| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কলিমুদ্দি দফাদার
“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”
বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার মাছে ভর্তি। ইলিশ ছাড়া ও আরো নানা রকম নদীর মাছ। সাধারণ সকালে মাছের বাজার বসলে ও এখন ইলিশ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রায় সারাদিন বাজার গরম।
কথা হচ্ছে মাছের দাম আসলেই কিছুটা কম। দুর্গা পুজা আসলে এমনিতেই ও ইলিশ মাছের দাম ওজন ভেদে চার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা হয়ে যায়। বর্তমানে ভারতীয় গুজরাটি ইলিশে নাকি বাজার সয়লাব। মনে হচ্ছে সিন্ডিকেট বেশি সুবিধা করতে পাচ্ছে নাই। তাই দাম কম!চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছ ঘাট। এখানে নানাপ্রান্ত থেকে মাছ এনে সারাদেশে সহ বিদেশে ও পাঠানো হয়।
বাজারে মাছ কিনতে হলে বিশাল হেডম লাগে। দেশের মাছ বাজারে দরাদরি করে মাছ কিনে জিতে আসা আমার দৃষ্টিতে এক প্রকার শিল্প। একজন অভিজ্ঞ মাছ বিক্রেতার জীবন-জ্ঞান কয়েকজন পিএইচডি ধারীর চেয়ে বেশি। মাছ নিয়ে যে কত রকম চুরি-কারচুপি আর লোক ঠকানোর উপায় আছে, ইহা একজন অভিজ্ঞ ক্রেতা ছাড়া আর কেহ জানে না। তাছাড়া মাছ কিনে জিতে আসা জ্ঞান-বুদ্ধি সহ পুরুষালী একটি উওম বৈশিষ্ট্য
আমার মাছ কিনার অভিজ্ঞতা খারাপ না। তবে দামি বা একসাথে অনেক টাকার মাছ কিনতে একটু হার্টবিট দরফর করে! আরে যদি কিনে ঠকে যাই! তবে এবার সাথে এক্সপার্টিজ ছিলো। ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ স্ট্যান্ডাড ও স্বাদ ভালো। ইহার দাম বর্তমানে ২৬০০ টাকা এখানে। তবে সকালে ধরে আনা পদ্মার ফ্রেস ইলিশ, তাই মাছ ঘাটে দাম নাকি কিছুটা বেশি থাকে।
চিটাগাংয়া ইলিশ, নামার ইলিশ নামে ও কিছু প্রজাতির ইলিশ আছে সেগুলোর দাম তুলনামূলক কম। মাছ না চিনলে বেশি দামে সেগুলো কিনার মতো ভয় আছে।
কয়েকটি বড় সাইজের কাতলা, বোয়াল ও ছিল। তবে পছন্দের নদীর পাঙ্গাস দেখি নাই।
চাঁদপুরে তিন নদীর মোহনা। পদ্মা-মেঘনা আর ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থল। বর্ষা মৌসুমে নাকি এই সংযোগস্থল ঘুর্নি খুবই বিপদজনক। একাধিক লঞ্চ ডুবির মতো ঘটনা ও আছে।
এই নৌকাগুলো সাথে বড় ট্রলারে বরিশাল, ভোলা, মনপুরা ইলিশ ধরে নিয়ে এসে এই ঘাটে তুলে।
সামুদ্রিক কোরাল মাছের কথা শুনেছি। এবার নদীর কোরাল মাছ আছে জানলাম। লাল কোরাল মাছ আমার খুবই পছন্দের। এই কোরাল টা নিছি তবে মাছ কাটায়া বাসায় না ঠুকলে নির্ঘাত ভাত বন্ধ!
মাছ বাজারের পাশেই অনেক হোটেল আছে। মধ্যাহ্নভোজনে ছিলো ইলিশ মাছ; সাথে ইলিশের ভাজা লেজ দিয়ে পোড়া মরিচ আর পেঁয়াজ দিয়ে মাখানো ভর্তা। ইলিশ কিনে দিলে সামান্য খরচের বিনিময়ে তাঁরাই সব প্রস্তুত করে দেয়।
তাজা ইলিশ মাছ রান্না করে দেয় কাঁচা কলা দিয়ে। উফফফফফ!!! তাজা ইলিশের স্বাদ ই অন্যরকম। স্বাদেই আর কয় "মাছের রাজা ইলিশ আর বাত্তির রাজা ফিলিপস" :p
গোটা ইলিশের থালি।
ইলিশ আর পেঁয়াজের তরকারি।
লেজ ভর্তা।
বেগুন ভাজা।
চাঁদপুর মাছ ঘাটে পুর্বে কয়েকবার ইলিশ খাওয়ার ছবি। তখন সরিষার তেল দিয়ে খেয়েছিলাম ভাজা ডিম ওয়ালা ইলিশের দোপেঁয়াজা আর বেগুন ভাজা।
কিন্তু সেই ইলিশটি খেয়ে কেন যেন তেমন একটা মজা পাইনি; তাই এবার রেসিপি সুইচ করে সেই জম্পেশ একটি খাওয়ার হয়েছে। 
ইহা রং হীন হাতে পাতা বিখ্যাত একটি সাদা মিষ্টি দই। ভরা পেটে আরো কয়েকগুণ বেশি ছিলো এই স্বাদ।
আমি খুব সম্ভবত ২০০৩ সালের বন্যায় সর্বনিম্ন ৬০ টাকা কেজি ইলিশ মাছ দেখেছিলাম। আমার নানা ভাইয়ের সাথে গিয়ে বাজার থেকে তখন ক্যারেটে ক্যারেটে মাছ নিয়ে আসি। আপনারা পেয়েছিলেন কতো?
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
মিরপুর ১১ নাম্বার বাজারে সকালে ১২ আনা - ১ টাকা করে ইলিশ মাছ বিক্রি হতো, ইলিশ মাছের ওজন আনুমানিক ৬০০-৭০০ গ্রাম। চাঁদপুর নাকি পদ্মার কোন দেশের ইলিশ জানা নেই। সময় ১৯৭২-১৯৭৩ ওই সময়কার ১২ আনা ১ টাকা হিসাব বুঝতে একটু গুগল করলাম। মুদ্রাস্ফীতি ও ক্রয় ক্ষমতা হিসেবে বর্তমানে সময়কার ৩০-৪০ টাকার সমান বলছে। তবে আমার ধারনা এই মান আরো বেশি হবে। এই সময় মানুষের ক্রয় ক্ষমতা ও টাকার প্রচলন ছিলো কম; দারিদ্রতা ছিলো অনেক বেশি। ১ টাকা মোটেও কম হবার কথা নয় বাজার তুলনায়....
২|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪১
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
জিয়াউর রহমানের আমলে ইলিশ মাছ ২০ টাকায় চারটা পাওয়া যেতো। বিচিত্র কারণে জিয়াউর রহমানের আমলে দেশে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পরেছে।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:০৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেছিলেন ৭৫ এর পর। বাজার মান বিবেচনায় ২০ টাকায় চারটি ইলিশ মোটেও কম নয়।
বিচিত্র কারণে জিয়াউর রহমানের আমলে দেশে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পরেছে। হুমায়ুন আহমেদের জোৎস্না ও জননীতে এমন উল্লেখ ছিলো যে- জিয়াউর রহমানের সময়ে বন্যা, ক্ষরা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়েছিলো কম। মানুষ চাষ-বাস করে খেতে পেরেছে, ফলন ভালো হয়েছে। ফলশ্রুতিতে উনার আমল নিয়ে জনমনে ক্ষোভ ছিলো তুলনামূলক কম....
৩|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমি একবার মধুমতি নদীর ইলিশ মাছ খেয়েছিলাম
তার স্বাদ, গন্ধ ও রুপ রস কোনটারই তূলনা হয়না ।
পদ্মার ইলিশ এর ধারে কাছেও না ।
.......................................................................
আর কখনো ঐ রকম মাছ পাই নাই । সরাসরি পদ্মা থেকে
তুলে খেয়েছি কিন্ত মাছও মনে হয় দূষিত হয়ে গেছে ।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:০৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
সরাসরি পদ্মা থেকে
তুলে খেয়েছি কিন্ত মাছও মনে হয় দূষিত হয়ে গেছে ।
ইহা সঠিক। নানা কারনে ইলিশের স্বাদ আর আগের মতো নেই্।
তবে পদ্মার তাজা ইলিশের খেয়ে এবার খুব মজা পেয়েছি।
হালকা তেল-মশলা দিয়ে ইলিশের পাতলা ঝোলটা
ইলিশ ভাজা থেকে বেশ ভালো লাগলো।
৪|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১০
শ্রাবণধারা বলেছেন: ইলিশ ভ্রমণ পড়ে বেশ আনন্দ পেলাম। ছবিগুলো দেখে একদিকে যেমন খিদে পেয়ে গেল, তেমনি নদীর ঘাটের ছবি আর বরিশাল-ভোলা থেকে জেলে নৌকা ও ট্রলারে ইলিশের ঘাট থেকে ঘাটে যাওয়ার কথা পড়ে মনটা উদাসও হয়ে গেল!
তারপর ঠাকুর মাহমুদ ভাইয়ের মিরপুর ১১ নম্বরের বাজার থেকে ১২ আনা থেকে ১ টাকা দরে ইলিশ মাছ কেনার মন্তব্য পড়ে চোখ কপালে উঠল!
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৭
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
দেশের বাইরে থাকলে মাঝ রাতে আমি ও বসে বসে বাংলা খাবারের ভিডিও দেখি। জাহাঙ্গীরনগর ভর্তা-ভাজি, পুরান ঢাকার কাচ্চি, সকালের নাস্তা এইসব আর কি।
ট্রলারে ইলিশের ঘাট থেকে ঘাটে যাওয়ার কথা পড়ে মনটা উদাসও হয়ে গেল! মাঝিদের জীবনটা পরিশ্রমের ঠিক আছে; কিন্তু সাধারন মানুষ অপেক্ষা তারা অনেক মেদ ভুঁড়িহীন। ডায়াবেটিস, পেশারসহ অনন্যা রোগবালাই ঝুঁকি কম; আপাতত এতটুকুই সান্ত্বনা।
৫|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: ৯ শ' গ্রামের ইলিশ আমি ২৬ শ' টাকা দিয়ে ক্রয় করিব না। নো নেভার।
বাজারে প্রচুর ইলিশ। তবে বড় ইলিশ মাছের সংখ্যা কম। ভারত থেকে প্রচুর ইলিশ এসেছে। এটা ভালো দিক। কিন্তু তাতে ইলিশের দাম কমেনি।
সেদিন আমি বাজারে গিয়েছি। এক কেজি ইলিশের দাম চাচ্ছে ৩৬ শ' টাকা। আমি কিনি। ৩৬শ' টাকা দিয়ে আমি চারা কেজি গরুর মাংস কিনে এনেছি।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
: ৯ শ' গ্রামের ইলিশ আমি ২৬ শ' টাকা দিয়ে ক্রয় করিব না। নো নেভার। আপনারা ধনীরা দাম দিয়ে ইলিশ না কিনলে গরীব মাছ বিক্রেতারা খাবে কি? এইটা তো বেইনসাফি কথাবার্তা! :p
সেদিন আমি বাজারে গিয়েছি। এক কেজি ইলিশের দাম চাচ্ছে ৩৬ শ' টাকা। আমি কিনি। ৩৬শ' টাকা দিয়ে আমি চারা কেজি গরুর মাংস কিনে এনেছি। ঢাকায় বাজার ভেদে মাছের দাম কম বেশি হয়। মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজারে মাছের দাম একটু কম। পুজা আসলে এমনিতেই ইলিশ মাছের দাম বেড়ে যায়; সেই তুলনায় চাঁদপুর ঘাটে দাম কম।
৬|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৫
জুল ভার্ন বলেছেন: ছেলে বেলায় ইলিশ মাছ কতটা সস্তা দামে দেখেছি এবং কিনেছি- তা বললে অনেকেই বিশ্বাস করবে না। তবে দুই দিন আগে ১১০০-১১৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কিনেছি ২৬৫০/- কেজি।
অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে- ২০৫০ সালের মধ্যেই আমাদের দেশে ইলিশ মাছ দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাবে।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
বাজারদর আর মানুষের ইনকাম অনুপাতে সস্তায় ইলিশ মাছের ছোঁয়া আমি ও কিছুটা পেয়েছি। মনে হচ্ছে ছোট ছোট আড়তদার এখন অসহায় বড় সিন্ডিকেটের কাছে। মাছের বাজার দামদড় সিজন অনুযায়ী এরাই ঠিক করে দেয়; সাধারণ মানুষ অসহায়! আর ১১০০ গ্রাম ইলিশ ২৬৫০ টাকায় তা ও আবার ঢাকার বাজারে!!! আপনি পাক্কা দরদাম করে মাছ কিনেওয়ালা....
অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে- ২০৫০ সালের মধ্যেই আমাদের দেশে ইলিশ মাছ দুষ্প্রাপ্য হয়ে যাবে। ইহা সঠিক অনুমান। এখন একটি সিজনে মা ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলে ও সরকারের মনিটরিং অভাবে এখন প্রচুর জাটকা আর ডিমওয়ালা ইলিশ ধরা পড়েছে। কারেন্ট জাল ব্যবহার ও অতি মাত্রায় নদী দূষণ ও ইলিশ মাছ কমে যাওয়ার অন্যতম কারন। বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় এখন ই ইলিশ উৎপাদন অনেক কম.....
৭|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ভালো রিপোর্টিং।
ইলিশ আর রুই আমার প্রিয় মাছ।
কিন্তু, কেন যেন মাছ ধরা থেকে মারা পর্যন্ত মাছকে যে কষ্টকর ধাপ পার হতে হয়, তা ভেবে খুব খারাপ লাগে।
এটা নিয়েই ভেবেছি কয়েকবার।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ইলিশ আর রুই আমার প্রিয় মাছ। সাত কড়া দিয়ে ইলিশ আর রুই মাছের কোন রেসিপি আছে?
এক সিলেটি এবার সাতকড়া মাংস খাওয়ালো মালয়েশিয়া তে।
অনেকদিন পর খাওয়াতে বেশ ভালোই লাগলো।
কিন্তু, কেন যেন মাছ ধরা থেকে মারা পর্যন্ত মাছকে যে কষ্টকর ধাপ পার হতে হয়, তা ভেবে খুব খারাপ লাগে।
এটা নিয়েই ভেবেছি কয়েকবার। দুনিয়ার সকল কাজ কষ্টের। কারো ব্রেইন পেশার পড়ে বা কারো গায়ে....
৮|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩৩
মাথা পাগলা বলেছেন: এখন প্রতিবছর ২~৩ বার ইলিশ কেনা হয়। আর খেয়ে প্রতিবারই বলি ঠকসি! এবার ভাবছি ভালো রেস্টুরেন্টে একটু খরচ করে খেয়ে আসবো। কিন্তু ঐ ইলিশ বাসায় যে সিম্পল পাতলা ঝোল করে, ঐরকম করে না। উল্টা-পাল্টা জিনিস অ্যাড করে টেস্ট নষ্ট করে দেয়। ছোট থাকতে ২০০১~২০০২ প্রায় প্রতি সপ্তাহে ইলিশ খেতাম। প্রথমে ভাজা, তারপর ঝোল আর লাস্টে ডালের সাথে ঝোল থেকে ছোট পিস সাথে অল্প ঝোল, আলু আর লেবু ১০০% পাওয়ার দিয়া কচলাইয়া।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:১৭
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
কোন এক কারনে এখন যেন কেন আর ইলিশ মাছ তেমন একটা ভালো লাগে না। ফ্রিজে রেখে দেয় এইজন্য নাকি রন্ধন শৈলীর কারনে নাকি আসলেই ইলিশের স্বাদ কমে গেছে বুঝতে পারছি না। ইলিশ এখন আর আমার পছন্দের মাছের তালিকায় নাই, আমার ভালো লাগে নদীর পাঙাস, চিংড়ি।
এবার ভাবছি ভালো রেস্টুরেন্টে একটু খরচ করে খেয়ে আসবো। মাওয়ায় এখানে প্রজেক্ট হিলশা নামে একটি রেস্টুরেন্টে আছে। পরিবেশ ভালো কিন্তু ইলিশের তুলনায় দাম অনেক বেশি পাশাপাশি স্বচ্ছতা নেই। আমার মতে কয়েকজন বন্ধু বান্ধব মিলে নিজে দেখে ইলিশ কিনে সাধারন কোন রেস্টুরেন্টে দিলে ওরা জোশ করে রান্না ও ভর্তা করে দিবে।
৯|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৬
মিরোরডডল বলেছেন:
ইলিশ পছন্দ না, শুধু ইলিশের ডিম ভালো লাগে। সেটা যদি মায়ের রান্না হয়।
নিজে না খেলেও বন্ধুদের খাওয়াতে দুইবার ইলিশ রান্না করেছিলাম, অভিজ্ঞতা ভালো না হওয়ায় আর কখনও রান্না করিনা।
অনেক আগে এটা নিয়ে একটা পোষ্ট করেছিলাম।
ইলিশের দোপেঁয়াজার ছবিটা মজার মনে হচ্ছে।
বাংলাদেশে গিয়ে ফ্যামিলির সবাইকে মাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিলাম, ওখানে রেস্টুরেন্টে ফ্রেশ ইলিশ পছন্দ করে কেনা, ইন্সট্যান্ট রান্না করে গরম গরম পরিবেশনা, সবাই যে অনেক মজা করে খেলো, ওটা দেখতেই আমার ভালো লেগেছে
ইলিশের মাঝে সবাই যে কি পায়, এটা আমার কাছে রহস্যই থেকে গেলো, তবে মাথা পাগলার কমেন্ট মজার ছিলো।
মাথা পাগলা বলেছেন: প্রথমে ভাজা, তারপর ঝোল আর লাস্টে ডালের সাথে ঝোল থেকে ছোট পিস সাথে অল্প ঝোল, আলু আর লেবু ১০০% পাওয়ার দিয়া কচলাইয়া।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:১৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ইলিশের মাঝে সবাই যে কি পায়, এটা আমার কাছে রহস্যই থেকে গেলো ২০১৩ সালে বান্দরবান শহর থেকে নীলগিরি যাওয়ার সময় আর্মি চেক পোষ্টে আমাদের গাড়িটা নষ্ট হয়ে যায়। ড্রাইভার বান্দরবান শহরে যায় মেকানিক আনতে। সময় কাটাতে সামনে বাসের যাত্রী ছাউনী তে এক উপজাতি ছেলের সাথে কথা। সেখানকার বাজারঘাট, খাওয়া দাওয়ার কথা জানালাম। জিগ্গেস করলাম কোন মাছ বেশি পছন্দ? উপজাতি ছেলেটি চিটাগাং আঞ্চলিক টোনে বললো "ইলিছ মাছ ভাইয়া" ![]()
ইলিশের দোপেঁয়াজার ছবিটা মজার মনে হচ্ছে। খুব দুঃখজনক ভাবে ঠান্ডা ভাতের সাথে দোপেঁয়াজা খেতে বাজে লেগেছে। রান্না করা ইলিশের স্বাদটা বেশি। আর ছবি সিলেকশন টা মনে হয় ঠিক হয়নি। এগুলি আজকে খেলাম। রান্না করা ইলিশ তেল আর পেঁয়াজ দিয়ে শুধু।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৩৪
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
মিরপুর ১১ নাম্বার বাজারে সকালে ১২ আনা - ১ টাকা করে ইলিশ মাছ বিক্রি হতো, ইলিশ মাছের ওজন আনুমানিক ৬০০-৭০০ গ্রাম। চাঁদপুর নাকি পদ্মার কোন দেশের ইলিশ জানা নেই। সময় ১৯৭২-১৯৭৩