নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

মানুষ কেন গালি দেয়?

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ২:৩৫



'হারামজাদী ছিনাল
বজ্জাত মাগী
খানকী বেইশ্যা

মিয়া বাড়ির কাচারির সুমুখে লম্বালম্বি মাঠ। মাঠের পর মসজিদ। সে মসজিদের সুমুখে বসেছে বাদ-জুমা মজলিস। খানিক দূরে দাঁড়ান ঘোমটা ছাড়া একটি মেয়ে। গালি গুলো ওরই উদ্দেশ্যে। এসব গালি আমি দেই নি। শ্রদ্ধেয় শহীদুল্লাহ কায়সার তার 'সংশপ্তক' গ্রন্থের প্রস্তাবনা করেছেন এই অমৃত বাণী দিয়ে।

কথায় আছে, 'কোন ভাষা আয়ত্ত করতে সেই ভাষার গালি গুলো আগে জানতে হবে'! ভারতবর্ষের এক একটি রাজ্যে গালি প্রবণতা একেক রকমের। কোন কোন রাজ্যে খুব কম গালি দেওয়া হয়। আবার যেমন হরিয়ানা রাজ্যে গালি ছাড়া কোন বাক্যই যেন অসম্পূর্ণ। হরিয়ানভি ভাষায় এমন বয়স্ক মানুষের সাথে যখন কথা বলে তখনো গালি দেওয়ার রীতি আছে। যাই হোক, নিজের দেশের কথা বলি, ছোটলোক শব্দটা আমরা গালিগালাজ হিসাবে ব্যবহার করি। 'শালা' একটা গালি কিন্তু বৌয়ের ভাইয়ের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। কেউ আপনাকে গালি দিলে আপনি যদি চুপ থাকেন তাহলে সে কিছুক্ষণ পরে সবচেয়ে বেশি অপমানিত বোধ করবে। সর্বপরি ক্ষমা হচ্ছে মহৎ গুণ, যে মানুষকে ক্ষমা করে আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করেন। এইসব বিষয় বিবেচনা করে আপনাকে যদি কেউ গালি দেয়, আপনি তাঁকে ক্ষমা করে দিবেন।

'মালাউন’ শব্দটি এসেছে আরবি ভাষা থেকে।
১৯৪৭-এ ভারত বিভাগের পর থেকে আমাদের দেশের কিছু মানুষের মুখে ‘মালাউন’ শব্দটির ব্যবহার দ্রুতহারে বাড়তে থাকে। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বেশির ভাগ উর্দুভাষী পাকিস্তানী হিন্দু শব্দের পরিবর্তে ‘মালাউন’ শব্দটি ব্যবহার করতে থাকে। বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মালম্বীদের কোনো ক্রমেই ‘মালাউন’ বলা উচিত নয়। সংস্কৃতিবান, সুশিক্ষিত, অসাম্প্রদায়িক, মুক্ত চেতনার ধারক, আধুনিক মানুষের পক্ষে কোনোভাবেই ‘মালাউন’সহ কোনো প্রকার বাজে শব্দের অপপ্রয়োগ শুধু অসম্ভবই নয়, অভাবনীয়ও বটে। ইংরেজীতে 'Bastered' আর বাংলায় 'জারজ'। আমার মনে হয় না যে এর চাইতে নিকৃষ্ট গালি এই পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আর আছে। রাগ আমাদের সবারই হয়, ঝগড়াও হতে পারে, কিন্তু গালাগালি দেওয়া তার সমাধান নয়।

আমি গালি দেই না, আর কেউ দিলে পছন্দও করিনা।
যে ব্যাক্তি গালি দেয়াকে আর্ট হিসেবে নেয় সে একজন আদর্শ মূর্খ। আর 'পড়ালেখা করলেই মূর্খতার থেকে বের হওয়া যায় না। পড়ালেখার সাথে নৈতিকতা ও মুল্যবোধের শিক্ষাই একজন মানুষকে আসল শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারে'। সমাজে এমন মূর্খও আছে যারা গালি দিতে জানে ঠিকই কিন্তু সেটার অর্থও জানে না। যারা 'বিদেশে পাড়ি জমানোর দু'দিন না যেতেই বাংলাদেশকে গালি দেন' তারা মূলত নিজের দেশকে প্রতিনিয়তই সেই দেশের বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর সিস্টেমের সাথে মনের অজান্তেই তুলনা করে ফেলেন। একটা শিশু যখন একটু বড় হবে চারপাশের মানুষের সাথে মিশবে তখন সে গালি দেওয়াও শিখে যাবে। তাই আশাপাশের কেউ যেন গালিগালাজ না করে সেজন্য সচেতন হতে হবে। গালি দেওয়া ভাল কাজ নয় এটা শিশুকে বুঝাতে ও শিখাতে হবে।

কোরআনে অশ্লীল বাক্য ব্যবহার করা নিষেধ আছে।
আসলে, বিক্ষুব্ধ মানুষটির ভেতরে ঘুরতে থাকা ক্ষোভ কখনো কখনো গালি হয়ে বেরিয়ে যায় নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে। গালি বৈচিত্র্য বাঙালিদের মধ্যেই বেশি। গালির কত যে রঙ, কত যে রূপ, কত যে বাহার! আপনাকে গালি দিলে যদি আপনি মনে করেন আপনার মানহানি ঘটেছে তবে আপনি আদালতে গালিদাতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে পারেন। গালির সঠিক উৎপত্তি ঠিক কোথায় এবং কিভাবে তার স্বপক্ষে কোন তথ্য পাওয়া যায় না! তবে একথা সত্য, মানুষ গালি কিংবা তথাকথিত কুরুচিপূর্ন শব্দ ব্যবহার করে মানসিক প্রশান্তি পায়। মিডল ফিঙ্গার মূলত একটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার ইংরেজি গালি Fu*k you. মুরুব্বীরা বলেন, কাউকে গালি দেয়া কবিরা গুনাহ তথা মারাত্মক পাপের কাজ।

তসলিমা নাসরিন বলেছেন, 'কোনো শব্দই অশ্লীল নয়'!
বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন ধারা পদ্য! এই পদ্যেই বেশ প্রসিদ্ধ কিছু কবির জনপ্রিয় কবিতা গুলোতেই খুঁজে পাওয়া যায় গালির ব্যবহার! যেমন- হারামজাদা', 'চুতমারানি', 'বেশ্যা', 'খানকি', 'বাল', 'আবাল', 'যোনিকেশ', 'স্তন', 'নিতম্ব', 'লিঙ্গ' সহ আরো অশ্লীল শব্দের ব্যাবহার লক্ষ করা যায়। রবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে নজরুল, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, নির্মলেন্দুগুন, রফিক আজাদ, হেলাল হাফিজ, রুদ্র শহীদুল্লাহ সহ অনেকেরই কবিতায়! অবশ্য রবীন্দ্র বা নজরুল একটু ভদ্রভাবে গালি দিতেন- যেমন 'কূপমন্ডুপ', 'বাত্তেমিজ'! ঢাকায় প্রচলিত গালি গুলো হচ্ছেঃ শালা, হারামি, কুত্তার বাচ্চা, শুয়োর, শুয়োরের বাচ্চা, মাদারি, চুদিরভাই, বাল, চুদলাম না, মাগি, বেশ্যা, রাজাকার, খানকি, চুনু, বদমাশ, পাঠা, ছাগল, গাধা, বোকাচোদা, হারামজাদা, ভোদাই, হেডা, বদমাশ ইত্যাদি।

কেউ একজন আপনাকে বাজে শব্দে ডাকছে বা লিখছে অথচ সেসব আপনি গায়ে মাখছেন না- তখন সেসব গালিগুলো পাত্তা পাবে না! আপনি গালি গুলোকে খারাপ ভাবে নিলেই খারাপ, ভালো ভাবে নিলেই সেটা অনেকাংশেই ভালো! গালি কখনো কখনো আদরার্থেও ব্যবহৃত হয়! যৌন মিলনের সময় কিছু অশ্লীল শব্দ পুরুষ- নারী একজন অপরজনকে বলতে থাকে। শুনেছি এতে নাকি কামোত্তেজনা বহুগুনে বৃদ্ধি পায়! কেউ গালি দিলে চুপ থাকার চেষ্টা করুন। সময় হলে আপনার যোগ্যতা তার গালির উত্তর দিয়ে দিবে। হযরত আলী রাঃ বলেছেন, নীচু লোকের হাতিয়ার গালি। যদি কোন লোক তোমাকে খারাপ কথা বলে, তবে তার কথার জবাব দিও না। কেননা, হতে পারে এর চেয়েও খারাপ কোন বাক্য তার ঠোঁটের কাছেই রয়েছে। তুমি ওর কথার জবাব দেয়ার সাথে সাথেই সে তা বলতে শুরু করবে।

অনেকে বলে থাকেন, জনপ্রিয়তার নির্দেশক হলো বিদ্বেষমূলক মন্তব্য/কথাবার্তা। যাকে লোকে যত বেশি গালি দেয়, সে হচ্ছে ততই জনপ্রিয়। এই কথা আমি মানি না। ছোটবেলা আমি মিলি তুলি আপার কাছে পড়তে যেতাম। আমাদের বাসার কাছেই তাদের বাসা। মিলি তুলি আপা ছিলেন দুই জমজ বোন। দেখতে ভীষন মিষ্টি ছিলেন। একদিন রাস্তায় আমি খেলছিলাম। তখন এক ছেলের সাথে আমার ঝগড়া হয়ে যায়। আমি রেগে গিয়ে ছেলেটাকে 'কুত্তার বাচ্চা' বলে গালি দিয়ে দেই। এমন সময় এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন মিলি তুলি আপা। উনারা আমার গালি শুনে ফেলেন। সেদিন সন্ধ্যায় পড়তে যাওয়ার পর দুই বোন আমাকে ধরলেন। বললেন, এত কুৎসিত গালি আমি কার কাছ থেকে শিখলাম। ইত্যাদি ইত্যাদি নানান কথাবার্তা। মিলি আপা বললেন, তোমার রাগ হয়েছে- তুমি 'ভাঙ্গা ফুলদানী' বলে গালি দিতে। তুলি আপা বললেন, এই বাজে বকা না দিয়ে তুমি 'ভাঙ্গা কলস' বলে গালি দিতে। তারা দুই বো মিলে আমাকে অনেক বুঝালেন এবং আমাকে ওয়াদা করালেন এরকম কুৎসিত গালি যেন আমি বাকি জীবনে আর না দেই।

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ ভোর ৪:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: পিছনের ঘটনা বলেন।
কে গালাগালি করেছে?
আমার বাড়ির জায়গা দখল করে অবৈধ বাড়ি বানানো হিন্দু এক সন্ত্রাসী তার গডফাদার মুসলমান সন্ত্রাসীর ক্ষমতার দাপটে ৩ বছর আগে একদিন গালি দিয়েছিলো।।
তাই জমি দখলের সাথে সাথে মানহানি মামলা করেছি।
কাল গিয়ে তাদের বাড়িটা দেখে আসেন।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: যদি বলি, তাকে কি আপনি কিছু করতে পারবেন?

সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে দূরে থাকাই ভালো। জায়গা গেছে যাক। জীবন তো আর যায় নি।

২| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ ভোর ৫:৩২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ।
রেগে গেলে আজেবাজে বকা দিলে যে বকা দেয় তার খুব ভালো লাগে।
এ কারণে মানুষ রেগে গেলে বকা দেয়।

রেগে যাওয়ার সময় একজন মানুষ খুব উচ্চস্বরে কথা বলে। এসময় তার শক্তি ও দারুন বেড়ে যায় । হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে যায় । এ সময় সে যে কোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারে । এমন কী মানুষ খুন ও করে ফেলতে পারে।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: বড় ভাই কোনো বদমাশকে মনে মনে কুৎসিত গালি দিবেন। দেখবেন আনন্দ পাবেন।

৩| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ ভোর ৫:৩৫

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: অনেক নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হলাম।কিছু কিছু শুনেছি।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমার সাথে থাকুন। অনেক কিছু জানতে পারবেন। শিখতে পারবেন।

৪| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৯:৩২

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: বেশ শিখনীয় বিষয় রাজীব দা

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: শিক্ষার মধ্যেই থাকি সারাদিন।

৫| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:১৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



ব্লগে গালি কমতে ১০ বছর সময় লেগেছে।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:২১

রাজীব নুর বলেছেন: 'আমার ব্লগে' গালাগালি সবচেয়ে বেশি হয়েছে। সেই গালাগালির ভয়েই 'আমার ব্লগ' ছেড়েছি।

৬| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



ডোডো পাখী, পিগমী, লিলিপুটিয়ান, গুহামানব, ম্যাঁওপ্যাঁও কি বেশী কষ্টকর শব্দ?

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:২২

রাজীব নুর বলেছেন: মোটেও না। এসব সুন্দর বকা। ভদ্র বকা।

৭| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:০৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ঢাকাইয়ারা যে আবে হালা বলে এটা কি গালি? সে ই ভালো মুসলমান যার মুখ ও হাত থেকে অন্যরা নিরাপদ। যারা গালি দেয় তারা আসলে ভালো মানুষ না।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: একদিন এক ভদ্র মানুষকে কুৎসিত গালি দিতে দেখলাম। তাও তার স্ত্রীকে। ভদ্রলোক শিক্ষিত, মার্জিত। আমি তার মুখে কোনো দিন গালি শুনি নাই। তাহলে সে কেন গালি দিলো।
আসলে তার স্ত্রী এমন আচরন করেছে, যে ভদ্রলোকের মুখে অটোমেটিক গালি চলে এসেছে।

৮| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: গালি নিয়ে এটা অভিধান আছে বাংলায়
গালি নিয়ে এটা অভিধান আছে বাংলায়

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যা আছে।

৯| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:১০

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: গালাগালচর্চা একসময় ভালই চলছিল।
আমরা সভ্য হয়ে গেছিগা!

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষ এখন নতুন নতুন অদ্ভুত কুৎসিত গালি আবিস্কার করেছে।

১০| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:১৪

ইসিয়াক বলেছেন: গল্পটা শেষ করেননি। সব গল্প এমন অসমাপ্ত রাখেন কেন?

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: মাথায় আসে না কিচ্ছু। তাই।

১১| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:১৫

ধ্রুবনীল হায়দার বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে।

১২| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:১৮

অধীতি বলেছেন: একসময় এই মিলি তুলি আপারা আমাদের নৈতিকশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে পরোক্ষ প্রধান ভুমিকা পালন করতেন।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: সত্য।

১৩| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৭

শায়মা বলেছেন: গালি দূর্বলের অস্ত্র। মূর্খদের ইট। আর পাটকেল খায় তারা জীবনের পদে পদে।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: ইয়েস।

১৪| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:৫১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এইটা শহীদুল্লা কায়সারের গ্রামের চিত্র। উনার বাড়ীর পাশে মুন্সী বাড়ি আছে। দুঃখজনক হলো ফেনীর নতুন প্রজন্মই উনাদের চিনে না। শহরে একটি রাস্তার নাম ছাড়া আর কিছুই করেনি কেউ।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: গালি শহরে গ্রামে সমান তালেই চলছে।

১৫| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫২

নতুন বলেছেন: একটা কুকুর যেমন ভয় পেলে ঘেউ ঘেউ করে তেমনি মানুষ যখন যুক্তিতে না পারে তখন গালাগালি করে।

একজন মানুষ কতটুকু গালি দেয় নির্ভর করে সে কতটুকু জ্ঞানী।

গালির শব্দগুলি সবারই ডিকসনারিতে থাকে, কিন্তু জ্ঞানী মানুষ সেটা ব্যবহার করেনা। মূর্খ অবলীলায় ব্যবহার করে।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

১৬| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বুঝি গালি দেওয়া কখনোই ঠিক নয়। কিন্তু তবুও মাঝে মাঝে যে বেরিয়ে আসে। আমার ছেলেটার উপর মাঝে মাঝে প্রয়োগ করি।পরে বুঝতে পারি যে ভুল করছি। কিন্তু তাৎক্ষণিক ভাবে মাথা কাজ করে না।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: না না দাদা। মুখ কখনই খারাপ করা যাবে। বাচ্চারা দুষ্টমি করবেই। এটাই স্বাভাবিক।

১৭| ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:২৩

আমিন রবিন বলেছেন: রাজাকার শব্দটা গালি হিসেবে ব্যবহার করা দোষের না। এটা টিকে থাকুক গালি হিসেবে।

২২ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে থাকুক।

১৮| ২৩ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:৩৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: যদি বলি, তাকে কি আপনি কিছু করতে পারবেন?এরা খালেদার আমলে অনেক দাপট দেখিয়েছিলো।
গত ৩ বছর ধরে কাঠগড়ায় ঘুরছে।
আমি ভালোর ভালো কিন্ত সন্ত্রাসী-দুর্বৃৃৃত্তদের বাপের বাপ।
ওই অপরাধীরা যদি আইনী লড়াই ছেড়ে বেআইনী পথে যায়, তাহলে ওদের পরিবারেরও একই অবস্থা হবে।
সবাই তো শান্তিনগরেই থাকে।

২৩ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার আত্মবিশ্বাস ভালো লাগলো।

১৯| ২৪ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেছেন:




আমি একজনকে দেখছি কুয়েটে ৩য় শ্রেনির কর্মচারী, যিনি তার প্রতিটা বাক্যেই গালি দেবে।
যেমন ধরেন কুশল বিনিময় করবে এভাবে-- তা শাউও কিরাম আছিস।
আরে বাল আমি তো ওডা আগেই কইছিলাম। এই বাল্ডা আমার সামনে কইরে লাভ নাই, ও বারা আমার জানা আছে ।
এভাবে তার প্রতিটা বাক্যেই গালি থাকবে, এক্সছেপশনাল একটা পিছ।

২৪ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:২০

রাজীব নুর বলেছেন: হা হা হা---

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.