ী করে এবং যেসব পরিবারে বাবা প্রায় সবসময় মাকে নানা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে, সেসব পরিবারের শিশুরা বাবার কাছ থেকে ওসব আচরণ অনুকরণ করে। পরে দাম্পত্য জীবনে তারাও একই আচরণ করে। এভাবে বংশ পরম্পরায় বাবা, স্বামী, ছেলে... এভাবে নারী ও শিশুদের প্রতি বৈষম্য ও নির্যাতন চলতে থাকে।

সন্তানের সুস্থ রুচিবোধ তৈরী করে দেয়া, তাদের সাথে সময় কাটানো, তাদেরকে বোঝা জরুরী। অনেক বাবামা সময় অভাবে বা টাকা অপচয় হবে বলে পরিবারকে বেড়াতে নিয়ে যাননা। বাচ্চার পড়ার ক্ষতি হবে বলে অতিথি এ্যলাাও করেননা, গরীব আত্মীয়কে সাহায্য করেননা, অসুস্থ হলে সময়ের অজুহাতে দেখতে যাননা। সন্তানকে সামাজিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা, মানবতা শেখাতে হলে নিজে এগুলোর চর্চা করুন। কারণ আপনিই শিশুর রোলমডেল। আপনাকে দেখেই শিশু শিখবে। মাঝে মাঝে একসাথে বেড়াতে যান। এতে পারিবারিক বন্ধন, আন্তরিকতা বাড়ে।

নিজে কোন ভুল বা দোষ করলে সন্তানকে 'সরি' বলুন, সন্তাকেও বলতে শেখান। সে যেন কোন কথা আপনার কাছে গোপন না করে। সন্তানের বন্ধু হোন। তাকে সত্যি কথা বলার, নিজের অপরাধ স্বীকার করার সৎসাহস তৈরী করে দিন। কোনভাবে আপনার সন্তান কারো দ্বারা নির্যাতিত হলে তার প্রতিকার করুন। কোনভাবেই তার প্রতি হওয়া কোন অন্যায় (যৌন নির্যাতন হলেও) গোপন করবেন না। তাতে সে আপনাকে ঘৃণা করবে।

৩। সন্তানের মতকে অগ্রাহ্য করাঃ

আমাদের সমাজে সন্তানের ইচ্ছার স্বাধীনতা কম। সেজন্যই পরিবার ছেলে বা মেয়েকে জোর করে অপছন্দের কারো সাথে বিয়ে দেয়। মেয়েদেরকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বামীর নির্যাতন, পরকীয়া, বহুবিবাহ.. সহ্য করে সংসার করতে বাধ্য করে, তালাক দিতে দেয়না। ছেলেরা অবশ্য বৌ পছন্দ না হলে তালাক দেয়, দিতে পারে। আমাদের সমাজে প্রেম করার অপরাধে মেয়েদেরকে বাবামা, ভাই, চাচারা পিটিয়ে তক্তা বানায় যা কোন সভ্য সমাজে ঘটেনা। বিয়ের পরেও বাবামা ছেলের বউকে যৌতুক ও নানা কারণে নির্যাতন করে। ফলে ছেলে কষ্ট পায়। কোন কোন মা বউয়ের মতকে প্রাধান্য দিলে ছেলেকে স্ত্রৈণ বলেন, আর মেয়ের মতকে প্রাধান্য দিলে জামাইকে মহান বলেন।

ভারতে ও পাকিস্তানে কোন ছেলে বা মেয়ে পরিবারের অমতে ভিন্ন ধর্ম, জাত বা স্টেটাসের কাউকে বিয়ে করতে চাইলে যদি পরিবার তাকে নিবৃত করতে না পারে, তাহলে পরিবারের সবাই মিলে পরিকল্পনা করে ঠাণ্ডা মাথায় তাকে, কখনো কখনো তার প্রেমিকা বা প্রেমিকসহ তাকে হত্যা করা হয়। একে "honour killing" বা "পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে হত্যা" বলা হয়। সমাজ একে 'হত্যা' বা 'অপরাধ' মনে করেনা। কি জঘণ্য চিন্তা! নিজের সন্তানের সুখ, ভালবাসা, এমন কি জীবনের চেয়ে পরিবারের সম্মান বেশী প্রিয়, সম্মান রক্ষা বেশী জরুরী।

আমাদের অভিভাবকরা মনে করেন, বিয়ের জন্য ছেলের শিক্ষা, স্টেটাস বা উপার্জনটাই মূখ্য। নিজের আর্থ-সামাজিক অবস্থানের সমতূল্য বা বেশী হলেই মেয়ে সুখে থাকবে। মেয়ে তাকে পছন্দ করে কিনা, তার সাথে মানসিকতা মেলে কিনা - এসব দেখার দরকার নেই। অনেক ফালতু অজুহাতে ছেলেদেরকেও বাধ্য করা হয় অপছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে।

অভিভাবকরা মনে করেন, একবার বিয়ে হয়ে গেলেই ভালবাসা আসবে হাওয়া থেকে, আল্লাহর রহমত থেকে। না এলেই বা ক্ষতি কি? একবার বাচ্চা হয়ে গেলে ভাল না বেসে যাবে কোথায়? তখন তো আর তার উপায় নেই। বাড়ীতে কুকুর পুষলেওতো মায়া হয়, আর সেখানে স্বামী বা স্ত্রী!

অভিভাবকরা ছেলে- মেয়েদের সুখের কথা ভেবেই বড় যত্ন করে তাদের অমতে বিয়ে দিয়ে তাদেরকে চরম অসুখী করেন। একটাই অমূল্য জীবনে পছন্দের মানুষের সাথে সুখে-দুখে জীবন কাটানোর আনন্দের তুলনায় সম্পদ, জাত, ধর্ম ইত্যাদি কোন কিছুই যে গুরুত্বপূর্ণ নয়, একথা অভিভাবকদের কে বোঝাবে? অনেক বাবামা মেয়ের ও ছেলের বউয়ের পড়া বন্ধ করে দেন, চাকরী ছাড়ান। এসব মেয়েদের প্রতি নির্যাতন।

শেষকথাঃ প্রতিটা শিশুর সামাজিকীকরণের প্রথম প্রতিষ্ঠান হল তার বাড়ী, তার পরিবার। এটিই তার আচরণ, মূল্যবোধ, ধারণা, বিশ্বাস, নৈতিকতা, সাহস, শিক্ষা.. ইত্যাদির ভিত্তি তৈরী করে দেয়। এই ভিত্তিই তার সারাজীবনের আচরণের মূল চাবিকাঠি। এখান থেকে সে যা শিখবে, সারাজীবন সে তাইই করবে। পরিবারে সে ভাল কিছু শিখলে সে ভাল হবে, নাহলে খারাপ।

ছেলেদেরকে ছোটবেলা থেকেই বেশী প্রাধান্য না দিয়ে সমান প্রাধান্য দিতে হবে। মেয়েদের কে মানুষ ভাবতে শেখাতে হবে যাতে সে বড় হয়ে মেয়েদেরকে অপমান, নির্যাতন বা ছোট মনে না করে। এটা খুব জরুরী।
বাবাদের উচিত ব্যস্ততার মাঝেও মাঝে মাঝে স্বামী, স্ত্রী, সন্তান বা পরিজনদের সারপ্রাইজ দেয়া। সাধ্যমত সন্তানকে উপহার কিনে দেয়া, পরিবার নিয়ে কাছাকাছি কোথাও বেড়াতে বা খেতে যাওয়া, আত্মীয় বা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়া, অসুস্হ রিলেটিভদের দেখতে যাওয়া, ছুটিতে আত্মীয়দের বাড়ী বা দেশের বাড়ী বেড়াতে যাওয়া ইত্যাদি। কোনমতেই বিশেষ দিনগুলো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। এতে পরিবার আপনার কাছে গুরুত্বহীন হয়ে গেছে, এমন বাজে অনুভূতি তৈরী হয়। মাঝে মাঝে অপ্রত্যাশিত কোন উপহার দিন, বেড়াতে যান। তাহলে সন্তান বুঝবে আপনি তার আচরণে খুশী।

সন্তানকে ভালবাসুন। পৃথিবীর কোন সন্তানই যেন কোন নির্যাতনের শিকার না হয়। আর আশা করছি, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হোক। কারণ এই শিক্ষাব্যবস্থার কারণে আমিও আমার সন্তানকে নির্যাতন করতে বাধ্য হচ্ছি। সরি বাবা, সরি।

মন্তব্য ২৪৪ টি রেটিং +৪৬/-০

মন্তব্য (২৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩১

নাগরিক কবি বলেছেন: সত্য এবং সত্য, ভীষণ খাটি সত্য।

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অপ্রিয় সত্য। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

২| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



ভুঁইফোড় তত্ব

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:১৯

সোহানী বলেছেন: ভালোলাগলো.......

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৪| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৪৮

প্রামানিক বলেছেন: সুন্দর লেখনী।

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৪৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৫| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:১৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: ম্যাম পয়েন্ট গুলো সঠিক ই তোলে ধরেছেন। তবে এই পৃথিবীতে বাবা মা' ই সন্তানকে বেশি ভাল বাসেন। আপনার যুক্তিতথ্যগুলো ঘটে যায় শুধুই ঘ্টনা প্রবাহ মাত্র।

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৫২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: পৃথিবীতে বাবা মা' ই সন্তানকে বেশি ভাল বাসেন। আবার সংখ্যায় কম হলেও অনেক বাবা মাই নির্যাতনও করেন। শুনতে খারাপ লাগলেও বাবামার নির্যাতনের হাজার হাজার প্রমাণ আছে।

৬| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৪২

চিটাগং এক্সপ্রেস বলেছেন: আর সন্তান বড় হয়ে সে নির্যাতন গুলি ফিরিয়ে দেয়

০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৫৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ঠিক। ধন্যবাদ।

৭| ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৫৬

চিটাগং এক্সপ্রেস বলেছেন: আপনি কি আপনার সন্তানকে নির্যাতন করেন?

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:০৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: হ্যাঁ, করি। আমার বড় মেয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে। এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। বড় ভাল মেয়ে। খুব মেধাবী। পড়ার কথা বলতে হয়না। নিজেই পড়ে। ক্লাস সেভেন পর্যন্ত আমিই ওকে পড়াতাম। ক্লাস এইট থেকে ওর পড়ার চাপ এত বেড়ে গেল যে বাধ্য হয়ে কোচিং, প্রাইভেট, স্কুল, সব মিলিয়ে ওকে রোজ ১৬/১৭ ঘণ্টা পড়তে হয়। এটা নির্যাতন। তবু বেচারা কিছু বলেনা। এবারও সব বিষয়ে টপ করেছে। আমি ডবল স্ট্যান্ড করা ছাত্রী। অথচ আমি নিজে প্রাইভেট পড়িনি। স্কুলে থাকতে আমি রাতে ২/৩ ঘণ্টা পড়তাম। আমি ইচ্ছে করলেও ওকে মানা করতে পারব না। কারণ তাহলে ও সিলেবাস শেষ করতে পারবেনা। ওদের যে পরিমাণ পড়ার চাপ, আমি মনে করি সেটা ভয়াবহ নির্যাতন।

৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৫৬

কলম-বাঁশ বলেছেন: শিক্ষণীয় ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:১১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৯| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৮

ধুতরার ফুল বলেছেন: এত সময় পর স্টিকি করা হলো!!!!!

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:০১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: দেরী হোক, যায়নি সময়...

সামুকে ধন্যবাদ। সেইসাথে ধন্যবাদ আপনি সহ সকল পাঠককে। ভাল থাকুক সব সন্তানেরা।

১০| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:০৪

জানা বলেছেন: খুব দরকারী একটি বিষয়ে যত্ন করে গুছিয়ে লেখা। বিষয়টিতে আমাদের সবার নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরী করে দেয়ায় অশেষ ধন্যবাদ প্রিয় আলপনা তালুকদার। কৃতজ্ঞতা এবং ভালবাসা জানবেন।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:১৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ। জ্বি, নিশ্চয় জানবো। আপনার জন্যও শুভকামনা।

আমি অনেকদিন ধরে আমাদের ছেলেমেয়েদের প্রতি পড়ার বাড়তি চাপের কুপ্রভাব নিয়ে লিখে আসছি। সব বাবামাকেই দেখি সন্তানকে প্রথম হবার জন্য চাপ দেন। সন্তানের সামর্থ্য কতটা, তা ভাবেন না। আমরা নিজহাতে আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে নির্যাতন করছি। এ বিষয়টি আমাকে খুব কষ্ট দেয়। অনেক বাবামা জানেনইনা সন্তানের সামনে কোন আচরণগুলো করা যাবে, কোনগুলো যাবেনা। আবার বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপের কারণ। এসব কারণে লেখাটা লিখেছিলাম। আমার মনে হয় বাবামাদের এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয়টি সিরিয়াসলি ভেবে দেখা দরকার।

১১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:০৭

কাবিল বলেছেন: অতিরিক্ত ভালবাসায় সন্তানের অমঙ্গল বয়ে আনে।




পোস্টটি স্টিকি করায় মডুদের ধন্যবাদ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:২০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি, ঠিক। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:২৮

জুন বলেছেন: অতিরিক্ত পড়ার চাপঃ বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থারয় সৃজনশীল পদ্ধতি, পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষা, অতিরিক্ত পাঠ্য বই ও গাইড বই পড়ার চাপ, প্রাইভেটের চাপ, পরীক্ষার চাপ, ভর্তি পরীক্ষার তীব্র প্রতিযোগিতা ইত্যাদি কারণে আমরা ছেলেমেয়েদের সারাক্ষণ পড়তে বাধ্য করি যা ওদের প্রতি মানসিক নির্যাতন। আমরা ওদের খেলার, বিনোদনের সময় দেইনা।
মনের কথা বলেছেন আলপনা তালুকদার ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ আপা। ভাল থাকুন।

১৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৩২

মেটাফেজ বলেছেন: বাবামায় অতি-প্রশ্রয় আর অসততা এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি, ধন্যবাদ।

১৪| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৪

বিজন রয় বলেছেন: অনেক দিন পর একটি পোস্ট স্টিকি হলো।
তার আপনার!

আপনি যেসব বিষয়ে লেখেন তার সামাজিক মর্যাদা অপরিসীম।

আপনার জন্য শুভকামনা।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা। ভাল থাকুন।

১৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হোক। কারণ এই শিক্ষাব্যবস্থার কারণে আমিও আমার সন্তানকে নির্যাতন করতে বাধ্য হচ্ছি।

একই অবস্থাতো আমারও ''না পারি সইতে না পারি কইতে''

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খুব সত্যি কথা বলেছেন ভাই। অনেক ধন্যবাদ।

১৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৫০

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: ভালো পোস্ট, সুন্দর বক্তব্য, কিন্তু দিনশেষে নিজের মেয়ের প্রতি নির্যাতনের (অনিচ্ছাকৃত?) পুরোটা মোটামুটি চাপিয়ে দিলেন শিক্ষাব্যবস্থার উপর। আপনার মেয়ে তো বেশ মেধাবী মনে হচ্ছে, যা একটু প্রয়োজন তা আপনি গাইড দিলেই ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা। তাহলে এত কোচিং, প্রাইভেটের দরকারটি কোথায়? শিক্ষাটা যদি সত্যিকারের হয়, তাহলে দাঁড়ি-কমাসহ সিলেবাস শেষ করা কি হাস্যকর প্রচেষ্টা নয়? আর আপনি যদি দিনে ২-৩ ঘন্টা পড়ে ডাবল স্ট্যান্ড করতে পারেন, তাহলে মেয়েকে ১৬-১৭ ঘন্টা পড়তে হবে কেন?

শিক্ষা-ব্যবস্থার সমস্যার চেয়েও বড় সমস্যা হচ্ছে বাবা-মা'র আকাশছোঁয়া প্রত্যাশা সন্তানের উপর চাপিয়ে দেয়া। এর চেয়েও বড় সমস্যা, নিজে উপলব্ধি করেও আত্মসংশোধন না করে শিক্ষাব্যবস্থা একদিন পরিবর্তন হবে সে আশায় বসে থাকা। শিক্ষাব্যবস্থা আলাদা কোনো ব্যবস্থা নয়, আমাদের সকলেরই অংশ। আসলে আপনার মেয়ে টপ থেকে একচুল নড়ে গেলে আপনার জগৎ-সংসার উলটপালট হয়ে যাবে, এ চিন্তায় আপনি সর্বদা শঙ্কিত মনে হচ্ছে।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আমরা ২/৩ ঘণ্টা পড়েও ভাল করতে পেরেছি। কারণ আমাদের সময় সৃজনশীল ছিলনা। বইয়ের বাইরে থেকে প্রশ্ন হতনা। এত বেশী সাবজেক্ট ও ছিলনা। এত বই এবং এত গাইড বই পড়তে হতনা। আমাদের এক এক শিক্ষক এক এক গাইড থেকে প্রশ্ন করতেন না। আমাদের শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করতেন না। এখনকার শিক্ষকরা প্রাইভেট না পড়লে নম্বর কম দেয়া (আমার মেয়ে এখনও কিছু বিষয়ে দুএক নম্বরের জন্য লেটার পায়না) সহ নানাভাবে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। প্র্যাকটিক্যালে নম্বর কম দেন। আর পাঠ্যবইয়ের কনটেন্টে অনেক উঁচু ক্লাসের বিষয় ঢুকানো হয়েছে যা আমাদের সময় ছিলনা।

আমার মেয়ের ক্লাস রোল ১৮। কিন্তু সে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। তারমানে সে স্কুলে কখনোই প্রথম হতে পারবেনা। তার কারণ আমার মেয়ে যেসব টিচারদের কাছে প্রাইভেট পড়েনা, তাদের কাছে হাইয়েস্ট নম্বর পাবেনা। পায়ওনা কখনও। তবে তার নম্বর হাইয়েস্ট নম্বরের চেয়ে দুএক নম্বর বা অল্প কিছু নম্বর কম হলেও আমি জানি আমার মেয়েই বেশীরভাগের চেয়ে ভাল এবং বোর্ডের পরীক্ষাগুলোতে সে ঠিকই ভাল করবে।

আমার মেয়েকে নিয়ে আমার আশা আছে। সব বাবামাই চায় ছেলেমেয়েরা প্রতিষ্ঠিত হোক। আমিও চাই। তবে ওকে বাধ্য করিনা। ওর যা হতে ভাল লাগে, ও তাই হবে। ওর সাধ্যের মধ্যে যা হতে পারে। আমি আমার সাধ্যমত এখনও ওকে গাইড দেই। তবে সৃজনশীল পদ্ধতি হবার কারণে যে কোন জায়গা থেকে প্রশ্ন হতে পারে বলে ওদের প্রতিটা লাইন পড়তে হয়। এটা সত্যি কঠিণ। আর সিলেবাস শেষ না করলে সব পারবেনা। না পারলে পরীক্ষায় নম্বর কম পাবে। নম্বর কম পেলে ভাল কোথাও ভর্তির জন্য আবেদনই করতে পারবেনা। আগে ২য় বিভাগ পাওয়া ছাত্ররাও বুয়েটে চান্স পেয়েছে। এখনকার ভর্তি ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট নম্বর না পেলে আবেদনই করা যায়না। যোগ্যতা প্রমাণ করবে কিভাবে? কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে একবারের বেশী ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যায়না। কোন কারণে একবার কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষা খারাপ করতেই পারে। তাই বলে সে আর আবেদন করতে পারবেনা? উন্ন দেশগুলোতে পরীক্ষা কমায়। আর আমরা পাবলিক পরীক্ষা বাড়াই। এরকম হাজার সমস্যা এখন আছে যা আমাদের সময় ছিলনা। তাই চাচ্ছি, অতি দ্রুত আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন হোক। আশার কথা হল, এখন বিষয়টি অনেকেই অনুভব করছেন। আশা করছি, পরিবর্তন হবে। ধন্যবাদ।

১৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৩

অর্ক বলেছেন: আল্পনা আপু খুব চমৎকৃত হলাম আপনার এই পোস্টটা পড়ে! এবিষয়ে প্রাসঙ্গিক সবই এসেছে বিষদভাবে। কাছাকাছি সময়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এ ধরণের ভালো, সাবলীল রচনা ব্লগে কেন অন্য কোথাও আমি পড়িনি! নিঃসন্দেহে অত্যন্ত যোগ্য পোস্ট, স্টিকি হবার মতো, তা বলাই বাহুল্য। আপনার আলোচিত প্রত্যেকটা কথাই নির্দোষ অপ্রিয় সত্য। শিশুদের প্রতিপালনের ক্ষেত্রে আমাদের দেশের বাবা মা'দের মাঝে অনেক ত্রুটি রয়ে গেছে। সবই সুন্দরভাবে গুছিয়ে বলেছেন। আশা করি আপনার এই পোস্ট অনেককেই সচেতন করে তুলবে। পোস্টে অনেক ভালোলাগা।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই অর্ক। আমার নিজেরও ভাল লাগছে জরুরী এ পোস্টটা স্টিক হবার জন্য।

আমার আরেকটি জরুরী পোস্ট ছিল "তুমিও বুড়ো হবে"। আমি খুব চেয়েছিলাম লেখাটি নির্বাচিত হোক। ওখানে বৃদ্ধ বাবামার প্রতি এখনকার সন্তানদের অমানবিক আচরণের কারণ ও প্রতিকার বিষয়ে জরুরী অনেক কথা ছিল।

যাইহোক। ভাল থাকবেন।

১৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৯

তারেক ফাহিম বলেছেন: সামাজিক অবক্ষয় গুলো সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠে আপনার লিখাতে এককথায় সুন্দর লেখনী, ভালো লাগলো।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১৯| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৮

দীপঙ্কর বেরা বলেছেন: সঠিক বলেছেন।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

২০| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৪

তপোবণ বলেছেন: খুব যত্ন করে লিখেছেন। লেখাটা সমাজের উপকারে আসবে। সুন্দর লিখেছেন আপা, ভাল খাকুন।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। জ্বি, আপনিও ভাল থাকুন। শুভকামনা জানবেন।

২১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০২

চাঁদগাজী বলেছেন:


থিওরিটিক্যাল; ব্যতিক্রমদের জন্য প্রয়োজ্য; সাধারণ মানুষের কথা আসেনি।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: সবার কথাই এসেছে। আমার ধারণা, আপনি ও দীর্ঘদিন দেশে আসেননি এমন মানুষ ছাড়া বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষ ( যারা বাংলাদেশে বাস করছে) তারা আমার লেখার সাথে একমত হবেন।

ধন্যবাদ।

২২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন সুন্দর সাবলীল এবং সহজ কথায়

ধণ্যবাদ অনেক অনেক

মন্তব্য ৭ এবং ১৬র উত্তরে সাধূবাদ। সহমত।

++++

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভাল থাকুন সবসময়।

২৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অসাধারণ মুল্যবান পোষ্ট ।
গবেষনা ও তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টটির জন্য অভিনন্দন রইল ।
শুভেচ্ছা জানবেন ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রেখে দিলাম আপনার জন্যও। খুব খুব ভাল থাকুন।

২৪| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪১

সনেট কবি বলেছেন: ভালোলাগলো

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জেনে আমারও ভাল লাগলো। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

২৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: ম্যাম একদিন আপনি জেনারেল হওয়ার অপেক্ষা সহ্য করতে না পেরে ব্লগ ছেড়ে যেতে চেয়েছিলেন। অাজ অাপনার লিখা নির্বাচিত পাতায়। আমি অনেক আনন্দিত। আপনার লিখার কদর সবসময় সামুপরিবার করবেন।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ঠিক বলেছ সুজন। আমিও তাই আশা করি। ভাল থেক।

২৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০১

এডওয়ার্ড মায়া বলেছেন: আমি বলব অবশ্যই সচেতনমূলক এবং এক শ্রেণীর জন্য শিক্ষনীয় পোষ্ট ।সবার জন্য নহে !!
আমার মধ্যবিত্ত বাবা মা নির্যাতন করছে বলেই বলেই ২৭ বছর বয়সেও ভাল আছি।তা না হলে কবেই দৈনিক পত্রিকার শিরোনাম হয়ে যেতাম।
ধন্যবাদ আমার বাবা মা কে যারা নির্যাতন করে এতটা বড় করেছেন।


০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আমার পোস্টে অধিকাংশের কথা আছে। শতকরা আশি ভাগ পরিবারে নির্যাতন হয়। সব পরিবারে নয়। কিছু ব্যতিক্রম অবশ্যই ছিল। তবে এখন সবার অবস্থায়ই এক। এখন সব বাবামাই তাদের সন্তানদের নিয়ে বিরামহীনভাবে প্রাইভেট, কোচিং, স্কুলে ছুটছেন, বাচ্চাদেরও ছোটাচ্ছেন বাধ্য হয়ে। আমরা ওদের তুলনায় অনেক অনেক আরামে বড় হয়েছি।

ধন্যবাদ।

২৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৯

নীল বৃষ্টি(রিপন) বলেছেন: অনেক অজানা কথা জানা হল। ধন্যবাদ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: তাই? জেনে খুশী হলাম। ভাল থাকবেন।

২৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আমি যেহেতু একবার ফেল করেছি এবং আমি নিজেকে 'অকৃতকার্য মেধাবী ছাত্র' (এই শব্দটা অনেক আগে যখন ৪০% পাস করতো তখন বিটিভি-তে বলতো) মনে করি। তাই আমার সন্তানকে কখনোই অতিরিক্ত পড়ালেখা নিয়ে চাপ দিবো না ইনশাআল্লাহ...

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: কিন্তু পরীক্ষা না দেওয়াতেতো পারবেন না। পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা দুটো চালু করার ফলে এদুটো পরীক্ষার গুরুত্ব বেড়ে গেছে। সেইসাথে সৃজনশীল। আগে বাবামাই সন্তানদের পড়াতেন। এখন অভিভাবকরা সৃজনশীল না বোঝার কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বে বাধ্য হয়ে একটা বড় সময় বাচ্চাদের কোচিং বা প্রাইভেটে বন্দী রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। আপনি চাপ না দিয়ে পড়াতে পারলে সেটা ভাল।

ধন্যবাদ।

২৯| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২০

প্রোলার্ড বলেছেন: আপনার বাবা মা কি আপনাকে নির্যাতন করতেন ? নির্যাতন করে থাকলে আপনি কি করে ডবল স্ট্যান্ড করলেন ? ডবল স্ট্যান্ড ধারী আপনার বেটার কনসেপশন থাকা উচিত কিভাবে সন্তানদেরকে নির্যাতন না করে এগিয়ে দেওয়া যায় ।

সন্তানের কাছে বাবা মা হলেও উনারা কারও স্বামী বা স্ত্রী । স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া বিবাদ সন্তানের মনো বিকাশে ভয়ংকর খারাপ প্রভাব ফেলে ।

আপনার সময়ে আপনার বাবা মায়ের এবং পাশাপাশি একই জেনারেশনের কাপলদের মধ্য পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধ , দায়িত্বপরায়নতা , সংসারকে সুখী রাখার যে প্রয়াস ও সন্তানকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যে স্যাক্রিফাইস আপনারা শৈশব/কৈশরে দেখেছেন এখনকার জেনারেশনে কি এসব দেখা যায় ? বাবা মায়ের বাইরে এসব কাপলদের যে আরও সত্ত্বা আছে সেটার আচরণে নেগেটিভ ইমপেক্ট তাদের বাবা মা সত্ত্বার উপর ইফেক্ট করে । যার প্রভাবে সন্তানেরা ডিরেইড হবে ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আমাদের সময় পড়ার এত চাপ ছিলনা। তাই পড়ার জন্য এত সময়ও দিতে হয়নি। পড়াতে বাবামাকে এত সময় নষ্ট বা বাচ্চাকে ব্যস্ত রেখে নির্যাতন করতেও হয়নি।

আগে যৌথ পরিবারে থাকার ফলে ছেলেমেয়েদের মধ্যে সামাজিক, আবেগিক, নৈতিক, মানবিক ইত্যাদি বিকাশ হয়েছে। ফলে তারা এখনকার বাবামা ও সন্তানদের মত আত্মকেন্দ্রিক হতনা। ফলে সমস্যা কম ছিল। ধন্যবাদ।

৩০| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩১

ঢাকাবাসী বলেছেন: খাঁটি সত্যি কথাগুলো সুন্দর ভাবে লিখেছেন।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভাল থাকুন।

৩১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৩

শামচুল হক বলেছেন: বাবা মা যখন নিজের শিশুকে নির্যাতন করে তখন সে স্বেচ্ছায় করে না শিশুর অত্যাচারে বিরুক্ত হয়ে করে। পরবর্তীতে আবার শিশু নির্যাতনের জন্য অনুশোচনাও করে।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ওটা শাসন। নির্যাতন নয়। শাসন করার পর সব বাবামাই আদর করেন। কিন্তু নির্যাতন হবে তখনই যখন মাত্রাতিরিক্ত শাসনের পর আদর না করে অবহেলা করা হয় বা একই ধরণের নির্যাতনমূলক আচরণ বার বার, ক্রমাগত করা হয়। যেমন - সামান্য কারণেই সন্তানকে মারা, বার বার মারা, মাকে মারা, ইত্যাদি। ধন্যবাদ।

৩২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১১

Midnight Memories বলেছেন: আমি কিছু বুজতে চাই না তোকে স্কুলে প্রথম হতেই হবে।।।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: এবং না পারলে মার, বিশ্রী ভাষায় গালি। মাকেও গালি। ধন্যবাদ।

৩৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: আলপনা তালুকদার,




আপনার অধিকাংশ পোস্টই সচেতনতামূলক । এটাও তার ব্যতিক্রম নয় । চমৎকার বিশ্লেষণ ।
কিন্তু দুঃখটা কি জানেন ? আমরা এগুলো শুধু পড়েই যাই, শুনেই থাকি অথচ প্রয়োগের বেলাতে একটা পা-ও বাড়াইনে ।

প্রাসঙ্গিক হতে পারে জেনে সাথের লিংকটি দিলুম ----“টীনএজার” দের সামলাবেন কি করে ? ( হাউ টু ম্যানেজ টীনএজারস ? )[link||view this link]

শুভেচ্ছান্তে ।


০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। জ্বি, সবসময় আমরা ভাল কথা শুনিনা। তবে তাই বলে লেখা বন্ধ করা যাবেনা। মানুষ একবার পড়লেও উপকার। কারণ মস্তিষ্ক সেটার ছাপ মেমোরীতে রেখে দেবে সেভ করে। কখনও না কখনও আপনার মনের অজান্তেই আপনাকে সেগুলো করতে অনুপ্রাণিত করবে। লিংকটির জন্য বাড়তি ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৩৪| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:১০

পবন সরকার বলেছেন: অতিরিক্ত পড়ার চাপঃ বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থারয় সৃজনশীল পদ্ধতি, পিএসসি, জেএসসি পরীক্ষা, অতিরিক্ত পাঠ্য বই ও গাইড বই পড়ার চাপ, প্রাইভেটের চাপ, পরীক্ষার চাপ, ভর্তি পরীক্ষার তীব্র প্রতিযোগিতা ইত্যাদি কারণে আমরা ছেলেমেয়েদের সারাক্ষণ পড়তে বাধ্য করি যা ওদের প্রতি মানসিক নির্যাতন। আমরা ওদের খেলার, বিনোদনের সময় দেইনা।

কথাগুলো বাস্তব সত্য।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৩৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২১

মিঃ আতিক বলেছেন: আমার ধারনা সৃজনশীল চালু হওয়ার পর থেকেই দেশে ব্যাপক হারে প্রশ্ন ফাঁস হওয়া শুরু হয়েছে, যেটা আগে ছিলোনা। অনেক শিক্ষিত বাবা মা এখন নিজের সন্তানকে পড়াতে পারেন না, যে কারনে শিক্ষায় ব্যয় বেড়েছে, শিক্ষা পন্যে পরিনত হয়েছে এক শ্রেণীর শিক্ষক নামের ব্যাবসায়ী দের কাছে। এই পদ্দতির সুদুর প্রসারী ফল কি আসবে জানিনা তবে আপাতত শিক্ষা বাবস্থা ধংসের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হয়েছে চোখ বুজে বলা যায়।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি, ঠিক। ধন্যবাদ। এ সংক্রান্ত আমার আরেকটি লেখার লিংক দিলাম। ভাল থাকুন।
http://www.somewhereinblog.net/blog/alponatalukder/30196962

৩৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৩৯

মোঃ খুরশীদ আলম বলেছেন: দরকারি পোষ্ট, আশা করি সকলের কাজে লাগবে। এ ধরনের আরো চাই।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি, চেষ্টা করব। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৩৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বেশ গুরুত্ব পূর্ণ কিছু উঠে এসছে ; চমৎকার পোষ্ট এর জন্য ধন্যবাদ ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:০৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ আপা। ভাল থাকুন।

৩৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:২৬

মামুন ইসলাম বলেছেন: চমৎকার এই লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:২৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। ভাল থাকুন।

৩৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:২৯

মেঘনা পাড়ের ছেলে বলেছেন: ব্যাতিক্রমকে আপনি সার্বজনীন হিসেবে নিয়েছেন। তাহলে একটা কাজকি করা যায়, সব সন্তানকে বাবা-মা থেকে বিচ্ছিন্ন করে এর চাইতে ভালো কোন পরিবেশে রাখা আরকি।

খুব হার্সলী বলতে চেয়েছিলাম, অনেক কস্টে নিজেকে সামাল দিয়ে যথাসম্ভব ভদ্র ভাবে বললাম।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন:

আমাদের দেশে প্রচুর ছিন্নমূল, পথশিশু আছে যারা অবহেলা, নানারকম অপরাধ ও নির্মম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে রোজ। এদের বেশীরভাগের বাবামা নেই। বা বাবা ছেড়ে চলে গিয়ে আবার বিয়ে করেছে। হতদরিদ্র এসব শিশুদের মায়েরা লোকের বাসায় কাজ করে বা কোন অপরাধমূলক কাজ করে অতিকষ্টে এসব শিশুদের লালন করে। বেশীরভাগ পরিবার, যারা এসব শিশুদের ভরণপোষণ করতে পারেনা তারা সন্তানদের শিশুশ্রম করাতে বাধ্য হয়। ফলে এসব সন্তানেরা সাবিনা বা রাজন হয়। আর আশি ভাগ পরিবারে মা ও শিশুরা বাবা দ্বারা ( কখনও বাবার পরিবারের অন্য লোক দ্বারাও) শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হয়। আমার ধারণা এদেরকে ভাল কোন পরিবেশে রেখে পড়াশোনা করালে এরা ভাল থাকবে, ভাল কিছু হতে বা করতে পারবে, প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হবেনা।

বাংলাদেশে একটা পরিবারও নাই যারা ছেলেশিশু প্রত্যাশা করেনা। প্রায় সব পরিবারে মেয়েশিশুর চেয়ে ছেলে শিশুকে বেশী প্রাধান্য দেয়া হয়। এটা মেয়েদের প্রতি মানসিক নির্যাতন। প্রতিটা শাশুড়ী মেয়েকে ভালবাসেন, কিন্তু ছেলের বউকে দেখতে পারেন না। এটা ছেলে ও ছেলের বৌ উভয়ের প্রতি মানসিক নির্যাতন।

এখন শিক্ষাব্যবস্থা এমন হয়েছে যে সব অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে শিশুদেরকে পড়ার জন্য অতিরিক্ত চাপ দিচ্ছেন যা ওদের প্রতি মানসিক নির্যাতন। যেমন -

১। পিএসসি-জেএসসি পরীক্ষা প্রবর্তন : পিএসসি-জেএসসি - এ দুটো পাবলিক পরীক্ষা প্রবর্তনের ফলে এদুটো পরীক্ষার ফলাফলের গুরুত্ব শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে বেড়ে যাওয়ার কারণে ভাল ফলের আশায় বাধ্য হয়ে অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের প্রাইভেট পড়াচ্ছেন, তাদের অতিরিক্ত পড়ার চাপ দিচ্ছেন। সন্তানদের নিয়ে শিক্ষকদের বাসায় বা কোচিং এ ধর্ণা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাদের সময় ও অর্থ দুটোরই অপচয় হচ্ছে, শিশুরা নির্যাতিত হচ্ছে, শিক্ষক ও গাইড ব্যবসায়ীরা ফুলেফেঁপে উঠছেন।

২। ক্লাসে শিক্ষকদের ঠিকমত না পড়ানো : এখন ক্লাসের পড়ায় ছেলেমেয়েরা ভাল করতে পারছেনা। কারণ শিক্ষকরা ইচ্ছে করে ক্লাসে ঠিকমত পড়ান না। পড়ালে ছাত্ররা তাদের কাছে প্রাইভেট পড়বেনা। ঠিকমত না পড়ানোর কারণে শিক্ষার্থীরা পড়া বোঝেনা, রেজাল্ট খারাপ করে। তাই তারা বাধ্য হয়ে প্রাইভেট পড়ে। এতে তাদের খেলার সময় নেই।

৩। সৃজনশীল পদ্ধতি চালু : সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হওয়ার কারণে অভিভাবকরা এ পদ্ধতি বোঝেন না। তাই নিজে আর ছেলেমেয়েদের পড়াতে পারেন না। এই না পারার কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বে, বাধ্য হয়ে প্রাইভেট পড়ান।

৫। ভর্তি পরীক্ষা: ভাল নম্বর না পেলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগই দেয়া হয়না। এখন তো আবার ভাল নম্বর পেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে একবারের বেশী ভর্তি পরীক্ষা দিতে দেয়া হয়না। আগে দ্বিতীয় বিভাগ পাওয়া ছাত্রও বুয়েটে চান্স পেয়েছে যেটা এখন অসম্ভব। তাই যেকোন মূল্যে ভাল নম্বর পাওয়াটা অনিবার্য। আর ভাল ফল বা নম্বরের জন্য প্রাইভেট না পড়ে উপায় নেই।

বাংলাদেশের সব ভাল স্কুলগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা না দিয়ে কোন শিশু ভর্তি হতে পারেনা। অর্থাৎ স্কুলে আসার আগেই শিশুকে অনেক কিছু শিখে আসতে হয় যা তার স্কুলে আসার পরে শেখার কথা। এতে তাদের মেধার উপর চাপ পড়ে। এটা অমানবিক নির্যাতন।

৬। প্রশ্ন আউট বা ভাল ফলের নিশ্চয়তা: এখন ভাল ফলাফল নির্ধারণ করে টাকা। অর্থাৎ টাকা খরচ করে স্কুলের শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট পড়ালে শিক্ষকরা পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন বলে দেন, বেশী নম্বর দেন। ফলে রেজাল্ট ভাল হয়। প্রাইভেট না পড়লে ভাল নম্বর পাওয়া যায়না। রেজাল্টও ভাল হয় না। একারণে যারা প্রাইভেট পড়েনা তারা হতাশায় ভোগে। আর পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন আউট করে শিক্ষক ও কোচিং সেন্টারগুলো। ফলে প্রশ্ন আউটের কারণে পড়েও শিক্ষার্থীদের ভাল ফল করার সম্ভাবনা কম।

হার্সলি কমেন্ট না করার জন্য অনেক কস্টে নিজেকে সামাল দিয়েছেন, এজন্য আপনার প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। সরি। ভাল থাকুন। ধন্যবাদ।

৪০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৫৭

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: মূল সমস্যা মূল্যবোধের

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:২৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: "প্রতিটা শিশুর সামাজিকীকরণের প্রথম প্রতিষ্ঠান হল তার বাড়ী, তার পরিবার। এটিই তার আচরণ, মূল্যবোধ, ধারণা, বিশ্বাস, নৈতিকতা, সাহস, শিক্ষা.. ইত্যাদির ভিত্তি তৈরী করে দেয়। এই ভিত্তিই তার সারাজীবনের আচরণের মূল চাবিকাঠি। এখান থেকে সে যা শিখবে, সারাজীবন সে তাইই করবে। পরিবারে সে ভাল কিছু শিখলে সে ভাল হবে, নাহলে খারাপ।" ধন্যবাদ।

৪১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৫৯

স্বতু সাঁই বলেছেন: আপনার বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের বস্তিগুলো দেখে নি, দেখলে তাদের বৈজ্ঞানিত তত্ত্বর ধারণা পাল্টে যেতো। কারণ বস্তিতে যে মনমানসিকতা আর বাবা মার গাল মন্দ থেকে যতো নির্যাত আপনি উল্লেখ করেছেন আপনার লেখনিতে তার সব কিছুই তাদের সহ্য করতে হয় এবং ঐ পরিবেশেই তারা বড় হয়ে উঠে। কিন্তু তাদেরকে দেখি নি তারা ভীতু, দুর্বল প্রকৃতির হয়। বরং তাদের সাহস আপনার ইংরেজ বিজ্ঞানীদের চেয়ে শতগুণ বেশী হবে, কম তো আবশ্যই না। এদেরকে যদি অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করা যায়, যেমন আপনার ইংরেজ বিজ্ঞানীরা পেয়ে থাকেন তাহলে এই সব বস্তির ছেলে মেয়েরা আপনার ইংরেজ বিজ্ঞানীদের মেধা গুণের তাদের বাপের বাপ হবে। আর একটা কথা আপনাকে বলে নেই, কিছু সার্ভে রিপোর্ট দ্বারা কোন বিষয় প্রমান হয় না, শুধু অনুমান প্রতিয়মান হয় বলে বিবেচিত হয়। তাই মনোবিজ্ঞানীর কোন তথ্য প্রমানীত বলাটা মানুষের সাথে প্রতারণা করার সামিল। লিখার সময় এসব বিষয় অবশ্যয় খেয়াল রাখবেন। সামু কর্তৃপক্ষ এই পোস্ট স্টিকি করেছে বলে আকাশে উড়ে বেড়িয়েন না। সামুর কাছে এ পোস্ট মানযোগ্য হতে পারে আমার কাছে তা নয়। কারণ অনেক ভুল তথ্যে ভরা এই পোস্ট। যার দুই একটা এখানে উল্লেখ করছি।

বাংলাদেশে শতকরা ৮০ ভাগ নারী তার নিজ গৃহে অতি আপনজন দ্বারা নির্যাতিত। তারমানে এই আশি ভাগ নারীর সন্তানেরা প্রতিনিয়ত মাকে নির্যাতিত হতে দেখে। এসব কলহপূর্ণ পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুরা ভয়, দুশ্চিন্তা, কষ্ট নিয়ে বড় হয় যা তাদের প্রতি বাবামা দ্বারা মানসিক, কখনও কখনও শারীরিক নির্যাতন।

আপনার মাথায় সব সময় নারী নির্যাতনের বিষয়টি ঘুরপাক খেতে থাকে, যার ফলে শিশু নির্যাতনের উপর লিখতে গিয়েও আপনি সেই প্রসঙ্গকে টানে এনেছেন। আসলে এটা আপনাক একটা মানসিক রোগ। গবেষণ বিষয়ক কিছু লিখতে হলে অকেক কিছু যাচাই বাছাই করে লিখতে হয়। এক দেশের তথ্য আর এক দেশের তথ্যের সাথে নাও মিলতে পারে। সেসব দিক বিবেচনা করে তারপর গবেষণামূলক প্রবন্ধ লিখতে হয়। আপনার এই পোস্টা কপি পেস্টের মতো হয়েছা, যেমন ইংরেজ মনোবিজ্ঞানীরা তাদের দেশের মানুষের উপর সার্ভে করে তাদের মতো করে তথ্য দিয়েছে। যা আপনি বাঙালীর সাথে মেলাতে চেয়েছে। তা কি মেলে। ওরা বরফের দেশের লোক, আর আমরা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের লোক। ওদের দেশে যেসব বৃক্ষ জন্মায় আমাদের দেশে সেসব বৃক্ষ লালন করা সম্ভব না। এসবও লক্ষ্য রাখতে হয় গবেষণামূলক প্রবন্ধ লিখতে হলে। লিখুন তবে আরো গভীরে ঢুকে নিরভুলভাবে লিখুন তাহলে সকলের উপকারে আসবে। ধন্যবাদ, শুভকামনা রইলো।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:২৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আমি যে আশি ভাগের কথা বলেছি তাতে নিম্ন, মধ্য, উচ্চবিত্ত সব পরিবার ও ওসব পরিবারের শিশুদের কথা বলা আছে। শুধু বস্তির শিশুদের কথা বলিনি।

"এসব কলহপূর্ণ পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুরা ভয়, দুশ্চিন্তা, কষ্ট নিয়ে বড় হয়"। অর্থাৎ এই অনুভূতিগুলো নিয়ে বড় হতে হতে পরে এক এক শিশুর মধ্যে এক এক ধরণের প্রবণতা তৈরী হয়। যেমন কোন কোন শিশু শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠিত হয়, কেউ অপরাধী হয়, আবার কেউ নেশাগ্রস্থ হয়। বড় হয়ে কোন শিশু কি হবে, সেটা আগে থেকে পৃথিবীর কোন বিজ্ঞানীই বলতে পারেন না।

আমার মাথায় সব সময় নারী নির্যাতনের বিষয়টি ঘুরপাক খেতে থাকে -  আপনি আমার শিক্ষা বিষয়ক লেখাগুলো পড়লে এমন কথা বলতেন না। যাইহোক, যার যার বিবেচনা তার তার কাছে। আমি কিভাবে লিখি, সেটা আমার বিবেচনা। আপনার পছন্দ হয়নি, সেটা আপনার বিবেচনা। তবে যেকারো ভাল নাই লাগতে পারে। আবার অনেকেরই হয়তো ভাল লাগবে।
আর সামু আমার লেখা কেন স্টিক করেছে, সেটা তারাই জানে। আমি তো আর তাদেরকে স্টিক করতে বলিনি।

শুভকামনা রইলো আপনার জন্যও।

৪২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৫৯

gazi salah uddin বলেছেন: আলপনা তালুকদার বলেছেন: অপ্রিয় সত্য। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:২৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৪৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৩৯

শায়মা বলেছেন: বকা ঝকা মার ধোর, কড়া শাসন এসব নিয়েই নাকি বেড়ে উঠেছিলেন আমাদের মা বাবা বা তারও বাবা মা দাদা নানারা আর তাই আজও অনেকেই সেটাই বেড়ে ওঠার মূল মন্ত্রনা মনে করেন। বাবা মায়ের মৌখিক বা শাররিক নির্যাতন এসব নাকি সন্তানকে সুপথে চলবার, দিক নির্দেশনার সঠিক পন্থা। এটা অলিখিত সত্য যে শিশু, কিশোর বা বড় বাচ্চাদেরও সঠিক পথে চলবার, দিক নির্দেশনা দেবার সর্বোপোরি তাদের শিক্ষা, দীক্ষা, সভ্যতা, ভব্যতা সকলি শিক্ষার শুরু তার পরিবার থেকেই। বাবা মাই তার প্রথম ও প্রধান শিক্ষক। তবুও ধৈর্য্য, সহনশীলতা ও বুঝিয়ে দেবার বদলে মানষিক বা শাররিক নির্যাতন মোটেও সুফলদায়ক নয় আর আজ আর কাম্য তো নয় বটেই।

আর বাবা মায়ের নিজেদের মাঝে কলহবিবাদ, ব্রোকেন ফ্যামিলীর নানা সমস্যা এসব যে একটা বাচ্চাকে কোন মানষিক চাপে ঠেলে দিতে পারে তা ভুক্তভুগীরাই একমাত্র জানেন। এই ধরনের পরিবেশ থেকে একজন সন্তানের বখে যাবার সম্ভাবনা ৯০% । কিন্তু একই সাথে এটাও সত্য বাবা মায়ের অসুস্থ্য সম্পর্ক কি বছরের পর বছর তারা জীইয়ে রাখবে সন্তনারে কথা ভেবেই? তাতে কি তারাও তাদেরকে নিজেদেরকেই নির্যাতন করবে না? সন্তানকে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ বুঝিয়ে বলা এবং সেই অনুযায়ী কি করে সন্তান সুযোগ্যতার সাথে পরিবেশ থেকে এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে নিজেকে শুদ্ধ করে গড়ে তুলবে তার শিক্ষা দেওয়া। এইক্ষেত্রে বাবা মা দুজনের অবদান থাকা উচিৎ হলেও যে কোনো একজনই যথেষ্ঠ বলে আমি মনে করি।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:০৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপা। খুব ভাল বলেছেন

পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা, শ্রদ্ধা, মতের মিল না থাকলে তারা মিউচুয়াল ডিভোর্স নেয়। সন্তানরাও এটাকে সহজভাবেই নেয়। আমাদের সামাজিক ব্যবস্থায় তালাককে সামাজিক মর্যাদা হানিকর বলে মানা হয়। তাছাড়া আমাদের অধিকাংশ নারীরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী নয়। একা বাস করা, চলাফেরা করা নারীর জন্য নিরাপদও নয়। তাই আমাদের দেশের নারীরা শত নির্যাতন, কলহ সত্ত্বেও স্বামী ছাড়তে চায়না। ফলে মা ও সন্তান উভয়ে কষ্টে থাকে। তবে এখন মেয়েরা স্বাবলম্বী ও সচেতন হচ্ছে। হয়তো অবস্থা ধীরে ধীরে বদলাবে। ভাল থাকুন আপা।

৪৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৩৯

হাসনাইন হাসনাত বলেছেন: https://goo.gl/mrbjxK
এই পোস্টটায়ও কি আপনার মতামতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:১০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: কিছুটা। ধন্যবাদ।

৪৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৪৪

সৈয়দ মেহবুব রহমান বলেছেন: আপনার এই পোষ্টের জন্যই শুধু সামহোয়্যারইন ব্লগে লগইন করলাম , মনমতো একটা পোষ্ট ,
ভালো লাগলো ও অতিপ্রিয় সত্য যে লাইনগুলো -

" আমরা ওদের খেলার, বিনোদনের সময় দেইনা। আগে পরীক্ষার পর ছেলেমেয়েরা আত্মীয় বাড়ি বেড়াতে যেত। এতে তাদের বিনোদন, আবেগিক, মানসিক, সামাজিক বিকাশ হতো। এখন ওরা পরীক্ষার পরের দিন থেকেই প্রাইভেট পড়ে। ফলে ওরা আত্মকেন্দ্রিক ও অমানবিক হয়ে গড়ে উঠছে। আমরা সবসময় পড়ার বিষয়ে সন্তানদের সামনে অন্য বাচ্চার তুলনা করি, নিজের সন্তানের দোষ ধরি, সমালোচনা করি, জোর করে নিজের মত ওদের উপরে চাপাই, পারিবারিক কোন বিষয়ে ওদের মত নেইনা,.. এগুলো সবই ক্ষতিকারক ও নির্যাতন।"

"কোন কোন বাবামা অতি প্রশ্রয়, অতিরিক্ত টাকা, মোবাইল, এসব দিয়ে সন্তানকে উশৃংখল বানান। সন্তানের অপরাধকে উপেক্ষা করেন। (যেমন আমিন জুয়েলারসের মালিকের ছেলে।)এতেও সন্তানের ক্ষতি হয়।'

"আমাদের অভিভাবকরা মনে করেন, বিয়ের জন্য ছেলের শিক্ষা, স্টেটাস বা উপার্জনটাই মূখ্য। নিজের আর্থ-সামাজিক অবস্থানের সমতূল্য বা বেশী হলেই মেয়ে সুখে থাকবে। মেয়ে তাকে পছন্দ করে কিনা, তার সাথে মানসিকতা মেলে কিনা - এসব দেখার দরকার নেই। অনেক ফালতু অজুহাতে ছেলেদেরকেও বাধ্য করা হয় অপছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে।"

এগুলোর লালন নেই বলে বন্ধুত্বের আত্বিক সম্পর্ক অনেক আগেই চলে গেছে , ডিভোর্স বাড়ছে , নারীকে সম্মান শিখছেনা বর্তমান জেনারেশন , নারী-পুরুষের প্রেম ও আত্বিক সম্পর্ক চেন্জ হয়ে প্রফেশনাল ও অনলি এনজয় নির্ভর হচ্ছে , বাবা-মা-আত্বীয়তে দুরত্ব হচ্ছে ,,,

ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৪৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন ভাই। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৪৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৪৫

স্বতু সাঁই বলেছেন: যেমন কোন কোন শিশু শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠিত হয়, কেউ অপরাধী হয়, আবার কেউ নেশাগ্রস্থ হয়।

নিরবাস, আনুশাহরা বস্তির সন্তান না। তাদের একজন জঙ্গী হয়েছিলো, আর একজন নেশায় পাড়-মাতাল ছিলো। মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে সুস্থ হয়ে এখন গায়িকা হয়ে অনেক সুনাম অর্জন করেছে। দুধ যে পাত্রে রাখা যায় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। কিন্তু দুষিত পাত্রে রাখলে দুধ নষ্ট হয়ে যায়। এটা বুঝলেই যথেষ্ট।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৫৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: এবার ঠিক বলেছেন এবং আমার সাথে একমত হয়েছেন। আমিও তাই বলেছি।

"দুধ যে পাত্রে রাখা যায় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। কিন্তু দুষিত পাত্রে রাখলে দুধ নষ্ট হয়ে যায়।" - অর্থাৎ বাবামা চাইলে সন্তানকে নির্যাতন করতে পারেন, আবার চাইলে তারাই আদর ভালবাসা দিয়ে মানবিকবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরী করতে পারেন। ধন্যবাদ।

৪৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:১৬

স্বতু সাঁই বলেছেন: আমার কথা না বুঝে নিজে নিজে সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টা করেছেন। বাবা মা সন্তানের পাহাদার নয় যে সারাক্ষন সন্তানকে পাহারা দিয়ে রাখবে। সন্তানকে সারাক্ষন পাহারা দিলে ওকে খাওয়াবে কে? পড়াশুনার খরচ বহন করবে কে? আরওৃগভীরে ঢোকার চেষ্টা করে তাহলে আমার কথার মর্মার্থ বুঝতে পারবেন।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: পৃথিবীর কোন বাবামাই সারাক্ষণ সন্তানকে পাহারা দিতে পারেন না। সেটা সম্ভবও বয়। তবে তাদের লালনপালন, আদর সোহাগ, যত্নের মধ্যেই কখনও বুঝিয়ে, কখনও শাসন করেই সন্তানকে মানুষ করতে হয়। তাই পারিবারিক, সামাজিক,রাষ্ট্রীয়, সবখানেই শিশুর জন্য অনুকূল পরিবেশ থাকা জরুরী। তবে বাবামার ভূমিকাই মূখ্য। আর সবাইকে আপনার মত অত বুদ্ধিমান ভাবেন কেন? মানুষ কি অল্প বুঝদার হতে পারেনা? ধরে নিন আমি বোকার হদ্দ। আর আমার চেয়েও বোকারা আমার লেখাকে ভাল বলছে, স্টিক করছে! ধন্যবাদ।

৪৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:২২

স্বতু সাঁই বলেছেন: আমি আমার মন্তব্যে আমার মতামতের কথা বলেছি। আমি নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করি নি। আপনি অকারণেই তাঁদেরকে আমার সাথে তুলনা করতে গিয়ে তাঁদেরকে হেয় করছেন। আর স্টিকির ব্যাপারে আমি বলেছি, সামুর কাছে এই পোস্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়েছে বলে স্টিকি করেছে,আমার কাছে ততোটা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয় নি কারণ অনেক দ্বান্দ্বিক তথ্যে ভরা এই পোস্ট, যার ফলে বাবা মাকে হেয় করা হয়েছে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৩৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: বাবামা হেয় হবার মত কাজ করলে হেয় হবেনা? আট বছর ধরে সৎ বাবা মেয়েকে রেপ করেছে, আর মা সব জেনেও চুপ করে ছিল। বাবা মা এমন হলে শুধু হেয় কেন, তাদেরকে কেউ খুন করলেও আমি অখুশী হবনা।

যাইহোক। আপনার মত আপনার কাছে, আমার মত আমার। এ বিষয়ে আর কথা বাড়াতে চাচ্ছিনা। ভাল থাকুন।

৪৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৩১

বাকরখানি বলেছেন: ভাল বলসেন।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৩৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৫০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৩৯

প্রোলার্ড বলেছেন: আগে যৌথ পরিবারে থাকার ফলে ছেলেমেয়েদের মধ্যে সামাজিক, আবেগিক, নৈতিক, মানবিক ইত্যাদি বিকাশ হয়েছে।

০ যৌথ পরিবার ভাল নাকি একক পরিবার ? যৌথ পরিবার বিলীন হয়ে যাবার কারণ কি যেটার অভাবে ছেলেমেয়েদের মধ্যে সামাজিক, আবেগিক, নৈতিক, মানবিক ইত্যাদি বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:০৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: যৌথ পরিবার ভাল। এখনও মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, শিশুর মানসিক, ভাষা ইত্যাদির বিকাশের জন্য অনেক মানুষের মধ্যে থাকলে বিকাশটা দ্রুত ও ভাল হয়। বিভিন্ন কারণে আমাদের যৌথ পরিবার ভেঙ্গে গেছে। উন্নত বিশ্বেও তাই। তবে তারা বেশী মানুষের সাথে মেলামেশার সুবিধাটা বোঝেন বলেই তারা বাচ্চাদের নিয়ে নিয়মিত পার্কে যান, ডেকেয়ারে দেন, হলিডেতে বাইরে বেড়াতে নিয়ে যান, তিন/সাড়ে তিন বছর বয়সে স্কুলে দেন। ধন্যবাদ।

৫১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৪২

স্বতু সাঁই বলেছেন: আপনি সংখ্যাতত্ত্ব বুঝেন না। বুঝেন না বলেই হটকারী কথা বলেন। সংখ্যা গরিষ্ঠ তখনই হয় যখন পঞ্চাশ শতাংশের উপরে একজন হয়। কম হলে সংখ্যা লঘিষ্ঠ বলে। সেখানে এক বা দুইজন অপরাধ করলে সেটা কখনও উদাহরণ হয় না। যদি একই অপরাধ সংখ্যা গরিষ্ঠ ব্যক্তি করে তাহলে ঐ অপরাধের জন্য ঐশ্রণীর ব্যক্তিরা অপরাধীর উদাহরণ হয়। কোন কিছু লিখতে হলে এসব মাথায় রাখতে হবে। হটকারীর মতো লেখনী কখনও সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না। সমাজ যদি পরিবর্তন করার এতই শখ থাকে তাহলে ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে লিখুন। তাহলে সমাজটা কিছুটা হলে ভালোর পথে এগিয়ে যাবে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:১৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আমি আশি ভাগ পারিবারিক নির্যাতনের কথা বলেছি। সেটা কি অধিকাংশ নয়? আর শতভাগ শিশুরা এখন ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার কারণে রাতদিন পড়ার চাপে মামসিক নির্যাতন সহ্য করছে যা তাদের মেধা ও মনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সেটা কি সংখ্যালঘিষ্ঠ? আর ঘুষ দূর্নীতি নিয়ে কি আমি লিখিনি? আপনার চোখে না পড়লে কি করার আছে? তবু যাতে আপনার চোখে পড়ে সেজন্য আমার এ লেখা থেকে কিছুটা অংশ তুলে দিলাম যেখানে ঘুষ, দূর্নীতির কথা বলা আছে -

"২। বাবামার অসৎ চরিত্রঃ

বিজ্ঞানীররা প্রমাণ করেছেন যে, মানুষের আচরণের জন্য দায়ী তার জিন ও পরিবেশ। বাবামা ও শিশুর চারপাশের পরিবেশ ভাল হলে সন্তান ভাল হবে। আর বাবামা অপরাধী ও পরিবেশ খারাপ হলে শিশুও অপরাধী বা খারাপ হবে।

বাবামার অসৎ চরিত্র সন্তানদের মানসিক ক্ষতি করে সবচেয়ে বেশী। বাবামা পরকীয়া করলে, ঘুষখোর, দূর্নীতিপরায়ন, অপরাধী হলে, বাবা একাধিক বিয়ে করলে, নিকট আত্মীয়দের দেখাশোনা না করলে, বৃদ্ধ বাবামাকে অবহেলা করলে সন্তানরাও তাই শেখে। ওদের সামনে কোন গুরুজনদের সমালোচনা বা মিথ্যে বদনাম করলে শিশুরা আপনার প্রতিও শ্রদ্ধা হারাবে, তাদের আচরণে সে অশ্রদ্ধা প্রকাশ পাবে। বৃদ্ধ বয়সে তারা আপনাক ঐশীর মত খুন করবে। অথবা বৃদ্ধাশ্রমে বা কোন মসজিদের বারান্দায় ফেলে রাখবে।"

আপনার আর কোন মন্তব্যের জবাব আমি দেবনা। ধন্যবাদ।

৫২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৪৩

হিমাংসু বিপ্লব বলেছেন: ভালো বলেছেন তবে আপনার যে মহৎ উদ্দেশ্য তা কয় জনে বুঝে তাদের সন্তানের সাথে সেই আচারণ করবে তা নিএ আমার বেস সন্দেহ রয়েছে ঃ? কথা গুলো সত্য এবং আমার পছন্দ ও হয়েছে তবে ১০ পাঠকের ৯ জন এ এটা বুঝেও কিছু করতে পারবে না :( লেখকের মহৎ উদ্দেশ্য তাদের মনের ভেতর কে পরিবর্তন করতেও পারবেনা হয়ত

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:২১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: পারবে। মানুষ একদিনে পরিবর্তনকে গ্রহণ করেনা। সময় লাগে। ধীরে ধীরে নিশ্চয় হবে। আমি আশাবাদী। ধন্যবাদ।

৫৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:২৮

স্বতু সাঁই বলেছেন: আপনি ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে যা লিখেছেন তা কিছুই না। এসব নিয়ে অনুসন্ধান করুন তারপর লিখুন।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:০১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: .

৫৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৩০

প্রোলার্ড বলেছেন: উন্নত বিশ্বেও তাই। তবে তারা বেশী মানুষের সাথে মেলামেশার সুবিধাটা বোঝেন বলেই তারা বাচ্চাদের নিয়ে নিয়মিত পার্কে যান, ডেকেয়ারে দেন, হলিডেতে বাইরে বেড়াতে নিয়ে যান, তিন/সাড়ে তিন বছর বয়সে স্কুলে দেন।

০ উন্নত বিশ্বে এমনও নজির আছে যে ,এক মা তার মেয়ে আরেক স্টেটে থাকে বলে মেয়েটিকে প্রতিদিন ফোন করেন । মেয়ে মায়ের এই উদ্বিগ্নতা পছন্দ করতো না । কোন এক কারণে (ফোন না ধরতে থাকায়) সেই মা নিজের স্টেটের এক পুলিশকে পাঠালো তার মেয়ের বাড়িতে খবর আনতে যেতে । এটাতে মেয়ে তার মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করে দিল যে মা তার প্রাইভেসী নষ্ট করেছে। (এটা যায় যায় দিন এ পড়েছি)

এমনও খবর তো আমরা জানতে পারি যে মা ঘরে টিভি দেখতে দেখতে মারা গেছেন , ৬ মাস পর খবর হয়েছে । (এমনটা জার্মানীতে/ ইউরোপের কোন একদেশে হয়েছে - নেটে জেনেছি)

বাবা মাকে ওল্ড হোমে পাঠিয়ে দেওয়া , বয়স আঠারো পার হলেই স্বাধীনভাবে লাইফ লিড করা - এসব তো আপনার সেই উন্নত বিশ্বের উন্নত আচরণ , বাংলাদেশের মানুষ তো তাদেরকে অন্ধের মত অনুসরণ করে । ফলে যা হবার তাই হচ্ছে - যে বাবা মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে দাদা দাদি , চাচা-ফুফুদের থেকে দূরে রাখছে সেই সন্তানেরাই তাদের বাবা মাকে তাদের বৃদ্ধ বয়সে ওল্ড হোমে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

পরম শ্রদ্ধেয় বাবা মাকে তো আমাদের বাংলাদেশী মুসলমান সমাজে বোঝা ভাবা হত না ! বরং তাদের সুপরামর্শ সবসময়ই মাথা পেতে নেওয়া হত । থুত্তুরে বুড়ো হয়ে গেলেও বাবা বা মায়ের কোন একটা ভাল কথা সন্তানেরা ফেলতে সাহসও করতো না। দেখা যেত যে ডজন খানেক নাতিপুতির দাদা হয়েও , ছেলেরা ব্যবসায়ী বা চাকুরে হলেও সেই বাবাই পরিবারের হেড।

উন্নত বিশ্ব তথা ইউরোপ আমেরিকার লোকেরা বেশী মানুষের সাথে মেলামেশার সুবিধাটা যদি বোঝেন তাহলে তারা কি ওল্ড হোম বন্ধ করে বাবা মাকে সাথে রাখছেন ? ননদ দেবরদেরকে নিয়ে এক সাথে থাকার সেই পুরনো থিমে ফিরে আসছেন ? বাইরের লোক আর আপন লোকের কি এক হয় ?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:০১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ভাল বলেছেন। আমি কিন্তু ছোটবেলার কথা বলেছি। মানে আঠার বছর হবার আগে। আঠার বছর হলে ধরে নেওয়া হয়, তার আর কারো সহযেগিতা দরকার নেই। আমাদের দেশেও তাই। তবে ছোটবেলায় শিশুদের বিকাশ দ্রুত হয়,তখন তারা একা থাকলে বা অল্প মানুষের মধ্যে থাকলে বিকাশ কম হয়।

আপনার কথা ঠিক। বাইরের লোক আর আপন লোক এক নয়। কিন্তু ওরা ওটাতেই অভ্যস্ত। আর আমরা বাবামাকে ওল্ড হোমে রাখাটাই অপরাধ মনে করি। আমি অবশ্য যৌথ পরিবারকেই সবদিক থেকে ভাল মনে করি। ধন্যবাদ।

৫৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৫০

মোঃ তানজিল আলম বলেছেন: ব্রেকিং নিউজঃ
সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে চলে গেলেন সামহোয়্যারইন ব্লগের সম্মানিত মডারেটর "কাল্পনিক ভালোবাসা"


আজ সকাল ১১ টায় ল্যাব এইডে তিনি নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন) কিছুদিন ধরে তিনি চিকন গুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ল্যাব এইডে ভর্তি হন।
গতকাল সন্ধ্যায় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে আজ সকালে ডাক্তার তাকে া৳ত ঘোষণা করেন। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:০৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ৫৫ নম্বর মন্তব্যের নিউজটি ভুয়া ওটা না পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। সেই সাথে এ বিষয়ে মডুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

৫৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:১০

প্রোলার্ড বলেছেন: আঠার বছর হলে ধরে নেওয়া হয়, তার আর কারো সহযেগিতা দরকার নেই। আমাদের দেশেও তাই।

0 মারাত্মক ভুল ধারণা এটি । এই সময়টাতেই বরং আরও বেশী বেশী নজরদারি + খবরদারির উপর রাখা উচিত । যারা মিসগাইড করে , অপরাধ জগতে টেনে নেয় বাবা মায়ের এতদিন ধরে লালন পালন করা ছোট্ট শিশুকে তারা এই বয়সটাকেই টার্গেট করে । আপনার মত বিদুষী নারীকে বিষয়টা ব্যাখ্যা করে বলে বোঝানোর দরকার নেই , চারপাশ বা নিজেদের দিকে তাকালেই দেখবেন।

যে বয়সে মনে করা হয় যে সন্তানদের আর সহযোগিতার দরকার নেই সেই বয়সটাই আসলে সন্তানদের জন্য সবচেয়ে ভালনারেবল/বিপদজনক।

পদার্থের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্টই হল তার সবচেয়ে দূর্বল পয়েন্ট।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:২৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনি কিসের ভিত্তিতে এমন কথা বলছেন আমি জানিনা। আমাদের দেশে আঠারো বছর বয়সী কোন ছেলেমেয়েকে টার্গেট করে মিসগাইড করা সম্ভব বলে আমি মনে করিনা। এ বয়সে ছেলেমেয়েরা সাধারণত ভার্সিটিতে পড়ে বা কোন না কোন কাজে নিয়োজিত হয়ে যায়। অপরাধ জগতে যারা শিশুদের টেনে নেয়, তারা আরও কম বয়সী শিশুদের নেয় যারা প্রতিরোধ করতে পারবেনা, যাদের বিবেচনাবোধ কম। বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে নেশা করা, বখে যাওয়ার বয়সও আঠারোর কম। আমাদের সব ধরণের বিকাশ আঠার বছর হলে পূর্ণ হয়ে যায়। তখন তাকে পূর্ণাঙ্গ মানুষ ধরা হয়। তার নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারবে, এমনটা ধরে নেয়া হয়। একারণেই ভোটার হবার বয়স আঠারো।

তবে যারা ধর্মীয় নানা ভুল মতবাদ বিশ্বাস করে বিপথে যায়, তারা সংখ্যায় দু'চারজন এবং এরা জেনেশুনেই যায় বেহেশ্তের লোভে।
মানে এ বয়সে বিপথে গেলে বাবামার কিছু করার নেই। কেউ জেনেশুনে বিপথে যেতে চাইলে বাবামা আটকাতে পারেন না। কারণ তখন তাদেরকে বুঝিয়ে ভাল পথে রাখার মত মানসিক অপরিপক্বতা থাকেনা। ধন্যবাদ।

৫৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪০

কানিজ রিনা বলেছেন: আলপনা সমাজ সচেতনতায় তোমার লেখা
গুল এত যুগউপযোগী বলার কিছু পাইনা।
প্রতিটি সুষ্ঠ পরিবারই একটি সুস্থ সমাজের

অবকাঠামো সুষ্ঠ সমাজ গুলই সুষ্ঠ রাষ্ট্র।
ভিষন সুন্দর লেখা দেশও দশের জন্য।
তুমি এলেখাটাই আবার ছোট ছোট করে
দিবা পর্ব বাই পর্ব তাহলে সবাই মনে রাখবে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৩০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপা। জ্বি, আপনার পরামর্শ মনে রাখবো। ভাল থাকুন।

৫৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১৯

এম এম রহমান টিয়া বলেছেন: অসাধারন লেখনি আপুনি

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকুন।

৫৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২০

প্রোলার্ড বলেছেন: আমাদের দেশে আঠারো বছর বয়সী কোন ছেলেমেয়েকে টার্গেট করে মিসগাইড করা সম্ভব বলে আমি মনে করিনা।

০ বিশ্ববিদ্যালয়ে পোলাপান অস্ত্র হাতে ধরা শেখে কি আঠারো বছর বয়সের আগে? নেতাদের মনোরন্জনে ছাত্রীদেরকে পাঠানো হয় কি আঠারো বছর বয়সের আগে ? ভার্সিটিতে যাবার পর লক্ষ্ণী ছেলে বা মেয়েটি আর লক্ষ্ণী থাকে না ।

যতদিন মা বাবার বা পরিবারের গাইডেন্সে থাকে ততদিন পোলাপান ডিরেইলড হয় না , সেটা আগেও হতে পারে যেমনটা ঐশী/ফারিয়ার ব্যাপারে আমরা জেনেছি।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন:

তাহলেতো আপনার কথামত ছেলেমেয়েদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পাঠানো যাবেনা। বাবামার আঁচলের তলায় রেখে দিতে হবে। আপনার ধারণা সঠিক নয়। এখন স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা ( যারা অধিকাংশ বাবামার কাছেই থাকে) বা আঠারো বছরের কম বয়সীরাই প্রেম, শারীরিক সম্পর্ক ও রাজনীতিতে জড়ায়। তারই ধারাবাহিকতা দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে।

"যতদিন মা বাবার বা পরিবারের গাইডেন্সে থাকে ততদিন পোলাপান ডিরেইলড হয় না" - আপনার এই কথাটাও পুরোপুরি ঠিক না। বাবামার গাইডেন্সে থেকেও প্রচুর ছেলেমেয়ে বখে যায়। সেজন্যই বলছি, বাবামার জানতে হবে, সন্তানদের সাথে কোন কোন আচরণগুলো করা যাবে, কোনগুলো নয়। ধন্যবাদ।

৬০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৮

প্রোলার্ড বলেছেন: বাবা মা সন্তানের সবসময়ই ভাল চান । অন্য কেউ এর চেয়ে বেশী করতে পারবে না ।

শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে যে

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: শাসন আর নির্যাতন এক জিনিস নয়। বাবামা সবসময় ভাল চাননা। চাইলে কোন বাবা বউবাচ্চা ফেলে বা মা স্বামী সন্তান ফেলে আবার বিয়ে করতে পারতো না। যাইহোক, ধন্যবাদ।

৬১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৪৭

আমি ইহতিব বলেছেন: Good Parenting পৃথিবী তে সবচেয়ে কঠিন কাজ। নিজে মা হওয়ার পর বুঝতে পারি আমাদের মা বাবা কতটা কষ্ট করে আমাদের বড় করেছেন। হয়ত তাদের অনেক ভুল ছিল, কিন্তু আমাদের ভালোর জন্য তাদের প্রচেষ্টা ছিলো নিরন্তর। তাদের ভুল থেকে, নিজের জ্ঞানের পরিধি অনুযায়ী, আশেপাশের অনেকের অভিজ্ঞতা ও ভুল থেকে দেখেও চেষ্টা করি ভালো মা হওয়ার। আফসোস সব সময় পারিনা। নিজের আবেগ ইমোশনকে সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব কঠিন।
সুন্দর একটি বিষয়ে লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৫০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ এবং সফল মা হবার জন্য দোয়া রইলো। আমাদের সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।

৬২| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২৭

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ। বিশ্লেষনধর্মী পোস্টটি সুন্দর। তবে শিরোনাম, হ্যাঁ এই পোস্টের শিরোনাম: বাবামাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশী

জিজ্ঞাসারা মাথার ভেতরে এলোমেলো ছন্দহীন ছুটে চলে। আপত্তি না থাকলে একটু বলি! সন্তানকে তাহলে আদর করেন সবচেয়ে বেশি কে? বাবা মা এই দু'জন ব্যতিত পৃথিবীর বাকি মানুষজন?

স্নেহ-মায়া-ভালবাসা-সোহাগ, যা পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রেখেছে, এগুলো মানুষ প্রথম কার নিকট থেকে শিখে থাকে? অবশ্যই কি বাবা মায়ের সৌজন্যে নয়?

তালুকদার, ভাল থাকুন।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৫১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খুবই ভাল বলেছেন। পৃথিবীতে বাবামাই সন্তানের সবচেয়ে বড় আশ্রয়, বাবামার কারণেই সন্তানের জন্ম, তাঁদের অক্লান্ত যত্ন, পরিশ্রম ও ভালবাসায়ই সন্তান বড় হয়, বেঁচে থাকে। তাই এই বাবামার কাছেই সন্তান ও মানুষের প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশী। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

সমস্যাটা হচ্ছে বাবামার কিছু কিছু ত্রুটিপূর্ণ, অসৎ আচরণ সন্তানের কষ্টেরও কারণ। সন্তানকে ফেলে যখন বাবা বা মা নিজের কথা বেশী ভাবেন, সন্তানকে ত্যাগ করেন, সন্তান নির্যাতিত হচ্ছে বা হয়েছে বা হতে পারে জেনেও তার প্রতিকার করেননা, তখন তাদের কষ্টটাও অন্য মানুষের দেয়া কষ্টের চেয়ে হাজারগুণ বেশী হয়। তবে কিছু সন্তান তবু ভাগ্যবান, তাদের কষ্ট কিছুটা কম। এদের বাবা বা মা কোন একজন নির্যাতন করলে অন্যজন সন্তানকে রক্ষা করেন। কিন্তু সেসব সন্তানরা সবচেয়ে দূর্ভাগা যাদের বাবা ও মা দুজনেই সন্তানকে ত্যাগ করে। আর কিছু বাবা মা না বুঝে সন্তানের সাধ্যের অতিরিক্ত পড়া বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেন যা নির্যাতন। ধন্যবাদ।

৬৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:০৬

রিএ্যাক্ট বিডি বলেছেন: na

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৩০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:১২

কুর্‌সি বকুল বলেছেন: কোন মা বাবাই তাদের সন্তানদের নির্যাতন করে না। বা সেটার মানুসিকতা রাখে না। কিন্তু তাদের ব্লগে উল্লেখিত আচরণ নির্যাতন, যা তারা কখনোই বুঝতে পারে না।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৩৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেকে বুঝতে পেরেও করে বা সন্তানকে রক্ষা করেনা। যেমন আট বছর ধরে সৎ বাবা মেয়েকে রেপ করেছে, আর মা সব জেনেও চুপ করে ছিল। এটা জেনেশুনে নির্যাতন নয়? আবার বাবা বা মা সন্তান কষ্ট পাবে জেনেও কি দ্বিতীয় বিয়ে করেনা? সন্তানকে ছেড়ে যায়না? ধন্যবাদ।

৬৫| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৩৮

বিজন রয় বলেছেন: সবার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে-আদরে।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি দাদা, কোন সন্তানই যেন কষ্টে না থাকে। ধন্যবাদ।

৬৬| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৩৫

রওশন_মনি বলেছেন: অসাধারন,অসাধারন, অসাধারন লিখেছেন।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৫৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ আপা। ভাল থাকুন।

৬৭| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:১৮

শৈবাল আহম্মেদ বলেছেন: লেখাটিতে যথেষ্ট জ্ঞান আছে। তবে কিছু বিষয় স্পষ্ট বোঝা গেল যেমন, রাজনীতি সকলেই করতে পারে কিন্তু রাজনৈতিক জ্ঞান ৯৯ জন মানুষেরই থাকেনা। তেমনি অন্য প্রানীদের মত মানুষও সন্তান নিতে পারে কিন্তু ৯৯ জন পিতামাতা নিজেরাই জানেনা সভ্যতা,শৃঙ্খলা,নীতি,আদর্শ,সৎ,অসৎ,অপরাধ,দুর্নীতি ইত্তাদীর কথা। তারা বহু অপরাধ ও দুর্নীগুলোকে স্বাভাবিকভাবে মেনে চলে এবং প্রত্যেকেই নিজেকে ভাল বা নিরাপরাধ মানুষের ন্যায় সমাজে উপস্থাপন করে। যেসব চরম আবেগ ও ইগু ছাড়া-সুস্থ মস্তিস্কের কর্ম নয়। ফলে এসব পিতামাতার সন্তান পুরা এদের মতই অসৎ হয় ও নিজের কর্মগুলোকে স্বাভাবিক মনে করে ভাল মানুষের কায়দায় সমাজে পথ চলতে শেখে। এসবের লৌকিক ব্যাখ্যা করলে দেখা যায় ৯৯ জনই এখানে চরমভাবে মানশিক রোগে ভুগছে।

যুক্তি মতে,এদেশের ৯৯ মানুষই সন্তান নিতে পারেনা। কেননা তারা নিজেরাই অসৎ ও ডিসিপিলিন বোঝেনা। ফলে তাদের প্রভাব অবশ্যই সন্তানের উপর পড়ে সমাজটাকে দুষিত,অসভ্য ও উশৃঙ্খল সৃষ্টি করে চলেছে।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:২৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ভাল বলেছেন। আমরা যত বড় অপরাধাই করিনা কেন, আমরা মনে করি আমরা সৎ। আর সন্তান খারাপ হলে মাকে দোষ দেই। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, আমাদের সন্তানেরা প্রতিনিয়ত আমাদেরকে অনুকরণ করেই বড় হয়। তারমানে আমরাই আমাদের সন্তান, সমাজ, দেশকে অপরাধের স্বর্গ বানাচ্ছি। আগে আমাদের নিজেদের চরিত্র ঠিক হওয়া দরকার। তাহলে আমাদের সন্তান, সমাজ, দেশ এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।

৬৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:২৩

কাল্লে জাকোলা বলেছেন: আপনি অনেক ভাল লেখেছেন।
ফিনল্যান্ডের শিশুরা মনের আনন্দে পড়াশোনা করে।
বাবামা তাদের শাসন করার দরকার দেখেন না।
স্কুল থেকে আমাদের সবকিছু শেখায়। বিনয়সহ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভাল বলেছেন। আপনার কথার প্রেক্ষিতে আমার শিক্ষা বিষয়ক একটি লেখার কিছু অংশ তুলে দিলাম -

"শিশুদের যাতে স্কুল ও পড়াভীতি তৈরী না হয় সেজন্য প্রথম ছয় বছর খেলাধুলা, ছবি আঁকা, গল্প করা, নাচ, গান এসব করানো হয় উন্নত দেশগুলোতে। পরীক্ষাভীতি শিশুদের শেখার আগ্রহ নষ্ট করে। তাই ফিনল্যান্ডে স্কুলে যাবার পর প্রথম ছয় বছর কোন পরীক্ষা হয়না। ১০ বছর পর শিশুরা প্রথম বড় ধরণের কোন পরীক্ষা দেয়।

মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, বিরতিহীন শেখার চেয়ে বিরতিসহ শেখালে শিক্ষার্থীরা ভাল শেখে। তাই জাপানে শেখার মাঝখানে বাধ্যতামূলক বিরতি, এমন কি, কোন কোন স্কুলে ঘুমানোর সুযোগও আছে। শিশুরা বাবা মার সঙ্গ ও বাবামার সাথে দুপুরের খাবারের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য সেভাবে স্কুলের সময় স্থির করা হয় ফ্রান্স ও মেক্সিকোতে। শিক্ষার কোন স্তরে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে হয়না। বেলজিয়ামে দশ বছর পর্যন্ত কোন হোমওয়ার্ক দেয়া হয়না। পৃথিবীর সব উন্নত দেশে পড়ার চাপ কমাতে সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম চালানো হয় পড়ার সমান গুরুত্ব দিয়ে।"

ভাল থাকুন।

৬৯| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:২৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
তথ্য ও তত্ত্বের দারুন সমন্বয়ে
বিশ্লেষনধর্মী লেখাটির জন্য
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
যদিও কোন পিতা মাতাই চায় না
তাদের সন্তান খারাপের তকমা পড়ে
বেড়ে উঠুক, তবুও তাদের গাফিলতিতে অনেক সময়
ছেলে মেয়ে বখে যায়। তবে যথা সময়ে সরকার শিশুদের
দ্বায়িত্ব নিলে বাবা-মায়েদের ভাবতে হয় না। কিন্তু সরকার কি তা চায়?
দ্বায়িত্ব নিলে

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ভাল বলেছেন। সরকারের দায়িত্ব অনেক। সমাজের মানুষ অন্যায় করে পার না পায়, সবক্ষেত্রে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যেমন তার দায়িত্ব, তেমনি শিশুর ক্ষমতা বা সামর্থ্যের অতিরিক্ত কোনকিছু শিখতে বাধ্য করাও উচিত না। আবার তাদের চাকরীর ব্যবস্থা করাও তারই কাজ। আর যাদের কাজ দিতে পারবেনা, তাদের বেকারভাতা দেওয়া উচিত, যাতে তারা হতাশ হয়ে অপরাধে না জড়ায়। ধন্যবাদ।

৭০| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪০

এ আর মানিক বলেছেন: আপনার সময় উপযোগী লেখা পড়ে, অন্ধকারের মাঝে কিছুটা আলো দেখতে পাচ্ছি। প্রকৃতিগত ভাবে শিশুর বেড়ে ওঠা এবং শিশুর মেধা বিকাশে কোন ভাবে বাধাগ্রস্থ হতে দেয়া উচিৎ নয়।আপনার মুল্যবান লেখা পড়ে আমি অনেক কিছু শিখতে পারলাম। দোয়া এবং শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে ভাল লাগলো। আমাদের সবার এই বোধ হওয়া খুব জরুরী। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা শিশুদের বিকাশের জন্য মোটেই সহায়ক নয়। যত দ্রুত এর সংস্কার হয়, ততই ভাল। ধন্যবাদ। শুভকামনা আপনার জন্যও। ভাল থাকুন। আর ভাল থাকুক এদেশের প্রতিটা শিশু।

৭১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৬

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: উপকারি পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

০৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ এবং শুভকামনা - ভাল থাকুন।

৭২| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:১৬

নাইট রাইটার বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট। তবু অনেকে এখনো মনে করে সন্তানদের রাখতে হয় লাঠির ওপরে।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:০৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: শাসন করা ও সন্তানকে আদর, ভালবাসা, তদারকি দিয়ে আগলে রাখা জরুরী। সবসময় মারা উচিত না। সন্তান লালন পালনের জন্য মারই একমাত্র উপায় - এই ধারণাটা ঠিক নয়। অনেক ধন্যবাদ।

৭৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৩:০৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কথার হেড লাইন এমন না হলেও পারতো।
বাবা মার ভালবাসা কখনও বা নির্যাতনের মতো মনে হতে পারে
অশিক্ষিত বাবা মার জন্য কিছুটা প্রযোজ্য হতে পারে
গরীব অনুন্নত দেশেরে জন্য হতে পার
কিন্তু সারা বিশ্বের জন্য মেনে নিতে পারছি না.............

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৭:৫৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আমি বাংলাদেশের কথা বলেছি, সারা বিশ্বের কথা বলিনি। আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

৭৪| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৭:২৫

অজানা তীর্থ বলেছেন: আমাদের সমাজে প্রেম করার অপরাধে মেয়েদেরকে বাবামা, ভাই, চাচারা পিটিয়ে তক্তা বানায় যা কোন সভ্য সমাজে ঘটেনা।
প্রেম নিয়ে খুব একটা কথা বলবো না, তবে এই যে সভ্য সমাজের কথা বললেন না মানতে পারলাম না। একটা ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া মেয়ে-ছেলে আরো দশজনের সামনে (শিক্ষক/সহপাঠী) খোলা মেলা একে অন্যের সাথে অলিঙ্গন করবে, চুম খাবে, সিগারেট খাবে, ক্লাবিং করবে, দারু খেয়ে মাতলামি করবে, আর মা বাবা কিছুই কইনা। এইরকম একটি সভ্যজাতি চীন। আশা করছি আপনার ছেলে-মেয়ে এমন হোক একজন বাঙ্গালী হিসেবে আপানি চান কিনা জানিনা তবে আমার মতে আপনার লেখা কথা বলে।
আর ম্যাডাম চীনরা এমন এক জাতি যারা নিজেদের সভ্যতাকে হাইব্রিড করেনা। আমার দেশের সংস্কৃতির সাথে প্রেম যাইনা, আপনি কেন উদাহরণ হিসেবে অন্য সভ্যতার কথা আনছেন?
আর আপনার লেখার মধ্যে কোন সামাঞ্জস্য খুঁজে পাইনা, প্রথমত লেখার টাইটেল।
বাংলাদেশে শতকরা ৮০ ভাগ নারী তার নিজ গৃহে অতি আপনজন দ্বারা নির্যাতিত।
এই কথার রেফারেঞ্চ টা দিবেন। ধন্যবাদ এবং শুভকামনা থাকল - ভাল থাকবেন।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৭:৫৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আমাদের সমাজে অবাধ মেলামেশাকে পাপ ধরা হয়। আমি অন্য সমাজের উদাহরণ টেনেছি এজন্য যে, তাদের সমাজে এটা কোন পাপইনা। আর একই অপরাধে কোন ছেলেকে মেরে তক্তা বানানো হয়না। মেয়েরা কি একা প্রেম করে? এটা মেয়েদের প্রতি নির্যাতন।

আশাি ভাগের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। লিংক দিলাম।
http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/993219/বিবাহিত-নারীদের-৮০-শতাংশ-নির্যাতনের-শিকার

http://m.bdnews24.com/bn/detail/bangladesh/1221480

৭৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:১৮

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: সচেতনতামুলক শিক্ষণীয় পোস্ট।


ধন্যবাদ বোন আলপনা তালুকদার।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৫২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনি এত পরে কেন? যাইহোক। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৭৬| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৯

ঘাসফুলে প্রজাপতি বলেছেন: ভালো লিখেছেন

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:০৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৭৭| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:০৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৭৮| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:১৩

সালমান মাহফুজ বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণধর্মী লেখা । বক্তব্যগুলো জোরালো ।


তবে মূল সমস্যাটা বোধহয় সমাজব্যবস্থায় । বাবামা সর্বদা সন্তানের উপর যে খবরদারিত্বমূলক আচরণ বজায় রাখে, এটাকে আমাদের সমাজ একধরণের অধিকার হিসাবে দেখে । এবং এই অধিকার যে যতটুকু ফলাচ্ছে ততটুকু তার তার পিতৃত্ব এবং মাতৃ্ত্বের শক্তি । ফলে একধরণের প্রতিযোগিতায় চলে ।

আর সাইকোলজিক্যালি ডমিনেন্ট করার প্রবণতা তো আমাদের পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ রাষ্ট্র ও রাজনীতি সবখানে ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়েছে !

বালকবয়স মানবজীবনের সবচে গুরুত্বপূর্ণ সময় ; অথচ এই বয়সেই আমাদের শিশুরা সবচে বেশি অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার ।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:২৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ঠিক। ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৭৯| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫১

এস ওয়াই গ্লোবাল এলটিডি বলেছেন: আপনার এই পোস্টই সচেতনতামূলক ।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:০৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি, কিছু অপ্রিয় সত্য কথা বলার চেষ্টা করেছি যা আমরা মানতে চাইনা। ধন্যবাদ।

৮০| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৪

এস ওয়াই গ্লোবাল এলটিডি বলেছেন: আপনার এই পোস্টটি সচেতনতামূলক পোস্ট।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:১০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৮১| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৬

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: শিশুরা দেখে শিখে- ব্যাপারটা বাবামা তথা অভিভাবকদের মাথায় রাখতে হবে। ধন্যবাদ সুন্দর পোস্ট'টির জন্য।

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি। সবচেয়ে বেশী দেখে শেখে বাবামাকে। তাই তাঁদের সৎ, চরিত্রবান, বিনয়ী, মানবিক হওয়া বেশী প্রয়োজন। অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন।

৮২| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০৭

করুণাধারা বলেছেন: আপনি যে বিষয় নিয়ে পোস্ট দেন তা বিস্তারিত এবং সুচিন্তিত ভাবে লিখিত। পোস্টে বিভিন্ন দিক থাকে যা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করা যায়। এখন আমি লেখাপড়া নিয়ে কিভাবে আমরা সন্তানদের নির্যাতন করি তার একটি উদাহরণ দেই। আমার সন্তানদের পড়াতে বসলেই আমার মেজাজ খারাপ হত। অংক না বুঝলেই মারতাম, অথচ এছাড়া আমি কোনদিন তাদের মারা দূরে থাক বকাও দেই নি। অধিকাংশ মা বাবাই নিজেদের হতাশা, রাগ, দুঃখ ভুলতে সন্তানদের।নির্যাতন করেন। খুব সত্যি।কথা।


চমৎকার এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। ++++++

০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনারা নিজেদের সমস্যাগুলো বুঝতে পারছেন, এটা যে আমার জন্য কত বড় আনন্দের, তা বলে শেষ করা যাবেনা। বুঝতে পারছি, আপনারা আমার লেখা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েন। এভাবে ধীরে ধীরেই মানুষের ভাবনা পরিবর্তিত হবে।
আবারো ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৮৩| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:৪৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: উন্নত দেশে অত্যাচারী বাবা-মা‘র শাস্তির আইন অাছে।অযোগ্য বাবা-মা‘র কাছ থেকে সন্তানদের নিয়ে যায় রাষ্ট্র।এশিয়া ও আফ্রিকার বেশীরভাগ দেশেই এই পদ্ধতি নাই।বিশেষ করে হিন্দু ও মুসলিম দেশগুলিতে সন্তানদের ক্রীতদাস হিসেবে ভাবে অভিভাবকরা,যাদের উপর ইচ্ছামতো বর্বরতা চালানো যায়।

০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:১৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খুবই সত্যি কথা। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৮৪| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:১২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: চমৎকার এই পোস্টে মন্তব্য দিতে কিছুটা দেরী হয়ে গেলো। সন্তানকে সামাজিক এবং পারিবারি শিক্ষা দেয়ার অর্থ যে নির্যাতন নয়, এই ধারনাটি আমাদের দেশে নেই বললেই চলে। আমি খুব কাছে থেকেই দেখেছি বাবা মায়ের সুসম্পর্কের অভাব, পারিবারিক কলহ সন্তানের উপর কি ভয়ানক প্রভাব বিস্তার করে।

যাইহোকঃ ৫৫ নাম্বার কমেন্টে একজন আমার মৃত্যু সংবাদ দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করেছেন। আসলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে অনেক মানসিক বিকারগ্রস্ত লোক আমাদের দৃষ্টি সীমার আড়ালে থাকে। যাদের সহজে চিহ্নিত করার সুযোগ শুধুমাত্র তাদের হঠাৎ কোন একটা কাজের মাধ্যমেই পাওয়া যায়। যেমন দেখুন যারা শিশুদের ধর্ষন করে,পেটের ভেতর বাতাস ঢুকিয়ে শাস্তি দেয়- এই মানুষগুলো কিন্তু সমাজে দীর্ঘদিন ধরেই বাস করে আসছে। এই সব বিকারগ্রস্ত মানুষকে আমরা হঠাৎ ই চিহ্নিত করেছি। এইক্ষেত্রেও ব্যাপারটি তাই।

ধন্যবাদ আপনাদের। যারা প্রকৃত বিষয়টি বুঝতে পেরে বিভ্রান্ত হন নি।

০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৫৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ভীষণ খুশী হলাম দেখে যে দেরীতে হলেও আপনি আমার পোস্টে খুবই জরুরী কিছু কথা বলেছেন। আর আরেকটা বিষয় আমি খুব হতাশ হয়ে লক্ষ্য করি, যার কারণ আমি বুঝতে পারিনা। কিছু নারী ও পুরুষ, তাদের সাথে একেবারেই সম্পর্কহীন বিষয়েও ঈর্ষা, রাগ, ক্ষোভ বা বিরূপ মত প্রকাশ করেন। তিনটা উদাহরণ দেই -

এক: একদিন আমাকে গাড়ী চালাতে দেখে এক লোক ( যে মাঠে ঘাস কাটছে) বিরূপ মন্তব্য করল। আমার টাকায় কেনা গাড়ী আমি চালাচ্ছি। তাতে তার রাগ, বিরক্ত হবার কোন কারণ নেই।

দুই: আমার মেয়েকে জেএসসি পরীক্ষার হলে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছি। তিন ঘণ্টা বসে থাকতে হবে। তাই কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছি। সুন্দর একটা শাড়ী পরেছি। রোজই নতুন নতুন শাড়ী পরে মেয়ের হাত ধরে যাই। মাকে দেখতে সুন্দর লাগে, সবাই সেটা বলে। তাই দেখে মেয়ে খুশী হয়। এক মা আমাকে দেখে টিপ্পনী কাটলেন,"মনে ফুর্তি কত! গান শোনা, সাজগোজের বাহার ছুটেছে!" আমি গান শুনলে বা সাজলে ওনার সমস্যা কি?

তিন: আমার লেখা প্রথম পাতায় স্টিক হওয়াতে কিছু মানুষ নেগেটিভ কমেন্ট করেছে। লেখার মান খারাপ হলে বা বক্তব্য পছন্দ না হলে নেগেটিভ কমেন্ট করা দোষের কিছুনা। কিন্তু প্রথম পাতায় আাসা নিয়ে আপত্তি করাটা কি উচিত? আবার কিছু মানুষকে দেখি, ক্রমাগত অন্যের লেখাতে নেগেটিভ কমেন্ট করে। মানে নেগেটিভ কমেন্ট করাটাই তার স্বভাব।

আমি বোঝার চেষ্টা করেছি, এর কারণ কি। আমার মনে হয়, তারা এটা করে ঈর্ষা থেকে এবং তারা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের হতাশার কারণে এটা করে। আপনি ঠিক বলেছেন। আমাদের সমাজ বিকারগ্রস্ত, হতাশ, নিষ্ঠুর ও হিংসুটে মানুষে পরিপূর্ণ। তারই কিছু কিছু প্রমাণ মাঝে মাঝে প্রকট হয়ে সামনে আসে। গতকাল থেকে বিশ্বজিতের ভয়ার্ত মুখ, রক্তাক্ত শরীর, বাঁচার প্রাণপণ চেষ্টা যেমন দেখছি, তেমনি দেখছি মানুষরূপী কিছু হিংস্র জানোয়ারের বিভৎস ভয়ংকর চেহারা। বিচারের কথা নাই বললাম। ভাল থাকুন।

৮৫| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:০৯

বাবুরাম সাপুড়ে১ বলেছেন: জীব -জন্তুদের মধ্যে সবথেকে পারভার্টেড মাইন্ড এবং কাজকর্ম হচ্ছে মানুষের (মানে সংখ্যার শতাংশের হিসাবে ) ।

০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:০২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।

৮৬| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৩

ওসেল মাহমুদ বলেছেন: সন্তানকে সামাজিক এবং পারিবারি শিক্ষা দেয়ার অর্থ যে নির্যাতন নয়, এটা ও বুঝতে হবে ! বাবামা সর্বদা সন্তানের উপর যে খবরদারিত্বমূলক আচরণ তাও কিন্তু নয় !

০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:০০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: নির্যাতন আর শাসন এক নয়। সব বাবামাই সন্তানকে শাসন করেন। কিন্তু শাসনের নামে মাত্রাতিরিক্ত কঠোরতা, নিপীড়ন
ও অবহেলা নির্যাতন।

"বাবামা সর্বদা সন্তানের উপর যে খবরদারিত্বমূলক আচরণ করেন তাও কিন্তু নয় !" ঠিক। আট বছর ধরে বাবা মেয়েকে মাঝে মাঝে রেপ ( নির্যাতন) করেছে। আবার ঐ মেয়েই এসএসসি পাস করলে অফিসের কলিগদেরকে খুশী হয়ে মিষ্টিও খাইয়েছে। মেয়েকে ভালবাসেনা, এমন বাবামা নেই। কিন্তু এই মেয়েকেই প্রেম করার অপরাধে কখনও কখনও মেরে তক্তা বানায় বা স্বামীর নির্যাতন সহ্য করে সংসার করতে বাধ্য করে বাবামা। পরীক্ষায় ফলাফল খারাপ করলে বাবামা মাঝে মাঝে এত গালি দেন যে সন্তান আত্মহত্যা করে। শাওনকে বিয়ে করার আগে হুমাযূন আহমেদ তাঁর আগের পক্ষের সন্তানদের খুবই যত্ন করতেন.....। ধন্যবাদ।

৮৭| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৯

মোঃ মোফাজ্জল হোসনে বলেছেন: আমি মনে করি এটা একটা সামাজিক সমস্যা। এই সামাজিক সমস্যা কিভাবে প্রায় শূন্যের পর্যায়ে নিয়ে যাওযা যায় এটাই বড় প্রশ্ন? আমার বিশ্বাস অশিক্ষা ও দারিদ্রতাই হয়ত বড় কারণ, ঐ শ্রেণীর মানুষগুলোকে কিভাবে কিছু শিক্ষিত ও দারিদ্রতা থেকে মুক্তি দেয়া যায় তাহা সকলেই আমরা চিন্তা করলে হয়ত শিশু ও নারী নির্যাতনের পরিমাণটা কমবে।

আমি মোঃ মোফাজ্জল হোসেন।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:১৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি, ঠিক। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৮৮| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৩৯

তোফায়েল আহমেদ টুটুল বলেছেন: আপনার লেখায় যদি সমালোচনা করতে যাই তাহলে আমি বলব প্রথমে আপনার " বাবামাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশী"এই খানে যদি আপনাকে প্রশ্ন করি নির্যাতন কাকে বলে আপনি জানেন ?
প্রশ্নটা এজন্য করা যে পৃথিবীতে কোন বাবা মা সন্তানকে নির্যাতন করেন না যেটুকু করেন সেটা শাসন আর সেটা সন্তানের মঙ্গল বৈকি কিছু নয় । বাবা মা প্রতিটি মানুষের নিকট সর্বশ্রেষ্ট এবং সর্বোচ্চ মর্যাদার । আপনি আমি আমরা কেহ তাদের থেকে বেশি কাউকে মর্যাদার আসনে বলতে পারিনা । আপনার লেখায় তাদের সম্মান হানি হয় এটা উচিত বলে মনে করিনা ।
আপনি বাবা মায়ের অবহেলা বলতে পারতেন অথবা বাবা মায়ের ভুল ।
এবার আপনার মূল বক্তব্যে বলতে চাই যে বিষয়টি আপনি উপস্থাপন করেছেন এবং গবেষণার ফসল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন আমি বলব বাঙ্গালী জাতীর জীবনে সেটা শতকরা ১০ ভাগের নিচে পাবেন ।
বাবা মা সন্তানকে পৃথিবীর মুখ দেখায় এবং লালন পালন করে পৃথিবীর বুকে অস্থিত্ব গড়ে তোলে ।
আমরা বাঙ্গালী পারিবারিক জীবন যদি বলতে যাই তাহলে সেখানে আমরা আগে পরিবারের অস্থিত্ব টিকিয়ে রাখতে হবে কেননা ।
শতকরা ৮০ টা সন্তান পরিবারে মানুষ হয় । এবং আমাদের দেশের শতকরা ৮০ টা পরিবারই সয়ং সম্পূর্ণ নয় ।
নিম্মবিত্ত মধ্যবিত্ত উচ্চবিত্ত সকল পরিবারে কলহ থাকবে এটা বাস্তব চিত্র ।
কিন্তু পারিবারিক এই কলহে সন্তানের মানসিক যে বিকাশের কথা বলেছেন তা আপনি নেগেটিভ বিবেচনা করেই বলেছেন ।
আপনি হয়তো জানেন না তা সন্তানের জন্য বেশি ভাগ পজেটিভ।
যদি বলি আমাদের লেখা পড়া থেকে শুরু চরিত্রবান হওয়া স্বপ্ন দেখা সবি মনের মধ্যে জাগ্রত হয় পারিবারিক ছোট খাট কলহের কষ্ট থেকে ।
যেমন ধরেন কারো মাকে যৌতুকের জন্য তালাক দিয়েছে সন্তান বাবার নিকট অবশ্যই সে মায়ের অধিকারের কথা সর্বদা চিন্তা করে নিজেকে সেভাবেই প্রতিষ্টিত করে । অথবা মায়ের নিকট থাকলে মায়ের কষ্ট দুর করতে চেষ্টা করে ।
আবার সংসারের অভাব অনটনে নিজস্ব খরচাবলী বর্জন করে সন্তান মৃতব্যয়ী হওয়া ।
আবার প্রয়োজন অপ্রয়োজন হিসাব নিকাশ করে অর্থ উপার্জন ও ব্যয় করা ।
আমি সর্বাপেক্ষা দিগগুলো তুলে ধরলাম।
মানসিক শারিরিক সব বিকাশই বাস্তবতা থেকে ঘটে । জীবনে দুঃখ কষ্ট প্রতিকূলতার চ্যালেঞ্জ থাকবেই । বাস্তবতাকে আপনি কল্পনা দ্বারা অতিবাহিত করতে পারবেন না ।
কবি সাহিত্যক থেকে শুরু করে বিভিন্ন মুনিষী গবেষক বাস্তবতার তীব্র দহণ জ্বালায় পুড়েই সফলতা অর্জন করেছে ।
আপনি যেটা উপস্থাপন করলেন তাতে বুঝা যায় আজকাল সন্তানগুলো মোমের পুতুল ।
বাবা মা সম্মানের তাদের সম্মান হানি হয় এমন সব পোষ্ট না করাটাই ভাল।
পারিবারিক কলহ সর্বস্তরের মধ্যেই থাকে এগুলো সন্তানের জীবনে অন্তরায় নয় বরং কিভাবে এই প্রতিকূলতায় সন্তান কিভাবে নিজেকে রক্ষা করবে সেটা নিয়ে ভাবুন ।
আপনি হয়তো উপলব্দি করতে পারেননি কখনো যে কারনে পরিবারের আনন্দ বেদনা দুঃখ কষ্ট অভাব পরিবারের সকল সদস্যকে কিভাবে একত্রে এক সুঁতোয় বেধে রাখে ।
মাঝখানে লিখলেন শাশুড়ীগন মেয়েদের যতটা ভালবাসতে পারেন ছেলে বউকে ততটা পারেন না ।
আপনি একটা মেয়ে বলতে পারবেন কেন ?
আমি বলব আজকাল সন্তান নির্যাতিত নয় বরং বঞ্চিত হচ্ছে গুরুজনের নিকট থেকে বাস্তবা শিক্ষার আর এজন্য দায়ী বর্তমানে পরিবার সেটেল হওয়া ।
যেখানে বাবা মায়ে অফিস আদালতে কর্ম জীবনে সঠিক তত্তাবদানের সমস্যা সেখানে কিন্তু ঠিকই যৌথ পরিবারে চাচা ফুফু দাদা দাদী সে দায়িত্ব গুলো পালন করছেন ।
পারলে পরিবারকে আবার একএিত হবার আহ্বান করুন দেখবেন সমাজ দেশ জাতি সব ঠিক হয়ে যাবে।
অনেক লিখলাম আর ভাল লাগছেনা তবুও বলব বাবা মায়ের সম্মান হানি এটা মোটেও ভাল লাগেনি।
আজকাল সন্তান গুলো এমনিতেই বাবা মাকে সম্মান করেনা তার উপর এলেখাটুকু পড়ে আরো তাদের দোষ খুঁজবে ।
সর্বশেষে বলব
@ সমালোচনাতে জ্ঞানীর জন্য থাকে শিক্ষা আর মূর্খের জন্য থাকে তর্ক @




০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন:
আপনার বক্তব্যে যুক্তির চেয়ে আবেগের আধিক্য আছে।

বাংলাদেশ সংবিধানের শিশু আইন ১৯৭৪ এর ধারা-৩৪ হলঃ "যার হেফাজত, দায়িত্ব বা তত্ত্বাবধানে কোন শিশু রয়েছে এরূপ কোন ১৬ বছরের উপর বয়স্ক ব্যক্তি যদি অনুরূপ শিশুকে এরূপ পন্থায় আক্রমন, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন অথবা অরক্ষিত হালে পরিত্যাগ করে অথবা করায় যা দ্বারা শিশুটির অহেতুক দুর্ভোগ হয় কিংবা তার স্বাস্থ্যেও ক্ষতি হয় এবং তার দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় এবং কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে তা হলে উক্ত ব্যক্তি দুবছর পর্যন্ত মেয়াদে কারাদন্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হবেন।"

জন্মদান, লালন-পালন করলেও আমাদের দেশের অনেক বাবামা সন্তানকে
আক্রমন, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন অথবা অরক্ষিত হালে পরিত্যাগ করেন। ফলে অনেক শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ হয়, তার স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হয়, আত্মহত্যা করে, হারিয়ে যায়, বাবামা পরিত্যাগ করার কারণে নির্যাতিত হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় এবং শিশুর মানসিক বিকৃতি ঘটে।

আপনি বলেছেন, আমি যে নির্যাতনের কথা বলেছি তা শতকরা ১০ ভাগের নিচে পাব। এই ১০ ভাগের তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? কোন গবেষণা আছে? আমি যে শতকরা আশি ভাগ নির্যাতনের কথা বলছি, তা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য। আমি নিজে বানাইনি।

আপনি বলেছেন, "আমাদের লেখা পড়া থেকে শুরু চরিত্রবান হওয়া স্বপ্ন দেখা সবি মনের মধ্যে জাগ্রত হয় পারিবারিক ছোট খাট কলহের কষ্ট থেকে। যেমন ধরেন কারো মাকে যৌতুকের জন্য তালাক দিয়েছে সন্তান বাবার নিকট অবশ্যই সে মায়ের অধিকারের কথা সর্বদা চিন্তা করে নিজেকে সেভাবেই প্রতিষ্টিত করে। অথবা মায়ের নিকট থাকলে মায়ের কষ্ট দুর করতে চেষ্টা করে। আবার সংসারের অভাব অনটনে নিজস্ব খরচাবলী বর্জন করে সন্তান মৃতব্যয়ী হওয়া। আবার প্রয়োজন অপ্রয়োজন হিসাব নিকাশ করে অর্থ উপার্জন ও ব্যয় করা।"

তার মানে আপনি মেনে নিচ্ছেন বাবামার দেয়া কষ্টের কারণেই সন্তান বাধ্য হয়ে প্রতিনিয়ত নানাভাবে নিজেকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মানিয়ে চলতে বাধ্য হচ্ছে। অর্থাৎ বাবামা কষ্ট না দিলে সে অনেক আরামে বড় হত। আপনার কথামত কষ্ট দিলেই যেহেতু সন্তান ভাল গুণ শেখে, তাই সবার উচিত হবে সন্তানকে কষ্ট দেওয়া। আমার লেখার উদ্দেশ্য ছিল, বাবামাকে আরো সতর্ক করা যাতে সন্তান কোনভাবেই কোন কষ্টে না পড়ে, সে অনুসারে আচরণ করা। কারণ সন্তান আপনার আশ্রিত, ওরা আপনার উপরেই নির্ভরশীল।

প্রতিকূলতা থাকা আর শাসনের নামে সন্তানের সাধ্যের অতিরিক্ত দায় চাপানো এক কথা নয়। বাবামা শ্রদ্ধার পাত্র। কিন্তু তারাই তাদের সম্মানহানি ঘটাচ্ছে। আট বছর(!!!!!) ধরে বাবা মেয়েকে রেপ করে, আর মা বসে আঙ্গুল চোষে। এমন মাকে কি সম্মান দেয়া যায়? যে বাবামা ২য় বিয়ে, পরকীয়া, অন্যায় করে, যে বাবা বউ-বাচ্চাকে মারে, ছেড়ে যায়, তারা কি সম্মান পাবার যোগ্য?

শাশুড়ী কেন ছেলের বউকে ভালবাসেনা, তার কারণ আমি আমার ব্লগের অনেক লেখাতেই লিখেছি। চাইলে দেখে নিতে পারেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে যৌথ পরিবারের পক্ষে। তবে বাস্তবতার কারণে যৌথ পরিবার টিকে থাকা সম্ভব নয়। আর আপনি বলেছেন, "আজকাল ছেলেমেয়েরা সম্মান করেনা।" আমরা সবাই জানি, সম্মান কেউ কাউকে দেয়না। সম্মান অর্জন করে নিতে হয়। ধন্যবাদ।


৮৯| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৪৮

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: কথাটি অতি সত্য আমরা কিন্তু ছোটবেলায় নিজের পরিবার থেকেই বেশি নির্যাতিত হয়েছি।
ভাল একটি বিষয়ে লিখেছেন। এই লেখাটি দেখে কিছু মানুষ যদি বোঝে।
ধন্যবাদ আপনাকে।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই। আপনি ঠিক বলেছেন। আমরা অনেক সময় না বুঝেই অনেক ত্রুটিপূর্ণ আচরণ করি। ভাল থাকুন।

৯০| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০০

ধমনী বলেছেন: শিরোনামের সাথে একমত নই। ভেতরে কিছু বাস্তব ঘটনাকে তুলে আনা হয়েছে। তবে ঢালাওভাবে বাবা মাকে দোষী করার চেষ্টা- মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশি'র মত।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে, শতকরা আশি ভাগ নারী নিজ গৃহে তার অতি আপনজন দ্বারা নির্যাতিত। কি করি বলুন? অতি আপনজন যদি নির্যাতন করে, তাহলে কার কাছে আশ্রয় চাইব?

পৃথিবীতে বাবামাই সন্তানের সবচেয়ে বড় আশ্রয়, বাবামার কারণেই সন্তানের জন্ম, তাঁদের অক্লান্ত যত্ন, পরিশ্রম ও ভালবাসায়ই সন্তান বড় হয়, বেঁচে থাকে। তাই এই বাবামার কাছেই সন্তান ও মানুষের প্রত্যাশা সবচেয়ে বেশী। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

সমস্যাটা হচ্ছে বাবামার কিছু কিছু ত্রুটিপূর্ণ, অসৎ আচরণ সন্তানের কষ্টেরও কারণ। সন্তানকে ফেলে যখন বাবা বা মা নিজের কথা বেশী ভাবেন, সন্তানকে ত্যাগ করেন, সন্তান নির্যাতিত হচ্ছে বা হয়েছে বা হতে পারে জেনেও তার প্রতিকার করেননা, তখন তাদের কষ্টটাও অন্য মানুষের দেয়া কষ্টের চেয়ে হাজারগুণ বেশী হয়। তবে কিছু সন্তান তবু ভাগ্যবান, তাদের কষ্ট কিছুটা কম। এদের বাবা বা মা কোন একজন নির্যাতন করলে অন্যজন সন্তানকে রক্ষা করেন। কিন্তু সেসব সন্তানরা সবচেয়ে দূর্ভাগা যাদের বাবা ও মা দুজনেই সন্তানকে ত্যাগ করেন। আর কিছু বাবা মা না বুঝে সন্তানের সাধ্যের অতিরিক্ত পড়া বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেন যা নির্যাতন। আবার গরীব বাবামা অনিচ্ছাসত্ত্বেও সন্তানকে কাজ করতে পাঠান যেখানে তারা নির্যাতিত হয়। ধন্যবাদ।

৯১| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৬

শরদিন্দু রূপক বলেছেন: খুব খুব খুব সুন্দর লেখা।ঘ নাম্বারটা দারুণ বলেছেন।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩১

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৯২| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কি বলবো ভাবনায় পড়ে গেলাম। শিরোনাম পড়ে কিঞ্চিত মর্মাহত ।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: মর্মাহত হবার মতই কথা। ধীরে ধীরে আমাদের বিশ্বাসের জায়গাগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। যেদিন সৎ বাবার আট বছর ধরে মেয়েকে রেপ করার খবর পড়লাম, সেদিন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে চাইনি। নিজের গায়ে থুথু দিতে ইচ্ছে হয়েছে যখন জানলাম, মা সব জেনেও চুপ করে ছিল। আগে প্রকাশ্যে কেউ কোন শিশুকে মারলে কেউ না কেউ বাধা দিত। এখন মারতে মারতে মেরে ফেললেও শিশুর আর্তচিৎকারে কারো মন গলেনা। চারপাশে মানুষের এত ভয়ংকর আচরণ দেখে আর কোন কিছুই অবাক করেনা। মনে হয় এটাই স্বাভাবিক। যাইহোক, দেরীতে হলেও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৯৩| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:০৯

নিতাই পাল বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট। আজকালকার সব অভিভাবকদের লেখাটা পড়া দরকার।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:১৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ। আমরা যেকোন জিনিসের নেতিবাচক দিকটা বেশী দেখি। অনেক পাঠক আমার লেখাকে বাবামার 'মর্যাদা হানিকর' হিসেবে দেখছেন। অথচ আমি লিখেছিলাম অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতাবোধ জাগানোর জন্য যা আপনি বলেছেন। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন। ভাল থাকুন - এই শুভকামনা।

৯৪| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ২:৩০

নিতাই পাল বলেছেন: দিদি, আমি আপনার পুরো লেখাটাই পড়েছি। তাই মন্তব্যের বাক্সে লিখলাম। আসলে আমরা অনেকেই লেখকের পুরো লেখা না পড়েই, শিরোনামের ওপর ভিত্তি করে অথবা অন্যজনের মন্তব্য ফলো করেই মন্তব্য লিখে ফেলি; মূলত লেখার ভেতরে প্রবেশ করি না।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:০২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ঠিক। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৯৫| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:৪৭

তোফায়েল আহমেদ টুটুল বলেছেন: ভেবেছিলাম জবাবটা আরো শক্ত ভাবে পাব কিন্তু আবার সেই ভিত্তিহীন ভাবেই পেলাম ।
সংবিধানের কথা উল্লেখপূর্বক যে উদাহরণ দিলেন তা বুঝার ক্ষমতা আপনার জ্ঞানকে প্রশংসা না করে পারলামনা ।
ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ সংবিধানের শিশু আইন ১৯৭৪ এর ধারা-৩৪ হলঃ "যার হেফাজত, দায়িত্ব বা তত্ত্বাবধানে কোন শিশু রয়েছে এরূপ কোন ১৬ বছরের উপর বয়স্ক ব্যক্তি যদি অনুরূপ শিশুকে এরূপ পন্থায় আক্রমন, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন অথবা অরক্ষিত হালে পরিত্যাগ করে অথবা করায় যা দ্বারা শিশুটির অহেতুক দুর্ভোগ হয় কিংবা তার স্বাস্থ্যেও ক্ষতি হয় এবং তার দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় এবং কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে তা হলে উক্ত ব্যক্তি দুবছর পর্যন্ত মেয়াদে কারাদন্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হবেন।"

তাহলে আপনার কথায় বুঝা যাচ্ছে বাবা মা সন্তান জন্ম দিয়ে সরকারের তত্তাবদানে লালন পালন করতে হবে।
আপনি বলেন এই ধারায় বাংলার কত ভাগ জনগন পরবে?
আবারো পরিসংখ্যান দেখালেন শতকরা আশি ভাগ আর আমি কোন গবেষণা ছাড়া বলব তাহলে বাংলাদেশে কোন পরিবার থাকত বলে মনে হয়না ।
যেখানে শতকরা ৮০ ভাগ পরিবার সন্তানদের উপর নির্যাতন করে সেখানে সন্তান পরিবার ছেড়ে কবেই পালিয়ে যেত।
আপনার লেখাতেই আছে বস্তিবাসীর কথা ।
আপনাকে মন্তব্য করার পূর্বে প্রোফাইলটা দেখে ভেবেছিলাম ভিতর কিছুটা জ্ঞানের প্রদীপ থাকতে পারে ।
কিন্তু কমেন্টের উত্তরে লিখলেন "" সম্মান কেউ দেয় না অর্জন করে নিতে হয় ""
এটা বাবা মায়ের বিষয়ে নয় ।
বাবা মাকে সম্মান দিতে হয় ।
যে বাবা তার পরিচয়ে সমাজে সন্তানকে স্বীকৃতি দিয়ে সম্মানে মাথা উচু হয়ে দাড়াতে শিখায় । যে স্বীকৃতি না পেলে আমি আপনি কেউ মানুষের সামনে কথা বলাতো দুরের কথা মাথা তুলে পরিচয় দেয়াই সম্ভব নয় ।
বাবা মাকে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন সম্মান দিতে ।
সুরা বনী ইসরাইল আয়াত ২৩-২৪।
আপনার নিকট আমি প্রশ্ন করেছি শাশুড়ীকে নিয়ে অ্ন্যদের উ্‌ত্তরে আপনি যা বলেছেন আমি সেটা চাইনি । আপনি সেগুলো মানুষের হয়ে দিয়েছেন আর আমি আপনাকে শাশুড়ির জায়গাতে চেয়েছি ।
আপনি জ্ঞানী আফসোছ !
আপনাকে আরো একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি পারলে উত্তর দিবেন
১-আপনি নারী এবং মা ,এবার আপনি বলেন সন্তানের জন্য মা থেকে বড় নিরাপদ স্থান কোথায় ?
২-আপনি বলেন বাবা মা ব্যতীত সন্তানের ভবিষৎ পৃথিবীর কোন মানুষের নিকট সন্তান দাবী করতে পারবে?
৩-আপনি বলেন আপনি আপনার সন্তান ব্যতীত অন্যদের কয়টা সন্তানের দায়িত্ব নিতে পারবেন ?
৪-আপনি বলবেন কয়টা প্রমাণ আপনার নিকট আছে বাবা মা ব্যতীত সন্তানের দায়িত্ব নিয়ে জগতে মহান হয়েছে?
৫-্আপনি বলবেন বাবা মা ব্যতীত সন্তানের জন্য কোন মানুষ শুভাকাঙ্খী রয়েছে
৬-রেপ করা বাবার সংখ্যা সমাজে কত ?
৭-তালাক প্রাপ্তার সংখ্যা কত ?
৮-পরকীয়ার সংখ্যা কত ?
৯-পরিবারের সংখ্যা কত ?
১০-পরিবার যে খারাপ দিকগুলো আপনি বললেন সেখানে সন্তানের কি করণীয় ?
পৃথিবীতে যে ব্যক্তি জন্ম দিল , সম্মানের পরিচয় দিল , জীবন সাজিয়ে দিল , ভবিষৎ গড়ে দিল তারা মানুষ রক্তে মাংসে গড়া মানুষ । তাদের সুখ দুঃখ হাসি আনন্দ বেদনা ব্যক্তিগত পারিবারিক সামজিক আর্থিক কত ধরনের সমস্যা থাকতে পারে এই বাস্তবতা গুলো জীবনের সামনে আসবে সেটা সন্তান কেন সবাই প্রভাবিত হয় ।
স্রষ্টার পর যাদের স্থান তারা সন্তানদের শাসন করলে যদি সেটা নির্যাতন হয় তাহলে সেটা সেই সকল সন্তানদের নিকট যারা সর্বদা অবাদ্য ।
এমন সন্তানদের বলবেন বাবা মায়ের পরিবার ছেড়ে চলে যেতে ।
যে সন্তান বাবার আদর মায়ের স্নেহ নয় বরং তাদের অর্থ সম্পদ শিশুকাল থেকেই হাতাতে চায় তারাই বাবা মায়ের শাসন নির্যাতন মনে করে।
সন্তানের এই অবাদ্যতার পরেও মহান বাবা মা পারেনা সরকারের আইন মেনে নির্ধারতি অর্থ প্রদানে তাদের ত্যাজ্য করতে ।
তাহলে কমিন সন্তানগুলো বুঝতে পারত বাবা মা কি জিনিস ?
আমি যে বললাম সেটা বাংলার প্রতিটি পরিবারের কষ্ট বললাম । আপনি পরিসংখ্যান করে দেখেন ঐ বখাটে সন্তানদের জন্য বাবা মায়ের বুকে কত কষ্ট যন্ত্রণা লুকায়িত রয়েছে ।
সন্তানের ভবিষৎ গগনা নিয়ে আপনার বিজ্ঞান পরিসংখ্যান করেছে বাবা মা নিয়ে করেনি ?

পিতামাতার অবহেলা

সন্তানের মুখে যেন ভাল খাবার জোটে,
দিবা নিশি বেহুশে পিতা উপার্জনে ছুটে।
সম্পদের পাহাড় গড়তে সন্তানের সুখে,
রাখেনি ছেলের খবর নেশা তুলেছ মুখে।
কত স্বপ্ন নিয়ে বাবা ভাবছে নিজের মত,
কলেজ ভার্সিটিতে ছেলে হবে সুশিক্ষিত।

কত কষ্টে সন্তানটাকে জননী পেটে ধরে,
জন্ম দিল পৃথিবীতে দশমাস দশদিন পরে।
শিশুকালে আঘাতে ছুটেছে মায়ের কাছে,
প্রাপ্ত বয়সে সদা মায়ের নিকট বলে মিছে।
কলেজ থেকে ফিরে কখন মা ছিল চঞ্চল,
দেরী কেন হল বাবা আমাকে একবার বল।

মিথ্যা ফুলঝুড়িতে ভরিয়ে দিল মায়ের মন,
ধমকের সুরে বলে তোমার কেন এত শাসন।
যুবতী মেয়েটা চলনে কেমন সন্দেহজনক,
অশালীন পোশাক দেখে পিছনে ঘুরে যুবক।
মিষ্টি প্রেমের প্রলোভনে করিল সতিত্ব হরণ,
কলঙ্কিত সমাজে আজ হারাল বাঁচার স্বপন।

সকালে বাহির হয়ে রাত্রিতে পিতা ফিরে এল,
সন্তানের স্বাধীণতা আটকাবে কে আছে বল?
আজে বাজে কুপথে গমন গড়েছে বন্ধুর দল,
হাতের কলম ছেড়ে দিয়ে তুলে নিয়েছে পিস্তল।
মিছিল মিটং সভা সমাবেশে দাড়িয়ে রাজপথে,
নষ্ট পথের অভিযাত্রী চড়িল জীবনেরর মহারথে।

আল্লাহর উপহার দুনিয়াতে পায় মানব সন্তান,
সঠিকভাবে গড়ে তোলে পিতামাতা হবে মহান।
জবাবদিহি করতে হবে হাশরে দিন বিচার মাঠে,
পিতামাতা মর্যদাবান সন্তাকে দ্বীনের মন্ত্র পাঠে।
পিতা মাতার ছোট্ট ভুলে সন্তান আজ বিপথে চলে,
দায়িত্ব কর্তব্য অবহেলা সকল সন্তান নষ্টের মূলে।

আপনার বিষয়টি ব্লগে আপনি পোষ্ট করার আগেই আমি পরিসংখ্যান পড়েছি । সেটা দেখেই কবিতাটা লিখা ।
তার পরেও আমি বলব বাবা মা সর্বদা সঠিক ।
আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত করুক আমিন ...............

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:১৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আবার যুক্তির পরিবর্তে আবেগ ও কথার বাহুল্য। আপনার মন্তব্যের জবাব দেবার মত ধৈর্য ও সময় নেই। আমি বিচারের ভার পাঠকের জন্য রেখে দিলাম। ধন্যবাদ।

৯৬| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৩৩

তোফায়েল আহমেদ টুটুল বলেছেন: আজকের সন্তান আগামী দিনের বাবা মা । [/sb

আজকের সন্তান কি চায় ? শিশুকালে দেখি মুখে খাবার তুলে দেয়ার জন্য মাকে কত বাহানা করে । সন্তান খাবেনা তো খাবেনা মা কি করবে ? সন্তানের মুখের রুচি ধরে রাখতে কত খাবারের আয়োজন কত স্বাধের রান্না আরো কত প্রচেষ্টা । আবার পোশাকের ক্ষেত্রে মার্কেট থেকে নিত্য নতুন ফ্যশনের জামা কাপড়ে সন্তানের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা । সুস্থতার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা , নিরাপত্তার জন্য পরিবার ও সমাজে সজাগ দৃষ্টি রাখা সবি সন্তানের মঙ্গলের জন্য। সুশিক্ষার জন্য ভাল স্কুলে ভর্তি বাসায় প্রাইভেট শিক্ষক সবকিছুর যোগান ঠিক রাখা । এগুলো করতে বাবা মা নিজের স্বাধ আহ্বলাদ সব বিসর্জন দিয়ে কত কষ্টই না করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত ।
কিন্তু তার পরেও সন্তান বাবা মায়ের পছন্দের পোশাক পড়বেনা । তার পছন্দ মত দিতে হবে । হাত খরচ দিতে হবে মোটা অংকের । প্রতি বিষয়ে আলাদা আলাদা শিক্ষক রাখতে হবে। কত বায়না ধরে বাবা মাকে অসহায় করে তুলছে অশান্তি আর অস্বস্তিতে বিষিয়ে তুলছে বাবা মায়ের জীবন ।
এটা বাংলার ৮০ টা পরিবারের গল্প কোন পরিসংখ্যান নয় আপনি প্রতিটা পরিবার সম্পর্কে খোজ নিয়ে দেখেন ।
সন্তানের চাহিদা পূরণে বাবার নিকট মাকে হতে হয় লাঞ্চিত । মা নিজের স্বার্থ ত্যাগ করে সন্তানের চাহিদা পুরণ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত ।শুধু মাত্র সন্তানের সুখের আশায় ।
বাবার উপার্জন ক্ষমতা মা জানে । সন্তানের পছন্দ মত পোশাক কিনতে বাবার ইচ্ছা থাকলেও সামর্থ হয়না সেখানে মা সংসারের বাজার কমিয়ে সন্তানের চাহিদা পূরণে বাবাকে বাধ্য করছে ।
খেতে বসে বাবা ক্ষুধার্ত পেটে উঠে পড়ে মাকে ধমকের সুরে বলে সন্তানকে এত টাকায় পোশাক কিনে না দিলে কি হত ।
বাবার এই অভিমান মায়ের উপর । সন্তান যদি মনে করে মাকে বা তাকে নির্যাতন করে বাবা তাহলে সেটা সন্তানের ভুল ।
আমাদের বাংলার পরিবারে এমন হাজারো মাকে সন্তানের জন্য বাবার নিকট গালি গালাজ বকা ঝকা শুনতে হচ্ছে ।
আপনি বলবেন এগুলো সন্তানের মানসিক বিকাশে বাধা ।
অদ্ভুত আপনাদের জ্ঞান !
এখানে সন্তানের কিছু না এটা সম্পূর্ণ বাবা মায়ের ব্যাপার । এটা তাদের সুখ দুঃখের আলোচনা সমালোচনা ঝগড়া যা হোক না কেন সন্তানের সেখানে কোন সমস্যা থাকার কথা নয় ।
আজকাল অবাদ্য খারাপ সন্তানেরা বাবা মাকে বাদ্য করতে চায় তাদের সকল চাহিদা পূরণে সেখানে বাবা মা কোন কঠোর বাক্য ব্যয় করলে এটা হয় তাদের নির্যাতন ।
আজকের সন্তানদের নিয়ে আপনাদের ভাবনার প্রশংসা না করে পারিনা ।
বাবা মা কোন সন্তানের সাথে সর্বদা থাকেনা । বাবা মায়ের দায়িত্ব বাবা মা পালন করছে ।
সন্তানের সুখে সর্বদা বাবা হিমশিম খাচ্ছে পরিবার চালিয়ে নিতে সেখানে মাকেও উপার্জনের জন্য পথ ধরতে হল । সকালে বাবা মা যে সন্তানের জন্য ঘর ছেড়ে বাহিরে গেল উপার্জনে আজকের সন্তান বলে বাবা তাদের দায়িত্ব পালন করেনা খোজ খবর রাখেনা বড় আজব।
আপনাদের গবেষনা পরবর্তী প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে সেখানে আমি কোন সাফল্য দেখছি না ।
আজকের বিশ্বে গবেষণা চলে গাছের গোড়া কেটে গাছকে বাঁচানো ।
গাছ যেমনই হোক ফল কি দিতে চায় সেটা উপলব্দি করার মত জ্ঞানীকে গবেষণা করতে হয়না ।
বাবা মা সর্বদা সেটা চিন্তা করে আজকের সন্তান আগামী দিনের বাবা মা ।
তাই তারা শত কষ্ট বেদনা বুকে পুষে সন্তানকে মানুষ করার স্বপ্ন দেখে আর বখে যাওয়া নষ্ট সন্তানের মতামত নিয়ে আমাদের উন্নত গবেষক বাবা মায়ের দোষ ত্রুটি পর্যালোচনা করে ।
যে সকল বখাটে নষ্ট সন্তানদের মতামতে এই পরিসংখ্যান জরিপ হয়েছে তাদের বাবা মায়ের নিকটে গিয়ে দেখেন তাদের জন্য তাদের বাবা মায়ের বুকে কষ্টে পাহাড় জমা আছে কি না ।
---কেউ প্রেম করে বিয়ে করল বাবা মা মেনে না নেয়াতে ছেলেটা মেয়েটাকে অস্বীকার করল অথবা গোপনে বিয়ে করে সেটা ভেঙ্গে দিল । এটাতো আমাদের দেশের বাস্তবতা । সেখানে একটা সন্তান থাকতে পারে এটা স্বাভাবিক । এই সন্তানটাকে মানুষ করতে মাকে বাসায় বাসায় কাজ করে উপার্জন করতে হয় বলে মা গর্ব করে অথচ সেই অকৃতজ্ঞ সন্তান মাকে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে । অথবা মায়ের অতীত ইতিহাস জেনে মাকে নষ্টা চরিত্রহীনা মনে করে অভিযুক্ত করে । এখানে আজকের গবেষনা হচ্ছে সন্তানের মানুষ হবার পথে সে মা বাধা ।
ধিক্কার জানাতে ইচ্ছে হয় এমন চিন্তা ভাবনাকে যেখানে একজন নারী স্বামী সংসার সব বিসর্জন দিয়ে একটা সন্তান মানুষ করতে চায় । যেখানে একজন নারী সমস্ত কলঙ্ক কাঁদে চেপে একটা সন্তানকে শিক্ষিত করতে চায় সেখানে সমাজ প্রতিষ্ঠান তাকে অপবাদ দিয়ে সন্তান থেকে পৃথক করার চেষ্টা করে ।
আজকে যে অবাদ্য সন্তান গুলো বাবা মায়ের সন্মান নষ্ট করেতেছে । লেখা পড়ার নাম করে অবাদে কুপথে গমন করে । তারাই বাবা মায়ের নিকট কি চায় ?
কোন বাবা মা সর্বক্ষণ সন্তানের সঙ্গে থাকেনা । নেশা ধরা আড্ডা দেয়া বিভিন্ন খারাপ কাজ বুঝে নিবেন যেটা বলতে চাইনা আজকের সন্তানেরা সব কিছুই করছে বাবা মায়ের অজান্তে যে বেশির ভাগ বাবা মার পক্ষেই খোজ খবর রাখা সম্ভব নয় ।
আজকের সন্তানেরা নিজের অস্থিত্বের শিকড় যেখানে সেখানে থাকতে চায়না্ এটাই হল সবথেকে বড় বিষয় ।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:২৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনার মন্তব্য কতটা ঠিক বা বেঠিক, তা বিচারের ভার পাঠকের উপর ছেড়ে দিলাম। ধন্যবাদ।

৯৭| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৪৯

ৎৎৎঘূৎৎ বলেছেন: কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা নিজেদের মধ্যে একে অন্যের উপর হাত তুলতে না পেরে( আমার বলা উচিত ছিল ক্ষোভ প্রকাশ করতে না পেরে কিন্তু এটাই ঠিক মনে হল) সন্তানের উপর অত্যাচার শুরু করেন। আবার সন্তানকে উতসাহ দেয়ার বদলে খালি নেগেটিভ ভাবে আক্রান্ত করতে থাকেন । যেমন, তুই তো পড়িস না তুই কিভাবে পারবি, কিংবা 'ওকে দেখ ' ইত্যাদি ইত্যাদি। এতে এখনকার ছেলেমেয়েদের উপকার তো হয়ই না বরং তারা আরো সঙ্কুচিত হতে থাকে। এসব কারনে সন্তানরা তাদের উপর ভরসা হারিয়ে ফেলে আর টিনেজ নক করতে না করতে মা বাবা দের ঘৃণা করতে শুরু করে। আমার কাছে সবচেয়ে হাস্যাকর লেগেছে মায়েরা নিজেদের মধ্যে একটা কম্পিটিশন শুরু করেন যার ফলে কি হয় বোধয় সবাই জানেন। প্রেস্টিজ ইস্যু বলে একটা কথা আছে। অথচ তাদের মধ্যে অনেক কেই আমি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার পরে এগুতে দেখিনি ( কিছু প্রাইভেট আর কোচিং সেন্টার লক্ষ্য করলেই বুঝা যায়)। আপনার লেখা পড়ার আগেই কেউ এ বিষয়ে লিখেছেন তাতে নজর পড়েছে বেশী। সব বাবা-মা দের প্রতি শ্রদ্ধা রইল।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:১৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৯৮| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:০২

এম আর তালুকদার বলেছেন: ৯৮ নম্বর কমেন্টের বিষয়ে মডুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

"তিন দিনের ওয়াচে তিন সপ্তাহ অতিক্রম করেছি, আপনার ডাকে ঘুম ভাঙতেও পারে।"

আপনার এখানে আমার নিজের একটা লেখা পেস্ট করতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার টুইটার আইডির জন্য আমার লিংক কপি করাছিল যাহা ভুলক্রমে আপনার এখানে পেস্ট এবং পোস্ট হয়ে গেছে। আপনি একজন ডক্টরেট কিন্তু আপনার প্রতিউত্তরকে সাধুবাদ জানানো সম্ভব হল না। আপনার লেখাগুলো প্রসংশার দাবিদার। খুব জানতে ইচ্ছা করে আপনি কি আপনার লেখনির মত নাকি প্রতিউত্তরের মত !? আপনি অনেক বড় মাপের মানুষ তাই এখানে এসে ভুল করা আমার সমীচিন হয়নি। কোন কিছু ভুল বললে বা মনে আঘাত পেলে আশাকরি নিজগুনে শুধরে নিবেন।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:১৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: হা হা হা!!! তিন দিনের ওয়াচে তিন সপ্তাহ অতিক্রম করেই ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলেছেন????? এমন মানুষ কি সৃষ্টিশীল কাজ কারতে পারবে???

আমি ব্লগে প্রথম লেখা পোস্ট করেছিলাম ২৩/১১/১৬ এবং প্রথম পাতায় লেখা ছাপানোর অনুমতি পেয়েছি ২৬/৪/১৭ তারিখে। মানে প্রথম পাতায় আসার জন্য অপেক্ষা করেছি ৫ মাস। কিন্তু আমি নিয়মিত লেখা পোস্ট করতাম, পাঠক আমার ব্লগে গিয়েই সেগুলো পড়তো এবং মন্তব্য করতো। আপনাকে অনুরোধ করছি আবার আমার ব্লগটি ঘুরে আসুন।তাহলে দেখতে পাবেন। প্রথম পাতায় প্রবেশাধিকার পাবার পর মাত্র তিন মাসে আমাকে অনুসরণ করছে ৮৭ জন এবং আমার ব্লগটি দেখা হয়েছে ( আজ পর্যন্ত) ২৭৮৫০ বার। এত কম সময়ে এত বিশাল পরিচিতি আমি নিজেও কখনোই আশা করিনি। আপনি নিজেও বলেছেন, আমার লেখাগুলো প্রসংশার দাবিদার। মানে লেখার মান ভাল হলে যেকারো লেখাই লোকের নজর কাড়বে, প্রথম পাতায় না এলেও। আপনারও। তারজন্য সময় দিতে হবে।

আর আমি গণক নই। সুতরাং আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয় যে আপনি  আপনার ব্লগের লিংক ইচ্ছে করে, নাকি ভুল করে পেস্ট করেছেন। আর ভুলবশতঃ করে থাকলে আপনার উচিত ছিল আরেকটি কমেেন্ট করে ভুল স্বীকার করা। অন্যর ভুল ধরা সহজ, নিজের ভুল স্বীকার করা কঠিণ। আমি কেমন মানুষ সেটা আমার লেখায় প্রতিফলিত হয়। তারপরও আপনার জন্য বলে দিচ্ছি। আমি ভীষণ সোজাসাপ্টা মানুষ। ছলচাতুরী খুবই অপছন্দ করি। যা অনুভব করি, তাই বলতে দ্বিধা করিনা। আমাকে সাধুবাদ জানাতে না পারলে জানাবেন না। আপনাকে তো কেউ জানাতে বাধ্য করছে না। এত সামান্য কারণে আঘাত পাওয়ার মত মানুষ আমি না।

কোন মন্তব্য পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন হলে সেটি মডুদের জানানো জরুরী। কারণ মডুরা সেগুলো ডিলিট করতে পারেন বা সংশ্লিষ্ট লেখকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আমার এ পোস্টেও ৫৫ নং কমেন্টে একজন বাঁকা পথে মডুদের নজরে আসার চেষ্টা করেছেন। এগুলো অসততা,  এগুলো অনুচিত। যাইহোক। ধন্যবাদ। আর লিখতে থাকুন।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫০

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ৮৪ নম্বর কমেন্টটি পড়ে দেখতে পারেন।

৯৯| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:২০

নীল আকাশের সাদা মেঘ বলেছেন: অাপনাোক ধন্যবাদ একটি সচেতনামূলক পোষ্ট দেয়ার জন্য

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৩৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। পোস্টটি স্বার্থক হবে যদি সত্যিই কেউ সচেতন হয়। ভাল থাকুন।

১০০| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৪৮

মেরিনার বলেছেন: আপনার লেখাটা এতবার পড়া হয়েছে আর এত প্রশংসিত হয়েছে যে, আমার মত অনিয়মিত ও অচেনা একজন ব্লগারের একটা মন্তব্যতে কিছুই আসে যায় না। তবু, এই "post truth era"-তে প্রতিবাদ না করতে করতে অনেকবার বলা অনেক মিথ্যা যেমন সত্যে পরিণত হয়ে গেছে, তেমনি, আপনার লেখার শিরোনামের মত একটা ডাহা মিথ্যা কথাও হয়তো সবাই সত্য বলেই গ্রহণ করবে - এই আশংকা থেকে প্রতিবাদ করে গেলাম।
আপনার লেখার বক্তব্যের অধিকংশ কথা/পর্যবেক্ষণ/অনুভব সঠিক হলেও এর শিরোনাম: "বাবামাসন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশী" - এই ঢালাও generalization-টা একেবারেই মিথ্যা। এখনো human beings are not grown - they are born। এই born ব্যাপারটা যতদিন থাকবে, ততদিন প্রসব বেদনার মতই সন্তানের জন্য মায়ের স্নেহ ও মঙ্গল-কামনা সত্য থাকবে। কিছু নাগরিক ও "সব-কিছুতে-বিশ্বাস হারানো" আবর্জনার উদাহরণ থেকে আমরা বলতে পারি না: "বাবামাসন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশী"। বরং আমরা বলতে পারতাম: "সবচেয়ে বেশী নির্যাতন যারা করে থাকেন, তাদের মাঝে বাবা-মায়েরাও রয়েছেন"। কিন্তু আপনার শিরোনাম আল্লাহ্ প্রদত্ত প্রাণীজগতের সহজাত প্রবণাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী। ইসলামী পরিভাষায় আমরা এটাকে (এই সহজাত প্রবণাতাকে) "ফিতরাহ্" বলি। (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া) সাধারণভাবে, সন্তানের জন্য বাবা-মায়ের চেয়ে বেশী শুভাকাঙ্খী আর কেউ হতে পারে না - আপনি হয়তে সেই সব ব্যতিক্রমের কথা বলতে চেয়েছেন; সেইসব ব্যতিক্রমের মাঝেই হয়তো আপনার বসবাস।

Anarchist-রা সকল authority এবং order বা বিন্যাস ভেঙ্গে ফেলতে চায়, আর তাদের সাথে তাল মিলিয়ে ইসলাম-বিদ্বষী ও ইসলাম বিরোধীরাও ইসলামের "building block", আমাদের nuclear family, ভেঙ্গে ফেলতে চায়। আর তা করতে গিয়ে বাবা-মায়ের vilification এবং তাদেরকে redundant প্রমাণ করার চেয়ে মোক্ষম অস্ত্র আর কি হতে পারে? আল্লাহ্ আমাদের সত্যা-সত্য বোঝার দৃষ্টি দান করুন!

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:৩৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন। বাবামার মত এত আপন, এত ভাল আর কেউ বাসেনা। এটা চিরন্তন সত্য। এ বিষয়ে আমার কোন দ্বিমত নেই। তবে অধিকাংশ বাবামা শাসনের নামে সন্তানের প্রতি এতটাই কঠোর হন যে প্রায়ই তা নির্যাতন হয়ে যায় যা বাবামা বুঝতে পারেন না। আবার কখনও কখনও জেনেশুনেই বাবামা সন্তানকে ত্যাগ বা নির্যাতন করেন। শুনতে খারাপ লাগলেও এটা ঘটছে। তাই এটা স্বীকার করা এবং এ বিষয়ে সচেতনতা দরকার।

সন্তানকে ফেলে যখন বাবা বা মা নিজের কথা বেশী ভাবেন, সন্তানকে ত্যাগ করেন, সন্তান নির্যাতিত হচ্ছে বা হয়েছে বা হতে পারে জেনেও তার প্রতিকার করেননা, তখন তাদের কষ্টটা অন্য মানুষের দেয়া কষ্টের চেয়ে হাজারগুণ বেশী হয়। তবে কিছু সন্তান তবু ভাগ্যবান, তাদের কষ্ট কিছুটা কম। এদের বাবা বা মা কোন একজন নির্যাতন করলে অন্যজন সন্তানকে রক্ষা করেন। কিন্তু সেসব সন্তানরা সবচেয়ে দূর্ভাগা যাদের বাবা ও মা দুজনেই সন্তানকে ত্যাগ করেন। আর কিছু বাবা মা না বুঝে সন্তানের সাধ্যের অতিরিক্ত পড়া বা দায়িত্ব চাপিয়ে দেন যা নির্যাতন। আবার গরীব বাবামা অনিচ্ছাসত্ত্বেও সন্তানকে কাজ করতে পাঠান যেখানে তারা নির্যাতিত হয়।
চোখ বন্ধ করলেই প্রলয় থামেনা। তাই চোখ খুলে প্রলয় থামানোর উদ্যোগ নিতে হয়। আর আমাদের একটা নোংরা মানসিকতা হলো, না জেনে অনুমান করে কাউকে অসম্মান করা। আমার বসবাস কিসের মাঝে আপনি জানেন না। আর সবকিছুতে ধর্মকে টেনে আনা বা সবাইকে ধর্মবিদ্বেষী বলাও অন্যায়। ধন্যবাদ।

১০১| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৫৩

মেরিনার বলেছেন: একটা টাইপের ভুল হয়েছে উপরে: "বিদ্বষী" নয় "বিদ্বেষী" হবে!

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:৩৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ওকে।

১০২| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৫৮

তানুন ইসলাম বলেছেন: কথা সত্য
এটা আমরা সবাই জানি, বাবা মা সন্তানের মঙ্গল চেয়ে থাকেন সর্বদা,ছোট বেলায় পরিবার থেকে আমি ও অনেক নির্যাতনের শিকার হইসি, অতিরিক্ত শাসন কখনো কখনো বিপদ ডেকে আনে,আবার শাসন না করলে সেটা ও বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায় ,

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:০৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ঠিক। ধন্যবাদ।

১০৩| ১০ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৪৬

আহমেদ উজ্জ্বল বলেছেন: আমার মনে হয় Cholo Paltai Bengali Movie(2011)- এই মুভিটি যারা দেখন নাই সবাইকে দেখা উচিৎ Click This Link

১০ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: সময় করে দেখব নিশ্চয়। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১০৪| ১১ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৩:২১

অভি চৌধুরী বলেছেন:


যে যাই বলুক ভাই
সব চেয়ে সেরা
আমার বাবামাই

১১ ই আগস্ট, ২০১৭ ভোর ৬:৫৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: হা হা হা! ধন্যবাদ। আপনি তাহলে ভাগ্যবানদের দলে। আমরাও তাই চাই। আপনার কথাটাই প্রতিটা সন্তান বলুুক। বাবামা আরো সচেতন হোন। পৃথিবীর কোন সন্তানই যেন কারো দ্বারা নির্যাতিত না হয়।

১০৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৫৩

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: মাকে হারিয়েছি শৈশবে মানে ৬ বছর বয়সে। বাবাই আমার বাবা; বাবাই আমার মা। অনেক শাসন করেছেন শৈশব টু এখনো। খোঁজ নেন সব সময়ই যখন দূরে থাকেন। যেহেতু আমার সাথেই থাকেন তাই শাসনও করেন।। অনেক শাসন বারণে বড় হয়েছি। প্রচুর মার খেয়েছি তবে ওসবকে আমি ঔষধ বা এন্টিবডি বলেই মানি কারব এগুলো এন্টি সোশিয়াল্ হতে দেয় নি।। তাই বলি আপনার কথায় যুক্তি রয়েছে এবং বাস্তবতাও। ধন্যবাদ এরকম প্রয়োজনীয় পোস্টের জন্য। ভালো থাকুন।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৫৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১০৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:২৪

কবি ইমতিয়াজ হোসেন বলেছেন: অপ্রিয় সত্য ; অনেক অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপে শিশুর মনস্তত্ত্ব ভেঙে যায়।।

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ঠিক। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১০৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২০

কেন্দ্রবিমুখ সঞ্জয় বলেছেন: ভালো একটা লিখনী আপু

১২ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৫

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১০৮| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:২৩

মানিজার বলেছেন: শিরোনামের সাথে বিষয়বস্তু প্রাসংগিক না ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৪২

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। ভাল থাকুন।

১০৯| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৫৪

বিজন রয় বলেছেন: অনেক ভাল ভাল আলোচনা পড়তে পারছি।

পোস্টদাতা আর সামুকে আবারো ধন্যবাদ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:০৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: জ্বি দাদা। আমি নিজেও অভিভূত পাঠকের সাড়া দেখে। মানুষ সহজে আমাদের বিশ্বাসের বিপরীত কিছু মেনে নিতে পারেনা। এজন্য অনেকে আমার লেখার সমালোচনা করছেন। এটা ভাল। আরো ভাল যে, লোকে আমার ব্যাখ্যাগুলো যুক্তির কারণে মানতে বাধ্য হচ্ছেন। আর অনেকে লেখাটা পছন্দ করছেন কারণ আমরা এ বিষয়টি সম্পর্কে জানতামনা। মনে করতাম, বাবামা শাসন করতেই পারে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত শাসন যে নির্যাতন ও ক্ষতিকর, এটা লোকে বুঝতইনা। কিছু পাঠকের মন্তব্য থেকে মানুষের চিন্তার বৈচিত্র্য ধরা পড়েছে। সেটাও বাড়তি কিছু জানার সুযোগ। আর সামুকে অবশ্যই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই লেখাটি স্টিক করার জন্য। আর আপনাকেতো অবশ্যই। ভাল থাকুন দাদা।

১১০| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২১

নিতাই পাল বলেছেন: "বাবামাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশী"
দিদি, শিরোনামের বানানটার দিকে একটু লক্ষ্য করুন। 'বেশী' হবে? না কি 'বেশি'? ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:১৯

আলপনা তালুকদার বলেছেন: "সুচিন্তিত মতামত চাই" শিরোনামে ব্লগে আমার একটি লেখা আছে। ওটা পড়লে বুঝতে পারবেন 'বেশী', না 'বেশি' হবে। আপনি এত খেয়াল করে আমার লেখা পড়েছেন, সেজন্য কৃতজ্ঞতা। ভাল থাকুন।

১১১| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:১০

গ্রামের ছোট্র ব্লগার খায়রুল বলেছেন: নির্যাতন নয়। শাসন করে বেশি আবার আদরও করে বেশি।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:২৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: দুটোই খারাপ। ধন্যবাদ।

১১২| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:৩২

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:




লেখাটা পড়িনি। শিরোনামেই বিরক্তি....

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৫৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: মানুষ সহজে আমাদের বিশ্বাসের বিপরীত কিছু মেনে নিতে পারেনা। এটা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

১১৩| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:৫১

প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: আপনি এখানে সন্তান না বলে শিশু বললে ৫ ভাগ পর্যন্ত মানা যেত। আপনি যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন তা ৫ থেকে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। আর আপনি শুধু মনগড়া কথা বলে গেছেন। কোন যৌক্তিক আর আন্তর্জাতিকভাবে গৃহিত স্টাডি রিপোর্ট একটাও পেশ করতে পারেননি। আপনার মনগড়া সত্যের অপলাপকে বা পাগলের প্রলাপকে এত লম্বা সময় ধরে স্টিকি করে রাখার জন্য সামু কর্তৃপক্ষের প্রতি ঘৃণা ও করুণা প্রকাশ করছি। আপনি নিজেকে সেরা মা আর সন্তানকে সেরা সন্তান হিসেবে উপস্থাপন করেছেন একটি মন্তব্যে যা হাস্যকর। আপনার সন্তান যদি সব মিলিয়ে ১৭-১৮ ঘন্টা পড়াশুনা করে তাহলে বাকি ৬-৭ ঘন্টায় ঘুম, খাওয়া দাওয়া, নিত্যকর্ম, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি কখন করে? আপনি ডাবল স্ট্যান্ড করেছেন ভাল কথা, তাই বলে এই নয় যে সামুতে সব আপনার চেয়ে কম আইকিউ আর যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষেরা বিচরণ করে। কিছু ওয়েল এস্টাবিস্টড স্টাডির কথা উল্লেখ করতেন, তাও পারেননি। সাইকোলজি আর পেরেন্টিং সম্পর্কে কতটুকু জানেন? এটাচমেন্ট রিলেনশিপ সম্পর্কে কতটুকু জানেন। পেরেন্টিং কয় প্রকার ও কি কি? কোন পেরেন্টিং এর পারসেন্টেজ কতভাগ? জানেন কিছু মিসেস সহযোগী অধ্যাপিকা মহোদয়া? জবাব দিবেন প্লিজ। যেটা আপনার বিষয় নয় সে সম্পর্কে একেবারে নগণ্য পরিমাণ জেনে মনগড়া কথা বলা কতটুকু যুক্তিপূর্ণ? সবকিছু ওভার জেনারেলাইজ করেছেন। পেরেন্টিং তো আপনার বিষয় নয়। আপনার বিষয় সংশ্লিষ্ট কোন আলোচনা থাকলে করুন। লে-ম্যান হয়ে পেরেন্টিং এর মত একটা সাইকোলজিক্যাল সুপার সেনসেটিভ বিষয় নিয়ে এধরণের আলোচনা আপনার মত মানুষের কাছে মোটেও কাম্য নয়।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৫৪

আলপনা তালুকদার বলেছেন: আপনার এমন মন্তব্যের কারণ প্রফাইলে দেয়া আমার পরিচিতি যেখানে আমি শুধু লিখেছি যে আমি আইইআরের শিক্ষক। আমার পূর্ণ পরিচিতি ওখানে দেয়া নেই। আপনার জ্ঞাতার্থে বলছি, আমি মনোবিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স করেছি। পিএইচডি করেছি ক্নিনিক্যাল সাইকোলজির উপরে। পরে শিক্ষায়ও ডিগ্রী নিয়েছি। অনার্স প্রথম বর্ষ থেকে মাস্টার্স পর্ষন্ত প্রতিটা ইয়ারে আমি মনোবিজ্ঞান পড়াই। এছাড়া বিএড, এমএড কোর্সে ও এমফিল-পিএইচডি কোর্স ওয়ার্কেও আমি মনোবিজ্ঞান পড়াই। আমার প্রতিটা কথার পিছনে বিভিন্ন মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল আছে। আমি গবেষণাগুলো উল্লেখ করিনা। কারণ তাতে লেখা অনেক বড় হয়ে যায়। আপনি বা যে কেউ নেটে সার্চ দিলে শিশুর অস্বাভাবিক বিকাশে interpersonal relationship, parental rejection, birth order of child, broken home, parental indulgence, long-term effect of childhood experiences, parental overprotection, stressful life events,... ইত্যাদির প্রভাব সম্পর্কিত হাজার হাজার গবেষণা পাবেন। আপনি আমার ফেবু দেয়ালে আমার বিভিন্ন পোস্টগুলোতে দেশী-বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ( তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন, অবসর নিয়েছেন, তাঁরা আমার লেখা নিয়মিত পড়েন এবং শেয়ার করেন) মন্তব্যগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন আমি কি কি জানি বা জানিনা।

আমার মেয়ে প্রসঙ্গে বলি, আপনি বাংলাদেশে বাস করলে বা এইট-নাইন পড়ুয়া সন্তান থাকলে ( আপনার বা আপনার পরিচিতদের) তাদেরকে প্রশ্ন করলে আমার কথার সত্যতা পাবেন।

সামু কেন আমার লেখাকে এত পাত্তা দিয়ে লম্বা সময় ধরে স্টিক করেছে সেটা তাদের বিষয়। তবে আপনার অভিযোগ মিথ্যা। আমি আমার লেখার কোথাও বলিনি যে সামুতে সবার আইকিউ কম বা তারা আমার চেয়ে কম যোগ্যতাসম্পন্ন।

অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।


১১৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৮:১৫

শারমিন আক্‌তার বলেছেন: Salam Apu. Your writing is published on http://www.mohioshi.com .

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:১৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ধন্যবাদ ম্যাডাম। একটা ভুল হয়েছে। আমি মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হলেও আমি সহযোগী অধ্যাপক, আইইআর। আমার পরিচিতিটা সংশোধন করে দেবেন প্লিজ। ভাল থাকুন

১১৫| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:১২

নিয়াজ সুমন বলেছেন: সময়ো্পযোগী লিখা। যে যার অবস্থান থেকে বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারলে সমাজে এমন অনাঙ্খাখিত ঘটনা পুনরায় ঘটবে না। ভালো থাকুক আমাদের পারিবারিক বন্ধন। ভালো থাকুন আপনি। শুভেচ্ছা রইলো আপনার প্রতি।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:২৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও। ভাল বলেছেন। জ্বি, সচেতন হওয়াটা জরুরী। তাহলে আমাদের সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে কমে যাবে এবং পারিবারিক বন্ধন আরো সুদৃঢ় হবে।

আপনাকে সামুদীয় (শারদীয়র মত) শুভেচ্ছা। বাই দা ওয়ে, কাউকে সামুর সদস্য হিসেবে শুভেচ্ছা জানাতে হলে কি শব্দ ব্যবহার করা সবচেয়ে যৌক্তিক?

১১৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:৪৫

নতুন নকিব বলেছেন:



১১৪ নং কমেন্টের প্রত্যুত্তরে আপনার লেখার দ্বিতীয় লাইনে একটি শব্দের বানানে ভুল রয়েছে। দয়া করে ঠিক করে নিলে খুশি হব।

এই পোস্টের শিরোনামটা অপছন্দের। পৃথিবীর সকল পিতামাতার প্রতি একটা অসম্মানকে জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে, মনে হচ্ছে। পিতা মাতার আদর-শাসন-ভালবাসা-স্নেহ-মমতা ইত্যাদি সকল কিছুকে একটি অপবাদে মিলিয়ে গুলিয়ে একাকার করে ফেলা হয়েছে এখানে। পূর্বের মন্তব্যেও বলেছিলাম যেমনটা। আপনি ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তা, ব্যাখ্যা যতই দিন, শিরোনামটাই বিতর্কের।

অস্বীকার করছি না, ভাল পিতা মাতার পাশাপাশি খারাপ পিতা মাতা সমাজে অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু তার সংখ্যা কত? এমনও শোনা যায়, কোন কোন পিতার দ্বারা তার নিজ সন্তান ধর্ষিত পর্যন্ত হয়। কিন্তু, প্রশ্ন হল, এ সংখ্যা কত? আপনিতো 'ঠগ বাছতে গা উজাড়' করে দিলেন! 'লোম বাছতে বাছতে কম্বলের দফা রফা' অবস্থা!!

আগেও বলেছিলাম। অবশ্য আপনাকে বলে-কয়ে লাভ হবে - এমনটা আশা করা বৃথা। কারন, অভিজ্ঞতা তাইই বলে। নিজের মতামতকে হয়তো সর্বদা উপরে তুলে রাখতে পছন্দ করেন। আর অনেক অনেক জানেন, এই ভাবনাটাও বোধ করি, আপনাকে আচ্ছন্ন করে রাখে সারাক্ষন। আমরাও চাই, আপনার জ্ঞান আরও বৃদ্ধি পাক। যাই হোক, আপনি না মানলেও ক্ষতি নেই। 'আপনার দৃষ্টিতে নেগেটিভ' -এই কমেন্টসগুলোর কারনে আপনার উপলব্ধিতে সত্যটা অন্তত: উঁকিঝুকি মেরেছে কি না সেটাই মুখ্য।

ভাল থাকুন তালুকদার।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:১৮

আলপনা তালুকদার বলেছেন:



ধন্যবাদ বানান ভুলটা ধরিয়ে দেবার জন্য।

শিরোনাম অপছন্দের বা বিতর্কের, বাবামার প্রতি অসম্মান দেখানো হয়েছে, এটা ঠিক। কিন্তু আপনি নিজেই বলছেন, ভাল পিতামাতার পাশাপাশি খারাপ পিতামাতা আছেন। তার মানে অল্প সংখ্যক বাবামা খারাপ, এটা বললে আপনার আপত্তি থাকতো না। কিন্তু মুশকিল হল, কতভাগ বাবামা সন্তানকে নির্যাতন করেন, এ সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই। তবে এ তথ্য আছে যে, বাংলাদেশে শতকরা আশিভাগ স্বামী তার স্ত্রীকে নির্যাতন করেন (মানে এই আশিভাগ পরিবার কলহপূর্ণ এবং এই আশিভাগ স্বামী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সন্তানদেরও নির্যাতন করেন) এবং মনোবিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, সন্তানের প্রতি বাবামার ত্রূটিপূর্ণ আচরণ, বাবা বা মার সন্তানকে ছেড়ে যাওয়া ও পারিবারিক কলহপূর্ণ পরিবেশ শিশুর মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেহেতু বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবার (আশি ভাগ) কলহপূর্ণ, সুতরাং একথা বলাই যায় যে, বাবামাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশী।

"নিজের মতামতকে হয়তো সর্বদা উপরে তুলে রাখতে পছন্দ করেন" - একথা আপনি বলতে পারেন না। পড়ে দেখেন, অসংখ্য মন্তব্যের প্রতিউত্তরে আমি পাঠকের মন্তব্যকে ঠিক বলেছি।

"আর অনেক অনেক জানেন, এই ভাবনাটাও বোধ করি, আপনাকে আচ্ছন্ন করে রাখে সারাক্ষন (সারাক্ষণ হবে) - আপনি একথাও বলতে পারেন না। আমি অনেক জানি, এটা আমি কখনও কোথাও বলিনা। কোন পাঠক জানতে চাইলেই আমি কেবল আমার পরিচয় তুলে ধরি, নাহলে নয়। নেগেটিভ কমেন্ট সেগুলোকেই বলেছি যা প্রতিষ্ঠিত সত্যের বিপরীত এবং পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন। বাকীগুলো সমালোচনা। আমার পড়ালেখায় আমি যা পেয়েছি, সেগুলোকেই সত্য বলে জানি। আমার লেখায় ভুল বা মিথ্যা কোন তথ্য থাকলে কেউ না কেউ এর বিপরীত পরিসংখ্যান তুলে ধরতো। আপনিও বলতে পারতেন, অমুক গবেষণা বলছে বাংলাদেশে এত ভাগ বাবামা খারাপ। আজ সকালে আমার ফেবু দেয়ালে আমার এই লেখাতেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির এক অধ্যাপক লিখেছেন,

"Congrass Alpona...very well done n go ahead with your straight forward n contemporary discussion."

ভাল থাকুন।

১১৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:০৩

নতুন নকিব বলেছেন:



সারাক্ষন (সারাক্ষণ হবে)

-দু:খিত! হয়তো খেয়াল করেছেন কি না, আমি ন-ত্ব বিধান ফলো করি না।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:০৭

আলপনা তালুকদার বলেছেন: খেয়াল করিনি। ওকে।

১১৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:২৩

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপনার পুরো লেখাটার সাথে একাত্নতা প্রকাশ করছি। আপনার নিচের প্যারাগ্রাফটি অল্প কথায় সব কিছু বলে দেয়।

"শেষকথাঃ প্রতিটা শিশুর সামাজিকীকরণের প্রথম প্রতিষ্ঠান হল তার বাড়ী, তার পরিবার। এটিই তার আচরণ, মূল্যবোধ, ধারণা, বিশ্বাস, নৈতিকতা, সাহস, শিক্ষা.. ইত্যাদির ভিত্তি তৈরী করে দেয়। এই ভিত্তিই তার সারাজীবনের আচরণের মূল চাবিকাঠি। এখান থেকে সে যা শিখবে, সারাজীবন সে তাইই করবে। পরিবারে সে ভাল কিছু শিখলে সে ভাল হবে, নাহলে খারাপ। "

এই রকম তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট লেখার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ। সমাজের প্রতি ডেডিকেশন না থাকলে কোন ভাবেই সম্ভব না এই রকম লেখা।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:০৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা এজন্য যে, আপনি এই লেখার মধ্যে দেয়া আমার মেসেজটি ধরতে পেরেছেন। ভাল থাকুন নিরন্তর। আর সামুদীয় শুভেচ্ছা জানবেন।

১১৯| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৫২

প্রজ্জলিত মেশকাত বলেছেন: ধন্যবাদ সহনশীল উত্তরের জন্য। আপনার কাছ থেকে কিছু internationally accepted study'র লিংক আশা করছি। আর অতি আক্রমণাত্মক হওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩

আলপনা তালুকদার বলেছেন: ইটস্ ওকে। ভাল থাকুন।

১২০| ১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৫

নিয়াজ সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আপনি কি শব্দ ব্যবহার করবেন তা অবস্থান, ব্যক্তি ও লিঙ্গ ভেদে আলাদা আলাদা হবে। তবে আপনার রুচিসম্মত যে কোন রুচিশীল শব্দ আপনি ব্যবহার করতে পারেন। যেমন – ভাই, আপু, প্রিয়, ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা, শুভকামনা, ভালোবাসা এই শব্দগুলো আমি প্রায় ব্যবহার করি।

১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪২

আলপনা তালুকদার বলেছেন:
আমার প্রশ্ন ছিল সামুর সদস্য হিসেবে কউকে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে "আপনাকে সামুদীয় শুভেচ্ছা" (শারদীয় শুভেচ্ছার মত) লেখা যৌক্তিক কিনা? যাইহোক, ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। ভাল থাকুন।

১২১| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৪৬

নিয়াজ সুমন বলেছেন: আপু, আপনি চাইলে দিতে পারেন। কতটুকু যৌক্তিক হবে তা বলতে পারবো না। তবে অযৌক্তিক বলেও মনে হচ্ছে না। কারণ আমার কাছে যা যৌক্তিক অপরজনের কাছে তা নাও হতে পারে। ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকুন।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৫৬

আলপনা তালুকদার বলেছেন: হা হা হা! এমনি ঠাট্টা করছিলাম। আমি মজা করেই কখনও কখনও লিখি। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.