নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অব্যক্ত ধ্বনি

আল-শাহ্‌রিয়ার

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ভেতরের কারণগুলো জানতে এবং বিশ্লেষণ করতে চেষ্টা করি এবং সবার সাথে শেয়ার করতে পছন্দ করি। সামাজিক, রাজনৈতিক আর আন্তর্জাতিক বিষয়ে লেখালেখি করতে ভালো লাগে। তাই ব্লগে পদচারনা।

আল-শাহ্‌রিয়ার › বিস্তারিত পোস্টঃ

যুক্তরাষ্ট্র কেন ইরানের ইসলামী গনতন্ত্রিক শাসনবাবস্থার বিরোধী?

১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:১১

ইরানে ইসলামী বিপ্লবের আগে ইসরাইলের পর ইরান ছিল আমেরিকার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ।
সে সময় ইরান ও সৌদি আরবের রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ওপর ভর করে আমেরিকা এ অঞ্চলে ভারসাম্যমূলক নীতি বজায় রাখত।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাথিস বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে গেলে ইরানের বর্তমান ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তার ভাষায় "ইরানে গণতন্ত্রই নেই!!!
আমেরিকা যে কোনো উপায়ে ইরানের ইসলামী শাসন ব্যবস্থা উৎখাতের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার উৎখাতের চেষ্টা, ইরানী যাত্রীবাহী বিমান ধ্বংস করা, তাবাস মরুভূমিতে কমান্ডো বাহিনী পাঠানো, ইরানের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধে সাদ্দামকে সর্বাত্মক সাহায্য সমর্থন, কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে ইরান বিরোধী জোট গঠন আমেরিকার ইরান বিরোধী কর্মকাণ্ডের কিছু উদাহরণ।
জনগণের রায়ের ওপর ভিত্তি করে ইরানে ইসলামী সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলেও আমেরিকার দৃষ্টিতে ইরান একটি অগণতান্ত্রিক দেশ। আমেরিকা কেবল ওই দেশকেই গণতান্ত্রিক বলে মনে করে কিংবা শত্রু মনে করে না যারা মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে। যেমন মিসর ও সৌদিআরবের মতন দেশগুলি অগণতান্ত্রিক হলেও সেখানে গনতন্ত্র নিয়ে আমেরিকার কোন উচ্চবাচ্য নেই, কেননা সেখানের অগণতান্ত্রিক সরকার মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করে চলছে।
ইরানে ইসলামী বিপ্লব বিজয়ের পর দেশটির জনগণ আমেরিকাসহ অন্য সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং স্বাধীনচেতা নীতি গ্রহণ করে।দেশটি এখন অন্য মুক্তিকামী জাতিগুলোর আদর্শে পরিণত হয়েছে। ইরানের এ আপোষহীন তৎপরতার ফলে একদিকে ফিলিস্তিনসহ অন্যান্য নির্যাতিত জাতিগুলো আশাবাদী হয়ে উঠেছে অন্যদিকে ইসরাইল ও আমেরিকা তাদের অবৈধ স্বার্থকে বিপন্ন দেখতে পাচ্ছে। বিপ্লব বিজয়ের পর গত চার দশক ধরে ইরান তার অবস্থানে অটল রয়েছে এবং দেশটির শাসন ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী হয়েছে।
সম্প্রতি নির্বাচনের সময় পশ্চিমা গণমাধ্যম সংবাদ পরিবেশন করছিল যে ইরানের জনগন ইরানী নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে অথচ নির্বাচনের দিন তাদের সংবাদেই প্রকাশিত হয়েছে ইরানের ৭৪% নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে যা পশ্চিমা দেশগুলোতেও বিরল!!!

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:১৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


"দেশটি এখন অন্য মুক্তিকামী জাতিগুলোর আদর্শে পরিণত হয়েছে। "

-হেজবুল্লাহ, হামাস, শিয়া মিলিশিয়া বাহিনী গঠন মুক্তিকামী জাতিগুলোর আদর্শে পরিণত হয়েছে ! শিয়া বাহিনীতে নাম লেখান রাইফেল ও ডলার আসতে থাকবে।

১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:২০

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: ভাই মনে হয় ইসরাইল পন্থী আইএস বাহিনীতে নাম লিখিয়েছেন!!! অন্যথায় হেজবুল্লাহ, হামাস, শিয়া মিলিশিয়া বাহিনীর বিরোধিতা করবার কারন থাকা সম্ভব নয়।

২| ১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:০৮

নাঈমুর রহমান আকাশ বলেছেন: আপনাদের কাছে ইসলাম মানেই একটা সেনাবাহিনী সম্বলিত রাজনৈতিক দল, তাইনা? হেফাজতি কারবার পুরো বুঝে গেছেন দেখি।

১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:২০

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: হেফাজতিদের সাথে আপনাদের সৌদি গুরুদের অনেক মিল আছে!

৩| ১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:০৮

প্রশ্নবোধক (?) বলেছেন: যুদ্ধ কখনই কে ঠিক বা বেঠিক তা নির্ধারণ করেনা, নির্ধারণ করে কে জিতবে। হামাস, হিজবুল্লাহ এরা কেমন তা বলতে পারবনা। কারণ এটা অনেক বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। তবে এটুকু বলা যায় যে, এসকল সংগঠনের মাঝে দু-একটা সংগঠন জায়নিষ্টদের অত্যাচারের স্তুপ থেকে অগ্নি স্ফুলিংগের মত শিখা বের হচ্ছে। আর কিছু আছে যা জায়নিষ্টদের তৈরী যাতে ধর্মভীরুদের (ধার্মিক নয়) মাঝে দ্বিধা বা মতানৈক্য সৃষ্টি করা যায়।

ইহুদী, ইসরাইল, বা আমেরিকা কোন ফ্যাক্ট নয়। দুনিয়া এখন তিন ভাবে বিভক্ত জায়নিষ্ট , নন-জায়নিষ্ট এবং এন্টি-জায়নিষ্ট।

[জায়নিজম এবং জায়নিস্ট সম্পর্কে জানতে নিজে চেষ্টা করুন বা গুগল করুন প্রশ্ন করবেন না। ধন্যবাদ]

১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:৩০

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: জায়নিষ্টদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্বে রয়েছে ইরান।

৪| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১:২০

শকুন দৃিষ্ট বলেছেন: আমেরিকা কেবল ওই দেশকেই গণতান্ত্রিক বলে মনে করে কিংবা শত্রু মনে করে না যারা মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে - পরম সত্য কথন

১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:০৫

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: সহমত।

৫| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১:৪০

হেৃদওয়ানুল জান্নাহ বলেছেন: ইরান আগামী দিনে আরো এগিয়ে যাবে।
যদি ভবিষ্যতে আরব বসন্ত আবার ঘটে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে তাহলে, ইরান কেন্দ্রিক একটা শক্তি বলয় গড়ে ওঠা সম্ভব।
ইরানের উচিত হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বার্থ বিরোধী দেশ যেমন- উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া এদের নিয়ে আলাদা শক্তি বা সংঘ গড়ে তোলার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেওয়া। দেখা যাক ভবিষ্যতে কি হয়।
তবে, ইরানের জন্য সবসময়ই শুভকামনা।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:০৬

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আশাকরি বিশ্বব্যাপী মার্কিন প্রভাব কমতে শুরু করবে শীঘ্রই।

৬| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:২৪

জেকলেট বলেছেন: আদর্শিক পয়েন্ট থেকে আমেরিকা এবং তার মিত্র থেকে ইরান অনকে সভ্য। আমার কাছে ব্যাপারটা জাতি হিসেবে ইরানে ইতিহাস এবং ঐতিহ্য একটা বড় ফেক্টর। ইরানের তুলনায় বর্তমান আমেরিকা এই সে দিনের রাষ্ট্র। অপরদিকে ইরানের আছে হাজার হাজার বছরের সভ্যতার ইতিহাস। এই জন্য ইরানের চিন্তা ভাবনা এবং কার্যকলাপের মাজে অনেক মেচুরেটি দেখা যায়।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:০৭

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: সহমত।

৭| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৪

নাঈমুর রহমান আকাশ বলেছেন: Click This LinkThe Ugly Face

আমি সৌদির বিরোধী, তবে ইরানের অস্ত্র প্রতিযোগীতার নীতি সমর্থন করিনা।
আর ব্লগে সৌদির জন্য মায়া দেখানো যে ভদ্রলোকটি উপরে নিজের বিশিষ্ট মাতৃভাষা প্রয়োগ করলেন, তাঁর প্রকৃত রূপ দেখতে চাইলে এই লিংকে যান।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:০৪

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: অস্ত্র প্রতিযোগিতা বলতে আপনি কি বোঝাতে চাচ্ছেন জানি না। এগারো বিলিয়ন ডলার দিয়ে আমেরিকান অস্ত্র কিনল সৌদি যা ব্যবহার করবে ইরানের বিরুদ্ধে। সেখানে ইরান কি বসে বসে আঙুল চুষবে নাকি নিজেদের প্রতিরক্ষাকে উন্নত করবে যেন যে কোন আক্রমনের জবাব দিতে পারে?

৮| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: "ইরানের ইসলামী গনতন্ত্রিক শাসনবাবস্থা"
খ্যাক খ্যাক খ্যাক ! ভাইজান ইরানে এহন সবই চলে , ভদকা থেকে শুরু কইরা মাইট্টা হুর , লিভিং টুগেদার সব !

শিয়ারা হইলো বিশ্বাসঘাতক ! এযাবৎকালে খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের সাথে যত বিরোধ , যুদ্ধ, শিয়ারা সবসময় মুসলমানদের পিঠে ছুরি মাইরাছে !

আর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি এতো সহজ নহে ! শত্রুর শত্রু এখানে বন্ধু হিসেবে গণ্য হয় , বন্ধুর শত্রু এখানে শত্রু হিসেবে গণ্য হয় !

ভাইজান , আফনের ভেহেস্ত ইরানেই যান গিয়া ! বাংলাদেশে আফনেরে ঠিক মানায় না !

১২ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১:০০

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: ভাই আপনার কাছে সম্ভাবত সৌদিই বেহেশত। সুতরাং সৌদি রাজা সালমানের চামচামি করাটা আপনার পক্ষেই সম্ভব। আর মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতি বলতে যদি আপনি ইসরাইল আর আমেরিকা কে সমর্থন করা বোঝান তাহলে তেল আবিব অথবা হাইফাতে গিয়ে ঘর সংসার সামলান।

৯| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:১৬

নাঈমুর রহমান আকাশ বলেছেন: Click This LinkThe Ugly Mosharraf Hossen
আমি কোনও দেশেরই অস্ত্র মজুতকরণ সমর্থন করিনা। হোক তা আমেরিকা, ব্রিটেন, রাশিয়া বা ইরান। যুদ্ধে খেলে শক্তিশালী নেতারা, মরে সাধারণ মানুষ।
তবে লেখককে সেজন্য লিংক দেইনি। মোশাররফ সাহেবের শিক্ষা যে কতদূর এবং তিনি কি জাতের প্রাণী তা একবার দেখুন। তিনি এই পোস্টে যেভাবে কমেন্ট করেছেন তা তার শিক্ষার উদাহরণ।
আপনার পোস্ট পড়া লাগবে না। খালি একবার লিংকে গিয়ে কমেন্ট পড়ুন।

১২ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:০৪

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: লিংকে কাজ হচ্ছে না, তাই পরতে পারলাম না।

১০| ১২ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩

আবু তালেব শেখ বলেছেন: আমেরিকা ইসরাঈল সৌদি দালালদের গাত্রদাহর কারন ইরান। আমেরিকার পাচাটা দালাল সৌদি রাজা আসলে মুসলামদের দুশমন। আমেরিকার তাবেদারি ছাড়া ওনার মাথায় কিছু নাই

১২ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:০২

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

১১| ১৩ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: সবচেয়ে বড় সমস্যা শিয়া-সুন্নি দন্দ। এই দন্দ অভ্যন্তরীন ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াচ্ছে ইসলামী বিশ্বের। যদি সেটা রাজনৈতিক দন্দ হতো ভালো হতো কিন্ত সেটা তো নয় সেটা এখন আদর্শিক দন্দে পরিনত হয়েছে। ক্ষমতার লোভে ধর্মিয় দৃষ্টিভঙ্গীরও পরিবর্তন ঘটছে। কি করা যায়? ইসলামী বিশ্বকে কিভাবে এক ঐক্যবদ্ধ একটি আদর্শের কাতারে উপস্থিত করা যায়?

ইরান যে সঠিক ইসলামী পথে সেটাই বা বলি কি করে?

১৪ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:১২

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: ইরান সঠিক পথে আছে কারন তারা শিয়া সুন্নি দন্দ চায় না বরং সব মুসলিম দেশের পাশে থাকতে চায় ইরান। কিন্তু সৌদি শিয়া সুন্নি দন্দ বাধিয়ে নিজের প্রভাব বাড়াতে চায়, এমনকি এখন সুন্নি দেশ কাতারের বিরোধিতা করছে কেননা কাতার সৌদির প্রভাব বলয় ছিন্ন করে নিজের মতন চলতে চায়।

১২| ১৪ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমেরিকা কেবল ওই দেশকেই গণতান্ত্রিক বলে মনে করে কিংবা শত্রু মনে করে না যারা মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করতে পারবে। যেমন মিসর ও সৌদিআরবের মতন দেশগুলি অগণতান্ত্রিক হলেও সেখানে গনতন্ত্র নিয়ে আমেরিকার কোন উচ্চবাচ্য নেই, কেননা সেখানের অগণতান্ত্রিক সরকার মার্কিন স্বার্থ রক্ষা করে চলছে।

প্রমানীত!

আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদাহীনতার অভাব যাদের তারাই সউদ, আম্রিকা আর ইসরাইলরে চামচামী করে!

১৭ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:০৫

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: সহমত।

১৩| ১৪ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১০:৫২

কাউয়ার জাত বলেছেন: বাংলাদেশেও তাহলে ইরানের পেইড দালাল আছে।

প্রতিউত্তরে আমাকে বিনা প্রমাণে সৌদীর দালাল বলিয়েন।

১৭ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:০৪

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: ভাই টাকাটা কি আপনার হাত দিয়ে বণ্টন হয়? বা পরিচিত কেউ থাকলে অবশ্যই বলবেন হাতের অবস্থা খুব একটা ভালো না, টু পাইস কামাইতে পারলে ক্ষতি কি??

১৪| ১৪ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ১১:০৪

কাউয়ার জাত বলেছেন: ফুটপাথের হকাররা ব্লগে আসেনা। যারা ব্লগে আসে তারা আপনার ওয়াশ মাথার ক্যাম্পেইনে রাতারাতি ইরানকে স্যালুট জানানো শুরু করবে এমন ভাবার কারণ নেই।

১৭ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৮:০১

আল-শাহ্‌রিয়ার বলেছেন: আপনাকে ফুটপথের হকার বলেই মনে হচ্ছে। কাউয়ার জাত কতই বা ভালো হবে??

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.