নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Mail: [email protected]

অর্ক

Mail: [email protected]

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩



আমার একটি অভিজ্ঞতা বলছি। বেশ ক'বছর আগে ইরানি ফুটবল দল বাংলাদেশে টুর্নামেন্ট খেলতে এসেছিলো। খেলেছিলো বাংলাদেশের সাথেও। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হয়েছিলো খেলা। সরাসরি দেখেছিলাম। সে এক ভয়ানক অভিজ্ঞতা। ইরানের বেশিরভাগ খেলোয়াড় ছিলো অসভ্য। মাঠের মধ্যেই বাংলাদেশেী খেলোয়াড়দের সাথে দুর্ব্যবহার করতো। বারবার ফাউল করতো। শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ করতো থেকেথেকে। বাংলাদেশী খেলোয়াড়রা হ্যান্ডশেকের জন্য হাত বাড়ালে, ওরা অনেকসময় হ্যান্ডশ্যাক না করে দাঁতমুখ খিঁচিয়ে চলে যেতো। খুবই বাজে অপেশাদার আচরণ। আর সে কি অহংকার একেকজনের! বাংলাদেশকে ইরানিরা কি চোখে দেখে, খেলোয়াড়দের আচরণ দেখেই পরিষ্কার বুঝতে পেরেছিলাম। বাংলাদেশীদের তাদের মতো মানুষই মনে করে না ইরানিরা! এটা আমার চোখে দেখা ঘটনা। একইভাবে আরও বহু দেশের খেলা দেখেছি গ্যালারিতে বসে, টিভিতে, কিন্তু ইরানিদের মতো মাঠে এমন অসভ্য আক্রমণাত্মক ব্যবহার করতে দেখিনি অন্য কোনও দেশের খেলোয়াড়দের। আরেকবার কাবাডি ওয়ার্ল্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ চলছিলো। ইরান ও ভারত মুখোমুখি। খেলায় পিছিয়ে পড়েছিলো ইরান। নিশ্চিত জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো ভারত। পরিষ্কার মনে আছে। সে খেলায় রেফারির দায়িত্বে ছিলো থাইল্যান্ডের এক ভদ্রলোক। খেলার শেষ দিকে এসে বিস্ময়ের সাথে দেখলাম যে, ইরানের কোচ সামান্য কিছু নিয়ে মেজাজ হারিয়ে রেফারিকে একেবারে শারীরিকভাবে ধাক্কা দিয়ে বসলো। জঘন্য ব্যাপার। সবাই অবাক। কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ ছিলো পর্যন্ত! একটি আন্তর্জাতিক খেলায় কোনও দেশের কোচের এ ধরণের আচরণ আসলে অকল্পনীয়। খেলোয়াড়রা অনেকসময় মেজাজ হারিয়ে উল্টাপাল্টা কাণ্ড ঘটিয়ে বসে, কিন্তু তাই বলে কোচ! না, এ দাবি করছি না যে, সব ইরানিই এরকম। মোটেও তা না। আমার দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক রেসলিং কোচ ছিলো ইরানি। শাহিন নাম তার। অত্যান্ত ভালো মানুষ। খেলোয়াড়দের সাথে ভালো সম্পর্ক ছিলো। স্নেহ করতো আমাকে। যাই হোক শেষ করে আনছি। দীর্ঘ মোল্লাতন্ত্রের শাসনে এক অসভ্য বর্বর জাতিতে পরিণত হয়েছে ইরান। সেখানকার সমাজব্যবস্থা একেবারে ভেঙে গেছে। শিক্ষার মান নিম্নমুখী। মানবিক মূল্যবোধের চর্চা শূন্যের কোঠায়। আইনের শাসন নেই। দূর্নীতি অনিয়ম বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। এর জন্য দায়ী এই মোল্লাতন্ত্র। ইরান বিশ্বের জন্য আজ এক বিপদের নাম, আতঙ্কের নাম। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ইরান। সে সম্পদ দিয়ে সমস্ত ইরানিদের জন্য সুখী সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা যেতো অনায়াসে। সেটা না করে আট দশটা জঙ্গি সংগঠন পেলেপুষে মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থির করে রেখেছে ইরান। হামাস হুতি হিজবুল্লা আইএসসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনকে দীর্ঘসময় ধরে ফান্ড করে আসছে। বিরাট অর্থ ব্যায় করছে এসবের পিছে। অথচ ইরান নিজে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ না। ইসরায়েইলই শুধু নয়, আশেপাশের দেশগুলোও তাদের দ্বারা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত, অত্যাচারিত হয়ে আসছে। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের মূল হোতা ইরানই। এদের ধ্বংস করা না গেলে, এরাই পৃথিবীকে ধ্বংস করে দিবে। তাই মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে আমি সর্বাত্মকভাবে আমেরিকা, ইসরায়েলের সাথে আছি। ইসরায়েল তাদের অস্তিত্বের লড়াই লড়ছে। আমি বিশ্বসভ্যতা, মানবিক মূল্যবোধ, মানবতার সাথে আছি। বিশ্বশান্তির জন্য ইরানের নিরস্ত্র হওয়া খুবই জরুরি। এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে। ইরানের শান্তিকামী সুস্থ স্বাভাবিক বাকি মানুষদের জন্য ভরপুর শুভকামনা। তাদের সামনে আজ সম্ভাবনার দ্বার খুলে গেছে। ব্যাপারটা মোটেও সহজ নয় যদিও। তবুও সুদিনের প্রত্যাশা। শান্তির প্রত্যাশা। জয় হোক মানবতার। জয় হোক বিশ্বসভ্যতা, বিশ্বশান্তির।

(চলবে)

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যেখানে বিশ্বের সকল শান্তিপ্রীয় মানুষই ইরানের বিপক্ষে (আয়োডিনের অভাব এবং পুষ্টিহীনতায় ভুগা কিছু বাঙাল জনগোষ্ঠী ছাড়া) সেখানে আপনি কেন ইরানের বিপক্ষে তা নিয়ে এত কৈফত দেয়ার কারণ কি? ইরানকে সাপোর্ট করার কারণে চরমপন্ধীদের কাছ থেকে কোন হুমকি পেয়েছেন?

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১২

অর্ক বলেছেন: জ্যাকস্মিথ ভাই আমি নিরাপত্তাহীনতা, জীবনাশঙ্কায় আছি। অনেকদিন থেকে ইউটিউবে চ্যানেল খুলে কথা বলার ইচ্ছা দমন করে রেখেছি। এটা করলে আর বাঁচবো না। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন লোকদের সাথে মিশি। ওরাই মহানন্দে মব করে হত্যা করবে আমাকে। এটাই এ বাঙ্গুলয়ান্ডের বাস্তবতা। আমি ইন্টারন্যাশনাল লাইট হেভিওয়েট রেসলার। মব অস্ত্র খুব ভয় পাই ভাই। হে হে হে। কথা বলতে হবে ভাই আমাদের। তবেই পরিবর্তন হবে। আমার লেখা পড়ে অনেকেই ভিন্ন চোখে ব্যাপারটা চিন্তার অবকাশ পাবে। আফসোস যে, ব্লগ এখন একেবারে মৃতপ্রায়।

ধন্যবাদ। শুভকামনা থাকলো।

২| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইরান খারাপ এটা বুঝলাম। কিন্তু আমেরিকা-ইসরাইল যে পুরো দুনিয়র উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিল ইরানে হামলার নামে — সেটা কী হবে? এটা পুরোপুরি অবৈধ একটা যুদ্ধ। পুরো বিশ্ব ইসরাইলের এসব কুকর্মের কারণে আজ দিশেহারা। এখন পর্যন্ত ৩ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন আর এক ডজন আহত। আপনার ব্যক্তিগত রাগ থাকতে পারে, তবে যেহেতু ইরান নিজেই আক্রান্ত তাই তাদের নিয়ে খারাপ কথা বলা অর্থহীন।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৯

অর্ক বলেছেন: এগুলো বলে লাভ নেই। যুদ্ধের বৈধ অবৈধ নেই। ৭১ এও আপনার মতো পাকিদের হয়ে কুযুক্তি দেয়া পায়জামা মোমিনের অভাব ছিলো না বিশ্বে। কিন্তু বাস্তবতা একেবারে বিপরীত। ইসরায়েলিরা বোঝে, কতোটা দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তাদের। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে যুদ্ধে লড়ছে তারা। ইসরায়েলের চারপাশে হামাস হুতি হিজবুল্লা ইসলামিক জিহাদকে কারা ফান্ড করে? বিরাট শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে জঙ্গিদের। তাদের উদ্দেশ্য কি? এতো বিপুল অর্থ তারা পায় কোথা থেকে? হাওয়া থেকে আসে? কাদের দ্বারা ইসরায়েল বরাবর আক্রান্ত হয়ে আসছে? আসলে জন্ম থেকে আজ অব্দি একদিনের জন্যেও ইসরায়েল যুদ্ধের বাইরে ছিলো না। শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে কতোদিন আর আত্মরক্ষা করা যায় বলেন? এটা অনন্তকাল চলতে পারে না। প্রতিপক্ষ ক্রমশ নির্বিঘ্নে শক্তি বাড়িয়ে চলেছে। কতোদিন বহিঃশক্তির আক্রমণ থেকে বাঁচতে সাইরেন বাজিয়ে বাজিয়ে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষ বাঙ্কারে লুকাবে?এভাবে কতোদিন চলতে পারে বলেন? শুধুমাত্র মানবিক কারণে হলেও আমাদের সবার ইসরায়েলের পাশে দাঁড়ানো উচিৎ। এ যুদ্ধ শুভের সাথে অশুভের। দানবের সাথে মানবের। সভ্যতার সাথে বর্বরতার, আদিমতার। ভাইয়া, এর উপর আমার গভীর পড়াশুনা আছে। পক্ষে বিপক্ষে হাজারও রিপোর্ট, আলোচনা দেখেছি, শুনেছি। আমি শতভাগ ঠিক জানি। শতভাগ নিশ্চিত হয়েই বলছি। মুসলিম বিশ্ব বরাবর ভুল করে আসছে এটা নিয়ে। এরা অকারণে সমস্যা তৈরি করে আসছে শুরু থেকে। এরা আসলে ক্ষতি করে আসছে সাধারণ ফিলিস্তিনিদেরও। যারা ইসরায়েলিদের সাথে মিলেমিশে থাকতে চায়। ইহুদিদের সাথে যাদের কোনও জাতি শত্রুতা নেই। আপনি বিরাট বিভ্রান্তির মাঝে আছেন। আপনার জানার অনেক ভুল আছে। দেখি, চেস্ট করবো বিস্তারিত লেখার। বহু পরিশ্রমের ব্যাপার যদিও। তবুও চেস্টা করবো। মাথায় থাকলো। আমি শতভাগ ইসরায়েলের সাথে আছি, মানবতার সাথে আছি, শুভের সাথে আছি।

ধন্যবাদ। শুভকামনা থাকলো।

৩| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এনসিপিতে যোগ দেন ; হেডম নিয়ে চলবেন । :)

৪| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০৯

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব- এই তিনজন বাংলাদেশী'ই ইরানের মিসাইলে মারা গেছে, এরা যদি ইসরাইলের মিসাইলে মারা যেতো তাহলে আজ পুরো বাংলাদেশ তোলপাড় হয়ে যেতো, শাহাবাগ অবরোধ থাকতো তিন মাস; তারেকের গাদি নিয়ে টানাটানি বেঁধে যেতো।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪১

অর্ক বলেছেন: একদম। ইরানিরা বরাবর এলোপাতাড়ি বোমা হামলা করে। কাণ্ডজ্ঞানহীন অসভ্য বর্বর জাতি। হুমকিধামকি মাস্তানি দেখিয়ে আসছে বরাবর। শুধু এতেই থেমে নেই। মধ্যপ্রাচ্যে সমস্ত প্রক্সি এদের। এরা জঙ্গি সংগঠনগুলোকে ফান্ড করে আসছে ইসরায়েলকে ধ্বংস করার জন্য। হিজবুল্লা ইতোমধ্যে লেবাননকে শেষ করে দিয়েছে। হামাস আশির দশক থেকে সক্রিয়। থেকে থেকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে যেয়ে সাধারণ মানুষদের হত্যা করে আসে। কাপুরষ হীন জাতি। সব নষ্টের গোড়া ইরান। জঙ্গিরা তো ফুট সোলজার মাত্র। বাছর খানেক আগে দেখবেন, ভারতও অপারেশন সিঁদুর করেছে পাকিস্তানে যেয়ে। এখন ভারতে একটা ঢিল ছুড়তেও একশোবার ভাববে পাকিস্তান। যার সমস্যা তাকেই সমাধান করতে হয়। কেউ কিছু করে না। কুতুব বাস্তবতা বুঝতে চায় না। উল্টাপাল্টা সোর্স থেকে ভুল জেনে এসে ব্লগে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

৫| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৫০

অপু তানভীর বলেছেন: বাঙালি সুন্নি মুসলিমদের শিয়া-ইরান প্রীতির একমাত্র কারণ হচ্ছে ইরান আমেরিকা বিরোধী। অন্য দিকে এই সুন্নীরা কিন্তু শিয়াদের মুসলিম বলেই মনে করে না! :D

১০ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

অর্ক বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন। এটাই বাস্তবতা। অনেক ধন্যবাদ।

৬| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪

কথামৃত বলেছেন:

আজ আপনার বন্ধুরা খোররামাদাদ শহরে তিন মেয়েকে পর্দা থেকে বের করতে সক্ষম হয়েছে। সাম্রাজ্যের নেতাদের এবং এটিকে সমর্থনকারী পশ্চিমা মহিলাদের একটি নতুন কীর্তি, যারা এই তিন মেয়েকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:১০

অর্ক বলেছেন: সেটাই। বর্বর ধ্বংসকারী গোঁয়ার অমানুষ শাসক, শাসনব্যবস্থার জন্য ভুগতে হয় সাধারণ মানুষকে। যুদ্ধ যেন না হয় এর জন্য কাজ করতে হবে সবাইকে। ইসরায়েলের ওপর কিভাবে মিসাইলের বৃষ্টি হয় দেখেননি! সব ব্যর্থ হয় না। তাদেরও মানুষ মারা যায়, ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওরকম ভারি শক্তিশালী মিসাইল বৃষ্টি বাংলাদেশে হলে আমরা বেচে থাকবো ব্লগিং করার জন্য? ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মজবুত দেখে অতোটা ক্ষয়ক্ষতি হয় না। কিন্তু এভাবে কতোদিন? এ যুদ্ধ হবেই। এ যুদ্ধ অনিবার্য। আমি সত্য শুভ সুস্থ সুন্দরের সাথে। ইরান অপরাধী। ইরান দায়ী। ইরানি শাসকদের জন্য আজ তাদের ভুগতে হচ্ছে।

ধন্যবাদ।

৭| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ইরানের প্রতিটি মনুষের মৃত্যু এবং ক্ষয়ক্ষতির জন্য খামেনী সরকার দায়ী, এই খামেনী সরকার পুরো ইরানবাসীকে জিম্মি করে রেখেছে।

৮| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:২২

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: পোস্টের অবস্থা হচ্ছে ,যারে দেখতে নারি , তার চলন বাকা !! কি ভয়ঙ্কর মিথ্যাচারের মাধ্যমে যাচ্ছেতাইভাবে ইরানিদের তুলে ধরলেন? ইরানে শিক্ষার হার জানেন? একটূ গুগল করে দেখেন। ইরানে শিক্ষার হার অত্যন্ত উচ্চ, যা বর্তমানে প্রায় ৯০%-এর বেশি । ১০ থেকে ৪৯ বছর বয়সী নাগরিকদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৯৬.৬%-এর উপরে পৌঁছেছে। জাতিগতভাবে ইরানিরা খুবই ভদ্র , সভ্য জাতি।

ব্লগার কথামৃতের কমেন্টতো আপনার এন্টেনায় ধরা পড়ে নাই !! পড়ার কথাও না অবস্য!!

১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫২

অর্ক বলেছেন: আপনার জানার বোঝার ভুল আছে! ইরানি ডিগ্রির মূল্য নেই পৃথিবীতে! ইরানিরা দুনিয়াজুড়ে পড়তে যায় ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে। ভারতে আসে দলে দলে। ইরানি সার্টিফিকেট বাংলাদেশেই গ্রহণ করবে না!

ধন্যবাদ। শুভকামনা থাকলো।

৯| ১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



১ নং মন্তব্য উত্তর পড়ে মনে হয়েছে আপনি ভয় পেয়েছেন এমন কিছু বুঝাতে চাইছেন। সত্যি বলতে কি আপনার লেখায় এমন কোনো আক্রমণাত্বক কিছু কখনও লক্ষ্য করি নি। তাই চিন্তামুক্ত থাকুন। আপনার কোনো ভয় নেই।

আপনার আওয়ামী লীগে ভয় নেই
আপনার জামাতেও ভয় নেই।
আপনার বিএনপিতে ভয় নেই।

তবে ভুতের ভয় থাকলে মহাজাগতিক চিন্তা সাহেব কে বিস্তারিত বলুন। তিনি আপনার জন্য দোয়া ও জিকিরের ব্যবস্থা করবেন, মনে হয়।

১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২৮

অর্ক বলেছেন: মাত্র পয়দা হলেন নাকি বাংলাদেশে! ২৫-৩০ জন ব্লগার হত্যা হয়েছিলো কোনও কারণ ছাড়াই! আমার মন্তব্য নিয়ে আপনার অতো গবেষণা করার দরকার নেই। এখানে অনেকেই আমার বন্ধু স্থানীয়। নানান কথা হয় তাদের সাথে। ওসব নিয়ে আপনার ফালতু মাথা ঘামানোর মোটেও দরকার নেই। আমার চিন্তা আমাকে করতে দেন। আপনার মাতব্বরি করতে হবে না। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.